MD Riajul Islam

MD Riajul Islam

Share

সবাই ফলো করে পাশে থাকবেন,

22/07/2025

আজ ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকিরের সলো ফ্লাইট ট্রেনিং (Solo Flight Training)

সলো ফ্লাইট ট্রেনিং হলো একজন পাইলটের ট্রেনিংয়ের সর্বশেষ ধাপ। ফাইটার জেট অপারেট করার জন্য একজন পাইলট যে হাই স্কিল্ড, সেটি'ই প্রমাণিত হয় সোলো ফ্লাইটের মাধ্যমে। ট্রেনিং-এর এপর্যায়ে পাইলটকে নেভিগেটর বা কো-পাইলট বা কোনো প্রকার ইন্সট্রাক্টর ব্যতীত একাই ফ্লাইট অপারেট করতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির আজ সেরকমই একটি ট্রেনিং ফ্লাইট অপারেট করছিলেন।

যেকোনো প্রকার ট্রেনিং ফ্লাইট সিভিলিয়ান এরিয়া থেকে দূরেই হয়ে থাকে, তবে সলো ফ্লাইট সাধারণত আর্বান এরিয়াতেই হয়ে থাকে৷ আর আর্বান এরিয়াতে এধরণের সেন্সিটিভ ফ্লাইট অপারেট করার জন্য পাইলটকে যথেষ্ট কোয়ালিফাইড হতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির তেমনই একজন পাইলট। তো ট্রেনিংয়ের লক্ষ্যে তৌকির তার এফ-৭ বিমান নিয়ে কুর্মিটোলা পুরাতন এয়ারফোর্স বেস থেকে টেক অফ করেন। এরপর উত্তরা, দিয়াবাড়ি, বাড্ডা, হাতিরঝিল, রামপুরা'র আকাশজুড়ে তিনি উড়তে থাকেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বিমানে কিছু সমস্যা আঁচ করেন। কন্ট্রোল রুমে রিপোর্ট করে জানান যে তার বিমান আকাশে ভাসছে না, মনে হচ্ছে বিমান নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে ইন্সট্যান্ট রেসপন্স করে ইজেক্ট করার জন্য জানানো হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে যতটুকু জানা সম্ভব হয়েছে: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির শেষ মুহূর্ত অব্দি চেষ্টা করেছেন বিমান বাচানোর জন্য। তিনি বিমানটির সর্বোচ্চ ম্যাক স্পিড তুলে বেসের দিকে ছুটতে থাকেন। এর মধ্যেই কন্ট্রোল রুমের সাথে পাইলটের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার ঠিক এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যেই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে বিধ্বস্ত হয়।

এখন পর্যন্ত এতটুকুই জানা গেছে। তবে বিমানের ঠিক কি ধরণের টেকনিক্যাল ফেইলিওরের জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটলো, তা কেবলমাত্র ম্যাসিভ ইনভেস্টিগেশন হলেই জানা সম্ভব।
© Shafin Rahman

Photos from MD Riajul Islam's post 21/07/2025

উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলের মাঠে বিমান বিধ্বস্তের দূর্ঘটনায়, কেউ একজন এর মৃত দেহ!😭
রেড এলাট ⛔
উত্তরার বিমান দুর্ঘটনা
মাইলস্টোন স্কুলের ক্লাস রুমে এসে বিমান ব্লাস্ট হয়
১০০+ ছাত্র-ছাত্রী পুরো শরীর পুড়ে গেছে। যার যার ছোট ভাই-বোন ওই খানে পড়া লেখা করে খবর নিন
উত্তরার সকল হসপিটালে ব্লাড প্রয়োজন শতশত ব্যাগ রক্ত লাগবে।
সবাই এগিয়ে আসেন প্লিজ 🙏

06/07/2025

জেনে নিন!
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।

Turning Point Job Aid
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আ

26/06/2025

হঠাৎ গভীর রাতে বাবাকে হাত মুখ ধুয়ে পোশাক বদলাতে দেখে কৌতুহলী ছোট্ট মেয়ের প্রশ্ন..
"কই যাও বাবা....?

সুগন্ধি গায়ে মেখে বাবা হাসেন, "আর বলেন অনেক বড় জায়গায় মিটিং আছে রে মা !"
"এতো রাতে..?

"হুম, রাতে ওনাকে ফ্রি পাই। দিনে অনেক ঝামেলার জন্য শান্তিতে কথা বলতে পারিনা।"
"আমাকে নেবে..?"
"তুমি যেতে চাইলে নেবো। "

"সত্যি..?" মেয়ের আনন্দ উপচে পড়ে। ভাবেনি বাবা রাজী হয়ে যাবে। দ্রুত উঠে পড়ে বিছানা ছেড়ে। বাবার কথামতো আলমারী থেকে সবচেয়ে ভালো পোশাকটা বের করে পড়ে নেয়।

বাবা পরম যত্নে মহা আয়োজন করে দুটো জায়নামাজ বিছিয়ে নিলে মেয়ে বিস্ময়ভরা কণ্ঠে বলে," তোমার মিটিং এখানে..?"

"হম, এখানে। চলো, তোমাকে আল্লাহর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। তাঁকে বলবো, আল্লাহ, দেখেন আজ আমার মেয়ে আমার সাথে আছে !"
"আমি তো আল্লাহকে দেখিনা বাবা!"

"একদিন দেখবে, যদি এখন থেকে যোগাযোগ রাখো তাহলে । নইলে কোনোদিনই দেখতে পারবেনা। উনি হলেন সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে মহান । এই যে আমাদের যা কিছু দেখছো সবই তিনি দিয়েছেন। আমাকে তোমার মতো একটা মিষ্টি মেয়ে দিয়েছেন!"

"আর আমাকে তোমার মতো বাবা..!" খুশিতে কচি কণ্ঠে হেসে ওঠে মেয়েটা...
বাবার পাশে মেয়েটা গভীর মনোযোগী হয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে যায়। বাবার দেখাদেখি জমিনে মাথা ঠেকিয়ে বিড়বিড় করে বলে,"হে মেহেরবান আল্লাহ.. আমি আপনাকে দেখতে চাই !"

আল্লাহ পাক মেহেরবানী করে আমাদের এই চর্মচক্ষুকে একদিন তাঁকে দেখার মতো নেয়ামত দান করুন...
আমিন।🖤🖤🖤

26/06/2025

শিক্ষণীয় গল্প: হাতুড়ি ও সুচ

একদিন এক কারখানার কোণে দেখা হলো হাতুড়ি আর সুচ-এর।

হাতুড়ি ছিল শক্তপোক্ত, ভারী ও গর্জনধারী। গর্ব ভরে সে বলল—
“আমি পেরেক ঠুকি, কাঠ ভাঙি, ধাতু গুঁড়িয়ে ফেলি!
আমার মতো শক্তিশালী আর কেউ আছে নাকি?”

সুচ হালকা হেসে বলল—
“তোমার শক্তির কথা অস্বীকার করছি না।
কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে, যেখানে তোমার আঘাত নয়, আমার কোমল স্পর্শ দরকার হয়।”

হাতুড়ি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল—
“তুমি আবার কী এমন করো, যেটা আমি পারি না?”

সুচ তখন তাকে নিয়ে গেল এক দর্জির দোকানে।
সেখানে একজন দর্জি সুচ ও সুতার সাহায্যে কাপড়ের ছেঁড়া জায়গা সুন্দরভাবে জোড়া লাগাচ্ছেন।
একটুও কষ্ট বা ক্ষতি হচ্ছে না, বরং কাপড় নতুনের মতো দেখাচ্ছে।

এই দৃশ্য দেখে হাতুড়ি চুপ করে গেল।
সে বুঝতে পারল, শুধু জোরে আঘাত করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না।
অনেক সময় ধৈর্য, সূক্ষ্মতা আর যত্ন বেশি দরকার হয়।

তখন সুচ বলল—
“দেখো বন্ধু, আমরা কেউ কারো চেয়ে বড় নই।
তুমি কাঠে পেরেক ঠুকে ঘর তৈরি করো, আর আমি জামা জুড়ে মানুষকে পরার উপযোগী করি।
আমরা আলাদা কাজে দক্ষ, তাই উভয়েরই গুরুত্ব আছে।”

---

গল্পের শিক্ষা:

জীবনে কেউ বড়, কেউ ছোট মনে হলেও, প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজে গুরুত্বপূর্ণ।
শক্তি দিয়ে যেমন বিশাল কাজ হয়, তেমনি সূক্ষ্মতায়ও আসে নিখুঁত সমাধান।
তাই সবাইকে সম্মান করা উচিত—কারণ সবারই নিজস্ব মূল্য আছে।

26/06/2025

"বাবা, আমি মানুষের মাংস খেতে চাই!"
একটি ছোট শকুন তার বাবাকে বলে বসলো।

বাবা শকুন বলল, "ঠিক আছে, সন্ধ্যার পর নিয়ে আসব।"

সন্ধ্যা হলে সে উড়ে গিয়ে এক টুকরো শুকরের মাংস এনে বাসায় রাখল।

ছানা বলল, "এটা তো শুকরের মাংস! আমি তো মানুষের মাংস চাই!"

বাবা শকুন হেসে বলল, "আচ্ছা ঠিক আছে, আরেকটু অপেক্ষা করো।"

পরে আবার সে উড়াল দিল, এবার এক মৃত গরুর মাংস এনে ছানার সামনে রাখল।

ছানা বিরক্ত হয়ে বলল, "আবার ভুল! এটা তো গরুর মাংস! মানুষের মাংস কোথায়?"

বুঝেশুনে এবার শকুন দু’টি মাংসের টুকরো মুখে করে উড়ে গেল। একটি টুকরো কে একটি মসজিদের পাশে এবং অন্য টুকরো কে একটি মন্দিরের পাশে ফেলে দিয়ে চলে এল।

কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হলো বিশৃঙ্খলা। মানুষ ধর্মীয় উত্তেজনায় এমনভাবে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ল যে, শত শত মানুষ প্রাণ হারাল।

গাছে বসে বাবা-ছেলে শকুন নেমে এলো। এবার তারা সত্যিকারের মানুষের মাংস খেতে লাগল।

ছানা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এত মানুষের মৃতদেহ কোথা থেকে এলো?"

বাবা শকুন শান্তভাবে উত্তর দিল, "মানুষ নিজেদেরকে ‘সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব’ বলে দাবি করে, কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির নামে তাদের ব্যবহার করানো সবচেয়ে সহজ। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে দেয়।"

ছানা বলল, "ধর্মকেই ব্যবহার করলে কেন? রাজনীতি করলেই তো হতো!"

বাবা হেসে বলল, "রাজনীতি সময় নেয়, ধীরে ধীরে আগুন ছড়ায়। কিন্তু ধর্ম? সেটা আবেগের জায়গা—এক চিমটি ছিটালেই বিস্ফোরণ ঘটে! তুমি তো আজই খেতে চেয়েছিলে, তাই তাড়াতাড়ি কাজ সেরে ফেললাম।"

ছানা বলল, "তুমি তো খুব চালাক বাবা!"

বাবা বলল, "আমি কিছুই না, আমি তো শুধু মানুষের কাছ থেকেই শিখেছি। যখন এরা সরাসরি ক্ষতি করতে পারে না, তখন ধর্ম বা রাজনীতিকেই অস্ত্র বানায়!"
Collected

19/06/2025

#পারমাণবিক_বোমা বিস্ফোরণের প্রথম ৬০ সেকেন্ডের টাইমটেবিল⤵️
▪️প্রথম সেকেন্ড (০-১ সেকেন্ড):
> বো'মা ফাটলে একটি তীব্র ঝলক (flash of light) দেখা যায় - এতটাই তীব্র যে চোখ সঙ্গে সঙ্গে পু'ড়ে যেতে পারে (permanent blindness)।
> তাপমাত্রা ১০ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত - সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়েও বেশি গরম।
> বি'স্ফোরণ কেন্দ্রে (Ground Zero) যা কিছু থাকে সব বাষ্পীভূত (vaporized) হয়ে যায় - মানুষ, দালান, গাড়ি, সবকিছু।

▪️২-৩ সেকেন্ড:
> একটি বিশাল আ'গুনের গোলা (fi'reball) তৈরি হয়, যা দ্রুত আকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
> ১-২ কিলোমিটারের মধ্যে যা কিছু থাকে, তা সম্পূর্ণ পু'ড়ে যায় - তৃতীয়-মাত্রার পোড়া (third-degree burns) প্রায় তাৎক্ষণিক।

▪️৫-১০ সেকেন্ড:
> শ'কওয়েভ (shockwave) নির্গত হয় - বাতাসের শক্তিতে বিল্ডিং ভেঙে পড়ে, দেয়াল ভেঙে যায়, মানুষ অনেক দূরে ছিটকে যায়।
> ৩-৪ কিলোমিটারের মধ্যে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে, শ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

▪️১০-৩০ সেকেন্ড:
> সব দিকে সু'পারসোনিক ব্লা'স্ট ওয়েভ (supersonic blast wave) ছড়িয়ে পড়ে - ১৫০০+ কিমি/ঘণ্টা বেগে বাতাসের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে।
> কাঁচের টুকরা, ধ্বং'সাবশেষ এবং আ'গুনের শিখা মানুষকে আ'হত করতে থাকে।

▪️৩০-৬০ সেকেন্ড:
> বিকিরণ (Initial nuclear radiation) নির্গত হয় - যারা ১-১.৫ কিলোমিটারের মধ্যে আছেন, তাদের তীব্র বিকিরণ থেকে মা'রাত্মক বিকিরণ অসুস্থতা (radiation sickness) হতে পারে।
> আ'গুন এবং ফা'য়ারস্টর্ম (fir'estorm) শুরু হয় - বহু বর্গ কিলোমিটার জুড়ে।

▪️এবং এর পরে?

কয়েক মিনিটের মধ্যেই গুরুতর বিকিরণ ছড়াতে শুরু করে - বাতাস থেকে, ধুলো থেকে, বৃষ্টি থেকে।
ব্ল্যাক রেইন (Black Rain): বি'ষাক্ত ছাই এবং তে'জস্ক্রিয় কণা ভরা বৃষ্টি শুরু হতে পারে। হাজার হাজার নয়, লক্ষ লক্ষ প্রা'ণ এক দিনেই চলে যেতে পারে - এবং এর প্রভাব বছরের পর বছর ধরে থাকবে।

কপি

14/06/2025

এই গোল চিহ্নিত ফ্লাটে ছিলেন খুব সম্ভবত ইরানের রেভলুশনারি গার্ডের প্রধান।
তাকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূর থেকে টার্গেট করে তাকে হ /ত তা করা হয়েছে।কোনো প্রকার হেরফের হয়নি। না অন্যকোনো ফ্ল্যাটে আঘাত হেনেছিল, না আঘাত ২ হাজার কিলো দূরত্ব দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। কতটা নিখুঁত প্রযুক্তি চিন্তা করেছেন।
আপনি আমি কেউই কিন্তু নিরাপদ না। নিরাপদ হতে পারেন নাই ইরানের আর্মির সিজিএস (সেনাপ্রধানের পরের সর্বোচ্চ পদ)।
এর আগে এক নিমিষে হিজবুল্লাহর কমান্ডদের ধ্বংস করে ফেলেছিল। শুনে মনে হবে জাদু যে আপনি বহু দূরে বসে কেবল বললেন হও। আর সাথে সাথে হয়ে গেলো উদ্দেশ্য সাধন। জি, পেজার হামলার কথা বলছি।
এই সবকিছু একদিনে হয় নাই। বহুদিন ধরে বাহিনীর কোন কোন সদস্য সত্যিকার অর্থে কার্যকর, তাদের চিন্তা কেমন, কোথায় থাকে, কীভাবে তাদের আক্রমণ করা হবে এই সব তথ্য সংগ্রহ করে এই ঘটনাগুলো ঘটানো হয়েছে।
মেধা, প্রযুক্তি, তথ্য আর স্ট্র্যাটেজির এই অপূর্ব সম্মিলিন দেখে আমাদেরকেও মাথা নাড়িয়ে বলতে হয় যে সত্যিই অপূর্ব।

যোগ্যতা এই লড়াইয়ে সমকক্ষ হবার কোন প্রচেষ্টা আমাদের আছে কি? নাকি আশা করছি পাগলামি, সমালোচনা আর নিজেদের মাঝে ঝগড়া করতে করতে আমরা জিতে যাবো?

কপি পোস্ট

14/06/2025

আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে তালক্বীন করা সুন্নত। তালক্বীন করার কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।হযরত আবু উমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন- আখেরী রসূল হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন-“যখন তোমাদের কোন মুসলমান ভাই ইন্তেকাল করবে তখন তাকে কবরে রেখে তার উপর ভালভাবে মাটি দিয়ে অর্থাৎ দাফন করে তার মাথার নিকট দাঁড়িয়ে বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” তখন মৃত ব্যক্তি ইহা শুনবে কিন্তু কোন জবাব দিবেনা। তারপর বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” ইহা শুনে মৃত ব্যক্তি উঠে বসবে। অতঃপর আবার বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” ইহা শুনে মৃত ব্যক্তি বলবে কি বলছেন? (যদিও তার কথা শুনা যাবেনা) তখন তোমরা বলবে তুমি এই সময় বলো দুনিয়ায় থাকাকালীন অবস্থায় তুমি যার উপর কায়েম ছিলে) অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক ব্যতীত অন্য কোন মাবুদ নাই, তিনিই একমাত্র প্রতিপালক। ইসলাম তোমার দ্বীন, হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমার নবী, কোরআন শরীফ তোমার পথ প্রদর্শক।এসময় মুনকার এবং নাকীর একে অপরের হাত ধরে বলবে- এখান হতে চল, এর নিকট বসে কি করব? একেতো আখেরাতের দলীল শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে।অতঃপর আল্লাহ্ পাক তার এই কথাগুলো লিখে নেন। অমুকের পুত্র অমুকের স্থলে মৃত ব্যক্তি ও তার মাতার নাম উল্লেখ করবে।এক ব্যক্তি উঠে জিজাসা করল- ইয়া রসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি তার মাতার নাম জানা না থাকে তখনু উপায় কি? হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন- তাহলে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম-এর নাম উল্লেখ করে বলবে- হে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালামএর পুত্র অমুক।আর কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে মাইয়্যেতকে দাফন করার পর উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ থেকে একজন প্রশ্ন করবে, من ربك.উচ্চারণঃ মার রাব্বুকা?অন্যান্য সকলেই বলবে- ربى الله.উচ্চারণঃ রব্বিইয়াল্লাহু।এরপর বলবে- ومن نبيك.উচ্চারণঃ ওয়া মান নাবিয়্যুকা?অন্যান্য সকলেই বলবে,ونبى محمد صلى الله عليه وسلمউচ্চারণঃ নাবিয়্যী মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতঃপর বলবে, وما دينك.উচ্চারণঃ ওয়ামা দ্বীনুকা?সকলেই বলবে, دينى الاسلام.উচ্চারণঃ দ্বীনিয়্যাল ইসলাম।হাদীস শরীফে রয়েছে, যখন মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কবরে তালক্বীন দেয়া হয় তখন মুনকার ও নকীর ফেরেশতাদ্বয় পরস্পর পরস্পরের হাতে ধরে বলেন যে, তাকে প্রশ্ন করে কি হবে, তাকে তো সব শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। চল আমরা চলে যাই। অর্থাৎ তালক্বীনের কারণে সে সুওয়াল-জাওয়াব থেকে নিস্কৃতি ও নাযাত পায়। (সুবহানাল্লাহ্)( দলীলসমূহঃ- ত্বাষ্কানী মুজামুল কবীর, বুলুগুল মারাম, ফিকাহুস সুনান, কবীরি, নূরুচ্ছুদুর, আরকানে আরবায়া, ফতওয়ায়ে রশিদীয়া, ইত্যাদি।) ©

12/06/2025

ইসলামিক পদ্ধতিতে গরু জবাইয়ের সময় গরু ব্যাথা অনুভব করে কি না এ নিয়ে একটা পরীক্ষা করা হয়েছিলো। গরু জবাইয়ের সময়ে 'EEG' পরীক্ষা করে গরুর মস্তিষ্ক এবং 'ECG' করে গরুর হার্ট দেখা হয়।
পরীক্ষায় দেখা যায়, জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ডে 'EEG' গ্রাফে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, অর্থাৎ গরু কোনো ব্যাথা পায় না। পরের ৩ সেকেন্ডের 'EEG' রেকর্ডে দেখা যায়, গরু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার মতো অচেতন হয়ে থাকে, শরীর হতে প্রচুর রক্ত বের হয়ে যাওয়ায় ব্রেইনে রক্ত সরবরাহ হয় না বলে এই অচেতন অবস্থা হয়। এই প্রথম ৬ সেকেন্ড পরে 'EEG' গ্রাফে 'Zero level' দেখাচ্ছিলো, তার মানে গরু কোনো ব্যাথা পাচ্ছিলো না। গরুর যে খিচুনি আমরা দেখি সেটা 'Spinal cord' এর একটি 'Reflex Reaction', এটা মোটেও ব্যাথার জন্য হয় না।

~~~সুবহানাল্লাহ..!
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এমন ভাবে সবকিছু সৃষ্টি করে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত নিখুঁত। যারা ভাবেন যে পশু জবাইয়ের মাধ্যমে মুসলমানরা পশুকে কষ্ট দিচ্ছে তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের এই রহমতের কথা জানতে পারলে সত্যিই অবাক হবে।
ভাই কিছু বুঝলেন? এইটাই আল্লাহ তায়ালার কুদরত সেজদায় মাথাটা আল্লাহ তায়ালার সামনে আরো একবার নত হয়ে গেলো।
[ বিঃদ্রঃ- এই পরীক্ষাটি করেন জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শুলজ এবং ডক্টর হাজিম। ]
" উপরের খবরটি নেটে প্রচুর ঘুরছে। তবে এটার সপক্ষে কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমান পাওয়া যায়নি।

10/06/2025

১৯৯০ সালে ঘটে যাওয়া এক হৃদয়বিদারক বিমান দুর্ঘটনার সমাপ্তি ঘটে অলৌকিক সাহসিকতার মধ্য দিয়ে।

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ফ্লাইট ৫৩৯০ যখন ১৭,০০০ ফুট উচ্চতায় ছিল তখন হঠাৎ করেই এর ককপিটের উইন্ডশিল্ড খুলে উড়ে যায়। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় সৃষ্ট হয় তীব্র বায়ুচাপের তারতম্য (decompression), যার ফলে পাইলট আংশিকভাবে জানালা দিয়ে বাইরে ছিটকে পড়ে যান।

ঠিক সেই মুহূর্তে ককপিটে প্রবেশ করছিলেন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট নাইজেল ওগডেন। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তিনি ঝুঁকি নিয়ে পাইলটকে ধরে রাখেন—পেছন দিক থেকে তার কোমর জড়িয়ে ধরে ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে আটকে রাখেন, যতক্ষণ না কো-পাইলট নিরাপদভাবে বিমানটি সাউথ্যাম্পটন এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করান।

বেশিরভাগ ক্রু তখন ভাবছিলেন পাইলট নিশ্চয়ই মারা গেছেন। কিন্তু ওগডেন কাউকে পাত্তা না দিয়ে ধরে রেখেছিলেন, কারণ তার আশঙ্কা ছিল—যদি তিনি ছেড়ে দেন, তাহলে পাইলটের দেহ বিমানের ইঞ্জিন বা ডানা কিংবা স্ট্যাবিলাইজারে আঘাত হানতে পারে, যা আরও বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।

এদিকে, পাইলট জানালার বাইরে প্রায় পুরোপুরি ঝুলে যাচ্ছিলেন, তার মাথা বারবার বিমানের গায়ে ধাক্কা খাচ্ছিল, অথচ ওগডেন এক মুহূর্তের জন্যও তাকে ছাড়েননি।

এই ঘটনার সময় ওগডেন নিজেও গুরুতরভাবে আহত হন। তার মুখে ফ্রস্টবাইট হয়, একটি চোখে ক্ষতি হয়, এবং কাঁধ স্থানচ্যুত হয় (dislocated shoulder)। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, সেই পাইলট বেঁচে যান, যদিও তার হাতে-পায়ে বেশ কিছু হাড় ভেঙে গিয়েছিল এবং ফ্রস্টবাইটে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

N.B: This image is a recreation from the Television series 'Mayday'.

09/06/2025

Kodak কোম্পানির কথা মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন এবং বিশ্বে ছবি তোলার ৮৫%ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল এবং ডিজিটাল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak কোম্পানিটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে বা এর কিছু আগে পরে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেগুলো এখনও কোনমতে টিকে আছে তাদের অবস্থাও নিভু নিভু। যেমন:

১. National (টিভি)
২. Raledy (ক্যাসেট প্লেয়ার)
৩. Casio (ঘড়ি)
৪. Ambassador (গাড়ি)
৫. Nokia (মোবাইল)
৬. Murphy (রেডিও)
৭. Compaq (পিসি ব্র্যান্ড)
৮. Oldsmobile (গাড়ি নির্মাতা)
৯. Pan Am (বিমান সংস্থা)
১০. Blockbuster (ভিডিও চেইন)
১১. Borders (বই বিক্রেতা)
১২. Toys "R" Us (খেলনা বিক্রেতা)
১৩. Enron (বৈশ্বিক জ্বালানি কোম্পানি)
১৪. Woolworth's (বিশ্বের বৃহত্তম খুচরা বিক্রেতা)
১৫. Tower Records (মিউজিক স্টোর)

এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এরা উঠে গেল কেন? কারণ, সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের ১০ বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! আজকের ৭০ থেকে ৯০% চাকরিই সামনের ১০ বছরে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে।

আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না? আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান।

Uber কেবলমাত্র একটি software এর নাম। এদের নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। তবুও আজ তারা পৃথিবীর বৃহত্তম ট্যাক্সিভাড়ার কোম্পানি।

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই। একইভাবে Paytm, Ola Cabs, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে উন্নত দেশগুলোতে জুনিয়র আইনজীবীদের জন্য কোনো কাজ নেই, কারণ Clio, My Case, Practice Partner নামের সফটওয়্যারগুলো যে কোনো নতুন উকিলের থেকে অনেক ভালো ওকালতি করতে পারে। নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Medscape, Merative, Telemedicine, eClinicalWorks, Doctor on Demand নামের অ্যাপগুলো মানুষের থেকে ৪ গুণ নিখুঁতভাবে ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Road 3/F, Sector : 09
Dhaka
1230