World Human Rights vision

World Human Rights vision

Share

WHRV is a Non-Political, Non-governmental (NGO). Volunteers and charities will be upgraded.

02/08/2026

#দোয়ারদরখাস্ত

Photos from World Human Rights vision's post 26/07/2026

২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প সফলভাবে সম্পন্ন করতে যাঁরা আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশনের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা।

বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সম্মানিত সাংবাদিক, ফটোসাংবাদিক ও ভিডিও সাংবাদিকদের। আপনাদের মূল্যবান উপস্থিতি, সংবাদ পরিবেশন এবং মানবিক এই উদ্যোগকে জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আন্তরিক প্রচেষ্টা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।

গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। আপনাদের দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রয়াস আরও বিস্তৃত হবে—এটাই আমাদের বিশ্বাস।

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশনের সকল কার্যক্রমে আপনাদের অব্যাহত সহযোগিতা ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করছি।

23/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশন বাড্ডা থানা শাখার উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়েছে।
এই কার্যক্রমের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেড।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন WHRV'র চেয়ারম্যান- ডা: এম. মোক্তার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক প্রশাসন- মোঃ সালাহ্উদ্দিন, জনসংযোগ সম্পাদক- মোঃ সাখওয়াত হোসেন, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য- ফিরোজ আলম সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি- আজিজুর রহমান,আজীবন সদস্যসহসহ বাড্ডা থানার নেতৃবৃন্দরা নেতৃবৃন্দরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন WHRV'র বাড্ডা থানা শাখার সভাপতি-তৌফিকুজ্জামান অপু ও সভা পরিচালনা করেন বাড্ডা থানা শাখার সাধারন সম্পাদক- আজগর আলী সোহাগ।

21/07/2026

#বিশেষবিজ্ঞপ্তি
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
উত্তর বাড্ডা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ
আগামী ২৩/০৭/২০২৬, রোজঃ বৃহস্পতিবার, সময়ঃ সকাল ৮.০০ থেকে দুপুর ২.০০ পর্যন্ত

মানুষ মানুষের জন্য
জীবন জীবনের জন্য

আয়োজনেঃ
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশন
বাড্ডা থানা শাখা

20/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ,
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আমাদের শিক্ষার স্বপ্ন স্কুলের বাচ্চাদের জন্য ১ মাসের চাল এবং ১মাসের বিস্কুট প্রদান করেছে।
প্রান আরএফএল গ্রুপকে শিক্ষার স্বপ্ন স্কুলের পক্ষ হতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।💖

17/07/2026

অনেকদিন পর শিক্ষার স্বপ্ন স্কুলের ছেলে মেয়েদের সাথে পিকনিক 🥰👌

04/07/2026

#বিশেষবিজ্ঞ

28/05/2026

Eid Mubarak 💖

21/05/2026

বিশ্ব মানবাধিকার ভিশন
জাতীয় প্রতিবাদ বিবৃতি
নারী ও শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যা এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে জরুরি রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের দাবি

বিশ্ব মানবাধিকার ভিশন গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ এবং শোকের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন এবং ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার ঘটনা ভয়াবহ ও অমানবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংকট ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আরও প্রকট ও উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ (বিএমপি) এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর দীর্ঘমেয়াদী প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্টের পূর্ব পর্যন্ত দেশে আনুমানিক ১৫,০০০ থেকে ১৮,০০০-এর বেশি নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং ১,৫০০-এর বেশি নারী ও শিশু ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন।

বিশেষভাবে উদ্বেগজনক হলো, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক অকার্যকারিতার সুযোগে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বিভিন্ন মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ৫ই আগস্ট ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত দেশে ১,০০০-এর বেশি ধর্ষণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ধর্ষণের মামলা হয়েছে ৭,০৬৮টি।

২০২৬ সালের জানুয়ারি–মে পর্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতির চিত্র

২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেও নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার গ্রাফ আশঙ্কাজনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, জানুয়ারি থেকে মে মাসের বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশে ৩০০-এর বেশি ধর্ষণের ঘটনা এবং একাধিক নৃশংস ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

জানুয়ারি ২০২৬
আসকের তথ্য অনুযায়ী ৩৫টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্যমতে ৩১টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে ১১টি ছিল দলবদ্ধ ধর্ষণ।
এমএসএফ-এর হিসাব অনুযায়ী ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ৪৮টি।
ধর্ষণের পর ২ জন কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ১,২৮১টি মামলা দায়ের হয়।
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্যমতে ৫০ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হন, যার মধ্যে ১৭ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার।
ধর্ষণের পর ৫ জনকে হত্যা করা হয়।
মোট নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হন ১৮৩ জন।
মার্চ ২০২৬
৫৭ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হন।
এর মধ্যে ১৪টি ছিল সংঘবদ্ধ ধর্ষণ।
ধর্ষণের পর ৫ জনকে হত্যা করা হয়।
এপ্রিল ২০২৬
৫৮ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৩২ জন কন্যাশিশু এবং ২৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী।
ধর্ষণের পর ৩ জনকে হত্যা করা হয় এবং ১ জন লোকলজ্জায় আত্মহত্যা করেন।
মে ২০২৬ (২১ মে পর্যন্ত)
চলতি মাসের প্রথম তিন সপ্তাহেই একাধিক নৃশংস ঘটনা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৪টি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, যা পুরো জাতিকে স্তম্ভিত করেছে।
সাম্প্রতিক সবচেয়ে আলোচিত ও বর্বরোচিত ঘটনা
রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যা

গত ১৯ মে ২০২৬ সকালে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের একটি আবাসিক ভবনে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে প্রতিবেশী যুবক সোহেল রানা ধর্ষণের পর মস্তকচ্ছেদ করে নির্মমভাবে হত্যা করে।

ঘটনার মূল বিষয়সমূহ
সকালে নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা রামিসাকে খুঁজতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতো দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে খাটের নিচে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়।
বাথরুমের বালতির ভেতর পাওয়া যায় তার বিচ্ছিন্ন মাথা।
এই পৈশাচিক ঘটনাটি দেশব্যাপী তীব্র ক্ষোভ, আতঙ্ক ও শোকের সৃষ্টি করেছে।
প্রধান আসামি ৩২ বছর বয়সী সোহেল রানাকে ঘটনার মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সে ইয়াবা সেবনের পর শিশুটিকে ধর্ষণ এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করার কথা স্বীকার করেছে।
পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগে তার স্ত্রী স্বপ্নাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এই ঘটনা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়—এটি আমাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং বিচারব্যবস্থার গভীর সংকটের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।

বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহ বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশে বর্তমানে গড়ে প্রতি ১২ ঘণ্টায় অন্তত ১টি ধর্ষণের ঘটনা গণমাধ্যম বা থানায় নথিভুক্ত হচ্ছে।
নির্যাতিতদের প্রায় ৬০ শতাংশই ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী কন্যাশিশু।
ধর্ষণের পর হত্যার অন্যতম কারণ হলো অপরাধের আলামত ও সাক্ষী নিশ্চিহ্ন করার প্রবণতা।
শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরীতেই ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ২১৪টি ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের হয়েছে।
বিশ্ব মানবাধিকার ভিশনের পর্যবেক্ষণ

বিশ্ব মানবাধিকার ভিশন মনে করে—

বিচারহীনতার সংস্কৃতি,
রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবশালীদের ছত্রছায়া,
প্রশাসনিক দুর্বলতা,
মামলা গ্রহণে গাফিলতি,
মাদকাসক্তি ও সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের বিস্তার,
এবং ভুক্তভোগীদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রবণতা

এসব কারণেই দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ভয়াবহতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্ব মানবাধিকার ভিশনের জোর দাবি

১. সকল ধর্ষণ ও ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
২. বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।
৪. ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. মাদক, কিশোর গ্যাং এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
৬. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ষণের ভিডিও ছড়ানো ও ডিজিটাল সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৭. প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার ব্যবস্থার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৮. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক পর্যায়ে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
৯. শিশু নির্যাতন ও নারী সহিংসতার মামলাগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।

বিশ্ব মানবাধিকার ভিশন স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছে—

নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানবাধিকার আন্দোলন ও প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
ধর্ষক, নারী নির্যাতনকারী এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
রাষ্ট্রকে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই হবে।

নারীর নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দয়া নয়—এটি সাংবিধানিক ও মৌলিক মানবাধিকার।

ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে
বিশ্ব মানবাধিকার ভিশনের সংগ্রাম চলবেই।

01/05/2026

Category

Telephone

Address


Rupayan Millennium Square, , Cha-70, 70/A, 5th Floor (Lift/4), Chi/4/2, North Badda, Gulshan Dhaka
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 05:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00