Digital Learning

Digital Learning

Share

এখানে ডিজিটাল মারকেটিং বিষয়ক সকল আলোচনা ও সমাধান থাকবে

30/11/2023

"যেভাবে" এডকপি লিখলে 💯 পারসেন্ট সেল বেশি হয়😍😍😍
(কন্টেন্ট মেকিং পার্ট-০৩)
একটি সুপার🎀 এডকপি মানে লাখ টাকার বিজনেস।💥 সুপার এডকপি লিখতে হলে আপনাকে যে "পরীক্ষীত"🎯 মেথডগুলো অনুসরন করতে হবে তা নিচে ডিপডাউন আলোচনা করা হলোঃ
✅ মানুষের একটি সাধারণ মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার হলো তারা "ক্ষতির" সম্মুখিন হতে ভয় পায়। এমনকি "ক্ষতি" শব্দটিকেই ভূতের মতো ভয় পায়। তাই আপনার এডকপিতে "ক্ষতি" শব্দটাকে ব্যবহার করুন।
যেমনঃ
১ নং হেডিং
মেইন হেডিং➤ যেভাবে কলপ এর "ক্ষতি" ছাড়াই স্থায়ী ঘন কালো চুল পাবেন
সাব হেডিং ➤ ভিডিওটি না দেখলে লস আপনার
২ নং হেডিং
মেইন হেডিং ➤ কলপ করে নিজের চুলের "ক্ষতি" না করে ভিডিওটি দেখুন
সাব হেডিং ➤ ভিডিওটি না দেখলে লস আপনার
৩ নং হেডিং
মেইন হেডিং ➤ ভুল করেও চুলে কলপ করে নিজের "ক্ষতি" করবেন না
সাব হেডিং ➤ ভিডিওটি না দেখলে লস আপনার
৪ নং হেডিং
মেইন হেডিং ➤ চুলে কলপ করে "ক্ষতি" করার আগে আপনার যা জানা উচিত
সাব হেডিং ➤ ভিডিওটি না দেখলে লস আপনার
৫ নং হেডিং
মেইন হেডিং ➤ কলপের "ক্ষতি" ছাড়াই চুল স্থায়ী কালো করার পরীক্ষিত পদ্ধতি
সাব হেডিং ➤ ভিডিওটি না দেখলে লস আপনার
✅ মানুষের মন বাধাহীনভাবে শুধু চাইতে থাকে আর তার সাথে পাইতে চায় সবকিছু। যেমনঃ মানুষ দক্ষতা বাড়াতে চায়, অনেক টাকা ইনকাম করতে চায়, ভালো অভিভাবক হতে চায়, স্বাস্থ্যবান হতে চায়, সুন্দর চেহারার অধিকারী হতে চায় ইত্যাদি ইত্যাদি আরও কতো কী না হতে চায়।
মানুষ যে কত কী হতে চায় আর কত কী পেতে চায় তার তালিকা করে শেষ করা যাবে না। ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ভিন্ন ভিন্ন চাওয়া।
তবে তাদের সবার একটি কমন টার্ম হলো তারা এসব পাওয়ার জন্য এবং হতে পারার জন্য "সহজ উপায়" খুঁজে।
তাই আপনি আপনার হেডলাইনে "সহজ উপায়" শব্দটি লিখতে পারেন তার সাথে কোন সংখ্যা যুক্ত করে দিলে তা আরো শক্তিশালী হবে।
যেমনঃ
১। আসল ইন্ডিয়ান কুর্তি/জামদানি শাড়ী/চেড়ি কাপড়ের বোরকা চেনার "সহজ ৫টি উপায়" যা আপনি জানেন না।
২। কেমিক্যাল মুক্ত খাঁটি সরিষার তেল চেনার "সহজ ৩টি উপায়" যা আপনার জানা দরকার।
৩। নিজের চেহারাকে ভয়াবহ ব্রণ থেকে মুক্ত ও ফ্রেশ রাখার ১০ টি "সহজ ঘরোয়া উপায়"।
✅ মানুষ পরীক্ষিত বিষয় সহজে বিশ্বাস করে এবং গ্রহণ করে থাকে। তাই উপরের হেডলাইন এর সাথে "পরীক্ষিত" শব্দটি যোগ করলে ফলাফল হাতেনাতে পাবেন। এটাও একটি পরীক্ষিত মেথড।
যেমনঃ
১। নিজেকে ফর্সা রাখার ১০ টি "পরীক্ষীত সহজ উপায়"।
২। ডায়েট ছাড়াই মেদহীন ফিগার করার ৫ টি "পরীক্ষীত উপায়"।
✅ প্রতিটি মানুষ নিজেকে পারফেক্ট দেখতে চায়। তাই তারা কোন ভুল করতে চায় না। সত্যি কথা বলতে গেলে মানুষ ভুল করে ভুল করতে চায় না। তাই এই "ভুল" শব্দটি আপনার জন্য একটি আদর্শ হাতিয়ার।
যেমনঃ
১। শাড়ী/থ্রি-পিস/পাঞ্জাবি/ব্লেজার কিনতে গিয়ে সচরাচর যে "ভুল" গুলো আপনি করে থাকেন।
২। সন্তান লালন-পালনে অভিভাবকগণ যে "ভুল" বেশি করেন।
৩। ব্রণ/গ্যাস্ট্রিক/ডায়াবেটিসের চিকিৎসা যে "ভুলগুলো" আপনি করে থাকেন।
৪। গোপন সমস্যার চিকিৎসায় যে "ভুল" সর্বদা আপনার এড়িয়ে চলা উচিত।
৫। (অর্গানিক পণ্য) কেনার সময় যে "ভুলগুলো" কখনোই করা আপনার উচিত নয়।

14/11/2023

কন্টেন্ট তৈরিতে ৮ টি টিপস:
লিখাটা একটু বড় বাট কন্টেন্ট হেল্প করবে ১০০% 😊🔥
আপনি কন্টেন্ট তৈরি করলেই সেটা অডিয়েন্স গ্রহণ করবে এমনটি কিন্তু নয়, আপনাকে যেকোনো কন্টেন্ট তৈরি করার আগে ভেবে নিতে হবে সেখানে আপনি কতটা ভ্যালু এড করতে পারবেন। আপনি যখন সঠিক মাত্রায় ভ্যালু এড কর‍তে পারবেন তখনই সেটা বিপুল অডিয়েন্সদের মধ্যে গ্রহনযোগ্যতা লাভ করবে।
১. নির্দিষ্ট বিষয়ে ফোকাস করা
অনেক গুলো বিষয় একসাথে না নিয়ে এসে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে ফোকাস করুন। আপনি সেই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিন যেটা আপনি ভাল জানেন এবং যেটাতে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। ধরুন আপনি মধুর গুনাগুন নিয়ে ধারণা রাখেন সেক্ষেত্রে আপনি এই বিষয়ের উপরই সর্বোচ্চটা দেয়ার চেষ্টা করুন। একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সমস্যা সমাধান করুন।
২. প্রফেশনালদের সাহায্য নেয়া
আপনার ব্র‍ান্ড ইমেজ তৈরি করতে সব সময় একাই সব করবেন বা আপনাকেই এক্সপার্ট হতে হবে এমনটি নয়। প্রয়োজনে প্রফেশনাল কন্টেন্ট তিজাইনার নিয়োগ দিন বা পরামর্শ নিন। যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রতিযোগিতা খুব বেশি সেহেতু ঝুঁকি না নিয়ে এক্সপার্টদের সাহায্য নেয়াই ভাল। তবে শুরুটা যেভাবে আছে শুরু করতে পারেন।
৩. ধৈর্য রাখুন
কখনো অধৈর্য হওয়া যাবে না, আপনি সব সময় দ্রুত সফলতা পেয়ে যাবেন এমনটি কিন্তু নয়। আপনাকে সময় দিতে হবে, জানতে হবে, ভুল করতে হবে এবং ভুলের কারণ গুলো খুঁজে বের করতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদি সফলতার জন্য আপনাকে লেগে থাকতে হবে।
৪. পদক্ষেপ গুলো সংশোধন
আপনার কোন কোন পদক্ষেপ ভুল হতেই পারে, এতে ভেঙে পড়ার কিছু নেই। আবার ফিরে যান নতুন করে ভাবুন এবং সমস্যা খুঁজে বের করুন, সংশোধন করে ধারণা গুলো পুনরায় প্রয়োগ করুন।
৫. নিজের জন্য উপযুক্ত কন্টেন্ট নির্বাচন
আমরা জানি বর্তমান সময়ে ইমেইজ, কপিরাইট এবং ভিডিও কন্টেন্ট বেশি জনপ্রিয়, তাই বলে আপনাকে সব গুলো তৈরি করতে হবে এমনটি কিন্তু নয়। আপনি এমন ফরমেট বাছাই করুন যা আপনি ভাল পারেন। আপনি কন্টেন্টে যত বৈচিত্র্যতা আনতে পারবেন সেটি তত বেশি অডিয়েন্সদের দৃষ্টিগোচর হবে।
৬. রিসার্চ করা
অডিয়েন্সদের জন্য উপযুক্ত কন্টেন্ট নির্বাচনে রিসার্চের বিকল্প নেই। আপনাকে জানতে হবে অডিয়েন্সরা কি ধরনের কন্টেন্ট চায়, তারা এই মুহূর্তে কোন কোন বিষয়ে আগ্রহী। আর এসব কিছু জানতে আপনি কম্পিটিটর রিসার্চ করতে পারেন, কম্পিটিশন এনালাইসিস করতে পারেন অন্যদের কন্টেন্টে কি গ্যাপ আছে সেটা বের করতে পারেন।
৭. কন্টেন্ট স্ট্রেটেজি তৈরি করা
কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ঢুকার আগে সব গুলো বিষয় সাজিয়ে নিন। কোন কাজটির পর কোন কাজটি করবেন নির্দিষ্ট করুন এবং একটি সঠিক স্ট্রেটেজি তৈরি করুন। প্রথমবার ব্যর্থ হলে পুনরায় স্ট্রেটেজি পরিবর্তন করুন।
৮. শেষ কথাঃ
হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট এবং সলিড কন্টেন্ট মার্কেটিং একটি দীর্ঘমেয়াদী বিষয় আপনি চাইলেই রাতারাতি কিছু করে ফেলতে পারবেন না। আপনাকে সফলতার জন্য লেগে থাকতে হবে এবং কাজ করে যেতে হবে।
আশা করছি এই মুহূর্তে আপনার কোন কন্টেন্ট গুলো তৈরি করা উচিত সে সম্পর্কে ভাল একটি ধারণা পেয়েছেন।

14/11/2023

✴️একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করুন ১০০% কাজে লাগবে🔥🔥
সময় করে অবশ্যই লিখাটি পড়ুন
সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে তা শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ব্যবসায়িক আর প্রাতিষ্ঠানিক কাজেও এর বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়। আপনি যদি কোন ব্যবসা চালিয়ে থাকেন, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া হতে পারে আপনার প্রচারণার একটি উপযুক্ত মাধ্যম। এখানে সাধারণ কিছু পরামর্শ দেয়া রয়েছে।
🔷👉 আপনি কাদের কাছে ব্যবসায়িক প্রচারণা চালাতে চান, সে সম্পর্কে ধারণা রাখুন।👈🔷
সোশ্যাল মিডিয়ার পরিসর অনেক বড়। এগুলোতে বিভিন্ন বয়সের ব্যবহারকারী থাকলেও তাদের সবার চাহিদা আপনার পণ্য বা সার্ভিসের সাথে যায় না। তাই ঠিক কোন ধরনের কাস্টমারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন, সে ব্যাপারে পরিকল্পনা করুন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হলে জরিপ বা সার্ভে চালানোর ব্যবস্থা করুন। মনে রাখুন যে, সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেয়া আপনার জন্য এক ধরনের ব্যবসায়িক বিনিয়োগ।
🔷👉ব্র্যান্ড তৈরিতে মনোযোগ দিন।👈🔷
নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বা সার্ভিসের নাম নিয়ে আমাদের একটা ভালো ধারণা থাকে। আমরা সে পণ্য বা সার্ভিসের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে না জানলেও এ ভালো ধারণা কাজ করে। এখানেই ব্র্যান্ডিংয়ের গুরুত্ব।
সোশ্যাল মিডিয়াতে বাকি আর দশটা ব্যবসার মতো শুধু নিজের ব্যবসার গুণগান না করে ফলোয়ারদের জন্য আকর্ষণীয় কিছু পোস্ট করুন। ধরা যাক, আপনি শাড়ি বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে শুধু শাড়ির দামসহ ছবি পোস্ট না করে কোন উপলক্ষে কেমন শাড়ি ভালো মানায়, তা নিয়ে একটা লেখা প্রকাশ করুন। অথবা এমন একটি ভিডিও বানান যেখানে একজন শাড়ির ডিজাইনার দেখাচ্ছেন তার কাজের প্রক্রিয়া। এ ধরনের কন্টেন্ট নিয়মিত তৈরি করে ফলোয়ারদের সাথে শেয়ার করুন। এতে করে আপনার পরিচিতি শাড়ির ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং শাড়িকে কেন্দ্র করে একটি ব্র্যান্ড আপনি গড়ে তুলতে পারবেন ধীরে ধীরে।
🔷👉 কাস্টমারদের ভাষায় কথা বলুন।👈🔷
ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ভাষার ব্যবহার লক্ষণীয় ও প্রত্যাশিত। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে অধিকাংশ মানুষ হালকা মেজাজে থাকেন। তাই সিরিয়াস ভাষায় কথাবার্তা চলে কম। এ ব্যাপারটি আপনার ব্যবসায়িক প্রচারণায় বিবেচনা করুন।
সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ফলোয়াররা কোন বিষয়ে কীভাবে কথা বলেন, সে ব্যাপারে জানুন। তাদের পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে ধারণা রাখুন। সে অনুযায়ী আপনার ব্যবসায়িক পেইজের স্ট্যাটাস, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কন্টেন্টের ভাষায় সামঞ্জস্য নিয়ে আসুন।
🔷👉 কাস্টমারদের কথা শুনুন।👈🔷
সোশ্যাল মিডিয়া এক ধরনের ফ্রি কাস্টমার সার্ভিস। তাই ফলোয়াররা আপনার ব্যবসায়িক পেইজের কন্টেন্টে যেসব মন্তব্য করেন, সেগুলো গুরুত্ব সহকারে পড়ুন। এমনকি কেউ নেতিবাচকভাবে কথা বললেও তার সমস্যা অনুধাবন করুন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। কেউ কোন বিষয়ে সমস্যায় পড়লে যথাসম্ভব সহায়তা দেবার চেষ্টা থাকা জরুরি।
🔷👉নিয়মিত আপডেট দিন।👈🔷
ব্যবসায়িক প্রচারের জন্য আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রতিনিয়ত সময় দিতেই হবে। এর জন্য ঘণ্টায় ঘণ্টায় কন্টেন্ট পোস্ট করার দরকার নেই। একটি নির্দিষ্ট সময়ে – যখন আপনার অধিকাংশ ফলোয়ার অ্যাক্টিভ থাকে – আপনার ব্যবসায়িক পেইজ আপডেট করুন।

