Rashedul Islam
আমি আমার মতো নয়তো অন্তরীক্ষের বিস্তৃত দীপ্ত কোন নক্ষত্র
আমি আমাকে পুষি আমারই মাঝে।
05/11/2023
সিঙ্গারায় যে এখনো আলু দিচ্ছে এটাই সবচেয়ে বড় মানবতা।
#বাংলাদেশের_ফাঁসি_চাই।
#আমাদের_মিলন_মেলায়_বন্ধু_তোমাদের_স্বাগতম
#গানটিআমার_নিজের_লেখা_এবং_নিজের_সুর_করা
#খালি_ভয়েসে_একটু_চেষ্টা_করলাম_মাত্র
সচেতনতামূলক বার্তা:
১. ঢাকায় এলে কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে, টের পাবেন না।
২. রিকশাতে বসে কোলের ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান। পাশের যাত্রী কিছু দিলে খাবেন না। তাতে কি? হয়তো যে পানি বা ডাব খেলেন, বা অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে ফেলা হয়।
৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ। আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং। দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা ঝামেলায় বাধাতে। এতে ওদের লাভ, সেটা কিরকম ? ধরা যাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে। অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো ৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন, দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।
৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।
১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না। দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে য়কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।
১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে দেবে আপনাকে।
১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ( কিছু বিপথগামী)পুলিশ ( সকলেই নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায় আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না। তাই বেশি রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো।
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে হলেতো আরো আগে না।
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো। বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট করে বাইকে উঠে হাওয়া।
১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ড রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।
১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও পারবেন না।
09/04/2023
চেয়ার যদি বুঝতে পারত তার ওপরে কে বসেছে!
আর ছাগল যদি বুঝতে পারত তার কোথায় বসা উচিত তাহলে আর দেশে এত সমস্যাই থাকত না।
স্বামীর মোবাইলের স্ক্রীনে স্ত্রীর ছবি থাকা মানে এই নয় যে স্বামী স্ত্রীকে খুব ভালোবাসে
ইদুর মারার বিষের প্যাকেটেও ইঁদুরের ছবি থাকে।
বলতে পারিনা তাই
তোমায় দেখেই যেন শান্তি পাই
তুমি যেন আমার
অনুপ্ররেণা বেঁচে থাকার।
আমরা রমজানে জিহ্বাকে শান্তি দিতে গিয়ে পেটের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার করি।
রাত্রিবেলা বাবা বাসায় এলেই দেখতে পেলাম মাথার কাছে একটা গাঢ় ক্ষত। কেমন যেন খুড়িয়ে হাঁটছেন। বাবার এমন অবস্থা দেখে মা এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন,
'কি হয়েছে? এমন ব্যাথা কোথায় পেলেন?'
বাবা খানিক নিঃশব্দ থেকে বললেন,
'তোমায় বলেছিলাম না কাল পায়ের বুড়ো আঙুলটা ব্যাথা করেছে সারারাত। ওটা দেখাতেই ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। সেখানেই মাথা ঘুরে পড়ে যায় হঠাৎ! পাশেই একটা টেবিল ছিল ওখানে মাথাটা লেগেছে।'
রান্নাঘর থেকেই বাবা-মায়ের কথোপকথন শুনে থমকে দাঁড়ালাম। মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার কথা শুনে আতঁকে উঠলাম। বাবা যে কাল সারারাত পায়ে ওমন ব্যাথা পেয়েছে, তা আমরা কেউ-ই জানি না। বরং আজও এমন আহত হওয়ার পর বাবা বাড়িতে এসেছেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ভাবেই। হঠাৎ যেন খুব কান্না পেল আমার। দেয়াল ঠেকে দাঁড়িয়ে রইলাম কিছুটা সময়।
বাবার মাথা দেখতে গিয়ে মা আবিষ্কার করলো এখান থেকে কিছু রক্ত গড়িয়ে জমে শক্ত হয়ে আছে। মা তা দেখে কিছুটা ভড়কে যান। আমায় একটু তুলো নিয়ে আসতে বললে দৌঁড়ে ছুটে গিয়ে তুলো আর পানি নিয়ে আসি আমি। মা রক্তগুলো আলতো হাতে পরিষ্কার করে দিচ্ছেন। বাবা চুপচাপ বসে আছেন। মাথার পেছনের দিকটায় ক্ষতটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। কিছুটা গর্তের সৃষ্টি হয়েছে তাতে। বাবার চোখ দুটো বন্ধ! যেন সবকিছুই বেশ স্বাভাবিক আছে। কিন্তু একটু খেয়াল করে দেখলাম বাবার বুজে রাখা চোখ দুটো যেন হালকা কাঁপছে। আমি বুঝলাম তিনি সবটা চুপ করে সহ্য করে যাচ্ছেন। ঠোঁট ভেঙে এবার কান্না পেয়ে গেল আমার। রুমে গিয়ে খানিকক্ষণ কাঁদলাম। সব বাবারা-ই কেন এতো ভালো অভিনয় করেন? মনে পাহাড়সমান কষ্ট বেঁধে কি করে-ই বা তারা এমন চওড়া হাসিটা আটকে রাখেন? কেন-ই বা মিথ্যে মুখোশ পড়ে বসে থাকেন সর্বক্ষণ?
ক'দিন পর মা'কে জিজ্ঞেস করলাম,
'বাবার ব্যাথা কেমন আছে এখন? ঔষধ ঠিকমতো লাগায়?'
মা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে করুণ স্বরে বললেন,
'সংসারের খরচ ঠেলতে গিয়ে মানুষটার নিজের দিকেই খেয়াল নাই। আমি বলেও খুব একটা লাভ হচ্ছে না।'
আমাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা বেশ কয়েক মাস ধরেই একটু খারাপ যাচ্ছে। তবে একারণে বাবা নিজের ঔষধ কেনা বাদ দেবেন তা ভাবিনি আমি। মনটা আবারো খারাপ হলো। সংসারের পেছনে এমন বিসর্জন দেওয়া কি খুব জরুরি?
একসপ্তাহ পর, বেতন পেয়েছি আমি। ভেবেছিলাম এই বেতন দিয়ে নতুন একটা ব্যাগ কিনবো নিজের জন্য। তবে কেনার ইচ্ছেটা এখন পুরোপুরি-ই উবে গেছে। আমার ব্যাগের চাইতে বাবার ঔষধটা এখন ঢের জরুরি! ঔষধগুলো কেনার জন্য বেরোতেই বাইরে থেকে একটা পাঞ্জাবির দিকে চোখ আটকালো আমার। সাদার মাঝে লাল বর্ডার দেওয়া ভারী সুন্দর একটি পাঞ্জাবি। ভেতরে ঢুকে প্রাইজ জিজ্ঞেস করতেই দেখলাম, ঔষধ কেনার পরও কিছু টাকা বাকি থাকছে যা দিয়ে অনায়াসে এই পাঞ্জাবিটা কেনা যাবে। কি কি সাইজ আছে জিজ্ঞেস করতেই দোকানদার বললো,
'প্রেমিকের জন্য নিচ্ছেন, তাই না আপু?'
দোকানদারের দিকে একটু তাকিয়ে হালকা হাসলাম। বললাম,
'না। বাবার জন্য নিচ্ছি!'
দোকানদার বোধহয় একটু লজ্জা পেল। নিজের ভুল শুধরে পাঞ্জাবিটা বুঝিয়ে দিলো আমায়। ঔষধ কিনে বাড়ি ফিরলাম। একগ্লাস পানির নিচে বাবার ঔষধ আর পাঞ্জাবিটা রেখে মা'কে বললাম,
'বাবাকে বোলো আমি এনেছি।'
বাবাকে সরাসরি এই উপহার দেওয়ার সাহস আমার নেই। কেন জানি ভীষণ সংকোচ লাগা কাজ করেছে মনের ভেতর!
বাবা বাড়িতে পৌঁছে ঔষধ আর পাঞ্জাবিটা দেখে থমকালেন। মা এগিয়ে এসে তাকে পরিষ্কার করে বললেন,
'আপনার মেয়ে এনেছে। পড়ে দেখুন কেমন লাগে!'
দেয়ালের আড়ালে আমি বাবার ভাবভঙ্গি দেখার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ দেখলাম বাবা পাঞ্জাবিটা বুকে আকঁড়েই কাঁদছেন। চোখ থেকে অঝোরে অশ্রুপাত হচ্ছে তার। আমার বুকটা তোলপাড় করে উঠলো। কান্না থামিয়ে বাবা মা'কে বললেন,
'আমার মেয়েটা কখন এতো বড় হয়ে গেল, মেঘা?'
আমি দেয়াল খামচে নিঃশব্দে অশ্রুপাত করছি। মনে মনে বললাম,
'তোমার মেয়েটা আরও বড় হবে, বাবা। অনেক বড়! যতটুকু বড় হলে গর্বে তোমার বুকটা ফুলে উঠবে!'
(সমাপ্ত)
খোদা হে তব মমশীর নত শুকর গুঝারি কল্যাণে যত
রহিয়াছে নিশ্চয় সকল পূর্ণতা একাগ্রতা খোদার ভীরুতা
রহমতের আরশে সব নেয়ামত দিলো হে ভরে কূল্য জগত
কে আছে এমন দয়ালু দয়াময় মাখলুকাতে দেখাও তবে আরেক ভবেতে
ইশ্বরে নশ্বর তুল হীন অধীশ্বর সশরীরে মূর্তমান দন্ডায়মান এক ভাস্কর
আকার স্বীয় রুপ বহুরুপি পরওয়ার আঘাতে ভঙ্গুর ধুলিষ্যাৎ ছারখার
খোদার পানের পানাহার নহে দরকার অদৃশ্যত মূলত খোদা নিরাকার
সর্বত্রই বিরাজমান করিলে অবলোকন ধরাশাই তবে বিদ্যমান
ক্বালব মুমিন খেদমতে জগতো ইনসান সৃষ্টির মাঝে সদা আবহমান
যদি চাও পাইতে খোদা তরিকার আকিদায় মিলাইবে যুদা
করিলে সর্মপন দ্বীন ও মন অঢেল নাহে চাহে জন ও ধন
ব্রহ্মান্ডের মাঝে মানব সাজে খোঁজ উদারচিত্তে পাইবে খোদা নিমিত্তে
কে বলিনু প্রায়শ্চিত্
১৪/১১/2021.
Ctg.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
Dhaka