Take Know
explore a wide range of subjects, delivering informative videos that are both entertaining.
19/07/2025
ভাতিজাদের নিয়ে ছাদে যাওয়াই কাল হয় নাছিমার
'একটাই বুলেট, দুই জন গুলিবিদ্ব একজন শহিদ, আইমানের বুকের পাশ দিয়ে বের হয়ে শহিদ নাছিমা আক্তারের মুখে এসে ঢুকে'
- - -
১৯ জুলাই শুক্রবার বিকালে সায়েন্স ল্যাব মোড় এলাকায় জুমার নামাজের পর থেকেই হেলিকপ্টার থেকে গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হচ্ছিল, সারা এলাকা আতঙ্কে অচল হয়ে পড়ে।
আসরের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে নাছিমা তার ভাতিজাদের সাথে ছাদে ওঠেন। ছাদে উঠেই চারদিকে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের ভিড়ে নাছিমা কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলিবিদ্ধ হন।
একটাই বুলেট, প্রথমে তার ভাতিজা আইমানের বুকের এক পাশ দিয়ে ঢুকে, পিঠ দিয়ে বেরিয়ে এসে সরাসরি নাছিমার মুখে ঢোকে। ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নাছিমা। আইমান কোনো রকমে লিফটে করে বাসায় ফিরে আসেন, মায়ের মুখ দেখেই অচেতন হয়ে পড়েন। তখনো জানতেন না, তার শরীরের ভেতর দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া গুলিতেই প্রাণ গেছে নাছিমার।
পরে নাছিমা ও আইমানকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাস্তায় গুলি চলায় বারবার বাধা পেতে হয়। হাসপাতালে পৌঁছার পর নাছিমাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়, কিন্তু তার আর জ্ঞান ফেরেনি। দুই দিন পর আইমানকে জানানো হয় তার ফুপির মৃত্যুর খবর।
নাছিমা ছিলেন দারুণ চঞ্চল, সবার প্রিয়মুখ। পরিবারের সবচেয়ে আদরের। তার মা এখনও বিশ্বাস করতে পারেন না, কি ঘটে গেল। এক মুহূর্তের জন্য কিছু বলার সুযোগটাও পেলেন না মেয়েকে।
05/06/2025
মহাখালি বাস টার্মিনালে সাংবাদিকের উপর হামলা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ভিডিও ধারন করতে গেলেমহাখালি বাস টার্মিনালে সাংবাদিকের উপর হামলা
ড: ইউনুস পদত্যাগ করলে দেশ আবার ভারতের গোলামীতে চলে যাবে। পারলে ঠেকান?
শাহবাগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন চলমান
10/05/2025
যথা যোগ্য মর্যাদায় আল্লামা ইকবাল রহঃ এর মৃত্যু বর্ষিকী পালিত
06/04/2025
Global strike for Ga'za.
7th April.
আগামীকাল বিশ্বব্যাপী হরতাল পালনের আহবান জানিয়েছে আমাদের মজলুম গা'জাবাসী ভাইবোনেরা। গণহ'ত্যা বন্ধ করার দাবিতে বিশ্বের সকল দেশে একযোগে স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি, অফিস,আদালত সব বন্ধ রাখার আহবান জানিয়েছে তারা।
কিন্তু মানুষ কিংবা মুসলিম হিসেবে এসব বন্ধ রাখাতেই আমাদের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত নয় বরং দল মত নির্বিশেষে সারাদেশের ছাত্র জনতা একসাথে রাজপথে নেমে ইস'রাইলি খু'নিদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো উচিত।
আমরা হয়তো এই মুহূর্তে আমাদের গা'জার ভাইদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করতে পারবো না। কিন্তু তাদের লড়াইয়ের সাথে একত্বতা ঘোষণা করতে নিজ ভূমির রাজপথে অন্তত নামতে পারবে।
NCP, BNP, জামায়াত; কিংবা অন্য কোনো দলের ব্যানারে নয় বরং দল-মত নির্বিশেষে "বাংলাদেশ" ব্যানারে আগামীকাল আমরা রাজপথে নেমে গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারি। খু'নি, র'ক্তপিপাসু নেতা'নিয়াহুর বিপক্ষে স্লোগান দিতে পারি ।
প্রত্যেক জেলায় ছাত্র জনতার প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকজন মিলে দায়িত্ব নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মসূচি পালিত হোক। ৭ এপ্রিল কোনো দল, মত, পক্ষের হয়ে নয় বরং বাংলাদেশের পক্ষ হতে গা'জার মজলুম মানুষের পক্ষে হোক।
March for Ga'za.
Bangladesh for Ga'za.
©
বেতন এর টাকাকে মাসের শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখার পরামর্শ- ঘটনাটি এক সৌদি-যুবকের। সে তার জীবনের প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট ছিল না। তার বেতন ছিল মাত্র চার হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের টাকা শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হত। এভাবে সে আস্তে আস্তে ঋণের কাদায় ডুবে যাচ্ছিল। আর তার বেতনে এমন বিশ্বাস জন্ম নিচ্ছিল যে, তার জীবন এই অভাবেই কাটবে। অবশ্য তার স্ত্রী তার এ-অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখত। কিন্তু ঋণের বোঝা এত ভারী হযেছিল, যেন নিশ্বাস নেওয়াও দুষ্কর।
একদিন সে তার বন্ধুদের এক মজলিসে গেল। সেদিন এমন একজন বন্ধু সেখানে উপস্থিত ছিল, যে অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। যুবকের বক্তব্য এমন ছিল যে, আমার ওই বন্ধুর সকল পরামর্শকে আমি খুব গুরুত্ব দিতাম।
কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বলল। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল। তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বলল, আমার পরামর্শ হল- তুমি তোমার বেতন থেকে কিছু টাকা ছদকার জন্য নির্ধারণ কর। যুবক আশ্চর্য হয়ে বলল, জনাব! সাংসারিক প্রয়োজন পুরনেই ঋণ নিতে হয়; আর আপনি আমাকে ছদকার জন্য টাকা নির্ধারণ করতে বলেছেন?
যাইহোক, যুবক বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্ত্রীকে জানাল। তার স্ত্রী বলল, পরিক্ষা করতে সমস্যা কী? হতে পারে আল্লাহ্ তা’আলা তোমার জন্য রিযিকের দরজা খুলে দিবেন। যুবক বেতনের চার হাজার রিয়াল থেকে ত্রিশ রিয়াল ছদকার জন্য নির্ধারণের ইচ্ছা করল এবং মাসশেষে তা আদায় করতে শুরু করল।
সুবহানাল্লাহ! কসম করে বললে মোটেও ভুল হবে না, তার (আর্থিক) অবস্থা সম্পূর্ণ বদলে গেল। সে তো সবসময় টাকা-পয়সার চিন্তা টেনশনেই পড়ে থাকত; আর এখন তার জীবন যেন ফুলের মতো হয়ে গেছে। এত ঋণ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে স্বাধীন মনে হত। মনের মধ্যে এমন এক অনাবিল শান্তি হচ্ছিল, যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।
কয়েক মাস পর থেকে সে নিজের জীবনকে সাজাতে শুরু করল। নিজের আয়কৃত টাকা কয়েক ভাগে ভাগ করল, আর তাতে এমন বরকত হল, যা পূর্বে কখনও হয়নি। সে হিসাব করে একটা আন্দাজ করল, কত দিনে ঋণের বোঝাটা মাথা থেকে নামাতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
কিছুদিন পর আল্লাহ তা’লা তার সামনে আরও একটি পথ খুলে দিলেন। সে তার এক বন্ধুর সাথে প্রপাটি-ডিলিং এর কাজে অংশ নিতে শুরু করে। সে বন্ধুকে গ্রাহক/ক্রেতা এনে দিত, তাতে ন্যায্য প্রফিট পেত।
আলহামদুলিল্লাহ! সে যখনই কোনো গ্রাহকের কাছে যেত, গ্রাহক অবশ্যই তাকে অন্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছনোর রাস্তা দেখিয়ে দিত। এখানেও সে ঐ আমলের পুনরাবৃত্তি করত। অর্থাৎ প্রফিটের টাকা হাতে আসলে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) অবশ্যই তা থেকে ছদকা নির্ধারণ করত।
আল্লাহর কসম! ‘ছদকা কী’ তা কেউ জানে না; ঐ ব্যক্তি ব্যতিত যে তা পরিক্ষা করেছে। ছদকা কর এবং ছবরের সাথে চল- আল্লাহর ফযলে খায়ের বরকত নাযিল হবে, যা নিজ চোখে দেখতে পাবে।
নোট:- যদি আপনি কোনো মুসলমানকে তার উপার্জনের একটি অংশ ছদকার জন্য নির্ধারণ করতে বলেন এবং এর উপর আমল করে, আপনিও ঐ পরিমাণ ছওয়াব পাবেন যে পরিমাণ ছদকাকারী পেয়েছে। আর ছদকাকারীর ছওয়াবে কোনো কমতি আসবে না।
আপনি দুনিয়া থেকে চলে যাবেন আর আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার কারণে ছদকা করতে থাকবে। আপনি ছওয়াব পেতে থাকবেন।
যদি আপনি তালিবে ইলমও হন এবং আপনার আয় একেবারে সীমিত ও নির্ধরিতও হয়। তবুও কম-বেশি, যতদূর সম্ভব (সামান্য কিছু হলেও) ছদকার জন্য নির্ধারণ করুন।
যদি ছদকাকারী জানতে ও বুঝতে পারে যে, তার ছদকা ফকিরের হাতে যাওয়ার আগে আল্লাহর হাতে যায়। তাহলে অবশ্যই ছদকা গ্রহণকারীর তুলনায় ছদকাদানকারী অনেক গুণ বেশি আত্মিক প্রশান্তি লাভ করবে।
◾ছদকা দানের উপকারিতা:-
ছদকা দানকারী এবং যে তার কারণ হবে সেও এ সকল ফায়েদার অন্তর্ভুক্ত।
১. ছদকা জান্নাতের দরজাসমূহের একটি।
২. ছদকা আমলের মধ্যে উত্তম আমল।
৩. ছদকা কেয়ামতের দিন ছাঁয়া হবে এবং ছদকা-আদায়কারীকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করবে।
৪. ছদকা আল্লাহ তা‘লার ক্রোধকে ঠান্ডা করে এবং কবরের উত্তপ্ততায় শীতলতার উপকরণ হবে।
৫. মৃতব্যক্তির জন্য উত্তম বদলা এবং সবচে’ উপকারী বস্তু হল ছদকা। আর ছদকার ছওয়াবকে আল্লাহ তা‘আলা ক্রমাগত বৃদ্ধি করতে থাকেন।
৬. ছদকা পবিত্রতার আসবাব, আত্মশুদ্ধির মাধ্যম ও সৎকাজের প্রবর্ধক।
৭. ছদকা কেয়ামতের দিন ছদকাকারীর চেহারার আনন্দ ও প্রফুল্লতার কারণ হবে।
৮. ছদকা কেয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় নিরাপত্তা হবে। অতীতের জন্য আফসোস করা থেকে বিরত রাখে।
৯. ছদকা গুনাহের ক্ষমা এবং খারাপ কাজের কাফফারা।
১০. ছদকা উত্তম মৃত্যুর সুসংবাদ এবং ফেরেস্তাদের দোয়ার কারণ।
১১. ছদকা দানকারী সর্বোত্তম বান্দাগণের অন্তর্ভুক্ত এবং ছদকার ছওয়াব প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি পায় যে কোনো না কোনোভাবে অংশিদার হয়।
১২. ছদকা দানকারীর সঙ্গে সীমাহীন কল্যাণ ও বিরাট প্রতিদানের ওয়াদা রয়েছে।
১৩. খরচ করা মানুষকে মুত্তাকীদের কাতারে শামিল করে। ছদকাকারীকে সৃষ্টিকূল মুহাব্বত করে।
১৪. ছদকা দয়া-মায়া ও দানশীলতার আলামত।
১৫. ছদকা দোয়া কবুল এবং জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম।
১৬. ছদকা বালা-মসিবত দূর করে দুনিয়াতে সততরটা খারাপির দরজা বন্ধ করে।
১৭. ছদকা হায়াত ও মাল বৃদ্ধির মাধ্যম। সফলতা এবং রিজিকের প্রশস্ততার মাধ্যম।
১৮. ছদকা চিকিৎসা, ঔষধ ও সুস্থতা।
১৯. ছদকা আগুনে পোড়া, পানিতে ডোবা ও অপহরণসহ (সকল) অপমৃত্যুর প্রতিবন্ধক।
২০. ছদকার প্রতিদান পাওয়া যায়- চাই তা পশু-পাখিকেই দেওয়া হোক না কেন।
শেষকথা: এই মুহূর্তে আপনার জন্য সর্বোত্তম ছদকা হল, এই কথাগুলো ছদকার নিয়তে প্রচার করা।
(সংগৃহীত পোস্ট)
10/02/2025
এই আইডি সবাই ফলোতে রাখেন এরা কুত্তালীগের বাচ্চা!!!! এরা দেশকে অস্তিথিশীল করতে চায়। আইডি লিংক কমেন্টসে আছে......
07/02/2025
যারা আওয়ামীলীগের পক্ষে আজকে আন্দোলন করেন তারা দেশ সম্পর্কে কিছু কি জানেন? তারা যদি হাসিনার আসল রুপ দেখতেন তাহলে হয়তো বুঝতেন, হাসিনা কেমন দেশপ্রেমিক? একটু মনযোগ দিয়ে পড়ুন
কি হয়েছে? সেই দিন।
্ট রাতেই শেখ হাসিনা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে সেইফ এক্সিটের জন্য অনেক বার রিকুয়েস্ট করে কিন্তু কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে রিজেক্ট করে দেয়।
পরদিন সকালে #আর্মি #নেভি এয়ারফোর্স এবং #পুলিশ চিফ গণভবনে যায়।
তারা পৌঁছানোর আগেই শেখ হাসিনা প্রচন্ড রাগান্বিত অবস্থায় অবস্থান করছিলেন।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের তাদের #অস্ত্র_লোড রাখার নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনার নির্দেশে এসএসএফ ও তাদের অস্ত্র লোড রাখে সেই মুহূর্তে #চার বাহিনীর চিফ গণভবনে আসলে।এসএসএফ তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে।
কাউন্টার পজিশন নেয় সেনাপ্রধানের ফোর্সও।
দুই বাহিনীর মাঝে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জে পড়ে যান শেখ হাসিনা।
তখন শেখ রেহানা ওই রুমে অবস্থান করছিলেন। আর্মি চিফ এবং এয়ার চিফ মার্শাল স্মার্টলি সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করেন। তারা শেখ রেহানাকে অন্য কক্ষে নিয়ে যান। এরপর সজীব ওয়াজেদ জয়কে ফোন করা হয়।
#জয় সেনাপ্রধানকে বলেন “তোকে উপরে উঠাইছে আমার মা, তুই কি করিস বসে বসে? তোরও তো বউ বাচ্চা আছে; দেখে নিব” জবাবে সেনাপ্রধান জয়কে বলেন “ #জয় শান্ত হও। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
এই মুহূর্তে হয় ম্যাডাম (শেখ হাসিনা) রিজাইন দিবেন, নয়ত আমি স্টেপ আউট করব।
তখন এসএসএফ আমাকে মেরে ফেলবে। আর আমাকে মারলে আমার ফোর্স তোমার মাকে হ ত্যা করবে” পরবর্তীতে।
কোন উপায় না পেয়ে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন।
এবং দেশ ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে পুলিশের আইজিপিকে নির্দেশ দেন "আমি চলে যাওয়ার এক মাসের মধ্যে দেশের এমন অবস্থা করবেন যেন আগামী ২০-২৫ বছরে দেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে" ―
সকলের নিকট সংবাদটি পৌঁছেদিন,কত বড় জালেম থেকে আল্লাহ আমাদেরকে হিফাযত করেছেন আমীন।
------সংগৃহিত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
2/2 Purana Palton
Dhaka
1000