When Men Hit Back - WMHB

When Men Hit Back - WMHB

Share

An initiative to stand against radical feminism.

23/04/2026

"ম্যারিটাল রেপ" তথা "বৈবাহিক ধর্ষণ" বর্তমান প্রজন্মের নারীবাদীদের নয়া অস্ত্র। এই অস্ত্রের মাধ্যমে মেয়েরা তাদের মনের ভেতর অসাধু অভিপ্রায় এর বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়। ৯২ ভাগ মুসলিম এর দেশে এই ম্যারিটাল রেপ এর নামে পুরুষদের ফাঁসানো একটা ট্রেন্ড এ পরিনত করতে যাচ্ছে মডার্ন ফেমিনিসম। নিজ স্ত্রীর সাথে পুরুষ কখন কিভাবে মিলিত হবে সেটা যদি মেয়েদের উপর নির্ভর করা হয় তবে এর থেকে ফ্রড এবং গাঁজাখুরি নিয়ম আর কিছু হতে পারে না। বিশ্বনবী (ﷺ) বলেন, “শেষ জামানায় এক শ্রেণির নারী বের হবে যারা দাজ্জালের অনুসারী হবে!এবং তাদেরকে ঘরে আটকে রাখা যাবে না তারা বাঁধন ছিড়ে বের হয়ে যাবে!!” দুনিয়া যে সেই দিকেই ধাবিত হচ্ছে নিশ্চিতভাবে সেটা নারীবাদীদের এই ম্যারিটাল রেপ এর মতো ফলস এলিগেশন দিয়ে পুরুষ ফাঁসানোটাই প্রমান করে। ম্যারিটাল রেপ এ বিশ্বাসী নারীদের সাথে সম্পর্ক করা থেকে পুরুষরা বিরত থাকুন, এদেরকে জীবনসঙ্গী করা মানে আপনার নয়া পরিচয় ধর্ষক হয়ে যাবে!

অ্যাডমিনঃ সৈয়দা মুসাররাত রফিক

07/04/2026

নারীদের আক্কেল জ্ঞান কম থাকে, এই কারনে পবিত্র কোরআন এবং হাদিসে নারীদের অভিভাবক হিসাবে মহান আল্লাহতালা পুরুষকে নির্বাচিত করেছেন। কোরআন এবং হাদিস থেকে উপযুক্ত রেফারেন্স নিচে দেয়া হল,
সূরা আন-নিসা (৪:৩৪)
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ
অর্থ:
“পুরুষরা নারীদের উপর দায়িত্বশীল (অভিভাবক), কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং তারা তাদের সম্পদ ব্যয় করে।”
সহিহ বুখারি
كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ،
الرَّجُلُ رَاعٍ فِي أَهْلِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ...
অর্থ:
“তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল…”
কিন্তু পুঁজিবাদী কর্পোরেট লেভেল নারীকে স্বাধীনচেতা করে তোলে, স্বাধীনতা দেয় যার ফলে নারী যায় বিপথে, হয়ে ওঠে নারীবাদী। তাই মুসলিম পুরুষগন নিজের গায়রত থাকলে নিজেদের অধীনে থাকা নারীদের কিরুপে বড় করবেন এবং কোন পথে চালনা করবেন সেটা নিজেরাই ভেবে দেখবেন।

অ্যাডমিনঃ সৈয়দা মুসাররাত রফিক

03/04/2026

মেয়েটা কিউট এতে সন্দেহ নেই, তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো ওর মতো সুন্দরী নয় এমন অনেক পথ শিশু আছে যাদেরকে নিয়ে কেউ লেখালিখি করে না। আরও রূঢ় সত্য হলো ছেলে পথ শিশুদের নিয়ে কেউ কোনোদিন ও পোস্ট করবে না। কারণ একটাই মানুষ সৌন্দর্য এর বশ!

অ্যাডমিনঃ সৈয়দা মুসাররাত রফিক

31/03/2026

"বোরখা হিজাব পরে সব করা যাবে" ন্যারেটিভ থেকেই নারীবাদ এর ইসলামিক সংস্করণ এর জন্ম। বাথরুমে এক অমুসলিম ছেলের সাথে জনৈক মেয়ের ভাইরাল ভিডিওই প্রমান করে নারীবাদ এর নামে নারী স্বাধীনতা কেন ভয়ঙ্কর। এইদিকে সো কল্ড সুশীল সমাজের বিশেষ করে মেয়েরা অল্প বয়সে কেউ মেয়ে বিয়ে দিলে বিবাহিত পুরুষকে পেডোফাইল বানায় দেয়, শারিয়াহ মোতাবেক কেউ মাসানা করতে গেলে বিবাহিত পুরুষকে নারী লোভী বানায় দেয় কিন্তু উপরে বলা ভাইরাল ভিডিওর নারীর বেলায় তাদের মুখে ঠিক কার শিশ্ন দেয়া থাকে বলে তাদের মুখ দিয়ে একটা কথাও বের হয় না সেটা কেবল সেই সো কোল্ড সুশীল তথা শাহাবাগী মেয়েগুলাই বলতে পারবে! এদেরকে যেখানেই পাবেন সেখানেই ভয়কট করবেন সবাই। এদের কারনেই নারীবাদ স্প্রেড হচ্ছে আর সমাজে এইসব অনৈতিক কাজ হচ্ছে।

অ্যাডমিনঃ সৈয়দা মুসাররাত রফিক।

02/03/2026

রমজান মাসে আরও বেশি হয় এটা ছেলেদের সাথে। সবাই সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

অ্যাডমিন: সৈয়দা মুসারারাত রফিক

15/01/2026

ছেলেদের বন্ধুত্ব করার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হওয়া উচিত। সাধারণত এমন কিছু ছেলে আছে যাদের চারিত্রিক সমস্যার কারণে অথবা অন্য কোনো সমস্যার কারণে মেয়েদের খুশি করার জন্য বা মনোযোগ আকর্ষণের জন্য এমন কিছু নোংরা কাজ করে যা খুবই দৃষ্টিকটু। এইধরনের ছেলেদের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা দেখে সাধারণত এদেরকে চেনা যায়। যেমন:
১. মেয়েদের সামনে নিজের বন্ধুদের অপমান করে বা ছোট করে কথা বলে।
২. ইংরেজিতে ঠিক মতো কথা না বলতে পারলেও বা ইংরেজি সঠিক না জেনেও বেশি বেশি ইংরেজি শব্দের বা বাক্যের ব্যবহার করে বা করার চেষ্টা করে।
৩. মিথ্যা কথা বলে অথবা বানিয়ে বানিয়ে কথা বলে, মেয়েদের বিনোদন দেওয়ার জন্য অথবা হাসানোর জন্য।
৪. মেয়েদেরকে কোনো বিষয়ে কারোর সাথে কথা বলতে দেখলে উক্ত বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার পরও কথার মধ্যে কথা বলার চেষ্টা করে।
৫. মেয়েদের সামনে বন্ধুদের চিন্তে পারে না অথবা গুরুত্ব দেয় না। মেয়েরা চলে গেলে এমন ভাব করে যেন কিছুই হয়নি।
এসব বৈশিষ্ট্য কোনো বন্ধু বা সহপাঠীদের মধ্যে বা সহকর্মীদের মধ্যে দেখলে এমন ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব না করাই উত্তম।আর এইধরনের ছেলেরা সাধারণত এসব আচারণ করে থাকে শুধুমাত্র মেয়েদেরকে খুশি করা বা বিনোদন দেওয়ার মাধ্যমে মনোযোগ আকর্ষণ করে মুগ্ধ করার জন্য।
সুতরাং এইধরনের ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করার আগে একটু সচেতন হওয়া বা সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

অ্যাডমিনঃ তানভীর হাসান প্রিতম

11/12/2025

পবিত্র কোরআন শরিফ পুরুষ এর বানানো?? নাউজুবিল্লাহ! এইটা তো সরাসরি ইসলাম অবমাননা, আল্লাহ মাফ করুক, এই মহিলা বিষাক্ত নারীবাদ এর আদি জনক। পড়াশুনার নামে মুসলিম মেয়েদের নারীবাদী বানানোর পায়তারা এর হাত ধরেই শুরু। চরম রকমের পুরুষ বিদ্বেষী এক মহিলা ছিলেন উনি।

অ্যাডমিনঃ সৈয়দা মুসাররাত রফিক

05/12/2025

দুঃখজনক হলেও সত্য,অনেকে জেনে বুঝেও মানতে চায় না।

অ্যাডমিনঃ তানভীর হাসান প্রিতম

26/11/2025

অনেকেই হয়তো খেয়াল করেছেন যে বিভিন্ন মার্কেটিং সেক্টরে মেয়েদের রাখা এখন যেনো একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে।যাই কিনতে যান যেখানে যান সব জায়গায় মেয়েদের দেখানোই লাগবে। আমার প্রশ্ন কেন? এদেশের বেশিরভাগ মানুষ মুসলিম (যদিও প্রকৃত মুসলমান কিনা জানিনা) তবে এই সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে কেন মেয়েদের বেপর্দা হোক বা পর্দা করা হোক, মেয়েদের দেখানো লাগবে? আপনি কতক্ষন পারবেন তার দিকে চোখ না দিয়ে থাকতে কারণ আপনি যখন কেনাকাটা করতে যান আপনার বিভিন্ন জিনিস কেনার প্রয়োজন পড়তে পারে তাই বলে সব জায়গায় চোখ বন্ধ রাখতে পারবেন বা চোখ নিচে নামিয়ে রাখতে পারবেন? আবার ছোট দোকানেও একই সমস্যা।যেগুলো পুরুষের জিনিস সেগুলোও যদি ওরা দেখাতে যায় তাহলে কিভাবে হবে? কিছু ক্ষেত্রে বারবার কথা বলতে বাধ্য করে। এটা ঠিক না। বর্তমান বাজারে মানুষ পন্যের মান দেখে পন্য কিনবে নাকি মেয়ে দেখে? এসব বেহায়াপনা ছাড়া আর কিছুই নয়। ছেলেদের পন্য দেখাবে ছেলে আর মেয়েদেরকে মেয়ে, তা না করে মুখের মধ্যে থুতু রেখে স্যাররররর!বলার কোনো মানে হয় না। এতে পন্যের মান বাড়ে না।

অ্যাডমিনঃ তানভীর হাসান প্রিতম

23/11/2025

কিছু কিছু মেয়ে ভূমিকম্প এর সময়েও নিজের ক্লিভেজ দেখাবার ধান্ধায় থাকে। ওড়না পরাটা একটা পারিবারিক শিক্ষা। যে মেয়ে ছোটবেলা থেকে ওড়না পড়ে সে বাসার ভিতরেও ওড়না ছাড়া চলতে অস্বস্তিবোধ করে। ভূমিকম্প এর সময় এদের ফেমিনিজম না মারালে পেট এর ভাত হজম হয় না!! আটার ননসেন্স!!

অ্যাডমিনঃ সৈয়দা মুসাররাত রফিক

07/11/2025

কয়েকটা হাদীস পড়েছিলাম দাজ্জালকে নিয়ে, বিশেষ করে ও যখন আসবে তখন কারা ওর অনুসারী হবে? মুসলিম মেয়েদের একটা বড় অংশ কেনো তার (দাজ্জালের) পিছনে ছুটবে তার উত্তর যদিও এর আগেও পেয়েছি কিন্তু আজকের একটা বিশেষ ঘটনা ব্যতিক্রম ছিল।যার মাধ্যমে দাজ্জালের ক্ষমতা বা দাজ্জাল যে কতটা সফলতা অর্জন করছে শয়তানের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছি। আপনি মনে করছেন হয়তো আপনার পরিবারের মেয়েরা পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, কোরআন পড়ে তাই তারা হয়তো দাজ্জালের ফাঁদে পা দিবে না, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আপনার ধারণা ভুল প্রমাণ হতে পারে, যেমনটা আমার সাথে হয়েছে। জানিনা মেয়েরা কেনো শয়তানের এতো আপন, এতো কাছের। তবে ধর্মের জ্ঞান থাকার পরও এদের অন্ধের মতো চলাফেরা চোখে পড়ার মতো। একটা পোস্ট পেলাম এক জায়গায়। সেটা দিলাম।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“দাজ্জালের অনুসারীদের
অধিকাংশ হবে নারী।”
(সহীহ হাদীস)
অন্য এক হাদীসে আছে,
“একজন পুরুষকে তার মা, স্ত্রী, বোন ও মেয়েকে বেঁধে রাখতে হবে,নিষ্ঠুরতা থেকে নয়, বরং এই ভয়ে যে তারা দাজ্জালের ধোঁকায় পড়ে না যায়।”
একটু ভেবে দেখুন…নারীরা কেন দাজ্জালের প্রতারণায় সহজে পড়ে যাবে?আজকের বাস্তবতা দেখলে কথাটা খুব পরিষ্কার হয়ে যায়।আজ অনেক নারী দুনিয়ায় গভীরভাবে আসক্ত,মেকআপ,বিলাসবহুল স্টাইল, সোশ্যাল মিডিয়ার লাইকের নেশা, বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতি তীব্র আকর্ষণ। যখন এগুলোই হৃদয়ের রাজা হয়ে যায়,তখন আত্মাও একদিন বিক্রি হয়ে যেতে পারে।
নবী ﷺ বলেছেন:
দাজ্জালের আগমনের আগে পৃথিবীতে ৩ বছর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হবে।
ঠিক ওই সময়ে (আল্লাহ ভালো জানেন)দাজ্জাল আসবে,খাবার, পানি, নিরাপত্তা, আর বিলাসিতার প্রলোভন নিয়ে। তাকে যুক্তি দিতে হবে না,সে শুধু আপনার “নফস”-কে সন্তুষ্ট করবে। আর তখন,যাদের হৃদয় এসব ফিতনার বিরুদ্ধে প্রস্তুত ছিল না,তারা তার পেছনে ছুটে যাবে।

অ্যাডমিনঃ তানভীর হাসান প্রিতম

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka