BDCS

BDCS

Share

We are a Team Of Coders Who Want to make something positive in Bangladesh though our coding knowle

19/11/2022

Happy Birthday Arafat Vai.
May you prosper in life more and make us proud BOSS!

Photos from BDCS's post 15/05/2021

Did you know?
We can say hello world in python in two ways.

13/05/2021

Eid Mubarak Guys❤️❤️❤️

03/05/2021

Extremely Sorry For Thatআমার নেটওয়ার্ক প্রব্লেম দিচ্ছে অনেক যার কারনে লাইভ টি বন্ধ হয়ে গেলো😞😞😞😞

24/01/2021

কম্পিউটার বিজ্ঞান; প্রথম পর্ব।

“আলকেমিস্ট” বইয়ের রুটিওয়ালা স্বপ্ন দেখতো পর্যটক হবার। কিন্তু সেই স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য রাখালবালক হয়ে দেশবিদেশ ঘুরে না বেড়িয়ে সে স্বপ্নকে চাপা দিয়েছিলো কারণ মানুষের চোখে রুটিওয়ালার জীবন রাখালবালকের থেকে বেশি সম্মানের। তাই সমাজকে খুশি করতে গিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করা হয়নি। আমরা বেশিভাগই একেকজন রুটিওয়ালা, নিজের স্বপ্ন পূরণ না করে আগে চিন্তা করি কি নিয়ে পড়ালেখা করলে বেশি টাকার চাকরী পাওয়া যাবে। একটা বিষয়ের “ব” না জেনে হুট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে যাই চাকরির আশায়, তারপর একসময় হতাশা ঘিরে ধরে।

কম্পিউটার সায়েন্স খুবই জনপ্রিয় একটা বিষয়। এই বিষয়টা নিয়ে মানুষের মধ্যে অনেক ভূল ধারণা প্রচলিত আছে, এই সাবজেক্টটাতে কি পড়ানো হয় এ বিষয়ে সবার ভালো ধারণা নেই। সবথেকে দু:খজনক ব্যাপার হলো এই সাবজেক্টে কি পড়ানো হয় সেটা না জেনেই বহু ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়ে যায় চাকরীর বাজার ভালো এই কারণে, এটা শুধু কম্পিউটার সায়েন্স না বরং বাংলাদেশে যেকোনো সাবজেক্টের জন্যই সত্য। এরপর যেটা হয় সেটা হলো খাপ খাওয়াতে না পেরে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ে।

আমার সৌভাগ্য যে কম্পিউটার সায়েন্স সম্পর্কে ভালো না জানলেও প্রোগ্রামিং আমার আগে থেকেই ভালো লাগতো এবং কম্পিউটার নিয়ে অনেক আগ্রহ ছিলো ছোটোবেলা থেকে, কিন্তু সবার এই সৌভাগ্য হয়না, এবং এটা শুধু সিস্টেমের দোষ না সাথে নিজেদের অসচেতনতাও বিশাল অংশে দায়ী। আমি অনেক বন্ধুবান্ধবকে দেখেছি ভর্তি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে চাকরীর বাজার দেখে সাবজেক্ট বেছে নিয়ে এখন হতাশ হয়ে পড়েছে।

“We are told from childhood onward that everything we want to do is impossible. We grow up with this idea, and as the years accumulate, so too do the layers of prejudice, fear and guilt. There comes a time when our personal calling is so deeply buried in our soul as to be invisible. But it’s still there” – The alchemist, Paulo Coelho”

আমার এই লেখার উদ্দেশ্য কম্পিউটার সায়েন্সে কি কি পড়ানো হয় সেটা সবাইকে জানানো, বিশেষ করে কম বয়েসীদের যারা এখনো কোনো বিষয় বেছে নেয়নি এবং তাদের অভিভাবকদের। ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অনেক গাইডলাইন থাকলেও সাবজেক্ট নিয়ে গাইডলাইনের অভাব আছে। আর যেগুলো আছে সেগুলোতেও কম্পিউটার সায়েন্সে ক্রিয়েটিভিটি লাগে, মুখস্থ কম করতে হয় এসব কথাবার্তা শুধু লিখে রাখসে, আসলে কি কি পড়ানো হয় সেটা লিখেনি।

বাংলাদেশের মানুষের এক অংশের ধারণা কম্পিউটার সায়েন্সে ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট এসব শেখানো হয়, এবং এগুলো যেহেতু পাড়ার দোকানদারও ভালো পারে তাই কম্পিউটার সায়েন্স পড়ার কোনো মানে নাই। আবার কম্পিউটার সম্পর্কে ভালো জানে, টুকটাক প্রোগ্রামিংও কিছুটা জানে এমন মানুষের ধারণা এখানে শুধু এইচটিমিএল, পিএইচপিতে এ ওয়েবসাইট বানানো শেখায়, যেগুলো কম্পিউটার সায়েন্স না পড়লেও শেখা যায়, ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে এই ধারণাটা বেশি কাজ করে।

এখন আমরা তাহলে এক এক করে দেখি কম্পিউটার সায়েন্সে কি কি টপিক পড়তে হবে। টপিকগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে আমরা জানবো। এরপরে নিজেই সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে উপরের ধারণা গুলো কতটা সত্যি। টপিকগুলো সম্পর্কে জেনে একজন কাজ হবে তোমার ভেবে দেখা এই সাবজেক্টটা কি সত্যিই তোমার পছন্দ নাকি তুমি ইলেকট্রিকাল, মেকানিকাল , ফিজিক্স বা অন্য কোনো সাবজেক্ট পড়বে।

প্রোগ্রামিং: কম্পিউটার সায়েন্স বললে অবধারিত ভাবে প্রথমে চলে আসে প্রোগ্রামিং। প্রোগ্রামিং হলো কম্পিউটারকে কথা শুনানোর উপায়, বোকা কম্পিউটারকে দিয়ে ইচ্ছামত কাজ করিয়ে নেয়া। কম্পিউটার যেহেতু মানুষের ভাষা বুঝেনা তাকে বোঝাতে হয় বিশেষ ভাষায় যাকে বলে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট যেমন বানানো সম্ভব তেমনি গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব, রকেটের গতিপথ নির্ণয় করা সম্ভব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে গবেষণা সম্ভব, ডিএনএ অ্যানালাইসিস করা সম্ভব। এককথায় বলতে গেলে প্রোগ্রামিং এর জ্ঞান আধুনিক যুগের সুপারপাওয়ার যেটা দিয়ে পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বাংলাদেশে বেশিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সেমিস্টারে শিখানো হয় সি ল্যাংগুয়েজ যেটাকে বলা যেতে পারে প্রোগ্রামারদের মাতৃভাষা। এরপরে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কোর্সে শিখানো হয় জাভা। সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং এবং বড় বড় প্রজেক্টের জন্য জাভা জনপ্রিয়। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে জাভা শেখানোর সময় অ্যান্ড্রয়েডে প্রোগ্রামিং শেখানো হয়।

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কোর্স দুই ভাগে করানো হয়। ক্লাসরুমে কিছু থিওরিটিকাল কথাবার্তা থাকে তবে এই কোর্সের মূল অংশ হয় ল্যাবে। সেখানে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে দেয়া হয়। সবশেষে সাধারণত একটা প্রজেক্ট করতে দেয়া হয়, সেখানে স্টুডেন্টরা ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর সুযোগ পায়।
কম্পিউটার সায়েন্সের আরো অনেক অংশ থাকলেও ভালো প্রোগ্রামিং জানা এই সাবজেক্টে ভালো করার পূর্বশর্ত।

পরবর্তীতে অ্যাসেম্বলী ল্যাংগুয়েজের জন্য আরেকটি কোর্স থাকে। এখানে একদম লো লেভেলে সরাসরি মেমরির বিভিন্ন অংশ নিয়ে কাজ করা যায়। অ্যাসেম্বলী ল্যাংগুয়েজ জানতে সাহায্য করে কম্পিউটার কিভাবে মেমরিতে বিট/বাইট হিসাব করে ডাটা রাখে, একদম হার্ডওয়্যার লেভেলে কিভাবে ডাটা রাখা হয় সেটা তুমি জানতে পারবে। অ্যাসেম্বলী ভালোভাবে শিখলে ভাইরাস বানানোর মতো মজার কাজ করা সম্ভব, প্রোগ্রামিং করে মেমরির বিভিন্ন অংশ কন্ট্রোল করা সম্ভব।

(পরবর্তী টপিকগুলো আমরা দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ)

16/01/2021
Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka