Crescent Health Service

Crescent Health Service

Share

মানুষ মানুষের জন্য।মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গঠনের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। অধিকাংশ মানুষই সাধারণত অসুস্থ হওয়ার আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খুব বেশি একটা গুরুত্ব দেন না। আবার অসুস্থ হওয়ার পরও যখন আমরা এদিক-সেদিক দৌড় ঝাঁপ শুরু করি। তখন অনেক সময়ই সঠিক নির্দেশনার অভাবে ভালো সেবা পাই না। সুস্বাস্থ্যের জন্য আমরা যেন প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি, অসুস্থ হলে আমরা যেন স

26/07/2025

Nahidul Islam ভাই আজ ২২তম বার বি+ রক্ত দান‌ করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ ।আল্লাহ তাআলা প্রথমে রোগী কে ও পরে নাহিদ ভাই কে সুস্থতা দান করুন আমীন।

"স্বেচ্ছায় রক্তদান, বাঁচতে পারে একটি প্রান"

26/07/2025

মোহাম্মদ আজিজুল হাকিম আজ ১৪তম বার 🩸রক্তদান করলাম — একজন মা, তার দুটো কিডনিই ড্যামেজ হয়ে গেছে, যিনি ডায়ালাইসিসে জীবনযুদ্ধ করছেন, তার জন্য।
রক্তদান শুধু রক্ত নয়, এটি ভালোবাসা, মানবতা ও নতুন জীবনের প্রতীক। আল্লাহ তাআলা ঐ "মা" কে দ্রুত সুস্থতা দান করুন আমিন।
চলেন, আমরা সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়াই — একটা ফোঁটা রক্ত, হতে পারে কারো জন্য নতুন ভোর।

"স্বেচ্ছায় রক্তদান, বাঁচতে পারে একটি প্রান"

যে কোন প্রয়োজনে Crescent Health Service আছে আপনার পাশে💙

Photos from Crescent Health Service's post 06/09/2024

"স্বেচ্ছায় রক্তদান, বাঁচতে পারে একটি প্রাণ"
আলহামদুলিল্লাহ আজ ১১ তম বার রক্ত দান করলেন Crescent Health Service Blood Bank🩸 এর CEO।
রক্তের গ্রুপ বি+
৬ সেপ্টেম্বর ২৪
Crescent Health Service Blood Bank🩸 রক্তের প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।
Crescent Health Service

31/08/2024

গর্ভাবস্থায় সহবাস করা যাবে কি?

গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ কিনা সে ব্যাপারে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে গর্ভবতীর প্রথম তিন মাস এবং শেষের তিন মাসে সহবাস করলে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে বলে অনেকে আশংকা করে থাকেন। তবে এই ধারণাটি সঠিক নয়।

আপনার গর্ভাবস্থা যদি স্বাভাবিক হয় এবং যদি নির্দিষ্ট কোন স্বাস্থ্য জটিলতার জন্য ডাক্তার আপনাকে সহবাস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ না দিয়ে থাকে, তাহলে আপনার জন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত। এতে গর্ভের সন্তানের কোন ধরনের আঘাত পাওয়ার বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তবে গর্ভবতী অবস্থায় অনেকেরই সহবাসের ইচ্ছা কমে যায় বা ইচ্ছার পরিবর্তন হয়। এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এমনটা হলে আপনার সঙ্গীর সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন। এই বিষয়ে আপনাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গর্ভাবস্থায় সহবাস কি গর্ভের বাচ্চার কোনো ক্ষতি করে?
আপনার গর্ভাবস্থা যদি স্বাভাবিক ও জটিলতামুক্ত হয়, তাহলে কেবলমাত্র সহবাসের কারণে গর্ভপাত (Miscarriage) বা সময়ের আগে সন্তান প্রসব হওয়ার (Early Labour) কোন সম্ভাবনা নেই। তবে গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সহবাসের কারণে জরায়ুতে মৃদু সংকোচন অনুভব করতে পারেন।

এমনটা হলে আপনার জরায়ুর পেশীগুলো শক্ত হয়ে যাচ্ছে বা টান খাচ্ছে বলে মনে হবে। এ ধরনের সংকোচনকে ডাক্তারি ভাষায় “Braxton Hicks Contractions” বলা হয়। এতে আপনার কিছুটা অস্বস্তি বোধ হতে পারে, কিন্তু এটা সত্যিকার অর্থে প্রসব বেদনা নয়।

গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সহবাস ছাড়াও অন্যান্য কারণে, এমনকি সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই মাঝে মাঝে এমনটা অনুভূত হতে পারে। এতে চিন্তার কোনো কারণ নেই, এটি গর্ভাবস্থার একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এমনটা হলে আপনি কিছুক্ষণ শুয়ে বিশ্রাম নিতে পারেন, অথবা অন্য কোন বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে রিল্যাক্সড থাকার চেষ্টা করতে পারেন। সাধারণত এসব মৃদু সংকোচন কিছুক্ষণ পরে নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।

গর্ভাবস্থায় কখন সহবাস এড়িয়ে চলা উচিত?
গর্ভাবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে সহবাস থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়, যেমন—

১.যদি গর্ভাবস্থায় কোন কারণে মাসিকের রাস্তা দিয়ে ভারী রক্তপাত হয়ে থাকে

২.যদি গর্ভবতীর জরায়ুমুখে (সারভিক্সে) কোন দুর্বলতা বা জটিলতা থাকে

৩.যদি পূর্বের প্রেগন্যান্সিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান প্রসব হয়ে থাকে

৪.যদি প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল নিচে থাকা—ডাক্তারি ভাষায় একে ’প্লাসেন্টা প্রিভিয়া’ বলে

৫.যদি প্রসবের আগে পানি ভাঙ্গে

৬.যদি একই সময়ে দুই বা তার বেশি (জমজ) সন্তান ধারণ করে থাকেন

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার নিয়ম

যদিও অধিকাংশ দম্পতির জন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ, তবে সবসময় এটি সহজ নাও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক সময়ের মত সহবাস করতে কোন সমস্যা হলে বিভিন্নভাবে পজিশন বা অবস্থান পরিবর্তন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যাপারটিই মুখ্য। তবে গর্ভাবস্থায় সহবাসের ফলে আপনি বা গর্ভের সন্তান যেন কোনোভাবে আঘাত না পান সে ব্যাপারে সবসময় সাবধান থাকা উচিত।

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার সময় আপনার সঙ্গী উপরে অবস্থান করলে তা আপনার জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে, যেহেতু এসময় আপনার পেট আকারে বাড়তে থাকে আর সেই সাথে স্তন ও শরীরের অন্যান্য অংশে এসময় ব্যথাও অনুভব হয়। এছাড়া গর্ভাবস্থায় সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ আপনার শরীরের বেশি গভীরে গেলেও এসময় অস্বস্তির কারণ হতে পারে৷ তাই এসব সমস্যা এড়াতে যেকোনো একদিকে কাত হয়ে শুয়ে সহবাসের চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

এছাড়া আপনার সঙ্গীর পরিবর্তে আপনি উপরে অবস্থান করে বা আপনি সামনে আপনার সঙ্গী পেছনে অবস্থান করেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। হাতে বা হাঁটুতে ভর দেয়ার সময় বালিশ বা কুশন ব্যবহার করতে পারেন।

গর্ভাবস্থায় সহবাস
গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস এবং শেষের তিন মাসে সহবাস করলে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে বলে অনেকে আশংকা করে থাকেন। তবে এই ধারণাটি সঠিক নয়।
লিখেছেন ডা. ইমা ইসলাম ও ডা. সামিয়া আফরিন মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. বিদিশা কুন্ডু

21/05/2023

Emergency!!

💁রোগীর সমস্যা: পায়ে ইনফেকশন হয়েছে।
🔴রক্তের গ্রুপ: এ নেগেটিভ ( A -)
💉রক্তের পরিমাণ: 2 ব্যাগ
⚖️️হিমোগ্লোবিন: ৮
📆রক্তদানের তারিখ: ২১/৫/২০২৩
⌚রক্তদানের সময়: দুপুরের আগে হলে খুব ভালো হয়।
🏥রক্তদানের স্থান: বারডেম হাসপাতাল, শাহবাগ।
☎যোগাযোগ :-০১৭১২৫২৬৮২৪

Photos from Crescent Health Service's post 10/05/2023

📌 "ফাইল ফুটেজ ২১"

আলহামদুলিল্লাহ,
আজ ৩ বছর শেষ হয়ে ৪র্থ বছরে পদার্পণ করবে ক্রিসেন্ট হেলথ্ সার্ভিস ফাউন্ডেশন।
সামনের দিন গুলোর জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা প্রানের সংগঠন Crescent Health Service ❤️

ছোট পরিসরে আমাদের এই সেবা মূলক সংগঠন Crescent Health Service ❤️ গত তিন বছর ধরে আমাদের কার্যক্রম চলতেছে। যারা গত ৩টি বছর ধরে এই সেবা মূলক সংগঠনের সাথে আছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইলো❤️কচ্ছপের মতো হাটি হাটি পা পা করে আমাদের ৩টি বছর অতিক্রম করলাম। এর মধ্যে আমরা গত ৩ বছরে মানুষ কে ১৩০০ + ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছি। আমরা অনলাইন টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছি প্রায় ২০০০ জন মানুষ কে। আমরা করোনা'র ক্রান্তি লগ্ন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ছোট ছোট পরিসরে ১৭০০ জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ❤️

"মানুষ মানুষের জন্য,
মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ"

৩য় বছর পূর্তি উপলক্ষে আমাদের আয়োজন ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ 😊
দেখতে দেখতে আমাদের এই ছোট পরিসরের পরিবারের ৩ টি বছর সম্পন্ন হলো।
ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমেই এক সময় আমাদের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে যাবো ইনশাআল্লাহ❤
এই অল্প কিন্তু মুল্যবান সময়ে যারা আমাদের সাথে ছিলো সবাইকে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা❤
ভবিষ্যতেও আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি 😊

- স্বাস্থ্য‌ই সকল সুখের মূল। একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গঠনের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। অধিকাংশ মানুষই সাধারণত অসুস্থ হওয়ার আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খুব বেশি একটা গুরুত্ব দেন না। আবার অসুস্থ হওয়ার পরও যখন আমরা এদিক-সেদিক দৌড়-ঝাঁপ শুরু করি। তখন অনেক
সময়ই সঠিক নির্দেশনার অভাবে ভালো সেবা পাই না।
সু-স্বাস্থ্যের জন্য আমরা যেন প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি, অসুস্থ হলে আমরা যেন সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে সবচেয়ে ভালো সার্ভিস টা পেতে পারি- সেজন্য বাংলাদেশের একদল তরুণ ডাক্তার, সিনিয়র নার্স, ইঞ্জিনিয়ার, পেশাজীবী ছাত্র-ছাত্রী সহ আরো অন্যান্য সবাইকে নিয়ে আমরা গঠন করেছি Crescent Health Service একটি সুষ্ঠু ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আমরা সবাই মিলে কাজ করব এ প্লাটফর্মে। গড়ব আমাদের সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

📌 ক্রিসেন্ট হেলথ্ সার্ভিস পেইজ থেকে যে সেবা গুলো আপনি পাবেন 👇

🔸পেইজ ও গ্ৰুপে পোস্ট সংক্রান্ত নীতিমালাঃ-

১। জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য প্রমোশান, স্বাস্থ্য সচেতনতা সহ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সংক্রান্ত সব ধরণের পোস্ট নির্ভরযোগ্য সোর্স সহ করা যাবে।

২। যে কোন ধরণের স্বাস্থ্য জিজ্ঞাসা, স্বাস্থ্য পরামর্শ, স্বাস্থ্য তথ্য,ডাক্তার-হাসপাতাল রিলেটেড তথ্য এবং স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত যে কোন তথ্য এবং পরামর্শ জানতে চেয়ে পোস্ট করা যাবে।

৩। চিকিৎসা বিষয়ক জানতে চাওয়া পোস্টে শুধুমাত্র
রেজিস্টার্ড MBBS, BDS, DMF চিকিৎসকরা কমেন্ট করতে পারবেন। অন্য কেউ কোন ধরণের চিকিৎসা বিষয়ক কমেন্ট করতে পারবেন না। চিকিৎসা সংক্রান্ত কমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক অবশ্যই নিজের নাম এবং পদবী উল্লেখ করবেন।

৪। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত জরুরী প্রয়োজন যেমনঃ রক্তের প্রয়োজনে,জরুরী এম্বুলেন্স, ঔষুধ, ফার্মেসি বা এজাতীয় সব ধরণের জরুরী বিষয়ে পোস্ট করা যাবে।

৫। স্বাস্থ্য বিষয়ক জিজ্ঞাসা পোস্টে অবশ্যই প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হবে। রোগীর লিঙ্গ, বয়স, বাচ্চাদের ওজন,বর্তমান উপসর্গের পর্যাপ্ত বিবরণ, পূর্বের রোগ এবং হসপিটাল ভর্তির ইতিহাস উল্লেখ করতে হবে।

৬। কোন পোস্টে বা কমেন্টে কোন ধরণের অশ্লীল শব্দ,
অপমানসূচক শব্দ, আক্রমণাত্নক শব্দ, ইমোটিকন, সরাসরি বা আকারে ইংগিতে ব্যবহার করা যাবেনা। এক্ষেত্রে নিয়ম ভংগকারীকে সরাসরি পেইজ থেকে ব্যান করা হবে।

৭। যে কোন প্রয়োজনে যে কোন পোস্ট/কমেন্ট ডিলিট করার সব ক্ষমতা Crescent Health Service এর এডমিনরা সংরক্ষণ করেন।

৮। প্রয়োজন এবং সময়ের আলোকে পেইজ এর নিয়মাবলী পরিবর্তন, পরিমার্জন এবং পরিবর্ধনযোগ্য। এ সংক্রান্ত সব অথরিটি পেইজ এডমিনরা সংরক্ষণ করেন।

Admin - Crescent Health Service
🏥 A concern of Crescent Health Service Foundation

📌 আমাদের বর্তমানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সমূহ :-

🏥 Crescent Health Service Blood Bank 🩸( ক্রিসেন্ট হেলথ সার্ভিস ফাউন্ডেশন এর সদস্যগণ সারা দেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান করছেন)

🏢 Crescent Health Service ( টেলিমেডিসিন চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন)

🏫 Crescent Japanise Language School ( বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদেরকে জাপানিজ ভাষা শিখিয়ে উন্নত পড়াশোনার জন্য জাপানে পাঠানোর জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে)

📌 আমাদের প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান সমূহ :-

🔸 Crescent Health Service Medical college and Hospital
🔸 Crescent Health Service retirement Homes
🔸 Crescent Health Service Central Mosque
🔸 Crescent Korean Language School
🔸 Crescent English Language School

'Allah

10/05/2023

আলহামদুলিল্লাহ,
আজ ৩ বছর শেষ হয়ে ৪র্থ বছরে পদার্পণ করবে ক্রিসেন্ট হেলথ্ সার্ভিস ফাউন্ডেশন।
সামনের দিন গুলোর জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা প্রানের সংগঠন Crescent Health Service ❤️

ছোট পরিসরে আমাদের এই সেবা মূলক সংগঠন Crescent Health Service ❤️ গত তিন বছর ধরে আমাদের কার্যক্রম চলতেছে। যারা গত ৩টি বছর ধরে এই সেবা মূলক সংগঠনের সাথে আছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইলো❤️কচ্ছপের মতো হাটি হাটি পা পা করে আমাদের ৩টি বছর অতিক্রম করলাম। এর মধ্যে আমরা গত ৩ বছরে মানুষ কে ১৩০০ + ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছি। আমরা অনলাইন টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছি প্রায় ২০০০ জন মানুষ কে। আমরা করোনা'র ক্রান্তি লগ্ন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ছোট ছোট পরিসরে ১৭০০ জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ❤️

"মানুষ মানুষের জন্য,
মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ"

৩য় বছর পূর্তি উপলক্ষে আমাদের আয়োজন ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ 😊
দেখতে দেখতে আমাদের এই ছোট পরিসরের পরিবারের ৩ টি বছর সম্পন্ন হলো।
ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমেই এক সময় আমাদের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে যাবো ইনশাআল্লাহ❤
এই অল্প কিন্তু মুল্যবান সময়ে যারা আমাদের সাথে ছিলো সবাইকে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা❤
ভবিষ্যতেও আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি 😊

- স্বাস্থ্য‌ই সকল সুখের মূল। একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গঠনের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। অধিকাংশ মানুষই সাধারণত অসুস্থ হওয়ার আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খুব বেশি একটা গুরুত্ব দেন না। আবার অসুস্থ হওয়ার পরও যখন আমরা এদিক-সেদিক দৌড়-ঝাঁপ শুরু করি। তখন অনেক
সময়ই সঠিক নির্দেশনার অভাবে ভালো সেবা পাই না।
সু-স্বাস্থ্যের জন্য আমরা যেন প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি, অসুস্থ হলে আমরা যেন সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে সবচেয়ে ভালো সার্ভিস টা পেতে পারি- সেজন্য বাংলাদেশের একদল তরুণ ডাক্তার, সিনিয়র নার্স, ইঞ্জিনিয়ার, পেশাজীবী ছাত্র-ছাত্রী সহ আরো অন্যান্য সবাইকে নিয়ে আমরা গঠন করেছি Crescent Health Service একটি সুষ্ঠু ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আমরা সবাই মিলে কাজ করব এ প্লাটফর্মে। গড়ব আমাদের সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

📌 ক্রিসেন্ট হেলথ্ সার্ভিস পেইজ থেকে যে সেবা গুলো আপনি পাবেন 👇

🔸পেইজ ও গ্ৰুপে পোস্ট সংক্রান্ত নীতিমালাঃ-

১। জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য প্রমোশান, স্বাস্থ্য সচেতনতা সহ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সংক্রান্ত সব ধরণের পোস্ট নির্ভরযোগ্য সোর্স সহ করা যাবে।

২। যে কোন ধরণের স্বাস্থ্য জিজ্ঞাসা, স্বাস্থ্য পরামর্শ, স্বাস্থ্য তথ্য,ডাক্তার-হাসপাতাল রিলেটেড তথ্য এবং স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত যে কোন তথ্য এবং পরামর্শ জানতে চেয়ে পোস্ট করা যাবে।

৩। চিকিৎসা বিষয়ক জানতে চাওয়া পোস্টে শুধুমাত্র
রেজিস্টার্ড MBBS, BDS, DMF চিকিৎসকরা কমেন্ট করতে পারবেন। অন্য কেউ কোন ধরণের চিকিৎসা বিষয়ক কমেন্ট করতে পারবেন না। চিকিৎসা সংক্রান্ত কমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক অবশ্যই নিজের নাম এবং পদবী উল্লেখ করবেন।

৪। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত জরুরী প্রয়োজন যেমনঃ রক্তের প্রয়োজনে,জরুরী এম্বুলেন্স, ঔষুধ, ফার্মেসি বা এজাতীয় সব ধরণের জরুরী বিষয়ে পোস্ট করা যাবে।

৫। স্বাস্থ্য বিষয়ক জিজ্ঞাসা পোস্টে অবশ্যই প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হবে। রোগীর লিঙ্গ, বয়স, বাচ্চাদের ওজন,বর্তমান উপসর্গের পর্যাপ্ত বিবরণ, পূর্বের রোগ এবং হসপিটাল ভর্তির ইতিহাস উল্লেখ করতে হবে।

৬। কোন পোস্টে বা কমেন্টে কোন ধরণের অশ্লীল শব্দ,
অপমানসূচক শব্দ, আক্রমণাত্নক শব্দ, ইমোটিকন, সরাসরি বা আকারে ইংগিতে ব্যবহার করা যাবেনা। এক্ষেত্রে নিয়ম ভংগকারীকে সরাসরি পেইজ থেকে ব্যান করা হবে।

৭। যে কোন প্রয়োজনে যে কোন পোস্ট/কমেন্ট ডিলিট করার সব ক্ষমতা Crescent Health Service এর এডমিনরা সংরক্ষণ করেন।

৮। প্রয়োজন এবং সময়ের আলোকে পেইজ এর নিয়মাবলী পরিবর্তন, পরিমার্জন এবং পরিবর্ধনযোগ্য। এ সংক্রান্ত সব অথরিটি পেইজ এডমিনরা সংরক্ষণ করেন।

Admin - Crescent Health Service
🏥 A concern of Crescent Health Service Foundation

📌 আমাদের বর্তমানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সমূহ :-

🏥 Crescent Health Service Blood Bank 🩸( ক্রিসেন্ট হেলথ সার্ভিস ফাউন্ডেশন এর সদস্যগণ সারা দেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান করছেন)

🏢 Crescent Health Service ( টেলিমেডিসিন চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন)

🏫 Crescent Japanise Language School ( বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদেরকে জাপানিজ ভাষা শিখিয়ে উন্নত পড়াশোনার জন্য জাপানে পাঠানোর জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে)

📌 আমাদের প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান সমূহ :-

🔸 Crescent Health Service Medical college and Hospital
🔸 Crescent Health Service retirement Homes
🔸 Crescent Health Service Central Mosque
🔸 Crescent Korean Language School
🔸 Crescent English Language School

'Allah

09/05/2023

🏥 জরুরী রক্তের প্রয়োজনে Crescent Health Service Blood Bank 🩸 আপনার পাশে...

"স্বেচ্ছায় রক্তদান,
বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ"

