Shobuz
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shobuz, Public Figure, Dhaka.
i'm sobuz.i'm making content about.
* Education
* Travel
* Funny
Follow me on a journey of growth and learning.where every moment spent is an investment in a brighter future..
25/04/2026
welcome to bangladesh
ধন্যবাদ সেই সাপুড়ে কে যে আমাকে বিষাক্ত সাপের হাত থেকে বাঁচিয়ে নিজে কামড় খেয়েছে। সৃষ্টিকর্তা তাকে বিষ হজম করার তৌফিক দান করুক।
বাইনচো*দ মার্কা দেশে জন্মাইছিলাম, যে দেশ নাকি গণপ্রজাতন্ত্রী। নাই কোনো প্রশাসন নাই কোনো পুলিশ অথচ বালের নির্বাচনে নাকি লক্ষ লক্ষ সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে, কিন্তু আজ নাই কোনো ঈদ নাই কোনো অনুষ্ঠান লোকাল বাসে আসলাম ২০০ টাকার ভাড়া ৭০০ দিয়ে আসলাম। সকাল ১০ টায় বাসে উঠেছিলাম ভুইয়া গাতি নামছি রাত ১০.৪০ এ। জ্যামে কোনো প্রশাসনের লোককে দেখতে পাইনি যে এই জ্যাম নিংসরন করবে। গাজীপুর রোড, চান্দুরা রোড সব জ্যাম। এটাই বাংলাদেশ, ভাই যাদের বাপের টাকা আছে তারা আর এদেশে থাইকেন না জীবন অতীষ্ট হবেই হবে।
আজকে বিমানবন্দরে অগ্নিকান্ডের মতো আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই ষড়যন্ত্রের শিকার এবং সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আরো যে সকল প্রতিষ্ঠান হতে পারে, Hypothetical Pattern Analysis by team "CYBER 71".
উচ্চ অর্থনৈতিক বা রপ্তানি এলাকা:
যেমন, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্ট জোন।
এসব জায়গায় বিদেশি অর্ডার, ট্রেড, এবং প্রচুর শ্রমিক একসাথে থাকে। তাই অস্থিরতা বা “সিম্বলিক” হামলার টার্গেট হতে পারে।
বাণিজ্যিক ট্রান্সপোর্ট হাব:
যেমন, কমলাপুর ICD হতে পারে পরবর্তী সম্ভাব্য বড়ো টার্গেট।
দেশের বাণিজ্যিক ব্যবস্থা অচলতা তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিক মনোযোগ টানার সবচেয়ে সহজ উপায় এসব জায়গায় অগ্নিকাণ্ড ঘটানো।
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা:
যেমন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, টেলিকম এক্সচেঞ্জ, গ্যাস বিতরণ ডিপো।
এখানে আগুন লাগলে “দেশ অচল” ভাব তৈরি হয়, যা ষড়যন্ত্রের আদর্শ প্যাটার্ন।
জনবহুল শপিং বা মার্কেট কমপ্লেক্স:
যেমন; বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট, যমুনা ফিউচার পার্ক, বা উত্তরা হাব।
গণমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়, তাই প্রোপাগান্ডার কাজে ব্যবহারযোগ্য।
আঞ্চলিক শিল্পাঞ্চল (পর্যটন বা অর্থনৈতিক):
যেমনঃ কক্সবাজার EPZ, সিলেট ইকোনমিক জোন, খুলনা শিপইয়ার্ড এরিয়া।
অঞ্চলভিত্তিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করা সহজ।
কমলাপুর ICD, খুলনা শিপইয়ার্ড এরিয়া এবং গার্মেন্ট জোন ষড়যন্ত্রের পরবর্তী টার্গেট হিসেবে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে।
করণীয়ঃ
ঝুঁকিপূর্ণ এরিয়াতে কর্মরত যারা আছেন, সবাইকেই এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার দায়িত্ব নিতে হবে। এই ১৫ দিন আপনাদের চোখ-কান খোলা রাখুন, কোন প্রকার অপ্রিতিকর পরিস্থিতি কিংবা সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে বিস্তারিত ভাবে পরিচয় নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে নিকটস্থ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কিংবা পুলিশ অথবা বিজিবির সহায়তা নিন।
আল্লাহ্ আমাদের দেশকে এই ষড়যন্ত্রকারীদের কালো-হাত থেকে রক্ষা করুক। আমীন।
C)for... WAB
18/10/2025
প্যাটার্নটা খেয়াল করেন।
চিটাগং ইপিজেড-এ আগু'ন লাগলো যেখানে আমাদের এক্সপোর্ট এর পণ্যগুলো বাইরে পাঠানোর জন্য প্রসেসিং হয়। এটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো বৈদেশিক রিজার্ভের ঘাটতি দেখা দিবে।
আজকে আগু'ন লাগলো এয়ারপোর্টের ইম্পোর্ট কার্গো ভিলেজে। যেখানে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে আনা পণ্য স্টোর করা হয়। সেই পণ্য পু'ড়ে ছা'ই। এখানেও বৈদেশিক রিজার্ভের মারাত্মক ক্ষতি। তার উপরে যদি ইম্পোর্টেড কাঁচামাল পুড়ে যায়, তাহলে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে পড়বে।
দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং পণ্যের অপ্রতুলতা দেখা দিবে। দেশে নৈ'রাজ্য সৃষ্টি হবে।
এসময়টা হওয়া উচিত ছিল ঐক্য ও সংহতির। দেশ পুনর্গঠনের। অথচ আমরা চললাম বিভক্তি আর সব বাদে নির্বাচনের রাস্তায়।
আল্লাহই ভালো জানেন সামনে কি আছে।
10/10/2025
আমি আমার মাকে নিয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় তথা পিজি হসপিটালে যাই তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য। কিন্তু যাওয়ার পরে আমরা অনেক অনিয়মের শিকার হই। যা আমি হসপিটাল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা আমাকে আনসার বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। আর ২০-২৫ জন আনসার সদস্য আমাকে টেনে হিছড়ে প্রশাসনিক ভবনে নিয়ে যায়। আর তা নেওয়ার মাঝেই আমাকে এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করে। পরবর্তীতে আমাকে একটা রুমে ১০/১২ জন আনসার সদস্য আর ১৫/২০ জন হসপিটালের ডাক্তার রা আমাকে লাঠি, রড দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করে এক পর্যায়ে আমাকে উলঙ্গ করে মারা শুরু করে যা পরবর্তীতে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। আমার মা প্রশাসনিক ভবনের বাহিরে চিৎকার করে বলতে থাকে তার ছেলেকে ছেড়ে দিতে। তখন তারা বলে আমি নাকি এখানে নেই, আমি নাকি গনপিটুনি তে মারা গেছি।
আজ যদি অনিয়মের কাছে হেরে যাই। জানবো মানবতার কবর হয়েছে।
এমনটা তুলে ধরেছেন (Ratul Chowdhury)
04/09/2025
একদা বব মার্লে বলেছিলো
“হয়তো তুমি তার প্রথম,
শেষ অথবা একমাত্র প্রেম নও।
এর আগেও হয়তো সে কাউকে ভালোবেসেছিলো
হয়তো আবার কাউকে ভালোবাসবে।
কিন্তু সে যদি তোমাকে এই মুহুর্তে ভালোবাসে
আগে কি হয়েছিলো তাতে কি আর যায় আসে?
সে নিখুঁত নয় – তুমিও তো তা নও,
এবং তোমরা দুজন একসাথে নিখুঁত হতে পারবে না
কিন্তু সে যদি তোমাকে হাসাতে পারে
অবশ্যই তোমাকে দুবার ভাবতেই হবে,
এবং মেনে নিতেই হবে যে মানুষ মাত্রই ভুল,
তাকে আঁকড়ে ধরো আর দাও যতটা তাকে দিতে পারো।
সে হয়তো তোমাকে নিয়ে সারাদিন ভাববে না,
কিন্তু তার বড় একটা অংশ সে তোমাকে দিয়ে দেবে
এটা জেনেও যে তুমি তার হৃদয় ভেঙ্গে দিতে পারো।
তাই তাকে আঘাত করো না,
তাকে বদলাতে চেয়ো না,
তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করো না এবং
আর তার কাছে তা চেয়ো না যা দেবার সাধ্য নেই তার।
হাসো যখন সে তোমাকে সুখী করে তোলে,
তাকে জানাও যখন সে তোমাকে পাগল করে দেয়,
এবং তার অভাব অনুভব করো যখন সে আর নেই তোমার পাশে।
যখন ভালোবাসা পাও প্রেমের জন্য নিজেকে পুরোটা দিয়ে দাও।
কারণ নিখুঁত বলে কিছু নেই,
কিন্তু সবসময় একজন থাকবেই যে তোমার জন্য নিখুঁত।
22/08/2025
জানেন কি?
রুডলফ ডিজেলের ইঞ্জিনের মডেলটি ছিল একটি লোহার সিলিন্ডার , লম্বায় 10 ফুট ,গোড়ায় ছিল ফ্লাইহুইল । 1893 সালের 10 আগস্ট জার্মানির অগসবার্গে চিনাবাদামের তেল ছাড়া আর কিছুই না দিয়ে চালানো হয় ।এই ঘটনাকে স্মরণে করে ১০ আগস্টকে ' আন্তর্জাতিক বায়োডিজেল দিবস ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যাত্রা শুরু হয় জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে জৈবজ্বালানি বায়োডিজেলের, গুরুত্ব বেড়ে যায় ডিজেল গাছের ।
আজ 10ই আগষ্ট, আসুন আমরা দিনটিকে স্মরণ করি।
আর স্মরণ করি রুডলফ ডিজেলকে, যার মৃ*ত্যুর কারণ আজও জানা গেল না।
22/08/2025
ভোঁদর নামক প্রাণীটাকে দেখতে খুব কিউট লাগে। ওদের একটি অভ্যাসের ব্যাপারে জানলে এই প্রাণীর প্রতি আপনার আরও মায়া জন্মাবে- ওদের শরীরে ছোট্ট একটি চামড়ার থলি থাকে, যেখানে ওরা ওদের প্রিয় পাথরের টুকরা জমা রাখে!
অনেক ভোঁদর বছরের পর বছর ধরে একই পাথরের টুকরা নিজের সম্পদ হিসেবে রেখে দেয়। সেটি হাতের মধ্যে নিয়ে ঘোরে, খাবারের শক্ত খোলস ভাঙতে ব্যবহার করে, এমনকি ঘুমানোর সময়ও বুকে জড়িয়ে রাখে!
আমরা যেমন অনেক সময় কোনো সাধারণ জিনিসের সঙ্গেও ইমোশনাল অ্যাটাচমেন্ট গড়ে তুলি, প্রাণীরাও তেমনই করে। ভোঁদরদের জন্য একটি পাথর শুধু হাতিয়ার নয়, বরং অনেক স্মৃতি, আর কখনো কখনো আজীবনের সঙ্গী!(C) From s
আপনি কখনো কি খেয়াল করেছেন?
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করতে করতে হয়তো ১০ মিনিটের জন্য ঢুকেছিলেন, কিন্তু হঠাৎই কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। এই ছোট ছোট অপচয়গুলোই আমাদের বড় সময়ের গ্যাপ তৈরি করে।
সময় কোথায় চলে যায়?
এটা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আমরা ভাবি, “এত কিছু করার ছিল, কেন সময় পাচ্ছি না?” প্রতিদিনের ছোট বিষয়, অপ্রত্যাশিত কাজ, স্যোশাল মিডিয়া—এসব আমাদের সময় চুরি করে নেয়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে,
"আপনি কি সময়ের স্রোতে ভেসে যাবেন, নাকি সময়কে নিয়ন্ত্রণ করবেন?" যারা সময়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করে, তারা জানে কিভাবে ছোট মুহূর্তগুলো কাজে লাগিয়ে বড় সাফল্য অর্জন করতে হয়।
সময়কে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল শিখুন।
টাইম ম্যানেজমেন্ট বইগুলো আপনাকে শেখাবে কিভাবে আপনার সময় সঠিকভাবে ব্যবহৃত করবেন, প্রায়োরিটি অনুযায়ী কাজ করবেন এবং শৃঙ্খলা ও ফোকাস বজায় রাখবেন।
এগুলো আপনাকে দেবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস এবং সাফল্যের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা। বইগুলো আপনাকে দেখাবে কিভাবে অনুপ্রেরণা বজায় রেখে, ছোট লক্ষ্য অর্জন করে বড় সাফল্য অর্জন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka