Go Sumon Daily
لاَ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله
#বৃষ্টি
24/04/2026
#রাতটা ছিল অদ্ভুত নিস্তব্ধ। জানালার বাইরে কুয়াশা জমে আছে, যেন পৃথিবীটা ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে। রিদওয়ান টেবিলের উপর রাখা পুরনো ডায়েরিটা খুলে বসে। ডায়েরির পাতাগুলো হলদেটে হয়ে গেছে, কিন্তু একটা নাম বারবার চোখে পড়ে— “মেহরীন”।
মেহরীন… যে মেয়েটাকে সে পাঁচ বছর আগে হারিয়েছে।
কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো—ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠায় আজকের তারিখ লেখা।
রিদওয়ানের হাত কেঁপে ওঠে।
“আজ আমি আবার তাকে দেখলাম…”
এই লাইনটা স্পষ্ট করে লেখা, অথচ সে তো আজই প্রথম এই ডায়েরি খুলেছে!
তার মনে পড়ে, পাঁচ বছর আগে এক বর্ষার রাতে তারা শেষবার দেখা করেছিল। মেহরীন বলেছিল,
“যদি কখনো আমি না থাকি, তবুও আমি তোমার কাছে ফিরে আসবো।”
সে তখন হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল।
কিন্তু আজ…
হঠাৎ ঘরের বাতাস ঠান্ডা হয়ে যায়। জানালার কাচে ভেজা হাতের ছাপ দেখা যায়—একটা, দুইটা… তারপর ধীরে ধীরে একটি ছায়া গড়ে ওঠে।
রিদওয়ান ঘুরে তাকায়।
সাদা শাড়ি, ভেজা চুল… দাঁড়িয়ে আছে মেহরীন।
তার চোখে সেই পুরনো মায়া, কিন্তু গভীরে যেন এক অজানা শূন্যতা।
“তুমি…?” রিদওয়ানের গলা শুকিয়ে যায়।
মেহরীন মৃদু হাসে, “আমি তো বলেছিলাম, আমি ফিরে আসবো।”
“কিন্তু তুমি তো… মারা গেছো…”
“মৃত্যু মানেই শেষ না, রিদওয়ান,” সে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে, “কিছু ভালোবাসা সময়ের বাইরেও বেঁচে থাকে।”
রিদওয়ানের মনে পড়ে, মেহরীনের মৃত্যুর দিনটা। দুর্ঘটনার খবরটা সে বিশ্বাস করতে পারেনি। সে নিজেকে দোষী মনে করেছিল—সেদিন যদি সে তাকে থামাতে পারতো!
“তুমি কি আমাকে নিতে এসেছো?” রিদওয়ান ফিসফিস করে।
মেহরীন মাথা নাড়ে, “না। আমি এসেছি তোমাকে মুক্তি দিতে।”
“মুক্তি?”
“তুমি এখনও অতীতে আটকে আছো। আমার স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে নিজের জীবন থামিয়ে রেখেছো।”
রিদওয়ানের চোখ ভিজে ওঠে, “আমি তো তোমাকে ভুলতে পারিনি…”
“ভুলতে হবে না,” মেহরীন কাছে এসে তার কপালে হাত রাখে, “কিন্তু ছেড়ে দিতে হবে।”
হঠাৎ তার মাথার ভিতর যেন ঝড় বয়ে যায়। পুরনো সব স্মৃতি একসাথে ভেঙে পড়ে—হাসি, কান্না, প্রতিশ্রুতি… আর শেষ বিদায়।
মেহরীন ধীরে ধীরে ফিকে হতে শুরু করে।
“তুমি… চলে যাচ্ছো?” রিদওয়ান হাত বাড়ায়।
“আমি তো অনেক আগেই চলে গেছি,” তার কণ্ঠ দূরে সরে যায়, “আজ শুধু তুমি সেটা মেনে নিচ্ছো…”
ঘরটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে যায়।
রিদওয়ান একা দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু এবার তার বুকটা হালকা লাগে।
টেবিলের উপর ডায়েরিটা পড়ে আছে।
শেষ পৃষ্ঠায় এখন নতুন লেখা—
“আজ আমি তাকে শেষবারের মতো বিদায় দিলাম।”
রিদওয়ান ধীরে ধীরে ডায়েরিটা বন্ধ করে।
জানালার বাইরে কুয়াশা কেটে গেছে। ভোরের আলো ঢুকছে।
এবার সে জানে—
সব ভালোবাসা চিরস্থায়ী না হলেও, কিছু ভালোবাসা মুক্তি দেয়।
23/04/2026
এই রঙিন আকাশ, উঁচু দালান আর চলমান জীবনের মাঝে
স্বপ্নগুলো এখনো ঠিকই পথ খুঁজে নেয়…
#গজল
I got 10 reactions and comments on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
সত্যিই মন ভালো করে দেয় গানটি
মন ভালা না রে তোর পিরিত ভালা না
Cover by Aditi Chakraborty Folk
কথা ও সুরঃ অনিমেষ রায়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Mirpur/1
Dhaka