Info wave

Info wave

Share

Do Or Die

"জুলাই আমাদের সনদ না! শরীয়াহ আমাদের চুড়ান্ত সনদ।"

আলহামদুলিল্লাহ!
ইসলামের সঠিক তথ্য সবার কাছে ছরিয়ে দেয়াই হলো এই পেজটির মূল উদ্দেশ্য।
আপনিও হন ইসলামের প্রচারক।
মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছরিয়ে দিন।
কেউ হেদায়েতের দিকে আহব্বান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে,তবে যারা অনুসরণ করছে তাদের সওয়াবের কোন কমতি হবেনা।
(সহিহ মুসলিম-:২৬৭৪)

23/02/2026
21/02/2026

ঢাকা-ওয়াশিংটন গোপন চুক্তির ফাঁস

মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘অসম’ চুক্তির ফাঁদ, হুমকিতে দেশীয় শিল্প ও সার্বভৌমত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির খসড়ায় এমন সব শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি, বিকাশমান দেশীয় শিল্প এবং স্বাধীন নীতিনির্ধারণী ক্ষমতার জন্য বড় ধরনের হুমকি হতে পারে। চুক্তির নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে দেশের বাজারে প্রায় একচেটিয়া ও শর্তহীন সুবিধা দেওয়ার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্য যেসব সুবিধার কথা বলা হয়েছে, তার ভেতরেও রয়েছে কঠিন শর্তের বেড়াজাল।

খসড়া চুক্তির সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো—এটি কার্যকর হলে আইন প্রণয়ন, ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতেও পরোক্ষ মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রাপ্ত নথির বিভিন্ন ধারা ও অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করে অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে একে ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’ বলা হলেও এটি মূলত একটি ‘অসম চুক্তি’। এই চুক্তির ফলে দেশীয় শিল্প অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে।

আইন প্রণয়নেও লাগবে মার্কিন সায়
খসড়া চুক্তির ১.১৭ অনুচ্ছেদে ‘উত্তম নিয়ন্ত্রক অনুশীলন’ (Good Regulatory Practices) এবং ১.৯ অনুচ্ছেদে ‘স্বচ্ছতা’র নামে বাংলাদেশের আইনি ও প্রশাসনিক সার্বভৌমত্ব চরমভাবে খর্ব করার শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ নতুন কোনো নিয়ম, মান বা বাধ্যবাধকতা প্রণয়নের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করবে এবং খসড়া প্রকাশ করে তাদের মন্তব্য নেবে। এর অর্থ হলো, দেশের অভ্যন্তরীণ স্বার্থে জাতীয় সংসদে বা মন্ত্রণালয়ে কোনো আইন বা বিধিমালা করার ক্ষেত্রেও আগে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সম্মতি’ বা পর্যালোচনার প্রয়োজন পড়বে, যা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য নজিরবিহীন।

তথ্য পাচারের বৈধতা ও ডিজিটাল পরাধীনতা
বর্তমান যুগে ডেটা বা তথ্যকে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ বিবেচনা করা হয়। কিন্তু চুক্তির ডিজিটাল বাণিজ্য অধ্যায়ের ৪.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ‘ডেটা লোকালাইজেশন’ বা দেশের ভেতরে সার্ভার রেখে ডেটা সংরক্ষণের কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে পারবে না। এছাড়া ৩.৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মার্কিন আইসিটি পণ্যের সোর্স কোড বা এনক্রিপশন কি (Key) প্রকাশের শর্ত দেওয়া যাবে না।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে ফেসবুক, গুগলের মতো বহুজাতিক মার্কিন কোম্পানিগুলো এ দেশের মানুষের ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য অবাধে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে পারবে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ সরকার চাইলেও এসব কোম্পানির অ্যালগরিদম বা প্রযুক্তিগত কোনো নজরদারি করতে পারবে না। উপরন্তু, মার্কিন ডিজিটাল পণ্যের ওপর শুল্ক বা কর বসানো যাবে না, যা বিপুল রাজস্ব ক্ষতির কারণ হবে।

নিয়ন্ত্রণ হারাবে বিএসটিআই ও ঔষধ প্রশাসন
দেশের বাজারে কোনো বিদেশি পণ্য এলে বিএসটিআই, ঔষধ প্রশাসন বা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মতো সংস্থাগুলো তা পরীক্ষা করে থাকে। কিন্তু চুক্তির ১.১ অনুচ্ছেদে শর্ত দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ (FDA) কর্তৃক অনুমোদন পাওয়া কোনো চিকিৎসা সরঞ্জাম বা ওষুধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুনরায় কোনো পরীক্ষা বা সার্টিফিকেশন চাইতে পারবে না। খাদ্য, কৃষিপণ্য বা শিল্পপণ্যের ক্ষেত্রেও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অজুহাত দিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে।

সেবা ও নির্মাণ খাতে অসম প্রতিযোগিতা
চুক্তির ধারা ২ অনুযায়ী—পরিবহন, পাইকারি ও খুচরা বিতরণ (যেমন: ফ্র্যাঞ্চাইজি), নির্মাণ ও প্রকৌশল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে অবাধ প্রবেশাধিকার দিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি কোনো খাতেই তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। অর্থনীতিবিদদের মতে, পুঁজি ও প্রযুক্তিতে শক্তিশালী মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বিনা বাধায় দেশে প্রবেশ করলে দেশীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো চরম অসম প্রতিযোগিতায় পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত বাজার থেকে ছিটকে যাবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকেও (SOE) সরকার কোনো ধরনের অ-বাণিজ্যিক ভর্তুকি বা সুবিধা দিতে পারবে না।

ভূরাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে হস্তক্ষেপ
চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদের শর্তগুলো বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যদি কোনো ‘অ-মার্কেট’ (পরোক্ষভাবে চীন বা রাশিয়া) দেশের সঙ্গে এমন কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) করে যা এই চুক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাতিল করে পুনরায় শুল্ক আরোপ করতে পারবে। সবচেয়ে বিস্ময়কর শর্তটি হলো—যুক্তরাষ্ট্রের ‘মৌলিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে’ এমন কোনো দেশের কাছ থেকে বাংলাদেশ পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর বা জ্বালানি কিনতে পারবে না। বাণিজ্য চুক্তির মোড়কে এটি মূলত বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক মিত্র নির্বাচনের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার একটি কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

তৈরি পোশাক খাতের সুবিধার নামে ‘মরীচিকা’
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকের (টেক্সটাইল) জন্য চুক্তির ৫.৩ অনুচ্ছেদে শূন্য শুল্ক সুবিধার কথা বলা হয়েছে। তবে এখানে জুড়ে দেওয়া হয়েছে এক কঠিন শর্ত। এই সুবিধা পেতে হলে রপ্তানিকৃত পোশাকে ‘মার্কিন উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম ফাইবার’ ব্যবহার করতে হবে। অথচ বাংলাদেশের পোশাকশিল্প মূলত ভারত, চীন ও অন্যান্য দেশ থেকে কম দামে কাঁচামাল আমদানি করে টিকে আছে। মার্কিন তুলা আমদানির এই শর্ত মানলে উৎপাদন খরচ এতটাই বাড়বে যে, শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেও বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাবে।

সার্বিক বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘যেকোনো দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে নিজেদের শিল্প ও অর্থনীতি রক্ষার জন্য কিছু রক্ষাকবচ রাখতে হয়। কিন্তু এই খসড়া নথিতে একচেটিয়াভাবে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। এটি চূড়ান্ত হওয়ার আগে দেশের সংশ্লিষ্ট সব খাতের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হওয়া জরুরি।’

19/02/2026

খলিলুরের মন্ত্রী হওয়া থেকে ইসলামপন্থী গণতান্ত্রিকরা অন্তত ২টি শিক্ষা নিতে পারেন।
১. কারা ক্ষমতায় যাবে- এটা জনগণের দ্বারা নির্ধারিত হয় না।
তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে কারা ক্ষমতায় যাবে, তা নির্ধারিত হয় নির্বাচনের আগেই- পশ্চিমা শক্তি ও ডিপ স্টেটের সঙ্গে নেগোশিয়েশনের টেবিলে।
এরপর নির্বাচন দেওয়া হয় কেবল লোকদেখানো আনুষ্ঠানিকতার জন্য।
সাধারণ মানুষ ক্ষমতার উৎসও নয়, সাধারণ মানুষ ক্ষমতা নির্ধারণও করে না। গণতন্ত্রের এসব মুখরোচক থিওরি কাগজে-কলমে এবং কিছু ব্রেনলেস ইডিয়টের মুখেই সীমাবদ্ধ।
২. নির্বাচিত সরকারও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
যদি পারত, তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের দলের কাউকে রেখে, আমেরিকান প্রোডাক্ট খলিলের মতো একজন অনির্বাচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে দিত না।
তারা যে দিতে বাধ্য হয়েছে- এটা বুঝতে রকেট সায়েন্স লাগে না।
তার মানে এটা পরিষ্কার, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর কেউই বিদেশি শক্তিকে ম্যানেজ না করে, তাদের প্রেসক্রিপশন ফলো না করে ক্ষমতায় আসতে পারে না।
তারপরও কি আপনারা মনে করেন- বিদেশিদের ম্যানেজ করে, তাদের শর্ত মেনে এ দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে ফেলবেন?
মনে হচ্ছে, আপনারা আমেরিকা কিংবা ভারতের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আকাশকুসুম হিকমতি কল্পনা করছেন।
আমেরিকা আর ভারত আপনাকে সঠিক ইসলাম প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেবে- এই আশা করার চেয়ে শয়তান কালিমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করবে- এই আশা করা বেশি বাস্তবসম্মত।

14/02/2026

এ দুইজন মজলুম। বটবাহীনি অক্লান্ত ক্যাম্পেইন করে যাদের নামানুষ বানিয়েছিলো।
প্রথম আলো ডেইলি স্টার ভাংচুরের সময়া যারা আশেপাশেও ছিলো না। সে ঘটনায় তাদের আজো বিচারবহির্ভূতভাবে বন্ধী করে রাখা হয়েছে,স্রেফ বট বাহিনীর ক্যাম্পেইনের কারণে ।

কয়েকদিন পড়েই রোজা৷ ওনাদের পরিবারে রয়েছে ছোট ছোট বাচ্চা।এ বাচ্চারা বাবাকে ছাড়া হয়তো ইফতার করবে,ঈদ করবে।

এ মজলুমদের বদদোয়া কি বিফলে যেতে পারে?
ওনাদের বদদোয়ার ফলও পেয়েছে বট বাহিনী।
সামনে আরো পাবে।

আল্লাহ তাআলা ওনাদের দ্রুত মুক্তি কে ত্বরান্বিত করুক। আমিন৷

14/02/2026

এলজিউনুসের
মূল্যবোধবিরোধী সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নের পাপে শরীক থাকবেন এক পাল অন্ধ মুসলিম সমর্থক।

13/02/2026

শিবির এর তিনটা লাইন খুব মিস করতেছি এখন
১.
আপনারা কি তাহলে কালকেই খেলাফত প্রতিষ্ঠা করে ফেলবেন?
২.
ঘরে বসেই ইসলাম কায়েম করে ফেলবেন আপনারা?
৩.
আপনাদের রূপরেখা কি?

11/02/2026

নির্বাচনের উত্তাপে ডাকা পড়ে গেছে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের চুক্তি
নিচে এর কিছু আপত্তিকর অংশ তুলে ধরা হলো।

Section 3: Digital Trade (ডিজিটাল বাণিজ্য)

মূল কথা (Article 3.1 - 3.3):
ডিজিটাল সেবার ওপর কোনো শুল্ক বসানো যাবে না। বাংলাদেশে সংগৃহীত ডেটা (Data) বা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে কোনো বাধা দেওয়া যাবে না (Free transfer of data)!

Section 4: অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা
এটিই এই চুক্তির সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং অংশ, যা "সার্বভৌমত্ব" নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

Article 4.1 & 4.2:
মূল কথা:
বাংলাদেশ যদি এমন কোনো দেশের (যেমন: চীন) কোম্পানির সাথে ব্যবসা করে যারা "বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে" পণ্য দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা (Sanction) দিলে, বাংলাদেশকেও তা মেনে চলতে হবে এবং সেই অনুযায়ী রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

প্রভাব কি হতে পারে?:
বাংলাদেশ চীন বা অন্য কোনো দেশ থেকে সস্তায় কাঁচামাল বা পণ্য কিনতে বাধার সম্মুখীন হতে পারে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সাথে গেঁথে যাবে। স্বাধীনভাবে বাণিজ্যের সঙ্গী নির্বাচনের সুযোগ কমবে।

Article 4.3: পারমাণবিক বিদ্যুৎ ও প্রতিরক্ষা
মূল কথা হল:
বাংলাদেশ এমন কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক চুল্লি বা জ্বালানি কিনতে পারবে না যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে (পরোক্ষভাবে রাশিয়ার দিকে ইঙ্গিত)।

প্রভাব কি হতে পারে? :
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা ভবিষ্যতের প্রকল্পে রাশিয়ার সহায়তা নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হতে পারে।

Section 5: বাধ্যতামূলক কেনাকাটা
এই অংশটি সরাসরি "জিম্মি" দশার মতো মনে হতে পারে। এখানে সরাসরি কী কী কিনতে হবে তার তালিকা দেওয়া হয়েছে।

Article 5.1 & 5.2: যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের খনিজ সম্পদ, গ্যাস ও টেলিযোগাযোগ খাতে অবাধ প্রবেশাধিকার দিতে হবে।

Article 5.3 (Textiles): বাংলাদেশের পোশাকের শুল্কমুক্ত সুবিধা তখনই দেওয়া হবে যদি বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ তুলা (Cotton) আমদানি করে।

Article 5.4 & Annex III (Purchases): বাংলাদেশ বাধ্যতামূলকভাবে নিচের জিনিসগুলো কেনার চেষ্টা করবে:

বিমান: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ১৪টি বোয়িং বিমান কিনতে হবে।

জ্বালানি: ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন এলএনজি (LNG) গ্যাস কিনতে হবে।

কৃষি পণ্য: বছরে ৭ লাখ টন গম, ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিন এবং ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের তুলা কিনতে হবে।

প্রভাব কি হতে পারে? :
এটি বাণিজ্যের চেয়ে "চাপিয়ে দেওয়া কেনাকাটা" বেশি মনে হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন বা সামর্থ্য থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর লাভের গ্যারান্টি দেওয়া হচ্ছে।

Section 6: Enforcement

Article 6.4: যদি যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বাংলাদেশ কোনো শর্ত মানছে না, তবে তারা আবার আগের মতো উচ্চ শুল্ক (Tariff) আরোপ করতে পারবে।

প্রভাব: চুক্তির চাবিকাঠি পুরোটাই যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। তারা বিচারক ও জল্লাদ—উভয় ভূমিকাই পালন করবে।

সবশেষে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম (Military Equipment) কিনতে সম্মত হয়েছে। এটি মূলত বাংলাদেশের মার্কিন প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানোর একটি কৌশল।

(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
সোর্স কমেন্টে
মোহাইমিন পাটোয়ারী

06/02/2026

জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ।

জুমা -শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে

06/02/2026

জাতিসংঘের জন্মলগ্ন থেকে মার্কিনস্বার্থ পাহারা দেয়া ছাড়া আর কোন কাজ করে নি। সেই জাতিসংঘকে তদন্তের অনুরোধ মানে এটা পূর্বপরিকল্পিত।

একটি মহল অত্যন্ত সচেতনভাবে এইদেশের প্রতিটি স্ট্র্যাটেজিক পজিশন থেকে অথরিটি সবই মার্কিন বলয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দূঃখের বিষয় হলো, বহু জ্ঞানের জাহাজের এন্টেনায় এই সামান্য বিষয়টা ধরছে না।

05/02/2026

প্রমাণ দেখুন, অন্তর্ভুক্তিমূলক মানে এলজি বান্ধব। এনসিপির বহিষ্কৃত গে লিডার এবং তৃতীয় লিং/গের আড়ালে রংপুরের নকল ট্রাnন্স এমপি প্রার্থী (আনোয়ারা রানী) একসূত্রে মিলিত হয়েছে। লিখে রাখেন এবার সংসদ মমকামী বান্ধব অর্থাৎ অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে (উচ্চ কক্ষে) যদি না আমরা সচেতন হই।

04/02/2026

ইসলামপন্থী ফেসবুকাদের নিয়ে আফসোস।
ড ইউনুস সরকারের বিদায় নিয়ে এক আবেগতাড়িত পোস্ট শেয়ার দিচ্ছেন দল বেঁধে, সফলতার সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। কিন্তু হায়, এই সরকার প্রায় সব পলিসি সংস্কারে, গণভোটে, জুলাই সনদে, শিক্ষা আইনে, বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে এলজি বান্ধব পলিসি করে যাচ্ছে যাতে এই দেশ ভুগবে যুগ যুগ ধরে। আমরা এতই কেলাস মুসলিম হয়ে গেলাম যে আমাদের সন্তান এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা ভুলে গেছি...

03/02/2026

☝☝☝ছবিতে যে উ/গ্র/বাদী ইsকন সদস্যকে দেখছেন তার নাম আশিস সরকার।
বাংলাদেশ সরকার গতকাল তাকে সিলেটের ওসমানীনগরে মহিলা মাদ্রাসায় আইসিটি লেকচারার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। প্রতিটা মাদ্রাসাতে এভাবে অসংখ্য হি/ন্দু/দের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এই হিন্দু শিক্ষক গুলি মুসলিম মেয়েদের টার্গেট করে ফ্রেমের ফাঁদে ফেলে ধ/র্ষ/ণ ধর্মান্তরিত করে মুসলিম সমাজকে ধস করছে।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka
8050