Greenery BD

Greenery BD

Share

Preserve your future Oxygen �

07/09/2024

আমাদের নেতার আদর্শে পথ চলেছি।।
ইনশাআল্লাহ এই দেশের মানুষকে একটা সুন্দর রাষ্ট্র দিবো

06/09/2024

কিছু সাধু সম্প্রদায় 🥳🥳
এতদিন ছাত্রলীগের পা চেটে সন্ত্রাসী রাজনীতি শিখেছে।। এখন তারাই এলাকায় এবং ভার্সিটির আশেপাশে আবার বিএনপি অথবা ছাত্রনেতা সেজে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছে।।
বিএনপি কখনো সন্ত্রাসী রাজনীতিকে সমর্থন করেনি করবেও না।। যদি এমন কেউ থেকে থাকেন তবে অতি তাড়াতাড়ি তাদের উপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।
আমাদের নেতা অনেক তারাতাড়ি দেশের মাটিতে পা রাখবে।। ♥️♥️♥️♥️♥️♥️

Photos from Greenery BD's post 04/09/2024

নেতা মানেই জনগণের বিপদে পাশে থাকা।
সালাম জানাই আপনাদের।।
আর আবু আফসান ভাই এর সাথে আমার পরিচয় হয় ২০১৮ সালে মোঃ আশিকুর রহমান ভাই এর মাধ্যমে।।

ছোট থেকেই মোঃ আরাফাত রহমান রাখুন ভাই এর নীতিতে চলেছি।। যার মধ্যে মূল শিক্ষাই ছিল অসহায় ও সাধারণ মানুষের বিপদে পাশে থাকা এবং তাদের সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করা।।

সেই একই মানসিকতা আমি আফসান ভাই এর ভিতরে দেখেছি।। তাই ভাই এর সাথে আমি আছি।।

31/08/2024

স্বৈরাচার হাসিনার দোসর ও সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের অপরাজনীতির প্রবর্তক ও পৃষ্ঠপোষক, দুর্নীতিবাজ ড. মুহাম্মদ আলমগীরের ইউজিসির চেয়ারম্যান পদসহ সকল কার্যক্রম থেকে অপসারণ ও বিচার চাই।

ড. মুহাম্মদ আলমগীর তৎকালীন ভিসি ড. নওশের আলী মোড়লকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় ভিসির বাসভবনের সামনে মাইকিংসহ নানানভাবে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ার আগেই পদত্যাগে বাধ্য করেন। অতঃপর তিনি ২০১০ ইং সাল থেকে ২০১৮ ইং সাল পর্যন্ত ২ মেয়াদে ৮ বছর কুয়েটের ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে কুয়েটের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে ধ্বংস করে দেয়া হয়। ক্যাম্পাসকে নোংরা রাজনীতি ও সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হয়। তার দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য তিনি কুয়েটে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেন এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিতে থাকেন। তার পৃষ্ঠপোশকতায় ছাত্রলীগ কুয়েট ক্যাম্পাসে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। হলের সিট বাণিজ্য, ডাইনিং হলের খাবার বানিজ্য, টর্চার সেল গঠন, রেগিং, টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্য, শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য, সাধারণ ছাত্র, এমনকি শিক্ষক কর্মচারীদের বহিরাগত ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন ও মারধর, তার ইন্ধনে ছাত্র কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে দুজন শিক্ষকের মৃত্যু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনের বিরোধিতা ও আন্দোলন দমনের চক্রান্ত ইত্যাদি অপকর্মের সাথে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। তার স্বেচ্ছাচারী, অনৈতিক ও অপকর্মের কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো:

ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন ও রেগিং : ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই তার মদদে প্রতিটি হলে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করা হয়। এই সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন হলের ভিন্ন মতাবলম্বী ও সাধারণ ছাত্রদের বিভিন্ন কায়দায় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তাদের নির্যাতনে অনেকেই হল থেকে বিতাড়িত হতে বাধ্য হয়। অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে। অনেকের প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন অন্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়।

হলে হলে গেস্ট রুম টর্চার সেল গঠন: তার ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালিন সময়ে কুয়েটের প্রতিটি হলে গেস্ট রুম টর্চার সেল নীতি চালু করা হয় অর্থাৎ প্রতিটি গেস্ট রুমকে টর্চার সেলে পরিণত করা হয়। ভিন্ন মতের, এমনকি সাধারণ ছাত্রদেরও ধরে এনে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তিনি শুধু সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয়ই দেননি, মদদ দিয়েছেন, উৎসায়িত করেছেন এবং সময়ে সময়ে পুরস্কৃত করেছেন।

ছাত্রী নির্যাতন ও লাঞ্ছনা: তার আশ্রয় প্রশ্রয়ে গঠিত ও লালিত পালিত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী কর্তৃক ইভটিজিং বা ছাত্রী নির্যাতন ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। তার প্রশ্রয়ে ছাত্রী নির্যাতনের বিচার নীরবে নিভৃতে কেঁদেছে। সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ কর্তৃক লাইব্রেরীতেও ছাত্রী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। তার প্রশ্রয়ে ও ছত্রছায়ায় এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তি প্রদানের বিষয়ে গড়িমসি করা এবং প্রহসনের নাটক সাজিয়ে অপরাধীদের রেহাই বা নিষ্কৃতি দেয়া ছিল অতি স্বাভাবিক ঘটনা।

টেন্ডার ও কমিশন বানিজ্য: তার সময় থেকে কুয়েটে টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্য শুরু হয়। তিনি বহিরাগত ও ছাত্রলীগের নেতাদের সহযোগিতায় কুয়েটকে টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্যের আস্তানায় পরিণত করেন। প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনে নিজস্ব জনবল নিয়োগ প্রদান এবং তাদেরকে হাতে রেখে ও অংশীদারিত্বের সুবিধা দিয়ে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নেন। তার কর্মকান্ড ছিল " যত বেশি বাজেট-প্রজেক্ট তত বেশি লাভ।"

শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ বানিজ্য: মেধা নয়, তার পছন্দ, অর্থনৈতিক লেনদেন ও ছাত্রলীগের সার্টিফিকেটই ছিল শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগের মূল ভিত্তি। যোগ্যতার মাপকাঠিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও বিধি বহির্ভূতভাবে তিনি অনেক শিক্ষক কর্মচারীকে নিয়োগ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের সহযোগিতায় তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।

মদ জুয়ার আড্ডাখানা: তার ভিসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পূর্বে কুয়েটে কখনো মদ জুয়ার কথা চিন্তাই করা যেত না কিন্তু তার সময়ে এই অনৈতিক কাজকে আশ্রয় ও প্রশ্রয় দেয়া হয়। এমনকি অতিরিক্ত মদ্যপান করে ছাত্রলীগ সভাপতির মৃত্যুবরনের পর শিক্ষক ও সাধারণ ছাত্রদের বিরোধীতা সত্ত্বেও ঐ ছাত্রের স্মৃতি রক্ষার্থে ক্যাম্পাসে স্মৃতি ফলক তৈরি করা হয়।

শিক্ষক-কর্মচারী নির্যাতন ও শিক্ষকের মৃত্যু: তার সময়ে তার প্রত্যক্ষ মদদে ও যোগসাজশে বহু শিক্ষক ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের দ্বারা অসম্মান, অপমান, নির্যাতন ও মারধরের শিকার হয়। তার পরিচালনায় ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ড. আরিফ এবং ড. সেলিমের মতো শিক্ষককে অকালে মৃত্যুবরণ করতে হয়। কোন ঘটনারই সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বা হতে দেয়া হয়নি। তার উস্কানি ও প্রশ্রয়ে সাধারণ কর্মচারীরাও নির্যাতন ও মারধরের শিকার হয়েছে। যা কুয়েট ক্যাম্পাসকে প্রতিনিয়ত কলঙ্কিত ও কলুষিত করেছে।

কয়েকবার কুয়েট ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা: তার সময়ে বহিরাগত ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের নিপীড়ন, নির্যাতনে অতিষ্ঠ সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা প্রতিবাদ, প্রতিরোধ গড়ে তুললে ক্যাম্পাস অশান্ত ও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে কয়েকবার কুয়েট ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনের বিরোধিতা: তিনি প্রতিনিয়ত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং আন্দোলন দমনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তারই ইন্ধন ও ষড়যন্ত্রের নীল নকশায় খুলনায় বহু আন্দোলনকারী ছাত্র জনতা ছাত্রলীগ, যুবলীগ সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছে এবং আহত হয়েছে।

ইউজিসির সদস্য হিসেবে অনিয়ম ও দুর্নীতি: ইউজিসি'র সদস্য হিসেবেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, নিয়োগ, পদোন্নতি, তদারকি, পরিদর্শন, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, পরীক্ষার ফলাফলের স্বচ্ছতা বিধান, সার্টিফিকেট ব্যবস্থাপনা, পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন প্রকল্পের তহবিল ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা, পক্ষপাতিত্ব ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

উপরে উল্লেখিত দুর্নীতি, অপকর্ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারিগর দলকানা, পাছাটা, কুয়েটে অপরাজনীতির প্রবর্তক ও ধারক বাহক ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে বর্তমানে ইউজিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যাহা অনাকাঙ্ক্ষিত। তার এই নিয়োগ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে হাজারো শহীদ এবং হাজার হাজার পঙ্গুত্ব বরণকারী ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়কে শুধু প্রশ্নবিদ্ধই করছে না, অসম্মান ও কলঙ্কিত করছে বলেই আমরা মনে করি। তাই অনতিবিলম্বে অপরাজনীতির প্রবর্তক, স্বেচ্ছাচারী, দুর্নীতিবাজ, স্বৈরাচারের দোসর ও তল্পিবাহক, দলকানা ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার্থে এবং দেশ ও জাতির প্রয়োজনে ইউজিসির চেয়ারম্যানের দায়িত্বসহ সকল কার্যক্রম থেকে অপসারণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

নিবেদক-
বৈষম্য বিরোধী প্রকৌশলী সমাজ।

31/08/2024

সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নির্ধারণ করার ক্ষমতা শুধু ইউজিসির চেয়ারম্যানের হাতেই থাকে।।
বর্তমান ইউজিসির চেয়ারম্যানের পদে আছেন স্বৈরাচারী দোসর এবং অপরাজনীতির প্রবর্তক আলমগীর।।
ছাত্রসমাজ সুন্দর এবং সুশীল বানাইতে চাইলে ইউজিসির চেয়ারম্যান আলমগীরকে তার পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।।
না ছাড়া সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের অপরাজনীতি ছড়িয়ে পড়বে।।যা আমাদেরকে আবার পিছিয়ে ফেলে দিবে।।যা আমরা করতে দিতে পারি না।।
এক দাবি একটাই
ইউজিসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাই

20/08/2024

জাগো বাঙ্গালী জাগো

স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোটা সময় তিনি কারাগারে! আবার গ্রেফতারও হয়েছিলেন স্বেচ্ছায়! তারচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে গ্রেফতার হবার আগে স্বাক্ষর করে যাননি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে! ৭ই মার্চে যে ভাষণ দিয়েছিলেন সেটিও ৪জন বুদ্ধিজীবীর লেখিত ভাষণ! তিনি মূলত করেছিলেন কি গলাবাজি ছাড়া?

আবার ৭২-৭৫ তিন বছর তিনি ক্ষমতায় থাকা কালে বেসরকারি হিসেবে দুর্ভিক্ষ ও রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রায় পাঁচ লক্ষের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলো অর্থাৎ বছরে গড়ে ১ লক্ষ ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ আর গড়ে প্রতিদিন ৪৫৬ জন মানুষ! গণতন্ত্রের গলাটিপে হত্যা করে দেশে বাকশাল কায়েম করতেও দ্বিধা না করা সেই একনায়কতন্ত্রের খলনায়ককে বানানো হয়েছে জাতির পিতা! শেখ কামালের মত একজন চরিত্রহীন ব্যাংক ডাকাতের বাবাকে বানানো হয়েছে বঙ্গবন্ধু! কি বিচিত্র এই দেশ, ভাবতে পারেন?

এত মহান মানুষ স্বপরিবারে নিহত হবার পরও মানুষ শোক পালন না করে উল্টো মিষ্টি বিতরণ করেছিলো! শুনেছি সেদিনও নাকি দেশে মিষ্টির ঘাটতি পড়ে গেছিলো, যেভাবে ঘাটতি পড়েছিলো গত ৫ই আগস্ট হাসিনার পতনের পরে! চিন্তা করেন সে এতটাই মহান মানুষ ছিলো যে তার জানাযা পড়ার লোক পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি! এখন যেমন পাঁচ তারিখে আওয়ামীলীগের পতনের পর থেকে আওয়ামীলীগ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ ১৮-১৯ বছর ক্ষমতায় না থেকেও বিএনপি জামায়াত দেশেই ছিলো, এভাবে গর্তে ঢুকে যেতে হয়নি। আমার তো মনে হয় ৫ তারিখ শেখ হাসিনার মৃত্যু হলে তার জানাজা পড়ার জন্যেও মানুষ খুঁজে পাওয়া যেতো না।

ইতিহাস কি নির্মম! তাকে যত জোর দিয়ে চেপে ধরবেন সে তত বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সামনে বেরিয়ে আসবে। এবারও তাই হচ্ছে.... বিনম্র শ্রদ্ধা লিখার আগে ৭২-৭৫ সালের শাসনামল পড়ে আসুন সুশীল সাহেব!

Copyright

05/08/2024

Allah best game planner..♥️♥️♥️♥️
Sotter joy akdin hobe🏴🏴🏴🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩🏴🏴🏴

06/08/2023

Share and follow
Contact our helpline
And buy our health card

বিজ্ঞানীরা ক্যান্সার টিউমার ধ্বংস করতে সক্ষম হওয়া একটি নতুন ঔষধ আবিস্কার করতে সফল হচ্ছেন।

২০ বছরের দীর্ঘ গবেষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা ক্যান্সার টিউমার প্রতিরোধী একটি কার্যকরী ঔষধ তৈরি করতে সফল হচ্ছেন। এটি এখনও প্রি-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে অবস্থিত, তবে শীঘ্রই সাধারণ প্রয়োগে আনা যাবে বলে আশা জানানো হয়েছে। এই ঔষধ ক্যান্সার টিউমারকে সম্পূর্ণ ভাবে নিষ্ক্রিয় করে তুলে, সুস্থ কোষে কোন প্রভাব ফেলে না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রমুখ ক্যান্সার গবেষণা ও চিকিৎসা সংস্থা ‘সিটি অব হোপ’-এর গবেষকরা এই ঔষধটির তৈরির কাজে নেমে ছিলেন। গত সপ্তাহ তারা এই ঔষধের কার্যপ্রণালী ও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। সিটি অব হোপ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে যে, এই ঔষধ ক্যান্সার সেলকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্য করে নিষ্ক্রিয় করতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের গবেষণার ফলাফল হিসাবে বলেছেন, নিয়মিত সেবনে এই ঔষধ ক্যান্সার টিউমারকে ধীরে ধীরে নিষ্প্রভাব করে তোলে। প্রফেসর লিন্ডা মালকাস, সংস্থায় অনেক দিন ধরে কাজ করছেন, তিনি বলেন, "গত ২০ বছরে আমি এই ঔষধের গবেষণায় জড়িত ছিলাম এবং আমাদের ফলাফল সত্যিই উৎসাহিত করে।" যেহেতু এখনও মানব শরীরে প্রয়োগ হয়নি, সেহেতু তার প্রতিক্রিয়া অজানা রয়েছে, তবে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী। বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার, যেমন স্তন, প্রোস্টেট, মস্তিষ্ক, ডিম্বাশয়, সার্ভিকাল, ত্বক এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য এই ঔষধের সফলতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বিস্তারিত জানতেঃ https://www.webmd.com/cancer/news/20230802/new-oral-chemotherapy-shows-breakthrough-potential-mice

Photos from Greenery BD's post 27/05/2023

Lipstick Orchid...‽

Want your business to be the top-listed Home Improvement Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dakshinkhan, Aynusbag, Uttara Anowara College Road
Dhaka
1230