Iskcon Times

Iskcon Times

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iskcon Times, Digital creator, Dhaka.

তুমি বিশ্বজননী কেবল ভক্তিময়ী
তোমারে সে গুণাতীত সত্ত্বরুপা কহি
তুমি যদি শুভদৃষ্টি কর’ জীব-প্রতি
তবে সে জীবেরে হয় কৃষ্ণে রতিমতি
তুমি সে কেবল মূর্ত্তিমতী বিষ্ণু-ভক্তি
যাহা হইতে সব হয়, তুমি সেই শক্তি
তোমার প্রভাব বলিবার শক্তি কার
সবার হৃদয়ে বসতি তোমার

03/03/2026

শ্রীচৈতন্য_মহাপ্রভুর অভিষেক।

03/03/2026

কীর্তন মেলা,,

03/03/2026

কীর্তন মেলা

27/02/2026

নবদ্বীপ ধামকে কেন 'গুপ্ত বৃন্দাবন' বলা হয় এবং এই ধামে নয়টি দ্বীপের পরিক্রমা একজন ভক্তের জীবনে কীভাবে পূর্ণতা আনে।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণ স্মরণ করে শ্রীধাম নবদ্বীপের নয়টি দ্বীপের মাহাত্ম্য শ্রবণ করব।
এই নয়টি দ্বীপ যেন এক একটি আধ্যাত্মিক সোপান, যা জীবকে শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মে পৌঁছে দেয়।

প্রথম প্রহর: প্রাতঃকালীন হরিকথা (অন্তর্দ্বীপ ও সীমন্তদ্বীপ)

মঙ্গলাচরণ শ্লোক:

নবধ্বীপং পরং ধাম জগন্নাথপুরীং তথা।
বৃন্দাবনং চ মথুরাম্ একৈকং পরমং পদম্।।

(নবদ্বীপ, জগন্নাথপুরী, বৃন্দাবন ও মথুরা—প্রতিটিই ভগবানের পরম ধাম ও অভিন্ন।)

অন্তর্দ্বীপ (আত্মনিবেদন): ব্রহ্মার মোহভঙ্গ

নবদ্বীপের কেন্দ্রে মায়াপুর হলো অন্তর্দ্বীপ। এখানে ব্রহ্মা দেব মহাপ্রভুর দর্শনের জন্য তপস্যা করেছিলেন।

দ্বাপর যুগে ব্রহ্মা যখন শ্রীকৃষ্ণের সখাদের ও বৎসদের হরণ করেছিলেন, পরে কৃষ্ণের ঐশ্বর্য দেখে তাঁর মোহভঙ্গ হয়। তিনি ভীত হয়ে নবদ্বীপে এসে কঠোর তপস্যা শুরু করেন। মহাপ্রভু তাঁকে দর্শন দিয়ে বললেন, "ব্রহ্মা, তুমি কলিযুগে যবন কুলে হরিদাসের রূপে জন্ম নেবে এবং উচ্চৈঃস্বরে নাম সংকীর্তন করে জগতকে উদ্ধার করবে।"

শিক্ষা:

এখানে জীব নিজের অহংকার ত্যাগ করে ভগবানের চরণে 'আত্মনিবেদন' করতে শেখে।

সীমন্তদ্বীপ (শ্রবণ): পার্বতী দেবীর কৃপা

এখানে দেবী পার্বতী মহাপ্রভুর নাম শোনার জন্য তপস্যা করেছিলেন।

কৈলাসে শিব যখন নিরন্তর 'গৌর গৌর' নাম জপ করতেন, পার্বতী দেবী তখন অত্যন্ত ব্যাকুল হয়ে নবদ্বীপে আসেন। তিনি মহাপ্রভুর চরণধূলি নিজের মস্তকের সিঁথিতে (সীমন্ত) ধারণ করেন। তাই এই স্থানের নাম 'সীমন্তদ্বীপ'। মহাপ্রভু তাঁকে বর দিলেন, "তুমি রাধিকার শক্তির অংশ হয়ে এখানে 'প্রৌঢ়া মায়া' রূপে অবস্থান করবে এবং ভক্তদের ভক্তি দান করবে।"

শিক্ষা:

এই দ্বীপ আমাদের শেখায় ভগবানের কথা পরম আদরে 'শ্রবণ' করতে।

দ্বিতীয় প্রহর: মধ্যাহ্নকালীন হরিকথা (গোদু্রমদ্বীপ ও মধ্যদ্বীপ)

গোদু্রমদ্বীপ (কীর্তন): ইন্দ্র ও সুরভীর আরতি

বৃন্দাবনে ইন্দ্র যখন মহাপ্রলয় ঘটিয়েছিলেন, পরে ক্ষমা চেয়ে তিনি নবদ্বীপে আসেন। সঙ্গে ছিলেন কামধেনু সুরভী। সুরভী দেবী একটি বড় বটগাছের (গোদু্রম) নিচে মহাপ্রভুর আরাধনা করেন। ইন্দ্র ও সুরভী এখানে উচ্চৈঃস্বরে সংকীর্তন করেছিলেন।

শিক্ষা:

কলিযুগের শ্রেষ্ঠ ধর্ম হলো ' সংকীর্তন'। এখানে ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের ভজন কুঠির অবস্থিত, যেখানে আজও নামের তরঙ্গ অনুভূত হয়।

মধ্যদ্বীপ (স্মরণ): সপ্তর্ষির তপস্যা

প্রাচীনকালে সপ্তর্ষিগণ এখানে এসে শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। তাঁরা সর্বদা প্রভুর রূপ ও লীলা 'স্মরণ' করতেন। তাঁদের স্মরণে তুষ্ট হয়ে মহাপ্রভু জ্যোতির্ময় রূপে তাঁদের দর্শন দেন।

শিক্ষা:

'স্মরণ' হলো অন্তরের ভজন। জগতের কোলাহলের মাঝেও যেন মন ভগবানের কথা ভুলে না যায়, এই দ্বীপ সেই শিক্ষা দেয়।

তৃতীয় প্রহর: অপরাহ্ণ হরিকথা (কোলদ্বীপ, ঋতুদ্বীপ ও জহ্নুদ্বীপ)

কোলদ্বীপ (পাদসেবন): বরাহ দেবের আবির্ভাব

ত্রেতাযুগে এক ব্রাহ্মণ এখানে ভগবানের বরাহ (কোল) অবতারের আরাধনা করতেন। ভগবান বরাহ তাকে দর্শন দিয়ে বলেন, "কলিযুগে আমি এখানে সোনার কান্তি নিয়ে মহাপ্রভু রূপে আসব।" এই স্থানটি 'অপরাধ ভঞ্জন পাঠ' নামেও পরিচিত।

শিক্ষা:

ভগবানের 'পাদসেবন' বা চরণ সেবার মাধ্যমে হৃদয়ের সমস্ত অপরাধ ধুয়ে যায়।

ঋতুদ্বীপ (অর্চন): ঋতুদের মিলন

এখানে সমস্ত ঋতুরা (বসন্ত, বর্ষা ইত্যাদি) মূর্তিমন্ত হয়ে মহাপ্রভুর পূজা বা 'অর্চন' করার জন্য অপেক্ষা করেন। এটি শ্রীরাধা-কৃষ্ণের রাধাকুণ্ডের সাথে অভিন্ন।

শিক্ষা:

ভক্ত যখন শুদ্ধ মনে ভগবানের সেবা বা 'অর্চন' করে, তখন প্রকৃতিও তার সহায় হয়।

জহ্নুদ্বীপ (বন্দনা): জহ্নু মুনির ক্রোধ ও ভক্তি

জহ্নু মুনি যখন তপস্যা করছিলেন, গঙ্গা দেবী তার পাত্র প্লাবিত করেন। মুনি ক্রুদ্ধ হয়ে গঙ্গাকে পান করে ফেলেন। পরে দেবতাদের প্রার্থনায় তিনি গঙ্গার মাহাত্ম্য বুঝে নিজের জানু বিদীর্ণ করে গঙ্গাকে নির্গত করেন। তিনি গঙ্গা ও মহাপ্রভুর চরণে সশ্রদ্ধ 'বন্দনা' করেছিলেন।

শিক্ষা:

প্রার্থনার মাধ্যমে ভগবানের কাছে আত্মসমর্পণ করাই হলো 'বন্দনা'।

চতুর্থ প্রহর: সান্ধ্য হরিকথা (মোদদ্রুমদ্বীপ ও রুদ্রদ্বীপ)

মোদদ্রুমদ্বীপ (দাস্য): শ্রীরামচন্দ্রের অবস্থান

ত্রেতাযুগে শ্রীরামচন্দ্র সীতা ও লক্ষ্মণসহ বনবাসের সময় এখানে একটি বটের নিচে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। রামচন্দ্র সীতাদেবীকে বলেছিলেন, "হে প্রিয়ে, কলিযুগে আমি এখানে স্বর্ণ গৌরবর্ণ ধারণ করে অবতীর্ণ হব এবং ঘরে ঘরে প্রেম বিতরণ করব।" এখানে গুহক চণ্ডালের প্রতি রামচন্দ্রের যে কৃপা, তা 'দাস্য' ভক্তির চরম পরাকাষ্ঠা।

শিক্ষা:

নিজেকে ভগবানের সেবক বা 'দাস' মনে করাই জীবের প্রকৃত স্বরূপ।

রুদ্রদ্বীপ (সখ্য): শিবের তান্ডব ও নাম

মহাদেব বা রুদ্র এখানে একাদশ রুদ্র রূপে মহাপ্রভুর নাম গান করে নৃত্য করেন। তিনি শ্রীকৃষ্ণকে সখা (বন্ধু) হিসেবে পান নবদ্বীপে এসে। এখানে পঞ্চবক্ত্র শিবের বিশেষ মহিমা রয়েছে।

শিক্ষা:

ভগবান ও ভক্তের নিবিড় বন্ধুত্বের নামই 'সখ্য' ভক্তি।
উপসংহার: দিনের শেষ প্রার্থনা

শ্লোক:

নম মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেমপ্রদায় তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যনাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ।।

হে ভক্তবৃন্দ, এই নয়টি দ্বীপ মিলে যেন একটি সুন্দর পদ্মফুল। আর এই পদ্মফুলের কেন্দ্রে বসে আছেন নবদ্বীপচন্দ্র শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। যিনি এই নয়টি দ্বীপের মাহাত্ম্য শ্রবণ করেন, তাঁর হৃদয়ে নবধা ভক্তি জাগ্রত হয়। আজ আমরা সারা দিন যা শ্রবণ করলাম, তা যদি ক্ষণিকের জন্যও চিন্তা করি, তবে আমাদের এই মানব জন্ম সার্থক হবে।

গঙ্গার শীতল হাওয়ায়, খোল-করতালের ধ্বনিতে, নবদ্বীপের আকাশে-বাতাসে আজও একটিই সুর বাজে

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

27/02/2026

একাদশী মাহাত্ম্য।
যুধিষ্ঠির বললেন – হে কৃষ্ণ ! মহাফলদাতা বিজয়া একাদশীর কথা শুনলাম। এখন ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী যে নামে বিখ্যাত তা বর্ণনা করুন । শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহাভাগ যুধিষ্ঠির ! মান্ধাতার প্রশ্নের উত্তরে মহাত্মা বশিষ্ঠ এই একাদশীর মহিমাকীর্তন করেছিলেন। আপনার কাছে এখন আমি সেই কথা বলছি। এই একাদশীর নাম ’আমলকী‘। বিষ্ণুলোক প্রদানকারীরূপে এই একাদশী বিশেষভাবে মহিমান্বিত। একাদশীর দিন আমলকী বৃক্ষের তলে রাত্রি জাগরণ করলে সহস্র গাভী দানের ফল লাভ হয়। হে পান্ডুনন্দন! পূর্বে ব্রহ্মার রাত্রিতে দৈনন্দিন প্রলয় উপস্থিত হলে স্থাবর জঙ্গমসহ দেবতা , অসুর ও রাক্ষস সবকিছুর বিনাশ হয়। তখন ভগবান সেই কারণে সমুদ্রে অবস্থান করেন। তাঁর মুখপদ্ম থেকে চন্দ্রবর্ণের একবিন্দু জল ভূমিতে পড়ে। সেই জলবিন্দু থেকে একটি বিশাল আমলকী বৃক্ষ উৎপন্ন হয়। এই বৃক্ষের স্মরণ মাত্র গো – দানের ফল, দর্শনে তাহার দ্বিগুণ এবং এর ফল ভক্ষণে তিনগুণ ফল লাভ হয়। এই বৃক্ষে ব্রহ্মা, বিষ্ণু আর মহেশ্বর সর্বদা অবস্থান করেন। এর প্রতিটি শাখা-প্রশাখা ও পাতায় ঋষি, দেবতা , ও প্রজাপতিগণ বাস করেন। এই বৃক্ষকে সমস্ত বৃক্ষের আদি বলা হয় এবং তা পরম বৈষ্ণব রূপে বিখ্যাত। অতএব এই শ্রেষ্ঠ ব্রত সকলেরই পালনীয়। এখন এই ব্রতের একটি অদ্ভুত ইতিহাস আপনার কাছে বর্ণনা করছি । প্রাচীনকালে ‘বৈদিশ ‘ নামে এক প্রসিদ্ধ নগর ছিল। এই নগরে ‘চৈত্ররথ ‘ নামে এক রাজা রাজত্ব করতেন। চন্দ্রবংশীয় পাশবিন্দুক রাজার পুত্ররূপে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি অত্যন্ত শক্তিমান ও ঐশ্বর্যশালী ছিলেন। শাস্ত্রজ্ঞানেও তিনি ছিলেন সুনিপুন। তার রা্জ্যের সর্বত্রই মনোরম আনন্দপূর্ণ এক দিব্য পরিবেশ লক্ষ্য করা যেত। প্রজারা ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ। সকলেই একাদশী ব্রত পালন করতেন।

তার রাজ্যে কোন অভাব অমঙ্গল ছিল না। এইভাবে প্রজাদের নিয়ে রাজাচৈত্ররথ সুখে দিনযাপন করতে থাকেন ।একসময় ফাল্গুনী শুক্লপক্ষের দ্বাদশীযুক্তা আমলকীতিথি সমাগত হওয়ায় রাজ্যের সকলেই এই ব্রত পালনের সংকল্প করলেন। ঐদিন প্রাতঃস্নানের পর প্রজাদের নিয়ে রাজা ভগবান শ্রীবিষ্ণুর মন্দিরে যান। সেখানে সুবাসিত জলপূর্ণ কলস, ছত্র, বস্ত্র , পাদুকা ,পঞ্চরত্ন ইত্যাদি দিয়ে সাজিয়ে স্থাপন করেন। তারপর ধূপ- দীপ দিয়ে যত্ন সহকারে মুনি- ঋষিদেরদ্বারা শ্রীপরশুরাম মূর্তি সমন্বিত আমলকীর পূজাকরেন। ‘হে পরশুরাম ! হে রেণুকার সুখবর্ধক ! হে ধাত্রি ! হে পাপবিণাশিনী আমলকী ! তোমাকে প্রণাম। আমার অর্ঘ্যজল গ্রহণ কর। ‘ এইভাবে দিনে যথাবিধি পূজা স্তব স্তুতি নৃত্যগীত করে রাজা ভক্তিভরে সেই বিষ্ণু মন্দিরে রাত্রি জাগরণ করতে লাগলেন। এমন সময় দৈবযোগে একটি ব্যাধ সেখানে উপস্থিত হয়। পূজার সামগ্রী সহ বহু ব্যক্তিকে একত্রে রাত্রি জাগরণকরতে দেখে সে কৌতুহলাক্রান্ত হল। সে ভাবল – এসবকি ব্যাপার ? বিষ্ণু মন্দিরে প্রবেশ করে বসে পড়ল। কলসের উপরে স্থাপিত বিষ্ণুমূর্তি দর্শন করল। ভগবান বিষ্ণু এবং একাদশীর মাহাত্ম্যও সে মনোযোগ দিয়ে শুনল। সারাদিন ঐ ব্যাধ কিছুই আহার করেনি। এইভাবে ক্ষুধায় কাতর হয়ে সেখানে সে রাত্রি জাগরণ করল ।পরদিন প্রজাসহ রাজা নগরের দিকে যাত্রা করলেন। সেই ব্যাধও তার গৃহে ফিরে গেল। এরপর একসময় ব্যাধের মৃত্যু হল। একাদশীতে রাত্রি জাগরণ ব্রত প্রভাবে সেইব্যাধ পরবর্তী জন্মে এক রাজ্যের অধীশ্বর রূপে নিযুক্ত হল। জয়ন্তী নামে এক নগরী ছিল। সেখানে বিদূরথ নামে এক রাজা বাস করতেন। ঐ ব্যাধ বিদূরথ রাজার মহাবলী পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করেন। তার নাম হয় বসুরথ। এক লক্ষ গ্রামের আধিপত্য তিনি লাভ করলেন।

তিনি ছিলেন সূর্যের মত তেজস্বী, চন্দ্রের মত কান্তিমান ও পৃথিবীর মতো ক্ষমাশীল। বিভিন্ন সদগুনে ভূষিত বসুরথ পরম বিষ্ণু ভক্তি পরায়ণ হন। এই মহাদাতা রাজা একবার শিকার করতে গিয়ে পথ ভুলে যান। গভীর জঙ্গলের মধ্যে ক্ষুধায় পীড়িত হয়ে তিনি ক্লান্তি বশতঃ শুয়ে পড়েন। এমন সময় কতগুলি পর্বতনিবাসী ম্লেচ্ছ রাজার কাছে এসে নানাভাবে উৎপীড়ন করতে থাকে। রাজাকে তাদের শত্রু মনে করে তারা তাকে হত্যাকরতে চেষ্টা করে। ”পূর্বে এই রাজা আমাদের পিতা-মাত, পুত্র – পৌত্র সবাইকে মেরে ফেলেছে। আমাদের গৃহছাড়া করেছে।”– এইরকম বলতে বলতে ম্ণেচ্ছরা রাজাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তারা বিভিন্ন অস্ত্র-শস্ত্রে তাঁকে আঘাত করতে থাকে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় তাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। রাজার কোনক্ষতিই তারা সাধন করতে পারেনি। তখন রাজার শরীর থেকে নানা অলঙ্কারে বিভূষিতা এক পরমা সুন্দরী স্ত্রী মূর্তি আবির্ভূতা হন। মহাশক্তি ধারিনী ঐ নারী অল্প সময়ের মধ্যেই সকল পাপী ম্লেচ্ছকে নিধন করল। রাজার নিদ্রা ভঙ্গ হল। এই ভয়ানক হত্যাকান্ড দেখে রাজা অত্যন্ত বিস্মিত হলেন । তিনি বলতে লাগলেন – আহা! আমার শত্রুদের হত্যাকরে কে আমার প্রাণ রক্ষা করল , এমন কৃপালু কে আছে ? আমি তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এমন সময়ে দৈববাণী হল- ভগবান কেশব ব্যতীত শরণাগতকে রক্ষা করবার আর কে আছে ? তিনিই শরণাগত পালক। দৈববাণী শুনে তিনি ভক্তিযুক্ত চিত্তে গৃহে ফিরে এলেন। তারপর প্রজাসহ মহাসুখে ইন্দ্রের মতো নিষ্কন্টক রাজ্য ভোগ করতে লাগলেন । বশিষ্ঠ বললেন- হে রাজন্ যে মানুষ এই পরম -উত্তম আমলকী একাদশী ব্রত পালন করেন তিনি নিঃসন্দেহে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

26/02/2026

হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, হরে হরে,,।

25/02/2026

সন্ধ্যা আরতি।

25/02/2026

শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতে ভক্তের ২৬ টি গুণের উল্লেখ আছে।
সে কেমন ভক্তি করছে সেটা বোঝা যায়।

25/02/2026

পরিক্রমা নবদ্বীপ।

24/02/2026

হরে কৃষ্ণ

24/02/2026

ভক্ত চাঁদকাজীর সমাধি ❤️

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka