Timehut
We sale exclusive genuine brand watches. we delivery at your home also you can buy from showroom .
ভারতীয় মিডিয়া হিন্দুদের ভালবাসে না অন্য কিছু চায় এ ভিডিও দেখলে ক্লিয়ার হবেন
“দীপক কুমার গোস্বামী একজন বাংলাদেশী মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনিও একজন হিন্দু। তার অনেক স্বদেশীর মতো, তিনিও ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে শেখ হাসিনা এবং তার কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করার জন্য গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন।
হাসিনা যখন নয়াদিল্লিতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন ভারতের প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম থেকে একটি আখ্যান বেরিয়ে আসতে শুরু করে যে জনগণের আন্দোলন আসলে একটি ইসলামপন্থী বিদ্রোহ ছিল এবং বাংলাদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু এবং সন্ত্রাসের শিকার করা হচ্ছিল।
সংখ্যালঘুরা "সর্বত্র ক্রমাগত মানসিক চাপের মধ্যে বাস করে" এই সত্যটি সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন, তিনি সত্য থেকে কল্পকাহিনীকে আলাদা করে এবং হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর বাংলাদেশের হিন্দুদের সাথে আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরে একটি ছোট তথ্যচিত্র তৈরির জন্য যাত্রা শুরু করেন। এটি তার চলচ্চিত্র।“ -সামি
12/06/2025
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা সাহেব — আওয়ামী নেতা ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ০৫ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আইয়ূব করম আলীকে পাশে নিয়ে, কে বা কাহারা আওয়ামী দোসর সে ব্যাপারে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন, সেটা কি খুব ভালো দেখায়?
Source -Sami
05/06/2025
এখন শেখ মুজিবুর রহমানের বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিলের ভুয়া খবর পড়েও যারা চেতে গেছেন তাদের ফেসবুক ওয়ালে ঢু দেন জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সত্য খবর প্রকাশের এই দিনটিতে! দেখবেন contrast কাকে বলে কত প্রকার ও কী কী!
04/06/2025
মন্ত্রণালয়ের অফিসাররা টাকা কিভাবে রাজনীতিতে ঢালে….
04/06/2025
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি জনাব এস এম এমদাদুল হক তাঁর পরিবারের ২০জন সদস্য সহ ০৯জুন - ১৩ জুন ২০২৫ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা সফর করবেন। এই সফরের জন্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সার্কিট হাউজে তিনি আটটি ভিআইপি কক্ষ, জ্বালানী সহ ড্রাইভার মোট চারটি গাড়ি (একটি ভিআইপি), এবং পুলিশ এসকর্ট সহ সার্বক্ষনিক কঠোর নিরাপত্তা প্রদানের জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছেন। এছাড়াও ট্রেনে যাতায়াতের জন্যে চারটি এসি ডাবল কেবিন বরাদ্দের জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে রেলওয়ে মহাপরিচালককে।
চিঠিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্বাক্ষরকারী মুহাঃ হাসানুজ্জামান (রেজিস্ট্রার)। তিনি বলেছেন বিচারপতি মহোদয় যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই তারা এই চিঠিটি ইস্যু করেছেন।
-Sami
03/06/2025
আনন্দ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। একসঙ্গে ভরা সংসার—মা, বাবা, সন্তান, নাতি। ঈদ করবেন গ্রামের বাড়িতে।
বাধভাঙ্গা সেই উচ্ছাস হঠাৎ ঢেকে গেলো কালো মেঘে। কারো কল্পনাতেও ছিল না, এ যাত্রা হবে অন্তিম বিদায়ের। এক মুহূর্তেই তছনছ হয়ে যাবে পরিবারটি। ট্রাকের পেছনে ধাক্কা, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ি, আর নিথর পড়ে থাকা তিনজন প্রিয়জন—আমজাদ মণ্ডল, রাহাত, অতুল।
মানবজনমের সবচেয়ে করুণ সত্যের সামনে দাঁড়িয়ে একটি পরিবার। একজন মা। একজন স্ত্রী।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা মা মাকসুদা জানেন না, তাঁর স্বামী আর দুই ছেলে চিরদিনের মতো চোখ বন্ধ করেছেন। ছেলের স্ত্রী মরিয়ম জানেন না, যাঁর হাত ধরে পুরো একটা জীবন কাটানোর স্বপ্ন ছিল, সেই হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এক মহাকাল দূরত্বে। নশ্বর এ দুনিয়ায় আর কখনো ফিরে আসবে না।
তিন বছরের মাহফুজ, দেড় বছরের রজমনি—ওরা হয়তো এখনো বুঝতেই পারেনি কী হারিয়েছে। কিন্তু সামনে যে দিন আসছে, তাতে শুধু অনিশ্চয়তা আর বোবা কান্না। উপার্জনক্ষম দুই ছেলেকে হারিয়ে পরিবারটির সামনে এখন নিঃসঙ্গ অন্ধকার। পুরো একটা পরিবারের গন্তব্যই থমকে গেছে মাইক্রোবাসের বেপরোয়া গতিতে।
জীবন কখনো কখনো এতটা নির্মম হয় যে, চোখের সামনে আলো থাকতে থাকতেই আঁধার নেমে আসে। ঈদের আনন্দের যাত্রা যে এমন অসহনীয় শোক হয়ে ফিরে আসবে, কে জানত! জীবন বড় অনিশ্চিত, আর সৃষ্টিকর্তার লিলা যেন আনন্দ-বেদনার অনিশ্চিত মহাকাব্য।
আমি তোমাদেরকে ভালো-মন্দ দ্বারা পরীক্ষা করি এবং আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।”— (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৩৫)
সেই প্রত্যাবর্তনের পথেই আজ তিনজন প্রিয়জন—আর পরিবারটির জীবনে রয়ে গেছে শুধু একরাশ অন্ধকার, প্রার্থনা আর অপেক্ষার দীর্ঘ ছায়া।
ঈদ যাত্রা সবার সুখময় হোক
-সানাউল হক সানি
03/06/2025
গাবতলী গবাদি পশুর হাটের পুনঃদরপত্র আহবান করে ইজারা প্রদানে সরকারের ক্ষতি প্রায় ৯ কোটি টাকাঃ
সরকারি নথিতে চলতি ১৪৩২ বঙ্গাব্দে দেশের বৃহত্তম গাবতলী গবাদি পশুর হাট ইজারা প্রদানে অনিয়ম ও সরকারের বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান;
(১) গাবতলী পশুর হাট পুনঃদরপত্র আহবান করা হলে দুইটি প্রতিষ্ঠান দর দাখিল করে। সর্বোচ্চ দরদাতা টি এইচ এন্টারপ্রাইজ ২৫ কোটি টাকা এবং ২য় দরদাতা এরফান টেডার্স ১৫ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা দর দাখিল করে। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ২৯ মে ২০২৫ তারিখের সভায় সর্বোচ্চ দরদাতা (টি এইচ এন্টারপ্রাইজ) কে হাটটি ইজারা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে ঐ প্রতিষ্ঠান কে পত্র দেওয়া হলেও অজ্ঞাত করণে তারা হাটটি ইজারা নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে (সংযুক্তি ১)
(২) পরে সর্বোচ্চ দরদাতা হাটটি ইজারা না নেওয়ায় ২য় দরদাতা এরফান টেডার্স কে ১৫ কোটি ৭১ লক্ষ টাকায় হাটটি ইজারা প্রদান করা হয় (সংযুক্তি ২)।
এখন প্রশ্ন হলো,
(ক) প্রথমবারে প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে সিপিটিইউ এ বিজ্ঞপ্তি না প্রকাশ করার অজুহাত দেখিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা আরাত মোটরসকে ২২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় হাট ইজারা না দিয়ে (সংযুক্তি ৩) পুনঃদরপত্র আহবান করে এরফান টেডার্স কে ১৫ কোটি ৭১ লক্ষ টাকায় হাটটি ইজারা প্রদান করায় সরকারের সর্বসাকুল্যে যে প্রায় ৯ কেটি টাকা (৮,৮২,৯০,০০০/-) ক্ষতি হলো, তার দায় কি প্রশাসক এজাজ নেবে ?
(খ) পুনঃদরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সর্বোচ্চ দরদাতা টি এইচ এন্টারপ্রাইজ ২৫ কোটি টাকা দর দাখিল করে অজ্ঞাত কারণে (সম্ভবত ইচ্ছাকৃতভাবে ) হাট ইজারা নিতে অনাগ্রহ প্রকাশের মাধ্যমে দরপত্রের শর্ত ভঙ্গ করেছে (সংযুক্তি ৪)। এ অবস্থায় টি এইচ এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক দরপত্রের সাথে দাখিলকৃত ৭.৫ কোটি টাকার পে-অর্ডার সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা। কিন্তু পাতানো এ খেলায় সর্বোচ্চ দরদাতার ঐ ৭.৫ কোটি টাকার পে-অর্ডার কি প্রশাসক এজাজ আদৌ বাতিল করবে ?
(গ) পুনঃদরপত্র আহবান করে গাবতলী পশুর হাট ইজারা দেয়া দেয়া যে হিজবুতি এজাজের সাজানো নাটক, তা হাটের একটি রশিদ দেখলেই বুঝা যায়; যাতে লেখা ‘সৌজন্যে : হানিফ মটরস’ (সংযুক্তি ৫ এবং সংযুক্তি ৬)। এর অর্থ দাড়ায়, গাবতলী পশুর হাট বানিজ্যে " হানিফ, কফিল-সাজু-এজাজ-সাইদুল-দিপজল" সবাই এখন এক কাতারে !!
পাতানো এ গাবতলী 'হাট ইজারা খেলায়' সরকারের সর্বসাকুল্যে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা।
অনতিবিলম্বে খতিয়ে দেখা উচিত এর পেছনে কারা দায়ী এবং তাদের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।
-Zukarnain Saer
সুপ রান্নাঘরের লাইনে ছোট্ট মেয়েটি ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল তার খাবারের অংশের জন্য। যখন তার পালা এলো, গরম খাবারে তার হাত পুড়ে গেল। যেসব শিশুর খাবার বহন করার কিছু নেই, তারা একসঙ্গে ব্যথা ও ক্ষুধার তীব্রতা সহ্য করে, এমন এক কষ্টের মধ্যে বেঁচে থাকে যা তাদের সহ্যক্ষমতারও বাইরে।
09/04/2025
Shame to them
08/04/2025
“যদি আমরা ঘুমের মধ্যে মরে যাই… তখনও কি ব্যথা লাগবে?”
গত সপ্তাহের এক রাত। বাইরে চলছে গো*লাগুলি, বি*স্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে চারপাশ।
আমার চার বছর বয়সী ছোট ভাগ্নি হঠাৎ একটি প্রশ্ন করল—যা আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য গেঁথে থাকবে।
“যদি আমরা ঘুমের মধ্যে মরে যাই… তখনও কি ব্যথা লাগবে?”
আমি এক মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে যাই। কী উত্তর দেব? কীভাবে বলি তাকে—যে শিশুকালেই মৃত্যুর চেয়ে বেশি কিছু দেখেনি—যে ঘুমিয়ে শান্তিতে চলে যাওয়া এক রকম করুণা?
আমি শুধু বলি, “না। আমি মনে করি না। তাই আমাদের এখন ঘুমিয়ে পড়া উচিত।”
সে চোখ বন্ধ করে দেয়। দেয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিঃশব্দে ঘুমিয়ে পড়ে।
আমার বিশ্বাস, সে সত্যিই বিশ্বাস করেছিল আমাকে।
আমি সেই অন্ধকার ঘরে বসে থাকি। বাইরে বো*মার শব্দ। মনে পড়ে, এই কয়েক রাস্তা দূরেই হয়তো ঠিক এই মুহূর্তে, কোনো শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবন্ত কবর হচ্ছে।
আমার ১২ জন ভাগ্নে ও ভাগ্নি আছে—সবাই নয় বছরের নিচে। তাদের হাসি আর উপস্থিতিই ছিল এই অন্ধকার সময়ে আমার শান্তি, আমার আশ্রয়।
কিন্তু তাদের চোখের প্রশ্ন, মুখের আতঙ্ক, আমাদেরকে—আমাদের মতো হাজারো পরিবারকে—প্রতিদিন চেপে ধরে। আমরা তাদের আশ্বস্ত করি, মিথ্যা বলি, গল্প বানাই। কখনও তারা বিশ্বাস করে, কখনও আমাদের চোখের দিকে তাকিয়ে টের পায়—কিছু ভ*য়ানক ঘটে যাচ্ছে।
গত মাসে, যু*দ্ধ*বিরতির অবসান ঘটল। আর তার পরেই যেন নেমে এলো এক নিরবচ্ছিন্ন নরকযাত্রা।
এখন, গাজা যেন এক অ*গ্নিকুণ্ড, যেখানে শিশু, নারী, বৃদ্ধ—কেউ নিরাপদ নয়।
মাত্র তিন সপ্তাহে নি*হত হয়েছে ১,৪০০-রও বেশি মানুষ।
বোমা, *ধ্বংস, আর্তনাদ—এখন এই শহরের নিত্যদিনের সঙ্গী।
আঘাত এসেছে আমাদের খুব কাছেও।
গতকালই ই*সরা*য়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় গা*জা সিটির আল-নাখিল সড়কে নি*হত হয়েছেন ১১ জন, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু।
তার আগে, দার আল-আরকাম স্কুলে, যেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল, মুহূর্তেই মিশে গেল শ্রেণিকক্ষ ছাইয়ে। নি*হত অন্তত ৩০ জন—প্রায় সবাই নারী ও শিশু।
এই স্কুলটি আমার বাসা থেকে মাত্র ১০ মিনিট দূরে।
জাবালিয়া, ফাহদ স্কুল, UNRWA-র ক্লিনিক—একটির পর একটি জায়গা, যেগুলো নিরাপদ আশ্রয় বলে মনে করা হতো, সেগুলোতেই দেখা গেছে রক্ত, আগুন আর মৃ*ত্যুর বি*ভীষিকা।
এই পরিস্থিতির মাঝেই আসে এক নির্দেশ—
“অবিলম্বে সরে যান।”
কিন্তু প্রশ্ন হলো—কোথায় যাব?
উত্তর ধ্বং*সস্তূপ। দক্ষিণও নিরাপদ নয়।
সমুদ্র প্রাচীর, রাস্তাগুলো মৃত্যু ফাঁদ।
আমরা রয়ে যাই।
কারণ আমরা সাহসী—তা নয়।
আমাদের যাওয়ার কোথাও নেই।
আমরা যে আতঙ্ক অনুভব করি, তাকে ‘ভয়’ বলা যথেষ্ট নয়।
এই অনুভব এক চেপে বসা আতঙ্ক, যা বুকের ভেতর পাথরের মতো বসে থাকে, থমকে দেয় নিঃশ্বাস।
এটি সেই মুহূর্ত—যখন ক্ষে*প*ণাস্ত্রের শিস শোনা যায়, আর আপনি ভাবেন—এইবার বুঝি সব শেষ।
আমি একজন লেখক। একজন সাংবাদিক। মাসের পর মাস ধরে লিখে চলেছি, বিশ্বকে জানিয়ে চলেছি আমাদের বাস্তবতা। আমি জানি, অনেক সময় এসব লেখা এক গভীর শূন্যে হারিয়ে যায়।
তবুও লিখি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, কোথাও কেউ শুনছে। কেউ পড়ছে।
আমি লিখি, যাতে একদিন ইতিহাস লেখা হলে, কেউ না বলতে পারে—“আমরা জানতাম না।”
-Nour ElAssy
Is a poet and writer based in Gaza
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1205
Opening Hours
| Monday | 10:30 - 19:30 |
| Tuesday | 10:30 - 18:30 |
| Wednesday | 10:30 - 19:30 |
| Thursday | 10:30 - 19:30 |
| Friday | 10:30 - 19:30 |
| Saturday | 10:30 - 19:30 |
| Sunday | 10:30 - 19:30 |