আলহামদুলিল্লাহ ছোট পরিসরে আমাদের এই সেবা মূলক সংগঠন Crescent Health Service Blood Bank🩸 (A concern of Crescent Health Service Foundation)
গত তিন বছর ধরে আমাদের কার্যক্রম চলতেছে। যারা গত ৩টি বছর ধরে এই সেবা মূলক সংগঠনের সাথে আছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইলো❤️
হাটি হাটি পা পা করে আমাদের ৩টি বছর অতিক্রম করেছি। এর মধ্যে আমরা গত ৩ বছরে মানুষ কে ১৩০০'শ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছি।
মানবিকতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বাংলাদেশের মতো একটি মধ্যম আয়ের দেশে এই সেবার গুরুত্বের শেষ নেই। কারণ আমাদের দেশে বছরে রক্তের চাহিদা থাকে প্রায় ৮-১০ লাখ ইউনিট। এই অবস্থায় কারো স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়টি অতি তুচ্ছ নয়, বরং তা বীরত্বের পরিচায়ক। তাই কারো প্রাণের স্পন্দন টিকিয়ে রাখতে আমাদের সবারই উচিত স্বেচ্ছায় রক্ত দান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা।
বাংলাদেশে প্রতিবছর রোগীদের সার্জারি চিকিৎসা সেবার জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। যারা রক্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত তাদেরও নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে প্রয়োজন হয় রক্তের। যেমন বাংলাদেশে ১৪ জনে ১ জন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। প্রতিবছর থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে প্রায় ১০ হাজার শিশু। এসব থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশাপাশি রক্তস্বল্পতা, হিমোফিলিয়া ইত্যাদি রোগীর ক্ষেত্রে রক্তের প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া প্রসূতির রক্তক্ষরণ, অপারেশন, অগ্নিদগ্ধ বা দুর্ঘটনাজনিত রোগীর ক্ষেত্রেও রক্তের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পৃথিবীতে এখনো কৃত্রিম রক্ত তৈরি করা সম্ভব হয়নি। আর এ কারণেই মানুষের জীবন-মরণ নির্ভর করছে শুধুই স্বেচ্ছায় দান করা এক ব্যাগ রক্তের ওপর।
নির্দিষ্ট সময় পর পর রক্তদানের অভ্যাসে একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে না বরং তা শরীরকে আরও সুস্থ করে তোলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্ত দান করলে শরীরের অস্থিমজ্জা নতুন রক্তকণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়।
রক্তদান শরীরে লোহিত কণিকার প্রাণশক্তি বাড়িয়ে তোলে ও নতুন কণিকা তৈরির হার বৃদ্ধি করে। নিয়মিত রক্তদানকারীর হৃদ্‌রোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পায়।
তবে একজন পূর্ণবয়স্ক ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ব্যক্তি রক্ত দিতে সক্ষম বলে মনে করেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান ডা. সিরাজুল ইসলাম স্যার। যদিও অনেক চিকিৎসক মনে করেন ৬০ বছর পর্যন্ত এ কাজে শামিল হওয়া যায়।
নারী ৪৫ এবং পুরুষ ৪৮ কেজি ওজনের বেশি হলেই তিনি রক্তদানের মতো মহৎ উদ্যোগে শামিল হতে পারবে।
বছরে ৪ মাস অন্তর অন্তর ৩ বার রক্তদানে রক্ত প্রাকৃতিকভাবে পরিশুদ্ধ হওয়ার সুযোগ পায়, যা নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া শরীরে হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইচআইভি বা এইডসের মতো বড় কোনো রোগ আছে কি না, তাও বিনা খরচে জানা যায় এই মহৎ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় রক্তের চাহিদা একেবারেই নগণ্য হলেও এখনো আমরা স্বেচ্ছায় রক্তদানে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। রক্তের প্রয়োজন মেটাতে যেহেতু রক্তই দিতে হয়; সেহেতু ব্যাপক জনসচেতনতার মাধ্যমে স্বেচ্ছা রক্তদাতা বৃদ্ধিই রক্তের এ চাহিদা মেটাতে পারে। তাই আসুন স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে নিজে সুরক্ষিত ও বিপদমুক্ত থাকি এবং অন্যের জীবন প্রদীপকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করি।

Photos from Crescent Health Service's post 20/12/2022

♦♦গর্ভাবস্থায় একটা আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে কি কি থাকে ঃ

♦ ১২ সপ্তাহের ভিতর ঃ

১) Gestational Sac Diameter
------------------------------------------------
--গর্ভধারণের পর জরায়ুতে একটা স্যাক তৈরি হয়।(স্যাক মানে হচ্ছে একটা জায়গা বা থলে বা বাচ্চাদানী যেটা একটা পর্দা দিয়ে বেষ্টিত থাকে বাচ্চার চারপাশে)

--পিরিয়ড মিস হবার দেড় -দুইমাস পর যখন আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয় তখন জরায়ুতে এই স্যাকের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দেয় গর্ভধারণ হয়েছে যে। এটার মাপ নেয়া হয় গর্ভধারণের বয়স বের করতে।কোনো ক্ষেত্রে স্যাক এর গড় মাপ নেয়া হয় (Mean sac diameter, MSD)। ৮ সপ্তাহের দিকে বা তার পরেও যদি এই স্যাকের ভিতর বাচ্চার অংশ না দেখা যায় তাহলে এটাতে আর বাচ্চা ধারণের সম্ভাবনা থাকেনা, মিসড এবরশন/ব্লাইটেড ওভাম নামে ডায়াগনোসিস হয় এটা।

২) Crown Rump Length (CRL)
-------------------------------------------------
-- আর্লি প্রেগন্যান্সিতে, ১২ সপ্তাহের আগে বাচ্চার মাথা থেকে বাটক/কোমড় পর্যন্ত এই মাপ নেয়া হয় বাচ্চার বয়স, ডেলিভারি ডেইট বের করতে। এই মাপটা দিয়ে শুরুর দিকে সবচেয়ে একুরেট ডেলিভারি ডেইট বের করা যায়।

৩) Cardiac Activity
-------------------------------
--যদি জীবিত বাচ্চা থাকে তাহলে ৮ সপ্তাহের ভিতরে বাচ্চার হার্টবিট দেখা যায় এবং তা মাপা হয়। Fetal Heart Rate বা FHR হিসেবে প্রতিমিনিটে হার্টবিটের সংখ্যা লিখা থাকে রিপোর্টে ।

♦তিন মাসের পর (১২ সপ্তাহের পর)

১) Bi Parietal Diameter (BPD)
--বাচ্চার মাথার মাঝখান দিয়ে একপাশের প্যারাইটাল নামক হাড় থেকে আরেকপাশের প্যারাইটাল হাড় পর্যন্ত মাপ নেয়া হয় বাচ্চার বয়স, ডেলিভারি ডেইট বের করতে।

২)Femur length (FL)
--এটা বাচ্চার পায়ের ফিমার হাড়ের মাপ। এটা থেকেও বাচ্চার বয়স, ডেলিভারি ডেইট বের করা হয়।

৩)Abdominal Circumference (AC)
--বাচ্চার পেটের সার্কুলার একটা মাপ।

৪)Placenta /গর্ভফুল
--জরায়ুর ঠিক কোথায় গর্ভফুল অবস্থান করছে তা দেখা হয়। এটা সাধারণত জরায়ুর উপরের দিকে(Fundal), সামনে(Anterior) বা পিছনে(Posterior) থাকে ।কিন্তু এটা যদি জরায়ুর নিচের দিকে বেশি নেমে যায়(Low lying, Placenta previa) তাহলে রিস্কি ।
এছাড়া গর্ভফুলের/প্লাসেন্টার ম্যাচিউরিটির উপর ভিত্তি করে গ্রেডিং করা হয় Grade 0,1,2,3.

৫)Amniotic Fluid
--বাচ্চা জরায়ুতে যে পর্দার ভিতর আবেষ্টিত থাকে সেই পর্দার ভেতরটা পানি দিয়ে পূর্ণ থাকে। এই পানিকে
এমনিউটিক ফ্লুইড বলে। এই পানি বাচ্চাকে সুরক্ষিত রাখে, পুষ্টি যোগায়, বাচ্চার মুভমেন্টকে ইজি করে।
এটার পরিমাণ কমে গেলেও(Oligohydramnios) সমস্যা, অতিরিক্ত বেড়ে গেলেও(Polyhydramnios) সমস্যা। পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে লিখা হয় Adequate.

৬)বাচ্চার পজিশন/প্রেজেন্টেশন /lie
-- প্রেজেন্টেশন হচ্ছে জরায়ুর নিচের দিকে বাচ্চার শরীরের কোন অংশটা অবস্থান করছে তা। নরমাল প্রেজেন্টেশন হচ্ছে বাচ্চার মাথা জরায়ুর নিচের দিকে থাকবে, এটা লিখা থাকবে Cephalic presentation হিসেবে। আর যদি বাচ্চার পা জরায়ুর নিচের দিকে থাকে তাহলে সেটা Breech Presentation। ব্রিচ প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে বাচ্চা ডেলিভারির ডেইট কাছাকাছি চলে যাওয়ার আগে নিজে নিজেই ঘুরে ঠিক হয়ে যায় অনেকের ক্ষেত্রে। আর যদি না ঘুরে তাহলে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব না। Transverse lie/presentation হচ্ছে বাচ্চা জরায়ুতে আনুভূমিক ভাবে আছে মানে বাচ্চার মাথা,পা উপরে বা নিচের দিকে নাই।বাচ্চাটা জরায়ুতে মাঝবরাবর আপনার পেটের বাম/ডান সাইডে মাথা/পা দিয়ে সোজাসুজি আছে, লম্বালম্বিভাবে নাই। এটাও নরমাল পজিশন না। কিন্তু নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে।

৬)এছাড়াও বাচ্চার ওজন,নড়াচড়া, শরীরের গঠন নরমাল কিনা, বাচ্চার গলার চারপাশে আমবিলিক্যাল কর্ড পেচিয়ে গেছে কিনা,কর্ড গলার কাছাকাছি আছে কিনা এসব সহ আরো কিছু জিনিস দেখা হয় বাচ্চা এবং মায়ের সবকিছু ঠিক আছে কিনা বুঝতে।

♦♦বি.দ্র ঃ বাচ্চা ছেলে না মেয়ে হবে এটা দেখার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়না। এটা রিপোর্টে লিখা বেআইনী। ধর্মীয়ভাবেও ঠিক না পেটে থাকতেই লিংগ জানা। অনেকে মেয়ে বাচ্চা হবে জানার পর এবরশন করে ফেলে, অনেকের সংসারে অশান্তি তৈরি হয়। উপরে রিপোর্টের যতগুলো বর্ণনা দিলাম তার কোনোটা থেকেই বের করা সম্ভব না বাচ্চার লিংগ কি। যারা হার্টবিট এর সংখ্যা দেখে, মায়ের লক্ষণ দেখে বলে দেয় কি বাচ্চা হবে এটা সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন, আন্দাজ থেকে বলা। কোনো চিকিৎসক আপনাকে এসব বলবে না। শুধুমাত্র আল্ট্রাসাউন্ড করার সময় (৫ মাসের পর) চিকিৎসক যদি নিজে ইচ্ছে করে দেখতে চান রোগীর রিকুয়েষ্টে তাহলেই কেবল আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনের মনিটরে খুঁজে বের করে দেখার চেষ্টা করেন সরাসরি লিংগ দেখা যাচ্ছে কিনা। কিন্তু এমনিউটিক ফ্লুইড কম থাকা, বাচ্চার নড়াচড়া, পা ভাজ করে রাখা সহ নানা কারনে সব সময় লিংগ স্পষ্ট ভাবে দেখা সম্ভব হয়না। তাই চেষ্টা করবেন এই বিষয়ে অতি আগ্রহী না হতে। সুস্থ্য একটা সন্তান যেনো সুস্থ্য স্বাভাবিক ভাবে জন্ম দিতে পারেন সেই প্রত্যাশাই করবেন সব সময়।

18/12/2022
02/10/2022

চোখ ওঠায় যা করবেন, যা করবেন নাচোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস নামের সমস্যার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। এটি একটি ভাইরাসজনিত সমস্যা। কোনো কোনো সময় বা মৌসুমে একসঙ্গে অনেক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হন। কারণ, এটি সংক্রামক রোগ।

উপসর্গ
বেশির ভাগ সময় দুই চোখ লাল হতে দেখা যায়। তবে এক চোখেও হতে পারে।

চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, ঘুম থেকে উঠলে অনেক সময় চোখের পাতা লেগে থাকতে দেখা যায় এবং চোখ থেকে পানি ঝরে।

চোখ জ্বালাপোড়া করে।

চোখে খচখচ ভাব, অস্বস্তি হয়।

হালকা ব্যথা ও ফটোফোবিয়া বা রোদে তাকাতে অসুবিধা হতে পারে।চিকিৎসা
সাধারণ চোখ ওঠা এক থেকে তিন সপ্তাহে সেরে যায়। চোখ উঠলে যা করবেন—

ঠান্ডা বা সর্দির মতো উপসর্গ থাকলে কেবল অ্যান্টিহিস্টামিন সেবনই যথেষ্ট।

অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ডোজ মেনে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ ব্যবহার না করাই উত্তম।

সতর্কতা
চোখে পিঁচুটি জমলে হালকা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে বা পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে কোনোমতেই চোখ রগড়ানো যাবে না।

কালো চশমা রোদে বা আলোতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়। তাই বাইরে বেরোলে কালো চশমা পরুন।

চোখে কোনোমতেই হাত দেওয়া যাবে না।

একজনের ব্যবহার করা রুমাল, গামছা, তোয়ালে বা কাপড়চোপড় অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না।

হাত সব সময় সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

জনসমাগম, অনুষ্ঠান, ক্লাস ইত্যাদি পরিহার করে চলাই ভালো। এ সময়টায় অনেক শিক্ষার্থীর ক্লাস চলছে। চোখ ওঠা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিত না হওয়াই ভালো। তবে পরীক্ষা থাকলে ওপরের নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে স্কুলে যাওয়া যাবে। অবশ্যই কালো চশমা পরে থাকতে হবে এবং অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করা যাবে না।

ডা. মো. ছায়েদুল হক, চক্ষুবিশেষজ্ঞ, সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


740/C West Kazipara, Mirpur, Dhaka_1216
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00