14/11/2023

কনটেন্ট এর জন্য কপিরাইট-ফ্রি ইমেইজ কোথায় পাবো 🤨
❇️ নতুনদের জন্য ১০০% হেল্পফুল হবে ❇️

এরকম প্রশ্ন অহরহ পাওয়া যায়, আশা করি আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য হেল্পফুল হবে।

ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য কনটেন্ট তৈরি করা আবশ্যক একটি বিষয়। কিন্তু নতুন অবস্থায় আমরা কিভাবে কন্টেন্ট করব, কোথা থেকে এত আইডিয়া পাব সবকিছু নিয়েই হতাশায় ভুগি। কপিরাইট ফ্রি কোন ছবি বা ভিডিও পাওয়াটাও যেন অনেকের কাছে অসম্ভব মনে হয়। আজকে কিছু ওয়েবসাইট কি-ওয়ার্ড দিচ্ছি, এগুলো সার্চ দিলেই আপনি কপিরাইট ফ্রি ছবির এক জগৎ পেয়ে যাবেন। যেগুলো সম্পূর্ণ কপিরাইট ফ্রি, আপনি আপনার ব্যবসার প্রচার বা কনটেন্ট এর ক্ষেত্রে এগুলো ব্যাবহার করতে পারবেন।

(প্রতিটি কি-ওয়ার্ড গুগলে লিখে সার্চ দিলে ওয়েবসাইটগুলো পেয়ে যাবেন)

১. Unsplash
২. Burst
৩. Pexels
৪. Pixabay
৫. Free Images
৬. Kaboompics
৭. Vecteezy
৮. Life of Pix
৯. Stocksnap.io
১০. imagebazar

09/11/2023

কন্টেন্ট তৈরিতে ৮ টি টিপস:
লিখাটা একটু বড় বাট কন্টেন্ট হেল্প করবে ১০০% 😊🔥

আপনি কন্টেন্ট তৈরি করলেই সেটা অডিয়েন্স গ্রহণ করবে এমনটি কিন্তু নয়, আপনাকে যেকোনো কন্টেন্ট তৈরি করার আগে ভেবে নিতে হবে সেখানে আপনি কতটা ভ্যালু এড করতে পারবেন। আপনি যখন সঠিক মাত্রায় ভ্যালু এড কর‍তে পারবেন তখনই সেটা বিপুল অডিয়েন্সদের মধ্যে গ্রহনযোগ্যতা লাভ করবে।

১. নির্দিষ্ট বিষয়ে ফোকাস করা:
অনেক গুলো বিষয় একসাথে না নিয়ে এসে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে ফোকাস করুন। আপনি সেই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিন যেটা আপনি ভাল জানেন এবং যেটাতে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। ধরুন আপনি মধুর গুনাগুন নিয়ে ধারণা রাখেন সেক্ষেত্রে আপনি এই বিষয়ের উপরই সর্বোচ্চটা দেয়ার চেষ্টা করুন। একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সমস্যা সমাধান করুন।

২. প্রফেশনালদের সাহায্য নেয়া:
আপনার ব্র‍ান্ড ইমেজ তৈরি করতে সব সময় একাই সব করবেন বা আপনাকেই এক্সপার্ট হতে হবে এমনটি নয়। প্রয়োজনে প্রফেশনাল কন্টেন্ট তিজাইনার নিয়োগ দিন বা পরামর্শ নিন। যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রতিযোগিতা খুব বেশি সেহেতু ঝুঁকি না নিয়ে এক্সপার্টদের সাহায্য নেয়াই ভাল। তবে শুরুটা যেভাবে আছে শুরু করতে পারেন।

৩. ধৈর্য রাখুন:
কখনো অধৈর্য হওয়া যাবে না, আপনি সব সময় দ্রুত সফলতা পেয়ে যাবেন এমনটি কিন্তু নয়। আপনাকে সময় দিতে হবে, জানতে হবে, ভুল করতে হবে এবং ভুলের কারণ গুলো খুঁজে বের করতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদি সফলতার জন্য আপনাকে লেগে থাকতে হবে।

৪. পদক্ষেপ গুলো সংশোধন:
আপনার কোন কোন পদক্ষেপ ভুল হতেই পারে, এতে ভেঙে পড়ার কিছু নেই। আবার ফিরে যান নতুন করে ভাবুন এবং সমস্যা খুঁজে বের করুন, সংশোধন করে ধারণা গুলো পুনরায় প্রয়োগ করুন।

৫. নিজের জন্য উপযুক্ত কন্টেন্ট নির্বাচন:
আমরা জানি বর্তমান সময়ে ইমেইজ, কপিরাইট এবং ভিডিও কন্টেন্ট বেশি জনপ্রিয়, তাই বলে আপনাকে সব গুলো তৈরি করতে হবে এমনটি কিন্তু নয়। আপনি এমন ফরমেট বাছাই করুন যা আপনি ভাল পারেন। আপনি কন্টেন্টে যত বৈচিত্র্যতা আনতে পারবেন সেটি তত বেশি অডিয়েন্সদের দৃষ্টিগোচর হবে।

৬. রিসার্চ করা:
অডিয়েন্সদের জন্য উপযুক্ত কন্টেন্ট নির্বাচনে রিসার্চের বিকল্প নেই। আপনাকে জানতে হবে অডিয়েন্সরা কি ধরনের কন্টেন্ট চায়, তারা এই মুহূর্তে কোন কোন বিষয়ে আগ্রহী। আর এসব কিছু জানতে আপনি কম্পিটিটর রিসার্চ করতে পারেন, কম্পিটিশন এনালাইসিস করতে পারেন অন্যদের কন্টেন্টে কি গ্যাপ আছে সেটা বের করতে পারেন।

৭. কন্টেন্ট স্ট্রেটেজি তৈরি করা:
কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ঢুকার আগে সব গুলো বিষয় সাজিয়ে নিন। কোন কাজটির পর কোন কাজটি করবেন নির্দিষ্ট করুন এবং একটি সঠিক স্ট্রেটেজি তৈরি করুন। প্রথমবার ব্যর্থ হলে পুনরায় স্ট্রেটেজি পরিবর্তন করুন।

৮. শেষ কথা:
হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট এবং সলিড কন্টেন্ট মার্কেটিং একটি দীর্ঘমেয়াদী বিষয় আপনি চাইলেই রাতারাতি কিছু করে ফেলতে পারবেন না। আপনাকে সফলতার জন্য লেগে থাকতে হবে এবং কাজ করে যেতে হবে।

আশা করছি এই মুহূর্তে আপনার কোন কন্টেন্ট গুলো তৈরি করা উচিত সে সম্পর্কে ভাল একটি ধারণা পেয়েছেন।

আমি চেষ্টা করছি কন্টেন্ট কি কি টাইপের হতে পারে এসব বিষয় নিয়ে একাধিক কন্টেন্ট তৈরি করতে। আপনাদের মতামতের উপর ভিত্তি করে শুরু করবো। সকলে মতামত জানাবেন এ বিষয়ে। ধন্যবাদ সবাইকে 😊🥰

01/11/2023

# কেমন ল্যান্ডিংপেজ আপনার সেল বাড়াবে ?

যেসব ল্যান্ডিং পেইজ থেকে বেশি সেল হয় সেসব ল্যান্ডিং পেইজগুলোকে ইংরেজিতে বলা হয় High Converting Landing Page. একটি হায় কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেইজ কিভাবে সাজাবেন-

আকর্ষনীয় হেডলাইনঃ আপনার কন্টেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হেডলাইনটি ল্যান্ডিং পেইজের শুরুতে দিয়ে দিন। এখানে আপনার কাস্টমারকে তার পেইন পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।

প্রথম সেকশনঃ প্রথম সেকশনেই আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত ভিডিওটি দিয়ে দিতে পারেন যেখানে প্রোডাক্ট সম্পর্কিত কাস্টমারের মনের সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়া থাকে। কেননা বেশিরভাগ ভিজিটর নিচের দিকে স্ক্রল করতে চায় না। শুধুমাত্র তখনই স্ক্রল করবে যখন কাস্টমার আরো জানতে আগ্রহী হবে। তাই প্রথম সেকশনে আপনার হায় ভোল্টেজ কন্টেন্টগুলো দিয়ে দিন।

মোবাইল ফ্রেন্ডলিঃ বাংলাদেশের বেশিরভাগ কাস্টোমার মোবাইল দিয়ে ল্যান্ডিং পেইজ ভিজিট করে। তাই ল্যান্ডিং পেইজ ডিজাইনের সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন মোবাইল রেসপন্সিভ হয়েছে কিনা। কম্পিউটার আর মোবাইলে ভিউ এক হয় না। মোবাইলের জন্য রেসপন্সিভ করে নিতে হয়।

কোয়ালিটি মেইন্টেইনঃ ল্যান্ডিং পেইজে ব্যবহারিত ছবি, ভিডিওগুলো অবশ্যই হায় কোয়ালিটি রাখার চেষ্টা করবেন যেনো এগুলো দেখলে আপনার প্রোডাক্ট এর কোয়ালিটি সম্পর্কে ভালো ধারণা জন্মে।

বিশ্বস্ততা অর্জনঃ অনলাইনে কোনো কিছু অর্ডার করতে গেলে সবার প্রথমে মাথায় প্রশ্ন আসে প্রোডাক্ট ভালো হবে কিনা? ছবির সাথে প্রোডাক্টের মিল থাকবেতো? কাস্টোমারের এসব কনফিউশন দূর করতে ল্যান্ডিং পেইজে আপনার কাস্টোমারদের কিছু রিভিউ দিয়ে দিবেন। তাদের রিভিউগুলো দেখে তারা নিশ্চিন্তে অর্ডার করতে পারবে।

লোডিং স্পিডঃ আপনার ল্যান্ডিং পেইজ যদি লোড হতে বেশি সময় নেয় তাহলে বেশিরভাগ মানুষই ভিজিট না করে ফিরে যাবে। এজন্য ল্যান্ডিং পেইজের লোডিং স্পিড যত বেশি হবে ততোই ভালো।

সিম্পল রাখুনঃ ল্যান্ডিং পেইজে অযথা বেশি বেশি কন্টেন্ট রাখবেন না। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো রাখার চেষ্টা করবেন। অতিরিক্ত কালার ব্যবহার না করে সর্বোচ্চ দুইটা কালার ব্যবহার করবেন। প্রাইমারি কালার হিসেবে আপনার ব্রান্ড কালার ব্যবহার করবেন। তাহলে দেখতে সুন্দর লাগবে।

এভাবে ল্যান্ডিং পেইজ ডিজাইন করলে আশা করি আপনার সেল বাড়বে। নিজে যতটুকু জানি সেটা আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করলাম। আশা করি কিছুটা হলেও আপনাদের উপকারে আসবে। ল্যান্ডিং পেইজ সম্পর্কে আরো সাজেশন থাকলে কমেন্টে জানান । এতে করে আমরা সবাই সেটা জানতে পারবো।

01/11/2023

ডোমেইন হোস্টিং কী😬?

১) ডোমেইন কি ?
ওয়েরসাইট তৈরী করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম দিতে হবে। আর ওয়েবসাইটের সেই নামকেই বলা হয় ডোমেইন। যে নামের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট লোকজন খুজে পাবে সেটাই হলো ডোমেইন। যেমন আমরা ফেইসবুক কে খুজে পাই www.facebook.com দিয়ে। গুগল কে অমারা খুজেপাই www.google.com দিয়ে। যে নাম দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট একজন লোক ভিজিট করবে সেটাই হলো আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন । ডোমেইন শুধুমাত্র .com দিয়েই হবে সেরকম নয়, বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন লোকজন ব্যবহার করে। ব্যবসা বা সাধারন ব্যবহারের জন্য সবাই .com ই ব্যবহার করে। তবে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটের জন্য লোকজন বিভিন্ন ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করে যেমন: অরগানাইজেশনের জন্য .org, নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য .net যেমন webhostbd.net, ইনফরমেশন সাইটের জন্য .info ইত্যাদিসহ আরও অনেক ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা হয়।
২) হোস্টিং কি ?
অনেকেই ডোমেইন কি তা জানেন কিন্তু হোস্টিং কি তা জানেন না। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম কিনলেন। আপনার ওয়েবসাইট কে এমন একটা পিসি তে রাখতে হবে যেটা ২৪ ঘন্টা এবং বছরে ৩৬৫ দিন অন থাকবে। সবসময় চালু থাকে এমন একটা পিসিতে আপনার ওয়েবসাইট রাখার সুবিধা দিয়ে থাকে হোস্টিং কোম্পানীগুলো। হোস্টিং কোম্পানীগুলো মাসিক বা বাৎসরিক টাকার বিনিময়ে এ সার্ভিস দিয়ে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানী বিভিন্ন ধরনের মূল্যে হস্টিং প্রভাইড করে। বাংলাদেশে আপনাকে হোস্টিং নিতে হলে বিভন্ন কোম্পানীকে বিভিন্ন ধরনের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তাদের পিসি থেকে নিদৃস্ট পরিমান জায়গা আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে।আর আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যে জায়গাটা কিনবেন সেইট হলো হোস্টিং।আপনি চাইলে আপনার বাসার পিসিতেও আপনার ওয়েবসাইট রাখতে পারেন কিন্তু আপনার বাসার পিসি কি ২৪ ঘন্টা ৩৬৫ দিন চালু থাকে? আপনি আপনার পিসিতে ওয়েবসাইট রাখলে আপনার কম্পিউটার বন্ধ বা ইন্টারনেট সংযোগ না থকলে আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পারবে না।আপনি যে পিসিতে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করবেন সেটা সবসময় চালু থকতে হবে। আপনার সাইট হোস্ট করা পিসি চালু থাকলেই আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।
এছাড়াও বিস্তারিত জানতে চাইলে গুগলে সার্চ করে জানতে পারেন। এটা যে কোন বিষয় হতে পারে। ধন্যবাদ। 🌚

22/08/2023

ওয়েবসাইট কি?

ওয়েবসাইট বলতে বোঝায়, কোন নির্দিষ্ট ওয়েব সার্ভারে রাখা- ওয়েব পেজ,ভিডিও,অডিও,ছবি বা যে কোন ধরণের তথ্য যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। আমরা যখন আমাদের ব্রাউজার থেকে কোন ওয়েবসাইট কে অ্যাক্সেস করার চেষ্টা করি, তখন সার্চকৃত ওয়েবসাইটটি কোন ওয়েবসার্ভার থেকে HTTP (Hypertext Transfer Protocol) এর মাধ্যমে সমস্ত ফাইলকে একত্রে করে একটি HTML ডকুমেন্ট আকারে ওয়েব ব্রাউজারে আমাদের সামনে প্রদর্শন করে তাকে ওয়েবসাইট বলে।

সাধারণভাবে একটি ডোমেইন এর অধীনে একাধিক ওয়েবপেজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে। আবার ডোমেইনের মাধ্যমে দেখার যোগ্য ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা ছবি, অডিও ও ভিডিও ওয়েব পেজ, ডেটাবেজ ফাইল এবং অন্য সকল তথ্যের সমষ্টিকে একসাথে ওয়েবসাইটে বলা হয়। সমস্ত উন্মুক্ত ওয়েবসাইট গুলো কে সমষ্টিগতভাবে WWW (World-Wide-Web) বা বিশ্বব্যাপী জাল নাম দেওয়া হয়। ওয়েবসাইটে প্রথম ঢুকলে যে পেজটি প্রদর্শিত হয় সেটিকে হোমপেজ বলা হয়। ওয়েবসাইট যেখানে হোস্ট করা হয় তাকে ওয়েবসার্ভার বলা হয়।

কেন আপনার একটি ওয়েবসাইট প্রয়োজন ?
আপনার যদি নিজের কোনো ব্যবসা থাকে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা উচিত। আর যেকোনো প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থাকা তো বর্তমানে একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে গিয়েছে।
ওয়েবসাইট কি তা তো জানলাম। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেনো আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন।

পণ্য বিক্রয়ে সহায়তা
অধিকাংশ মানুষ কোনো পণ্য ক্রয়ের আগে সে পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ইন্টারনেটে একবার হলেও ঢুঁ মেরে আসে। প্রতি ৫জন কনজ্যুমার এর মধ্যে ৪জন কনজ্যুমার স্থানীয় তথ্যের জন্য সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে।
এসব সার্চকে সাধারণ সার্চ ভেবে বোকামি করবেন না। কেননা মোবাইল ডিভাইসে সংঘটিত ৮৮% স্থানীয় ব্যবসা সম্পর্কিত সার্চ ২৪ঘন্টার মধ্যে সেলে পরিণত হয়ে থাকে। আপনার ব্যবসার সেবা বা পণ্য সমুহের উল্লেখ করে যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে, সেক্ষেত্রে কনজ্যুমারগণ খুব সহজেই আপনার পণ্য বা সেবা খুঁজে পাবে।

ডিজিটাল বিজনেস কার্ড
অনেক মানুষ বর্তমানে তাদের সময়ের বেশিরভাগ অংশ ইন্টারনেট ব্রাউজ করে কাটায়। কোনো ব্যবসার প্রতিনিধি হিসাবে আপনার ফোকাস থাকা উচিত মানুষজন যেখানে তাদের সময় ব্যয় করে সেখানে। আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যাতে সবাই বেশ সহজেই জানতে পারে তার সুযোগ প্রদান করে ওয়েবসাইট।

একটি ওয়েবসাইট কি শুধুই একটি ভার্চুয়াল পেজের সমাহার? না । এটি একটি প্রতিষ্ঠান বা একজন ব্যক্তির জন্য ডিজিটাল বিজনেস কার্ড এর মত কাজ করে। কন্টাক্ট ইনফরমেশন, কর্মীদের তথ্য, প্রদত্ত সেবা, অফার, ইত্যাদিসহ যেকোনো ধরনের তথ্য আপনার ওয়েবসাইটে দেওয়ার মাধ্যমে পুরো বিশ্বের কাছে খুব সহজেই আপনি বা আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তুলে ধরতে পারবেন।

সার্চ ইঞ্জিনে উপস্থিতি
মানুষজন কিন্তু শুধুমাত্র তাদের পছন্দের ব্যবসা খুঁজে পেতে ইন্টারনেট ব্রাউজ করেনা। লোকজন সার্চ ইঞ্জিন, যেমনঃ গুগল, বিং, ইত্যাদি ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু বের করে। ৯৩ শতাংশ অনলাইন অ্যাক্টিভিটি শুরু হয় সার্চের মাধ্যমে। আবার এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক সার্চ হয়ে থাকে শুধুমাত্র স্থানীয় ব্যবসা সম্পর্কিত।

বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপন
আপনার ব্যবসা বা সেবা নিয়ে আপনি কতোটা সিরিয়াস, সে সংখ্যায় একটি বিশাল অবদান রাখে ওয়েবসাইট। কোনো কনজ্যুমারকে কোনো পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী করতে ফার্স্ট ইম্প্রেশন খুবই জরুরি। ৫৭শতাংশ মানুষ ভালো ওয়েবসাইট নেই এমন ব্যবসা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে।
একটি প্রফেশনাল ডিজাইন এর মানসম্মত ওয়েবসাইট যা খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়, সকল ব্যবসার এমন একট ওয়েবসাইট থাকা জরুরি। কনজ্যুমারগণ এমন ওয়েবসাইট আছে সে ধরনের ব্যবসার উপর বিশ্বাস স্থাপনে অধিক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। একটি ওয়েবসাইট কি সত্যিই একটি ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিকে উপস্থাপন করে? সে ব্যাপারেও নজর দিতে হবে।

গুগল সার্চ
আপনি যদি একটি স্থানীয় ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন, তাহলে আপনার ব্যবসার অবস্থানের আশেপাশের মানুষজন আপনার প্রধান কনজ্যুমার হবে। এই কাজটি আরো সহজ করে দেয় গুগল সার্চ। আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত অধিক সার্চ করা কিওয়ার্ডে আপনার সাইট র‍্যাংক না করলে, চিন্তার কোনো কারণ নেই।
কোনো কনজ্যুমার যখন গুগলে কোনো নির্দিষ্ট পণ্য বা ব্যবসা সম্পর্কিত সার্চ করে, তখন ওই কনজ্যুমারের অবস্থানের উপর নির্ভর করে তার আশেপাশের ব্যবসাসমূহকে সর্বপ্রথমে সাজেস্ট করা হয় গুগল সার্চে। এর ফলে খুব সহজেই স্থানীয় ব্যবসা হিসেবে আপনি গ্রো করতে পারেন গুগল সার্চে নিজের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে।

২৪X৭ খোলা
আপনার ব্যবসা দিনের নির্দিষ্ট সময় বন্ধ থাকলেও আপনার ওয়েবসাইট কিন্তু ২৪ঘন্টা ৭দিন খোলা থাকে। যার ফলে আপনি যখন কাস্টমারদের সাথে কথা বলার জন্য থাকেন না, তখন এই দায়িত্ব পালন করতে পারে আপনার ওয়েবসাইট। এর ফলে কেউ যখন আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়, তখন আপনি আশেপাশে রেসপন্স করার জন্য না থাকলেও আপনার ওয়েবসাইট জরুরি সকল তথ্য প্রদান করে। এছাড়াও ওয়েবসাইট কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ বা অর্ডার নেওয়ার মাধ্যম হিসাবেও ব্যবহার করা যায়।

প্রতিযোগিতা
বর্তমানে প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক। মাত্র ৩৬শতাংশ ছোট ব্যবসার নিজস্ব কোনো ওয়েবসাইট নেই। তার মানে আপনার ওয়েবসাইট না থাকলেও, খুব সম্ভবত আপনার প্রতিযোগীর একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। এর মানে একই ব্যবসা করেও অনলাইনে কনজ্যুমারগণ আপনাকে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ থাকছেনা, আর অন্যদিকে আপনার প্রতিযোগী এর সুবিধা ভোগ করছে। তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলেও অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা জরুরি।

অনলাইন স্টোর
ইকমার্স বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় হট টপিক। আপনি যে ধরনের পণ্য বিক্রি করে থাকুন না কেনো, অনলাইনে আপনার পণ্য ক্রয়ের সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে অর্ডার নেওয়ার মাধ্যমে ঘরে বসেই কাস্টমার আপনার সাথে সংযুক্ত হতে পারছে ও আপনার ব্যবসার উন্নতি হচ্ছে।

ব্র‍্যান্ড ইমেজ বৃদ্ধি
অবশ্যই! আপনার ব্যবসা সম্পর্কে কোনো ব্যক্তি জানার পর সর্বপ্রথম ইন্টারনেটে সার্চ করবে। এখন এই ক্ষেত্রে সার্চ এর জবাব দিতে যদি আপনার ওয়েবসাইট থাকে, তাহলে ব্যাপারটি আপনার ও কনজ্যুমার, উভয়ের জন্যই সহজ হয়ে যায়।

ফেসবুক বা গুগল মাই বিজনেস এর মত সেবাতে আপনার ব্যবসা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও একটি ওয়েবসাইট থাকার মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রফেশনালিজম প্রকাশ পায়। যার ফলে কনজ্যুমারগণ খুব সহজেই আপনার ব্যবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।
লেখাটা কেমন লেগেছে নিচের কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। আমার কাছে আপনার কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন ধন্যবাদ

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Hazaribag
Dhaka
1211