Tech-Tuner

Tech-Tuner

Share

We're ready to help you with IT Product Sell, Service and Learning Center Official IT Support & Product Supply

21/05/2026
21/05/2026

ইসলামে ভাগে কুরবানি করা জেনেশুনে এবং সঠিক নিয়ম মেনে জায়েয। কুরবানির এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বিভিন্ন সময় বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তাঁর আলোচনা ও শরয়ী নীতিমালার আলোকে ভাগে কুরবানি এবং কুরবানি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ১০টি প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হলো:

ভাগে কুরবানি করার বিধান:
ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, উট, গরু, মহিষ—এই বড় পশুগুলোতে সর্বোচ্চ সাত ভাগে (৭ জন অংশীদার মিলে) কুরবানি করা জায়েয। তবে ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা কেবল একজনের পক্ষ থেকেই কুরবানি করা যায়, এতে ভাগাভাগি চলে না। ভাগে কুরবানি করার ক্ষেত্রে মূল শর্ত হলো—সকল অংশীদারের নিয়ত একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও কুরবানি করা হতে হবে। কারও নিয়ত যদি শুধু গোশত খাওয়া বা লোকদেখানো হয়, তবে কারোর কুরবানিই কবুল হবে না।

কুরবানির গুরুত্বপূর্ণ ১০টি প্রশ্নোত্তর (শায়খ আহমাদুল্লাহর আলোচনা অবলম্বনে):
১. প্রশ্ন: কুরবানি কার ওপর ওয়াজিব?
উত্তর: ১০ই জিলহজ ফজর থেকে ১২ই জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তির কাছে জীবনযাত্রার মৌলিক প্রয়োজন ও ঋণ বাদ দিয়ে সাড়ে সাত ভরি সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা কিংবা এর সমমূল্যের নগদ টাকা/সম্পদ থাকবে, তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব।

২. প্রশ্ন: ভাগে কুরবানি দিলে কি সবার নিয়ত এক হতে হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, ভাগে কুরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়ত। সব অংশীদারের নিয়ত হতে হবে আল্লাহর ইবাদত ও সন্তুষ্টি অর্জন। যদি একজন অংশীদারের নিয়তেও গলদ থাকে (যেমন: কেবল গোশত খাওয়ার নিয়ত বা লোকদেখানো মনোভাব), তাহলে বাকিদের কুরবানিও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৩. প্রশ্ন: আকিকা এবং কুরবানি কি একই পশুতে ভাগে দেওয়া যাবে?
উত্তর: শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, একই গরুতে বা মহিষে ভাগে কুরবানি এবং আকিকা দেওয়া জায়েয। যেমন—এক ভাগে কুরবানি এবং অন্য ভাগে সন্তানের আকিকা দেওয়া যাবে। তবে সামর্থ্য থাকলে আলাদাভাবে করাই উত্তম।

৪. প্রশ্ন: মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানি করা যাবে কি?
উত্তর: মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানি করা জায়েয এবং এটি একটি সওয়াবের কাজ (ঈসালে সওয়াব)। আপনি চাইলে আপনার কুরবানির পশুর একটি ভাগে মৃত বাবা-মা বা আত্মীয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন অথবা তাদের নামে আলাদা কুরবানি দিতে পারেন।

৫. প্রশ্ন: কুরবানির পশুর কোনো অঙ্গহানি বা খুঁত থাকলে কি কুরবানি হবে?
উত্তর: কুরবানির পশু ত্রুটিমুক্ত হতে হবে। যে পশুর দৃষ্টিশক্তি নেই, অত্যন্ত খোঁড়া (যা হেঁটে যবাইয়ের স্থান পর্যন্ত যেতে পারে না), কান বা লেজের বেশির ভাগ অংশ কাটা অথবা অত্যন্ত জীর্ণ-শীর্ণ—এমন পশু দ্বারা কুরবানি জায়েয হবে না। সামান্য খুঁত থাকলে কুরবানি হয়ে যাবে, তবে ত্রুটিমুক্ত পশু নির্বাচন করা উত্তম।

৬. প্রশ্ন: কুরবানির গোশত বিতরণের সঠিক নিয়ম কী?
উত্তর: কুরবানির গোশত তিন ভাগে ভাগ করা মুস্তাহাব বা উত্তম। এক ভাগ নিজের ও পরিবারের জন্য, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের জন্য এবং বাকি এক ভাগ গরিব-মিসকিনদের মাঝে বিতরণ করতে হবে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী কম-বেশি করা যায়।

৭. প্রশ্ন: অমুসলিম প্রতিবেশীকে কি কুরবানির গোশত দেওয়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অমুসলিম প্রতিবেশীকে কুরবানির গোশত দেওয়া জায়েয। ইসলাম মানবতার ধর্ম। সৌজন্যতা, সদাচরণ ও অভাবী হিসেবে অমুসলিমদের কুরবানির গোশত দেওয়ায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

৮. প্রশ্ন: কসাই বা যবাইকারীকে পারিশ্রমিক হিসেবে কুরবানির গোশত বা চামড়া দেওয়া যাবে কি?
উত্তর: কসাই বা পারিশ্রমিক খাটা ব্যক্তিকে তার পারিশ্রমিক হিসেবে কুরবানির গোশত, চামড়া বা মাথার মগজ দেওয়া জায়েয নেই। তাকে তার পারিশ্রমিক আলাদা নগদ টাকায় পরিশোধ করতে হবে। তবে পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দেওয়ার পর তাকে সাধারণ মানুষের মতো উপহার বা হাদিয়া হিসেবে গোশত দেওয়া যাবে।

৯. প্রশ্ন: কুরবানির চামড়ার টাকা কী করতে হবে?
উত্তর: কুরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু যদি চামড়া বিক্রি করা হয়, তবে সেই বিক্রয়লব্ধ টাকা নিজে ভোগ করা বা মসজিদের উন্নয়নে ব্যবহার করা যাবে না। চামড়া বিক্রির পুরো টাকা গরিব, এতিম ও অভাবী মানুষকে সদকা বা দান করে দিতে হবে।

১০. প্রশ্ন: ঋণ করে কি কুরবানি দেওয়া যাবে?
উত্তর: যার ওপর কুরবানি ওয়াজিব নয়, তার জন্য ঋণ করে কুরবানি দেওয়া জরুরি নয়। তবে যদি কেউ ঋণ করে কুরবানি দেয় এবং পরবর্তীতে সেই ঋণ পরিশোধ করার সামর্থ্য বা উৎস থাকে, তবে তার কুরবানি হয়ে যাবে। কিন্তু সুদি ঋণ নিয়ে কুরবানি করা সম্পূর্ণ হারাম।

29/04/2026

টাইপিংয়ে প্রো হতে চান? জেনে নিন ডান হাতের ম্যাজিক! ⌨️✨

​টাইপিং স্পিড বাড়ানোর সিক্রেট হলো কীবোর্ডের ওপর আঙুলের সঠিক অবস্থান। গত পোস্টে আমরা হোম রো (Home Row) শিখেছি, আজ চলুন দেখে নিই ডান হাতের আঙুলগুলো কীবোর্ডের কোন কোন বাটন নিয়ন্ত্রণ করবে:

​☝️ তর্জনী (Index): এটি সবথেকে ব্যস্ত আঙুল! এটি দিয়ে 6, 7, Y, U, H, J, N, M বাটনগুলো নিয়ন্ত্রণ করুন।

🖕 মধ্যমা (Middle): এটি থাকবে 8, I, K এবং , (কমা) বাটনের দায়িত্বে।

💍 অনামিকা (Ring): এটি সামলাবে 9, O, L এবং . (দাঁড়ি/ফুলস্টপ)।

👶 কনিষ্ঠা (Little): এটি দিয়ে 0, P, ;, Enter, Shift এবং Backspace বাটনগুলো ব্যবহার করুন।

👍 বৃদ্ধাঙ্গুলি (Thumb): কেবল স্পেসবার (Spacebar) চাপার জন্য।

​💡 প্রো-টিপ (Value Add):
​টাইপিং করার সময় কবজি (Wrist) কীবোর্ড বা টেবিলের ওপর চেপে রাখবেন না। হাত কিছুটা ভাসিয়ে টাইপ করলে আঙুলগুলো দ্রুত মুভ করতে পারে এবং দীর্ঘক্ষণ কাজ করলেও হাতে ব্যথা হয় না।

​আপনি কি কীবোর্ডের দিকে না তাকিয়ে টাইপ করতে পারেন? আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে শেয়ার করুন! 👇

19/04/2026

Zass Technology Ltd এবং RFL Electronics Ltd যৌথভাবে বাংলাদেশে লোকাল রাউটার অ্যাসেম্বলির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ঢাকার PRAN Centre-এ এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
Zass Technology-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌফিক মালেক এবং RFL Electronics-এর নির্বাহী পরিচালক কাজী রাশেদুল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে CKD (Completely Knocked Down) পদ্ধতিতে মাল্টিমিডিয়া Wi-Fi রাউটার উৎপাদন শুরু হবে। এর ফলে দেশের প্রযুক্তি খাতে স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
Zass Technology তাদের উন্নত প্রযুক্তি, ডিজাইন ও ইঞ্জিনিয়ারিং সহায়তা প্রদান করবে, আর RFL Electronics তাদের শক্তিশালী উৎপাদন অবকাঠামো ব্যবহার করে দেশে রাউটার অ্যাসেম্বলির কাজ পরিচালনা করবে।
এই উদ্যোগ ‘Made in Bangladesh’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে উচ্চগতির Wi-Fi রাউটার উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। সামগ্রিকভাবে, এই যৌথ উদ্যোগ বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
#বাংলাদেশি_রাউটার #বাংলাদেশ_টেক #ইন্টারনেট #রাউটার

16/04/2026

📌পারিবারিক দ্বন্দ্বে যে পুরুষ ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তার পাশে থাকেন.....
বিবাহের পর একজন পুরুষের জীবনে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি হলো পারিবারিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করা। আপন ভাইয়ের সাথে দ্বন্দ্ব, স্ত্রী ও মায়ের মধ্যে টানাপোড়েন — এই পরিস্থিতি একজন মুমিনের ঈমান ও ধৈর্যের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
---
◼️১. সব বিপদে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করো
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
> "আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।"
> (সূরা আত-তালাক: ৩)
পারিবারিক ঝামেলায় প্রথম কাজ হলো নিজেকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দেওয়া। মানুষের বিচারের আগে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়াই হলো প্রকৃত মুমিনের পরিচয়।
---
◼️২. ধৈর্য ও সবর — সর্বপ্রথম অস্ত্র
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
> "হে মুমিনগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।"
> (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> "ধৈর্য হলো আলো।"
> (সহিহ মুসলিম: ২২৩)
যখন পরিবারে ঝড় আসে, তখন ধৈর্য হারানো মানেই নিজের বিনাশ ডেকে আনা। একজন পুরুষ যদি রাগের মাথায় কোনো পক্ষ নেন, তাহলে সম্পর্কের যে ক্ষতি হয় তা সারাজীবনেও পূরণ হয় না।
---
◼️ ৩. স্ত্রী, মাতাপিতা ও ভাই-বোন — সবাই আমানত
মাতাপিতার হক:
> "তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া আর কারো ইবাদত করবে না এবং মাতাপিতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে।"
> (সূরা আল-ইসরা: ২৩)
স্ত্রীর হক:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> "তোমাদের মধ্যে সে-ই উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।"
> (সুনানে তিরমিজি: ১১৬২, সহিহ)
ভাই-বোনের হক ও আত্মীয়তার বন্ধন:
> "আর তোমরা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করো না।"
> (সূরা আন-নিসা: ১)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু দীর্ঘ হোক, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন অক্ষুণ্ণ রাখে।"
> (সহিহ বুখারি: ৫৯৮৫)
---
◼️৪. কারো পক্ষ না নেওয়াই প্রজ্ঞার কাজ
একজন মুমিন পুরুষ যখন পরিবারে বিরোধ দেখবেন, তখন তাঁর কাজ হবে ন্যায়বিচার করা, কারো প্রতি অন্ধ পক্ষপাত নয়, সবার সাথে সমান সম্মান বজায় রাখা এবং একজনকে ছোট করে অন্যজনকে বড় না করা।
আল্লাহ বলেন:
> "হে মুমিনগণ! তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকো।"
> (সূরা আন-নিসা: ১৩৫)
---
◼️ ৫. ঈমানই হলো সব সমস্যার সমাধান
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
> "জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।"
> (সূরা আর-রা'দ: ২৮)
যখন ঈমান মজবুত থাকে, তখন একজন মানুষ পরিবারের সবাইকে আল্লাহর আমানত মনে করেন। তখন সে কাউকে শত্রু ভাবে না, কাউকে ছোট করে না — বরং সবার সাথে ইনসাফের সাথে আচরণ করেন।
---
🟦 পারিবারিক দ্বন্দ্বে একজন মুমিন পুরুষের করণীয় হলো আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করা, ধৈর্য ধারণ করা, অন্ধভাবে কোনো পক্ষ না নেওয়া, সবার সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা এবং ঈমানকে শক্তিশালী রাখা।
> "আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের পরিবর্তন করে।"
> (সূরা আর-রা'দ: ১১)
🟦একজন পুরুষের জন্য পারিবারিক শান্তির এবং বন্ধু থেকে বেঁচে থাকার জন্য কিছু দোয়া.....
---
⚫ ১. ধৈর্যের জন্য দোয়া
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا
"হে আমাদের রব! আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দাও এবং আমাদের পা অবিচল রাখো।"
রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫০
---
⚫ ২. সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য দোয়া
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي
"হে আমার রব! আমার বুক প্রশস্ত করে দাও এবং আমার কাজ সহজ করে দাও।"
রেফারেন্স: সূরা ত্বহা, আয়াত ২৫-২৬
---
⚫৩. পরিবারে শান্তি ও ভালোবাসার জন্য দোয়া
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
"হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দাও এবং আমাদের মুত্তাকীদের নেতা বানাও।"
রেফারেন্স: সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ৭৪
---
⚫ ৪. ফিতনা ও অনিষ্ট থেকে রক্ষার জন্য দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ
"হে আল্লাহ! আমি আমার কৃত কাজের অনিষ্ট থেকে এবং যা করিনি তার অনিষ্ট থেকেও তোমার কাছে আশ্রয় চাই।"
রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৭১৬
---
⚫ ৫. মনের রাগ, হিংসা ও মুনাফিকি দূর করার দোয়া
اللَّهُمَّ طَهِّرْ قَلْبِي مِنَ النِّفَاقِ وَعَمَلِي مِنَ الرِّيَاءِ وَلِسَانِي مِنَ الْكَذِبِ
"হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে মুনাফিকি থেকে, আমার আমলকে রিয়া থেকে এবং আমার জিহ্বাকে মিথ্যা থেকে পবিত্র করো।"
রেফারেন্স: শুআবুল ঈমান, ইমাম বায়হাকি, হাদিস নং ৬৮৩
---
⚫ ৬. আল্লাহর উপর ভরসার দোয়া
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
"আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।"
রেফারেন্স: সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৭৩। রাসূলুল্লাহ ﷺ কঠিন মুহূর্তে এই দোয়া পড়তেন — সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৪৫৬৩
---
⚫ ৭. পরিবারের সংশোধন ও বরকতের জন্য দোয়া
اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي
"হে আল্লাহ! আমার দ্বীনকে সংশোধন করো যা আমার সব বিষয়ের রক্ষাকবচ, এবং আমার দুনিয়াকে সংশোধন করো যেখানে আমার জীবিকা রয়েছে।"
রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৭২০
---
⚫ ৮. পরিবারের সবার হেদায়েতের জন্য দোয়া
اللَّهُمَّ اهْدِنِي وَسَدِّدْنِي
"হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়েত দাও এবং আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করো।"
রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৭২৫। রাসূলুল্লাহ ﷺ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে এই দোয়া শিখিয়েছিলেন।
---
⚫ ৯. দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তির জন্য দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে সুস্থতা ও শান্তি চাই।"
রেফারেন্স: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৫০৭৪। আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এই দোয়া শিখেছিলেন।
---
⚫ ১০. সকল বিপদে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার দোয়া
اللَّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُو فَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ وَأَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার রহমতের আশা করি, তাই এক মুহূর্তের জন্যও আমাকে আমার নফসের উপর ছেড়ে দিও না এবং আমার সমস্ত বিষয় সংশোধন করে দাও।"
রেফারেন্স: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৫০৯০। শ্রেণি: হাসান।
---
আল্লাহ তা'আলা প্রতিটি পুরুষকে পারিবারিক জীবনে শান্তি, ধৈর্য ও হেদায়েত দান করুন।
আমিন। 🤲
আল্লাহ আমাদের সকলকে পারিবারিক জীবনে ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও ন্যায়বিচার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

06/04/2026

ফোকাস বাড়ানোর জন্য ৯টি ছোট অভ্যাস...
১/ পমোডোরো টেকনিক ব্যবহার করাঃ ২৫ মিনিট কাজ তারপর ৫ মিনিট বিরতি। এভাবে বড় কাজগুলোকে ছোট ছোট অংশে শেষ করা। টাইমার ধরে কাজ করলে মন এদিক সেদিক যাওয়ার সুযোগ পায় না।
২/ ফোন দূরে রাখাঃ কাজের সময় ফোন হাতের নাগালের বাইরে রাখা। ফোনের একটা নোটিফিকেশনই ফোকাস নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট।
৩/ একবারে একটা কাজই মনোযোগ দিয়ে শেষ করাঃ মাল্টিটাস্কিং প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায় না, বরং কমায়। তাই একবারে একটা কাজ শেষ করে তারপরে পরেরটাতে যাওয়া।
৪/ রাতে ঘুমানোর আগে পরেরদিনের প্ল্যান করাঃ সকালে কী করবেন আগে থেকেই ঠিক থাকলে, দিনটা অনেক পরিষ্কারভাবে শুরু হয়।
৫/ ডিপ ওয়ার্কের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখুনঃ সারাদিনে একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন, যেখানে কোনো ডেস্ট্রাকশন থাকবে না, যাতে সম্পুর্ণ ফোকাস নির্দিষ্ট একটা কাজের মধ্যে যায়।
৬/ কাজের জায়গা পরিষ্কার রাখুনঃ অগোছালো ডেস্ক মানেই অগোছালো মন।
৭/ সকালে সবচেয়ে কঠিন কাজটা আগে করুনঃ সবার আগে কঠিন কাজটা শেষ করলে সারাদিন অনেক হালকা লাগে।
৮/ বেশি বেশি পানি পান করুন, মাঝে মাঝে হাঁটুনঃ শরীর ঠিক থাকলে মনোযোগও ঠিক থাকে।
৯/ দিন শেষে একটি "done list" লিখুনঃ কি কি করলেন লিখে ফেলুন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka