dakgharnews.com

dakgharnews.com

Share

dakgharnews.com is a popular bangla news portal in Bangladesh

21/05/2026

শিশু রামিসা হত্যা নিয়ে যা বললেন
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো.রুহুল কুদ্দুস কাজল

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার বিচার দ্রুত সময়ের মধ্যে করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, এমন নির্মম ঘটনার বিচার যত দ্রুত হবে, বিচারব্যবস্থার প্রতি দেশের মানুষের আস্থা তত ফিরে আসবে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সুপ্রিম কোর্টে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই আইন কর্মকর্তা এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দ্রুত বিচার পাওয়া যেকোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। আমি মনে করি, এই রকম একটা নির্মম ঘটনার বিচার যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা যাবে, আমাদের বিচার ও বিচারব্যবস্থার প্রতি দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা তত বৃদ্ধি পাবে।

হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই ধরনের মর্মান্তিক ও স্পর্শকাতর ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে, ভবিষ্যতে সমাজ থেকে এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করা যাবে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে নিজ ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) আদালতে হাজির করা হলে মূল আসামি সোহেল রানা নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে মামলার আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

21/05/2026

28/04/2026

কি দরকার ছিল নিজে এই উপাধিটা মনে করিয়ে দেয়ার!

06/04/2026

যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন অর্ন্তবর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ওয়ান-ইলেভেনের সময়কার নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম অনুকুশীলব, কুচক্রীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে যোগাযোগ রক্ষা করা, বিএনপি ভাঙার অপচেষ্টা ও অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া সদ্য বিদায়ি অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে তাঁর পুত্র এম সাফাক হোসেনের একচ্ছত্র প্রভাবে বন্দরে অচলাবস্থার সৃষ্টির বিষয়গুলো নিয়েও তদন্ত হবে বলে জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

ওয়ান-ইলেভেনের সময় সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন নির্বাচন কমিশনের প্রভাবশালী কমিশনার। সম্প্রতি লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তারের পর সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মূলত মইন, মাসুদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নির্বাচন কমিশনের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার দায়িত্ব ছিল কমিশনের পক্ষে কুচক্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা।

তারা যেভাবে নির্দেশনা দিতেন তা বাস্তবায়ন করা। সে সময় বিএনপিকে ভাঙার অপচেষ্টার নেতৃত্বও তিনিই দিয়েছিলেন। সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ হলো ২০০৮-এর নির্বাচনে বিএনপিকে পরাজিত করতে যে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানো হয়, সেগুলো তার তত্ত্বাবধানেই হয়েছিল। ব্যালটের ডিজাইনসহ অন্যান্য প্রিন্টিং তথ্য-উপাত্ত লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে তিনি সরবরাহ করেছিলেন।

শেখ মামুন তখন ডিজিএফআইয়ের পরিচালক ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ড. এ টি এম শামসুল হুদা ও অপর কমিশনার ছিলেন মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন। সচিব ছিলেন হুমায়ূন কবির। মইন, মাসুদদের প্রভাবে এই তিনজনকে সব সময় চাপে রাখতেন সাখাওয়াত। সে কারণে সাখাওয়াতের সিদ্ধান্তের বাইরে তাদের কিছুই করার ছিল না।

এ সময় ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রকল্পের পিডি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। যুগ্ম সচিব ছিলেন ড. রফিকুল ইসলাম। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা কমিশনে এই দুইজনকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়। সূত্র জানিয়েছে, ওয়ান-ইলেভেনের সময় মইন, মাসুদ ও শেখ মামুনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে যেসব অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করতে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাখাওয়াত হোসেন। বর্তমানে তিনি গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন বলেও একাধিক সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছে।
বিগত অর্ন্তবর্তী সরকারের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়ান-ইলেভেনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেনের অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে অর্ন্তবর্তী সরকারে তাকে উপদেষ্টা করা হয়। কিন্তু একপর্যায়ে নানান কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তায় সরকার বিব্রত হলে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং পদত্যাগের হুমকি দেন। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন স্পর্শকাতর দপ্তরে তার কর্মকাণ্ডের কিছু তথ্যপ্রমাণ থাকার কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার কিচেন কেবিনেটের সদস্যরা তাকে আর আস্থায় নিতে পারেননি। সে কারণে নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো আলোচনায়ও তাকে রাখা হয়নি। অবশ্য কিচেন কেবিনেট ও নির্বাচনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তাকে না রাখার ব্যাপারে তিনি নিজেই সম্প্রতি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে তথ্য প্রকাশ করেছেন। সেই সাক্ষাৎকার প্রচারিত হওয়ার পর অন্য উপদেষ্টারা তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ হন। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশ না করে একজন সাবেক উপদেষ্টা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় বিএনপির বিরুদ্ধে ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন যা করেছেন, সেগুলো থেকে বাঁচার জন্য তিনি অর্ন্তবর্তী সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো বক্তব্য দিয়ে বিএনপির কাছে ভালো থাকার অপচেষ্টা করেছেন।’

এদিকে অর্ন্তবর্তী সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেনকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পর তার পুত্র এম সাফাক হোসেন মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করতেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডেও সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক ছিল সাফাক হোসেনের। তার নেপথ্য নেতৃত্বেই চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হয়। এ কাজ করার জন্য অনেক বড় লেনদেন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বে-টার্মিনালের পরিবহন টার্মিনাল প্রকল্পের মাটি ভরাট, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অন্যান্য কাজের সব নিয়ন্ত্রণ করেন সাফাক হোসেন। তালতলা ইয়ার্ড নির্মাণের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন সাফাক হোসেন। চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেটে ক্যামিক্যাল শেড নির্মাণকাজেও হস্তক্ষেপ করেন সাফাক। চট্টগ্রাম বন্দরের প্রতিটা সিভিল কাজের জন্য ৫ শতাংশ, ডিপিএমের (সরাসরি টেন্ডার পদ্ধতি) জন্য ১০ শতাংশ কমিশন নিতেন সাফাক। যন্ত্রাংশ ক্রয়ে অনিয়মে জড়িত ছিলেন উপদেষ্টাপুত্র। তিনি কাজের ধরনভেদে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমিশন নিতেন। সাখাওয়াতপুত্রের নানান দুর্নীতির খবর এখন চট্টগ্রাম বন্দরে সবার মুখে মুখে। এসব অভিযোগও তদন্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

02/04/2026

সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসছে বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও রাষ্ট্রীয় অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা।

জিজ্ঞাসাবাদে ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে দায় চাপাচ্ছেন অন্যদের উপর। তবে তিনি বিএনপি নেতাকে গুম, নেপথ্য, কারা জড়িত এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিচ্ছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টদের। ডিবি তার দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই করছে।

শেখ মামুন খালেদ গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, গুম করার সংকেত আগেই দেয়া হয়েছিল। ইলিয়াস আলী টিপাইমুখ বাঁধ এবং পার্শ্ববর্তী একটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এই বাঁধ ও চুক্তি ওই দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইলিয়াস আলী এর বিরুদ্ধে গিয়ে আন্দোলনও করেছিলেন। এরপরই সরকারের রোষানলে পড়েন।

তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ইলিয়াস আলীকে সরিয়ে দেয়া হয়। শেখ হাসিনা তৎকালীন ডিজিএফআই প্রধান ও র‌্যাব এর মহাপরিচালককে গুমের মিশন বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন। গুমের পুরো প্রক্রিয়া রেকি ও বাস্তবায়ন করে র‌্যাব-১। আর র‌্যাবকে সহযোগিতা করে ডিজিএফআইয়ের কিছু কর্মকর্তা। সবচেয়ে বড় ভূমিকা ও ইলিয়াস আলী গুম মিশনের নেতৃত্ব দেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান।

শেখ হাসিনা ঘটনার আগে পরে জিয়াউলের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেন। সব প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালককে বনানী থেকে গুম করে নেয়া হয় র‌্যাব-১ সদর দপ্তরে। সেখানে ইলিয়াসকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে মারধর করা হয়। গোয়েন্দাদের সূত্র জানিয়েছে, তুলে নেয়ার পর ১৭ থেকে ২০শে এপ্রিলের কোনো এক রাতে ইলিয়াস আলীকে হত্যা করে ধলেশ্বরী নদীতে লাশ ফেলে দেয়া হতে পারে।

অন্যদিকে গুম হওয়া স্বামীর সন্ধান চেয়ে ২১শে এপ্রিল ইলিয়াসপত্নী সন্তানদের নিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। পরে শেখ হাসিনা জিয়াউল আহসানকে ফোন দিলে ইলিয়াস আলীকে চূড়ান্ত গুম করার ইঙ্গিত দেন ওই কর্মকর্তা।

এদিকে সরকারের নির্দেশনায় ইলিয়াস আলীকে গুম করা নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তারের পর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে ফের সাতদিনের রিমান্ড চান তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

আদালত আবার তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ জানান, ইলিয়াস আলীকে গুম করার জন্য কাজ করে ডিজিএফআই ও র‌্যাব’র একটি বিশেষ টিম। তাদের আগে থেকেই ব্রিফ করে তৈরি করা হয়েছিল। সার্বিকভাবে দিকনির্দেশনা মামুন খালেদ নিজেই দিয়েছিলেন।

ইতিমধ্যে আলোচিত এই গুম নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার পর গুমের সঙ্গে জড়িত র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের সকল সদস্যকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যদিও তাদের কেউ কেউ দেশত্যাগ করেছেন। কেউ আগেই গা-ঢাকা দিয়েছেন। কেউ অবসরে গেছেন। অনেকেই এখনো চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছেন।

মামুন খালেদ জানিয়েছেন, ইলিয়াস আলী গুম মিশনে ডিজিএফআইতে কর্মরত দু’জন মেজর প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিলেন। আর ইলিয়াস গুমের বিষয়ে অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষপদধারীরা অবগত ছিলেন।

গুমের স্বীকার বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী বেঁচে আছেন নাকি তাকে মারা হয়েছে এমন প্রশ্ন চৌদ্দ বছর ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে তার কর্মী, সমর্থক ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। কিন্তু সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কেউ দিতে পারেনি। রাষ্ট্রীয়ভাবে এ নিয়ে কিছু বলা হয়নি।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তো উত্তর মিলেনি বরং ওই সময় ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে কোনো তদন্তই হয়নি বলে দাবি করেছেন তার পরিবার ও বিএনপি। একটি পক্ষ আগেই ধারণা করেছিলেন ইলিয়াস আলীকে হত্যা করা হয়েছে। আর আরেকটি পক্ষ মনে করতেন ইলিয়াস বেঁচে আছেন এবং তিনি ফিরবেন। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের পর ডিজিএফআই নিয়ন্ত্রণাধীন আয়নাঘর খ্যাত বন্দিশালা থেকে গুমের শিকার অনেকেই মুক্তি পান। তখনো ইলিয়াস আলী ফিরেননি।

এরপর থেকে তার ফিরে আসার আশা একেবারেই ক্ষীণ হয়ে আসে। সর্বশেষ জাতীয় সংসদে ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনাও এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, আমার স্বামী ইলিয়াস আলী কোথায়?

তদন্ত সূত্র জানায়, ঘটনার রাতে সন্ধ্যার পর থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ইলিয়াস আলী তৎকালীন শেরাটন হোটেলে (বর্তমান ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল) বসে মিটিং করছিলেন। রাত ১১টার দিকে তিনি নেতাকর্মীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তখন থেকেই তাকে অনুসরণ করছিল জিয়াউল আহসানের গুম স্কোয়াডের এক সদস্য।

তিনি একটু পর পর ইলিয়াস আলীর গাড়ির অবস্থান জিয়াকে জানিয়ে দেন। মহাখালী পৌঁছার পর ইলিয়াস আলীর গাড়ি সরাসরি অনুসরণ শুরু করে জিয়ার টিম। মহাখালী থেকে বনানীর ২ নম্বর সড়কে যাওয়ার পর গাড়িকে ধাক্কা দিয়ে থামানোর পর ড্রাইভার আনসারসহ ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করে এই টিমের সদস্যরা। তারপর সেখান থেকে নেয়া হয় র‌্যাব-১ সদর দপ্তরে।

28/03/2026

কি মারাত্মক দুর্ঘটনা!

26/03/2026

মা, বড় বোন, ভাগ্নিকে নিয়ে ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে মাস্টার্সের ছাত্র আহনাফ রাইয়ান।

ডাক্তার বড় বোন নুসরাত জাহান খান সাবা বেঁচে ফিরলেও এখনও নিখোঁজ আহনাফ রাইয়ান ও তার সাত বছরের ভাগ্নি। এ দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তার মা রেহেনা আক্তার (৫৯)।

আহনাফ রাইয়ান রাজবাড়ীর ভবানীপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

রাইয়ানের মামা আওয়াল আনোয়ার জানান, ঈদের ছুটি শেষে তার বোন রেহেনা আক্তার, ভাগ্নে রাইয়ান, ভাগ্নি ডা. সাবা এবং লোপার সাত বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে রাজবাড়ী থেকে ঢাকার বাসায় যাচ্ছিল। তার ভাগ্নি বাস থেকে বের হতে পারলেও আর কেউ বের হতে পারেনি। তার বোন রেহেনা আক্তারের মৃতদেহ পেয়েছেন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ভাগ্নে আহনাফ রাইয়ান ও সাত বছরের নাতনী।

নিখোঁজ আহনাফ রাইয়ান রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। স্কুলজীবন থেকেই তিনি বিতর্ক চর্চা করতেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও বিতর্ক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। তার নিখোঁজের খবরে রাজবাড়ীর বিতর্ক অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই রাইয়ান অনেক মেধাবী ছিল। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালীন সে বিতর্ক করে। বিশ্ববিদ্যালয়েও সে ভালো বিতর্ক করত। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। তাকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল।

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ও তার স্ত্রী মুক্তা খানম (৪৫) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। জাহাঙ্গীর আলম পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে। তাদের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলমের স্বজন মাহবুবুর রহমান জানান, জাহাঙ্গীর আলম সম্পর্কে তার চাচা শ্বশুর। তার চাচা শ্বশুর ও চাচী শাশুড়ি ঢাকায় ডাক্তার দেখানোর জন্য কালুখালী থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনে ওঠেন। এখনও তাদের কোনো খোঁজ তারা পাননি।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে রাজবাড়ী থেকে ১৪ জন যাত্রী উঠেছিল, যাদের অনেকেই এখনও নিখোঁজ। এর মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী বাজারের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শরীফের পরিবারের পাঁচজন সদস্য, রাজবাড়ী শহরের বাসিন্দা কাজী সাইফ রয়েছেন।

দৌলতদিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩নং ফেরিঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় পদ্মায় পড়ে যায়। বাসটি যেখানে পড়ে সেখানে নদীর গভীরতা অনেক বেশি। ফেরিঘাটের কাছে থাকা উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা খবর পেয়ে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। এখন পর্যন্ত ডুবন্ত বাসটি উদ্ধার করা যায়নি।
#দৌলদিয়া

25/03/2026

চোখের সামনে মেয়ের মৃ*ত্যু দেখে পাগলপ্রায় বাবা। স্ত্রীকে কি করে বলবেন আদরের মেয়ে আর নেই! বাস ডুবে যাওয়ার পর কয়েকজন ভেসে উঠলেও, এই বাবার কলিজার টুকরা মেয়েটি বেঁচে ফেরেনি।

আজকের ফেরি থেকে পড়ে বাসডুবির ঘটনার আদরের মেয়েকে হারিয়ে পাগলপ্রায় এই বাবা। ভাগ্যের কি নি*র্ম*ম পরিহাস। মেয়েকে বাসে বসিয়ে তিনি বাইরে বের হয়েছিলেন ফেরিটি ঘাটে এসেছে কিনা তা দেখতে। আর মুহূর্তেই বাস প্লাটুন থেকে পড়ে পানিতে ডুবে যায়।

আর এই লোকটার চোখের সামনেই এমন ঘটনা ঘটেছে, তিনি বাসের পেছনে পাগলের মতো দৌড়েও কন্যাকে বাঁচাতে পারেননি। দিকভ্রান্ত হয়ে ছুটেছেন। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা, বাস ডুবে যাওয়ার পর কয়েকজন ভেসে উঠলেও এই বাবার কলিজার টুকরা মেয়েটি বেঁচে ফেরেনি। সন্তানের লা*শ পর্যন্ত এখনো পাননি এই বাবা।

বাবার কাধে সন্তানের লা*শ। এই ভার আল্লাহর জমিনে আর কোনো বাবার নসিবে না হোক। এদিকে লোকটির স্ত্রী এখনো জানেন না তার মেয়েটি মা*রা গেছে। আহ! ভাবতেই শরীরে কা*টা দেয়। আল্লাহ সহায় হোন। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।

20/03/2026

জীবন বাজি রেখে ঈদে বাড়ি যেতেই হবে!

17/03/2026

নিহতের গুঞ্জন উড়িয়ে প্রকাশ্যে এসেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কফি হাতে তিনি বললেন, ‘আই এম ডেড... ফর কফি’।

রোববার (১৫ মার্চ) একটি ক্যাফেতে করা ভিডিও নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশ করেছেন তিনি।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ক্যাফেতে কফি অর্ডার করছেন নেতানিয়াহু। হিব্রুতে রসিকতা করে তিনি বলেন, ‘আই অ্যাম ডেড... ফর কফি’।

এরপর উভয় হাত ক্যামেরার সামনে তুলে ধরে আঙুল গুনতে বলেন, ‘তুমি কি আমার আঙুল গুনতে চাও? দেখো, এখানে, আর এখানে। খুব সুন্দর।’

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Address: House# 1/E/12, Road# 7/A, Dhanmondi Sat Mosque Road, Dhaka-1209, Phone, News Room : +880-1684948363
Dhaka