Boss Tech BD
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Boss Tech BD, 63, Shah Ali Plaza, 5th Floor, Dhaka.
Boss Tech BD(www.bosstechbd.com) is an official page, Boss Tech BD is a Complete online shopping Platform and store base retails platform, Where you can buy easily Best Gadgets, electronics, All type of Computer Accessories, unique Items etc
একমাত্র আমরাই দিচ্ছি বাজারের সবচেয়ে কম দামে অধিক সুবিধা সম্পন্ন,বিশ্ব বিখ্যাত Hik vision/ Dahua ব্র্যান্ডের ক্যামেরা। অটো নাইট ভিশন মোডের মাধ্যমে রাতের অন্ধকারেও আমাদের ক্যামেরাগুলো দিয়ে পরিষ্কার ছবি দেখা যায়।
আমাদের HikVision/ Dahua ব্র্যান্ডের XVR গুলো ডিজিটাল ও অত্যাধুনিক, ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে আপনার মোবাইলে অনেক সহজেই আপনার সিসি ক্যামেরার ভিডিওগুলো লাইভ মনিটরিং করতে পারবেন ।
আমাদের Adapter গুলো 12V / 2mA বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও নিরাপদ।
আমাদের প্রদত্ত সারভাইলেন্স Hard disk বিশ্ব বিখ্যাত SAMSUNG/WD ব্র্যান্ডের। যাতে আপনার রেকর্ড কৃত ভিডিওগুলো থাকবে নিরাপদ।
আমাদের নেটওয়ার্কিং ক্যাবলটি ১০০% কপার। ডাবল ইনসুলেশন ব্যবহার করার কারনে ক্যাবলটি অনেক বেশি নিরাপদ।
আমরা ১টি Camera set থেকে শুরু করে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যেমন- ২ টি, ৪ টি ৮ টি , ১২ টি , ১৬ টি বা তারও বেশি Camera প্যাকেজ তৈরি করে দিতে সক্ষম।
আপনার প্রয়োজন অনুসারে আমরা Sound System এর কাজ ও করে দিতে পারবো।
আমাদের আছে দক্ষ টেকনিশিয়ান, আমরা পুরাতন ক্যামেরার কাজ ও করে থাকি।
আমাদের রয়েছে নিজস্ব শোরুম যা আপনাদেরকে ওয়ারেন্টির নিশ্চয়তা দিচ্ছে এবং সরাসরি শোরুমে এসে পণ্য দেখে ক্রয় করার সুযোগ করে দিচ্ছি।
☑️ অর্ডার করার নিয়ম ঃ মোবাইল এ কল দিয়ে, অথবা ফেসবুক পেজ এ আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার ও অর্ডার বিবরন দিয়ে ম্যাসেজ করুন।
☑️ দোকানের ঠিকানাঃ
তাজিম এন্টারপ্রাইজ, (সিসিটিভি মরজাল)
মরজাল বাস স্ট্যান্ড সমতা বাজার,রায়পুরা,নরসিংদী।
মোবাইলঃ
01781-348739 (হুয়াটস এপ/ ইমু)
01717-782912 (হুয়াটস এপ/ ইমু)
01764-451415 (হুয়াটস এপ/ ইমু)
☑️ ফেসবুক পেজ এর ঠিকানাঃ
https://www.facebook.com/cctvmarjal
https://www.facebook.com/tajimenterprise
31/07/2020
দুরের মানুষ আসুক কাছে
কাছের জন থাকুক পাশে
মন ছুটে যাক মনের টানে
নয়া চান্দের আগমনে
ঈদ কাটুল খুশী মনে
***** ঈদ মোবারাক ****
Never give up. Today is hard, tomorrow will be worse but the day after tomorrow will be ☀ sun..
18/06/2020
শিক্ষণীয় গল্প (সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ)!
lost man in a boat
একবার এক প্লেন দুর্ঘটনায় শুধু একজন বাদে সবাই মারা যায়, প্লেনটা ক্র্যাশ করে একটা নির্জনদ্বীপে।
জনমানবসংকীর্ণ দ্বীপের চারিদিকে শুধু জল আর জল ।
কিন্তু তাকে উদ্ধার করার মতো কোন জাহাজও আশেপাশে চোখে পড়ছেনা।
দিন যায়, মাস যায়- লোকটি আশায় থাকে কোনও জাহাজ হয়তো তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে,কিন্তু আশায় আশায় শুধু দিন কেটে যায় তবু কিছু আসেনা।
এদিকে একাকি দ্বীপে থাকার জন্য লোকটি ইতিমধ্যে একটা ছোট্ট কুঁড়েঘর বানায় আর সে ঘরের মধ্যে থেকেই সারাদিন শুধু সাগরের দিকে তাকিয়ে থাকে আর ভাবতে থাকে এই বুঝি কেও উদ্ধার করতে এলো।
অবশেষে লোকটি শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, “সৃষ্টিকর্তা-তুমি ও কি আমায় দেখো না?”
একদিনের ঘটনা, আজও লোকটি আগের মতোই
সাগরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে । কিন্তু বেলা যতো গড়াতে লাগলো লোকটির ততোই ক্ষুধা পেতে লাগলো। যা ফলমূল ছিল সবশেষ হয়ে গেছে!
অগত্যা,লোকটি খাবার জোগাড় করতে কুটির ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে এবং বেশ কিছুক্ষণ পর যখন আবার খাবার নিয়ে কুটিরে ফিরে আসে, দেখতে পায় তার উনুনের জ্বালানো আগুন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তার ছোট্ট কুটিরে আগুন ধরে গেছে এবং আগুন প্রায় সম্পূর্ণ কুটিরটাকেই পুড়িয়ে ভস্ম করে ফেলেছে!
লোকটি আর সহ্য করতে পারেনা।
সে প্রচণ্ড রাগে-ক্ষোভে আর দুঃখে চিৎকার করে বলে,
“হে সৃষ্টিকর্তা !
তুমি আমার থেকে আমার পরিবারকে দূরে সরিয়ে এই নির্জনে এনে ফেলেছো, এখন আমার সামান্য কুটিরটাকেও
তুমি জ্বালিয়ে দিলে; এমনকাজ তুমি কিভাবে করতে পারলে?”
কথাগুলো বলে লোকটি কান্নায় ভেঙে পড়ে, এমন সময় দ্বীপের ধারে একটা ছোট জাহাজ এসে ভেড়ে আর তার থেকে কিছু লোক বেরিয়ে এসে হারানো লোকটির কাছে এসে সাহায্য চায় কিনা জানতে চায়।
লোকটি তখন কান্না থামিয়ে জানতে চায়,তারা তাকে কিভাবে দেখেছে ?
জবাবে তখন জাহাজের লোকগুলো বলে,
“আমরা দূর থেকে এইদ্বীপে আগুন আর ধুঁয়া দেখে বুঝে নিই কেও হয়তো সাহায্য চাইছে তাই এখানে এসেছি”।
কথা গুলো শুনে লোকটি সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ পেয়ে বিস্মিত হয়ে যায়। সে বুঝতে পারে, “সত্যিই আজকে তার ঘরে আগুন না লাগলে এইদ্বীপ থেকে হয়তো কোনোদিনও
সে ছাড়া পেতোনা!!”
– সৃষ্টিকর্তা মানুষের ভালোর জন্যই সবকিছু করেন কিন্তু মানুষ আমরাই ভুল করে সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহকে অস্বীকার করি; দেখতে চাই না আসলে তিনি আমাদের জন্য কি রেখেছেন!! ফলে অসন্তুষ্ট হয়ে গালমন্দ করতে থাকি নিজেদের ভাগ্যকে!!
সুতরাং সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের অপেক্ষায় থাকুন, নিশ্চিত আপনার সামনে এমন কোনও কিছু অপেক্ষা করছে যা আপনার জীবনটাকেই বদলে দেবে!!
তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট!
18/06/2020
কথা সত্যি
28/05/2020
- করোনা - আমাদের অর্থনীতি - আমাদের বেঁচে থাকা-
আমরা কি কখনো করোনা মুক্ত দেশ দেখতে পাবো?
হয়তো এটাই হতে পারে উপায়।
করোনা নিয়ে আমরা খুব বিপদে আছি। সরকারও অনেক চেষ্টা করছে দেশেকে ভালো রাখার জন্য।
এতো বড় জনসংখ্যার দেশে নিয়ন্ত্রণ করাটাও ভিষণ কঠিন।
প্রায় দু মাস হলো সব কিছু একরকম বন্ধ হয়ে আছে ফলে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ছে প্রতিনিয়ত।
এদিকে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বানের পানির মতো হু হু করে বেড়েই চলেছে।
গত দু মাসে যেটা দেখা গেছে কোথাও কোথাও নামে মাত্র লকডাউন উদযাপন করা হয়েছে। কিন্তু করোনারর সংক্রমণ বন্ধ করার মতো কার্যকরী ব্যাবস্থা চোখে পড়ার মতো ছিলো অনেক কম।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কথা মতে করোনার আচরন হলো মোটামোটি ১৪ দিনের মধ্যেই করোনা আক্রান্ত মানুষের উপসর্গ প্রকাশ পায়। আবার শোনা যাচ্ছে কারো কারো ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছেও না। তবে ১৪ দিনে অন্তত করোনা আক্রান্ত মানুষের দেহের সমস্যা হতে পারে সেটা মোটামুটি সবাই বলছে।
তাহলে আমাদের এমনটা করা কি যেতো না?
ধরুন আজ ১ তারিখ, এখন সরকারি ভাবে ঘোষনা দেওয়া হলো আগামী ৫ তারিখ থেকে ২০ তারিখ ১৫ দিন দেশের কোন মানুষ বাড়ির বাহিরে কোন কাজেই পা ফেলতে পারবে না। কোন ভাবেই বাহিরে বের হতে পারবে না। এবং আজ থেকে আগামী ৫ তারিখ পর্যন্ত প্রত্যেকে তাদের নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী ১৫/২০ দিনের বাজার করে ঘরে নেবে। যাতে ১ মিনিটের জন্যও বের হতে না হয়। কেউ ঔষধ নেবার জন্যও বাহিরে যেতে পারবে না। যদি ভিষণ জরুরী ঔষধের প্রয়োজন হয় তবেই সরকারি ব্যবস্থায় ঔষধ দেওয়া হবে।
যদি আগামী ওই ৫ তারিখ পর্যন্ত কেউ করোনা আক্রান্ত হয়েও যায় তাহলে সে আগামী ২০ তারিখের মধ্যে ভিষণ সমস্যায় পড়বে। অথবা নিজের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিয়ে রিকভারি করে নেবে।
যদি করোনা আক্রান্ত উপসর্গ নিয়ে সমস্যায় পড়ে তাহলে জাতীয় বাতায়নে কল করলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে আনা হবে।
নির্ধারিত পনেরো দিন শেষে যাদের বাড়ি থেকে করোনা রোগী পাওয়া না যাবে তাদের চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।
এবং যাদের বাড়িতে করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাবে তাদের পরিবর্তী আরো ১৫ দিন একই অবস্থায় বাড়ির ভেতর থাকতে হবে। এবং ঐ সকল পরিবারের খাবারের ব্যবস্থাও সরকারি ভাবে করাটা তেমন কঠিন হবে না। কারন সংখ্যা কম হবে।
এখন কয়েকটি কঠিন কাজের সমাধান করতে হবেঃ
১. সাধারণ মানুষকে ঘরের ভেতরে রাখাটা একটি চ্যালেঞ্জ। ( যদি কোন মানুষ বাড়ির বাহিরে বের হয় তাহলে তাকে সরাসরি করোনা আক্রান্ত মানুষের কাছে রাখা হবে)
২. দেশের মোটামুটি কিছু মানুষের ঐ ১৫ দিনের খাবারের ব্যবস্থা করারও অবস্থা নেই। (তাদের সরকারি ভাবে ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা দ্বারা সহযোগিতা করতে হবে।)
৩. সরকারি কল সেন্টারের কলের গ্রহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধি। ( দ্রুত সময়ে সার্ভারের ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রচুর কল সেন্টার এক্সিকিউটিভ নেওয়া। এখানে দেশের অনেক কোম্পানির CSE আছে যেহেতু এই ১৫ দিন অনেক কোম্পানির কাজও তেমন থাকবে না তাই তাদের কর্মীদের এখানে যুক্ত করা যেতে পারে।)
৪. হাসপাতাল গুলোকে চালু রাখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন। ( এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের বাড়িতে না থেকে আলাদা ভাবে ব্যবস্থা করা।)
৫. ঐ ১৫ দিনের আগের ৫ দিনের জন্য নিত্যপন্য সহজলভ্য করা। ( সকল সবজি জাতীয় পণ্য প্রচুর পরিমানে আনায়নের জন্য ব্যবস্থা করা।)
৬. আরো কিছু কাজ তো থাকবেই।
এই কাজ গুলো করা কঠিন মনে হতে পারে তবে অসম্ভব নয়।
এখন আরো কিছু কথা। যদি আমরা পুরোপরি বন্ধ না করি তাহলে এর প্রভাব প্রতিদিনই বাড়তে থাকবে। যতই আমরা স্বাস্থবিধি মেনে চলিনা কেন?
কারন কিছু দিনের পর্যবেক্ষণে যেটা দেখা গেছে, এমন এমন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে যারা অত্যন্ত সচেতন। তারা প্রচুর নিয়মের মধ্যে চলাচল করতে কোন সমস্যায় নেই। তবুও তারা আক্রান্ত হয়েছে। এবং জানা গেছে তার আশে পাশের সংক্রমিত ব্যক্তির মাধ্যেমেই এমনটা হয়েছে। তাহলে ভাবুন তাদের স্বাস্থবিধি এতো উন্নত থাকার পরও আক্রান্ত হচ্ছে।
তাহলে এখন এক মাত্র উপায় হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে দুরে থাকা।
আর এভাবে না করলে তো সীমিত আকারে দুরে থাকাও সম্ভব না। একটু একটু করে এভাবে আক্রান্ত বাড়তেই থাকবে।
আবার ভাবনার বিষয় এই ১৫ দিনে অর্থনীতির কি হবে? ভাই ১৫/২০ দিনে যা ক্ষতি হবার তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে মাসের পর মাস সীমিত আকারে শব্দ ব্যবহার করে এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ানোতে।
হয়তো আরো অনেক চ্যালেঞ্জ আছে এমন একটি ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য। তবে যত দিন যাবে আরো কঠিন সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছি না কি?
-19
20/02/2020
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।
বস টেক বিডির পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দোয়া
06/02/2020
CONGRATULATIONS BANGLADESH TEAM!
Best Wishes for Bangladesh Team!!!
10/01/2020
Outlook of Boss Tech BD!!!
#2020
02/01/2020
Right!!!
31/12/2019
Happy New Year 2020!!!
16/12/2019
আমাদের গর্ব,
অামাদের অস্তিত্ব,
অামাদের অহংকার,
লাল সবুজের বাংলাদেশ,
৩০ লক্ষ শহীদের বাংলাদেশ,
রক্তাক্ত বিজয়ের বাংলাদেশ।
সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
63, Shah Ali Plaza, 5th Floor
Dhaka
1216