DocTips
DocTips is one of the best healthcare platform in the country
21/04/2025
ম্যাসিভ ব্লাড লস 🔪🔪🔪🔪🔪
তীব্র রক্তক্ষরণ :
( সম্প্রতি ছুরিকাহত হয়ে নিহত হওয়া ভার্সিটি ছাত্রের রক্তক্ষরণ দেখে জাস্ট প্রফেশনাল মতামত, এই মতামত বা লিখনি কোনভাবেই বিচারিক কার্যক্রম বা আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নয়)
সাধারণত একজন ৭৫ কেজি ওজনের পুরুষের শরীরে ৫ লিটার আর ৬০ কেজি ওজনের মহিলার শরীরে ৩.৬ লিটার রক্ত থাকে।কোন কারনে ( এক্সিডেন্ট, আঘাত, জখম, ছুরিকাহত) মোট রক্তের ৩০-৪৫% এর বেশি লস হলে রোগী শকে চলে যাবে এবং তা বেশ ভয়ংকর ও জীবননাশী।
কি কি লক্ষ্মণ দেখা দেয় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে :
🔺 ব্লাড প্রেসার কমে যাওয়া (
13/04/2025
নতুন চেম্বার :
বৃহস্পতিবার বিকাল হতে রাত ৮ টা,
শুক্রবার সকাল ৯ টা হতে দুপুর ১ টা।
রয়েল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হরিশ্চর চৌরাস্তা,
লালমাই, কুমিল্লা।
16/01/2025
ঘনঘন মাথাব্যথা 😟
দিনের বিভিন্ন সময় এবং প্রতিদিন হচ্ছে ঘনঘন মাথাব্যথা। চরম অস্বস্তি ও বেশ বিরক্তির সাথে কাটছে সময়গুলো। ফ্রেশ ফ্রেশ ভাব হচ্ছে না কিছুতেই আপনার।
জেনে নিন মাথাব্যথার কারনগুলো:
🌟 রক্তস্বল্পতা
🌟 পানিশুন্যতা
🌟 ঘুম কম হওয়া বা নিদ্রাহীনতা।
🌟 অতিরিক্ত কফি,চা, এলকোহল, পনির ইত্যাদি।
🌟 অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা স্ট্রেস।
🌟 মাসিকের সময়ের মাথাব্যথা।
🌟 হরমোনের তারতম্য।
🌟 সাইনাসের ইনফেকশন।
🌟 কিছু কিছু ওষুধের সাইড ইফেক্ট।
🌟নারীদের মেনোপজের সময়।
🌟 চোখের পাওয়ার সমস্যা।
🌟 দাঁত ও কানের ইনফেকশন।
🌟উচ্চরক্তচাপ।
🌟মাইগ্রেন।
🌟হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা ডায়াবেটিস এর মাত্রা কমে আসা।
🌟প্রেগন্যান্সীর সময় প্রেসার বেড়ে যাওয়া।
🌟স্ট্রোক, মস্তিষ্কের টিউমার ও মাথার আঘাত।
এছাড়াও অনেকের শব্দ দূষণ, তীব্র গন্ধ, বিভিন্ন পারফিউম এমনকি তীব্র আলোতে মাথাব্যথা হতে পারে।
মাথাব্যথার প্রকৃত কারন জেনে, রোগীর শারীরিক পরীক্ষানিরীক্ষা এবং প্রয়োজনে এক্সরে, সিটি স্ক্যান,এম আর আই সম্পাদন পূর্বক আস্থাভাজন চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। তাই অযথা ব্যথানাশক সেবন না করে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক জীবনাচরণ পরিবর্তন করে আসল কারন জেনে নিন এবং সেই মোতাবেক ফলোআপ এ থাকুন।
14/01/2025
হঠাৎ পুড়ে গেলে কি করবেন :
🌻 হালকা পুড়ে গেলে সেই স্থান ১৫-২০ মিনিট ধরে পানি ঢেলে ধুয়ে নিতে হবে, সম্ভব হলে টেপের পানির ( প্রবাহমান )নিচে রেখে আক্রান্ত অংশ ধুয়ে নিন।
🌻শরীরের পুড়ে যাওয়া অংশ বেশি হলে অনেকসময় ৩০ মিনিটের অধিক সময় ধরে ধুয়ে নিতে হবে, যতবেশি পরিস্কার পানি ব্যবহার করা যাবে তত ভাল।
🌻পরিস্কার কাপড় বা গজ পিস দিয়ে আক্রান্ত স্থান ঢেকে রাখতে পারেন যাতে বাহিরের ধুলাবালি না পড়ে।
🌻রোগী যদি খেতে পারে প্রচুর পরিমানে তরল খাবার, লেবুর শরবত , ডাবের পানি, ডিমের সাদা অংশ ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে।
🌻হাতের চুড়ি, বালা, আংটি, ব্রেসলেট, ঘড়ি দ্রুত খুলে নিন, পুড়ে ফুলে উঠার আগেই এসব খুলে নিতে হবে।
🌻ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামল বা ব্যথানাশক ( আইবোপ্রাফেন জাতীয় )সেবন করা যেতে পারে। বার্ন এর জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু মলম পাওয়া যায় প্রয়োজনে তা ব্যবহার করুন।
যা করা যাবেনা:🎯🚫🚭
🔹ক্ষতস্থানে বা পোড়া অংশে ডিম, টুথপেস্ট, তুলা, মলম বা ক্রিম, গোবর, লতাপাতার রস, চুলার মাটি, ছাই ইত্যাদি লাগাবেন না
🔹ফোসকা হলে তা ফুটো করবেন না, ইনফেকশন বেড়ে যাবে।
🔹দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে এবং বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক রোগীর শরীরের পুড়ার ব্যাপকতা ( ডিগ্রী )এবং ঝুকি নির্ণয় করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন
কখন হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে :🚑🚑🚑🚑🚑🚑🚑
সাধারণত অল্প পুড়ার ক্ষেত্রে বার্ন ড্রেসিংসহ অন্যান্য পরামর্শ দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় , কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি আবশ্যক এবং প্রয়োজনে বিশেষায়িত সেন্টারে রোগীকে রেফার করা লাগতে পারে।যখন অবশ্যই ভর্তি হতে হবে:
- মাথা, মুখমণ্ডল ,চোখ , গলা ও শ্বাসনালী পুড়ে গেলে
- হাত, পা, জয়েন্ট বা জয়েন্ট এর আশে পাশে তীব্র মাত্রায় পুড়ে গেলে
-নিতম্ব, যৌনাঙ্গ ও মলদ্বারের আশে পাশে পুড়ে গেলে
- শিশুদের ক্ষেত্রে > 10% বার্ন হলে
- বয়স্কদের ক্ষেত্রে >15% বার্ন হলে
-কেমিকেল বার্ন হলে
- ইনহেলেশান ইঞ্জুরি ( বাহির হতে পোড়া অংশ দেখা না গেলেও ধোয়ার কারনে শ্বাসকষ্ট হলে )
- ইলেক্ট্রিক বার্ন হলে যা চামড়ার নীচে ব্যাপক ক্ষতি করে যা ফলে
জটিলতা হয়ে রোগী মৃত্যুবরণ করতে পারে তাই এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই ভর্তি হয়ে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে
জটিলতা কি কি হতে পারে :
তা নির্ভর করে রোগীর অবস্থা ,আগুনের ব্যাপকতা ও কার্যকরী ফার্স্ট এইড সহ অন্যান্য চিকিৎসা যত দ্রুত শুরু করা যাবে তার উপর , এরপর ও শরীর হতে অতিরিক্ত আমিষ বের হয়ে যাওয়া, রক্ত ও পানিশুন্যতা, কিডনি বিকলতা, ফুসফুসের জটিলতা , সেপসিস সহ ইত্যাদি কিছু কারনে রোগী হ্ঠাৎ খারাপ হয়ে যেতে পারে বা বার্ন পরবর্তী অনেক জটিলতা দেখা দেয় যার জন্য সমন্বিত চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে।
Dr Ashiqur Rahman
08/01/2025
মেটা নিউমোভাইরাস
যা জানা জরুরী :
🤏ফুসফুসের বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণকারী ভাইরাস।
🤏অনেক পুরনো ভাইরাস। ২০০১ সালে প্রথম সনাক্ত হয় নেদারল্যান্ড এ।
🤏সাধারণত শীতকালে দেখা দেয় তবে ডিসেম্বর হতে এপ্রিলের মধ্যেও সংক্রমণ এর তথ্য রয়েছে।
🤏এক হতে পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের এই ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি হয়।
🤏শিশুদের জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদির অন্যতম কারন এই ভাইরাস।
🤏গবেষণায় দেখা যায় প্রায় শিশুর শরীরেই এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি রয়েছে।এন্ডিবডি থাকলেও বারবার ইনফেকশন হয়।
🤏এই ভাইরাসের দুইটি জেনো টাইপ ও সাব গ্রুপ রয়েছে।
🤏হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যেও এই ভাইরাস পাওয়া যায় (১০-১৫%)।
🤏 রক্তরোগ ও ক্যান্সার রয়েছে এমন রোগীদের ঝুঁকি বেশি।ডায়াবেটিস ও এইডস হলেও জটিলতা বাড়ে।
🤏ইয়ং, কর্মঠ ও বয়স্কদের মধ্যেও ছড়াতে পারে হাঁচি কাশির মাধ্যমে।যেমন টা শীতকালের অন্য ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
🤏 শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহ ( ব্রংকিওলাইটিস) ও নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী এই ভাইরাস।
🤏বয়স্কদের বারবার কাশি হওয়ার বা ভাইরাস সংক্রমণ হয় মেটানিউমোভাইরাসের কারনে।বছরে কয়েকবার আক্রান্ত হয় কেউ কেউ।
🤏 যেসব শিশুদের হার্টের দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের জটিলতা হয় বেশি।অপরিনত বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ হয় বেশি মাত্রায়।
🔦কি কি লক্ষ্মণ দেখা দেয় :
জ্বর,সর্দি, কাশি, নাক বন্ধ হওয়া, শ্বাসকষ্ট, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, অরুচি ইত্যাদি।
এখন করনীয় :
▪️লক্ষ্মণ দেখা দিলে আলাদা হয়ে থাকা
▪️নাক মুখ ঢেকে মাস্ক পরা।
▪️বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে হাত ধোয়া ও চর্চা করা।
▪️ব্যক্তিগত জিনিসপত্র শেয়ার না করা।
▪️শ্বাসকষ্ট বা বেশি খারাপ লাগলে আস্থাভাজন চিকিৎসক এর পরামর্শ নেওয়া।
আতংকিত না হয়ে সচেতন হউন।স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।
লক্ষ্মণ ভিত্তিক চিকিৎসাই মূল চিকিৎসা অদ্যাবধি।
ডা:মুহম্মদ আশিকুর রহমান
ভাইরোলজি বিভাগ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ।
06/01/2025
মানসিক সুস্থ্যতা:
আপনার মানসিক সুস্থ্যতার ব্যপ্তি জেনে নিন।
মানসিক সুস্থ্যতা এমন এক স্বাভাবিক অবস্থা যখন-
🔸প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের সম্ভাবনাসমূহ অনুধাবন করতে পারেন।
🔸জীবন চলার পথে স্বাভাবিক চাপসমূহ সামলাতে পারেন।
🔸উৎপাদনমুখী ও কল্যাণকর কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন।
🔸এবং নিজ এলাকার জনগোষ্ঠীর জন্য কোনভাবে অবদান রাখতে সক্ষম।
মানসিক রোগ ধরা হয় যখন -মানসিক প্রতিন্ধকতা এবং কতিপয় লক্ষ্মণ বা আচরণ যাহা বিভিন্ন প্রকার শারীরিক ও মানসিক অথবা উভয়ের সাথে সম্পর্কিত এবং যা ব্যক্তির স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধাগ্রস্ত করে।
04/01/2025
ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষ্মণ সমূহ :
🩸কোন কারন ছাড়াই ওজন অস্বাভাবিক কমে যাওয়া।
🩸চামড়ার নিচে লালচে হয়ে যাওয়া বা কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেওয়া।
🩸অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ।
🩸পেটে চাকা অনুভূত হওয়া বা ফুলে যাওয়া।
🩸রাতে এমন ঘাম হওয়া যাতে জামাকাপড় ভিজে যায়।
🩸শ্বাসকষ্ট ও বুকেব্যথা।
🩸অনবরত জ্বর যা সহজে সারেনা।
🩸গায়ে র্যাশ বা ছোট ছোট দানা হওয়া সাথে চুলকানি।
🩸শরীর ফ্যাকাশে হয়ে পড়া।
🩸অতিরিক্ত দূর্বলতা যা ঘুম বা রেস্ট নিলেও কমেনা।
🩸হাড়ে, জয়েন্টে ও পেটে ব্যথা।
🩸শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ বা বারবার সংক্রমণ হওয়া।
রক্তের ও হাড়ের রসের ( বোন মেরো) সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা করে ব্লাড ক্যান্সারের টাইপ নিশ্চিত হওয়া যায়।লক্ষ্মণ ও টাইপের উপর নির্ভর করে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করে নিতে হয়।
Dr Ashiqur Rahman
03/01/2025
পেপটিক আলসার
"গ্যাস্ট্রিক " এর সমস্যায় ভুগছেন?
