Ahm Riduan

Ahm Riduan

Share

নিজেকে উদ্ভাসিত করার প্রচেষ্টা

14/10/2022

মৃত্যুর রঙ কি? লাল না প্রকট নীল?
কখনো নিজের নিশ্বাস নিস্তব্ধ করে
মৃত্যুর স্বাদ নেয়ার ইচ্ছে জেগে উঠে মনে।
মৃত্যু কি ভীষণ রকম কালো?
নাকি ধবধবে সাদা আলখাল্লা মোড়ানো?

নিকষ অন্ধকার,
আচমকা হিংস্র কোন শব্দের যন্ত্রণার নামই কি মৃত্যু?

সমস্ত জনতার মানসপটে শূন্য হয়ে পরিভ্রমণ করে যায়
শুধু নিদারুন মৃত্যুর রঙের খোঁজে৷
প্রকান্ড এক মরুদ্যানে রজনীর তীব্র গভীরতায়
সহস্র পাশবিক জন্তুর সমন্বয়ে পথচলার নামই কি মৃত্যু?

১৭.০৩.২০২১

30/11/2021

হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সাথে........... উপরের ব্যালকনি থেকে প্রতিদিনের মত আজও একই সুর কানে এলো। আশ্চর্য রকম ধৈর্য মানুষটার। নতুন বাসায় উঠেছি আজ প্রায় কুঁড়িদিন। মাঝখানে গ্রামের বাড়ি গিয়ে কয়েকদিন কাটিয়ে গতকাল আবার নতুন বাসায় এলাম। আমি মিরাজ। ফিজিক্সে মাস্টার্স শেষ করেছি দু'বছর। জীবনের এক কঠিন সময় পার করে পরিশ্রমের সবটুকু ঢেলে দিয়েই এক প্রাইভেট ব্যাংকে চাকুরী হয়েছে মাত্র। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে ফার্মেসিতে ওষুধ বিক্রি করছে এমন খবরে আগে হা হা হা মজার হাসি হাসলেও আজ সেই অবিশ্বাস্য সত্যটাই বিশ্বাসের পাতায় নাম লিখেছে তার বাস্তবতা আমি নিজেই। ভাবতে ভাবতে ড্রইংরুমে এসে বসলাম। অল্প দামে আর এখন বাসা পাওয়া যায়না।

- আংকেল টু লেট দেখলাম একটা। ভাড়া হবে?
- কে থাকবে?
- এইতো আমি আর আমার এক ফ্রেন্ড। মাত্র চাকুরীতে জয়েন করেছি। আমরা দুইজনই থাকবো।
- ব্যাচেলর?
- না মানে আসলে.......
মুখের উপর দড়াম করে দরজা বন্ধ করে মনে হয় ভিতরের সব ছিটকানি আটকে দিলো। যেন ব্যাচেলর কোন দৈত্য দানব। যত্তসব।

তিনদিন সময়। এর মধ্যেই বাসা খোঁজে বের করতেই হবে।

দক্ষিন দিকে ছোট্ট একটা রুম, দুইজন ফ্লুরিং করলেই তৃতীয় কারো প্রবেশের সুযোগ নেই। এটাই বেডরুম। দিব্যি ভালো ভাবেই দুজন মিলে রাত কাটিয়ে দেয়া যায়। নেহায়েত মন্দ নয়। প্রথম দিনের কথা মনে পড়তেই ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি চলে এলো।

ঘর্মাক্ত শরীরে কানা গলির একদম ভিতরের ছোট্ট মসজিদে যোহরের সালাম ফিরাতেই মোবাইলের বিকট শব্দে রিংটোন। দ্রুত হাত চালিয়ে সাইলেন্ট করার আগেই পাশের নামাজীরা বিরক্তির প্রকাশ ঘটিয়ে ফেললো। চারদিকে বোকার মত একটা হাসি দিয়ে আস্তে করে মোবাইলটা বের করলাম। ব্যাংক ম্যানেজার। ইশরে...গুরুত্বপূর্ণ ফোনগুলোও যেন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দেখেই আসে।

প্রতিবেশীরা আগেই বলেছিলো পুরা বাড়ি। কিন্তু এতটা অবস্থা খারাপ উঠার পর বুঝতে পারছি। চারতলা, প্রথম দেখেই পরিত্যক্ত বলা যায়। তবুও কয়েকটা ফ্যামিলি দেখা যায় জরাজীর্ণ জানলার ফাঁক দিয়ে। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খরচ? ও যে শয়তানের ভাই এই রীতি ভালই মানিয়ে চলেন উনি। ও হ্যা, উনি হলেন আমারই পাশের ছোট্ট ঘুমানোর জায়গাটার মালিক।

অনেক্ষন পর্যবেক্ষণের পর নাই মামার চেয়ে কানা মামাই ভালো এই বুলি আওড়াতে আওড়াতে দরজার কড়া নাড়া দিলাম। কলিং বেল? ইতিহাসের পাতায় নাম লিখা বাড়ি গুলো অন্যতম বৈশিষ্ট তাদের কলিং বেল থাকে না। জোরে ধাক্কাতে হয়। ডোর বেচারার যা অবস্থা, জোরে কড়া নাড়লেই বুঝি ভবন সহ ধ্বসে পড়বে। কতক্ষনে শোনতে পাবে কে জানে? দ্বিতীয়বার কড়া নাড়তেই হুট করে খোলে গেলো। প্রায় ষাটোর্ধ এক লোক মুখ বাড়িয়ে দিলেন। চমকে গেলাম। শ্রবণশক্তি এত ভালো!
-কি চাই?
-চাচা কোন বাসা কি খালি আছে?
শ্রবণশক্তির চেয়ে দৃষ্টিশক্তি অনেকটাই হয়তো দূর্বল, নাহয় চাচার সন্দেহ হচ্ছে আমরা কি সত্যি ওই কথা জিজ্ঞেস করেছি কিনা। মনে হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য পূর্ণ হতে চলেছে। পূর্বেকার বাসার মালিকদের মত বিরক্তি প্রকাশের জায়গায় কিঞ্চিৎ খুশির ঝিলিক দেখতে পাচ্ছি।
-হুম। কয়দিন থাকবা?
মোটা ফ্রেমের চশমার ময়লা গেঞ্জিতে মুছতে মুছতে জিজ্ঞেস করলেন।
- বুঝলাম না চাচা।
আশার আলো দেখে মৃতব্যয়ী বন্ধুটির মুখেও কথা ফুটেছে। চাচা অদ্ভুত দৃষ্টি নিয়ে তাকাতেই বুকের ভিতরটা ধ্ক করে উঠলো।

(চলমান......)

25/11/2021

মানুষ এখন ভীষণ বুঝে
কোন চালে ভাত বাড়ে,
কোন কথাটা বললে আবার
আসবে বিপদ ঘাড়ে।

কোন নদীতে স্রোতটা বাঁকে
কোন ইস্যুটা কালো,
কোন মিছিলে থাকলে পাবে
খাবার দাবার ভালো।

হীরক রাজার দেশটা এখন
চামচামিতে ভরা,
পরের ভালো ভাবছে যারা
খাচ্ছে তারা ধরা।

ডানে গেলে কানমলা দেয়
বামে গেলে গালি,
ভালো মানুষ সামনে পেলেই
মাখিয়ে দেয় কালি।

পরের ভালো চাইনা কেও
নিজকে নিয়েই মাতে,
দিনের আলোয় সাধু যে জন
মুখোশ খুলে রাতে।

মুখোশ
Ahm Riduan
১৬.১১.২০২১

15/09/2021

মনের খাতায় স্বপ্ন কুড়ায়
জীবনের রং হাসে না,
চলার পথের শক্তি ফুরায়
আলোকিত ভোর আসে না।

ইচ্ছেরা চায় পাখনা ছড়ায়
নীল আকাশের পানে,
স্বপ্নেরা চায় উড়ে উড়ে যায়
সুরের মধুর তানে।
তবুও আঁধারে হারায় সকল
চাঁদের আলোয় ভাসে না।

ভ্রমরের গানে নতুন আশায়
পাঁপড়ির চোখ খুলে,
জীবনের পালে সুখের ছোঁয়ায়
ফুলের রেণু যে দোলে।

পাপাচার যত সিজদায় পড়ে
ক্ষমার আকুতি করো,
হতাশার ঘোর শেষ হবে যদি
প্রভুর নামটি ধরো।
দেখবে তখন জীবন কেবল
আঁধার কালোয় ভাসে না।

১৪/০৮/২০২১

13/09/2021

তুমি আক্রান্ত হবে আমার মায়াজালে
স্টকহোম সিন্ড্রোমের মন্ত্রকায়ায়,
বন্দিত্বের লৌহ গলাবার প্রচেষ্টায় রত তুমি,
অথচ আমার মুগ্ধ চোখে অপলক চাহনী।

নিশীথের কান্নাভেজা স্বর কভু কাপন তোলেনি মনে,
কম্পিত হয়নি বন্ধুর পথের ধুলো।
জীবনের পাখায় সহস্র ক্ষতের চিহ্ন আঁকা
বল্লমের তীক্ষ্ণতায় ছিন্ন হয়েছে প্রশান্তির পর্দা, তবু
স্বপ্নের সারথীরা ক্ষান্ত হয়নি এখনো।

কখনো চাইনি এক বিদীর্ন মননে
আপোসের শর্তে আমায় ভেবে যাবে তুমি।
চাইনি বিদগ্ধ গগণে একাকী নিজের
আক্রোশের বাণ ছুঁড়ে ক্লান্তি খুঁজে নিবে।
শুধু চেয়েছি,
সৃষ্টির অপরূপতায় মুগ্ধ হয়ে মাটির আঁষটে গন্ধে
আঁকিয়ে দিবো দু'জনে জীবনের শুভ্র কাশফুল।

শুধু বজ্রপাতের শব্দেই তুমি ভয় পাও, তাই
মেঘের কাছে আমার সর্বস্ব উজাড় করেছি।
এ ধরায় নেই কিছু এমন যা,
কাঁপাতে পারে তোমার কংক্রীটের মন।

বিদ্যুৎ চমকের কিঞ্চিৎ ঐ আলোকচ্ছটাই
আমার এক চিলতে হাসি আর প্রশান্তির পরমাণু।

তোমার চোখের জল সামান্য টলাবে না
এ পৃথিবীর কোন ছোট্ট পাথরও।
তোমার দীর্ঘশ্বাস,
দূষিত কার্বনের দেহে বিলীন হবে নিমিষেই।
হতাশার প্রতিটি কদম, কেও মাপবেনা কভু,
কেও আসবেনা তোমার দূর্ভাগার সংগী হতে৷

নিজের প্রতি পক্ষপাতহীন একরোখা স্বার্থপর না হলে
মর্ত্যের কালো পিশাচেরা গিলে নিবে তোমায় সামান্য ভুলেও।

০৩.০৩.২০২১
রাত ১:০৩,
পান্থপথ, ঢাকা

06/09/2021

ফোনটা হঠাৎ ক্রিং ক্রিং করে বেজে উঠলো। রাত প্রায় দু'টো। পুরো বাড়ির ডাইনিং রুমটা মাঝখান বরাবর। আর ডাইনিং এর পাশের দেয়ালেই ঝুলে আছে ফোনটা। বেজেই চলেছে একনাগাড়ে। সাত্তার সাহেব নিত্য রাতের অভ্যাস মত ব্যালকনিতে সাহিত্যের পাতা উল্টাতে উল্টাতে একপাশে মাথা হেলিয়ে কখন যে অন্য রাজ্যে পার হয়ে গেলেন। এই রুম ছাড়া বাড়ির সব রুমের কপাট বাইরে থেকে বন্ধ। এত বড় বাড়ি, সুনশান নিরবতা। দূরে ঝিঁঝিঁ পোকার একটানা আওয়াজ, আরো দূরে কয়েকটা কুকুরের ঘেউ ঘেউ চিৎকার মধ্যরাতের গ্রামীন আবহের নিষ্কলংক প্রতিচ্ছবি এঁকে দিচ্ছে। ডাইনিং এর একপাশেই বিছানা করে রজনী পার করে বাড়ির বিশ্বস্ত কেয়ারটেকার জমির। প্রায় ষাটের কাছাকাছি বয়স। কানের সমস্যাটা ইদানিং আরো বেড়েছে। সাথে চোখেরও। দীর্ঘদিনের পথযাত্রা তাই সাত্তার সাহেব কখনো ভিন্ন কিছু ভাবেন নি। আর তাই জমিরের আজো এই বাড়িতে পড়ে থাকা। হাত থেকে বইটি পড়ে যেতেই চোখ খোললেন। মাঝরাতের নিরবতায় যান্ত্রিক আওয়াজটা বড্ড কানে লাগছে। চশমা চোখেই লাগানো ছিলো। আস্তে আস্তে হেঁটে ফোনের কাছে আসতে আসতে ভাবতে লাগলেন এত রাতে কার বিপদ হলো? পেরিয়ে আসা সময়গুলোতো সাত্তার সাহেব শুধু প্রয়োজনেই ডাক পেয়েছেন। জগৎ বাসীর যেন বিপদের কূলে তার নামটাই ভেসে উঠে এই বিশ্বাস পোক্ত ভাবেই জন্মে গেছে। এইতো তার কলিজার টুকরো তিন পুত্র, কত উজ্জ্বল দৃষ্টান্তই না দিলো তাকে। বাড়ির বদ্ধ প্রত্যেকটা কপাট এক একটা দীর্ঘশ্বাস। জমির টিকে থাকার আরো একটা কারন হয়তো এই যে, এই বাড়ির নাঁড়ি নক্ষত্রের ইতিহাসের সাক্ষী সে। যদি সাহিত্যিক প্রতিভা থাকতো, কিংবা কলম শক্তির জোর তাহলে হয়তো শ্রেষ্ঠ ট্রাজিডিক লেখনির মালিক হতো সে। আস্তে ফোনটা উঠিয়ে কানে লাগালেন। ওপার থেকে গম্ভীর স্বরে ভেসে এলো,

-সাত্তার সাহেব বলছেন?
সাত্তার- জ্বি। কিন্তু আপনি...
ওপাশ থেকে- আমি রামপুরা থানা থেকে বলছিলাম।

এরপর তিনজন তাগড়া যুবকের একসাথে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় একই সময়ে মৃত্যর খবর শোনালো। সাত্তার সাহেব হঠাৎ করে খুব হালকা অনুভব করলেন। জমানো এক পাথার পরিমান অভিমান যেন নিমিষেই গলে পানি হয়ে চোখের পাতা ভিজিয়ে দিয়ে গেলো।

-হ্যালো হ্যালো, শোনতে পাচ্ছেন?
-লাশগুলো পাঠিয়ে দিন।

হাত থেকে ফোনটা গলে পড়ে গেলো। ঝাপসা চোখে দূরে ঝুলানো রমনীর স্থিরচিত্রের পানে তাকিয়ে স্বগত ভেজা স্বরে বলেই ফেললেন, "তোমার কথা রাখতে পারলাম না। ওদের মাফ করে দিলাম। আমায় ক্ষমা করো।"
জমিরের ঘুম ভাঙতেই দেখলো পাশেই তার মালিক মেঝেতে পড়ে আছেন। বাইরে একটা অ্যাম্বলেন্স এসে থামলো। অভিজ্ঞতা থেকে বুঝলো সম্মুখের দেহখানা আর কখনো উঠে দাঁড়াবে না।
আর্তনাদের চেয়ে চাপা কান্নায় কষ্ট বেশি। বঞ্চিত বাবা মায়ের কবরের পাশেই হতভাগা সন্তানদের শুইয়ে দিলো বিশ্বস্ত জমির। আর্তনাদে ভরা হৃদয়ের সমস্ত পাতা। চোখের মণিতে ঘুরতে থাকে সন্তানের নিষ্ঠুরতায় ধুঁকতে থাকা এক পরিশ্রান্ত বাবার প্রতিচ্ছবি।

#ছোটগল্প

05/09/2021

প্রশ্ন করো নিজের কাছে
কে করেছে সৃষ্টি,
মেঘের ভেলা ভাসায় নীলে
ঝরায় অসীম বৃষ্টি।

প্রশ্ন করো সাগর মাঝে
এত প্রাণীর আহার,
কার হুকুমে পায় যে তারা
খাদ্য নানান বাহার৷

পাহাড় গুলো পেরেক করে
কে বানালো বলো,
কেমন করে মায়ের আদর
এত মধুর হলো।

গহীন বনে ছোট্ট পাখি
ভয়ের লেবাস ছেড়ে,
পাখনা ছড়ায় কার ইশারায়
উঠছে ধীরে বেড়ে।

বলো দেখি রাতের আকাশ
কে ভরালো তারায়,
চাঁদের মিষ্টি কোমল আলোয়
মনের দুঃখ হারায়।

মহান প্রভু আল্লাহ তিনি
সবার প্রিয় খালিক,
সৃষ্টি সকল তারই গড়া
তিনিই মোদের মালিক।

১৪/০৮/২০২১
পান্থপথ, ঢাকা

05/09/2021

মুমিনের রাত কাটে সিজদায় পড়ে
দিন যায় রিজিকের সন্ধানে গত,
নফসের সাথে এরা দৃঢ়ভাবে লড়ে
মুছে দেয় জীবনের মরিচীকা যত।

কোরানের আলোময় পথ ধরে চলে
জান্নাতী সুবাতাস বুকে পেতে চায়,
আলেয়ার কালো ছায়া মাড়ায়না কভু
মানুষের মুক্তির গান গেয়ে যায়।

শহীদের সুধা মেখে বেহেশতি যারা
মুমিনেরা চায় হতে তাদেরই মতো।

পৃথিবীর যত মায়া ভুলে গিয়ে তারা
রহমত খুঁজে ফেরে প্রার্থনা সুরে,
মালিকের প্রিয় হতে লড়ে যায় খুব
বাতিলের শত মত ছুড়ে ফেলে দূরে।

মুমিনের মন প্রাণ কুরবানী হয়
রাসুলের ভালোবাসা মেখে সারা গায়,
মঞ্জিলে আঁকে তারা ইসলামী রাজ
কুরানের বাণী করে প্রচার ধরায়।

নবীজির পথ ধরে চলে গেছে যারা
মুমিনেরা চায় হতে তাদেরই মতো।

(মাত্রাবৃত্ত ছন্দ,
৪+৪+৪+২)

০৫/০৯/২০২১
পান্থপথ, ঢাকা।

04/09/2021

দ্রুম তুমি কৃতজ্ঞ থেকো মৃত্তিকার প্রতি। প্রতিটি প্রস্ফুটিত কলির ছাঁয়া জুড়ে দ্বিতীয় জীবনের সমাহার। নিকেশ যেমন মিহির বিহীন এক নির্জীব বৃত্ত, স্বরিৎ এর শোক কাব্যও তেমনি গিলে নেয় অম্বুধি। নৃপতির আসন ভার্যার চেষ্টা বিহীন অর্জিত হয়নি কভু। তোমার নিকষ ক্ষণদা ভেদকারী দীপ্তির প্রতি আক্রোশ রেখোনা৷ সোম, একপৃষ্ঠে তমস্রা তবুও অন্য লোচন প্রভা ছড়ায়। ক্ষিতির স্পর্ষেই মহীরূহ মস্তক উঠিয়ে দাঁড়ায়। জীবন, লোহিত মওজের করাল গ্রাস। একাকী কভু তুমি মাড়াতেনা এই পথ, হাসতেনা কখনো, জীবনের রং শুধু শোকের পাপঁড়ি নয়, নয় একাকিত্বের অক্টোপাশ। তুমিও তাই কৃতজ্ঞ থেকো সব স্পর্শময় প্রাণের প্রতি, যারা তোমার শোক নয়, সুখের নৃ।

21/05/2020

14/07/2021

তোমরা প্রতিদিন জান্নাতের সুধা পান করছো,
তোমাদের মায়েরা জন্ম দেয় এক একজন সাচ্চা মুজাহিদ।
আমাদের মায়েরা তো চাঁদ মামার গল্প,
আর ডাইনী বুড়ি শুনিয়ে ঘুম পাড়ায়।
আমাদের রক্ত তাই টগবগিয়ে উঠেনা,
কলিজায় আঘাতের পরেও আমরা বিবেকশূন্য।
আমরা প্রতিনিয়ত নির্জীব থেকে
আরো নিষ্প্রানের পথে ধাবমান।

মসজিদুল আকসা (আংশিক)
-এ এইচ এম রিদুয়ান

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Mogbazar
Dhaka
1217