The Halal Topic
This is Islamic page.Islamic posts will be posted here. Follow and share the page for the sake of Islamic dawah .
20/12/2024
গাজীপুরে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষে নিহত হওয়ার মামলায় মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারী মোয়াজ বিন নুরকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ইত্তেফাক
01/12/2024
১৮ জুলাই ২০২৪
যাত্রাবাড়ীর এক গলি থেকে ফজর নামাজ পড়ে ৩/৪ টা ছেলে মেইন রোডের দিকে যাচ্ছিল। তাদের উদ্দেশ্য, ভোর হবার আগেই যাত্রাবাড়ী চিটাগং রোড হাইওয়ে দখলে নেয়া।
আর মাত্র ৫ টা বিল্ডিং পরে গলি শেষ, সামনে মেইন রোড। হঠাৎ গুলির শব্দ, তাদের একজন সঙ্গী লুটিয়ে পড়ল। ছেলেটার নাম মারুফ। হতবিহ্বল বাকীরা বুঝতে পারছিল না কোথা থেকে গুলি এসেছে, কে গুলি করেছে। এদিকে লুটিয়ে পড়া সঙ্গীর শরীর থেকে গলগল করে রক্ত বের হচ্ছে। তার দিকে ভালো ভাবে তাকাতেই ২য় গুলির শব্দটা শোনা গেল। উপস্থিত সবাই মাটিতে শুয়ে পড়ল। এদের গায়ে গুলি লাগে নি। এরা নিরাপত্তার জন্য শুয়েছে৷ আহত মারুফকে টেনে হিঁচড়ে গলির ভেতরে নিয়ে যাওয়া হলো। মারুফের কাঁধ ছুয়ে গুলি বেরিয়ে গেছে। রাবার বুলেট না। এটা স্নাইপার বুলেট। এগুলো যুদ্ধে ব্যবহার করা হয় আরেক দেশের সৈন্য হত্যা করতে।
এদিকে যাত্রাবাড়ী বাসী গত ৩ দিন গুলির শব্দ শুনে অভ্যস্ত তবে এখন ভোর হওয়ায় শব্দের মাত্রাটা বেশি ছিল। এলাকার সবার ঘুম ভেঙে গেল। অনেকে বাসা থেকে নেমে গেল। বাইরে কী হচ্ছে জানার জন্য।
গুলির শব্দের উৎস নিয়ে আলোচনা করে বের করা হলো গলির মাথায় কোনো বাড়িতে স্নাইপার আছে। গলি থেকে বের হলেই গুলি করবে। কিন্তু কোন বিল্ডিং এ স্নাইপার সেটা জানে না কেউ। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে হলে মেইন রোডে যেতে হবে। যদিও এটা যাত্রাবাড়ী। মেইন রোডে যাওয়ায় অনেকগুলো রাস্তা আছে। আশেপাশের গলি থেকেও সেইম তথ্য এলো। গলি থেকে বের হতেই অদৃশ্য স্থান থেকে তাদের উপর গুলি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নিল যে করেই হোক স্নাইপারের লোকেশন বের করতে হবে। এটা বের করার জন্য জানবাজ কিছু লোক দরকার যার গুলি খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কয়েকজনকে আগে গলি থেকে বের হতে হবে। পেছনে পেছনে কিছু লোক দেখবে কোন বাসা থেকে গুলি করছে। কে হবে সেই জানবাজ?
ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলে আগে যেতে রাজি হলো। সে একা একা আগে যাবে।
ছেলেটার নাম অনিক। সে বন্ধুর সাথে কোলাকুলি করল। এক বন্ধুর কানে কানে বলল "আমার কিছু হলে মাকে সান্ত্বনা দিস।" বন্ধু দুস্টামি করে উত্তর দিল "আর তোর ক্রাশ?" অনিক উত্তর দিল "তাকে আমার কথা বলিস।'
হাসিমুখে অনিক গলির মুখের দিকে এগোলো। তার চোখে সতর্ক দৃষ্টি। আগে যেখানে মারুফ গুলি খেয়েছে ঠিক সেই স্থানে আসার সাথে সাথে গুলির শব্দ শোনা গেল। এদিকে অনিক আগে থেকেই একে বেঁকে চলছিল। গুলি তার গায়ে লাগে নাই। তবে গুলিটা আশেপাশের কোথাও দিয়ে গেছে বোঝা গেছে। অনিক পেছন দিকে না গিয়ে সামনের দিকে দৌড় দিল। এবার আরেকটা গুলি হলো। এটাও অনিকের গায়ে লাগে নাই। এদিকে অনিকের পেছন পেছন আরো ২ টা ছেলে এলোমেলো ভাবে দৌড়াচ্ছিল। পেছন থেকে শরীফ আর শাহাদাৎ ভাই মোটামুটি একটা ধারনা পেলেন কোন বিল্ডিং থেকে গুলি করেছে। এদিকে অনিক ও ২ টা ছেলে গলির মাথায় পৌঁছে গেছে। তারা একটা বিল্ডিং এর ঠিক নিচে অবস্থান করছে। এখানে উপর থেকে কেউ গুলি করতে পারবে না। এদিকে শরীফ আর শাহাদাৎ আগের জায়গায় ফিরে গেল। সেখানে এখন মিনিমাম ১০০ জন আন্দোলনকারী। আরো অনেকেই জড়ো হচ্ছে।
সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছে গলির মুখে অদৃশ্য স্নাইপার অবস্থান করছে। কোন বিল্ডিং থেকে গুলি করা হয়েছে সেই ধারনাও পেয়ে গেছে। তারা এটা নিয়ে বলাবলি করল। এক পর্যায়ে তারা জানতে পারল ঐ বিল্ডিংটার মালিক এক আওয়ামীলীগ নেতা। তার মানে তাদের ধারণা সঠিক। আওয়ামীলীগ নেতার বাসায় পুলিশ অথবা আওয়ামীলীগের স্নাইপার অস্ত্র তাক করে বসে আছে।
বিল্ডিং টা ৬ তলা। গুলি করা হয়েছে ৩ থেকে ৬ তলার মধ্য থেকে যেকোনো একটা ফ্ল্যাট থেকে। গলির যে পয়েন্টে ভোরে মারুফ গুলি খেয়েছে সেখান থেকে ৪/৫/৬ তলা ভালো করে দেখা যায়। তার মানে ৩ তলা থেকে গুলি করা হয় নি। আবার ছাদ থেকেও গুলি করা হয় নি। এদিকে ২ টা করে মোট ৬ টা ফ্ল্যাট আছে। ৩ টা ফ্ল্যাট আগেই বাদ দেয়া হলো। কারণ এই ৩ টা ফ্ল্যাট থেকে মেইন রোডের দিকে গুলি করা যাবে, গলির ভেতরের দিকে নয়। ৪/৫ ও ৬ তলাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হলো কিন্তু কাউকে দেখা গেলো না। ৫ তলার একজন মহিলা বারান্দায় এসে কী যেন দেখে রুমে ঢুকে গেলেন। তার মানে ৫ তলাতেও স্নাইপার নেই। অর্থাৎ ৪ ও ৬ তলার এদিকের ফ্ল্যাটের যেকোনো একটায় স্নাইপার আছে। এখন আন্দোলনকারীরা টার্গেট নিয়েছে এই বিল্ডিং এর দখল নিবে। তারপর বিল্ডিং এ ঢুকে স্নাইপারকে বের করবে। কাজটা খুবই ভয়ানক কারণ আন্দোলনকারী কারো হাতে পিস্তল নাই। লাঠি ও ইটের টুকরাই একমাত্র ভরসা।
আন্দোলনকারীরা এক এক করে গলির বিল্ডিং গুলোর দেয়ালের সাথে গা ঘেঁষে ঘেঁষে মেইন রোডের দিকে এগোলো। একজন একজন করে আগানোর কারণে উপর থেকে কেউ দেখার সুযোগ নেই। তাই গুলিও হলো না।
৫ মিনিটের মধ্যে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ির সামনে প্রায় শ খানেক আন্দোলনকারী হাজির হয়ে গেল।
এদিকে দারোয়ান এত লোক দেখে ভয় পেয়ে গেল। তাকে হুমকি ধামকি দিতেই সে গেইট খুলে দিল। সবাই এলাকার স্থানীয় পোলাপান। এদেরকে ক্ষেপিয়ে দারোয়ানের চাকরি করা যাবে না। গেইট খোলা পেয়েই হুড়মুড় করে ছাত্ররা বিল্ডিং এ ঢুকে পড়ল। একদল ৪ তলার টার্গেটেড ফ্ল্যাটের দরজায় আরেকদল ৬ তলার ফ্ল্যাটের দরজা ধাক্কা দিতে লাগল। ৪ তলার দরজা খুলল না কিন্তু ৬ তলার দরজা খুলে ফেলল। ভেতরে ভয়ার্ত বাসার লোকজনকে দেখে বুঝল এখানে কোন স্নাইপার থাকার কথা না। ৪ তলার দরজা কেউ খুলছে না। শব্দ শুনে পাশের রুমের দরজা খুলে একজন দেখা দিয়ে বললেন "এই বাসাটা ফাঁকা।" ফাকা বাসার কথা শুনে পোলাপানদের উৎসাহ আরো বেড়ে গেল। এক পর্যায়ে তারা দরজা ভেংগে ফেলল। ভেতরে হুড়মুড় করে ঢুকেই তারা সেই কাঙ্ক্ষিত স্নাইপারের দেখা পেল। পুলিশের পোষাক পরা দুইজন লোক রাইফেল হাতে এই বাসায় অবস্থান করছে। এই বাসাটা আসলেই ফাঁকা। দুইজন পুলিশ প্রাণ ভিক্ষার উদ্দেশ্যে মাফ চাওয়ার ভঙ্গিতে হাত জোড় করে রাখল। উত্তেজিত জনতার এখন এসব দেখার সময় নেই। তারা পুলিশ দুইজনকে উত্তম মধ্যম লাগানো শুরু করল। একজন এক রুমে দুইটা রাইফেল খুজে পেল। রাইফেলের নল এখনো গরম। তার মানে এই রাইফেল থেকেই গুলি করা হয়েছে। পুলিশ দুইজনকে মারতে মারতে বিল্ডিং এর নিচে নামানো হলো। এদিকে শোরগোল টের পেয়ে বিল্ডিং এর মালিক পালিয়ে গেল। তাকে অবশ্য বিল্ডিং এ হামলাকারী আন্দোলনকারীরা চিনত না। চিনলে তার পালানোর সুযোগ হতো না।
আধা ঘণ্টা পরে যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে দুইটা উলঙ্গ লাশ ঝুলে রইল। তাদের পা উপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে। এদিকে সূর্য উঠে গেছে। রাস্তায় হাজার হাজার মাদ্রাসার ছাত্র তাকবির ধ্বনি দিচ্ছিল। আশেপাশের মাদ্রাসা থেকে পঙপালের মত ছাত্র আসছিল। খুনি পুলিশের এই পরিণতি দেখে সমবেত জনতার উৎসাহ বেড়ে গেলো। আজকে যাত্রাবাড়ীর বেরিকেড ভাঙতেই হবে। এমনিতেই যাত্রাবাড়ী থেকে কাঁচপুর ব্রীজ ৩ দিন ধরে অচল৷ কয়েকশো গাড়ির চাকা পাংচার করে রাখা হয়েছে। চাইলেও এখান দিয়ে কোনো গাড়ি আসা যাওয়া করতে পারবে না। ১৮ জুলাই ২০২৪ ছিল আন্দোলনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন।
#রক্তের_বন্ধন
আমরা ভাই অতি আধুনিক বা খুবই এলিট শিক্ষিত না। তবে যে শিক্ষাটাই পাচ্ছি সেটা মানবিক এবং সহমর্মিতার শিক্ষা।
লিখেছেন, মারুফ আল মাহমুদ
ঢাবি, শেইম অন ইউ!
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন শুরু হলো। বারিধারা মাদরাসার ১০০ ফিট দূরে নতুন বাজার মোড়ে পুরো রাস্তা ব্লক করে দেয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। যোহরের নামাজের সময় দেখতে গেলাম তাদেরকে। প্রচণ্ড রোদ। তীব্র তাপদাহ। আন্দোলনকারীদের পানির তীব্র চাহিদা বুঝলাম। মাদরাসায় এসে বন্ধু মাহদীকে নিয়ে জাকির সাব হুজুরের রুমে গেলাম। তাদেরকে পানি খাওয়াতে চাই বিষয়টা জানাইলাম। হুজুর বললেন ভালো বিষয়। তোমরা মুহতামিম সাব থেকে অনুমতি নিয়ে প্রস্তুতি নাও।
দুপুরে অফিসে গেলাম। মনির সাব হুজুরকে জানাইলাম বিষয়টা। হুজুর শুনে খুশি হলেন। হুজুর বললেন প্রস্তুতি নাও। অফিসের কয়েকজন দায়িত্বশীল বললেন হুজুর মাদরাসা অনেক চাপে পড়বে। পানি খাওয়ানোর দরকার কি!
হুজুর উত্তর দিলেন— যে মাদরাসা সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া লোকদের সামান্য পানি খাওয়াতে পারবে না সে মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। হুজুর বললেন তোমরা প্রস্তুতি নাও। বাকিটা দেখতেসি। এবং হুজুর এও বলে দিলেন তাদের বিশ্রাম ও অজু ইস্তিঞ্জার ব্যাপার নির্দ্বিধায় মাদরাসায় আসতে বলবে। তাদের জন্য মাদরাসা গেইট সর্বদা উন্মুক্ত। আমরা তাদের মেয়ে শিক্ষার্থীদেরও আমন্ত্রণ জানাইসিলাম।
জাকির সাব হুজুর বললেন আনলিমিটেড পানি, শরবত, বিস্কুট স্যালাইনের ব্যবস্থা কর। টাকা আমরা দিবো। সেদিন আমরা কত হাজার লিটার শরবত আর কতশত বিস্কুট বিতরণ করেসিলাম শিক্ষার্থীদের মাঝে সংখ্যাটা বলতে পারব না।
এসব বিতরণ করে শেষ করতে পারিনি এরমধ্যেই হুজুরকে এনএসআইসহ অন্যান্য জায়গা থেকে প্রচণ্ড চাপ দিলেন—কেন আমরা আন্দোলনকারীদের মাঝে এসব বিতরণ করলাম। হুজুর চাপ সয়ে নিলেন।
৫আগস্টের পর প্রতিদিন ট্রাফিকে থাকা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরিয়ানি বিতরণ করা হইসে বারিধারা মাদরাসার পক্ষ থেকে। এবং মনির সাব হুজুর স্বয়ং এর মান নিয়ন্ত্রণ করসেন। তাদের বিশ্রাম অজু ইস্তিঞ্জার জন্য মাদরাসার গেইট উন্মুক্ত ছিল সর্বদা।
এই গল্পগুলো কেন বললাম সেটা আপনারা জানেন। আজকে ঢাবি শিক্ষার্থীরা যেই আচরণ প্রকাশ করলো এটা খুবই জঘন্য টাইপের। লাখ লাখ মানুষের সমাগম ছিল। দেশের প্রান্ত প্রান্ত থেকে মানুষ উপস্থিত হইসেন। হতে পারে কেউ কেউ হলের ভিতর ঢুকে ওয়াশরুম ব্যবহারের চেষ্টা করসে। এটাকে এমন বাজেভাবে উপস্থিত করা খুবই ছোটলোকি কাজ।
আমরা ভাই অতি আধুনিক বা খুবই এলিট শিক্ষিত না। তবে যে শিক্ষাটাই পাচ্ছি সেটা মানবিক এবং সহমর্মিতার শিক্ষা।
লিখেছেন, মারুফ আল মাহমুদ
আমাদের এ মিছিল নিকট অতীত থেকে অনন্ত কালের দিকে
আমরা বদর থেকে ওহুদ হয়ে এখানে,
শত সংঘাতের মধ্যে এ শিবিরে এসে দাঁড়িয়েছি।
কে প্রশ্ন করে আমরা কোথায় যাবো ?
আমরা তো বলেছি আমাদের যাত্রা অনন্ত কালের।
উদয় ও অস্তের ক্লান্তি আমাদের কোনদিনই বিহবল করতে পারেনি।
– আল মাহমুদ
যে জাতিসংঘ (ই)জরায়েলের জুলুম থেকে ফিলিস্তিনের শিশুদের রক্ষা করতে পারেনি, যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি এমনকি ঔষধ ও খাবার পর্যন্ত অনুরোধ করেও ঢুকাতে পারেনি তারা কিভাবে মানবাধিকারের কথা বলে!
মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
(জুমার বয়ান থেকে || ১নভেম্বর ২০২৪)
31/10/2024
চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে জীবন দেওয়া মাদরাসার এই ৭৭ শহীদের কথাও বলুক নতুন পাঠ্যবই।
প্রথম কালো-কে শুধু #বয়কট না #ব্যান ও করা হোক
‘শোনো! সবাইকে উপদেশ দিতে যেওনা। শুধু তাদের উপদেশ দাও; যারা সেটা শুনবে-মনে রাখবে।
মনে রেখো কিছু কাপড় এতো জীর্ণ হয়ে যায়; যা আর কখনো সেলাই করা যায় না।’
মাওলানা রুমী (রহ:)
‘আমাদের কখন দেখা হবে?’
-‘যখন যুদ্ধ শেষ হবে’।
‘কখন যুদ্ধ শেষ হবে?’
-‘যখন আমাদের দেখা হবে’।
— মাহমুদ দারবিশ।
‘ঘুমাও তুমি, ঘুমাও প্রিয়, প্রিয় হে সিনওয়ার
জানি তুলে নেবে, কেউ না কেউ, রেখে যাওয়া তলোয়ার’।
— আরিফ আজাদ
হেফাজত ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালের মে মাসের ৫ ও ৬ তারিখে নিহত ব্যক্তিদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে অধিকার নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন। এই সংগঠনটি নিহতদের সংখ্যা ৬১ জন বলে উল্লেখ করেছে।
08/08/2024
আবুল ফয়েজ মুহাম্মদ খালিদ হোসেন।
মনে রাখতে হবে_
পরিবর্তন চেয়েছি। পুনরাবৃত্তি নয়।
স্বাধীন বাংলা || ৩৬ শে জুলাই ||
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1200