Raqi Mufti Ruhul Amin
জীন ও জাদুর সকল প্রকার সমস্যার জন্য পরামর্শ নিতে ইনবক্স বা হোয়াটসঅ্যাপ এ নক করুন।
14/03/2026
বদনজর (নজর/হাসাদ) মানুষের জীবনে কী ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে?
ইসলামে বদনজর একটি বাস্তব বিষয়। অনেক সময় মানুষের ঈর্ষা, অতিরিক্ত প্রশংসা বা কু-দৃষ্টির কারণে আল্লাহর অনুমতিতে মানুষের জীবনে নানা ধরনের অস্বাভাবিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। রাসূল ﷺ বলেছেন, “নজর সত্য।” — (সহীহ হাদীস)
নিচে সামাজিক, পারিবারিক ও আর্থিক জীবনে বদনজরের সম্ভাব্য কিছু প্রভাব তুলে ধরা হলো।
১. সামাজিক জীবনে প্রভাব
হঠাৎ মানুষের সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাওয়া
বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথে অকারণে দূরত্ব সৃষ্টি হওয়া
মানুষ অপছন্দ করতে শুরু করা বা ভুল বোঝাবুঝি বাড়া
সম্মান বা সামাজিক অবস্থান কমে যাওয়া
মানুষের সামনে নিজেকে দুর্বল বা ব্যর্থ মনে হওয়া
২. পারিবারিক জীবনে প্রভাব
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে অকারণ ঝগড়া ও মনোমালিন্য
পরিবারের সদস্যদের মাঝে অশান্তি বৃদ্ধি
সন্তানদের অবাধ্যতা বা অস্বাভাবিক আচরণ
ঘরে শান্তি না থাকা, সবসময় টেনশন বা বিরক্তি
ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ধীরে ধীরে কমে যাওয়া
৩. আর্থিক ও কর্মজীবনে প্রভাব
হঠাৎ রিজিক কমে যাওয়া বা ব্যবসায় ক্ষতি হওয়া
ভালো কাজ বা সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাওয়া
কাজের মধ্যে বারবার বাধা বা ব্যর্থতা
পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছুই ঠিকমতো না হওয়া
উপার্জন থাকলেও বরকত না থাকা
৪. ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব
অকারণ ক্লান্তি, হতাশা বা মন খারাপ
মাথা ব্যথা, শরীর ভারী লাগা
গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে ইচ্ছা না হওয়া
ঘুমের সমস্যা বা অস্থিরতা
করণীয়ঃ
বদনজর থেকে বাঁচার জন্য ইসলাম আমাদের কিছু আমল শিখিয়েছে—
নিয়মিত সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়া
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দোয়া পড়া
আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা
নিজের ও পরিবারের উপর কুরআনের আয়াত পড়ে দম করা
নিয়মিত রুকইয়াহ করা
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সব কিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় ঘটে। তাই ধৈর্য, তাওয়াক্কুল এবং আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বদনজর, হাসাদ ও সব ধরনের অকল্যাণ থেকে হেফাজত করুন। আমীন। 🤲
#বদনজর
#হাসাদ
#হিংসা
#জ্বীন
#জাদু
#নূর_ই_শিফা_রুকইয়াহ
10/03/2026
আপনারা এই পোস্টারটি সেভ (Save) করে রাখতে পারেন এবং আপনার পরিচিতদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি শেয়ারে কোনো বিপদগ্রস্ত ভাই বা বোন সঠিক সমাধান খুঁজে পাবেন।
💡 যেকোনো পরামর্শ বা রুকইয়াহর বিষয়ে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন:
👤 রাক্বী মুফতি রুহুল আমিন
🎓 রুকইয়াহ কানসালটেন্ট এন্ড ইনস্টাক্টর
🏥 নূর-ই শিফা রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট
📞 মোবাইল: 01618649106
#নূর_ই_শিফা_রুকইয়াহ #মুফতি_রুহুল_আমিন
06/03/2026
আশিক ও খাদিম জ্বীন শরীরে লুকিয়ে থাকার স্থান: লক্ষণ ও প্রতিকার
অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় মেডিকেল রিপোর্টে কোনো রোগ ধরা পড়ছে না, কিন্তু তারা দীর্ঘকাল ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রচণ্ড কষ্ট পাচ্ছেন।
আধ্যাত্মিক চিকিৎসা বা রুকইয়াহ (Ruqyah) বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা গেছে, আশিক জ্বীন (যারা প্রেমে পড়ে শরীরে আসে) এবং খাদিম জ্বীন (যারা জাদুর মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে) শরীরের নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে তাদের আস্তানা বা 'হুসুন' (দুর্গ) তৈরি করে।
সংলগ্ন ছবিটিতে সেই সম্ভাব্য আস্তানাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত লক্ষণ ও বাঁচার উপায় আলোচনা করা হলো:
⚠️ প্রধান শারীরিক ও মানসিক লক্ষণসমূহ:
১. মস্তিষ্ক ও ঘাড় (চিন্তা ও নিয়ন্ত্রণ):
* অকারণ অতিরিক্ত রাগ, বিষণ্ণতা এবং সবসময় মাথায় কুচিন্তা আসা।
* ঘাড় ও দুই কাঁধের মাঝখানে সবসময় ভারী ভাব বা পাথর চেপে থাকার মতো ব্যথা অনুভব করা।
২. বুক ও হৃদপিণ্ড (আবেগ ও ভয়):
* সন্ধ্যার পর বা নির্জনতায় বুকের ভেতর প্রচণ্ড দম বন্ধ ভাব বা অস্থিরতা লাগা।
* অকারণ হার্টবিট বেড়ে যাওয়া বা অহেতুক ভয়ের অনুভূতি।
৩. পাকস্থলী ও নাভি (জাদুর কেন্দ্র):
* পেটের ভেতর গোল্লা পাকানো বা কোনো কিছু নড়াচড়া করার অনুভূতি।
* গ্যাসের সমস্যা যা কোনো ওষুধে কমে না এবং নাভির চারপাশে চিনচিন করা ব্যথা।
৪. হাতের তালু, বাহু ও আঙুল (হুসুন/দুর্গ):
* ঘুমের মধ্যে হাত শক্ত করে মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা বা হাত অসার হয়ে যাওয়া।
* আঙুলের গিঁটগুলোতে ব্যথা বা রুকইয়াহ শুনলে হাতের আঙুলে ঝিঁঝিঁ ধরা।
৫. প্রজনন অঙ্গ ও কোমর (আশিক জ্বীনের আস্তানা):
* ঘুমের মধ্যে নোংরা বা কামোদ্দীপক স্বপ্ন দেখা (সপ্তাহে একাধিকবার)।
* দীর্ঘস্থায়ী কোমরের ব্যথা এবং বিয়ের নাম শুনলে বা সঙ্গীর প্রতি অকারণে ঘৃণা তৈরি হওয়া।
৬. পা ও গোড়ালি (পালানোর পথ):
* রুকইয়াহ বা কোরআন তেলাওয়াত শুনলে পায়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া বা পায়ের আঙুল দিয়ে গরম ভাব বের হওয়া।
🛡️ মুক্তি ও সুরক্ষার উপায়:
✅ পাঁচ ওয়াক্ত নামায: এটি মুমিনের সবচেয়ে বড় ঢাল। বিশেষ করে ফজর ও এশার নামায জামাতে পড়ার চেষ্টা করুন।
✅ সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন দোয়া: হিসনুল মুসলিম বা নির্ভরযোগ্য বই থেকে সকাল-সন্ধ্যার জিকির ও দোয়াগুলো নিয়মিত পড়ুন।
✅ সূরা বাক্বারা: ঘরে নিয়মিত সূরা বাক্বারা তিলাওয়াত করুন অথবা সাউন্ড বক্সে বাজিয়ে রাখুন।
✅ রুকইয়াহ বাথ ও অয়েল: অলিভ অয়েলের ওপর রুকইয়ার আয়াত পড়ে চিহ্নিত স্থানগুলোতে (যেমন ঘাড়, কোমর, হাত-পা) প্রতিদিন ঘুমানোর আগে মাসাজ করুন।
✅ শিরকমুক্ত চিকিৎসা: কোনো ভণ্ড কবিরাজ বা তান্ত্রিকের কাছে গিয়ে তাবীজ বা কুফরি চিকিৎসা করবেন না। নির্ভরযোগ্য 'রাক্বী' (যিনি কোরআন দিয়ে চিকিৎসা করেন) এর পরামর্শ নিন।
> বিঃদ্রঃ সুস্থতা দেওয়ার একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ। কোরআন হচ্ছে মুমিনদের জন্য শিফা বা আরোগ্য। অবহেলা না করে সঠিক উপায়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান।
#রুকইয়াহ #আশিকজ্বীন #জ্বীন #সচেতনতা #ইসলামিকচিকিৎসা
আজ বিকাল ৩ টায় জ্বীন,জাদু ও বদনজের রোগীদের জন্য ফ্রী অনলাইন রুকইয়াহ সেশন।
আগ্রহীগন কমেন্ট চেক করুন।
13/10/2025
🌙 বদনজর (Evil Eye) এর সকল লক্ষণ — জানলে সাবধান হও! 👁️🕋
🪞 বদনজর মানে এমন এক অদৃশ্য দৃষ্টি,
যা হিংসা, প্রশংসা বা ঈর্ষার আগুন থেকে বেরিয়ে অন্যের জীবনে বিপর্যয় নামায়।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
> "العين حق"
> “বদনজর সত্য।” — (সহিহ মুসলিম)
-
⚡ বদনজরের সাধারণ লক্ষণসমূহ 👇
🔹 ১. হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া:
কোন কারণ ছাড়াই হঠাৎ মাথা ব্যথা, জ্বর, দুর্বলতা, বমি বা গা ঝিমঝিম।
🔹 ২. হঠাৎ চেহারার পরিবর্তন:
মুখ মলিন হয়ে যাওয়া, চেহারায় ক্লান্তি বা কালচে ভাব চলে আসা।
🔹 ৩. চোখ ভারী লাগা বা অন্ধকার দেখা:
যেন চোখে ধোঁয়া বা ঘোরাচ্ছে এমন অনুভূতি হয়।
🔹 ৪. মন খারাপ ও উদ্বেগ:
আনন্দময় অবস্থায় থেকেও হঠাৎ মন ভার হয়ে যাওয়া, বিষণ্ণতা বা কান্না চলে আসা।
🔹 ৫. ঘুমের সমস্যা:
রাতে ঘুম না আসা, দুঃস্বপ্ন দেখা, ভয় পাওয়া বা বারবার চমকে জেগে ওঠা।
🔹 ৬. খাওয়ায় অনীহা:
খাবার দেখলে বমি ভাব, মুখ শুকিয়ে যাওয়া বা ক্ষুধা হারানো।
🔹 ৭. কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ হারানো:
হঠাৎ অস্থিরতা, মনোযোগের ঘাটতি, বারবার ভুল হওয়া।
🔹 ৮. অর্থ বা জীবিকা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া:
ভালো চলা ব্যবসা বা চাকরিতে হঠাৎ ক্ষতি, দরজা বন্ধ মনে হওয়া।
🔹 ৯. সম্পর্ক নষ্ট হওয়া:
অকারণে দাম্পত্য কলহ, পারিবারিক দূরত্ব, ভালো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া।
🔹 ১০. দেহে গরম, জ্বালাপোড়া বা কাঁপুনি:
রুকইয়াহ চলাকালীন গায়ে হালকা আগুন বা তাপের অনুভূতি হয়।
🔹 ১১. বাচ্চাদের মধ্যে লক্ষণ:
হঠাৎ কান্না শুরু করা, বুক ধড়ফড়, খেতে না চাওয়া, ঘুম না হওয়া, ভয় পাওয়া।
💠 বিশেষ লক্ষণ (রুকইয়াহ চলাকালীন):
* আয়াত পড়লে শরীরে ভারী চাপ অনুভব হওয়া।
* চোখে পানি আসা বা ঘুম পেয়ে যাওয়া।
* বুক ভারী লাগা বা বমি ভাব আসা।
* শরীর কাঁপা, হাই তোলা, বা হঠাৎ হালকা মাথাব্যথা শুরু হওয়া।
🌿 সমাধান কী হবে?
✅ প্রতিদিন সকাল ও রাতে সূরা ফালাক, নাস, ইখলাস, আয়াতুল কুরসি, সূরা কালাম (৬৮:৫১–৫২) পাঠ করুন।
✅ ৭ বার “আউজু বি কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক” পাঠ করুন।
✅ নিয়মিত রুকইয়াহ করুন বা অভিজ্ঞ রাক্বীর পরামর্শ নিন।
✅ নিজের প্রশংসা শুনে “মাশাআল্লাহ, লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” বলা অভ্যাস করুন।
✨ সংক্ষিপ্ত বার্তা:
> বদনজর শুধু দৃষ্টির নয়, মন থেকেও আসে।
> তাই হৃদয় পরিষ্কার রাখো, অন্যের ভালো দেখে “মাশাআল্লাহ” বলুন 🌿
> আর নিজেকে আল্লাহর নূরে সুরক্ষিত রাখুন 💫
#বদনজর #রুকইয়াহ #আল্লাহুরনূর
07/10/2025
🕋 জিন ও যাদুর রোগী যে কারণে সুস্থ হয় না
🩸 ১. ঈমান ও তাওয়াক্কুল দুর্বল থাকা
রোগী বা পরিবার আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা না রেখে রাক্বী, তাবিজ, বা ওষুধের উপর নির্ভর করে।
আল্লাহর উপর আস্থা না থাকলে শিফা আসে না।
🌿 আয়াত:
“আর যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তিনি তার জন্য যথেষ্ট।”
— সূরা আত-তালাক (৬৫:৩)
🕯️ ২. গুনাহে লিপ্ত থাকা
নামাজ না পড়া, হারাম গান, সিনেমা, পর্দাহীনতা, বা যিকিরহীন জীবন।
জ্বীন এসব পাপের সুযোগে শরীরে পুনরায় প্রবেশ করে।
🌿 পাপ হল জ্বীনের জন্য দরজা খোলা রাখার মত।
🔮 ৩. জাদুর নবায়ন বা পুনরায় পাঠানো (Renewal)
অনেক সময় যাদুকর পুনরায় সেই রোগীর নামে নতুন জাদু চালান করে।
বিশেষত ফোন, ছবি, পোশাক, বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহৃত জিনিসের মাধ্যমে নবায়ন ঘটে।
ফলে আগের রুকইয়াহর প্রভাব নষ্ট হয়ে যায়।
🧩 ৪. রোগীর আত্মিক অনুশাসন মানা হয় না
রাক্বী যেভাবে আমল বা রুকইয়াহ জল/তেল ব্যবহারের নির্দেশ দেন, তা সঠিকভাবে মানা হয় না।
অনেকে অর্ধেক শুনে চিকিৎসা বন্ধ করে দেয় বা অবহেলা করে।
🧿 ৫. নজর (Evil Eye) বা হাসাদ থেকে সুরক্ষা না নেওয়া
রুকইয়াহর মাধ্যমে যাদু দূর হলেও যদি নজরের সমস্যা থাকে, রোগী আবার দুর্বল হয়ে পড়ে।
প্রতিদিনের সুরার (আল-ইখলাস, আল-ফালাক, আন-নাস, আয়াতুল কুরসি) আমল না করলে নজর পুনরায় আক্রমণ করে।
🕳️ ৬. ঘরের পরিবেশে হারাম জিনিস থাকা
ঘরে গান, টিভি, ছবি, ভাস্কর্য, বা ঝুলন্ত প্রাণীর ছবি থাকলে ফেরেশতা প্রবেশ করে না।
ফেরেশতা না থাকলে শয়তান ও জ্বীন ঘরে অবস্থান নেয়।
🌿 হাদীস:
“যে ঘরে কুকুর বা জীবন্ত প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করে না।” (বুখারী, মুসলিম)
⚡ ৭. রুকইয়াহ চলাকালে ভয় বা সন্দেহ
“আমি সুস্থ হব না”, “আমার উপর শক্ত জাদু” — এসব ভয় এবং সন্দেহ ইমানের দুর্বলতা তৈরি করে।
ভয় হল জ্বীনের খাদ্য; ভয় যত বাড়ে, জ্বীন তত শক্তিশালী হয়।
🌑 ৮. যাদুর চুক্তি বা খাদেম এখনো সক্রিয়
অনেক সময় যাদুর খাদেম (জাদুর রক্ষাকারী জ্বীন) সম্পূর্ণ ধ্বংস না হয়ে লুকিয়ে থাকে।
এতে রোগী মাঝে মাঝে ভালো থাকে, আবার খারাপ হয়।
এ ক্ষেত্রে “তাদমিরী রুকইয়াহ” (ধ্বংসাত্মক রুকইয়াহ) চালিয়ে যেতে হয়।
🪞 ৯. আত্মিক পরিশুদ্ধতা ও তাওবা না থাকা
রুকইয়াহর মূল শর্ত হলো হৃদয়ের তাওবা ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।
যদি গুনাহে অনুতাপ না থাকে, তবে শরীরে আল্লাহর নূর স্থায়ী হয় না।
শুনুন জ্বীন কি বলে!
শরীরে ১০ বছর অব্দি ৭ টা জ্বীন নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছে।
অথচ কত তাবিজ কবজ কত কি ব্যবহার করলো ফায়দা হলো না।
অবশেষে খবিস গুলো রুকইয়াহ'র মাধ্যমে কট খেলো। ☺️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
04/03/2026