Today Topic
সুস্থ বিনোদন
24/06/2023
🥰🥰
12/05/2023
----বউ-----
নাসির উদ্দিন
পার্ট ১
আরিফ পড়াশুনা শেষ করে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরী করে।চাকুরির কারনে ঢাকায় থাকতে হয় তাকে।।গত কয়েক মাস ধরেই আরিফের জন্য মেয়ে দেখতেছে আরিফের পরিবার।বরাবরের মতই আরিফ না না করে আসতেছে।কারন সে আরও কয়েক বছর পর নিজেকে আর একটু গুছিয়ে তারপর বিয়ে করবে সে।
আরিফ অফিসে বসে কাজ করতেছে। হঠাৎ আরিফের ফোনে একটা কল আসলো,স্কিনে আম্মু লেখা ভেসে উঠলো
--আম্মু
--হুম,বাবা কবে আসবি কিছু বল্লি না তো আমায়।
--আম্মু তোমরা কি আবার মেয়ে দেখার কথা বলবা।আমি বলছি তো কয়েক বছর যাক.
--আমার শরীরটা ভালো না বাপ।তোর আব্বা মেয়ে দেখে পছন্দ করছে।তুই পছন্দ করলেই সব হবে। আয় একটা বার দেখেই যাবি।
--আম্মু জানোই তো যা বেতন পাই সংসার, বউ,, এই বেতনে হবে না।আব্বুর চিকিৎসা টা করাই তারপর না হয়।
--আমি এতো কিছু জানি না তুই আসবি আর তোর বউয়ের খরচ নিয়ে ভাবা লাগবে না, আমি চালাবো আমার মেয়ে কে।
--আম্মু বুঝতে চেষ্টা করে
--কোনো কথা না। তোর কোন বোন না থাকায় আমি আর একা সব পারি না বাপ৷ এবার তোরা দায়িত্ব নে আমায় উদ্ধার কর বাপ।
--আম্মু সামনের মাসে ১২ তারিখ যাবো বাড়িতে গিয়ে কথা হবে এসব ব্যাপারে অফিসে আছি এখন।
--ঠিক আছে মনে থাকে যেন।
কথা শেষ করেই ভাবতে লাগলো কি করবে সে।বিয়ে করবে কেমন মেয়ে করলে ভালো হবে? বিয়ের পর যদি না মানায় নিতে পারে বউ তার সাথে।।তারপর বর্তমান যে যুগ প্রেম করা ছাড়া মেয়ে নাই। দেখা গেলো বিয়ের পর বউ ভেগে গেলো তার প্রেমিকে সাথে।মান ইজ্জত শেষ হয়ে যাবে।আর এখন এসব অহরহ হচ্ছে।
পরক্ষণেই ভাবলো আরে নাহ,,আব্বু আম্মু যখন মেয়ে দেখতেছে ভালো মেয়েই দেখবে ভরসা রাখা দরকার তাদের উপর।
ভাবতে ভাবতেই পাসেই বসা কিলগ নাসির বলে উঠলো কি ব্যাপার আরিফ সাহেব উদাস হলেন কেন?
--না ভাই বাড়ি ডাকছে আম্মু
--আরে ভাই বিয়ে করে ফেলেন এভাবে একা একা আর কতো কষ্ট করবেন (বলেই হাসতে শুরু করলেন)
--দেখা যাক।
--ভাই একটা কথা বলি রাগ করবেন না তো?
--বলেন
--ভাই আপনি কখনো প্রেম করেন নাই?
--কেন ভাই এই কথা,, কি মনে হয়?
--না মানে বিয়ে করছেন না যে।পছন্দের কেউ আছে নাকি।
--না তেমন কেউ নাই৷ তবে ছোটবেলায় একজনকে পছন্দ করতাম। কিন্তুু কি বলার আগেই এলাকা ছেড়ে গেছেন আর এই পর্যন্ত খোজ পাই নাই।
--খোজার চেষ্টা করেন নাই।
--ক্লাস এইট কি নাইনে পরতাম। খোজার কোনো রাস্তা পাই নাই।
--কি আর করার ভাই সবি কপাল।
--হুম,, বাদ দেন।
কথা বলতে বলতে অফিস টাইম শেষ হওয়ার কারনে নিজের ফাইল গুছিয়ে যে যার বাসায় গেলেন
দেখতে দেখতে ১২ তারিখ ঘনিয়ে আসায় অফিস থেকে ৩ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়িতে রওনা দিলো আরিফ।
এক আকাশ অনিশ্চিত ভাবনা নিয়ে গাড়িতে উঠলো আরিফ
পার্ট ২ আসবে খুব শিঘ্রই।।🥰🥰🥰🥰
মেসেজ
Md:Nasir uddin ontu
নিল আজ অফিস বন্ধের দিনও শীতের ভোর ছয়টায় গোসল দেওয়াতে রুমমেট আসিফ ঘুমের ঘোরে বলে উঠলো
---কি ব্যাপার,তোরে তো প্রতিদিন ডাক দিয়ে গোসলে পাঠা লাগে, আজ এতো সকালে। খারাপ সপ্ন দেখছিস নাকি
---আরে না,আজ দেখা করতে যাবো তমার সাথে
---ফেইজবুকে প্রেম করে দেখা করতে যাচ্ছিছ সাবধান থাকিস।তাও আবার একদিনো কথা হয় নাই শুধু চ্যাটিং করছিছ
---সমস্যা হলে তুই যাবি (হেসে)
---ব্যাপার মোটেও টা হাসির না আগেই বলে দিলাম।ঢাকায় এমন অনেক চক্র আছে এভাবে কিডনাপ করে টাকা আদায় করে
---এতো ভয় পাবার কিছু নেই,তমা এমন কেউ না
সমস্যা হলে জানাস
কথা শেষ করে নিল ভাবছে, তমার সাথে আমার দুই বছরের চেনা জানা ফেইসবুকে।ও কি এমন কোনো খারাপ চক্রের সাথে জড়িত নাকি?দেখা করতে যাওয়া কি ভুল হচ্ছে নাকি?
নাহ,যদি ও এমন হইতো তাহলে তো ও আমার সাথে দেখা করতে চাইতো। উল্টা আমি কয়েক মাস ধরে পিড়াপিড়ি করে আজ দেখা করার জন্য রাজি করেছি।ভাবতে ভাবতে হটাৎ মনে পড়লো তমা তো আমায় কালো শার্ট গায়ে দিতে বলছে।
সাবধানের মার নেই,, অনেক ভেবে চিন্তা করে সাদা শার্ট গায়ে দিলো,নিল।।
রেডি হয়ে তমার কাছে মেসেজ করলো আমি রওনা দিলাম।
তমার সাথে নিলের পরিচয় দুই বছরের হলেও এটা ছিলো তাদের প্রথম দেখা করা।এই দুই বছরে নিলকে তমা মাত্র একটা পিক দিয়েছে।আর চ্যাটিং ছাড়া কথা পর্যন্ত হয় নি। কিন্তুু তমার প্রতিটা লেখার মাঝে যে আবেগ বা অনুভুতি ছিলো সেটা নিল বুঝতে পারতো। আর এই কারনে তমাকে নিলের অনেক ভালোলাগতো।গত দুই বছর তারা শুধু চ্যাটিংয়েই করেছে।।আজ তাদের প্রথম সাভার স্মৃতিসৌধে দেখা হওয়ার কথা।।
নিল গাড়িতে উঠে ফোন হাতে নিতেই দেখতে পেলো তমার মেসেজ,,
---কতক্ষণ লাগবে তোমার পৌছাতে
---এইতো আধা ঘন্টা
---কালো শার্ট পড়তে বলছিলাম পড়ছো তো
---হুম পড়েছি((মিথ্যা কথা)
---আচ্ছা আসো আমার পনেরো মিনিট লাগবে মনে হয় পৌছাতে।
---আচ্ছা তুমি কি পড়েছো বলোনা
---আসো আসলেই দেখতে পারবা।।পালাইয়ো না আবার(হা হা ইমুজি)
তমার সাথে মেসেজ করা শেষ হতেই নিল ভাবতে লাগলো আর হয়তো আধা ঘন্টা পর দেখা হতে যাচ্ছ তমার সাথে। কিন্তুু কি দিয়ে কথা শুরু করবো, কি বা বলবো।।।সামনা সামনি দেখে যদি আমাকে তার খারাপ লাগে তখন কি করবো।।বিভিন্ন রকম এমন সব আজে বাজে চিন্তা উকি মারতেছিলো নিলের মাথায়।
রাস্তায় জ্যামের কারনে পাঁচচল্লিশ মিনিটের মতো লাগলো পৌছুতে, পকেট থেকে মোবাইল বের করে দেখলো তমার অনেক গুলো মেসেজ। বাসে থাকার কারনে টের পায় নি নিল।
---সরি বুঝতে পারি নাই, কোথায় আছো তুমি।(সাথে রিপ্লাই আসলো)
---আমি যে জায়গার কথা বলছিলাম সেখানেই আছি তুমি কি আসছো?
---আমি গেটের কাছেই আছি, ঢুকতেছি এখন।
---আচ্ছা আসো
নিল স্মৃতি সৌধের এড়িয়ায় ঢুকেই তমার কথা মতো জায়গাটা খুজে সেখানে দাড়াতে একটা ছোট্টো মেয়ে হাতে বেশ কয়েকটি গোলাপ নিয়ে এসে নিলের হাতে দিয়ে বল্লো
---ভাইয়া এটা আপনার জন্য
---আমার মানে?
---ওই খানে একটা আপু বসে আছে ওই আপুটা আপনাকে দিতে বলছে
---ও আচ্ছা
বলে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করতেই ছোট্টো মেয়েটা বল্লো।।
---ভাইয়া আপু টাকা দিছে আমায়
---নাও আপু।।সমস্যা নাই আমিও ভালোবেসে দিলাম তোমায়।
ওরে টাকা দিয়েই নিল তমার দিকে এক প্রকার ছুটেই গেলো তার কাছে
---তুমি কি তমা?
(মাথা নেড়ে হ্যা সূচক জবাব দিলো)
---আমি নিল।কেমন আছো তুমি?
তমার মুখে জবাব নেই
---কি ব্যাপার কথা বলছো না কেনো?ও সাদা শার্ট পড়ছি তাই।ইচ্ছা করেই পড়ছি সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য।
তমা এখনো চুপ করে আছে আর নিলের দিকে তাকিয়ে আছে
---তমা কোনো সমস্যা?আমাকে কি খুব খারাপ লাগছে, কথা বলছো না যে?
এই কথা শোনার পর তমার চোখ কেমন জানি পানিতে ছলছল হয়ে গেলো
নিল আবারে জিজ্ঞেস করলো।
---কথা বলছো না কেনো।।তাহলে আমি কি চলে যাবো? এই ভেবে যে আমাকে তোমার ভালোলাগে নাই।
কথা শেষ করেই নিল যেই চলে যাবে ওমনি তমা নিলের হাতটা চেপে ধরলো।
---কি ব্যাপার হাত ধরলা যে?
আবারো নিশ্চুপ হয়ে দাড়িয়ে আছে মেয়েটা।
প্রচন্ড রাগ নিয়ে তমার হাত থেকে হাত খুলে একটু দূরে আসতেই ফুল বিক্রি করা মেয়েটা এসে নিলের হাত ধরলো
---ভাইয়া আপু তো কথা বলতে পারে না
---মানে কি
---হ্যা ভাইয়া, যখন ফুলের টাকা দিচ্ছিলো তখনেই বুজছি আমি।
---আমায় আগে বলো নি কেনো?
কথা শেষ করেই দৌড়ে তমার সামনে গিয়ে হাজির হলো নিল।।এখনো মেয়েটা কাঁদছে। কিছু না বলেই নিল মোবাইল বের কররে তমাকে মেসেজ করা শুরু করলো
---সরি মাফ করে দেও বুঝতে পারি নি
---বিশ্বাস করো নিল। আমার এই ব্যাপারটা অনেক বলতে চেয়েছিলাম। ভয়ে বলি নি যদি আর কথা না বলো, তুমি হাজার বার কথা বলতে চেয়েছো, আর আমি না করছি।কারন আল্লাহ আমায় বোবা করে পাঠিয়েছেন।আমার জীবনে যখন তুমি এলে তখন আমি বুঝতে পারলাম তোমার মতো কেউ আমায় বুঝে না।।তোমাকে হারাবার ভয়ে আমি এসব লুকাইছি
---তুমিও তো আমায় বুঝো।।তোমার মতো আমায়ও কেউ বুঝে না।তুমি না হয় তোমার কথা গুলো আমার মুখ দিয়েই বলিও।
---কতদিন বলবো?
---যতদিন আমি বাঁচবো
---সত্যি তো
---তিন সত্যি
দুজন দুজনের চোখে চোখ পড়তেই। তমা হাতটা বাড়িয়ে দিলো নিলের দিকে।।নিল ওতার হাতে হাত রাখলো।
(এভাবেই পূর্নতা পাক হাজারো ভালোবাসা)
বিঃদ্রঃএই গল্প সম্পুর্ন ভাবে কাল্পনিক। এর সাথে কারে জিবনের গল্প যদি মিলেও যায় সেটা হবে কাকতালীয় ব্যাপার
শেষ প্রহর
Md Nasir Uddin Ontu
জরুরি কাজে সাভারের সেনা কমপ্লেক্সে ঢুকে লিফটের সিড়িতে উঠতেছিলাম হঠাৎ খেয়াল করলাম পাশের নিচে নামার সিঁড়িতে একটা মেয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছে, আমি স্মার্টও না, সুন্দরও না, আমার দিকে তাকানোর প্রশ্নই আসে না,ভেবে উপরে উঠে নিচের দিকে তাকাতেই দেখি মেয়েটা আমার দিকে আবারো তাকিয়ে আছে, হিজাব পড়া সাথে মাস্কও পরা ছিলো। পরিচিতো হলেও চিনতে পারছিলাম না।খেয়াল করলাম মেয়েটা হাত ইশারা করে ডাকতেছে। আশে পাশে কেউ নেই আমার,,বুজলাম আমাকেই ডাকছে। নিচে নামার পরেই মেয়েটা বলে উঠলো
--ভাইয়া আপনি নিলয় না?
--হ্যা আপনাকে তো চিনলাম না?
--ভাইয়া আমি তুলির ছোট বোন তোহা
--আরে আল্লাহ আগে বলবা না। মাস্ক পড়া তাই চিনতে পারি নাই।।কেমন আছো বলো?
--ভাইয়া আছি কোনোমতে।
--এখানে কেন?তুলি কেমন আছে?
তুলির কথা শুনতেই দেখি তোহার চোখে পানি চলে আসছে কিছুই বুজতে পারলাম না৷ তুলি আর আমার রিলেশন ছিলো তিন বছরের। ওর আব্বু আম্মুও আমায় অনেক পছন্দ করতেন।খুব ভালোবাসতো তুলি আমায়,প্রায় ওদের বাড়িতে যেতাম আন্টি আমায় ভিষন ভালোবাসতো।নিজের মাকে ভুলিয়ে দিতেন,এতোটাই ভালোবাসতেন।আর তুলি আমায় বলতো এতো সুখ কই রাখো তুমি,আমি মজা করে বলতাম বিয়ে করেই এখানেই থেকে যাবো।।একদিন কল না দিলে রাগ ভাঙ্গাতেই কতো যে কথা দিতে হতো তার হিসেব নাই। কতো সপ্ন ছিলো ওর, বিয়ের পর কেমনে ঘর সাজাবে,কেমনে শাশুড়ীকে পটায় রাখবে, আর সব সময় বলতো আমাদের প্রথম যেনো মেয়ে সন্তান হয়। কথা ছিলো এই পরিক্ষা শেষ হলেই বিয়ে করে নিবো।হঠাৎ করেই শুনলাম ও নাকি অসুস্থ,আমার পরিক্ষা ছিলো তাই যেতে পারি নি,খবর রাখছিলাম প্রতি মহুর্ত্যেই।হাসপাতালে ছিলো তিন দিন,পরে বাসায় আসছে।পরে শুনলাম ঔষধ খেলেই ঠিক হবে।তারপর জানি না ওর কি হলো যোগাযোগ করা কমায় দিলো।। কল দিলে রিসিভ করতো না।কথা বল্লেও কেমন জানি পাওা দিতো না ভিষন কষ্ট হতো আমার,কেন এই পরিবর্তন। ততোদিনে আমার পরিক্ষা শেষ হলে তুলিকে বল্লাম তোমাদের বাসায় যাবো কিন্তুু ও রাজি হচ্ছিলো না।তার পরের দিনেই বল্লো আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।।আমার গ্রামের ফুফাতো ভাইয়ের সাথে,সরকারি চাকুরী করে সে।।কাল বিয়ে আমায় ভুলে যেও।বলেই ফোন কেটে দিলো।কল দিলাম নাম্বার বন্ধ। অনেক চেষ্টা করেও পাই নি। মেসেঞ্জারে,ফেইসবুকে,কলে কোথাও না। ওরা যে বাড়িতে থাকতো চলে গেলাম সেখানে,দেখি তালা মারা বাড়ি। লোকজন কে জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন গ্রামে গেছে সবাই।পাগলের মতো ছুটছি এক মাস৷ কোথাও পাই নি ওরে ওর পরিবারের লোককে।ছয় মাস হলো ভুলতে পারি নি কিছুই, কিন্তুু আগের থেকে একটু শক্ত হইছি।তোহার কথাই ফিরে আসলাম স্মৃতি থেকে
--ভাইয়া আমাদের বাড়ি যাবেন একটু,সব কিছুই জানতে পারবেন।এখান থেকে বেশি সময় লাগবে না
--না থাক।তোমার আপু কেমন আছে।
--ভাইয়া আপু তো আর নাই (কাদতে কাদতে)
--মানে কি বলো।কি হইছে তুলির কোথায় ও
ভাইয়া তুলি আপুর ক্যান্সার হইছিলো আপনাকে বলতে না করছিলো। আপনি শুনলে কষ্ট পাবেন আর তাই আসতে আসতে আপনার থেকে দুরে আসছে,আপনি যেদিন আমাদের বাড়িতে আসতে চাইলেন সেদিনেই আমরা গ্রামে গেছিলাম।তার একমাস পরেই আপু ------------(কান্না)
তোহার কথা শুনতেই কেমন জানি মাথার উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেলো।কি শুনলাম আমি। তুলি কেনো জানালো না আমায়। আমি কি ওকে নিয়ে বাকি দিন গুলা কাটাতে পারতাম না?আমি তো শুধু ওরেই ও কি বুঝলো না সেটা।এভাবে স্বার্থপরের মতো একা করে গেলো আমায়।আমার ভালোবাসাটা শেষ পর্যন্ত শুধু তো তারেই জন্য।
তোহার কথাতে চিন্তা থেকে বের হয়ে আসলাম
ধন্যবাদ আমার পেজে থাকার জন্য
বিবাহ বার্ষিকী
লেখকঃMd Nasir Uddin Ontu
নিপার সাথে বিয়ে হওয়ার দুই বছর হলো।কখনো আমার সাথে তর্ক করতে শুনি নাই ,কিন্তুু আজ আমার কোনো কথাই শুনতেছে না, কথায় কথায় রাগ করতেছে। আমি রুমে ঢুকলে নিপা বাহিরে যায়, আমি বাহিরে বসলে ও ভিতরে। আজ অফিস বন্ধ থাকায় সকাল থেকেই বাসায় আজ কোনো কিছুতেই রাগ থামাতে পারছি না
--কি হইছে তোমার কথা তো বলো
--কিছু না তুমি আমার সাথে কথা বলবা না
--রাগ করতেছো কেনো?
--আমার কোনো রাগ নাই,আমার কোনো ইচ্ছা নাই,আমার কোনে শখ নাই। সব তোমার।
--কি লাগবে বলো আমায় না বল্লে কেমনে বুজবো
--কেনো বলবো!
--তোমার কোনো কিছুই তো মনে থাকে না তোমার নিজের টা ছাড়া
--আমি আবার কি ভুলে গেছি?
--কিছু না যা ইচ্ছা করো
বলতে ভুলে গেছি আজ আমাদের দুই বছর সম্পুর্ন হবে।।গত বছর তাল বাহানা করে পার করেছি ওর ইচ্ছা ছিলো ওর নাকি নুপুর লাগবে।আমি বলে ছিলাম সময় করে দিবো একদিন বলেও ছিলাম বিবাহ বাৎসরিকের সময় দিবো৷ সেটা না পেয়েই পাগলিটা খেপে গেছে আমার৷ আমি জানি কি করতে হবে। জিনিস পাইলেই সব ঠিক হবে
ইচ্ছা করেই একটু খেপাচ্ছি দেখি কি করে
--কই গেলা খাবার কই খিদা লাগছে তো
--নাই খাবার নাই রান্না হয় নাই।
--ফ্রিজেও নাই??
--আযান দিছে,নামাজ তো পড়োই না শুক্রবারের টা পরবা না।। নামাজ পড়ে আসো আগে।
নিপার কথা মতো মসজিদে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছিলাম। আর বল্লাম এটিএম কার্ড টা দাও তো
--মসজিদে কার্ড কি করবা
--লাগবে দাও তুমি
--আমার কাছে খুচরা টাকা আছে তাই নাও। কার্ড কি করবা
--দিতে বলছি দাও এতো কথা বলো কেনো
--এই নাও কার্ড (রাগ করে ছুড়ে মারলো বিছানার উপর)
--বাসায় আসবো না বাহিরে খাবো আজ তুমি খেয়ে নিও
যা ইচ্ছা করো
নামাজ শেষ করে বুথ থেকে টাকা তুলে সোজা গেলাম জুয়েলার্সের দোকানে নিপার পছন্দ করা নুপুর জোড়া আগে থেকেই অর্ডার করে রেখেছিলাম।ছোট্ট একটা গিফট বক্সের মধ্যে নিয়ে আর একটা গোলাপ নিয়ে বাসার দিকে যাওয়ার জন্য রিক্সা নিলাম। ততক্ষণে সাড়ে তিনটা বেজে গেছে। জানি ও না খেয়ে আছে।আবার বলছি বাহিরে খাবো জ্বলে তো আগুন ও।কি হবে আল্লাই জানে।বাসায় গিয়ে দরজায় নক করলাল দেখি দরজা খোলা।। ভিতরে ঢুকে দেখি কম্বল গায়ে মাথায় দিয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদতেছে
--কি হইছে কাদতেছো কেনো৷ আমি বেঁচে আছি তো।(হাসতে হাসতে)
--খবর দার কথা বলবা না।আমায় বাপের বাড়ি রেখে আসো আমি থাকবো না এখানে।
--উঠো আগে খাইতে দাও খিদা লাগছে তো অনেক
--কেনো মহারাজার না খাবার অনেক জায়গা আছে
উঠো তো মহারানীরে ছাড়া ৷ ।
--খাইছো তুমি।
--আমার খাওয়া লাগবে না আমি বাড়ি যাবো
ওর কথা শেষ হতে শেষ না হতেই কম্বল থেকে টান দিয়ে তুলে দিখি আমার পাগলিটার চোখ ভিজে একাকার পাগলিটারে পাগলির মতোই লাগছে।নাহ আর খেপানো ঠিক হবে না
এই ভেবেই গিফটা এগিয়ে দিয়ে বল্লাম
--মহারানির শুভ বিবাহ বার্ষিকী। আপনার সংসার সুখের হোক ইচ্চা করেই রাগাইছি তোমায়। এই কানে ধরছি আর এমন করবো না।তোমার আমার এই দিন ভুলি কেমনে।তুমি কেমনে ভাবলা আমি ভুলে গেছি আর হা এই কানে ধরছি এমন প্রাঙ্ক আর করবো না
--তুমি অনেক খারাপ অ---নে---ক খারাপ।আমায় এতো কষ্ট কেনো দিলা। তোমার গিফট লাগবে না৷ কেনো বল্লা বাহিরে খাবা আর আমি বাসায়।তোমায় পাই আমি এই বন্ধের দিনে তুমি জানো না।
--সরি সোনা ভুল হইছে বল্লাম তো
--না এমন করবা না কষ্ট হয় আমার
--খিদা লাগছে খাবো তো
--বক্সের ভিতর কি আছে (চোখের পানি মুছতে মুছতে)
--রাত্রে খুলিও এখন দরকার নাই
তারাতারি খেয়ে রেডি হও বাহিরে যাবো রাত্রে বাহিরে খাবো
নিপা খাবার আনতে গেলে।আমি ফ্রেস হয়ে টেবিলে বসলাম খাবো বলে খিদা তো প্রচুর লেগেছে।।।।।
----সমাপ্ত---
অপরচিতা
শেষ পর্ব
--দেখো সব ঠিক হয়ে যাবে।।আমায় তুহিনের নাম্বার দাও।আমি কথা বলবো
--বাড়িতে সবাইকে বলছি আমি ওর সাথে থাকবো না।আমি ওর থেকে মুক্তি চাই।ও আমায় অনেকবার মারেছ কাউকে কিছু বলি নাই।মান সম্মানের ভয়ে
এখন আর পারছি না অন্তুু
--আমায় ওর নাম্বার টা মেসেজ করে দাও আমি কথা বলবো
--আচ্ছা ঠিক আছে
অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে তাই ফোনটা কেটে দিলাম।
আমি ভালোভাবেই বুজতে পারছিলাম সাংসারিক সমস্যা হইছে।বিয়ের পর কম বেশি সবারি এমন হয়ে থাকে তাই বলে বিচ্ছেদের কথা, সেটা ভাবাটাই পাপ।ভাবতেছি তুহিনকে কল দিয়ে ওদের ঝামেলা গুলো মেটানোর চেষ্টা করবো।।আমি না পারলে ওদের গার্ডিয়ানদের সাথে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টা করবো।এভাবে একটা সংসার নষ্ট হোক সেটা আমি চাই না।একটা মানুষকে ভালেবেসে না পেলে তার কষ্টটা আমি বুঝি। আর যেটা হইছে সেটাও ফিরিয়ে আনা সম্ভব না।ভাবতে ভাবতে কখন যে অফসে ঢুকছি টেরও পাই নাই।পাশের একজন বলতেছে ভাই অফিসে আসলেন ফেস পাঞ্চ করলেন না তো।
এরপর পাঞ্চ করে নিজের কাজে মনোযোগ দিলাম। নাম্বার দিলে কথা বলবো, না দিলে হয়তো এটাই শেষ কল।ইচ্ছা করেই নাম্বারটা ব্লোক করে দিবো।
প্রয়োজন ছাড়া গাছের পাতাও নাকি নড়ে না।।আর সে তো জল জ্যান্ত মানুষ।ভালোভাবেই চিনি তারে
---সমাপ্ত--
অপরিচিতা part 2
লেখকঃMd Nasir Md Nasir Uddin Ontu
--আচ্ছা বলো কি বলবা মনে রাখিও পাঁচ মিনিট
--ঠিক আছে আগে বলো কেমন আছো
--আছি আগের মতোই
--কই একদিনো তো আমায় কল দিলা না । এতো ভালোবাসতা আমায়, একটা খোজ নিছো?
--প্রয়োজন মনে করি নি তাই।।আর কার খোজ নিবো আমি --খোজ তোমার নেয়া উচিৎ ছিলো।এখন কেনো কল দিছো বেঁচে আছি কি না জানতে তাই তো।হ্যা বেঁচে আছি আমি
--দেখো ঝগড়া করার জন্য কল দেই নাই,আমার জায়গায় তুমি থাকলে তুমিও আমার টাই করতা।--আমি অনেক বিপদে আছি অন্তুু(একটা লম্বা নিশ্বাস ছেড়ে)
--আমায় বলছো কেনো আমি কি করতে পারি তোমার হাজবেন্ড আছে না?তাকে বলো
--তুমি এখনো রাগ দেখাচ্ছো আমায়।প্লিজ একটু নরমাল হও
--আমি এমনেই নরমাল।।বলো কি সমস্যা?
--আমার তুহিনের সাথে সব কিছুতেই অমিল।।ও আমারে একটুও বুজে না৷ ভালোবাসা তো দুরের কথা
((ও আচ্ছা তুহিন হচ্ছে ওর হাসবেন্ডের নাম নিলার যে অতীত ছিলো সেটা এই ছেলের সাথেই ছিলো))
--এখন আমায় কেনো শুনাচ্ছো এসব?
--বিশ্বাস করো তোমার মতো ভালো আমায় কেউ বাসে না।আমি অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি।।আমায় মাফ করে দাও
--দেখো আমি কিছু মনে রাখি নাই।আমি সপ্ন ভেবে সব ভুলে গেছি। তোমাকেও
--তুমি এমন করো না অন্তুু,, আমি কার কাছে যাবো।আমি ওরে ডিভোর্স দেয়ার জন্য সব পেপার রেডি করছি
---না না না।।এই কাজ ভুলেও করবে না৷আমার কথা শুনো। পাগলামো করবা না
---না আমি কারো কথা শুনবো না.।এই জীবন নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মরাই ভালো
,,,,,,চলবে,,,,
অপরিতা
লেখকঃMd Nasir Uddin Ontu
Part: 1
সকালে ঘুম থেকে উঠে গোসল সেরে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।বালিশের নিচে ভাইব্রেট করা ফোনটা দেখি কাপতেছে।ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি নিলার কল।এতোদিন পর কল পেয়ে অবাকেই হলাম।ভাবলাম ভুল করে দিছে হয়তো।রিসিভ না করে রেডি হয়ে অফিসের দিকে যাওয়া শুরু করলাম।।খেয়াল করলাম আবারো বাজতেছে। দুই তিনবার রিং হওয়ার পর কল রিসিভ করলাম।
--হ্যালো,কে?
--আমি নিলা।
--কোন নিলা চিনলাম না তো?
--না চিনারি কথা, বিশ্বাস করো কল না দিয়ে থাকতে পারলাম না।
(নিলার পরিচয়টা একটু দিয়ে নেই)
নিলার সাথে আমার পরিচয় ২০২০ সালে শুরুর দিকে,যে বাসায় ভাড়া থাকতাম সেই বাসায় ও থাকতো ওর আব্বু আম্মুর সাথে। সেখান থেকেই পরিচয়। পড়াশুনা করতো মাঝে মাঝে ওর আব্বু আম্মুর কাছে বেড়াতে আসতো।আমার অফিসের অফ ডে আমরা গল্প করতাম এভাবেই ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা দেড় বছরের প্রেম ছিলো আমাদের। একদিন ছাদে আমার হাত ধরে বলেছিলো আমার একটা অতীত আছে আমি বলেছিলাম শুনবো না,তোমার অতীত। এভাবেই ভালোবাসবো তোমায়।চিন্তা ছিলো অতীত শোনার পর যদি তার প্রতি আমার ভালোবাসা কমে। এই ভয়ে শুনতাম না৷ আমরা বিয়ে করবো বলে ঠিক করে রেখেছিলাম। হঠাৎ গ্রামের বাড়িতে গিয়ে একদিন কল দিয়ে জানালো,আমার কিছু করার নেই বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।আমি মা বাবার কথার বাহিরে যেতে পারবো না। বিশ্বাস করেন শোনার পর কয়েক ঘন্টা নিজেকেই নিজে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।।দেড় বছরে কতো জায়গায় গিয়েছি কতো ঘুরেছি।বাহিরে ঘুড়তে বের হলে, সে বলতো আমারা স্বামী স্ত্রী। এভাবে সব শেষ হয়ে যাবে কল্পনাতে নিতে পারছিলাম না।কিভাবে করতে পারলো আমার সাথে এইটা। বার বার ইচ্ছা হয়েছিলো মারা যাই।।নিজের মায়ের কথা ভেবে কখনো খারাপ কিছু করি নাই।অনেক কষ্ট করে বড় করেছে তিনি আমায়।দেড় বছর পর তার কল।।অবাক করার মতোই বিষয়টা
যাই হোক কলে ফিরে যাই
আমি বল্লাম,
--এতো দিন পর কল কেনো দিছো নাকি ভুল করে আসছে?
--না আমি ইচ্ছা করে কল দিছি তোমার সাথে আমার অনেক কথা আছে।প্লিজ একটু সময় দাও আমায়।জানি আমার উপর অনেক রাগ তোমার। বলছি আমার কথাগুলো তোমার শুনা দরকার
--তোমার কথা শুনে আমার লাভ কি?তোমার তো কথা শুনার লোক আছে তাকেই বলো.
--প্লিজ পাঁচ মিনিট দাও(কান্না কান্না কন্ঠে?
---চলবে---
বি দ্রঃ যদি ভালো পরের পার্টের জন্য বলবেন।উতসাহ পেলে লিখার চেষ্টা করবো।
মোশাররফ করিম যখন ফোন নিতে ভুলে যান।। বউরে দোষ চাপায় দেন😆😆
যখন একজন ফ্রেশ মানুষের বিয়ে হয়।।দেখা হয় সুন্দরী বউয়ের সাথে😆😆😆
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
5570