Shaiful Hossain
We have the objective of building financial discipline in the masses by simplifying Economics, Business, and Financial concepts.
Shaiful Hossain is the spearhead of this mission.
03/10/2024
কাজের প্রতি মনোযোগ: সফলতার মূলমন্ত্র
সাইফুল হোসেন
কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য—ব্যক্তিগত, পেশাগত বা সৃজনশীল। আমরা প্রতিদিন নানান কাজের মধ্যে জড়িয়ে থাকি, এবং প্রতিটি কাজ সফলভাবে করতে হলে মনের একাগ্রতা প্রয়োজন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কীভাবে মনের বিচ্যুতি দূর করে মনকে নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রস্তুত করবো?
একাগ্রতা এবং মনোযোগই যদি সফলতার মূলমন্ত্র হয়, তাহলে তা অর্জন করতে গেলে কী কী বিষয় বিবেচনা করতে হবে? প্রথমে, লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। যে কোনো কাজ শুরু করার আগে আপনার লক্ষ্য কী, কেন করছেন, এবং এর মাধ্যমে আপনি কী অর্জন করতে চান—এটি স্পষ্টভাবে জানা জরুরি।
উদ্দেশ্য পরিষ্কার না হলে, কোনো কাজেই মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব নয়। আমরা অনেক সময় ছোট কাজকে তুচ্ছ ভাবি এবং মনোযোগ ছাড়াই তা শেষ করতে চাই। কিন্তু সেই কাজটি হয়তো একটি বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ধরুন আপনি একটি রিপোর্ট তৈরি করছেন। যদি আপনার মনে থাকে যে এই রিপোর্টটি আপনার পেশাগত উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে মন অন্য দিকে বিভ্রান্ত হবে না।
মনোযোগ ধরে রাখার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ, মনের শান্তি, ইতিবাচক মানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থতা জরুরি। যখন আমরা আমাদের মনকে প্রস্তুত করতে পারি এবং কাজের প্রতি সম্পূর্ণভাবে নিবদ্ধ থাকতে পারি, তখনই সেই কাজের ফলাফল সফলভাবে আসবে।
লক্ষ্য যদি পরিষ্কার থাকে, তাহলে সেই কাজের প্রতি আপনার নিবেদনও বেশি থাকবে। তবে শুধু লক্ষ্য জানা থাকলেই হবে না, মনের শান্তি ও স্থিতিশীলতাও জরুরি। আমরা প্রায়ই নানান চিন্তা, উদ্বেগ বা মানসিক অস্থিরতার মধ্যে কাজ শুরু করি। কিন্তু এ ধরনের মানসিক অবস্থা থেকে ভালো ফলাফল আশা করা যায় না। কাজ শুরুর আগে কয়েক মিনিটের জন্য মনকে শান্ত করার চেষ্টা করা উচিত। এটি হতে পারে ধ্যানের মাধ্যমে বা কিছু সময় নীরবতা ধরে রেখে। মনকে স্থিতিশীল রাখলে কাজের প্রতি একাগ্রতা ধরে রাখা সহজ হয়। যখন মন শান্ত থাকে, তখন আমরা জটিল কাজগুলোও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারি।
কাজের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, কাজটি ছোট ছোট ধাপে ভাগ করা। অনেক বড় কাজ শুরু করার সময় আমরা প্রায়ই মনে করি এটি কীভাবে শেষ করবো। এই ধরনের উদ্বেগ এড়ানোর জন্য কাজটি বিভিন্ন ধাপে ভাগ করা অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিটি ছোট অংশ সফলভাবে শেষ করলে, কাজটি সহজ ও সাশ্রয়ী মনে হয়। যেমন, একটি বড় প্রজেক্টের কাজ যখন নানা ধাপে ভাগ করা হয়—প্রথমে গবেষণা, তারপর পরিকল্পনা এবং শেষে বাস্তবায়ন—তখন কাজটি আমাদের কাছে সহজ মনে হয়। প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হলে আমাদের মধ্যে সাফল্যের একটি অনুভূতি কাজ করে, যা পরবর্তী ধাপের জন্য প্রেরণা জোগায়।
এছাড়া, যে কোনো কাজ করার সময় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা অপরিহার্য। আমাদের জীবনে প্রায়ই অনেকগুলো কাজ একসঙ্গে করতে হয়, তবে সব কাজের গুরুত্ব সমান নয়। তাই কোন কাজটি আগে করতে হবে, সেটি বোঝা অত্যন্ত জরুরি। একসঙ্গে অনেক কাজ করার চেষ্টায় আমরা প্রায়ই কোনোটিই সঠিকভাবে শেষ করতে পারি না। অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাজ করলে আমরা সময় বাঁচাতে পারি এবং মনোযোগও সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি। তাই একটি কাজ সম্পন্ন করার পরই অন্য কাজের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
তবে মনোযোগ নষ্ট হওয়ার একটি বড় কারণ হলো বাহ্যিক বিঘ্ন। বর্তমান যুগে মোবাইল ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নানান ধরনের প্রযুক্তি আমাদের মনোযোগ ধরে রাখার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের সময় মোবাইল নোটিফিকেশন বা কল আসা এবং এসব কারণে আমাদের মন বিচ্যুত হয়। তাই কাজের সময় বাইরের জগৎ থেকে কিছু সময়ের জন্য নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা খুবই কার্যকর হতে পারে। যেমন, কাজের সময় ফোন সাইলেন্টে রাখা বা নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যেতে পারে।
মনোযোগ ধরে রাখার জন্য ইতিবাচক মানসিকতাও প্রয়োজন। কোনো কাজ শুরু করার আগে যদি আপনার মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব না থাকে, তাহলে সেই কাজটি সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হবে না। কাজ শুরুর আগে নিজেকে বলুন, ‘আমি এটি করতে পারবো’—এবং সেই ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে কাজ শুরু করুন। অনেক সময় কাজ শুরুর আগেই আমরা ধরে নিই এটি অনেক কঠিন বা অসম্ভব। সেই নেতিবাচক চিন্তা আমাদের কাজে ব্যাঘাত ঘটায় এবং সাফল্যের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
শেষ পর্যন্ত, শারীরিক সুস্থতা এবং মানসিক বিশ্রামও মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা যদি শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকি, তাহলে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত ঘুম এবং সঠিক খাদ্য গ্রহণ আমাদের মানসিক এবং শারীরিক শক্তি বজায় রাখে, যা কাজে ফলপ্রসূতা এনে দেয়। কাজের আগের রাতে ভালো ঘুমানো এবং সময়মতো বিরতি নেওয়া সঠিকভাবে কাজ শেষ করার পথে সহায়ক হতে পারে। কোনো কাজ সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য মনোযোগ একান্ত প্রয়োজনীয়।
মনোযোগ ধরে রাখার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ, মনের শান্তি, ইতিবাচক মানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থতা জরুরি। যখন আমরা আমাদের মনকে প্রস্তুত করতে পারি এবং কাজের প্রতি সম্পূর্ণভাবে নিবদ্ধ থাকতে পারি, তখনই সেই কাজের ফলাফল সফলভাবে আসবে।
লেখক: দি আর্ট অব পার্সোনাল ফাইনান্স ম্যানেজমেন্ট বইয়ের লেখক, কলামিস্ট, ইউটিউবার এবং ফাইনান্স ও বিজনেস স্ট্রাটেজিস্ট।
কাজের প্রতি মনোযোগ: সফলতার মূলমন্ত্র কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয...
29/09/2024
My Recent Article in TBS Bangla
টাকা আয়ের শর্টকাট পথ আছে কি? যাদের মনে শর্টকাট পথে টাকা আয় করার চিন্তা রয়েছে, তারা প্রায়ই অপরাধমূলক কাজ বা অনৈতিক পথে চলে যান। এগুলো সাময়িকভাব....
26/09/2024
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা: জীবনের একটি অপরিহার্য কাজ
অর্থ এমন একটি বিষয়, যা আমাদের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে। আমরা প্রতিনিয়ত আয় করি, খরচ করি এবং কিছুটা সঞ্চয়ের চেষ্টা করি, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা দেখেছি যে পরিকল্পনার অভাবে এই অর্থের সঠিক ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। আজকের আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা কেবল একটি দক্ষতা নয়, বরং এটি একটি অপরিহার্য কাজ। সঠিক অর্থ ব্যবস্থাপনা জীবনের মান উন্নত করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য সুরক্ষিত করতে সহায়ক হয়।
বিভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে অনেকেই এই বিষয়ে সচেতন নন, ফলে তারা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বড় ধরনের আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হন। এই নিবন্ধে আমরা ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয় কৌশল এবং তা জীবনে বাস্তবায়নের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব
প্রতিটি মানুষের জীবনে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিকভাবে অর্থ পরিচালনা না করতে পারলে ভবিষ্যতে আর্থিক চাপ বা সঙ্কটে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে একটি সুষম ভারসাম্য তৈরি করা খুবই জরুরি, কারণ এটা আপনাকে আপনার জীবনের আর্থিক লক্ষ্য অর্জন করতে সাহায্য করবে।
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা জীবনের একটি অপরিহার্য কাজ। এর মাধ্যমে আপনি আপনার আর্থিক জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন এবং ভবিষ্যতের জন্য সুরক্ষা তৈরি করতে পারেন। বাজেট তৈরি, সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং ঋণমুক্ত থাকার পরিকল্পনা হলো ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার মূল দিক।
১. ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি
আমাদের জীবনে অনেক অনিশ্চয়তা থাকে। অসুস্থতা, চাকরি হারানো, বা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতি যেকোনো সময়ে আসতে পারে। তাই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা এই প্রস্তুতির প্রধান দিক। সঠিকভাবে সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ করলে, আপনি যেকোনো ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।
২. ঋণমুক্ত জীবন
অনেকেই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ঋণের মধ্যে পড়েন। কিন্তু সঠিকভাবে অর্থ ব্যবস্থাপনা করলে, ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যায়। ঋণ যদি নিতেই হয়, তবে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আপনি কীভাবে তা সঠিক সময়ে শোধ করবেন, সেই পরিকল্পনা করা সম্ভব। ঋণমুক্ত জীবন আর্থিক স্বাধীনতার মূল চাবিকাঠি।
৩. মানসিক শান্তি
অর্থনৈতিক সমস্যা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। পরিকল্পনাহীন অর্থ ব্যবস্থাপনা মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং হতাশার জন্ম দিতে পারে। তবে সঠিক পরিকল্পনা এবং বাজেটিংয়ের মাধ্যমে এই মানসিক চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব। আপনি যদি জানেন আপনার খরচ কোথায় যাচ্ছে এবং কতটুকু সঞ্চয় করছেন, তাহলে মানসিকভাবে অনেকটাই শান্তি পাবেন।
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার প্রধান কৌশল
১. বাজেট তৈরি করা
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার প্রথম এবং প্রধান ধাপ হলো বাজেট তৈরি করা। বাজেট আপনাকে আপনার আয় এবং ব্যয়ের একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেয়। আপনি কোন খাতে কতটা ব্যয় করছেন এবং কোথায় আপনি কমিয়ে খরচ করতে পারেন, তা বাজেটের মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায়। বাজেট তৈরি করার সময় আপনার আয়ের একটি অংশ সঞ্চয়ের জন্য রাখুন এবং প্রয়োজনীয় খরচের পরে যা থাকে, তা বিভিন্ন বিনিয়োগের মাধ্যমে বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
বাজেট তৈরির জন্য আপনি বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করতে পারেন। আপনি চাইলে একটি খাতা বা ডায়েরিতে আপনার আয় এবং ব্যয় লিপিবদ্ধ করতে পারেন, অথবা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখতে পারেন। এতে আপনি আপনার আর্থিক অবস্থার একটি স্পষ্ট ধারণা পাবেন এবং খরচের ক্ষেত্রে সচেতন হতে পারবেন।
২. সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ
সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ হলো ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিক। সঞ্চয় আপনাকে জরুরি পরিস্থিতিতে আর্থিক সুরক্ষা দেয়, আর বিনিয়োগ ভবিষ্যতের জন্য আরও আয় নিশ্চিত করে। সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি জরুরি তহবিল তৈরি করা, যা কমপক্ষে ৩ থেকে ৬ মাসের খরচ মেটাতে সক্ষম হবে।
বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনি আপনার সঞ্চয়ের উপর আরও আয় করতে পারেন। তবে বিনিয়োগ করার সময় ঝুঁকি এবং লাভের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে, যেমন শেয়ার বাজার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সঞ্চয়পত্র বা সম্পত্তি। আপনি আপনার ঝুঁকির পরিমাণ এবং আর্থিক লক্ষ্য অনুযায়ী বিনিয়োগের মাধ্যম বেছে নিতে পারেন।
৩. ঋণ শোধের পরিকল্পনা
যদি আপনার কোনো ঋণ থাকে, তাহলে সেটি শোধ করার একটি কার্যকরী পরিকল্পনা করা জরুরি। প্রথমে বেশি সুদের ঋণগুলোর দিকে মনোযোগ দিন এবং সেগুলো শোধ করার চেষ্টা করুন। একবার ঋণমুক্ত হলে, ভবিষ্যতে আর ঋণের মধ্যে না পড়ার জন্য সচেতন থাকুন। ঋণমুক্ত জীবনযাপন আপনাকে আর্থিকভাবে আরও স্বাধীন ও স্বচ্ছন্দ করবে।
৪. লক্ষ্য নির্ধারণ করা
আপনার জীবনের আর্থিক লক্ষ্য কী, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি হতে পারে বাড়ি কেনা, সন্তানের পড়াশোনার জন্য অর্থ সঞ্চয়, অবসর জীবন পরিকল্পনা, বা একটি বড় বিনিয়োগ করা। যে লক্ষ্যই হোক না কেন, সঠিক পরিকল্পনা এবং ধাপে ধাপে কাজ করে আপনি সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন। ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আপনি আপনার লক্ষ্যগুলো নির্ধারণ করতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবেন।
৫. অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো
আমরা প্রায়ই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অপ্রয়োজনীয় খরচ করে থাকি। এই খরচগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে আপনার সঞ্চয় অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়াতে কিছু কৌশল অনুসরণ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বাইরে খাবারের বদলে বাড়িতে রান্না করা খাবার খেতে পারেন, অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা এড়াতে পারেন, এবং অবসর সময়ে সস্তা বিনোদন বেছে নিতে পারেন।
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা: একটি স্থায়ী অভ্যাস
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা একটি অভ্যাস, যা আপনাকে প্রতিনিয়ত চর্চা করতে হবে। এটি একদিনের কাজ নয়, বরং একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সময়ের সাথে সাথে আপনার আয়-ব্যয় এবং আর্থিক লক্ষ্যগুলোর পরিবর্তন আসতে পারে, তাই এই পরিবর্তনের সাথে সাথে আপনার পরিকল্পনাও পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
আপনার আয় যতই হোক না কেন, সঠিক অর্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আপনি সবসময়ই আর্থিক সুরক্ষা পেতে পারেন। আর্থিকভাবে সফল হতে হলে আপনাকে নিজের খরচ ও সঞ্চয়ের প্রতি সচেতন হতে হবে এবং একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতে হবে।
অর্থ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ধৈর্য এবং পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি যদি একবার এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন, তবে আপনার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আপনি আর্থিকভাবে নিরাপদ থাকবেন। ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা শুধু একটি দক্ষতা নয়, বরং এটি আপনার জীবনকে আরও সুরক্ষিত, সুশৃঙ্খল এবং সফল করার একটি উপায়।
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা জীবনের একটি অপরিহার্য কাজ। এর মাধ্যমে আপনি আপনার আর্থিক জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন এবং ভবিষ্যতের জন্য সুরক্ষা তৈরি করতে পারেন। বাজেট তৈরি, সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং ঋণমুক্ত থাকার পরিকল্পনা হলো ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার মূল দিক। এসব কৌশল মেনে চললে আপনি আর্থিকভাবে স্বাধীন হতে পারবেন এবং জীবনে আরও আত্মবিশ্বাসের সাথে সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন।
যে কোনো ব্যক্তির জীবনে সঠিক অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি যত দ্রুত এই অভ্যাস গড়ে তুলবেন, ততই আপনার জীবন হবে সহজ, সমৃদ্ধ এবং সুরক্ষিত।
লেখক: দি আর্ট অব পার্সোনাল ফাইনান্স ম্যানেজমেন্ট বইয়ের লেখক, কলামিস্ট, ইউটিউবার এবং ফাইনান্স ও বিজনেস স্ট্রাটেজিস্ট।
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা: জীবনের একটি অপরিহার্য কাজ অর্থ এমন একটি বিষয়, যা আমাদের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে। আমরা প্রতিনিয়ত আয় করি, খরচ করি এবং কিছুটা সঞ্চয়ের চে...
21/09/2024
ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনায় বাজেটে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ বর্তমান সময়ে অর্থ সঞ্চয় এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন দিন ব্যয়ের ধরন পরি....
Please have a look. Thanks
Be CAREFUL of your RETIREMENT
রাগ করে চাকরী ছাড়া কি ঠিক হবে??
আপনার মাইন্ডসেট কি ধনীদের মত? চেক করুন।
আজকের ভিডিও
29/04/2024
LIVE ALERT!!
আগামীকাল আমাদের ৫ দিনের কোর্স শুরু হচ্ছে রাত ৮.৩০ এ (বাংলাদেশ সময়)। ফিস ডিস্কাউন্ট দিয়েছি অনেকের বিশেষ করে প্রবাসী ভাইদের অনুরোধে। ফিস মাত্র ১০০০ টাকা। (যারা টাকা যোগাড় করতে পারবেন না তাঁদের জন্য)। বলেছি ১০০০ টাকা বিকাশ বা নগদে পাঠিয়ে নাম ও ঠিকানা হোয়াটস আপ (01974033300) করে দিলেই আমরা রেজিস্ট্রেশান করে নিব।
এই কোর্স বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলার জন্য আজ বিকেল ৫.৩০ এ আমি লাইভে থাকব finfacts এর পেইজ থেকে। আশা করি আপনারা আমার সাথে যুক্ত হয়ে পার্সোনাল ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে এবং আমাদের কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন।
আমাদের সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
-সাইফুল হোসেন
আপনার ফাইনান্স মেন্টর
০১৯৭৪০৩৩৩০০ (হোয়াটস আপ)
https://www.facebook.com/finfactsbd/
একদিনের জন্য অপূর্ব সুযোগ- ৫০% এর বেশী ডিস্কাউন্ট
৩০শে এপ্রিল শুরু হচ্ছে আমাদের পার্সোনাল ফাইনান্স ম্যানেজমেন্ট কোর্স। অনেকের অনুরোধে আমি একদিনের জন্য রেজিস্ট্রেশান খরচ মাত্র ১০০০ টাকা নির্ধারণ করেছি। আমি চাই সবাই- দেশি ও প্রবাসি ভাইবোনেরা- আমার সাথে সংযুক্ত থাকুক। দেরী না করে আপনারা ০১৯৭৪০৩৩৩০০ এই নাম্বারে ১০০০ টাকা বিকাশ করে আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
আমার হোয়াটস আপ নাম্বারে পেমেন্টের প্রুফ পাঠিয়ে দিন এখুনি।
দেখা হবে ৩০শে এপ্রিল রাত ৮.৩০ এ।
আর হ্যাঁ, যারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তাঁদের জন্য রেকর্ডেড ভিডিওর ব্যবস্থা থাকছে।
আর দেরী না করে আপনার আর্থিক স্বাধীনতার পথে যাত্রা শুরু করুন, কোর্সে এনরল করুন।
-সাইফুল হোসেন
আপনার ফাইনান্স মেন্টর
০১৯৭৪০৩৩৩০০ (হোয়াটস আপে মেসেজ করবেন প্লিজ)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Niketon
Dhaka
1212