Md Harun Or Rashid
Islamic motivation, Engineering topics,Travel topics
১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যে ঘটনাটি আজ ও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এএই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন, আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন।
গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে...
১৯৫০ সাল, আমেরিকা
বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়। খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম।
ব্যবস্থা এমন ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে, তার মস্তিস্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল। আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি
সহজ ভাষায় বললে, বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে-যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়।
শুরু হলো সেই মরণনেশা
শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর।
মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে। ইঁদুরটি থমকে গেল "এই সুখ এলো কোথা থেকে?"
সে আবার বোতাম চাপল। আবারও সেই অনুভূতি।
এবার সে বুঝে গেল এই লাল বোতামই আনন্দের উৎস।
তারপর? তারপর শুরু হলো এক ভয়ংকর পাগলামি।
ইঁদুরটি বারবার... শুধু বোতামহ চাপতে লাগল।
যখন সুখ জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়
বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাকে আরও কঠিন করলেন।
খাঁচায় রাখা হলো দামী খাবার।
ইঁদুরটির নিঃসঙ্গতা দূর করতে ছাড়ানো হলো একটি স্ত্রী ইঁদুর।
এখন আপনার কী মনে হয়?
সে কি খাবার ফেলর নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল?
না।
সে কিছুই করল না।
খাবার পড়ে রইল যে তাকাল না। সঙ্গিনী ডাকল সে সাড়া দিল না।
দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে যে শুধু একটাই কাজ করতে লাগল লাল বোতাম চাপা।
কারণ,
খাবার বা সঙ্গ থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার চেয়েও হাজার গুণ বেশি আনন্দ এই কৃত্রিম সুখে।
শেষ পরিণতি
এক দিন... দুই দিন... তিন দিন...
ইঁদুরটির শরীর শুকিয়ে গেল। শক্তি ফুরিয়ে এলো। কিন্তু বোতাম চাপা থামল না।
শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি মারা গেল।
সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার জানেন? মৃত্যুর সময়ও তার হাতটি ছিল লাল বোতামের ওপর।
মরার আগের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে ওই কৃত্রিম সুখটাই চেয়েছিল।
? এই পরীক্ষা কি সত্যিহ শেষ?
আপনি ভাবতে পারেন ১৯৫০ সালের সেই পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ!
বিন্তু ভয়ংকর সত্য হলো পরীক্ষাটি আজও চলছে।
শুধু ইঁদুর বদলেছে।
__আজ সেই খাঁচার ইঁদুর আপনি... আর আমি।
লাল বোতাম বদলে গেছে
১৯৫০ সালের সেই লাল বোতাম ২০২৬ সালে এসে নিয়েছে একটি চারকোনা আয়তাকার স্ক্রিনের রূপ।
একটু ভেবে দেখুন
আমরা কি খাবারের টেবিলেও ওই স্ক্রিনে সুখ খুঁজি
আপনার পাশের মানুষটিকে উপেক্ষা করে কি স্ক্রিনেই ডুবে থাকি না?
◆ ঘুম নেই, শান্তি নেই তবু কি মাঝরাতে স্ক্রল খামে..?
ইঁদুরটি যেমন সুখের নেশায় জীবন দিয়েছিল,
আমরাও কি প্রতিদিন আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবন এই চারকোনা যন্ত্রটার কাছে তুলেদিচ্ছি না..?
আমরা আনন্দের পেছনে ছুটতে গিয়ে জীবনকে উপভোগ করতেই ভুলে গেছি এবং প্রযুক্তির খাঁচায় এক একজন আধুনিক ইঁদুর হিসেবে বন্দি হয়ে পড়েছি।
°
যদি চান আপনার সন্তানকে এই মরণ নেশা থেকে বাঁচাতে দূরে রাখুন
Smart Mobile
সিদ্ধান্ত আপনার
°
°
°
°
°
caption help by °
আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে সরাসরি মামলা”
রাত ১টা…
রাস্তা ফাঁকা…
লাল সিগনাল জ্বলছে 🔴
চারপাশ সুনসান।
আপনি ভাবলেন, "ধুর, এখন আবার সিগন্যাল কিসের ? পুলিশ তো নেই!" আপনি টান দিলেন। কেউ বাধা দিল না। কোনো বাঁশি বাজল না।
কিন্তু ঠিক তখনই রাস্তার কোণের ওই ছোট্ট লেন্সটি আপনার নম্বর প্লেটটা 'ক্লিক' করে নিল।
আপনি বাসায় গিয়ে শান্তিতে ঘুমালেন, আর ঠিক কয়েক মিনিট পর আপনার ফোনে একটি SMS আসল ৫,০০০ টাকা জরিমানা! 💸
⚠️ আজ থেকে ঢাকার রাস্তায় নতুন বাস্তবতা AI ক্যামেরা !
Dhaka Metropolitan Police - DMP এখন রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে AI চালিত ক্যামেরা ও E-Prosecution সিস্টেম চালু করেছে।
👉 মানে,
আপনাকে থামানো হবে না
কিন্তু আইন ভাঙলে মামলা হয়ে যাবে অটোমেটিক!
দিনের বেলা ট্রাফিক সার্জেন্টকে হয়তো অনুরোধ করা যায়, তার সাথে ওর সাথে কথা বলানো যায় বা হ্যাডম বেশি থাকলে মামু চাচার ভয় দেখানো যায় কিন্তু এই AI ক্যামেরার কোনো মন নেই, মায়া নেই, দয়া নেই, সে ভয় পায় না। সে শুধু চেনে নিয়ম আর আপনার গাড়ির নম্বর।
📍 যেসব জায়গায় বেশি নজরদারি চলছে:
Shahbagh, Bijoy Sarani, Karwan Bazar, Banglamotor সহ আরও ২০+ গুরুত্বপূর্ণ মোড়
সর্বমোট ২৫ টি সিগনাল।
🔍 এখন ক্যামেরা যা যা ধরছে:
🚦 লাল বাতি অমান্য
🛑 জেব্রা ক্রসিং ব্লক
🚗 উল্টো পথে গাড়ি চালানো
🏍️ হেলমেট ছাড়া বাইক
👥 অতিরিক্ত যাত্রী
🪡 সীট বেল্ট না পড়া
📱গাড়ি চালানর সময় মোবাইল এ কথা বলা
🏮অনুমতি ছাড়া ভিআইপি লাইট ব্যাবহার
👉 ক্যামেরা দেখলেই → সরাসরি মামলা
💰 জরিমানার হিসাব (Road Transport Act 2018 অনুযায়ী):
সিগন্যাল ভাঙলে: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা
বেপরোয়া গতি: ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত
হর্ন/অন্যান্য আইন ভাঙা: নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা
🚶 নতুন যে বিষয়গুলো অনেকেই জানেন না:
✔️ স্মার্ট ট্রাফিক সিগন্যাল (গাড়ির চাপ অনুযায়ী)
✔️ পুশ-বাটন পেডেস্ট্রিয়ান ক্রসিং
👉 এগুলো অমান্য করলেও এখন মামলা হচ্ছে
⚠️ গাড়ির মালিকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা:
👉 আপনার গাড়ি কে চালাচ্ছে খেয়াল রাখুন
👉 রেজিস্ট্রেশন নাম্বারের সাথে থাকা মোবাইল নাম্বার চালু রাখুন (BSP Portal এ গিয়ে মোবাইল নাম্বার আপডেট আছে কিনা দেখুন)।
❗ কারণ কি ?
বলছি...
সময়মতো মামলা না ভাঙ্গালে ওয়ারেন্ট বেড়িয়ে যাবে গাড়ির মালিকের নামে... কোর্ট কাচারি হাঙ্গামা...
ড্রাইভার ভুল করলেও মামলা যাবে মালিকের নামে...
আপনার গাড়ি নিজে চালান বা ড্রাইভার বা অন্যকেউ, ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পয়েন্ট যাবে আর সেটার কি তরিকায় তার বিস্তারিত না জানতে পারলেও এতটুকু জেনেছি যে Bangladesh Police ও Bangladesh Road Transport Authority (BRTA) এর মধ্যে
MoU হয়েছে....
🪬গাড়ির কাগজপত্র ফেল থাকলে, AI camera এর সামনে না গিয়ে পারলেই ভালো, নিমিষেই BRTA এর ডাটাবেইজ থেকে ধরে ফেলবে...
🔥 শেষ কথা:
“পুলিশ নাই = চালা.... মামা চালা....”
এই যুগ শেষ ❌
ক্যামেরা কখনো ঘুষ খায় না, অনুরোধ শোনে না, মাফও করে না! এইটাই নতুন সত্য ✅
👉 আজ থেকেই সতর্ক হন
👉 পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিত গাড়ি মালিক বন্ধুদের এখনই সতর্ক করে দিন। হয়তো আপনার একটা শেয়ারে কারো ১০ হাজার টাকা বেঁচে যাবে ! 🙏
বি:দ্র: পোস্টে কোন ভুল তথ্য থাকলে জানাবেন, শুধরে নেবো। (আসুন ভুল ধরতে গিয়ে অন্তত আরেকটু জেনে
পেটোল ও ডিজেল ইঞ্জিন চালু করণ
, , , , ,
, , , , ,
, , ゚viral ゚
আমার বড় খালু গতকাল রাত ১১টায় ইন্তেকাল করেছেন
সবাই মরহুম জন্য দোয়া করবেন।আল্লাহতালা যেনো মরহুম কে জান্নাতুল ফেরদৌসের দান করে আমিন
06/10/2025
゚viral ゚
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে আরো চৌদ্দশ বছর আগেই আমরা ওজনে কিবাবে মানুষ কে ঠকাবো সম্পর্কে আল্লাহতালা পবিত্র কোরআনে বলেন।
وَیۡلٌ لِّلۡمُطَفِّفِیۡنَ ۙ
মুফতী তাকী উসমানী
বহু দুর্ভোগ আছে তাদের, যারা মাপে কম দেয়,
মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা মাপে কম করে, তাদের জন্যে দুর্ভোগ,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দুর্ভোগ তাদের জন্যে যারা মাপে কম দেয়,
—আত মুত্বাফ্ফিফীন - ১
الَّذِیۡنَ اِذَا اکۡتَالُوۡا عَلَی النَّاسِ یَسۡتَوۡفُوۡنَ ۫ۖ
মুফতী তাকী উসমানী
যারা মানুষের নিকট থেকে যখন মেপে নেয়, পূর্ণমাত্রায় নেয়
মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা লোকের কাছ থেকে যখন মেপে নেয়, তখন পূর্ণ মাত্রায় নেয়
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যারা লোকের নিকট হতে মাপিয়া লইবার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে,
—আত মুত্বাফ্ফিফীন - ২
وَاِذَا کَالُوۡہُمۡ اَوۡ وَّزَنُوۡہُمۡ یُخۡسِرُوۡنَ ؕ
মুফতী তাকী উসমানী
আর যখন অন্যকে মেপে বা ওজন করে দেয় তখন কমিয়ে দেয়। ১
মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং যখন লোকদেরকে মেপে দেয় কিংবা ওজন করে দেয়, তখন কম করে দেয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যখন তাদের জন্যে মাপিয়া বা ওজন করে দেয়, তখন কম দেয়।
—আত মুত্বাফ্ফিফীন - ৩
゚viral ゚ ゚viral
01/10/2025
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
Gear shifting in a simulator auto car
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka