The Silent Talks
This page provide you various entrainments, Motivational, Educational story, quotes, photos etc. Stay connect with us. Thank you
কারো জীবনে সুখের অংশ হওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। চাইলেই মানুষের জীবনের দুঃখের অংশ হওয়া যায়, কিন্তু সুখের অংশ হওয়া যায় না। সুখের অংশ হতে ক্ষমতা দরকার।যখন আপনি কারো জীবনের সুখ, তখন আপনি নিজেও জানেন না আপনি কতটা সৌভাগ্যবান।
©SJK
বাংলাদেশের চোর বাদ দিলে মানুষ পাওয়া দুষ্কর।
আপনি গার্মেন্টস শ্রমিকদের চাকুরির ভয় দেখান??
এখন যদি উল্টা শ্রমিকরা জব ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখায় তাহলে পারবেন তো সামলাতে??
শ্রমিক কিন্তু একজন..
গার্মেন্টস কিন্তু একটা প্রতিষ্ঠান..
জব ছাড়লে একজন শ্রমিকের ১০-১৫ হাজার টাকার ক্ষতি হবে আর গার্মেন্টস বন্ধ কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে, কয়েক হাজার বাড়ি ওয়ালা ভাড়াটিয়া এর অভাবে ফকির হবে,কয়েক হাজার মার্কেট বন্ধ হবে (সাভার, আশুলিয়া, গাজিপুর) এলাকার কয়েক হাজার পরিবহন বন্ধ হবে যে গুলো এই গার্মেন্টস পন্য পরিবহন করত।
কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো
১/ নোকিয়া কোম্পানির মালিকানা বিক্রি হয়েছে নিঃস্ব হয়েছে কোম্পানির মালিক শ্রমিকরা ঠিকই কাজ জুটিয়ে নিয়েছে
২/ কোডাক কোম্পানি বন্ধ হয়েছে শ্রমিকরা ঠিকই কাজ জুটিয়ে নিয়েছে
৩/ টয়োটা কোম্পানি বিক্রি হয়েছে শ্রমিকরা ঠিকই কাজ জুটিয়ে নিয়েছে
৪/ আদমজী জুটমিল বন্ধ হয়েছে শ্রমিকরা ঠিকই কাজ জুটিয়ে নিয়েছে
৫/ এমনকি বিশ্বের প্রথম কোম্পানি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বন্ধ হয়েছে শ্রমিকরা ঠিকই কাজ জুটিয়ে নিয়েছে।
৬/আপনি ক্ষমতায় আসার পরে বাংলাদেশের 24 টি জুট মিল একসাথে বন্ধ করে দিয়েছেন ওই 24 টি জুট মিলের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ছিলো তাদের পরিবারের চার থেকে ছয় জন সদস্য আছে কেও কি শুনেছেন না খেয়ে মরে গেছে
৭/ সেই চার থেকে ছয় জন সদস্যের মধ্যে আমি একজন সদস্য আপনি কি পেযরেছেন তাদের বকেয়া পাওনা দেনা শোধ করে দিতে
বিঃদ্রঃ শ্রমিকদের ও যেমন কাজের দরকার আপনার ও তেমন শ্রমিক দরকার নইলে আপনার প্রতিষ্ঠান আপনাকে একাই চালাতে হবে সুতরাং ভয় দেখাবেন না।
-সংগ্রহিত
মানুষের স্বার্থপরতা আজ যেকোন সময় থেকে চরমে পৌছেছে। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য মানুষ অপরের ক্ষতি এমনকি মৃত্যু কামনা করতেও পিছুপা হয় না। মানুষ ভুলেই গিয়েছে সে সংঘবদ্ধ জীব। সে অন্যের খারাপ চিন্তা করলে সেটার প্রতিক্রিয়া কোনো না কোনোভাবে তার নিজের উপর পড়বেই।
প্রেম ভালোবাসায় আপনি যত লয়্যাল থাকবেন ততই সমস্যা। অপরপক্ষ ঠিক তত বেশিই ঝামেলা করবে। আর যদি আপনি লয়্যাল না থাকেন পাঁচ-দশটা যাস্ট ফ্রেন্ডস নিয়ে খাও-দাও ফুর্তি কর টাইপ হন তাহলে কেউ কিছু বলতে আসবে না৷ এটা ছেলে মেয়ে যেই লয়্যাল থাকুক তার জন্যই প্রযোজ্য।
29/04/2022
বিশ্বের একমাত্র একাকী তিমি-
মোটামুটি সব তিমিই একা একা থাকতে পছন্দ করে। কিন্তু জীবনচক্রের একটা সময়ে তাদের সঙ্গী থাকে। কিন্তু বিশ্বের একমাত্র একটি মেয়ে তিমি যার কোনো সঙ্গী নেই, বন্ধুবান্ধব নেই।
2004 সালে, নিউ ইয়র্ক টাইমস বিশ্বের একাকী তিমি সম্পর্কে একটি নিবন্ধ লিখেছিল। বিজ্ঞানীরা 1992 সাল থেকে তাকে ট্র্যাক করছেন এবং তারা সমস্যাটি আবিষ্কার করেছেন:
সে অন্য কোনো বেলিন তিমির মতো নয়। অন্য সব তিমি থেকে ভিন্ন, তার বন্ধু নেই। তার কোন পরিবার নেই। সে কোনো উপজাতি, প্যাক বা গ্যাংভুক্ত নন। তার কোন প্রেমিক নেই। কখনো ছিলোও না।
তার গানের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সেটার সুর দুই থেকে ছয়টা কলে আসে , প্রতিটি পাঁচ থেকে ছয় সেকেন্ড স্থায়ী হয়। কিন্তু তার কণ্ঠস্বর অন্য কোনো বেলিন তিমির মতো নয়। এই তিমিটি অনন্য।
অন্যান্য ধরনের তিমি যেখানে 12 এবং 25hz এর মধ্যে যোগাযোগ করে, সে সেখানে 52hz এ শব্দ তৈরি করে। এরজন্য অন্য কোন তিমি তার কথা শুনতে পায় না। এই তিমিটিকে মাঝে মাঝে 52Hz তিমিও বলা হয়ে থাকে।
তার ডাক অন্য তিমিরা শুনতে পায়না বলেই যোগাযোগের জন্য তার প্রতিটি মরিয়া ডাকের উত্তর সে পায় না৷ তার প্রতিটি কান্না উপেক্ষিত হয়।
প্রতিটি একাকী নিঃসঙ্গ গানের সাথে, সে আরও দুঃখী এবং আরও হতাশ হয়ে ওঠে।।
একবার চিন্তা করুন তো, বিশাল এক স্তন্যপায়ী প্রাণী, একা ভাসছে এবং গান গাচ্ছে—এটি যে কোনো প্রাণীর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।
বছরের পর বছর তাকে নিঃসঙ্গ এক জীবন কাটাতে হয়।
©এই পোষ্টে বিজ্ঞান কই
05/03/2022
Transformation after 20 days💔
কেউ তোমায় ছেড়ে চলে যাবার অর্থ এই নয় যে তুমি হেরে গেছো,
তুমি কখনো হারোনি, হয়তো জিতেছো, না হয় শিখেছো।
03/12/2021
আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন। একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!
দিদিমার নিজের চলাই দায়
উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।
কিন্তু কোথায় যাবে মা?
অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।
আবার বিয়ের পিঁড়িতে
তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কুমিল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম!
বাবা ছিলেন উদাসীন
তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!
টিউশনি শুরু করলাম
তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন।
মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।
জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল। আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।
চোখের জল ফুরাত না
জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।
ভেবেছিলাম আর হবে না
ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সৎবাবার ঘরে ফিরে গেলাম।
দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি। এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয়। কোচিং সেন্টারের স্যাররা আবার বোঝালেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। তখন একটা বেসরকারি ট্রাস্ট থেকে অদম্য মেধাবী হিসেবে বৃত্তি পেলাম।
অবশেষে ঘর ছাড়লাম
এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।
এবার ভর্তিযুদ্ধে
এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে।
মা তখনো কাঁদছিলেন
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন। তবে এ কান্না আনন্দের!
আমার জীবন একটা কষ্টের সাগর
প্রতিমা রানী দাশ শোভার মা
বাচ্চাটারে নিয়ে অনেক কষ্ট করছি। কোনো মতে ডাইল-ভাত খাইয়া বাচ্চাটারে দাঁড় করাইচি। ম্যালা জায়গায় কাজ করচি। বাবারে তোমারে কী কমু, মালিকেরা তো বেশি ভালা না। মাইয়া মানুষ কোন জায়গায় নিরাপদ? পরে বিয়া কইরা যার কাছে আইছি হেও কষ্ট দিছে। তাও ভাবছি, যতই কষ্ট হউক শোভারে পড়ামু। বাচ্চাটা টিফিন খাইব। দিমু যে দুইডা টাকা, হেই সামর্থ্য আছিল না। আমার জীবনটা একটা কষ্টের সাগর। আমি তো কষ্ট পাইছি। শোভাও প্রচুর কষ্ট পাইছে। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাইনসের ঋণ শোধ করতে পারুম না।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
11/11/2021
সেই আদি আমল থেকে খরগোশ আর কচ্ছপের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায় টা বেশি শুনেছি।
গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। হয়তো কেও শুনেছি, কেও শুনিনি।
🔴১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়।
প্রথমবার খরগোশ হেরে যাওয়ার পর বিশ্লেষণ করে দেখল হারার মূল কারণ-
'খরগোশ এর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।'
🟢সারাংশঃ
খরগোশ থেকে পেলাম-
অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্য ই ক্ষতিকর।
কচ্ছপ থেকে পেলাম -
লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই।
🔴২য় অধ্যায়ঃ
হেরে যাওয়ার পর খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতা করতে বলে। কচ্ছপ এতে রাজী ও হয়। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল।
কচ্ছপ ও আস্তে আস্তে দৌড় শেষ করল।
🟢সারাংশঃ
খরগোশ থেকে পেলাম -
দ্রুত এবং অবিচল ভাবে নিজের কাজে মন থাকলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।
কচ্ছপ থেকে পেলাম -
ধীর স্থির ভাবে চলাফেরা ভালো, তবে গতি ও নির্ভরতা বেশী ভালো।
🔴৩য় অধ্যায়ঃ
কচ্ছপ এবার হেরে যাওয়ার তার একটু মন খারাপ হল।
সে আবারো খরগোশ কে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো।
খরগোশ ও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল।
তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড় দিয়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।"
খরগোশ বলল, "তাই হোক।"
নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু।
যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল।
কচ্ছপ ও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল।
কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারে নি।
কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি পানিপূর্ন খাল আছে।
কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।
আর খরগোশ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখল।
🟢সারাংশঃ
খরগোশ থেকে পেলামঃ শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, বুদ্বিদীপ্ত আচরণ ও প্রয়োজন।
কচ্ছপ থেকে পেলাম-
প্রথমে প্রতিযোগীর দুর্বলতা খুজে বের করতে হবে, সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।
গল্পের এখানে শেষ নয়-
🔴চতুর্থ অধ্যায়ঃ
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়।
কচ্ছপ ও রাজী।
কিন্তু এবার তারা ২ জন ঠিক করল, এবার দৌড় তারা ২ জন প্রতিযোগী হিসেবে দিবে না।
এবার তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে।
শুরু হল প্রতিযোগিতা।
খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে চলে গিয়ে খালের সামনে থামলো।
কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে গেল।
এবার খরগোশ কচ্ছপের পিঠে উঠে খাল পার হল।
তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল।
এবার ২ জনের ই জয় হল।
🟢সারাংশঃ
স্বতন্ত্র দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ব হয়ে একে অপরের মূল দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই সার্বিক সফলতা নিশ্চিত করা যায়।
-সংগ্রহীত
জন্মগ্রহণ মাএই মানুষ পরকালের টিকিট হাতে ছুটতে শুরু করে ঘন্টায় ষাট মিনিট গতিতে, কারো সাধ্য নেই রূখবার, সময় বড় প্রবঞ্চক, খোলা আইসক্রীমের মতো খাওয়া হোক বা না হোক ক্রমশ গলতেই থাকে। আর তাই বেঁধে দেওয়া সময়ের মাপকাঠিতে জীবন মহার্ঘ্য অত্যন্ত মূল্যবান। কিন্তু তাই বলে সে ভয়ে সারাক্ষণ কুঁকড়ে থেকে পকেটে ভরে রাখবার মতো কিছু নয়। যা যাবেই তা ধরে রাখবার অতিরিক্ত আগ্রহ দেখিয়ে আসলে কোন লাভ নেই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Dhaka