কি কি লক্ষ্মণ দেখা দেয় :
🔹বারবার পেটের উপরের অংশে জ্বালাপোড়ার মত ব্যথা।
🔹বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত রাতে হয় এই ব্যথা তবে দিনেও দেখা দিতে পারে।
🔹খাবারের সাথে ব্যথা উঠার সম্পর্ক রয়েছে কিছুটা।খালিপেটে কারো কারো তীব্রভাবে দেখা দেয় বুক বা পেট জ্বালাপোড়া।
🔹ক্ষুধামন্দা বা বমি বমি ভাব
🔹কারো কারো বমি ও দেখা যায় কয়েকবার।
🔹ওজন কমে যায় যদি দীর্ঘমেয়াদী বা পাকস্থলীর শেষাংশে আলসার থাকে।
🔹কারো কারো কালো পায়খানা দেখা দেয়।
জটিলতা :⛔🚯🚫
▪️আলসার অন্য অর্গানে ছড়িয়ে পড়া বা অন্ত্র ফুটো হয়ে যাওয়া।
▪️হঠাৎ রক্তবমি।
▪️অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা।
▪️ক্যান্সারে রুপান্তর।
কি কি টেস্ট করতে হয় আলসার নির্নয়ের জন্য :
🧫🧫🧫🧫🧫🧫🧫
সাধারণত রক্তের নমুনায় এন্টিবডি, মল পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তবে সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য টেস্ট অদ্যাবধি -
এন্ডোসকপি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বায়োপসি ও কালচার করা হয়ে থাকে উন্নত, সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন সেন্টারে।
উল্লেখ্য, সাধারণত সকল আলসার বায়োপসি করে টিস্যু পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হয় ক্যান্সারের জীবানু আছে কিনা
যদি নিম্নোক্ত এলার্মিং লক্ষ্মণ থাকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন :🩺
১.গলাধঃকরণ এ সমস্যা বা ঢোক গিলতে সমস্যা।
২.ওজন দ্রুত কমে যাওয়া
৩.বারবার বমি
৪.তীব্র অরুচি বা ক্ষুধামন্দা
৫.রক্তবমি বা কালো পায়খানা।
শুরুতেই গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা নিলে "গ্যাস্ট্রিক" হতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। অযথা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করবেন না, কারন দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ওষুধের মারাত্মক সাইড ইফেক্ট রয়েছে।
Dr. Ashiqur Rahman
স্কুল ছুটি! বেড়াতে যাবেন বাচ্চাদের নিয়ে?
যা যা খেয়াল রাখবেন :
▪️কাগজ কলমে ভ্রমণ পরিকল্পনা গুছিয়ে নিন।লোকেশন ও যানবাহন হওয়া চাই কোলাহল মুক্ত।নিজস্ব গাড়ি হলে দুরে যাওয়ার আগে চেক করিয়ে নিন।
▪️আরামদায়ক পোষাক ও অনুষঙ্গ আগেই ব্যাগে পুরে নিন।শীতের প্রকোপ অনুযায়ী সবার কাপড়চোপড় নিয়ে নিন।শিশুদের জন্য বাড়তি পোষাক নিন।
▪️গরম পানির বোতল রাখুন, বিশুদ্ধ পানির সংস্থান থাকুক।চা -কফি হউক ভেজালমুক্ত।
▪️শুকনো খাবার বা ঘরে রেডি করা খাবার রাখুন পরিষ্কার হট বক্সে।সিম্পল খিচুড়ি বা টোস্ট, ফল হতে পারে জার্নিতে খাবারের আয়োজন।
▪️বেশি ভাজাপোড়া বা বাসি খাবার দিবেন না ছোট বাচ্চাদের।বদহজম হবে এতে।
▪️ডিমের পুডিং থাকুক বা ফুলকপির পাকুড়া নিয়ে নিন পছন্দের মত।পেয়ারা কেটে নিন ফালাফালা করে।
▪️ নিজস্ব চাদর বিকল্প হিসেবে রাখুন। মেহমানদের বিনয়ের সাথে বুঝিয়ে বলুন যদি সমস্যা থাকে।এলার্জি বা চুলকানি এড়াতে অন্যের পোষাক পরবেন না।
▪️ভ্রমনের স্থান পুকুর, ডোবা, নদীর পাড় হলে শিশুদের আগলে রাখুন, গল্পে মজে বেখেয়ালি হবেন না বা শাসন ভুলে যাবেন না।জলাশয়ে নামার আগে গভীরতা জেনে নিন।
▪️নানাবাড়ি বা দাদাবাড়ীতে শিশুরা "আহ্লাদে" পানি ও আগুন নিয়ে যেন অতি উৎসাহী না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। সাঁতার জানা থাকলে ভিন্ন করে কথা।
▪️পরিচিত খাবার গ্রহণ করুন এবং ঝুঁকি এড়িয়ে চলুন।কিছু কিছু খাবারে অনেকের ফুড পয়জনিং হয়।
▪ শিশুদের বিভিন্ন গর্তে ( গাছের ফোকর বা মাটির গর্তে) হাত দেওয়া হতে বিরত রাখুন।পাখি বা ইদুরের লোভে সাপ থাকতে পারে এসব গর্তে।
▪️কাঁচা খেজুরের রস খাবেন না, নিপাহ ভাইরাস ভয়ানক। আক্রান্তদের প্রতি ১০ জনে মধ্যে ৭ জনের মৃত্যুর রেকর্ড রয়েছে।
▪️প্রয়োজনীয় ওষুধ বা ফার্স্ট এইড বক্স সাথে রাখুন।
▪️পরিবারের সিনিয়র সদস্যদের সাথে নেওয়ার চেষ্টা করুন। মানসিক প্রশান্তি ও ভরসা দুটোই মিলবে।
11/11/2024
ভিটামিন সি এর অভাব
মিলিয়ে নিন নিচের সমস্যাগুলো :
🍋 দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া
🍋 মাড়ি হতে রক্তক্ষরণ
🍋 চামড়া সহজেই লালচে হয়ে যাওয়া
🍋 রক্তস্বল্পতা
🍋 শরীরের ঘা না শুকানো বা দেরীতে ভাল হওয়া
🍋 হাঁটুতে বা অস্থিসন্ধির ব্যথাসহ ভিতরে রক্তক্ষরণ
🍋রক্তবমি বা অন্ত্রের রক্তক্ষরণ
যারা ঝুঁকিতে আছে:
🍊 পরিমাণমত শাকসবজি গ্রহণ না করা বা বিগত ২ মাসের অধিক যে কোন ধরনের ভিটামিন সি জাতীয় ফল/ সবজি গ্রহণ করেনি এমন ব্যক্তি।
🍊একবছরের কম বয়সী শিশু যাদেরকে শুধু বাহিরের কৌটা বা গরুর দুধ সেবন করা হয়েছে তারা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
আছে উপায় :
🍇ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।লেবু,আমলকি, কমলা থাকুক সাধ্যমতো।
🍇তিনবেলা ভিটামিন সি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন।মিনিমাম ৫-৭ দিন।
🍇ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে বেশ উপকারী এবং এই শীতে কমন কোল্ড এ কার্যকরী দাওয়াই!
তবে সাবধান :
প্রতিদিন ৪ টার বেশি ভিটামিন সি ট্যাবলেট অনবরত গ্রহণ করলে ডায়রিয়া ও কিডনি পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka