Zosh

Zosh

Share

A sartorial choice for the modern gentleman, Zosh elegance, fashion and style for your entire wardro

14/09/2025
02/07/2025

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা গরুর গাড়ি থেকে সুপার সনিক কনকর্ড জেট দেখেছি। পোস্টকার্ড, খাম, ইনল্যান্ড লেটার থেকে শুরু করে আজকের জিমেইল, ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ পর্যন্তও করছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা টেলিগ্রাম এসেছে শুনলেই চৌদ্দগুষ্টির মুখ শুকিয়ে যেতে দেখেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা পাটিতে , মেঝেতে বা পিঁড়িতে বসে ভাত খেয়েছি আবার ডাইনিং টেবিলে বসেও খাচ্ছি ।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা
ছোটবেলায় বন্ধুদের সাথে কানামাছি, বাঘবন্দি, ডাঙ্গুলি, গোল্লাছুট, মার্বেল, হামকে পুলিশকে খেলেছি, বউলার আঠা দিয়ে কাগজের ঘুড়ি বানিয়ে আকাশে উড়িয়েছি, নাড়া (খড়/বিচালি), জাম্বুরা ইত্যাদি দিয়ে ফুটবল বানিয়ে খেলেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা হ্যারিকেন আর কুপি বাতির আলোতে পড়াশুনা করেছি, বেত থেকে শুরু করে পাখার ডাঁটির মা র খেয়েছি, খাটের নিচে বা কাঁথার মধ্যে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েছি দস্যু বনহুর, কুয়াশা, মাসুদ রানা, স্বপন কুমারের সিরিজ।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা ফ্যান, এসি, হিটার, ফ্রিজ, গ্যাস, মাইক্রোওভেনের অস্থাবর সুখ ছাড়াই ছোটবেলা কাটিয়েছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা ঈগল, ইকোনো, রেডলিফ থেকে শুরু করে বমি করা সুলেখা কালি হাতে মেখে সেই হাত মাথায় মুছে ‘বাবরের যুদ্ধবৃত্তান্ত’ লিখেছি, বড়দের পকেটে বড় নিবের উইংসাং পেন দেখেছি আর নতুন বই-খাতার হাতে পেয়ে পাতা উল্টানোর আগে গন্ধ শুঁকেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা বিনা টিফিনে স্কুলে গেছি, স্কুলে টিচারের হাতে বেতের বারি খেয়ে, বাড়ি এসে নালিশ করাতে সেকেন্ড রাউন্ড ফ্রি-স্টাইলে উত্তম মধ্যম সহ্য করেছি — দোষ তো আমাদের, নাহলে টিচার মারবেন কেন?

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা বড়দের সন্মান করেছি এবং এখনো করে যাচ্ছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা জোৎস্না রাতে ছাদে ট্রানজিস্টরে বিবিসি, ভয়েস অফ আমেরিকার খবর, অনুরোধের আসর গানের ডালির শেষ সাক্ষী।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা টেলিভিশনে আলিফ লায়লা, ম্যাকগাইভার, টিপু সুলতান, মিস্টার বিন, টম এন্ড জেরি, রবিনহুড, সিন্দবাদ দেখার জন্য ছাদে উঠে অ্যান্টেনা ৩৬০° ঘুরিয়ে স্যিগনাল ধরার চেষ্টা করেছি। আমাদের ছিল বাঁশের আগায় অ্যান্টেনা, আর ছিল টিভি স্ক্রিনে পার্মানেন্ট ঝিরঝিরে ছবি, তাতে কোনো সমস্যাই হতো না, কারণ ওটা আমাদের জীবনের অঙ্গ হিসেবেই ধরা ছিল। গন্ডগোল যা পাকাতো তা হলো নিয়ম করে লোডশেডিং।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে আসার জন্য অপেক্ষা করেছি। ইচ্ছে করে একসাথে বৃষ্টিতে ভিজে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরেছি, ঝিনুক দিয়ে কাটার বানিয়ে আম কেটে খেয়েছি, ম্যাচের বাক্স দিয়ে টেলিফোন বানিয়ে বন্ধুদের সাথে কথা বলেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা সাইকেলের টায়ার, বেয়ারিং এবং সুপারির খোলা দিয়ে গাড়ি বানিয়ে চালিয়েছি, গুলতি নিয়ে নিরিখ প্র্যাকটিস করে বেড়িয়েছি, দুপুরে একসাথে পুকুরে ঝাঁপিয়ে দাপাদাপি করেছি ।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা প্রতিদিন সূর্য ডোবার আগে বাড়িতে ঢুকেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা ঈদ বা দুর্গাপূজায় শুধু একটা নুতন জামার জন্য বাবার মুখের দিকে চেয়ে থেকেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা রাস্তাঘাটে স্কুলের স্যারকে দেখামাত্র সেখানেই সাইকেল থেকে নেমে নির্দ্বিধায় প্রনাম করেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন, যারা এখনও বন্ধু খুঁজি, কারণ জীবনের চলার স্রোতে আমরা হারিয়ে ফেলেছি জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।
সত্য আমাদের জেনারেশন অনেক ভাগ্য করে এসেছি।

সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

26/06/2025

ঘুমের ঘোরে বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলেছিলেন ৮৫ বছরের মনোহরজি। ভোরবেলায় সেই ভিজে চাদর ধুতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি, যেন বউমা বা ছেলে কিছু টের না পায়। কারণ, সবে তো গতকাল বউমা কাজল নতুন চাদর বিছিয়েছিলেন, আর তখনই স্বামী রবি—মানে মনোহরজির ছেলে—কে ধমক দিয়ে বলেছিলেন,
"আর যদি একবারও পাপা বিছানায় প্রস্রাব করে দেন, আমি পরিষ্কার করব না... দরকার হলে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাব!"

এই জন্যই তো গতকাল বিকেল থেকে বউমা-ছেলে দুজনে মনোহরজিকে জল পর্যন্ত ঠিকমতো খেতে দেননি—যেন আবার কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

মনোহরজি কিডনির অসুখে ভুগছেন—কখনো কখনো এমন হয়ে যায়। নিজেকে খুব ছোট মনে হয় তাঁর। কিন্তু আজ তো সুযোগও ছিল—বউমা গেছেন তাঁর ভাইয়ের বিয়ের বাজারে, ফিরতে দেরি হবে। ভাবলেন, ততক্ষণে সব গুছিয়ে ফেলবেন।

চাদর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধুতে শুরু করলেন। গা হাত পা কাঁপছিল, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠছিল। হঠাৎ চোখ তুলে দেখেন—ছেলে রবি আর বউমা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। কাঁপা গলায় বললেন,
"বউমা... আর হবে না... ধুয়ে ফেলেছি আমি..."

রবি এগিয়ে এসে বাবাকে চেয়ারে বসিয়ে দিলেন।

বউমা ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন,
"দেখো, আবার তোমার বাবা বিছানায় প্রস্রাব করলেন... কী বিশ্রী গন্ধ! হাসপাতালে ভর্তি করাও এঁকে!"

কিন্তু তার আগেই রবি বলে উঠল—
"তুমি চাইলে তোমার বাপের বাড়ি চলে যেতে পারো।
কিন্তু আমি কীভাবে তাঁকে ফেলে দিই—যিনি আমার গায়ে পটি হয়ে গেলে কচু থেকে আমার প্যান্ট পরিষ্কার করতেন?
তোমার জানা আছে? যেদিন বাবা তাঁর সম্মাননা অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন, আমি তাঁর ইউনিফর্মেই টয়লেট করে দিয়েছিলাম।
একটাও শব্দ না করে, হাসিমুখে সেটা ধুয়ে পরে আবার চলেও গিয়েছিলেন।"

"চলো পাপা... একদম ভিজে গেছেন আপনি... ঠান্ডা লেগে যাবে। আমি চা বানাচ্ছি আপনার জন্য।"

রবি নতুন চাদর এনে বিছানায় বিছিয়ে দিলেন, বাবাকে বসালেন, কাপড় বদলে দিলেন, নিজে হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন।

মনোহরজির কাঁপা হাত সন্তানের মাথায় আশীর্বাদ দিতে উঠল। চোখে জল—যেটা তিনি নিজের ধুতি দিয়ে বারবার মুছছিলেন। সামনের দেওয়ালে ঝোলানো মৃতা স্ত্রীর ছবি দেখে মনে মনে বললেন—
"দেখলে বিমলা, তুমি বলতেছিলে আমি চলে গেলে কে দেখবে তোমার বুড়োকে?
দেখো, আমাদের রবি কেমন করে খেয়াল রাখছে তার বাবার...।"

আর দরজার পাশে দাঁড়িয়ে, বউমা চোখের জল ফেলছিলেন... অনুতাপে, নিঃশব্দে।

---

এই গল্পটি শেয়ার করুন। হয়তো আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস কোনো সন্তানের হৃদয়ে তার বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তুলতে পারে।

সংগৃহীত

02/05/2025

জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়ত পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না।

১৭ বছর বয়সে যে বিরিয়ানিটা খেতে অমৃতের মতো লাগে, ৩২ বছর বয়সে এসে সেটা ভালো নাও লাগতে পারে।

১৮ বছর বয়সে সমবয়সী কারো সাথে পাঞ্জাবি বা শাড়ি পরে রিকশায় ঘুরতে ভীষণ রোমান্টিক লাগে, ৩৬ এ পা দিয়ে একই কাজ করতে রোমান্টিক লাগবেই তার কোনো গ্যারান্টি নাই।

২১ বছর বয়সে কলেজের বন্ধুবান্ধব নিয়ে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গেলে যেই আনন্দ পাওয়া যাবে, ৪০ পার করে সেই আনন্দ পাওয়া নাও যেতে পারে।

একদিন নিজের ছাদে বাগান করব, এই আশায় বসে থেকে যেই মানুষটা বারান্দার টবে কোনো গোলাপের চারা লাগাল না, ছাদ হওয়ার পর দেখা গেল সেই মানুষটার আর বাগান করার সময়ই নেই।

একদিন চাকরি করে বাবা-মাকে দামী দামী জিনিস কিনে দেয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষটা চাকরি করে টাকা কামাবে ঠিকই, কিন্তু ততদিনে মা-বাবা এই দুনিয়ায় নাও থাকতে পারে।

জীবনের ছোটখাট সাধ আহ্লাদ খুব দামী জিনিস। এগুলোই একটা মানুষের হৃদয়কে জীবিত রাখে, সতেজ রাখে, প্রাণবন্ত রাখে। মানুষের হৃদয় একটু একটু করে মরে যায় ইচ্ছা পূরণের অভাবের নীরব হাহাকারে! এজন্য সময় থাকতেই এসব শখ পূর্ণ করে ফেলতে হয়।

অনেক টাকা জমলে একদিন খাব, এই চিন্তা না করে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে এখনি খেয়ে আসুন পছন্দের খাবারটা। বিশ্বাস করুন, জীবনের শ্রেষ্ঠ স্বাদটা পাবেন।

দেরি না করে পছন্দের মানুষটাকে আজকেই রিকশা ডেটিংয়ের অফারটা দিয়ে দেখুন। রাজি হলে শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরে হুডখোলা রিকশায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শহরময় ঘুরে বেড়ান। লিখে নিন, লাইফের সেরা রোমান্সটা পাবেন।

পকেটে কিছু টাকা হলেই বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে বলে বসুন, চল ব্যাটা, কাশ্মীর যাব। আজকেই যাব, এক্ষণি যাব। ব্যাগ গুছিয়ে নে, বাস ধরতে হবে।

নিজের ছাদে বাগান হবে, এই আশায় বসে না থেকে ভাড়া বাসার বারান্দার টবেই লাগিয়ে ফেলুন পছন্দের গোলাপের চারাটা। টিউশানির টাকায় কম দামেই কিনে ফেলুন বাবা-মায়ের জন্য শার্ট বা শাড়ি, হোক না সুতি, শখ পূরণটাই বড় কথা!

মনে রাখবেন, একদিন সব হবে - এই আশায় যে নিজেকে বঞ্চিত করে, তার জীবনে কিছুই হয় না। তার জীবন কাটে বিষন্নতা আর অপেক্ষায়, শেষ হয় আফসোস আর হতাশা দিয়ে।©

21/04/2025

চীনের ইঞ্জিনিয়ারেরা পদ্মা সেতুর কাজ করে দিয়ে গেলো। জাপানের ইঞ্জিনিয়ারেরা মেট্রোরেল তৈরি করলো। রাশিয়ার ইঞ্জিনিয়ারেরা রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বানালো। কোরিয়ান ইঞ্জিনিয়ারেরা পার্বতিপুর খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করলো। আর আমাদের দেশের বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট, রুয়েটে পড়াশোনা শেষ করা ইঞ্জিনিয়ারেরা এসব তথ্য মুখস্থ করে বিসিএস দিবে! পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কতো? মোট পিলারের সংখ্যা কতো? রূপপুর পাওয়ার হাউজের চুল্লির উচ্চতা কতো? মেট্রো রেলের আয়তন কতো? ঘন্টায় কতো কি:মি: বেগে চলে?
কিন্তু আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়াররা কেন পারে না? প্রযুক্তিগত সমস্যা? না প্রযুক্তিলব্ধ শিক্ষার সমস্যা?

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


14/A Mirpur Road, Newmarket
Dhaka
1205