Isma Closet
Welcome to Isma Closet, your go-to destination for stylish and affordable women's clothing.
25/06/2024
বাংলাদেশের বুক চিরে যাবে এভাবেই ভারতীয় রেল।
সাপের কাহিনীর আড়ালে দেশ বিক্রির নীল নকশা।
নির্ঘুম জাতিকে এক শাপ দিয়ে সজাগ রেখে দেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেলপথ স্থাপনের চুক্তি সম্পন্ন হল এরই মধ্যে দিয়ে অখণ্ড ভারত স্থাপনের আরেক ধাপ সামনে এগিয়ে এগুলো।। শীগ্রই ব্যবসায় নামে দাসত্ব করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ! কি হবে নাগরিকদের?
(C)
25/06/2024
আমার স্বামী এবং শাশুড়ি এখন সম্পূর্ণ আমার ব'শে। কি? অবাক লাগছে? একদম সত্যি কথা। উনারা একদম আমার ইচ্ছেমতই চলে। এক চুলও এদিক ওদিক হয়না। আমি যা চাই তা'ই করে, যেভাবে বলি সেভাবেই করে। এমনকি শাশুড়িমা আমার আড়ালে আত্বীয়দেরও আমার মত হতে উপদেশ দেয়!!
আমি কিছুই করিনা, শুধু আমার যা ভালো লাগে তা ই করি। মানে আমার যেই কাজে ব্যপক আনন্দ লাগে সেই কাজই করি। ধীরে ধীরে দেখলাম যেই কাজে আমি আনন্দ পাচ্ছি সবাইও সেটা উপভোগ করছে!
যেমন, একদিন আমার স্বামীকে বল্লাম, "ইলিশ পোলাও খেতে ভীষন ইচ্ছে করছে। অফিস থেকে আসার সময় একজোড়া ইলিশ নিয়ে এসো, প্লিজ"।
সে ধমক দিয়ে আমাকে বলে, ‘এতো খাই খাই কর কেন ' !!
কি ভাবছেন?
আমি রাগ করে সেদিন রান্না করি নাই ভাবছেন?
আমি সেদিন ফ্রিজ থেকে টেংরা মাছ বের করে আদা রসুন পেঁয়াজবাটা কষিয়ে টেংরাপোলাও রান্না করে রাখলাম।
রাতে খেতে বসে টেবিলে টেংরা পোলাও দেখে পানসে মুখে মা ছেলে আমাকে বলে,
‘এসব কি' ?
আম পোলাও এর লোকমা মুখে দিতে দিতে বল্লাম,
"কি আর করব! ইলিশ নাই তাই টেংরা পোলাও করলাম! মনের সাধ পূরণ ভীষণ দরকার। কোনসময় কথাবার্তা ছাড়া মরে যাই, তার নাই ঠিক"!
পরদিন স্বামী অফিস থেকে ফেরার সময় তিন জোড়া ইলিশ নিয়ে আসল। শাশুড়ি আম্মাও দেখি ইলিশ পোলাও, সর্ষে ইলিশ, ইলিশ দোঁপেয়াজা মজা করেই খাচ্ছে আমার সাথে!
হা হা... এটা তো সেদিনের কথা। বিয়ের পরপর শ্বশুর বাড়িতে একদিন আমার শাশুড়ি আমাকে বলে,
"বৌমা, পনের বিশ জনের জন্য দেখি বিরিয়ানি বসাও"।
বিরিয়ানি!! তিনজন মানুষের জন্য পারফেক্ট সাদা ভাত রান্না করতে গেলে এখনো আমার বুক ধুক ধুক করে! ভাত নরম হইলনি , শক্ত হইলনি! আমি রাঁধবো বিরিয়ানি! তাও আবার বিশজনের জন্য!!
আমি শাশুড়ি আম্মাকে বল্লাম,
“আমিতো পারিনা মা, আপনি দেখিয়ে দিন আমি পরের বার ঠিকই পারবো"।
শাশুড়ি আম্মা যেন কারেন্টের শক পেল আমার এই কথায়! নিজে নিজে বিড় বিড় করে বলে,
"হায়রে! আমার ছেলের কপাল রে! হাভাত্তে ঘরের মেয়ে নিয়ে আসল! বিরিয়ানি জীবনে খাইছে কিনা কে জানে"!
কেমন লাগে বলেন এই কথা শুনলে!
আমিও ঢোক গিলে শাশুড়িকে বল্লাম,
“এত কষ্ট করে লেখাপড়া শিখিয়ে ছেলেকে ভাল মানুষ করতে পারলেন না মা! হইছে তো একটা লম্পট!! হাভাত্তে ঘরের মেয়ে বিয়ে করে নিয়ে আসল"!
ব্যস। ঘরে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেল সেদিন। শাশুড়ি উনার ছেলে আসলে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদে, বুক চাপড়ে বিলাপ করে আর বলে,
"আমার ছেলে লম্পট? আমি লম্পট ছেলের জন্ম দিয়েছি" ?
আমি সান্ত্বনা দিতে দিতে বলি,
" মা আপনি কাঁদবেন না। আপনার ছেলেও লম্পট না আমিও হাভাত্তে ঘরের মেয়ে না"।
এবারতো ছেলে রেগে মেগে আরেক অবস্থা! ছেলে তেড়ে আমাকে বকতে আসে,
“কি বল্লা তুমি? আমি লম্পট"?
আমি হাসিমুখে বল্লাম,
“শরিফ সাহেব, মা বাপে কি বুঝে তোমার নাম শরিফ রাখছে? এমন করে কেউ বউএর সাথে কথা বলে"!!
সাথে সাথে শরিফ সাহেব ঠাণ্ডা হয়ে গেল।
পরদিন থেকে একসপ্তাহ ধরে খবরের কাগজের নারী নির্যাতনের খবর পড়ে পড়ে শুনাবার সময়ে অ/ত্যাচারী স্বামীটার নামের জায়গায় শরিফ বসায় দিতাম। অতিষ্ঠ হয়ে একদিন সে অসহায় ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে বলে,
"সব অ/ত্যাচারগুলো কি শরিফ হারামজাদারাই করে" !
আমি হাই তুলতে তুলতে বলি, "কি করবা বল শরিফ সাহেব? নামের একটা ভাব আছে না" !
সেদিন থেকে শরিফ সাহেব বুঝতে পারল তার বউ জিনিসটা সুবিধার না! সেদিনের পর থেকে আজ অব্দি আমার শাশুড়ি আম্মা কোনদিন আমাকে বাপের বাড়ির খোঁটা দিয়ে কথা বলেনি আর শরিফ সাহেবও ত্যা'ড়া'ম্যা'রা রাগ দেখাতে আসেনি।
শরিফ সাহেব ভীষণ ব্যস্ত। বউ নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাবার সময় তার নাই। একদিন বল্লাম, "চল, সমুদ্র দেখতে যাই"।
সে আমাকে বলে, "এই বালি আর পানি দেখার জন্য এত টাকা আর সময় অপচয়ের কোন মানে আছে"!
পরদিন আমাকে গুনগুন করতে করতে কাপড় গুছাতে দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, " কই যাও ?"
আমি উদাস ভাব নিয়ে বলি, 'সমুদ্র দেখতে যাই। আমার মনের একটা সাধ আহ্লাদ আছে না! সবকিছুর জন্য মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলে হয়না বুঝছো? নিজের সাধ নিজেকেই পুরন করতে হয়'।
পরদিন শরিফ সাহেব ও উনার মাসহ তিনজন একসাথে রওনা দিলাম সমুদ্র দেখতে।
সারাদিন সংসারের সব ঝামেলা আমাকেই সামলাতে হয়। শরিফসাহেব শুধু টাকা দিয়েই খালাস! কোন আলোচনা করতে গেলে ভীষণ বিরক্ত হয়! সে টিভি দেখতে বসলেও কিছু বলা যাবে না মনোযোগ নষ্ট হবে, ঘুমাতে আসলেও ক্লান্ত থাকে, খেতে বসে বল্লেও স্বাদ নষ্ট হয়!!
একদিনের ঘটনা, তিন চারদিন ধরে শাশুড়ি আম্মা খেয়াল করে আমি পাশের গেষ্ট রুমে গিয়ে একা একা কথা বলি। অবাক হয়ে একদিন মা ছেলে গিয়ে দেখে আমি শরিফ সাহেবের ছবির দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে গজগজ করছি!
শাশুড়ি আম্মা ভয় পেয়ে আমাকে বলে, "ছবির সাথে ঝগড়া কেন করছ বৌমা"?
আমি হাসি মুখে বল্লাম, "মা ছবিটা অন্তত বিরক্ত হচ্ছেনা, কিছু বলুক না বলুক শুনছে তো!! আপনার ছেলের চেয়ে অনেক ভাল"।
সেদিন থেকে উনার পুত্রধন দিনে অন্তত একবার হলেও সংসারের খবর নেয়া শুরু করলেন!!
এই রকম একটা একটা করে খুঁটিনাটি ঝামেলার স্থায়ী সমাধান করতে আমি ভীষণ উপভোগ করি। বরং কোন ঝামেলা না থাকলেই কেমন যেন বেকার বেকার লাগে নিজেকে!!
তবে একটা জিনিস হচ্ছে, সংসারের যেকোন ধরনের অন্যায়কে মাথা পেতে মেনে না নিয়ে শান্ত এবং কঠোর ভাবে সমাধান করাটা সবচেয়ে আগে দরকার। প্রথমদিকেই যদি নিজেকে ভাল এবং ভদ্র সাজাতে গিয়ে অন্যায় ব্যবহারকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়, তাহলে তার ফল নিজেকেই ভুগতে হয় সারাজীবন।
** সংসার **
#সংগৃহীত ゚
24/11/2023
এক রঙের চাঁদর
টার্সেলের জন্যে দেখতে অসম্ভব ক্লাসি লুক দেয়। অফিস কিংবা ভার্সিটির জন্যে একদম পারফেক্ট।
আমাদের প্রোডাক্টের কোয়ালিটি নিয়ে একদম ভাববেন না। আমরা প্রতিটা প্রোডাক্টের কোয়ালিটি মেইনটেইন করে থাকি।
সারা বাংলাদেশে cash on delivery। হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করবেন।
23/11/2023
শীতের আমেজ নিতে শুরু করে দিন কাশ্মীরি জামদানি ডিজাইনের উলের শালের সাথে। ঠাণ্ডা জাঁকিয়ে বসার আগেই কিনে নিন মনের মত একটি শাল। প্রতিটি শালের কেনাকাটায় রয়েছে বাম্পার অফার। মিস করলে আপনাদেরই লস হবে বলে রাখছি।
কাশ্মীরী জামদানি ডিজাইনের শাল ❤️
কালার এবং ডিজাইন গুলো অনেক সুন্দর। ১০০% উল সুতার তৈরি শাল । দেখতে যেমন সুন্দর ব্যবহারেও তেমনি আরাম-দায়ক চমৎকার কালার কম্বিনেশন সমস্ত শাল নিখুঁত ফিনিশিং।
অর্ডারের জন্যে নিজের নাম ঠিকানা আর ফোন নং দিয়ে ইনবক্স করুন।
🛑 সারা বাংলাদেশ ক্যাশঅনে হোম-ডেলিভারি। কুরিয়ারে মাধ্যমে আমরা আপনার পণ্য পৌঁছে দিবো।
22/11/2023
Premium Indian Lucknow collection ♥️♥️
প্রতিটা ডিজাইন এবং কালার অসম্ভব সুন্দর ও ইউনিক।
সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি। ড্রেস হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ করবেন।
রিজোনেবল প্রাইসে এই ড্রেসগুলো আপনার কালেকশনে রাখতে চাইলে আমাদেরকে ইনবক্স করুন।
22/11/2023
💙🖤♥️
08/10/2023
ভালো লাগে????
25/06/2023
ফুলটাইম চাকরি শুরু করি ১৯৯৯ ইং সন থেকে। বেতন ৬ হাজার টাকা; ছয় মাস পর ৮ হাজার হয়। ১ বছরের দিকে আরেকটা চাকরি হয়। বেতন এক ধাক্কায় সোজা ২২ হাজার টাকা।
কিন্তু একটা অদ্ভুত অনুভূতি আল্লাহ্ দিলেন আমার ভেতর। তখন আমি মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞ, তার উপর এমন প্রোফেশনে ছিলাম যা তখন বাংলাদেশেই একদম নতুন। তাতেই ৮ হতে সোজা ২২ হাজার হবার প্রশ্নই আসে না! আমার চিন্তায় আসে যে, ঠিক যেই মাসে আমি এই চাকরি পাই, তার আগের মাসেই আব্বুর চাকরি চলে যায়।
আমার অনুভূতি হয় যে, নতুন একটা লাইনে মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞ হওয়া স্বত্বেও ৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকার বেতন পাবার যোগ্যতা আসলে আমার নেই। বরং পরিবারের একটা ইনকাম সোর্স আপাতত
বন্ধ হয়েছে বলেই আল্লাহ্ আমার মাধ্যমে সেই কমতি কিছুটা পূরণ করাবার জন্যই হঠাৎ এমন বেতনে বৃদ্ধি করলেন। আর এই অনুভূতি আসার সাথে সাথে প্রথম মাস থেকেই সামান্য কিছু হাতখরচ রেখে বাকি টাকা আম্মিকে দিয়ে দিতাম।
এভাবে প্রায় ১৪ মাস পরে আব্বু আবার চাকরি পান। আম্মিও আমার কাছ থেকে টাকা নেয়া বন্ধ করে দিলেন। বলেছিলেন, "সঞ্চয় করো।"
সঞ্চয় করতে করতে বিয়ের সময় হয়ে যায়। সম্পূর্ণ নিজ খরচে বিয়ে করার ইচ্ছে ছিলো। ইচ্ছেটা এতোটাই স্পষ্ট করে আল্লাহ্ পূরণ করবেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। বলতে গেলে সমস্ত সঞ্চয় শেষ হয় আমার বিয়েতে। কি অবাক! ঠিক পরের মাসেই ছিলো performance increment-এর সময়। বেশ ভালো একটা রেইজ পেলাম।
আবার আল্লাহ্ অনুভূতি দিলেন যে, যেহেতু বিয়ে করেছি নিজের হালাল উপার্জন দিয়ে, আমার বউয়ের রিজিকটা আমার ইনকামে যুক্ত হয়ে বেড়ে গেলো। শুধু তাই নয়, কিছু মাস পরে আবার নতুন একটা চাকরী পেলাম, মানে বেতন আরো একটু বাড়লো! আলহামদুলিল্লাহ।
নতুন এই কোম্পানিতে থাকা অবস্থায় আল্লাহ্ আমাদেরকে যমজ দুটি মেয়ে উপহার দিলেন। চারজনের সংসার শুরু হয়ে যায়। ওদের দুজনের ওজন কম ছিলো, নানা রকমের অসুস্থতা লেগেই থাকতো। সম্ভবত গড়ে প্রতি ২ সপ্তাহে ডক্টর ভিজিট করতেই হতো দু'জনকে নিয়েই। ডবল ডক্টর ভিজিট, ডবল ঔষধ, ডবল ডায়পার, ডবল কৌটার দুধ (বুকের দুধ পায়নি) ছিলো নিয়মিত খরচ। কিন্তু বিন্দুমাত্র বিচলিত ছিলাম না।
কি অদ্ভুত যে, এবার চাকরি খুঁজিনি। বরং চাকরিই খুঁজে নেয় আমাদের চারজনকে, আলহামদুলিল্লাহ । খুব মনে আছে, সকাল সকাল বাচ্চা-দুটোকে নিয়ে হাসপাতালের টিকেট কেটে অপেক্ষা করছিলাম। একজন মেয়ে আমার কোলে, আরেকজন বউয়ের
কোলে। ফোন আসে, আমার এক্স-কলিগ চাকরীর খবর দেন। বেতনটাও আনুমানিক জানালেন।
কি আশ্চর্য, মেডিকেল বেনিফিটও আছে! তাও আবার শুধু আমার একার জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য
মেডিকেল বেনিফিট! আমিতো মহা খুশী,
আলহামদুলিল্লাহ। বাচ্চা জন্মের সপ্তম
মাসেই নতুন চাকরিতে জয়েন করি।
আবার অনুভূতি পাই, নতুন চাকরি, মেডিকেল বেনিফিট আমার যোগ্যতায় নয়। বরং আমার মেয়ে দুটোর রিযিক আল্লাহ্ আমার বেতনে যুক্ত করেছেন।
আমি আজও মনে করি আল্লাহ্ আমাকে যেই কর্ম দক্ষতা দিয়েছেন তার বাজার মূল্য ৬ থেকে ৮ হাজার টাকাই মাত্র। বাকি একটি অংশ আমার মা-বাবার জন্য বরাদ্ধ, আরেকটা অংশ আমার স্ত্রীর জন্য বরাদ্ধ, আরেকটা বড় অংশ আমার মেয়ে-দুটোর জন্য।
হিসাব করে দেখলাম, আমার ইনকামের বড় একটা অংশ আসে আমার মেয়ে-দুটোর রিজিক হতে।
ওদিকে আল্লাহ্ ওয়াদা করে রেখেছেন:....
“তোমাদের সন্তানদের দারিদ্র্যের আশংকায় হত্যা করো না। আমিই তাদেরকে রিযিক দেই এবং তোমাদেরকেও। (১৭:৩১)”
আমার এই লেখাটা সেই সকল বাবাদের অন্তরে ও চিন্তায় আঘাত করার জন্য,
যারা মনে করছেন তার বৃদ্ধা মা, অবসর নেয়া বাবা আর স্ত্রী-সন্তানরা শুধু বসে বসে তার কামাই খায় আর তিনি একাই সম্পূর্ন নিজ যোগ্যতায় সকলের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করে উপার্জন করছেন।
-
C
21/06/2023
গরমের আরাম কটন কালেকশন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka