ClickShop

ClickShop

Share

Quality Shopping for All.

@clicktheshop Products are returnable (T&C will apply).

04/03/2026
14/04/2024

✪ বঙ্গাব্দঃ

➤ বঙ্গাব্দ, বাংলা সন বা বাংলা বর্ষপঞ্জি হল বঙ্গদেশের একটি ঐতিহ্য মণ্ডিত সৌর পঞ্জিকা ভিত্তিক বর্ষপঞ্জি। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সৌরদিন গণনা শুরু হয়। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে মোট ৩৬৫ দিন কয়েক ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন হয়। এই সময়টাই এক সৌর বছর। গ্রেগরীয় সনের মতন বঙ্গাব্দেও মোট ১২ মাস। এগুলো হল ‌ বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন ও চৈত্র। আকাশে রাশিমণ্ডলীতে সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে বঙ্গাব্দের মাসের হিসাব হয়ে থাকে। যেমন যে সময় সূর্য মেষ রাশিতে থাকে সে মাসের নাম বৈশাখ। বাংলাদেশ এবং পূর্ব ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও ত্রিপুরা অঞ্চলে এই বর্ষপঞ্জি ব্যবহৃত হয়। বঙ্গাব্দ শুরু হয় পহেলা বৈশাখ বা বৈশাখ মাসের প্রথম দিনে। বঙ্গাব্দ সব সময়ই গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর চেয়ে ৫৯৩ বছর কম। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী আজকের তারিখ হল ১ বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।

👁️ 👁️

✪ ইতিহাসঃ

➤ বঙ্গাব্দের সূচনা সম্পর্কে ২টি মত চালু আছে। প্রথম মত অনুযায়ী – প্রাচীন বঙ্গদেশের (গৌড়) রাজা শশাঙ্ক (রাজত্বকাল আনুমানিক ৫৯০-৬২৫ খ্রিস্টাব্দ) বঙ্গাব্দ চালু করেছিলেন। সপ্তম শতাব্দীর প্রারম্ভে শশাঙ্ক বঙ্গদেশের রাজচক্রবর্তী রাজা ছিলেন। আধুনিক বঙ্গ, বিহার এলাকা তাঁর সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল৷ অনুমান করা হয় যে, জুলীয় বর্ষপঞ্জীর বৃহস্পতিবার ১৮ মার্চ ৫৯৪ এবং গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর শনিবার ২০ মার্চ ৫৯৪ বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল।
দ্বিতীয় মত অনুসারে, ইসলামী শাসনামলে হিজরী পঞ্জিকা অনুসারেই সকল কাজকর্ম পরিচালিত হত। মূল হিজরী পঞ্জিকা চান্দ্র মাসের উপর নির্ভরশীল। চান্দ্র বৎসর সৌর বৎসরের চেয়ে ১১/১২ দিন কম হয়। কারণ সৌর বৎসর ৩৬৫ দিন, আর চান্দ্র বৎসর ৩৫৪ দিন। একারণে চান্দ্র বৎসরে ঋতুগুলি ঠিক থাকে না। আর বঙ্গদেশে চাষাবাদ ও এজাতীয় অনেক কাজ ঋতুনির্ভর। এজন্য মোগল সম্রাট আকবরের সময়ে প্রচলিত হিজরী চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সম্রাট আকবর ইরান থেকে আগত বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফতুল্লাহ শিরাজীকে হিজরী চান্দ্র বর্ষপঞ্জীকে সৌর বর্ষপঞ্জীতে রূপান্তরিত করার দায়িত্ব প্রদান করেন। ফতুল্লাহ শিরাজীর সুপারিশে পারস্যে প্রচলিত ফার্সি বর্ষপঞ্জীর অনুকরণে ৯৯২ হিজরী মোতাবেক ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর হিজরী সৌর বর্ষপঞ্জীর প্রচলন করেন। তবে তিনি ঊনত্রিশ বছর পূর্বে তার সিংহাসন আরোহনের বছর থেকে এ পঞ্জিকা প্রচলনের নির্দেশ দেন। এজন্য ৯৬৩ হিজরী সাল থেকে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু হয়। ৯৬৩ হিজরী সালের মুহররম মাস ছিল বাংলা বৈশাখ মাস, এজন্য বৈশাখ মাসকেই বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং ১লা বৈশাখকে নববর্ষ ধরা হয়।

🦉

✪ সংস্কারকৃত বাংলা বর্ষপঞ্জীঃ

➤ বাংলা একাডেমী কর্তৃক বাংলা সন সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র নেতৃত্বে এ কমিটি বিভিন্ন বাংলা মাস ও ঋতুতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সাংস্কৃতিক জীবনে কিছু সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতাকে নির্ণয় করে সেগুলো হতে উত্তরণের প্রস্তাবনা প্রদান করেন। বাংলা সনের ব্যাপ্তি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর মতনই ৩৬৫ দিনের। যদিও সেখানে পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণের পরিপূর্ণ সময়কেই যথাযথভাবে নেয়া হয়েছে। এই প্রদক্ষিণের মোট সময় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট এবং ৪৭ সেকেন্ড। এই ব্যবধান ঘোচাতে গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর প্রতি চার বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি অতিরিক্ত দিন যোগ করা হয়। ব্যতিক্রম হচ্ছে সে শতাব্দীতে যে শতাব্দীকে ৪০০ দিয়ে ভাগ করা যায় না বা বিভাজ্য। জ্যোতির্বিজ্ঞান নির্ভর হলেও বাংলা সনে এই অতিরিক্ত দিনকে আত্মীকরণ করা হয়নি। বাংলা মাস অন্যান্য সনের মাসের মতনই বিভিন্ন পরিসরের হয়ে থাকে। এই সমস্যাগুলোকে দূর করার জন্য ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কমিটি বাংলা একাডেমীর কাছে কতকগুলো প্রস্তাব পেশ করে। এগুলো হচ্ছেঃ-
বছরের প্রথম পাঁচ মাস অর্থাৎ বৈশাখ হতে ভাদ্র হবে ৩১ দিনের;
বাকী মাসগুলো অর্থাৎ আশ্বিন হতে চৈত্র হবে প্রতিটি ৩০ দিনের মাস;
প্রতি চতুর্থ বছরের ফাল্গুন মাসে অতিরিক্ত একটি দিন যোগ করে তা হবে ৩১ দিনের।
বাংলাদেশে বাংলা একাডেমী সরকারীভাবে এই সংশোধিত বাংলা মাসের হিসাব গ্রহণ করে। যদিও ভারতের পশ্চিম বাংলায় পুরনো বাংলা সনের প্রচলনই থেকে গেছে।

🌦️

✪ মাসঃ

➤ বঙ্গাব্দের ১২ মাসের নামকরণ করা হয়েছে নক্ষত্রমণ্ডলে চন্দ্রের আবর্তনে বিশেষ তারার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে। এই নাম সমূহ গৃহীত হয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রাচীন গ্রন্থ “সূর্যসিদ্ধান্ত” থেকে।
মাস—-দিন (সংস্কারকৃত)—দিন (সনাতন)-ঋতু–নামকরণের সূত্র (নক্ষত্র)–রাশি
বৈশাখ—–৩১————-৩০ / ৩১——-গ্রীষ্ম–বিশাখা————–মেষ রাশি
জৈষ্ঠ্য——৩১————–৩১ / ৩২——গ্রীষ্ম-জ্যেষ্ঠা—————–বৃষ রাশি
আষাঢ়—–৩১————–৩১ / ৩২——বর্ষা–উত্তরাষাঢ়া———-মিথুন রাশি
শ্রাবণ——৩১————–৩১ / ৩২——বর্ষা–শ্রবণা—————কর্কট রাশি
ভাদ্র——-৩১————–৩১ / ৩২——শরৎ–পূর্বভাদ্রপদ——–সিংহ রাশি
আশ্বিন—–৩০————-৩১ / ৩০——শরৎ–অশ্বিনী————-কন্যা রাশি
কার্তিক—-৩০————–২৯ / ৩০—–হেমন্ত–কৃত্তিকা————-তুলা রাশি
অগ্রহায়ণ–৩০————–২৯ / ৩০—–হেমন্ত–মৃগশিরা———-বৃশ্চিক রাশি
পৌষ——৩০————–২৯ / ৩০—–শীত—-পুষ্যা —————ধনু রাশি
মাঘ——–৩০————–২৯ / ৩০—–শীত—মঘা—————মকর রাশি
ফাল্গুন—–৩০ / ৩১——–২৯ / ৩০—–বসন্ত–উত্তরফাল্গুনী——-কুম্ভ রাশি
চৈত্র——৩০—————-৩০ / ৩১—–বসন্ত—চিত্রা ————–মীন রাশি

🌞

✪ দিনঃ

➤ বাংলা সন অন্যান্য সনের মতনই ৭ দিনকে গ্রহণ করেছে এবং এ দিনের নামগুলো অন্যান্য সনের মতনই তারামণ্ডলের উপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে। ঐতিহ্যগত ভাবে সূর্যোদয় থেকে বাংলা দিন গণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমী এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২.০০টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু করে।
দিন————-নামকরণের সূত্র (গ্রহ)
রবিবার———সূর্য
সোমবার——–চাঁদ
মঙ্গলবার——–মঙ্গল
বুধবার———-বুধ
বৃহস্পতিবার—-বৃহস্পতি
শুক্রবার———শুক্র
শনিবার———শনি

☁️🌞🌨️🌩️✨⛈️🌦️⛅🌤️☀️

✪ ব্যবহারঃ

➤ বঙ্গদেশের ঋতু বৈচিত্রকে ধারন করবার কারণে বাংলা সনের জনপ্রিয়তা এসেছে । বঙ্গদেশের জলবায়ুকে ষঢ়ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে বসন্ত, গ্রীষ্ম, হেমন্ত এবং শীত ঋতুর সাথে বর্ষা ও শরৎ ঋতু। বাংলা সনের মাসগুলোর উপর ভিত্তি করেই এই ঋতু বিভাজন করা হয়েছে।
বাঙালি সংস্কৃতিতে বাংলা সনের ব্যবহার এখন আর পূর্বের পর্যায়ে নেই। নাগরিক জীবন যাপনের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় এর ব্যবহার এখন কেবল কৃষিজীবীদের মধ্যেই সীমাবব্ধ হয়ে পড়েছে। কৃষিজীবীরা এখনো বীজতলা তৈরী, বীজ বপন, ফসলের যত্ন, ফসল তোলা ইত্যাদি যাবতীয় কাজে বাংলা মাসের ব্যাপক ব্যবহার করেন। ব্যবসায় ব্যবস্থায় পূর্বের সেই বাংলা সন ভিত্তিক হিসাব ব্যবস্থা এখন গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী নির্ভর হয়ে পড়েছে। যার ফলে ব্যবসায়ের হিসাবের খাতা এখন রাষ্ট্রের আইনে যাকে সহজভাবে গ্রহণ করে সে পদ্ধতিতে রাখা হয়। ষাট বা সত্তর দশকেও যে হালখাতা দেখা যেতো উৎসবের মতন করে, তা দিনে দিনে ফিকে হতে হতে প্রায় মিলিয়ে যেতে বসেছে।
ধর্মীয় ক্ষেত্রে বাংলায় (বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ) পূজা এখনো বাংলা বর্ষপঞ্জি নির্ভর। হিন্দু সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ সামজিক অনুষ্ঠানগুলো, যেমন বিয়ে, গৃহপ্রবেশ, অন্নপ্রাশন, সাধভক্ষণ, জামাই ষষ্ঠী, ভাই ফোঁটা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের দিন নির্বাচনে বাংলা মাসের দিনকেই গুরুত্ব দেয়া হয়। উৎসব পার্বন যেমন পৌষ সংক্রান্তি, চৈত্র সংক্রান্তি এগুলোও বাংলা মাস নির্ভর। শহরে মানুষরা বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সাম্প্রতিক কালে পহেলা বৈশাখকে একটি সার্বজনীন ধর্মনিরপেক্ষ উৎসবের রূপ দিতে সচেষ্ট এবং অনেকখানি সফলও বলা যায়। ফার্সির নওরোজের মতন বাংলা নববর্ষও সার্বজনীন উৎসবের মর্যাদায় এগিয়ে যাচ্ছে।

সবাই‌কে নববর্ষের শু‌ভেচ্ছা।।



💛 🤍 ❤️

----------------------------------
#বঙ্গাব্দ
#১লা_বৈশাখ #নববর্ষ
#ভাবনাগু‌লো
----------------------------------

30/01/2024

অ‌বিশ্বাস‌্য কন‌ফিগা‌রেশ‌নে
রিচার্জেবল ব্লুটুথ স্পিকার!!

১. ফুল রেঞ্জ স্পিকার,
২. একবার চার্জে চল‌বে টানা ১২-১৫ ঘন্টা,
৩. সরাস‌রি বিদ্যুতেও চলবে,
৪. ৫০+৫০ ওয়াট স্পিকার (চাইলে ১০০+১০০ ওয়াটও দেয়া যা‌বে),
৫. ঘরে এবং বাহিরে (ইন‌ডোর এবং আউট‌ডোর) যে কোন স্থা‌নে ব‌্যবহার যোগ‌্য।
৬. আগাম অর্ডা‌রে নি‌জের প্রয়োজন মা‌ফিক যেকোনো মডেলের, যেকোনো ওয়াটের, যেকোনো ডিজাইন নি‌তে পার‌বেন।


অর্ডার/বু‌কিং কর‌তে বা বিস্তা‌রিত জান‌তে যোগা‌যোগ করুন মেসেঞ্জারে
অথবা সরাস‌রি কল করুন +880 1755 206743
(০১৭৫৫-২০৬৭৪৩) নম্ব‌রে।।


----------------------------------

#ভাবনাগু‌লো
----------------------------------

06/12/2023

☺ ☺ ☺ ☺ ☺
লাইক/কমেন্ট, শেয়ার বা পোষ্ট এই লিংকে দিন, প্লীজ।।
যা মন চায় !!
(Post, Share, Comment or Like Here,
Whatever You like to …. Please.)

Please Follow Here:
https://www.facebook.com/cafegaon

cafegaon আড্ডাবা‌জি।।

03/12/2023

রিচার্জেবল ব্লুটুথ স্পিকার!!

যেকোনো মডেলের, যেকোনো ওয়াটের, যেকোনো ডিজাইনে বানি‌য়ে নিতে পারবেন।

একবার চার্জ দিয়ে টানা ১২-১৫ ঘন্টা চালাতে পারবেন অথবা চাইলে সরাস‌রি বিদ্যুৎ দিয়ে চালাতে পারবেন।

একটি স্পিকার ম্যাক্সিমাম ৫০+৫০ ওয়াট হ‌বে ত‌বে, আপনি চাইলে ১০০+১০০ ওয়াটের স্পিকারও অর্ডার কর‌তে পারবেন।

স্পিকার গুলো আপনি ঘরে/বাহিরে যেকোনো জায়গাতে ব্যবহার করতে পারবেন।

ক্রয় কর‌তে ফোন, হোয়াটসএপ বা মেসেঞ্জারে যোগাযোগ ক‌রুন।

কল/হোয়াটসএপ:
+৮৮০ ১৭৫৫ ২০৬৭৪৩
(+880 1755 206743)

02/11/2023

সা‌থে থাকুন। আশা কর‌ছি শীঘ্রই আমা‌দের নতুন কার্যক্রম শুরু হ‌বে।
ধন‌্যবাদ।।

19/10/2023

সবাই‌কে শারদ শুভেচ্ছা।

19/06/2022

Premium White Panjabi for Menz.
Price Taka 1,630/- only.

Materials: Fine cotton
Fitting: Classical fit

Available Sizes:
M : Chest - 42, Length - 41
L : Chest - 44, Length - 43
XL : Chest - 46, Length - 45
2XL: Chest - 48, Length - 45

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:30 - 21:00
Tuesday 10:30 - 21:00
Wednesday 10:30 - 21:00
Thursday 10:30 - 21:00
Friday 10:00 - 12:30
15:30 - 21:30
Saturday 10:30 - 21:00
Sunday 10:30 - 21:00