RAIBD
RAIB is a private research farm that researches about politics, newspapers, human rights, education, health, women & child etc.
সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস: পরাজয় অনিবার্য
বিস্তারিত কমেন্টে
#গান_বিশ্লেষণ
“সময় গেলে সাধন হবে না
দিন থাকতে দিনের সাধন কেন করলে না
জান না মন খালে বিলে
মীন থাকে না জল শুকালে
কী হয় তার বাঁধন দিয়ে
শুকনা মোহনা”
অসময়ে কৃষি করে
মিছামিছি খেটে মরে
গাছ যদি হয় বীজের জোরে
ফল তো ধরে না।”
শুরুতেই বলা হয়েছে, “সময় গেলে সাধন হবে না”। বাউল পরিভাষায় সাধন বলতে বোঝায়: “নারী-পুরুষে মিলন" বাউলদের সাধনার সারবস্তু। পুরুষের বীজ আর নারীর রজঃ মিলিত হয়ে মানবের জন্ম।
যৌন উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে সহজ মানুষ বা কথিত ঈশ্বরের অটলরূপ উপস্থিত হয় বলে তাদের বিশ্বাস। বাউলরা এই স্তরে পৌঁছে স্থির থেকে সাধন করতে চায়।
কাম নদীর নিম্নমুখী ধারাকে ঊর্ধ্বমুখী করে সহজ-মানুষ সাধন করতে পারে যারা, তারা হলো সিদ্ধ পুরুষ। তাদের মতে, লালন ফকির একজন সিদ্ধপুরুষ।”
(তথ্যসূত্র: লালন গবেষক নিয়ামত আলী মাস্টার ও বাউল ডাক্তার আতিক)
‘সময় গেলে’ বলতে কোন সময় বলা হয়েছে?
উত্তর হচ্ছে, সময় বলতে এখানে মহিলাদের মাসিকের (ঋতুস্রাব) একটি নির্দ্দিষ্ট সময়কে বোঝানো হয়েছে, যা পার হয়ে গেলে বাউলদের সাধন আর হয়ে উঠে না।
কবিতার মাঝে বলা হয়েছে ‘মীন থাকে না জল শুকালে’। এখানে মীন কাকে বলে ?
উত্তর:- ক) বাউল গবেষক ড. আনোয়ারুল করীমের রচিত ‘বাংলাদেশের বাউল’ গ্রন্থে মীন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে- “মানুষ সৃষ্টির মূল এই স্ত্রীজননাঙ্গ।
এখানেই চন্দ্রের উদয়, এখানেই মীন বা মাছরূপে সাঁই বিরাজ করে। তাই বাউল ভক্তি নিবেদন করে এই যোনিপ্রদেশকে। এখানেই তার সিদ্ধি। এই স্তর অতিক্রম করতে পারলেই সে সাধক।” (সূত্র: বাংলাদেশের বাউল)
খ) বাউল গবেষক ড. আবদুল করিম মিঞা রচিত ‘বাউল-লালন পরিভাষা’ গ্রন্থে ‘মীন’ শব্দটির অর্থে বলা হয়েছে- মাছ, ঈশ্বরের প্রতীক।
বাউলের বিশ্বাস নারীর রজঃধারায় মীনরূপী পরমাত্মা ভেসে বেড়ায়। নারীর রজঃ ব্যতীরেকে সেই ‘মীন’ ধরার কোনো উপায় নেই। এই মীনের হস্ত পদ স্কন্দ মাথা নেই। যৌন সম্ভোগের মাধ্যমে পরমে স্বরূপ উপলব্ধি হয়। (মীনরূপে সাঁই বিহার করে। -লালন।)
(সূত্র: বাউল-লালন পরিভাষা)
বলা হয়েছে- “কী হয় তার বাঁধন দিয়ে, শুকনা মোহনা”। এখানে কী বুঝানো হয়েছে?
উত্তর: নারী জাতির মাসিক বন্ধ হওয়ার পর মেয়েলোকের গোপনাঙ্গকে তুলনা করা হয়েছে ‘শুকনা মোহনা’র সাথে। বলা হচ্ছে- ঐ কথিত ‘শুকনা মোহনা’য় ‘বাঁধন’ দেয়া তথা বাউলসাধনা করে কোনো লাভ হবে না।
বলা হচ্ছে- “অসময়ে কৃষি করে, মিছামিছি খেটে মরে। গাছ যদি হয় বীজের জোরে ফল তো ধরে না।” অর্থ কী?
উত্তর: মাসিকের নির্দ্দিষ্ট সময় যৌনতা করতে হবে, নয়ত মিছিমিছি খেটে মরতে হবে। অসময়ে কাজ করলে বাচ্চা-কাচ্চা হবে, কিন্তু বাউলীয় সাধনা হবে না।
বাউল লালনের লেখা ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ এই কবিতার দ্বারা কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের অবচেতন মনে বাউলদের বিকৃতযৌনচার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে দীর্ঘসময়, যা বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের সত্যিই দুঃখের বিষয়।
#লালনগীতি
25/11/2025
বিস্তারিত কমেন্টে
17/10/2025
জুলাই সনদের ভূত–ভবিষ্যৎ ইংল্যান্ডের রাজা জন ১২১৫ সালের ১৫ জুন একটি দলিলে সই দেন। এটি ছিল রাজা ও বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে একটি চুক্তি, যা র.....
ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উপদেষ্টাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে, সংশোধন না হলে নাম প্রকাশ করা হবে: জামায়াত নেতা তাহের (The Business Standrard, লিংক কমেন্ট থ্রেডে)
এইসব কথা ও কর্মকান্ড ২০২৪ এর আগে গত ১৫ বছর দেখেছি ও শুনেছি। এইসব কল রেকর্ড কারা সেই সরকারকে সাপ্লাই দিত তাও জনগণ জানে। তাহলে সেই সংস্থার ভিতরে কি জামাত ঢুকে গেছে? আমরা কি সেই জমানায় ফিরে যাচ্ছি? এইজন্যতো শত শত ছেলেমেয়ে জীবন দেয়নি। এই থ্রেটতো খুবই ডেঞ্জারাস! দেশতো মনে হচ্ছে ভুতের উল্টা পায়ে উল্টো দিকে হাঁটছে।
সূত্র: Kamrul Hassan Mamun
17/09/2025
১৮ বছর আগে দৈনিক যায়যায়দিনের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন পলিটিক্স এন্ড সোসাইটি।
17/09/2025
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম আনিছুর রহমান ওরফে উত্তমকে না পেয়ে তার স্ত্রী লিলি আক্তারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। মরদেহটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে সদরের মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ি বাজার এলাকার পশ্চিম লিওন বেকারিতে অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে। এ সময় বেকারির মালিক আনিছুর রহমানকে না পেয়ে তার স্ত্রী লিলি আক্তারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা আহত লিলি আক্তারকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভির আহমেদ জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে এ হত্যা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
14/09/2025
চলেন একটু হাইসা লই 😁😁😁😁😁
03/09/2025
"Before you start anything, learn how to finish it." অর্থাৎ "কোনো কিছু শুরু করার আগে, কীভাবে সেটা শেষ করবে—সেটা আগে শিখে নাও।"
এই line-এর আসল message হলো: Don’t just get excited to start something, বরং আগে ভেবে নাও কীভাবে এটাকে শেষ করবে।
অনেক সময় আমরা start করতে খুবই আগ্রহী হই—new project, new habit, new job, এমনকি ছোট একটা কাজও। কিন্তু শেষ করতে পারি না, কারণ finishing strategy আগে clear করা থাকে না।
তুমি যদি একটা essay লিখতে বসো, শুধু শুরু করলে হবে না। আগে জানতে হবে শেষটা কেমন হবে—word limit, structure, references—সব।
তুমি যদি business শুরু করো, শুধু দোকান খোলা enough নয়। কিভাবে sustain করবে, profit এ আনবে, close করলে কীভাবে করবে—এগুলোও জানা দরকার।
Fitness goal-এও একই কথা। শুরু করার আগে শেষের target (যেমন ৫ কেজি কমানো বা endurance বাড়ানো) clear না থাকলে তুমি মাঝপথে হাল ছেড়ে দেবে।
So, lesson হলো—
➡️ শুরু করার আগেই end picture কল্পনা করো।
➡️ তারপর plan backward করো—শেষ অবস্থা থেকে উল্টো পথে ধাপে ধাপে এগোও।
➡️ এতে কাজ incomplete থাকবে না, আর তুমি লক্ষ্যেও পৌঁছাতে পারবে।
এক লাইনে: শুরু করার আগে শেষের plan বানানোই সফলতার মূল চাবিকাঠি।
08/08/2025
গোপন ট্রেড চুক্তির নথি প্রকাশ: কেন সাংবাদিকদের থেমে যাওয়া চলবে না
আজকের বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য চুক্তিগুলোর বেশিরভাগই পর্দার আড়ালে হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারী দেশ বা কোম্পানিগুলো নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (NDA) বা গোপনীয়তা চুক্তির মাধ্যমে সব তথ্য আড়াল করে রাখে। সরকার বলে, কৌশলগত সুবিধা রক্ষার জন্যই এই গোপনীয়তা দরকার। আর কোম্পানিগুলো বলে, প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখার জন্যই এমন চুক্তি জরুরি। কিন্তু এসব সিদ্ধান্তের প্রভাব তো পড়ে জনগণের জীবনযাত্রার ওপর। তাহলে তারা কেন কিছুই জানবে না?
এই প্রশ্ন সাংবাদিকদের এক কঠিন অবস্থানে ফেলে; সাংবাদিকরা কি NDA-বাঁধা গোপন নথি প্রকাশ করতে পারে? আর তাদের কি করা উচিত? আইন কিন্তু সাধারণত সাংবাদিকদের পক্ষেই থাকে।
বেশিরভাগ গণতান্ত্রিক দেশে আইন সাংবাদিকদের পক্ষে কাজ করে, বিশেষ করে যখন তথ্যটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭১ সালের Pentagon Papers মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, The New York Times এবং The Washington Post এমন গোপন নথি প্রকাশ করতে পারে যেগুলো ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে সরকারের মিথ্যাচার ফাঁস করেছিল।
আদালত বলেছিল: গণতন্ত্রে জনসাধারণের জানার অধিকার গোপনীয়তার চেয়ে বড়।
যেসব সময় গোপন বাণিজ্য চুক্তির নথি ফাঁস হয়েছিল-
WikiLeaks ও TPP ফাঁস (২০১৩):
WikiLeaks গোপন Trans-Pacific Partnership (TPP) চুক্তির খসড়া প্রকাশ করে। ওষুধের দাম, কপিরাইট, ও পরিবেশ সংক্রান্ত অনেক ধারা ছিল যা জনগণের ক্ষতি করতে পারত। The Guardian ও Reuters এই রিপোর্টগুলো ফলাও করে ছাপে।
Greenpeace ও TTIP ফাঁস (২০১৬):
Greenpeace Netherlands ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলা TTIP চুক্তির ২০০ পৃষ্ঠার গোপন নথি ফাঁস করে। এতে দেখা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানদণ্ড শিথিল করার জন্য চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। BBC ও The New York Times এই ইস্যু নিয়ে বিশদভাবে রিপোর্ট করে।
Reuters ও সৌদি অস্ত্রচুক্তি ফাঁস (২০১৮):
Reuters রিপোর্ট করে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে গোপনে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করছে, যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শঙ্কা ছিল।
ইন্দোনেশিয়ার গোপন খনিচুক্তি:
Reuters প্রকাশ করে কীভাবে গোপন চুক্তিতে বড় বড় মাইনিং কোম্পানি পরিবেশগত বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবিরোধী এই তথ্য জানার অধিকার ছিল জনগণের।
পানামা পেপার্স ও পানডোরা পেপার্স:
ICIJ ও The New York Times যৌথভাবে প্রকাশ করে কীভাবে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অফশোর ব্যাংকিং ও কর ফাঁকির আশ্রয় নিচ্ছেন। অনেক গোপন আর্থিক চুক্তিই এই রিপোর্টে উঠে আসে। যদি তথ্যটি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে বেশিরভাগ দেশে সাংবাদিক দায়ী নন। তবে ফাঁসকারী (যিনি NDA ভেঙেছেন) দণ্ডিত হতে পারেন।
বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে Digital Security Act (DSA) প্রয়োগ করে আওয়ামী লীগ সরকার সাংবাদিকদের চাপে ফেলে রাখত তখনও আমি অসংখ্য নথি ফাঁস করেছি। যদিও ঝুঁকি অনেক বেশি। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও, সাংবাদিকদের দায়িত্ব জনগণকে তথ্য জানানো।
বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, শ্রম আইন, পরিবেশনীতি, ডিজিটাল অধিকার, জাতীয় স্বার্থ সবকিছু বদলে যেতে পারে। অথচ এই আলোচনা হয় গোপনে, NDA দিয়ে আড়াল করে। তখন সাংবাদিকই হয় সত্য জানার শেষ ভরসা।
সাংবাদিকরা কোনো গোপনীয়তার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেননি। তাদের কাজ হলো সত্য তুলে ধরা। NDA হয়তো আমলাদের বা কর্পোরেটদের বেঁধে রাখতে পারে—কিন্তু সত্যকে নয়।
শেষ কথা: সত্যের পক্ষে আমাদের কলম চালিয়ে যেতে হবে
আমাদের এই কাজ, এই দায়িত্ব— যেকোনো পরিস্থিতিতেই চালিয়ে যেতে হবে। সরকার ও তাঁদের পান্ডারা হুমকি দিক, মামলা করুক, যা ইচ্ছে করুক—আমরা থামবো না। কারণ TPP থেকে TTIP, সৌদি অস্ত্রচুক্তি থেকে পানামা পেপার্স—সব জায়গাতেই দেখা গেছে, সূর্যের আলোই বদলের সূচনা করে।
আমিও চাই বাংলাদেশ আমেরিকার সাথে একটি ভালো এবং ট্রেড নেভিসিয়েশন করে। কিন্তু এর মানে নয় আমি কোন গোপন চুক্তি ফাঁস করবো না। পৃথিবীর সব ক্ষমতাসীনদের ভাষ্য এক। ঠিক আওয়ামী লীগও আমাকে একই রকম ভাবে দেশদ্রোহী, দেশের চক্রান্তকারী ইত্যাদি বলে অবহিত করেছে।
সেলিম রেজা নিউটনের মত সাংবাদিকতার 'রাজনৈতিক দলদাস' শিক্ষকরা এ বিষয়ে কোন কথা বলবেন না। যদিও তাদের প্রেস ফ্রিডমের পক্ষে থাকা উচিত। কারণ তারাও দিন দিন আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের মতো পিক এন্ড চুজ করে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রদান শুরু করেছেন!
কিন্তু আমার কাছে, সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু যখন সত্য আড়াল করা হয়, তখন চুপ থাকা অপরাধ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka