Emodels
We Sell Skills We Offer Digital Marketing A to Z Service
16/03/2022
✅ হতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটার, হয়ে গেলেন সব্যসাচীর মডেলঃ
কথায় বলে, জীবনের কোনও প্রান্তে এসে একটা দরজা বন্ধ হয়ে গেলে আরও চারটে দরজা খুলে যায়। সোনু কুমার রায় ওরফে আরভ কুমারের জীবনের গল্পটাও ঠিক একইরকম।
ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন ছিল সোনুর। জন্মসূত্রে বিহারী হলেও মনে-প্রাণে বাঙালি সোনুর বাল্যকাল থেকে যৌবন কেটেছে কলকাতাতেই। বারাসাত গভর্নমেন্ট কলেজে পড়তে পড়তেই শুরু হয় সোনুর স্বপ্নের উড়ান। কলকাতা লিগে বহু ক্লাবের হয়ে একজন ক্রিকেটার হিসেবে পেশাদারিত্ব কাজ করেন তিনি। এরপর উত্তর চব্বিশ পরগণার অনুর্ধ-১৯ দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে নির্বাচিত হন। একের পর এক ম্যাচে ভালো ফল করেন সোনু, সেইসঙ্গে সর্বাধিক উইকেট টেকার হিসেবেও নাম হয় তার। এরপর ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি তাকে নির্বাচন করে।
তবে কোনও কারণে সোনুর দুটো আলাদা বার্থ সার্টিফিকেট হাতে পরে যায় ক্রিকেট অ্যাসসিয়েশনের। ম্যাচে খুব ভালো ফল করা সত্ত্বেও অ্যাসসিয়েশন ৪ বছরের জন্য সাসপেন্ড করে দেয় সোনুকে।
মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সোনুর বাবা একজন পূর্বরেল-কর্মী, মা গৃহবধূ। এছাড়াও সোনুর পরিবারে রয়েছেন তাঁর আরও দুই ভাই ও এক বোন। অ্যাসসিয়েশনের সিদ্ধান্তে সাসপেন্ড হওয়ার পর যেন এক লহমায় সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় সোনুর। তবে ভাগ্যের খাতায় হয়ত অন্যকিছু অপেক্ষা করছিল তাঁর জন্য।
প্রাকটিস শেষে এক বুক হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছিল সে। এসপ্ল্যানেডের কাছে হঠাৎ তাঁর দেখা হয় এক বিদেশির সঙ্গে। অপরিচিত ওই ভদ্রলোক তাকে বলেন, “আপনার চেহারার সঙ্গে এক ব্রাজিলীয় মডেলের খুব মিল রয়েছে। তিনি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দামী মডেল হিসেবে পরিচিত।” এই কথা বলার পর সোনুকে মডেলিং করার পরামর্শ দেন ওই বিদেশি ভদ্রলোক।
এই কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েন সোনু। মডেলিং এর তো কিছুই তাঁর জানা নেই। কিন্তু বুকে সাহস সঞ্চয় করে একটি মডেলিং কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করেন তিনি এবং ৩০০ যুবক-যুবতির মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এরপর থেকেই শুরু হয় তাঁর মডেলিং জীবন। অধ্যবসায়, ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমের ফলে ‘জারা মেন’ এর সঙ্গে কাজ করা প্রথম ভারতীয় হিসেবে নিজের জায়গা করে নেন সোনু। সুযোগের সদ্ব্যবহার আর নিষ্ঠা সোনুকে আজ সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
15/03/2022
✅ 'মিস সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলিয়া' প্রতিযোগিতার প্রথম রানার আপ বাংলাদেশের সেজুতিঃ
দক্ষিণ এশিয়ার পোশাক- ঐতিহ্যের জমকালো এক উপস্থাপনার আয়োজন হয়ে গেল মেলবোর্নে। যার নাম দেয়া হয় 'মিস সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলিয়া'।
মেলবোর্নের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় মিস সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলিয়া প্রতিযোগিতা। এতে অংশ নেন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা কমিউনিটির মডেলরা।
মিস, মিসেস, মিজ এবং মিষ্টার, মোট চারটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতা।
এ বছর মিস সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলিয়া প্রতিযোগিতার মুকুট জিতেন নামিথা সুসান কুরিয়ান। তিনি ভারতীয় কমিউনিটি থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন।
প্রথম রানার আপ হন বাংলাদেশের মেয়ে সেজুতি ইসলাম। যিনি কিনা একই সাথে মিস বাংলাদেশ মুকুটও জিতেন।
মেলবোর্নে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী তানভীর হুসেইন হিমেল জিতেন মিষ্টার বাংলাদেশ খেতাব।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর প্রতিযোগিদের জন্যও ছিল মিষ্টার এবং মিস ক্যাটাগরিতে পদক জেতার সুযোগ।
সেজুতি বলেন, "অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসে, প্রথম রানার আপ হওয়ার খেতাব অর্জন সত্যিই আনন্দদায়ক, ভীষণ খুশি লাগছে।"
"বাংলাদেশেও মডেলিং করেছিলাম। এখানে আসার পর মাল্টিকালচারাল বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও মডেলিং করি।"
"এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত থাকলে আগামীতে মডেলিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী হবেন অভিবাসীরা," বলেছেন তানভীর।
অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার কমিউনিটি সদস্যরা সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নেন।
মিস সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলিয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডিলকি পেরেরাসহ মাল্টিকালচারাল এ্যাফেয়ার্সের ছায়া মন্ত্রী ইঙ্গা পুলিচ, সাবেক সংসদ সদস্য লিজ বিট্টি, সাবেক মেয়র জেনিফার ইয়াং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সেজুতি এবং হিমেল দু'জনই অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী শেষ করেছেন।
14/03/2022
✅ বাস্তবে কিছু মানুষ বাস্তবে সাপের মতো- স্পর্শিয়াঃ
অর্চিতা স্পর্শিয়া একজন বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী। মডেলিং ও টিভি বিজ্ঞাপন পাশাপাশি তিনি নাটকে অভিনয় করেও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। এয়ারটেল পরিচালিত ‘ইম্পসিবল ৫' এ অভিনয় করে ২০১৩ সালে অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
শনিবার ১২ মার্চ স্পর্শিয়া গলায় সাপ প্যাঁচানো দুটি ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ফেসবুক পেজে। ফনা তুলে তাকিয়ে আছে গলায় প্যাঁচানো বিশাল গোখরা সাপ! এমন দৃশ্য দেখলে যে কারও গা শিওরে উঠবে। কিন্তু মোটেও বিচলিত নন অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। বরং হাসি মুখে সাপটিকে গলায় পেঁচিয়ে রেখেছেন তিনি। ছবি দুটির ক্যাপশনে স্পর্শিয়া লিখেছেন, বাস্তবে কিছু মানুষ সাপের মতো।
জানাগেছে ‘আইজ্যাক লিটন’ নামে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে তোলা এই ছবি। ওই সিরিজে সাপটি এই অভিনেত্রীর সহশিল্পী ছিল। গত মাসে ওয়েব সিরিজটির কাজ শেষ হয়েছে। সাপকে একদমই ভয় পান না স্পর্শিয়া। তার ভাষ্য, ‘সাপকে খুব একটা ভয় করে না। তবে প্রথমে করত। এর আগেও সাপের সাথে অনেক ছবি তুলেছি। তাই ভয় জিনিসটা চলে গেছে।
এ প্রসঙ্গে স্পর্শিয়া বলেন, আমাদের চারপাশে সাপের মতো চারিত্রিক বৈশিষ্টের অনেক মানুষ আছে। যারা সুযোগ পেলেই ছোবল দেয়। নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যদি বলি, কেউ সাপকে বিরক্ত করলে, শান্তি নষ্ট করলে আক্রমণ করে। আর ইতিবাচকভাবে বলতে গেলে, সাপকে বিরক্ত করবেন না, সাপও আপনাকে কিছু বলবে না।
অভিনয় শুরুর আগে স্পশিয়া টিভি বিজ্ঞাপন ও মডেলের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। তাঁর চলচিত্রের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে।
13/03/2022
✅ ঠাকুমা.. তোমার বয়স পেরিয়ে যায়নি আশি!
বিশ্বব্যাপী সাধারণত তরুণ-তরুণীরাই মডেলিং করে থাকেন৷ কিন্তু বেজিংয়েক ব়্যাম্পে দেখা গেল এক ভিন্ন ছবি৷ ষাটোর্ধ্ব চার বৃদ্ধার দৃষ্টিনন্দন মডেলিং নজর কেড়েছে আট থেকে আশির৷
বেজিংয়ে তাঁদের ‘গ্রাম্মা’ বলে ডাকেন সবাই। কয়েক বছর আগে কর্মজীবন থেকে অবসর হলেও থেমে যাননি তাঁরা। ৬৫ বছরের লিন ওয়েই, ৬৮ বছরের সুন ইয়াং, ৭০ বছর বয়সী ওয়াং জিংহু এবং ৭৪ বছরের বৃদ্ধা ওয়াং নিয়ানওয়েন এখনও মডেলিং করে চলেছেন৷ এই বুড়ো হাড়ে মডেলিং করেই তাঁরা এখন বিশ্বজুড়ে চর্চার বিষয় হয়েছেন।
শুধু স্টেজে নয়, ঠাকুমারা স্যোশাল মিডিয়াতেও রীতিমতো আলোড়ন তুলেছেন৷ তাঁদের মডেলিংয়ের একটি ভিডিও গত বছর বেশ সাড়া ফেলে৷ পনেরো সেকেন্ডের ভিডিওটি একদিনে প্রায় ৫০ মিলিয়ন বার দেখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
মডেলিং করেন বলে সাজতে হয় তাঁদের৷ বয়সের কথা ভেবে বসে থাকলে হয় না৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্টেজ শো-র প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ঠাকুমারা ৷ অপরূপ সাজ যেন হার মানায় বয়সকে৷ মডেলিং করতে গিয়ে তাঁরা নিজেদের বিভিন্নভাবে তুলে ধরেন৷ ছবিতে সুন ইয়ংবাড়তি মনোযোগ দিচ্ছেন চুলের ফ্যাশনে৷
বেজিংয়ের রাস্তায় সূর্যের ঝলমলে আলোয় নজরকাড়া এই প্রদর্শনীটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন সাংবাদিকেরা৷
বয়স নয়, মনের উজ্জ্বলতাই এই বয়সেও তাদের ঝলমলে থাকার মূলমন্ত্র৷ যদি মনে করেন আপনি বুড়ি হয়ে যাচ্ছেন, তাহলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন৷ আপনাকে সবসময় ইতিবাচকভাবে দেখতে হবে সবকিছু,’ বললেন লিন ওয়েই৷
12/03/2022
✅ স্যুটকেসের জন্য যুদ্ধের মুখোমুখিঃ
২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর মুহূর্তটার যাঁরা প্রত্যক্ষদর্শী, তাঁদেরই একজন লুবোভ কোসতান্দা। তিনি একজন ইউক্রেনীয় মডেল। এক বাংলাদেশি বন্ধুর বিয়েতে অংশ নিতে ২০১৬ সালে এ দেশে এসেছিলেন। সেবার প্রথম আলোর মঙ্গলবারের ক্রোড়পত্র ‘নকশা’র মডেলও হয়েছিলেন তিনি। ‘স্বপ্ন নিয়ে’ পাতাতেও আমরা তাঁর কথা লিখেছিলাম। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে লুবোভ কেমন আছেন, জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম ২৭ ফেব্রুয়ারি। মেসেঞ্জারের ও–প্রান্ত থেকে লুবোভ সেদিন লিখেছিলেন, ‘ইউক্রেনীয় কাগজপত্র নিয়ে আমি এই মুহূর্তে রাশিয়ায় আছি। মস্কো বিমানবন্দরে। এখানে কথা বলাটা নিরাপদ না। আমি কি তোমার সঙ্গে কাল কথা বলতে পারি?’ কথা ছিল সেদিনই রাশিয়া ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন লুবোভ। কিন্তু নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান ২ মার্চ। ধকল সামলে একটু থিতু হওয়ার পর ৬ মার্চ তাঁর সঙ্গে কথা হয়। আলাপের শুরুতেই লুবোভ বললেন, ‘তুমি সৌভাগ্যবান। এমন একজনের সঙ্গে কথা বলছ, যে চোখের সামনে যুদ্ধটা শুরু হতে দেখেছে।’ মো. সাইফুল্লাহকে সেই ঘটনারই বয়ান দিলেন লুবোভ কোসতান্দা।
তখন ভোর। বাসটা সবে ইউক্রেন আর ক্রিমিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্তে পৌঁছেছে। ঠিক সেই সময় ক্রিমিয়ার অংশ থেকে গুলি ছুড়তে শুরু করলেন রুশ সেনারা। সীমান্তের দুই প্রান্তে যাত্রীদের নেওয়ার জন্য যে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে ছিল, মুহূর্তের মধ্যে যে যার মতো পালিয়ে বাঁচল। হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম বাস থেকে নামা জনা বিশেক যাত্রী। আমরা তখনো বুঝতে পারিনি, চোখের সামনে মাত্রই একটা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে!
আমার কাজের জায়গা ইউক্রেন। সেদিন সীমান্ত পেরিয়ে ক্রিমিয়ার মা-বাবার কাছে যাচ্ছিলাম। এমন সময় এই গোলাগুলি। আমরা স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। এ রকম কিছু যে হতে পারে, ধারণাতেই ছিল না। প্রথমেই লাগেজ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বের করে হাতে নিলাম। তখনো ভোরের আলো ফোটেনি। অন্ধকারে ভালোমতো দেখার জন্য মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়েছি। পাশ থেকে কে যেন ধমকে উঠলেন, ‘খবরদার, আলো জ্বালিয়ো না! এখনো তো ফাঁকা গুলি ছুড়ছে। আলো দেখলে আমাদের দিকে গুলি করবে।’ কোনোমতে কাগজপত্র হাতে নিয়ে আমরা ছুটলাম। পেছনে পড়ে রইল আমার লাগেজ। ভেতরে জামাকাপড়, পারফিউম, গয়না, সব! কখনো হেঁটে, কখনো দৌড়ে প্রায় চার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ক্রিমিয়ার একটা লোকালয়ে পৌঁছালাম।
বাড়িতে ফোন করতেই কাঁচা ঘুমভাঙা বাবা প্রথমে আমার কথা কিছু বুঝতেই পারেননি। আমিই–বা কী বলব? মাথার ওপর দিয়ে তখন একের পর এক রকেট ছুটে যাচ্ছে, আর আমি প্রাণপণে ছুটছি। কোনোমতে শুধু বাবাকে বলেছিলাম, ‘জানি না বাঁচব কি না। আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। কিন্তু যদি সফল না হই, তোমরা জেনো, আমি তোমাদের ভালোবাসি।’
আমাদের সামনে শত শত ট্যাংক সার বেঁধে তখন ইউক্রেনে ঢুকতে শুরু করেছে। চেষ্টা করলে হয়তো মা-বাবার কাছে চলে যাওয়া যেত; কিন্তু বন্ধুরা বলল, ‘তোমার জন্য এখানে থাকাটা নিরাপদ না।’ কারণ, ক্রিমিয়ায় ঢুকেই রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের মুখোমুখি হয়েছিলাম। নানা রকম জেরার পর এই বাহিনীর সদস্যরা বলেছিল, ‘তোমার সব তথ্য আমাদের কাছে আছে। যেখানেই যাও না কেন, আমরা তোমাকে খুঁজে বের করব।’
অতএব ক্রিমিয়া ছাড়তেই হবে। অথচ ইউক্রেনে ফেরার মতো অবস্থাও নেই। বিকল্প তাই বাইরে চলে যাওয়া। বাসে করে তাই প্রথমে (ক্রিমিয়ার রাজধানী) সিমফারোপোল চলে গেলাম। সেখান থেকে রাশিয়ার ক্রাসনাদার। প্রথমে শুনলাম, নিউইয়র্কের ফ্লাইট ছাড়বে সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে। ফ্লাইট ধরে সেখানে গিয়ে শুনি, প্লেনটা মস্কো হয়ে নিউইয়র্ক যাবে। যা হোক, চড়লাম সেই প্লেনে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে তখন রুশ বিমান অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। মাঝ–আকাশ থেকে আমাদের ফেরত পাঠানো হলো। একই দিনে তৃতীয়বারের মতো নিজেকে মস্কো বিমানবন্দরে আবিষ্কার করলাম।
যুক্তরাষ্ট্র ততক্ষণে রুশ ব্যাংকগুলোর সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন করে তাই যুক্তরাষ্ট্রের বিমানের টিকিটও কাটতে পারছিলাম না। বহু কষ্টে মার্কিন বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে আবারও নিউইয়র্কের টিকিট কাটালাম। দ্বিতীয়বার আর সমস্যা হয়নি। কিরগিজস্তান হয়ে বিমান পৌঁছে যায় নিউইয়র্কে।
কঠিন পরিস্থিতির ইতিবাচক দিকও আছে। হয় নতুন কিছু শিখবেন, নয়তো নতুন কারও সঙ্গে আপনার পরিচয় হবে। আমার বেলায় দ্বিতীয়টা হয়েছিল। প্রথম ফ্লাইটে নিউইয়র্ক পৌঁছাতে না পারলেও মার্কিন বন্ধুদের মাধ্যমে ওই বিমানেরই কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয়ে যায়। সেই যাত্রীরাই পরে তাঁদের বাসায় আমাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। এখনো সেখানেই আছি।
এতসব কিছু হয়তো আমার জীবনে ঘটতই না। ঘটেছে স্রেফ একটি স্যুটকেসের জন্য। যেদিন যুদ্ধ শুরু হলো, তার আগের দিন আমার ক্রিমিয়ায় যাওয়ার কথা ছিল। যেতে পারিনি কারণ, একটা স্যুটকেস। স্যুটকেসটা ডেলিভারি হতে দেরি হয়েছে বলে আমার যাত্রাটা একদিন পিছিয়েছিল। আর সে কারণেই এতকিছু!
# সূত্রঃ প্রথম আলো প্রত্রিকা
10/03/2022
✅ বেলুন বিক্রেতা থেকে সুন্দরী মডেলঃ
ঘটনাটি ভারতের কেরালার। সেখানে অলি-গলিতে ঘুরে ঘুরে বেলুন বিক্রি করা সাধারণ তরুণী রাতারাতি হয়ে গেলেন সুন্দরী মডেল। অতি দরিদ্র পরিবারের মেয়ে হয়ে জীবনের তাগিদে অল্প বয়সেই রুটি-রুজির সন্ধানে কর্মে নামা কিসবু নামের সেই তরুণী এখন ইন্টারনেট সেনসেশন।
কিসবুর পাশে দাঁড়ানোর জন্য জনসাধারণের কাছে আর্জি জানিয়েছেন তার মা। কিসবুর আরও ভাল ভবিষ্যতের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। কাঞ্চন বলেন, “মেয়েকে উচ্চশিক্ষিত করতে চাই। ও যেন স্বনির্ভর হতে পারে। ভবিষ্যতে ওকে যেন বেলুন বিক্রির জীবন বেছে নিতে না হয়। এটাই আমার প্রার্থনা।”
খুব অল্প বয়সেই বাবাকে হারিয়েছে কিসবু। তারপর থেকে তার মা কাঞ্চন বেলুন বিক্রি করে সংসার চালানো শুরু করেন। মাকে সাহায্য করার জন্য নিজেও বেলুন বিক্রি করা শুরু করে কিসবু। বিভিন্ন পাড়া এবং মেলায় ঘুরে মায়ের সঙ্গে বেলুন বিক্রি করে সে। তেমনই কেরেলার কুন্নুরে একটি মেলায় গিয়েছিল কিসবু। ওই মেলাতেই ঘুরে ঘুরে ছবি তুলছিলেন এক ফোটোগ্রাফার। তখনই তার ক্যামেরায় ধরা পড়ে কিসবু।
ভাইরাল হওয়া পাকিস্তানি কিশোরী যে তার অদ্ভুত চাহনি এবং হাসিতে নেটাগরিকদের মন জয় করেছে, কুন্নুরের মেলায় আসা ফোটোগ্রাফারও কিসবু-র চাহনি একটা সৌন্দর্য খুঁজে পেয়েছিলেন। তার পরই কিসবুর মায়ের কাছে ওই ফোটোগ্রাফার যান এবং তার অনুমতি নিয়ে তার একটা ছবি ক্যামেরাবন্দি করে ফেলেন। নেটমাধ্যমে সেই ছবি শেয়ার করতেই ব্যাপক ভাইরাল হয়।
আর এখান থেকেই কিসবুর জীবনের মোড় নেয়ার কাহিনি শুরু। ‘সুন্দীর বেলুন বিক্রেতা’ এই নামে নেটমাধ্যমে কিসবুর ছবি নিয়ে যখন বিপুল আলোচনা চলছে তার ‘মেকআপ’-এর জন্য এগিয়ে আসে কুন্নুরেরই একটি বিউটি পার্লার। খোঁজ নিয়ে কিসবু ও তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিউটি পার্লারের মালিক। কিসবুর ‘মেকআপ’-এর ব্যবস্থা করেন। এবং এক জন পেশাদার ফোটোগ্রাফার এনে তার ছবি তোলান। সেই ‘মেকআপ’-এর ছবিই এখন নেটাগরিকদের মন কাড়ছে। রাতারাতি এক বেলুন বিক্রেতা কিশোরী এখন তারকা।
09/03/2022
✅ বাংলাদেশি শিল্পীর গানে আলজেরিয়ান মডেলঃ
প্রবাসী শিল্পী আশরাফুল পাভেলের প্রকাশিত গানটির শিরোনাম 'যাইমু লং ড্রাইবো'। গানটির কথা ও সুর করেছেন আশরাফুল পাভেল ও সাবজ। সঙ্গীতায়োজনে ছিলেন আশরাফুল পাভেল নিজেই। গানটি প্রকাশ করেছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন।
মজার বিষয় হচ্ছে গানটির শিল্পী বাংলাদেশী হলেও এর ভিডিওতে মডেল হয়েছেন আলজেরিয়ান জনপ্রিয় তারকা মডেল মৌনা। তার সঙ্গে শিল্পীও আছেন। কানাডার মনরোম লোকেশনে চিত্রায়ন করে গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন ওবাই সাম্মির।
‘যাইমু লং ড্রাইবো’ নিয়ে পাভেল বলেন, গানটি গতানুগতিক বাংলা গানগুলো থেকে একটু আলাদা। আমি বাংলা গানকে বিশ্বমানের করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি নিয়মিত। গানের কথা, সুর এবং সঙ্গীতায়োজনে ভিন্নতা পেয়েছেন শ্রোতা। আর ভিডিও চিত্রায়ন ও লোকেশন মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। প্রকাশের পর অনেকেরই প্রশংসা পাচ্ছি। আশাকরি সব শ্রেনীর শ্রোতা-দর্শক পছন্দ করবেন ‘যাইমু লং ড্রাইবো’।
গানটি মূলত আধুনিক কথার সাথে আঞ্চলিকতার মিশেল। যা ইতোমধ্যেই শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে।
ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলের পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাচ্ছে জিপি মিউজিক, বাংলালিংক ভাইব, রবি স্প্ল্যাশ এবং স্বাধীন মিউজিক অ্যাপ এ।
08/03/2022
✅ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস, গুরুত্ব ও চলতি বছরের থিমঃ
প্রতি বছর মার্চ মাসের ৮ তারিখ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। লিঙ্গবৈষম্য দূর করে নারীর প্রতি সম্মান ও সমানাধিকার জানাতেই দিবসটি উদযাপিত হয়। চলতি বছরেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। এটি এমন একটা দিন, যা সূচনাপর্ব থেকে জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে নারীদের সম্মানের কথা মনে করিয়ে দেয়।
এমনকি প্রতি বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের একটি থিম থাকে। কিন্তু আমরা এখনো অনেকেই এই নারী দিবসের এ বছরের থিম, ইতিহাস ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানি না।
আসুন জেনে নিই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এ বছরের থিম, ইতিহাস ও গুরুত্ব সম্পর্কে-
➡️ ইতিহাস:
আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টি ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতীয় নারীদিবসের আয়োজন করে। এর প্রস্তাব দিয়েছিলেন শ্রমকর্মী থেরেসা মালকিয়েল। শহরের গার্মেন্টস শ্রমিকদের এক প্রতিবাদ স্বরূপ শুরু হয়েছিল এই দিনটির যাত্রা। ১৯১০-এ আমেরিকান সমাজতন্ত্রীদের থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে জার্মান প্রতিনিধিরা নারীদিবস পালন করেন। জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে নারীদিবস উদযাপন শুরু করে এবং ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৮ মার্চ দিনটিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তখন থেকেই দিনটি উদযাপন হচ্ছে।
➡️ গুরুত্ব:
লিঙ্গবৈষম্য দূর করার জন্য এই দিনটি পালিত হয়। শিল্প-সাহিত্যসহ সব ধরনের ক্ষেত্রে এবং সমাজের সমস্ত কাজে নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই এই দিনটি পালিত হয়।
➡️ চলতি বছরের থিম:
প্রতি বছরের মতো এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের একটি থিম রয়েছে। এবারের থিম বৈষম্যকে দূরে ঠেলে ‘সুন্দর আগামীর জন্য লিঙ্গসাম্য বজায় রাখা'। ইংরেজিতে ‘Gender equality today for a sustainable tomorrow’। এই মুহূর্তে পরিবেশ সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে উঠেছে। সেই পরিবেশ আন্দোলন এবং সচেতনতার কাজে নারীদের ভূমিকাকেই সম্মান জানানো হচ্ছে এবছর।
07/03/2022
✅ ‘টপ মডেল’ এবার বাংলাদেশে, সমন্বয়ক প্রিয়তিঃ
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মডেল অনুসন্ধান এবং ফ্যাশন ইভেন্ট ‘টপ মডেলে’ প্রথমবার অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে এরই মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, নির্দিষ্ট ফি দিয়ে পাঁচটি বিভাগে নারী ও পুরুষ মডেলরা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সামগ্রিকভাবে বিজয়ী একজন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাবেন চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় লন্ডলের মূল আয়োজনে।
এই আয়োজনের সমন্বয়ক ২০২১ সালের যুক্তরাজ্য টপ মডেল নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইরিশ মডেল-অভিনেত্রী মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি। তিনি বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এই আয়োজন পুরুষ ও মহিলাদের জন্য জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে মডেল হওয়ার জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম হবে।’
২০০৭ সাল থেকে লন্ডনে এই মডেল অনুসন্ধান এবং ফ্যাশন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
‘টপ মডেলে’ নিবন্ধন ও বিস্তারিত জানতে ভিটিজ করুন :
Home | Top Model Bangladesh Will You Be Our Next Top Model? Top Model Bangladesh is a model search and fashion designer show case and competition.
06/03/2022
✅ টিকটক থেকে ভারতের সরকারি বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশি লুবাবাঃ
নিয়মিত টিকটকে পারফর্ম করে প্রশংসিত হয়েছে শিশু শিল্পী সিমরিন লুবাবা। দেখা গেছে দেশের বেশ
কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও। সম্প্রতি টিকটকের সুবাদে ভারতের রাজস্থান সরকারের একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছে লুবাবা।
করোনা নিয়ে জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপনটি এখন প্রচার হচ্ছে রাজস্থানের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সামাজিক মাধ্যমে। এটি নির্মাণ করেছেন প্রদীপ বি খাইরা। লুবাবা ছাড়াও এতে অংশ নিয়েছেন ভারতের বেশ ক’জন শিশুশিল্পী।
লুবাবা বলেন, আমি টিকটকের পাশাপাশি বিভিন্ন হিন্দি গানে পারফর্ম করে ফেসবুকে আপলোড করি। মাঝে তেরি মিট্টি নামের একটি হিন্দি গানের পারফর্ম বেশ ভাইরাল হয়। সেটি প্রদীপ আংকেলের নজরে আসে। এরপর তিনি আমাকে ফেসবুকে নক করেন। আরো কিছু কাজ চেয়ে মেসেজ করেন। কাজগুলো পাঠালে তার খুব পছন্দ হয়।
লুবাবা আরো বলেন, কাজগুলো দেখে আংকেল আমাকে তামিল ছবিতে অভিনয় করার প্রস্তাব দেন। ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য থাকায়, মা রাজি হননি। পরে এই বিজ্ঞাপনের প্রস্তাবে রাজি হয়ে কাজটি করি।
প্রসঙ্গত, সিমরিন লুবাবা জনপ্রিয় অভিনেতা আবদুল কাদেরের নাতনী। সে ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রী। এর আগে, লুবাবা বসুন্ধরা এলপি গ্যাস, ভিম লিকুইড, লাইফবয়সহ একাধিক বাংলাদেশি পণ্যের মডেল হয়েছে।
05/03/2022
✅ বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপনের মডেল সোনাক্ষিঃ
প্রথমবারের মতো শীর্ষস্থানীয় কোনো বলিউড তারকা বাংলাদেশি পণ্যের মডেল হলেন। তিনি বলিউডের ‘দাবাং’ খ্যাত অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহা।
বলিউডের আবেদনময়ী এই নায়িকাকে দেখা গেল বাংলাদেশের জনপ্রিয় কোমল পানীয় ‘প্রাণ ফ্রুটো’র নতুন বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে।
সোনাক্ষির উপস্থিতিতে ৫২ সেকেন্ডের এ বিজ্ঞাপনটি প্রাণ ফ্রুটো’র অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) অবমুক্ত করা হয়। বিজ্ঞাপনটি পুরোপুরি জিঙ্গেল নির্ভর ও মাস্তিতে ভরপুর।
বেশ কিছুদিন ধরে সোনাক্ষি সিনহা অভিনীত প্রাণ ফ্রুটো’র এই বিজ্ঞাপনে ইন্ডিয়ান বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে। বিজ্ঞাপনটি বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যানেলেও প্রচার হতে দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশে প্রাণ ফ্রুটোর বিজ্ঞাপনটি করে রাউডি রাঠোড়, হিম্মতওয়ালা, লুটেরা ছবির এ নায়িকা নিজেও উচ্ছ্বসিত তা প্রমাণ মিললো সোনাক্ষির ভেরিফায়েড ফ্যান পেজ দেখে। সেখানে তার কাভার ফটোতে এ বিজ্ঞাপনের একটি ছবি তিনি দিয়ে রেখেছেন।
বিজ্ঞাপনটির শুটিং হয়েছে ভারতে।
03/03/2022
✅ ইমামির পণ্যদূত হলেন মারিয়া মিমঃ
মডেল-অভিনেত্রী মারিয়া মিমকে আগামীতে ভারতের পণ্য ইমামি বোরোপ্লাসের বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে। তিনি ইমামির বোরোপ্লাস পারফেক্ট ডার্মা পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করবেন। সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চুক্তি হয়েছে।
মারিয়া মিম বলেন, ‘ভালো লাগছে, একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আশা করছি, ভালো কাজ হবে।’
মারিয়া মিম জানিয়েছেন, শুরুতে বিলবোর্ডের ফটোশুট হবে। তারপর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য কাজ হবে। এর আগে ইমামি বোরোপ্লাসের মডেল হিসেবে বলিউড তারকা কারিনা কাপুর, পরিণীতি চোপড়া, কঙ্গনা রনৌত কাজ করেছেন।
মারিয়া মিম এর আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড, যেমন—ওয়ালটন, টপ টেন মার্ট, টিভিএস বাইক, সিটি ব্যাংক ইত্যাদির মডেল হয়েছেন। মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন মারিয়া।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Road 09 House 1015 Avenue 10
Dhaka