Daily Signal

Daily Signal

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daily Signal, Media/News Company, Dhaka.

07/03/2026

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান জোরদার

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। এর মধ্যেই কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে “আমাদের সবচেয়ে বড় বোমাবর্ষণ কর্মসূচি” আজ রাতেই পরিচালিত হবে।

স্কট বেসেন্টের দাবি, এই হামলার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো। তার মতে, এই হামলার ফলে ইরানের সামরিক অবকাঠামো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের এসব সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিয়েছে।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান এখন অষ্টম দিনে পৌঁছেছে। শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত দুই দেশই ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।

#ইরান
#যুক্তরাষ্ট্র
#ইসরায়েল
#মধ্যপ্রাচ্যসংকট
#বিশ্বরাজনীতি
#সামরিকঅভিযান
#আন্তর্জাতিকসংবাদ

05/03/2026

স্পর্শ করলেই আত্মহত্যার তাড়না! প্রকৃতিতে মরণফাঁদ এই বিষাক্ত গাছ
প্রকৃতি যেমন সুন্দর, তেমনই কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত রহস্যময় এবং ভয়ঙ্কর। আমরা অনেকেই বিষাক্ত সাপের কথা জানি, যা এক ছোবলেই মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। কিন্তু আপনি কি এমন কোনো উদ্ভিদের কথা শুনেছেন, যা স্পর্শ করলেই অসহ্য যন্ত্রণায় মানুষ আত্মহত্যার কথা ভাবতে বাধ্য হয়? শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই এক ভয়ঙ্কর গাছ রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার রেইন ফরেস্টে, যাকে বিশ্বজুড়ে ডাকা হয় 'সুইসাইড প্ল্যান্ট' বা আত্মহত্যার উদ্ভিদ নামে।
পরিচিতি: প্রকৃতির এক মরণঘাতী বিস্ময়
এই গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম "ডেনড্রোফনাইড মরোয়েডস" (Dendrocnide moroides)। স্থানীয়ভাবে এটি 'গিম্পি গিম্পি' (Gympie-Gympie) নামে বেশি পরিচিত। ডেনড্রোফনাইড গণের অন্তত ছয়টি প্রজাতির মধ্যে এই 'মরোয়েডস' প্রজাতিটিই সবচেয়ে বিষাক্ত এবং ভয়ঙ্কর। দূর থেকে দেখলে এটিকে একটি সাধারণ ঝোপালো গাছ মনে হতে পারে, যার পাতাগুলো অনেকটা হার্ট-শেপ বা হৃৎপিণ্ডের মতো বড় বড়।
কেন এটি এত ভয়ঙ্কর? হুল ফোটা বিষ!
গিম্পি-গিম্পি গাছের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো এর পাতা ও ডাঁটাতে থাকা অসংখ্য সূক্ষ্ম, কাঁচের মতো হুল বা ট্রাইকোম (trichomes)। এই হুলগুলো এতটাই সূক্ষ্ম যে তা খালি চোখে দেখা খুব কঠিন। এগুলো আসলে ফাঁপা सिलिका (silica)-এর সূঁচ, যার ভেতরে থাকে এক ধরণের শক্তিশালী নিউরোটক্সিন বিষ।
যখন কোনো মানুষ বা প্রাণী ভুলবশত এই গাছের পাতা বা ডাঁটা স্পর্শ করে, তখন এই হাজার হাজার সূক্ষ্ম হুল সাথে সাথে ত্বকের গভীরে ঢুকে যায়। হুলগুলো এতটাই ভঙ্গুর যে তা ত্বকের ভেতরে ঢুকেই ভেঙে যায়, ফলে বিষ সরাসরি রক্তে এবং স্নায়ুতন্ত্রে মিশে যায়। এই বিষের প্রধান উপাদান হলো এক ধরণের পেপটাইড, যা বিজ্ঞানীদের কাছে "মোরোইডিন" (moroidin) নামে পরিচিত।
বিষক্রিয়া: অসহ্য যন্ত্রণা এবং আত্মহত্যার তাড়না
গিম্পি-গিম্পি গাছের বিষক্রিয়া থেকে যে যন্ত্রণা শুরু হয়, তা বর্ণনা করা ভুক্তভোগীদের মতে অকল্পনীয়। কেউ কেউ এই যন্ত্রণাকে তুলনা করেছেন একসাথে গরম অ্যাসিড দিয়ে পোড়া এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার মতো তীব্র অনুভূতির সাথে। স্পর্শ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই যন্ত্রণা শুরু হয় এবং তা দ্রুত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে আক্রান্ত অংশের লিম্ফ নোড বা লসিকা গ্রন্থিগুলো ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়।
এই অসহ্য যন্ত্রণা শুধুমাত্র কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন নয়, বরং কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা এই দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন এবং তীব্র যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিছু সৈন্য এই যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে নিজেদের গুলি করতে বাধ্য হয়েছিল বলে শোনা যায়। এমনকি এই গাছ নিয়ে গবেষণাকারী কিছু বিজ্ঞানীও ভুলবশত আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এই ভয়াবহ যন্ত্রণার ভুক্তভোগী হয়েছেন।
চিকিৎসা: এক দীর্ঘ এবং কঠিন পথ
গিম্পি-গিম্পি গাছের বিষক্রিয়ার কোনো নিশ্চিত বা দ্রুত কাজ করা অ্যান্টিডোট (বিষনাশক) নেই। হুলগুলো ত্বকের গভীরে ঢুকে ভেঙে যাওয়ায় তা অপসারণ করা খুব কঠিন। সাধারণ চিকিৎসায় ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে যন্ত্রণা কমানোর চেষ্টা করা হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিনেগার ব্যবহার করে বিষের প্রভাব কিছুটা কমানোর চেষ্টা করা হয়, তবে তা পুরোপুরি কার্যকর নয়।
চিকিৎসকরা সাধারণত ভুক্তভোগীর ত্বকে লেগে থাকা হুলগুলো Wax Strips বা আঠালো টেপের সাহায্যে অপসারণ করার চেষ্টা করেন। তবে এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যদি হুলগুলো পুরোপুরি অপসারণ না করা যায়, তবে সামান্য ঘর্ষণে বা তাপমাত্রার পরিবর্তনে তা পুনরায় সচল হয়ে ভয়াবহ যন্ত্রণার সৃষ্টি করতে পারে।
সতর্কতা: অস্ট্রেলিয়ার রেইন ফরেস্ট ভ্রমণে করণীয়
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড এবং নিউ সাউথ ওয়েলস এলাকার রেইন ফরেস্টে যারা ভ্রমণ করেন, তাদের জন্য এই গাছটি এক বড় আতঙ্ক। ভ্রমণকারী এবং গবেষকদের সবসময় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়। জঙ্গলে হাঁটার সময় অবশ্যই পূর্ণ হাতা পোশাক এবং হাতে দস্তানা ব্যবহার করা উচিত। কোনো অচেনা গাছ বা পাতা স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং সবসময় অভিজ্ঞ গাইডের নির্দেশ মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
প্রকৃতির এই অদ্ভুত অথচ মরণঘাতী সৃষ্টি গিম্পি-গিম্পি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা বিশ্বজুড়ে যতই এগিয়ে যাই না কেন, প্রকৃতির কিছু কিছু রহস্য ও বিপদের সামনে আমরা এখনও অত্যন্ত অসহায়। এই ভয়ঙ্কর 'সুইসাইড প্ল্যান্ট' প্রকৃতির এক সতর্কবাণী, যা আমাদের সবসময় সাবধানে এবং প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করে।

#সুইসাইড_প্ল্যান্ট #রহস্য #অজানা_বিস্ময়

05/03/2026

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীতে বৃষ্টির দেখা মিললেও তা নগরবাসীর জন্য স্বস্তির বদলে কিছুটা অস্বস্তি ও বিস্ময় নিয়ে এসেছে। গতকাল ২ মার্চ বিকেলে কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও পান্থপথসহ ঢাকার বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির ফোঁটার সাথে কাদা পড়তে দেখা গেছে। হঠাৎ এই ‘কাদাবৃষ্টিতে’ পথচারীদের পোশাক ও যানবাহনে ধুলোবালির আস্তরণ পড়ে যাওয়ায় অনেকেই বিপাকে পড়েন।
কেন এই অদ্ভুত বৃষ্টি?
আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়, বরং বায়ুদূষণ ও দীর্ঘ শুষ্ক আবহাওয়ার ফল। গত কয়েক মাস ধরে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বড় কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। ফলে বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরে প্রচুর পরিমাণে ধূলিকণা, কলকারখানার ধোঁয়া এবং কার্বন কণা জমা হয়ে ছিল।
যখন হালকা বৃষ্টি শুরু হয়, তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো বাতাস থেকে এই ধূলিকণাগুলোকে সাথে নিয়ে নিচে নেমে আসে। বৃষ্টির পরিমাণ যদি বেশি হতো, তবে এই ধুলা ধুয়ে যেত। কিন্তু ২ মার্চ বৃষ্টির পরিমাণ কম হওয়ায় তা কাদার মতো হয়ে ঝরে পড়েছে।
জনদুর্ভোগ ও প্রতিক্রিয়া
কারওয়ান বাজারে আসা এক ব্যবসায়ী জানান, "আকাশ অন্ধকার হয়ে বৃষ্টি নামল, ভাবলাম গরম কমবে। কিন্তু বৃষ্টির পানি গায়ে পড়ার পর দেখি পাঞ্জাবিতে কাদার দাগ বসে গেছে।" অন্যদিকে, মোটরসাইকেল চালকরা জানান, হেলমেটের কাঁচে কাদা জমে যাওয়ায় রাস্তা দেখতে তাদের বেশ অসুবিধা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞের মতামত
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার বর্তমান বায়ুমান অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। বাতাসের এই উচ্চমাত্রার ধূলিকণাই বৃষ্টির পানিকে ঘোলা বা কাদাযুক্ত করে তুলেছে। বৃষ্টির পর রাস্তাঘাট পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

#বায়ুদূষণ #কাদাবৃষ্টি

03/03/2026
03/03/2026

আকাশের নীল ক্যানভাসে সাদা ধোঁয়ার মতো লম্বা দাগ টেনে কোনো উড়োজাহাজ উড়ে যাওয়ার দৃশ্য আমাদের সবারই শৈশবের এক চেনা স্মৃতি। ছোটবেলায় আমরা অনেকেই একে 'রকেটের ধোঁয়া' ভেবে ভুল করতাম। তবে বিজ্ঞান বলছে, এটি আসলে কোনো ধোঁয়া নয়, বরং এক বিশেষ ধরনের মেঘ। পেশাদার সংবাদ প্রতিবেদনের শৈলীতে বিষয়টি নিচে তুলে ধরা হলো:
আকাশের সেই সাদা রেখা: ধোঁয়া নয়, আসলে বরফকণা!
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
শৈশবে নীল আকাশে উড়োজাহাজের পেছনে সাদা লম্বা রেখা দেখে অনেকেই একে 'রকেটের ধোঁয়া' বলে মনে করতেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ভুল ভাঙলেও, অনেকের কাছেই এই সাদা দাগটির পেছনের প্রকৃত কারণ এখনো অজানা। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি ইঞ্জিনের ধোঁয়া নয়, বরং একে বলা হয় 'কনট্রেইল' (Contrail) বা 'কনডেনসেশন ট্রেইল'।
কনট্রেইল কেন তৈরি হয়?
উড়োজাহাজ যখন ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে (সাধারণত ২৫,০০০ ফুটের উপরে) চলাচল করে, তখন সেখানকার তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে—প্রায় হিমাঙ্কের নিচে -৪০°C পর্যন্ত। এই উচ্চতায় বাতাসের আর্দ্রতা এবং অতিশয় ঠান্ডার মধ্যে ইঞ্জিনের উত্তপ্ত গ্যাস যখন নির্গত হয়, তখন এক ধরনের ঘনীভবন প্রক্রিয়া ঘটে।
গঠনের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া
আধুনিক উড়োজাহাজের টার্বোফ্যান ইঞ্জিন থেকে নির্গত গরম বাতাসের জলীয় বাষ্প যখন বাইরের প্রচণ্ড শীতল বাতাসের সংস্পর্শে আসে, তখন তা মুহূর্তের মধ্যে বরফকণায় পরিণত হয়। ঠিক যেমন শীতের সকালে আমাদের মুখ থেকে গরম বাতাস ছাড়লে কুয়াশার মতো দেখায়, আকাশের এই সাদা রেখাটিও অনেকটা সেরকম।
স্থায়িত্ব ও পরিবেশগত প্রভাব
সব সময় এই রেখা আকাশে দেখা যায় না। এটি নির্ভর করে সেই নির্দিষ্ট উচ্চতায় বাতাসের আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রার ওপর। বাতাস যদি শুষ্ক হয়, তবে রেখাটি দ্রুত মিলিয়ে যায়। কিন্তু বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে এই কনট্রেইল দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয় এবং কৃত্রিম সিরোস মেঘের সৃষ্টি করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কনট্রেইলগুলো কেবল দৃশ্যমান সৌন্দর্যই নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনেও পরোক্ষ ভূমিকা রাখে। এগুলো রাতের বেলা পৃথিবী থেকে তাপ বিকিরণে বাধা দিয়ে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।


#বিজ্ঞান #উড়োজাহাজ #কনট্রেইল #মহাকাশ #আকাশ #জানার_আছে_অনেক_কিছু #বিজ্ঞান_ও_প্রযুক্তি

03/03/2026

বাহরাইনে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

03/03/2026

২০২৬ সালেই কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ? বাবা ভাঙ্গার পুরনো ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে ফের তোলপাড়
নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির উত্তপ্ত আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন বুলগেরিয়ার প্রখ্যাত ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা। বিশেষ করে ‘২০২৬ সালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ শুরু হওয়া নিয়ে তার একটি পুরনো ভবিষ্যদ্বাণী এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত এবং আঞ্চলিক নানা উত্তেজনা বিশ্ববাসীকে বাবা ভাঙ্গার সেই রহস্যময় সতর্কবার্তার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
কে এই বাবা ভাঙ্গা?
১৯১১ সালে জন্ম নেওয়া এই রহস্যময়ী নারীর আসল নাম পান্দেভা দিমিত্রোভা। ১২ বছর বয়সে এক ভয়াবহ ঝড়ে দৃষ্টিশক্তি হারানো এই নারী দাবি করতেন, তিনি ভবিষ্যৎ দেখতে পান। ১৯৯৬ সালে মৃত্যুর আগে তিনি পৃথিবীর অনেক বড় ঘটনার পূর্বাভাস দিয়ে গেছেন বলে দাবি করা হয়। বুলগেরিয়ান ভাষায় ‘বাবা’ শব্দের অর্থ হলো ‘ঠাকুমা’, যা তাকে ভালোবেসে ডাকা হতো।
২০২৬ সাল নিয়ে আলোচিত জল্পনা
বলা হয়ে থাকে, তিনি চেরনোবিল বিপর্যয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলা এবং প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর মতো ঘটনার সঠিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। ২০২৬ সাল নিয়ে তার করা ভবিষ্যদ্বাণীগুলো বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই:
• বৈশ্বিক সংঘাত: ২০২৬ সালে একটি বিশাল আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ বা ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ শুরু হতে পারে, যেখানে বড় শক্তিগুলোর সরাসরি সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
• প্রযুক্তি ও এলিয়েন: অনেকে দাবি করেন, তিনি ২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যাপক উন্নয়ন এবং ভিনগ্রহের প্রাণীর সঙ্গে যোগাযোগের কথাও বলে গিয়েছিলেন।
বাস্তবতা বনাম জল্পনা
বিশেষজ্ঞরা সবসময়ই সতর্ক করে আসছেন যে, বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। অনেক ক্ষেত্রে তার অস্পষ্ট বাণীগুলোকে মানুষ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করে থাকে। বাস্তবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিশ্লেষণের জন্য প্রামাণ্য আন্তর্জাতিক তথ্যের ওপর নির্ভর করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

03/03/2026

মধুমতীর বুকে এক চিলতে মরুভূমি:
গোপালগঞ্জের 'মিনি সেন্টমার্টিন' এখন পর্যটকদের গন্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ
চারপাশে অথৈ জলরাশি, আর তার ঠিক মাঝখানে ধবধবে সাদা বালুর এক বিশাল স্তর। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে কোনো সমুদ্রসৈকত, কিন্তু এটি আসলে মধুমতী নদীর এক অনন্য রূপ। গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার চর মাঠলা এলাকায় মধুমতী নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা এই বালুচরটি এখন ভ্রমণপিপাসুদের কাছে 'মিনি সেন্টমার্টিন' হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
ক্ষণস্থায়ী এক মায়াবী রূপ
এই চরের বিশেষত্ব হলো এর লুকোচুরি খেলা। এটি সারাদিন দেখা যায় না; জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে দিনে মাত্র দুইবার এর দেখা মেলে। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে ভাটার সময় প্রায় দুই ঘণ্টার জন্য জেগে ওঠে এই সোনালি বালুকাবেলা। জোয়ার এলেই আবার তা তলিয়ে যায় নদীর অতল গহ্বরে। প্রকৃতির এই ক্ষণস্থায়ী রূপ উপভোগ করতেই প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন এখানে।
বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
গোপালগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই চরটি গত জানুয়ারি মাস থেকে পর্যটকদের মূল আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। শুধু স্থানীয়রাই নন, পাশের জেলা নড়াইল, বাগেরহাট ও খুলনা থেকেও ট্রলার কিংবা নৌকায় চড়ে মানুষ আসছেন এই 'মরুভূমি'র স্বাদ নিতে।
পর্যটকদের মতে, নদীর স্বচ্ছ নীল জল আর মাঝখানের ধু ধু বালুচর মিলে যে নান্দনিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা কক্সবাজার বা কুয়াকাটার আমেজ মনে করিয়ে দেয়। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় নৌকা ভ্রমণ এই আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। সব বয়সী মানুষের পদচারণায় এখন মুখর মধুমতীর এই নতুন পর্যটন কেন্দ্র।

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka