Marvelous Bites by Rimu
Fresh & Healthy food
23/12/2025
অনেক বিগিনারদের প্রশ্ন থাকে — চকলেট কেক খাওয়ার সময় “বালি বালি” কেন লাগে?
এর প্রধান কারণগুলোর একটি হলো নকল বা মানহীন কোকো পাউডার ব্যবহার করা। তাই সবসময় ভালো ব্র্যান্ডের কোকো পাউডার ব্যবহার করুন।
21/12/2025
এটা শুধু কেক না,একটা ছোট্ট প্রিন্সেসের হাসির কারণ... 💕
❓ কেক তিতা লাগার আসল কারণ কী?
অনেক সময় কেক দেখতে একদম সুন্দর হয়,
স্পঞ্জি হয়, খেতেও মোটামুটি ভালো… বিশেষ করে চকলেট কেক ,
কিন্তু হঠাৎ কিছু জায়গায় কামড় দিলে তিতা লাগে।
এই সমস্যাটা অনেকেরই হয়।
আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে, এই সমস্যার পেছনে সাধারণত এই ৪টা কারণই আমি সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে মনে করি—
১️. ভালো কোকো পাউডার ব্যবহার না করা ।
আমি মনে করি এটাই কেক তিতা লাগার সবচেয়ে বড় কারণ।
বাজারে যেসব নরমাল বা লোকাল কোকো পাউডার পাওয়া যায়,
সেগুলো ব্যবহার করলে কেক প্রায়ই তিতা লাগে।
কারণ এগুলো সাধারণত খুব র’ ও তিতা হয়—
কালার দেয় ঠিকই, কিন্তু কেকের টেস্ট নষ্ট করে দেয়।
তাই সবসময় ভালো মানের ব্র্যান্ডেড কোকো পাউডার ব্যবহার করা উচিত।
কোকো পাউডার যত ভালো হবে, কেকের কালার তত সুন্দর হবে
আর টেস্টও থাকবে সুন্দরভাবে ব্যালান্সড।
আমি Malaysian Cocoa Powder or Presto Brand Cocoa Powder এই 2টা সব সময় ব্যবহার করি।
২️. খুব পুরোনো বেকিং পাউডার ব্যবহার করা।
খুব পুরনো বা অনেক দিন খোলা বেকিং পাউডার ব্যবহার করলেও
কেক তিতা লাগতে পারে।
তাই বেকিং পাউডার সবসময় নতুন ও ফ্রেশ ব্যবহার করা উচিত
এবং খুব বেশি পুরোনো ব্যবহার না করাই ভালো।
৩️. ইমালশন (Vanilla / Chocolate) বেশি দেওয়া।
অনেক সময় ভালো ফ্লেভারের লোভে
ইমালশন একটু বেশি দিয়ে ফেলি।
এর ফলে কেকের কিছু কিছু অংশ তিতা লাগে।
তাই ইমালশন অবশ্যই পরিমাণ মতো দিতে হবে—
বেশি দিলেই টেস্ট নষ্ট হয়ে যায়।
৪️. ওভেন বা চুলার আঁচ বেশি / কেক পুড়ে যাওয়া।
নিচে বা সাইডে যদি বেশি হিট পড়ে যায়,
তাহলে কেকের ঐ অংশগুলো পুড়ে গিয়ে তিতা লাগে।
তাই ওভেন ঠিকমতো প্রি-হিট করে
সবসময় মিডিয়াম তাপে কেক বেক করা উচিত।
এই ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখলেই কেক পারফেক্ট হবে, একদম ব্যালান্সড টেস্টের।
09/08/2025
জুমু'আর দিনে দরুদ টার্গেট:
বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে জুমু'আ শুরু হয়।
সময়: যখনই এই পোস্ট আপনার সামনে পড়বে তখন থেকেই কাল মাগরিবের আগ পর্যন্ত দরুদ পাঠ করবেন।
উচ্চারণ: اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ
(আল্ল হুম্মা সল্লি আ'লা মুহা'ম্মাদ)
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদের উপর রহমত বর্ষণ করুন।
📌 অসংখ্য ছোট দরুদ আছে। চাইলে আপনাদের পছন্দের যেকোনো একটাও পড়তে পারবেন। চেষ্টা করবেন ছোট দরুদ ও দরুদে ইব্রাহিম মিক্সড করে পড়ার।
🔘 নিয়্যাত :
১) আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হৃদয় থেকে প্রিয়নবী মুহাম্মদ (স.) এর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ।
২) সবাইকে নবিজি (স.) এর সুপারিশ লাভের যোগ্য করে তোলেন, হাশরের দিনে তাঁর নিকটতা দান করেন, এবং হাউজে কাউসার থেকে তাঁর হাতে পানি পান করার সৌভাগ্য দান করেন।
২)আল্লাহর খুব কাছের ভালোবাসার বান্দি হতে পারি আফিয়াহ ও খইরের সাথে, জানা অজানা সকল ফজিলত আফিয়াহ ও খইরের সাথে লাভ।
৪) সকল মুমিন, মুসলিমের পেরেশানি দূর, রিজিকে বারাকাহ্,বিয়ে, সন্তান লাভ।
এছাড়াও নিজের আরও কিছু নিয়্যাত থাকলে সেগুলো ও করতে পারেন।
🔘 নিয়মাবলী:
১. নিয়্যাত দেখে নিবেন মাস্ট
২. খাতায় লিখে নিতে পারেন। না লিখলেও সমস্যা নেই।
৩. সর্বনিম্ন ৫০০০ বার পড়তেই হবে, সর্বোচ্চ কয়েক লাখ হলেও সমস্যা নাই। (আমলের জোর ধরে রাখার জন্যই সংখ্যা ধরে দেওয়া হয়েছে।)
৪. ইয়াক্বীন থাকতে হবে আল্লাহ আমার দরুদপাঠ কবুল করবেন এবং এর যা নিয়্যাত তা আমি পাবোই ইনশাআল্লাহ।
৫. Expect miracles every now and then.
৬. আরো ১০-১৫ জনকে টেনে করাতে হবে।
৭. যাদের জবানকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতেই হয়,তাদের জন্য কমপক্ষে ৩০০০।
৮.এই আয়োজনটা ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্যই।
আগামীকাল মাগরিবের পর নিজের দরুদপাঠের আপডেট নিজে চেক করবেন ইনশাআল্লাহ। আমাকে জানানোর প্রয়োজন নেই। তবে এই দরুদ পাঠের মাধ্যমে আপনার ফিলিংস কেমন ছিল সেটা আমায় জানাতে পারেন।
দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি,কেউ দরুদের সাথে ইখলাস নিয়ে আঠার মতো লেগে থাকলে, সে এমন অনেক নিয়ামাহ্ পাবে,যা অকল্পনীয়!
07/08/2025
রহমতের নবী ﷺ
রসুলুল্লাহ ﷺ ছিলেন আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য এক অনন্য রহমতের উপহার। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন,
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ
“আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।”
(সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)
তিনি শুধু একজন নবী নন, বরং তাঁর উম্মতের জন্য কিয়ামতের দিন একমাত্র শাফায়াতকারীও।
যেদিন সবাই নিজেরই চিন্তায় অস্থির হয়ে যাবে, সেদিনও রসুলুল্লাহ ﷺ তাঁর উম্মাহকে ভুলবেন না।
আবু যার রা: বর্ণনা করেন:
একবার রসুল ﷺ রাতভর নামাজ আদায় করলেন। শুধু একটি আয়াত বারবার পড়তেন, দীর্ঘ রুকু ও সিজদা করতেন। ফজরের সময় হয়ে গেল। সেই আয়াতটি ছিল—
إِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ ۖ وَإِن تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
“আপনি যদি তাদের শাস্তি দেন, তবে তারা তো আপনারই বান্দা। আর যদি তাদের ক্ষমা করেন, তবে আপনি তো পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।”
(সুরা মায়িদা, আয়াত: ১১৮)
আমি (আবু যার) বললাম, “ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি তো শুধু এই আয়াতই পড়লেন, আর তাতেই রাত শেষ করলেন!”
তিনি উত্তর দিলেন:
“আমি আমার উম্মতের জন্য আমার রবের কাছে শাফায়াত চেয়েছি। যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক না করে মৃত্যুবরণ করবে, সে আমার শাফায়াত পাবে।”
(মুসনাদে আহমদ: ২০৮২১)
তিনি ছিলেন এমন এক নবী ﷺ, যিনি মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর উম্মতের জন্য চিন্তিত ছিলেন।
আলহামদুলিল্লাহ 🌺 এমন নবী পেয়ে।
(﷽)❛❛আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ❜❜(ﷺ)🤍🤲
06/08/2025
তুমি কি নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চাও?
তাহলে একটা উপদেশ বলছি, যা তোমার জীবনের ধারা পাল্টে দিতে পারে ইনশাআল্লাহ।
একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল।
আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো।
আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন:
"তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো।"
আমি বললাম, "বলুন।"
তিনি বললেন:
"তুমি প্রতিদিন ১০০০ বার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে।"
তিনি আরও বললেন: "দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে।
নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে।"
চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন:
"তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'।"
আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম।
এরপর ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'।
আল্লাহর কসম:
আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি:
যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে ইনশাআল্লাহ।
কার্টেসী : শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ), মিশর।
ভাষান্তর : ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি, কায়রো।
06/08/2025
চার্জ শেষ হলেই আমরা Power Bank খুঁজি।
ফোনটা তখন আর চলে না বলে সেটাই হয় ভরসা।
কিন্তু যখন চার্জ ফুল হয়ে যায়,
তখন Power Bank টাকে ফেলে রাখা হয়—
যেন তার আর কোনো দরকারই নেই।
অনেকেই এমন মানুষ খোঁজে,
যে শুধু তাদের প্রয়োজন মেটাবে—
কিন্তু প্রয়োজন ফুরালেই দূরে সরিয়ে দেবে।
ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, সম্পর্ক—
সব কিছু একতরফা হলে সেটা ভালোবাসা নয়, সেটা হয় ব্যবহার।
যেখানে আপনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না,
সেখানে নিজেকে ধরে রাখা মানে নিজের প্রতি অন্যায়।
নিজেকে এমন কারো জন্য ব্যয় করবেন না,
যে আপনাকে শুধু প্রয়োজনের সময় মনে রাখে।
---
Don’t be someone’s option,
When you were ready to be their priority.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka