Science Factz

Science Factz

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Science Factz, Digital creator, Dhaka.

05/07/2023

অন্য কোনো গ্রহে কি বুদ্ধিমান প্রাণী থাকতে পারে ?

ই-টি বা এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল প্রাণীর কথা আমরা সব সময়ই শুনি। কিন্তু এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বাইরে ভিনগ্রহে কোনো বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে অনেক ধরনের সংকেত মহাবিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারপর মহাকাশ থেকে কোনো উত্তর আসে কি না, সেই অপেক্ষায় বিজ্ঞানীরা রয়েছেন। না, কোনো খবর নেই। এরপরও এ বিষয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।

সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট সম্প্রতি এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল নিয়ে একটা সিনেমা তৈরি করেছে। সেখানেও কল্পিত কিছু দেখানো হয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর বাইরে কোথাও বুদ্ধিমান প্রাণী থাকতে পারে কি না, সেটা সিনেমার বিষয়বস্তু নয়। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের, জুন ২০১৯ সংখ্যায় এ বিষয়ে একটি তথ্যবহুল লেখা ছাপা হয়েছে। আসুন দেখা যাক সম্ভাবনা কতটা। বিজ্ঞানীরা খুঁজে দেখছেন আমাদের সূর্যের মতো অন্য কোনো নক্ষত্র আছে কি না, যার চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীর মতো কোনো গ্রহ ঘুরছে কি না।

প্রথমে হিসাব করে দেখতে হয় ক্রমপ্রসারমাণ মহাবিশ্বে মোট কত নক্ষত্র আছে। এর সংখ্যা অন্তত (১০)২২ । তার মানে ১০–এর পর ২২টি শূন্য। বিরাট সংখ্যা। এর মধ্যে যদি ৫ শতাংশ নক্ষত্র সূর্যের মতো হয়, তাহলেও ঠিক ও রকম ৫০০ বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র রয়েছে। এদের মাত্র ৫ ভাগের ১ ভাগ নক্ষত্রের যদি পৃথিবীর মতো গ্রহ থাকে, তাহলেও সেই সংখ্যাটা হবে ১০০ বিলিয়ন বিলিয়ন। আমাদের ছায়াপথেই আছে এ ধরনের ৫০ হাজার কোটি নক্ষত্র। তাহলে ভেবে দেখুন, আমাদের পৃথিবীর মতো এত কোটি কোটি গ্রহের কোনো একটিতে প্রাণের অস্তিত্ব কি একেবারেই অসম্ভব? তাহলে কেন সন্দেহ? কারণ, প্রশ্ন হলো, মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী থাকার সম্ভাবনা কতটা?

এটা আসলেই কঠিন। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ অগ্রসর সভ্যতার কথা না হয় ছেড়েই দিই। যদি থাকেও বাইরের জগতে, সেখানে বুদ্ধিমান প্রাণীদের অনেক উঁচু পর্যায়ে যেতে হবে। তাহলে হয়তো আমাদের পাঠনো সংকেত তরঙ্গ ওরা ধরতে পারবে। হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকে সেই সংকেতের উত্তর যদি কেউ পাঠায়, সেটা পৌঁছাতে লাগবে আরও হাজার হাজার বছর। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, বাইরের জগতে কোনো গ্রহে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্ব থাকলেও তার খোঁজ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

© প্রথম আলো, বিজ্ঞানচিন্তা

03/07/2023
03/07/2023

The Helix Nebula & The Eye 🔭👁

03/07/2023

ক্যানিবালিজম, যাকে এনথ্রপোফেগি বলা হয়, যেখানে মানুষের দ্বারা মানু****র মা**স খাওয়াকে বুঝায়। এই শব্দটি ক্যারিবের স্প্যানিশ নাম (ক্যারিবেলেস বা ক্যানিবেলস) থেকে এসেছে, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের একটি উপজাতিকে বুঝায় যারা তাদের নরমা**স চর্চার জন্য সুপরিচিত। প্রাথমিকভাবে, মানব ইতিহাসে প্রথম দিকে ফিরে গেলে দেখা যাওয়া যায় এটি একটি বিস্তৃত প্রথা, যেখানে বেশিরভাগ মহাদেশের মানুষের মধ্যে নর***দক পাওয়া গেছে।
যদিও নর***দকের অনেক প্রাথমিক বিবরণ সম্ভবত অতিরঞ্জিত বা ভুল ছিল, তবে আধুনিক সময় পর্যন্ত এই অনুশীলনটি পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু অংশে, মেলানেশিয়া (বিশেষ করে ফিজি), নিউ গিনি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মাওরিদের মধ্যে, কিছু দ্বীপে প্রচলিত ছিল, এছাড়াও পলিনেশিয়ার সুমাত্রার উপজাতিদের মধ্যে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন উপজাতিতেও প্রচলিত আছে।

কিছু অঞ্চলে মানুষের মা**সকে খাদ্যের অংশ হিসাবে দেখা হত, কখনও কখনও পশুর খাবারের সাথে মানুষের মা**সকেও একই রকম বিবেচনা করা হত, যেমনটি মেলানেশিয়ান পিজিন শব্দটি লং পিগ-এ নির্দেশিত। আবার,, মাওরিরা প্রায়শই যুদ্ধের পরে পরাজিত মৃতদের মৃতদেহ কেটে মা***স খেয়ে ভোজন করত এবং সুমাত্রার বাতাকরা বাজারে মানুষের মা**স বিক্রি করেছিল বলে জানা গেছে (ডাচদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার আগে)।

আবার আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে, ক্ষেত্রেবিশেষ নির্দিষ্ট অংশ বা অঙ্গ খা**য়া ছিল উপজাতির আচার-অনুষ্ঠানের উপায় যার মাধ্যমে খা**য়া ব্যক্তির নির্দিষ্ট গুণাবলী অর্জন করা যেতে পারে বা যা দ্বারা জা**দুবিদ্যা বা যা**দুবিদ্যার ক্ষমতা ব্যবহার করা যেতে পারে। আফ্রিকায় আচারিক হ**ত্যা এবং নর***খাদক প্রায়ই যা**দুবিদ্যার সাথে সম্পর্কিত ছিল। হেড**হান্টার এবং অন্যরা প্রায়শই মৃত শত্রুদের দে**হের টুকরো বা মা**থার টুকরো খে**য়ে ফেলে তাদের জীবনীশক্তি বা অন্যান্য গুণাবলী শোষণ করার এবং তাদের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস করার জন্য। অ্যাজটেকরা দৃশ্যত যুদ্ধবন্দী এবং অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্তদের ধর্মীয় বলিদানের অংশ হিসেবে বৃহৎ পরিসরে নর***খাদক চর্চা করত।

আবার কিছু ক্ষেত্রে, একজন মৃত ব্যক্তির দেহকে তার আত্মীয়রা তাদের উপজাতিয় আচার-অনুষ্ঠানে ভ**ক্ষণ করত, যাকে বলা হয় এন্ডোক্যানিবালিজম। কিছু আদিবাসী অস্ট্রেলীয়রা মৃ**তদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য এই ধরনের উদযাপন সম্পাদন করে। অন্যান্য ক্ষেত্রে, নর*

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka