Mahmud Parvez Labib

Mahmud Parvez Labib

Share

Get a glimpse into the life of a middle-class boy, striving to make a mark in this vast world.

20/12/2025
19/12/2025

এমন মৃত্যু কি সবার কাম্য নয়
যে মৃত্যুতে মানুষ কাঁদে, চোখের অশ্রু মুছে আবার মোনাজাতে হাত তোলে।
যে মৃত্যু মানুষকে ভেঙে দেয় না, বরং আরও দৃঢ় করে।
যেখানে শোকের মাঝেও জন্ম নেয় সাহস, আদর্শকে আঁকড়ে ধরার শক্তি।

আরেকটা মৃত্যুর কথাও ভাবুন।
যেখানে লাশ পড়ে থাকে বেওয়ারিশের মতো।
কোনো চোখে পানি নেই, নেই কোনো আফসোস।
স্বস্তির নিঃশ্বাসে ভরে যায় চারপাশ।
সহযোদ্ধা নেই, মানুষের কোলাহল নেই।
শোক নয়, বরং কোথাও কোথাও মিষ্টি বিতরণ হয়।

মৃত্যু তো একটাই।
কিন্তু মৃত্যুর পর মানুষ কীভাবে স্মরণ করে, সেটাই আসল পার্থক্য।
কেউ মারা গেলে মানুষ যদি দোয়া করে, চোখ ভিজে যায়, আদর্শের কথা মনে পড়ে
তাহলে বুঝতে হবে, সে মানুষটি কেবল একজন ব্যক্তি ছিল না,
সে ছিল একটি বিশ্বাস, একটি অবস্থান।

২ দিন আগেই জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন ওসমান হাদী!

#osmanhadi #inqilabmancha #politics #somoytv 13/12/2025

হাদী ভাই গাজী হয়ে ফিরে আসুক আবার আমাদের মাঝে ইন শা আল্লাহ।

২ দিন আগেই জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন ওসমান হাদী! #osmanhadi #inqilabmancha #politics #somoytv

26/08/2024

কি নেই এই আলোচনায়, বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উম্মাহর রাজনৈতিক ভাবনা, ইতিহাসের আয়নায় বিশ্বব্যবস্থা, কিভাবে পশ্চিমারা আমাদের ডমিন্যান্ট করতে চায়.... কি নেই এই আলোচনায়! সম্ভব হলে প্রত্যেক ভাইকে আমি এই আলোচনা টি শোনাতাম। | Asif Adnan

18/07/2024

মিরপুর ১০ 🔥

বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারবাদ ( পর্ব- ১ ) | Transgenderism in Bangladesh 🇧🇩 23/01/2024

বাংলাদেশে ট্রান্সGeন্ডার বাদ এর ২য় পর্বের কাজ চলমান
ইন শা আল্লাহ দ্রুতই আপলোড করা হবে।

সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমার ইউটিউব চ্যানেল।

বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারবাদ ( পর্ব- ১ ) | Transgenderism in Bangladesh 🇧🇩 অসিফ আদনানের "ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ" নিয়ে তৈরি এই ডকুমেন্ট্রি ভিডিও "বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারবাদ"বই - অবক্ষয়কাল চ...

22/01/2024

২য় পর্বের কাজ চলছে।
মুখোশ উন্মোচন হবে দ্রুতই

22/01/2024

২০০৭ সালের এর আগে বাংলাদেশে সম---তার সামাজিকীকরণ নিয়ে সরাসরি কোন কাজ হয়নি। আড়ালে আবডালে হয়েছে।
সরাসরি কাজ শুরু হয় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেইমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অফ পাবলিক হেলথের উদ্যোগে। আর তারা এটা করে মানবাধিকারের মোড়কে।

এই উদ্যোগে অর্থায়ন করে প্রথমে ব্রিটিশ সরকার তারপর আন্তর্জাতিক এনজিও।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে একটি ওয়ার্কশপ আর জুলাইয়ে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজন করে ব্র্যাক।
কনফারেন্সের পর বিদেশীদের অর্থায়নে তিনটি ওয়ার্কশপ আয়োজন করে। এগুলোতে বিশেষভাবে টার্গেট করে তিন শ্রেণীর মানুষকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় - বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সাংবাদিক এবং বিজ্ঞাপনী সংস্থা এবং এলজি অ্যাক্টিভিস্ট।
উদ্দেশ্য?
সমাজে সম---তার পক্ষে আওয়াজ তুলতে উদ্বুদ্ধ করা, এবং অ্যাক্টিভিসম সংক্রান্ত নানা স্কিলস শেখানো।
২০০৭-০৯ পর্যন্ত সম---তার পক্ষে বিভিন্ন মিটিং, ফোরাম এবং সিনেমা প্রদর্শনী আয়োজন করে ব্র্যাক। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের আমন্ত্রন করে করে আনা হয় এসব অনুষ্ঠানে।
মিডিয়াতে সম----তাকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের জন্য 'পুরস্কারের' ব্যবস্থা করে ব্র্যাক। কেউ এটা নিয়ে ইতিবাচক নিউস আইটেম করলেই টাকা দিতো তারা।
বাংলাদেশে কিভাবে এলজি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা যায় সেটা নিয়ে ২০১৩ সালে গোলটেবিল বৈঠকও আয়োজন করে ব্র্যাক। সহআয়োজক হিসেবে থাকে বয়ে5 অফ বাংলাদেশে নামে একটা সিলমারা এলজি সংগঠন।
২০২৩ সালেও জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউতে বিভিন্ন এনজিও-র পক্ষে থেকে একটা প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সম----তা বৈধ করার দাবি জানানো হয়েছে। এ প্রতিবেদনকও এন্ডোর্স করেছে ব্র্যাক।
ব্রোকব্র্যাক বাংলাদেশে সরাসরি সম---তা প্রতিষ্টার কাজে যুক্ত। তারা বই ছেড়ার কারণে কাউকে চাকরিচ্যুত করেনি। তারা চাকরিচ্যুত করেছে এলজি এজেন্ডার বিরুদ্ধে বলার কারণে।
এই সবগুলো তথ্য ব্র্যাকের নিজস্ব সূত্র থেকে প্রমাণিত এবং এগুলো ওপেন সোর্স। আমি কমেন্টে সব লিংক দিয়ে দিচ্ছি। যারা পারবেন সরাসরি ব্র্যাকের নিজস্ব ইংরেজি বক্তব্য পড়ে নেবেন। যারা পারবেন না, তাদের জন্য আমি বাংলাও দিয়ে দিচ্ছি ।

© Asif Adnan

30/12/2023

পর্ব - ২
আসবে ইন শা আল্লাহ।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka
1360