MSCT - Job Point
We supply manpower to different companies according to their requirement.
Welcome to MSCT - Job Point, your dedicated platform for finding the best career opportunities and professional growth. We are committed to connecting talented individuals with top employers, offering a range of job openings across various industries. At MSCT - Job Point, we focus on helping job seekers find the right positions that match their skills, qualifications, and career aspirations. Wheth
18/05/2026
বিসিএস নাকি কর্পোরেট?
সরকারি চাকরির প্রস্তুতির সাথে প্রাইভেট জব কেন জরুরি!
সরকারি চাকরির প্রিপারেশন নিচ্ছেন?দারুণ! কিন্তু শুধু এক নৌকায় পা দিয়ে বসে থাকাটা কি এই যুগে বুদ্ধিমানের কাজ?ক্যারিয়ারের শুরুতে একটি 'ব্যাকআপ প্ল্যান' বা প্রাইভেট জবের প্রস্তুতি আপনার যাত্রাকে আরও সহজ এবং দুশ্চিন্তামুক্ত করতে পারে।
কেন আপনি প্রাইভেট জবের কথা ভাববেন?
১. সময়ের সঠিক ব্যবহার (Time Management): সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী হয়।এই দীর্ঘ অপেক্ষায় মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ে একটি প্রাইভেট জবে জয়েন করলে আপনার প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স বাড়বে এবং হাতখরচের জন্য কারও ওপর নির্ভর করতে হবে না।
২. স্কিল ডেভেলপমেন্টের সুযোগ: প্রাইভেট সেক্টরে কাজ করলে আপনি লেটেস্ট ডিজিটাল টুলস (যেমন: Canva, Trello, Slack) এবং প্রফেশনাল কমিউনিকেশনে দক্ষ হয়ে উঠবেন।এই স্কিলগুলো কিন্তু এখন অনেক সরকারি ব্যাংকিং বা টেকনিক্যাল ভাইভাতেও আপনাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে।
৩. মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস: "যদি সরকারি না হয় তবে কী হবে?"—এই ভয়টা আপনাকে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে বাধা দেয়।হাতে একটি প্রাইভেট জব থাকলে আপনি অনেক বেশি রিল্যাক্সড থেকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারবেন।মনে রাখবেন, "Success is more meaningful when you have peace of mind."
৪. চাকরির বাজার এখন মাল্টি-ডাইমেনশনাল: ২০২৬ সালে এসে কোম্পানিগুলো শুধু সার্টিফিকেট দেখে না,দেখে আপনার প্রবলেম সলভিং ক্ষমতা।প্রাইভেট জবের প্রিপারেশন নিলে আপনার অ্যাপ্টিটিউড এবং এনালিটিক্যাল পাওয়ার বাড়ে,যা শেষ পর্যন্ত আপনার সরকারি চাকরির পরীক্ষাতেও কাজে লাগে।
আপনি কি শুধু সরকারি চাকরির জন্য লড়ছেন,নাকি প্রাইভেট জবের অপশনও খোলা রেখেছেন?আপনার মতামত কমেন্টে জানান!
17/05/2026
বস কি জানেন আপনি ঠিক কতটা কাজ করছেন?না জানলে ভুলটা কিন্তু আপনার!কাজের পাহাড় জমে আছে কিন্তু বসকে বোঝাতে পারছেন না?প্রফেশনাল রিপোর্টিং মানে শুধু একগাদা ডাটা নয়,বরং স্মার্টলি নিজের ইমপ্যাক্ট তুলে ধরা।
১. 'BLUF' টেকনিক ব্যবহার করুন (Bottom Line Up Front):রিপোর্টের একদম শুরুতে মূল রেজাল্ট বা ফলাফল বলুন।আপনার বস ব্যস্ত মানুষ,তাই একদম প্রথম লাইনেই তাকে জানিয়ে দিন প্রজেক্টের বর্তমান স্ট্যাটাস কী।বিস্তারিত কথা পরে আসুক।
২. সমস্যার বদলে সমাধান নিয়ে যান:"ভাই,এই সমস্যা হয়েছে"—এভাবে না বলে বলুন,এই সমস্যাটি ফেস করছি এবং আমার কাছে এর ২টি সমাধান আছে।এটি আপনার প্রবলেম-সলভিং মাইন্ডসেট প্রকাশ করবে।
৩. ডিজিটাল টুলসের ব্যবহার:প্রতিদিন মুখে না বলে Trello বা Slack-এর মতো টুলস ব্যবহার করে আপনার কাজের প্রগ্রেস আপডেট রাখুন।এতে বস যখন খুশি আপনার কাজের আপডেট দেখে নিতে পারবেন এবং আপনার ওপর তার ভরসা বাড়বে।
৪. সঠিক সময়ের গুরুত্ব:দিনশেষে বা সপ্তাহ শেষে একটি ছোট ইমেইল বা মেসেজ দেওয়ার অভ্যাস করুন।কোনো কাজ আটকা পড়ে থাকলে সেটি আগেই জানিয়ে দিন,যাতে শেষ মুহূর্তে প্রেসার না তৈরি হয়।
স্মার্ট রিপোর্টিং মানে তেল মারা নয়,বরং নিজের পরিশ্রমের একটি স্বচ্ছ প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা। এতে আপনার কাজের স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
আপনি কীভাবে বসকে আপডেট দেন?চ্যাট নাকি ইমেইল?কমেন্টে জানান!
16/05/2026
ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট?সিভিতে 'Experience' এর বদলে কি লিখবেন!
চাকরির বাজারে প্রথম পা রাখছেন,কিন্তু সিভিতে 'Experience' এর ঘর খালি?দুশ্চিন্তার কিছু নেই!একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট হিসেবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতার চেয়ে আপনার Potential বা সম্ভাবনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
অভিজ্ঞতার বদলে নিচের এই বিষয়গুলো হাইলাইট করুন:
১. একাডেমিক প্রজেক্ট:ইউনিভার্সিটিতে করা আপনার সেরা প্রজেক্টগুলো এখানে তুলে ধরুন। আপনি প্রজেক্টে কী ভূমিকা রেখেছিলেন এবং সেখান থেকে কী ফলাফল এসেছে, তা পরিষ্কারভাবে লিখুন।
২. ইন্টার্নশিপ ও ভলান্টিয়ারিং:হোক সেটি মাত্র ১ মাসের ইন্টার্নশিপ বা কোনো ইভেন্টে ভলান্টিয়ার করা—এই অভিজ্ঞতাগুলো প্রমাণ করে যে আপনি টিমওয়ার্ক এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কে জানেন।
৩. প্রাসঙ্গিক স্কিলস: আপনি যে পজিশনে অ্যাপ্লাই করছেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল স্কিল (যেমন: Canva, Trello, Slack) এবং সফট স্কিল (কমিউনিকেশন, প্রবলেম সলভিং) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন।
৪. অনলাইন সার্টিফিকেট ও ট্রেনিং : আপনার ফিল্ডের ওপর কোনো বিশেষ কোর্স বা ট্রেনিং করা থাকলে সেটি অবশ্যই দিন। এটি শেখার প্রতি আপনার আগ্রহ প্রকাশ করে।
৫. ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা সাইড প্রজেক্ট: আপনার কি কোনো নিজস্ব পেজ আছে, নাকি আপনি কন্টেন্ট ক্রিয়েশন করেন?ডিজিটাল মার্কেটিং বা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে আপনার এই 'Hands-on' কাজগুলো অনেক বড় অভিজ্ঞতা হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখবেন,আপনার প্রথম চাকরিতে কোম্পানি আপনার কাছ থেকে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আশা করে না,তারা খোঁজে আপনার শেখার মানসিকতা এবং কাজের প্রতি আপনার ডেডিকেশন।
আপনার সিভিতে এই সেকশনগুলো আছে তো?
14/05/2026
কাজের প্রেশার আর পার্সোনাল লাইফ একসাথে ব্যালেন্স করতে হিমশিম খাচ্ছেন?
অফিসের কাজ কখনোই শেষ হবে না,কিন্তু আপনার সময় এবং মানসিক স্বাস্থ্য সীমিত।তাই 'Burnout' এড়াতে এই ৩টি নিয়ম মেনে চলুন:
১. কাজের সময় সুনির্দিষ্ট করুন : অফিস শেষ করার পর ল্যাপটপ বা কাজের ইমেইল চেক করা বন্ধ করুন।নিজেকে এবং পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখুন।
২. 'না' বলতে শিখুন: আপনার সামর্থ্যের বাইরে অতিরিক্ত কাজ হাতে নেবেন না।বিনয়ের সাথে বাড়তি কাজকে না বলা মানে হলো আপনার বর্তমান কাজের কোয়ালিটি বজায় রাখা।এটি আপনাকে অযথা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেবে।
৩. ডিজিটাল ডিটক্স: ছুটির দিনে বা ডিনার টেবিলের সময় ফোনটি দূরে রাখুন।সোশ্যাল মিডিয়া বা অফিসের নোটিফিকেশন থেকে দূরে থেকে নিজের শখের কাজ বা প্রিয় মানুষের সাথে সময় কাটান।এটি আপনার মস্তিষ্ককে রিচার্জ করতে সাহায্য করবে।
আপনি কি কাজের চাপে নিজের জন্য সময় পাচ্ছেন?আপনার ব্যালেন্স করার উপায়টি কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন!
13/05/2026
আপনার সিভি কি এআই (ATS) ফ্রেন্ডলি?
বর্তমানে বড় কোম্পানিগুলো হাজার হাজার সিভির মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে ATS বা AI সফটওয়্যার ব্যবহার করে।আপনার সিভি যদি এই সিস্টেমে Read করতে না পারে,তবে আপনার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আপনি ডাক পাবেন না।
কিভাবে বুঝবেন আপনার সিভি ATS ফ্রেন্ডলি কি না?
১. Text-Based Format: সিভিটি কি পিডিএফ (PDF) নাকি ইমেজ? AI কিন্তু ইমেজের টেক্সট ঠিকমতো পড়তে পারে না।তাই সবসময় Text-based PDF ব্যবহার করুন।
২. Keyword Matching: আপনি যে জবে অ্যাপ্লাই করছেন,সেই জব ডেসক্রিপশন (JD) থেকে গুরুত্বপূর্ণ কি-ওয়ার্ডগুলো আপনার সিভিতে আছে তো?AI মূলত এই কি-ওয়ার্ডগুলোই খোঁজে।
৩. Simple Layout: সিভিতে খুব বেশি গ্রাফিক,আইকন বা জটিল কলাম ব্যবহার করবেন না। "Keep it clean and professional."বেশি কারুকাজ এআই-কে কনফিউজড করে দেয়।
চেক করার ফ্রি টুলস:
• Jobscan: আপনার সিভি এবং জব ডেসক্রিপশন আপলোড করলে এটি আপনাকে একটি স্কোর দেবে।
• Resume Worded: এটি আপনার সিভির গঠন এবং কি-ওয়ার্ড এনালাইসিস করে দেয়।
আপনার সিভি কি AI পরীক্ষায় পাস করবে?আজই চেক করে নিন!
10/05/2026
মায়ের দোয়াই আমাদের এগিয়ে চলার আসল জ্বালানি।আমাদের প্রতিটি ছোট-বড় সাফল্যের পেছনে থাকে মায়ের নিঃস্বার্থ ত্যাগ আর প্রার্থনা।
আন্তর্জাতিক মা দিবসে MSCT Job Point পরিবারের পক্ষ থেকে সকল মায়ের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
সবাইকে মা দিবসের শুভেচ্ছা!
10/05/2026
কাগজের সিভি কি যথেষ্ট?কেন আপনার একটি 'Video Resume' দরকার!
একটি সাধারণ PDF ফাইল কি আপনার ব্যক্তিত্ব বা কথা বলার স্টাইল পুরোপুরি ফুটিয়ে তুলতে পারে? সম্ভবত না।আর এখানেই Video Resume গেম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করে।
কেন Video Resume তৈরি করবেন?৩টি শক্তিশালী কারণ:
১. First Impression-এ বাজিমাত: হাজার হাজার কাগজের সিভির ভিড়ে একটি ভিডিও রেজ্যুমে রিক্রুটারের নজর কাড়তে বাধ্য।এটি প্রমাণ করে যে আপনি টেক-স্যাভি এবং সময়ের সাথে আপ-টু-ডেট। "It shows your confidence before you even enter the room!"
২. ব্যক্তিত্ব ও কমিউনিকেশন স্কিল: ভিডিওর মাধ্যমে আপনার প্রেজেন্টেশন এবং কথা বলার ধরন সরাসরি দেখা যায়।আপনি কতটা ফ্লুয়েন্ট বা প্রফেশনাল তা Recruiter মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই বুঝতে পারেন,যা সাধারণ কাগজে অসম্ভব।
৩. আপনার কাজের জীবন্ত প্রমাণ: আপনি যদি ডিজাইনার,মার্কেটার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হন,তবে ভিডিওর মাধ্যমে আপনার পোর্টফোলিও বা কাজের স্যাম্পল খুব চমৎকারভাবে প্রেজেন্ট করা যায়। It’s like a mini-interview before the actual interview!
আপনি কি আপনার Video Resume তৈরি করতে রেডি?নাকি কোনো দ্বিধা আছে? কমেন্টে আমাদের জানান!
06/05/2026
আমরা প্রতিদিন অনেক ইমেইল পাঠাই,কিন্তু সামান্য কিছু ভুল আমাদের প্রফেশনালিজম নষ্ট করতে পারে।Effective communication starts with a great email.
চলুন জেনে নিই একটি পারফেক্ট ইমেইল লেখার ৫টি গোল্ডেন রুলস:
১. Clear & Concise Subject Line:
সাবজেক্ট লাইন দেখেই যেন বোঝা যায় ইমেইলটি কেন পাঠানো হয়েছে। অস্পষ্ট সাবজেক্ট ইমেইল ইগনোর হওয়ার প্রধান কারণ।
•Example:Meeting Request for Project Name
২. Professional Salutations (সম্বোধন):
ইমেইলের শুরুটা হওয়া চাই মার্জিত। খুব বেশি ক্যাজুয়াল হওয়া যাবে না।
•Use: Dear Mr./Ms. [Name] অথবা Hi [Name] (যদি পরিচিত কেউ হয়)
•Avoid: Hey বা Yo এর মতো শব্দ।
৩. Get Straight to the Point:
ইমেইল খুব বেশি বড় করবেন না। ইমেইলের বডিতে আপনার উদ্দেশ্য ক্লিয়ারলি লিখুন।
•Useful Phrase: I am writing to inform you that...
৪. Professional Sign-off:
ইমেইল শেষ করার সময় একটি প্রফেশনাল ক্লোজিং ব্যবহার করুন।
•Standard: Best regards,Sincerely অথবা Thank you for your time.
•শেষে আপনার নাম,পদবী এবং ফোন নম্বর সম্বলিত একটি Email Signature যোগ করতে ভুলবেন না।
৫. Proofread Before Sending:
ভুল বানানে বা গ্রামাটিক্যাল Error সহ ইমেইল পাঠানো একদমই অপেশাদারিত্ব।
•Tip: পাঠানোর আগে অন্তত একবার রিড-আউট করুন। A simple typo can change the whole meaning!
আপনার কি ইমেইল লিখতে গিয়ে কোনো মজার বা অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছে?আমাদের জানান কমেন্টে!
05/05/2026
নতুন জবে জয়েন "The First 90 Days" আপনার ক্যারিয়ারের ইমপ্রেশন তৈরির জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়।
নতুন জবে প্রথম ৯০ দিনে সফল হওয়ার মাস্টারপ্ল্যান!
১. প্রথম ৩০ দিন: শেখা এবং পর্যবেক্ষণ (The Learning Phase)
• কোম্পানি কালচার বুঝুন: অফিসের পরিবেশ,কাজের ধরন এবং টিমের সদস্যদের সাথে পরিচিত হন।
• প্রশ্ন করুন: লজ্জা না পেয়ে কাজ বুঝে নেওয়ার জন্য সিনিয়রদের প্রশ্ন করুন।এটি আপনার শেখার আগ্রহ প্রকাশ করে।
• টুলস আয়ত্ত করুন: অফিসের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট বা কমিউনিকেশন টুলস (যেমন: Slack, Trello) দ্রুত চালানো শিখে নিন।
২. ৩১-৬০ দিন: সক্রিয় অংশগ্রহণ (The Contribution Phase)
• ফিডব্যাক নিন: আপনার বস বা লাইনের ম্যানেজারের কাছ থেকে কাজের ফিডব্যাক চান।ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার এটাই সেরা সময়।
• ছোট ছোট জয়: বড় কোনো প্রজেক্টের আগে ছোট ছোট কাজগুলো নিখুঁতভাবে শেষ করে টিমের ভরসা অর্জন করুন।
• নেটওয়ার্কিং: শুধু নিজের টিমে নয়, অন্য ডিপার্টমেন্টের কলিগদের সাথেও সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন।
৩. ৬১-৯০ দিন: ইমপ্যাক্ট তৈরি
• উদ্যোগ নিন: রুটিন কাজের বাইরে নতুন কোনো আইডিয়া বা সমাধানের প্রস্তাব দিন।
• লক্ষ্য পূরণ: প্রথম ৯০ দিনের জন্য আপনাকে যে টার্গেট দেওয়া হয়েছিল,তা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন।
• ব্যালেন্স বজায় রাখা: কাজের প্রেসারের মাঝেও নিজের মানসিক প্রশান্তি ও কাজের ভারসাম্য (Work-life balance) বজায় রাখুন।
মনে রাখবেন, আপনার প্রথম জব বা নতুন পজিশন—সবখানেই আপনার 'Attitude' সবথেকে বড় সম্পদ।বিনয়ী থাকুন এবং সবসময় শেখার মানসিকতা ধরে রাখুন।
আপনার কি জবে জয়েন করার প্রথম অভিজ্ঞতা আছে? কেমন ছিল সেই দিনগুলো? কমেন্টে শেয়ার করুন!
04/05/2026
ইন্টারভিউতে আপনার প্রথম ইমপ্রেশন তৈরি হয় আপনার পোশাকের মাধ্যমে।ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার কনফিডেন্সের অর্ধেক আসে আপনার পোশাক থেকে।কিন্তু সব জায়গার ড্রেস কোড এক নয়।
জেনে নিন পার্থক্যগুলো:
১. Government Jobs:এখানে রক্ষণশীল এবং মার্জিত পোশাকই সবথেকে নিরাপদ।
ছেলেদের জন্য: হালকা রঙের ফুল হাতা শার্ট (যেমন— সাদা বা হালকা নীল) এবং গাঢ় রঙের ফরমাল প্যান্ট।ইন করে বেল্ট ও কালো জুতা পরুন।সম্ভব হলে টাই ব্যবহার করুন।
মেয়েদের জন্য:মার্জিত শাড়ি অথবা সালোয়ার কামিজ।অতিরিক্ত কারুকাজ বা উজ্জ্বল রঙ এড়িয়ে চলাই ভালো।
২. Private/Corporate Jobs:বেসরকারি সেক্টরে স্মার্টনেস এবং প্রফেশনালিজম বেশি গুরুত্ব পায়।
ছেলেদের জন্য: ফিটেড ফরমাল শার্ট এবং প্যান্ট।ব্লেজার পরলে লুকটি আরও প্রফেশনাল হয়।টাই পরা বাধ্যতামূলক না হলেও পরলে স্মার্ট দেখায়।
মেয়েদের জন্য: শাড়ি,সালোয়ার কামিজ বা ফরমাল প্যান্ট-শার্ট—সবই চলতে পারে যদি তা রুচিশীল হয়।হালকা মেকআপ এবং সিম্পল এক্সেসরিজ বেছে নিন।
৩. Tech/Creative Startups:এখানে পরিবেশ কিছুটা রিল্যাক্সড বা Business Casual হতে পারে।তবে একদম ক্যাজুয়াল জিন্স বা টি-শার্ট এড়িয়ে চলাই ভালো।পোলো শার্ট বা ক্যাজুয়াল শার্টে আপনি বেশ মানানসই হতে পারেন।
সঠিক পোশাক আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দেবে এবং বোর্ডে সাহসের সাথে কথা বলতে সাহায্য করবে।আপনার পরবর্তী ইন্টারভিউয়ের জন্য শুভকামনা!
03/05/2026
ইন্টারভিউ রুমে ঢোকার আগে হাত-পা কাঁপা বা নার্ভাস হওয়া খুব স্বাভাবিক।কিন্তু ৩টি মনস্তাত্ত্বিক (Psychological) ট্রিক ব্যবহার করলে আপনি নিজেকে অনেক বেশি শান্ত এবং আত্মবিশ্বাসী প্রমাণ করতে পারবেন:
১. পাওয়ার পোজ : ইন্টারভিউ রুমে ঢোকার অন্তত ২ মিনিট আগে একা কোনো জায়গায় (যেমন ওয়াশরুমে) বুক টানটান করে,দুই হাত কোমরে দিয়ে সুপারহিরোর মতো দাঁড়ান।এটি আপনার শরীরে 'Testosterone' হরমোন বাড়ায় এবং 'Cortisol' বা স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয়,যা আপনাকে ইনস্ট্যান্ট কনফিডেন্স দেবে।
২. বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও ওপেন গেসচার: কথা বলার সময় হাত টেবিলের নিচে না রেখে ওপরে রাখুন এবং হাতের তালু মাঝে মাঝে দেখান (Open Palms)।এটি সাইকোলজিক্যালি প্রমাণ করে যে আপনি সৎ এবং আপনার লুকানোর কিছু নেই।এছাড়া হালকা হাসি এবং চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা (Eye Contact) আপনাকে আরও বেশি নির্ভরযোগ্য করে তোলে।
৩. ধীরগতিতে কথা বলা: নার্ভাস থাকলে আমরা দ্রুত কথা বলি।ট্রিকটি হলো—প্রশ্ন শোনার পর ২ সেকেন্ড সময় নিন,তারপর ধীরস্থিরভাবে উত্তর দিন।এটি বুঝিয়ে দেয় যে আপনি নার্ভাস নন এবং নিজের চিন্তার ওপর আপনার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে।
মনে রাখবেন: ইন্টারভিউ বোর্ড আপনাকে রিজেক্ট করার জন্য নয়,বরং সঠিক মানুষটিকে খুঁজে নেওয়ার জন্য বসেছে।তাই নিজেকে একজন যোগ্য ক্যান্ডিডেন্ট হিসেবে উপস্থাপন করুন।
আপনার পরবর্তী ইন্টারভিউ কবে? কমেন্টে আমাদের জানান!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1230
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 19:00 |
| Tuesday | 09:00 - 19:00 |
| Wednesday | 09:00 - 19:00 |
| Thursday | 09:00 - 19:00 |
| Saturday | 09:00 - 19:00 |
| Sunday | 09:00 - 19:00 |