Tech Rx"
Welcome to Tech Rx the premier destination for expert computer repair services.
আজকে দাবি করছে কোটা নিয়ে কাল আন্দোলন করবে হিন্দু হটাও এই স্লোগান নিয়ে
ডিসপ্লে না আসার কারণ:
র্যাম মেমেরি সমস্যার কারণ।
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যার কারণ।
ভিজিএ লুজ কানেকশন সমস্যা।
র্যামের মেমরি সমস্যা
প্রথমে মনিটরের পাওয়ার এবং সিপিইউ ডিসপ্লে আউটপুট থেকে মনিটর পর্যন্ত সব কানেকশন ঠিক আছে কি-না ভালো ভাবে চেক করুন। দরকার হলে একবার ভিজিএ ক্যাবলটি খুলে আবার শক্ত করে লাগিয়ে নিন। তারপর র্যামটি খুলে ভালো ভাবে কানেক্টর পিনগুলো থিনার দিয়ে পরিস্কার করে লাগাতে হবে। দরকার হলে র্যামের পরিবর্তন করতে হবে অথবা অন্য স্লটে র্যাম লাগাতে হবে। প্রধানত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে র্যাম লুজ বা র্যামের সমস্যা জনিত কারণে ডিসপ্লেতে কিছু আসে না।
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা
আর যদি কম্পিউটার অন করার পর ইন্টারনাল সিস্টেম স্পীকারে তিনবার ছোটো ছোটো বিপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা রয়েছে। আর যদি এক্সট্রা গ্রাফিক্স কার্ড লাগানো থাকে তাহলে আপনার গ্রাফিক্স কার্ড চেক করুন। দরকার হলে অন্য একটি গ্রাফিক্স কার্ড লাগিয়ে দেখতে হবে। আর যদি বিল্ট ইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে এক্সট্র গ্রাফিক্স কার্ড লাগিয়ে ডিসপ্লেটি পরিক্ষা করতে হবে।
কানেকশন লুজ সমস্যা
একটি পিসিতে থাকা ডিসপ্লে সর্ম্পকৃত সকল কানেকশন লুজ আছে কি-না তা পরিক্ষা করতে হবে। অথবা সব কানেকশন গুলো খুলে আবার শক্ত করে লাগাতে হবে। যেমন- ভিজিএ ক্যাবল, র্যাম, গ্রাফিক্স কার্ড এবং প্রসেসর খুলে পরিস্কার করে আবার লাগাতে পারেন। কারণ এগুলো ডিসপ্লের সাথে সরাসরি জড়িত। দরকার হলে পরিশেষে বায়োস রিসেট দিয়ে নিতে হবে।
উইন্ডোজ এর জন্য সেরা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার খোঁজার ক্ষেত্রে দেখতে হবে যাতে এটি পিসিকে সুরক্ষিত রাখে, পরিমিত সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করে, ব্যবহার করা সহজ হয় এবং প্রয়োজন ব্যতীত যাতে বিরক্তির উদ্রেক না করে। এই পোস্টে আমরা উইন্ডোজের জন্য সেরা কিছু এন্টিভাইরাসের সাথে পরিচিত হব। প্রথমেই একটি আদর্শ এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারে যেসব বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত তা নিম্নে আলোচিত হল।
মূল্যঃ টাকা দিয়ে ক্রয় করলেই যে সেই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার আপনাকে যথাযথ সুরক্ষা দিবে এবং ফ্রি সফটওয়্যার কোনো কাজেরই না, সেটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আমাদের এই তালিকার প্রত্যেকটি এন্টিভাইরাসই বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য, কিন্তু যথেষ্ট কার্যকর। আপনি যদি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস ইন্সটল করার জন্য এই পোস্টটির সাহায্য নিয়ে থাকেন, তবে তালিকার যেকোনো একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।
গোপনীয়তাঃ কম্পিউটারের সকল চলমান প্রসেস পর্যবেক্ষণ করাই একটি কার্যকর এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর কাজ। তবে কম্পিউটারে চলমান এই সুরক্ষা ব্যবস্থার আড়ালে সফটওয়্যারটি ব্যবহার্য ডাটা অন্য কোম্পানির কাছে হাতবদল করছে কিনা, তাও নিশ্চিতকরণ জরুরি। এজন্য এন্টিভাইরাসের রিভিউ পড়ে নেওয়া জরুরি।
চলুন জেনে নিই বর্তমান সময়ের সেরা ৫ ফ্রি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সম্পর্কে, যা থেকে আপনি যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন।
1. মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার:-
আপনি যদি উইন্ডোজ ব্যবহারকারী হন তাহলে উইন্ডোজ ১০ এবং ১১ তে ফ্রিতেই ডিফল্টভাবে মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার পেয়ে যাবেন। এটি মাইক্রোসফটের নিজস্ব বিল্ট ইন এন্টিভাইরাস এবং উইন্ডোজে এটা ফ্রিতেই ব্যবহার করা যায়। মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার খুব সহজ এবং সিম্পল একটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম যা নিজে থেকেই আপডেটেড থেকে আপনার পিসিকে সুরক্ষিত রাখে।
এতে ফায়ারওয়াল সুবিধা রয়েছে, ডিভাইসের বিভিন্ন সিকিউরিটি ইস্যু চেক করে আপনাকে জানাতেও এটি সক্ষম। সেইসাথে চাইলে যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার আপনি ম্যানুয়ালিও চেক করে দেখতে পারবেন। আপনি যদি অনিরাপদ জায়গা হতে কোন ফাইল না নামান বা নিজে হতে অনিরাপদ কোন কাজ না করে ফেলেন তাহলে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার আপনাকে ভালোভাবেই সুরক্ষিত রাখতে পারবে। সেই সাথে এটি উইন্ডোজের সাথে খুব ভালোভাবে অপটিমাইজড বলে সিস্টেমের উপর আলাদা কোন প্রভাব ফেলে না।
2.বিট ডিফেন্ডার ফ্রি এন্টিভাইরাস
দীর্ঘ সময় ধরে বিট ডিফেন্ডার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে খুব বিশ্বস্ত একটি নাম। এটির পেইড ভার্সন থাকলেও ফ্রি ভার্সন একই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ব্যাসিক প্রোটেকশন দিতে পারে। এটি রিয়েল টাইমে আপনার ফাইলগুলোকে চেক করতে পারে এবং অনিরাপদ যেকোনো ফাইলকে নিজে থেকেই মুছে দিয়ে সিস্টেমকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। পেইড ভার্সন হতে কিছু ফিচার ফ্রি ভার্সনে কম পেলেও এটি খুব সহজেই ভাইরাস ডিটেক্ট করতে পারে প্রিমিয়াম সফটওয়্যারের মতো করেই।
এটি খুব সহজ ও সিম্পল একটি সফটওয়্যার যা ইন্সটল করে নিলেই আপনি চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন। এটি খুব বেশি রিসোর্স ব্যবহার করে না বলে আপনার পিসিও ল্যাগ করবে না। তাছাড়া এর ফ্রি ভার্সনেই লাইভ কাস্টমার সাপোর্ট রয়েছে যা আর কোন ফ্রি এন্টিভাইরাসে নেই। যেকোনো সমস্যায় তাদের সাপোর্ট হতে সাহায্য পেয়ে যাবেন দ্রুত।
3.এভিরা ফ্রি সিকিউরিটি এন্টিভাইরাস
এন্টিভাইরাসের জগতে এভিরা খুব পরিচিত একটি নাম। প্রায় ৩৫ বছর ধরে তারা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার বানিয়ে আসছে আর তাই তাদের ভাইরাস ডিটেকশন ডাটাবেজও অনেক সমৃদ্ধ। এই এন্টিভাইরাসটিও অনেক হালকা, সিস্টেমে খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। এছাড়া এতে রিয়েল টাইম প্রোটেকশনের পাশাপাশি কিছু আলাদা ফিচারও দেয়া আছে যার মধ্যে ড্রাইভার আপডেটার, সিস্টেম ক্লিনাপ, ডুপ্লিকেট ফাইন্ডার ইত্যাদি অন্যতম।
ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে প্রাইভেসি দিতে তাদের নিজেদের ভিপিএন দেয়া রয়েছে। এর ফায়ারওয়াল সিস্টেমও বেশ শক্তিশালী তাই হ্যাকারদের আপনার সিস্টেমের কন্ট্রোল নেয়া নিয়েও চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন সহজেই। ফ্রি এন্টিভাইরাস হিসেবে এটি একটি শক্তিশালী ও ফিচার রিচ এন্টিভাইরাস।
4.এভিজি এন্টিভাইরাস ফ্রি
এভিজিও এন্টিভাইরাসের দুনিয়াতে খুব জনপ্রিয় ও পুরনো একটি নাম। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা সিকিউরিটি সফটওয়্যার তৈরি করছে। তাদের ফ্রি এন্টিভাইরাসটিও বেশ জনপ্রিয়। ৬ টি লেয়ারের সিকিউরিটি ব্যবস্থা দেয়া আছে তাদের ফ্রি এন্টিভাইরাসে। ম্যালওয়্যার প্রোটেকশনের পাশাপাশি এটি আপনাকে অনিরাপদ ইমেইল সম্পর্কে অবহিত করে তা ব্লক করে দিতে পারে। এছাড়া রিয়েল টাইমে প্রোটেকশন, ফিশিং প্রোটেকশনও দিতে সক্ষম এটি। ওয়েবক্যাম প্রোটেকশন দেবার মাধ্যমে এটি আপনার প্রাইভেসি রক্ষা করতেও বেশ কার্যকরী। এর ফায়ারওয়াল হ্যাকারদের এটাক রুখে দিতে সক্ষম। এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন এই ফ্রি এন্টিভাইরাসটি।
4. অ্যাভাস্ট ওয়ান এসেন্সিয়াল
অ্যাভাস্ট সম্ভবত ফ্রি এন্টিভাইরাস হিসেবে সবথেকে জনপ্রিয় একটি নাম। দীর্ঘদিন ধরে তারা ফ্রি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার তৈরি করে আসছে এবং ভাইরাস ডিটেকশনে তারা অত্যন্ত শক্তিশালী। তবে তাদেরকে এই লিস্টের শেষে রাখবার কারন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের ডাটা সংগ্রহ করে রাখার অভিযোগ রয়েছে। অন্য এন্টিভাইরাসের মতোই এটিও রিয়েল টাইমে ম্যালওয়ারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে। ফ্রি ভিপিএন আছে তাদের এই ফ্রি সফটওয়্যারে নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের জন্য। এছাড়া ইমেইল প্রোটেকশন, হ্যাকারদের বিরুদ্ধে প্রোটেকশন দিতে পারে এটি। সিস্টেম স্পিড আপ করতে বেশ কিছু ফিচারও দেয়া আছে এতে। ডাউনলোড করে নিতে পারেন
নতুনদের অনেকেই না জেনে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন
নতুন ফ্রিল্যান্সারদের অনেকেরই নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা না থাকায় টাইপের কাজ করে দ্রুত আয় করতে চান। আর তাঁদের এই দুর্বলতার সুযোগ নেন মার্কেটপ্লেসে থাকা অনেক ক্লায়েন্ট। কাজ দেওয়ার নামে বেশ কিছু শর্তও দেন তাঁরা, যার মধ্যে অর্থ জামানত রাখা অন্যতম।
১০ থেকে ২০০ ডলার জমা রাখলেই পৃষ্ঠাপ্রতি ৮০ ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রলোভন দেখান তাঁরা। ফলে নতুন ফ্রিল্যান্সাররা হন্যে হয়ে চেষ্টা করেন কীভাবে জামানতের অর্থ পাঠানো যায়। এখানেই সব থেকে বড় ভুল করেন নতুন ফ্রিল্যান্সরা। কারণ, ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে টাকা জামানত রাখা বেশির ভাগ মানুষ প্রতারণার শিকার হন। বিষয়টি জানা থাকায় এসব ক্লায়েন্টকে এড়িয়ে চলেন মার্কেটপ্লেসে দীর্ঘদিন কাজ করা ফ্রিল্যান্সাররা। তবে নতুনেরা দ্রুত আয় করার আশায় প্রতারকদের দেওয়া ফাঁদে পা দেন
ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে নিরাপদ থাকতে যা জানতে হবে:
কোনো অবস্থাতেই ক্লায়েন্টের সঙ্গে মার্কেটপ্লেসের বাইরে যোগাযোগ করা যাবে না (নতুনদের জন্য)।
মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য কোনো ধরনের জামানত দিতে হয় না।
টাইপ করার কাজ এড়িয়ে চলা।
ক্লায়েন্টের পেমেন্ট অপশন মার্কেটপ্লেসে যাচাই করা আছে কি না, তা পরীক্ষা করা।
মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্টের কাজ দেওয়ার ইতিহাস যাচাই করা।
অনেকসময় রাউটারের অনেক সমস্যার কারণে আমরা খারাপ ইন্টারনেট স্পিড পাই এবং এর জন্য আইএসপিকে দোষারোপ করি। তাই নতুন একটি ওয়াইফাই রাউটার কেনার আগে রাউটারের কিছু ফিচারস দেখে এবং বুঝে কেনা উচিত যাতে পরবর্তীতে আপনাকে রাউটারটি কেনার ব্যাপারে রিগ্রেট করতে না হয়। চলুন দেখে নেওয়া যাক, নতুন রাউটার কেনার আগে কি কি বিষয় আপনার মাথায় রাখা উচিৎ।
১. অবশ্যিই ওয়াইফাই ৬ সাপোর্টেড রাউটার কেনা।
২. ৫ গিগাহার্জ এর লাইন ইউজ করা
৩. qos
৪. Mu-Mimo সাপোর্ট
12/05/2023
Hey there! Welcome to Tech RX. To get know about our service and quotation leave us a message we will get back to you soon
12/05/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Bngladesh
Dhaka
1207