Alor Pothe
সমাজের কুসংস্কার ও পারিবারিক কলহ ?
17/10/2022
ইডেন কলেজে হলে থাকা মেয়েদেরকে যখন বলা হয়, আজ রাতে তুমি অমুক ভাইয়ার রুমে যাবে। আজকে রাতের জন্য ভাইয়া তোমাকে পছন্দ করেছে।
মেয়েরা বাধ্য হয়েই যায় এবং সতীত্ব বিলিয়ে দিয়ে আসে। কেননা, সার্টিফিকেট যে পেতে হবে তাকে! নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে যে!
এই বাধ্যগত অবুঝ মেয়েরা আমাদেরই কারো বোন, কারো মেয়ে, কারো ভবিষ্যত স্ত্রী........
©মুহাম্মাদ মাগফিরাত
✨✨আলহামদুলিল্লাহ, আবারো বিশ্বজয় ✨✨
১১১ টি দেশের অংশগ্রহণে পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম-এর ৩য় স্থান অর্জন।
✨✨আলহামদুলিল্লাহ, আবারো বিশ্বজয় ✨✨
১১১ টি দেশের অংশগ্রহণে পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম-এর ৩য় স্থান অর্জন।
কেউ খাবার যোগাতে কাজের সন্ধানে দৌড়াচ্ছে, আবার কেউ অতিরিক্ত খেয়ে, খাবার হজমের জন্য দৌড়াচ্ছে.
গভীর রাতে কারো পাজেরো গাড়ি থামছে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে!
কেউ ভাঙা ঘরে থেকেও স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত সুখের স্বপ্ন বুনছে!
কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি!! কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে.
কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে. কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!
কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা!
কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে.
কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! কেউ আবার হিমেল হাওয়ায়,রাস্তায়,ওভার ব্রিজে অঘোরে ঘুমোচ্ছে.
কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে করছেনা.
কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!
কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো?
কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে.
সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...!
তবে শেষ ঠিকানা সাড়ে তিন হাত মাটি।
অনেক মেয়ে আছে দেখতে অনেক ভদ্র বরকা পরে কিন্তুু তারাও প্রেম করে💔❤️🥀
.....মানুষের জীবন বড়ই অদ্ভুত.....
রাত ২.৩০ টায় রোগীটা মারা গেল। বয়স প্রায় ৭০, সাথে শুধু স্ত্রী।
জিজ্ঞেস করলাম, বাড়িতে খবর দিয়েছেন? রোগী তো সন্ধ্যা থেকেই খারাপ ছিলো। কেউ আসেনি?
এরপর এক নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম যার জন্য আমার কোন মানসিক প্রস্তুতি ছিল না--
রোগীর দুই ছেলে, বড় জন সৌদি আরব, ছোট ছেলে বাড়িতে। বড় ছেলের জোরাজুরিতেই হাসপাতালে আসা। ছোট ছেলের আপত্তি অগ্রাহ্য করে কেন হাসপাতালে আনা হলো, এই অপরাধে বৃদ্ধ বাবাকে একবারও দেখতে আসেনি সে। উল্টো তাকে বাবার খারাপ অবস্থা জানানো হলে তার ভাষ্য ছিলো-
" আমি তো হাসপাতালে নিতে বলিনাই, সৌদি থিকা আইসা বাপেরে দেইখা যাইতে কও"!
জিজ্ঞেস করলাম, আত্মীয় স্বজন?
জানালো কেউ আসবে না, যখন তাদের প্রয়োজন ছিল তখন এসেছে। এখন লাশ নিতে আসলে যদি দুই পয়সা খরচ করতে হয়!
রাত ২.৩০ টায় ষাটোর্ধ্ব নারী তার সদ্য প্রয়াত স্বামীকে নিয়ে একটি উপজেলা হাসপাতালের ওয়ার্ডে, সাথে নেই কোন চেনা মুখ! কল্পনা করতেও বোধহয় কষ্ট হয়!
আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কয়টা বাজে? আজান দিতে আর কতক্ষণ?
আমি বললাম বেশিক্ষণ না, দুই-আড়াই ঘণ্টা!
ভদ্রমহিলা আমার হাত ধরে ফেললেন-
"আমারে হাসপাতাল থেকে বাইর করে দিয়েন না, সকাল হইলেই ভ্যান নিয়া চইলা যামু"!
শোকার্ত নারীটি যেন ঠিকমতো শোক প্রকাশ করারও সুযোগ পাচ্ছে না। একবার লাশের কাপড় ঠিক করছে, কিছুক্ষণ দোয়া পড়ছে, কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে কান্না করছে, আবার একা একা এই লাশ বাড়ি পর্যন্ত কিভাবে নিয়ে যাবে সেটাও বোধহয় আনমনে ভাবছে।
আমি শুধু তার মাথায় হাত রেখে আস্তে করে বলতে পারলাম, "থাকেন। কোন সমস্যা নাই"।
ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে ৭০ বছরের বৃদ্ধের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম জীবন ঠিক কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে। শেষ পরিণতি হিসেবে মৃত্যুর পর লাশটা নেওয়ার মানুষটাও নেই।
আহারে জীবন!
এই জীবন নিয়ে আবার কত বড়াই!
অথচ ঠিকমতো দাফন-কাফন পাবো কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই!
-Dr.Aravi Ara Kha
বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানির তালিকা
১. বলা হলো নিজে গিয়ে মেয়ে দেখতে, আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!
২. বলা হলো মেয়ে দ্বীনদার কি না দেখতে, আর আমরা শুরু করলাম মেয়ে সুন্দর কি না দেখতে!
৩. বলা হলো ছেলের দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে, আর আমরা শুরু করলাম ছেলের টাকা-পয়সাকে প্রাধান্য দিতে!
৪. বলা হলো নিজের পছন্দ মতো মেয়ে দেখে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম অন্যের মন রাখতে !
৫. বলা হলো মেয়ের মতামত নিয়ে বিয়ে দিতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিতে!
৬. বলা হলো কম খরচে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম আনুষ্ঠানিকতার নামে টাকা অপচয় করতে!
৭. বলা হলো মসজিদে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম সেন্টারে শুটিং করে বিয়ে করতে!
৮. বলা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের স্বার্থের জন্য বিয়ে করতে!
৯. বলা হলো ছেলে পক্ষ ওয়ালীমা করে মানুষকে খাওয়াতে। আমরা শুরু করলাম মেয়ের বাবার উপর জুলুম করে খাইতে!
১০. বলা হলো স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করতে, আর আমরা শুরু করলাম যৌতুক নিতে!
১১. বলা হলো দ্রুত বিয়ে করতে, আমরা শুরু করলাম পিছিয়ে বিয়ে দিতে!
১২. বলা হলো বিয়েকে সহজ করতে, আমরা শুরু করলাম কঠিন করতে!
১৩. বলা হলো নতুন বউকে দেখে দু'আ করতে, আমরা শুরু করলাম হাতে টাকা ধরিয়ে দিতে!
১৪. বলা হলো স্বামীকে সম্মান করতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে নিয়োজিত করতে!
১৫. বলা হলো স্ত্রীকে ভালোবাসতে, আমরা শুরু করলাম শালীর সাথে মিশতে!
১৬. বলা হলো স্ত্রীর সাথে সুন্দর করে কথা বলতে, আমরা শুরু করলাম দাসীর মতো আচরণ করতে!
১৭. বলা হলো দেবর থেকে দূরে থাকতে, আমরা শুরু করলাম দেবরের সাথে ফাজলামিতে মেতে উঠতে!
১৮. বলা হলো স্বামীর জন্য সাজতে, আমরা শুরু করলাম রাস্তার ছেলের কামনার বস্তু হতে!
১৯. বলা হলো স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে, আমরা শুরু করলাম তাকে নিয়ে বাজারে বেড়াতে!
২০. বলা হল সামর্থ্যহীন দ্বীনদার পুরুষগণ ফেতনা হতে বাঁচতে কলমা (ইজাব-কবুল) করে রাখবে, আর আমরা শুরু করলাম engagement / Registry (বিজাতীয় প্রথা) করে রাখতে।
আরো এইরকম হাজার ঘটনা আছে যা আমরা সবসময় উল্টোটা করেই থাকি। আমাদের কারণেই বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে। বিয়েতে বরকত কমে গেছে। সংসারে অশান্তি লেগেই থাকছে। দিন দিন বাড়ছে তালাকের সংখ্যা।
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।
24/08/2022
ছবিটা খেয়াল করেন–––
একজন প্রকৃত মুসলিমের কাছে তার স্ত্রী স্বর্ণের চেয়েও দামী।
দারিদ্র্যতা কখনো ইসলামের সৌন্দর্যকে দমিয়ে রাখতে পারেনা!
23/08/2022
একজন পাকিস্তানি যাদুকরের কনফেশনঃ
আমি মাঝে মাঝে কিছু জ্বীনদের পাঠাতাম যখন কেউ আমার কাছে অন্যের বিরুদ্ধে কালু জাদু করতে আসত। জ্বীনদেরকে বিভিন্ন খারাপ কাজের জন্য পাঠানো হত, যেমন কারো বাড়ির শান্তি অস্থিতিশীল করার জন্য, কারো অসুস্থতা সৃষ্টি করতে অথবা কারো মস্তিষ্ক এবং মেজাজ খিটখিটে করার জন্য। মাঝে মাঝে কারো উপর জ্বীন চালনা করা হলে কখনো কখনো জ্বীনেরা ফিরে এসে আমাকে বলত যে তারা কাউকেই সেখানে দেখতে পায়নি, আবার কখনো কখনো তারা বলত যে তারা শুধু তাদের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছে কিন্তু তবুও কাউকে দেখতে পাচ্ছে না।
তখন আমি আফারিত দের (ইফ্রিদ) পাঠাই, যাদের ক্ষমতা জ্বীনদের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং তারাও একই অজুহাত দিয়ে ফিরে আসত।
এরপর আমি জ্বীনদের আবারও পুনরায় যাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে পাঠানো হয়েছিলো তাদের নাম, জায়গার ঠিকানা এবং কোন অবস্থানে আছে সেটি বলি। এবং তারা উত্তর দেয় যে হ্যাঁ আমরা আপনার বলে দেয়া জায়গাতেই গিয়েছিলাম কিন্তু তাদের খুঁজে পাই নি!
আমি তখন অনুধাবন করতে পেরেছিলাম যে, ওইসব লোকদের সুরক্ষার স্তর, তাদের চারপাশের সুরক্ষা বেস্টনি বেশ মজবুত।
আবার এমন কিছু লোক আছে যাদের আদৌ কোনো সুরক্ষা নেই, এদের কালো জাদু দিয়ে শিকার করা এবং ইচ্ছেমতো কালো জাদুতে আক্রান্ত করা আমার জন্য খুব সহজ।
যাদেরকে আফারিত (ইফ্রিদ) পর্যন্ত খুজে পায় না সেসব লোকজন কুরআন এবং সালাত দিয়ে তাদের চারপাশে ভালমত সুরক্ষা বলয় তৈরী করে রাখে। কিন্তু যখন তারা মাঝে মাঝে তাদের সালাত মিস করে, জ্বীনেরা তাদের দেখতে না পেলেও শুধুমাত্র তাদের কণ্ঠস্বর শুনতে নির্দিষ্ট একটি দুরুত্ব থেকে।
যাদের প্রকৃত সুরক্ষা আছে, জিনরা তাদের দেখতে পায় না যাই হোক না কেন।
এবং তারপর আমি কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে বুঝতে পারলামঃ
*যখন তুমি কুরআন তেলাওয়াত করো, তখন তোমার এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তাদের মধ্যে একটি অদৃশ্য পর্দা স্থাপন করে দেই*
যার অর্থ আপনি মানুষের মন্দ ব্যাপার এবং দুষ্ট জ্বীন উভয়ের বিরুদ্ধেই ঢাল (সুরক্ষা বলয়) পাবেন।"
প্রতিদিন কুরআন পড়ুন।
সহীহ মুসলিম এবং ইবন হিব্বানে নবী (সঃ) বলেছেনঃ "তোমাদের ঘরগুলিকে কবরস্থানে পরিণত করো না (কোরআন বা জিকির যে ঘরে নেই)।
যেখানে সূরাতুল বাকারা (আয়াতুল কুরসি্) নিয়মিত পাঠ করা হয় সেখান থেকে শয়তান ও দুষ্ট জ্বীন আতংকিত হয়ে পালিয়ে যায়।
- সংগ্রহীত
বর্তমান সমাজে মুসলিমরা যেসব রীতি মেনে বিয়ে করেনঃ-
১। অ্যাংগেজমেন্টের আংটি পড়ানো = খ্রিস্টান রীতি
২। গায়েহলুদ = হিন্দু রীতি
৩। যৌতুক = হারাম। মানুষ বলে সামাজিক রীতি
৪। ঝাকজমক লাইটিং = লোক দেখানো রীতি
৫। ২০০-৩০০ লোক নিয়ে বরযাত্রা = শ্বশুরবাড়ির উপর জুলুম রীতি
৬। বিশাল অংকের মোহরানা ধরা হয় কিন্তু অন্তরে পরিশোধের নিয়ত নাই = মুনাফিকি রীতি।
★আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন____
★আপনার বিয়ের গোসল অন্যদের দিয়ে করাতে হবে কেন?-
আপনি কী মরেছেন?
★গোসলের পর মেয়েকে কোলে করে আনতে হবে কেন?-
তার কি পা নেই?'
★বর মুখে রুমাল দিবে কেন?
লজ্জা বেশি?
পুরুষ হয়ে এতই লজ্জা !
আপনাকে বিয়ে করতে কে বলেছে?
★বরকে হাত ধোয়াতে হবে কেন?
সে নিজে হাত ধোয়ে কখনো খায়নি??
নাকি তার হাতে প্যারালাইজড!!
★মানুষকে দাওয়াত করে টাকা নেন কেন? অভাব বেশি?
তাহলে এই আয়োজনটা করতে কে বলেছে আপনাকে?
★ছেলেকে এই দিতে হবে, সেই দিতে হবে কেন?
আরে তোমার ছেলে বউ পালতে পারবে না, বিয়ে করাইতাছেন
কেন?- নাকি ছেলে বিক্রি করছেন?
বিক্রি করা ছেলেতো বউয়ের কথাই শুনবে।.
★মেয়েকে বিয়ের দিন এতো মেকাপ করাতে হবে কেন?-
মেয়ের মুখের উপর কী ঠাডা পরছে নাকি?
★নতুন বউকে পর পুরুষ কোলে নিবে কেন ?-
তাঁর পায়ে কী গেঁজ আছে যে খোঁড়ায় হাটে !'
★দুলা ভাইকে শালীদের সাথে ডলাডলি করতে হবে কেন?
নিজের বউ থাকতে শালীর সাথে দুষ্টামী কেন?
নাকি চরিত্রের দোষ আছে!!!!
★দুলা ভাইকে গেইট থেকে যুবতি মেয়েরা রিসিভ করবে কেন?-
বাড়ির ছেলেরা কী হিজড়া হয়ে গেছে?
★নতুন বউয়ের রুম সাজাতে ছেলেরা কেন?
মেয়েরা কী হিজড়া হয়ে গেছে?'
অনাচার গুলো আর কারো নয়___আমাদেরই তৈরী!
আমরা এর নাম দিয়েছি সামাজিক রীতি!
★তাই আসুন আমরা সবাই মিলে এসব শরিয়াত বিরোধী ও ফালতু সামাজিক রীতি নীতি সমাজ থেকে দূর করার প্রতিজ্ঞা করি_____ইনশা আল্লাহ্.....
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এসব কুপ্রথা পরিহার করার তৌফিক দান করুন।
একটা সুন্দর মোনাজাত!
ইয়া আল্লাহ!! আমি জানিনা অতীতে কতটা পাপ করেছি, কতো ভুল করেছি জেনে না-জেনে, কত মানুষকে কষ্ট দিয়েছি, কত ওয়াক্ত নামাজ কাজা করেছি, কার কার নামে গীবত করেছি, কার কার নামে সমালোচনা করেছি, কত কি দেখে হিংসা করেছি! আসতাগফিরুল্লাহ্।
ইয়া আল্লাহ!! আপনি এখন আমাকে এমনভাবে তৈরি - করুন, যাতে এসব থেকে আস্তে আস্তে মুক্তি পেতে পারি। আমাকে আলোর পথ দেখান, আমার মনে ইসলামের প্রেম বাড়িয়ে দিন। আমার মনে আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ভালবাসা এনে দিন। ইসলামকে জানার ইচ্ছা বাড়িয়ে দিন।
ইয়া আল্লাহ!! কোনো বিপদ আসার আগেই আমাকে তা থেকে রক্ষা করুন। আমাকে বদনজর থেকে রক্ষা করুন। আমাকে পাপ থেকে দূরে থাকার তৌফিক দান করুন।
ইয়া আল্লাহ, আমার ঈমান বৃদ্ধি করে দিন, আমার মনকে নরম বানিয়ে দিন, আমাকে বেশি বেশি তওবা করার তৌফিক দিন। আমাকে হেদায়েত দান করুন।
আমীন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the place of worship
Telephone
Website
Address
Shemoli Square
Dhaka
1207