Yeahia Mejanur
Engineer | Writer | Photographer |
| Creator of The Unfiltered Show |
04/02/2026
এবারের জাতীয় নির্বাচনে যে ০৪ টি বিষয় ফলাফল নির্ধারণ করবে।
================================
নির্বাচনকে ঘীরে নানা সংস্থা নানা জরীপ পেশ করছে।কোন জরীপ পক্ষপাত মূলক, কোনটি আংশিক সত্য আবার কোনটি অনুমান ভীত্তিক।
বাস্তবতা হচ্ছে, ২০০৮ সালের পর দেশে আর কোনো নির্বাচনই হয়নি।জাতীয় নির্বাচন যেমন হয়নি,ঠিক তেমনি স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সুষ্ঠ ভাবে হয়নি। এই দীর্ঘ সময় ধরে দেশে নির্বাচন না হওয়ার দরুন ভোটারদের গতিপ্রকৃতির সঠিক ডাটা সত্যি বলতে কারো কাছেই নেই।
এবারের জাতীয় নির্বাচনে ০৪ বিষয় ফলাফল নির্ধারণ করবে।
১) ২০০৮ সালের নির্বাচনের ডাটা ২০২৬ সালে খুব একটা কাজে আসবে না।এই দীর্ঘ সময়ে দেশে অনেক
ছোট বড়ো আন্দোলন হয়েছে।২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থান হয়ে আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে। পাল্টেছে দেশের অর্থনীতি, শিক্ষার হার, ভোটারের রুচি, এবং ভোটারের চাহিদারও আমূল পরিবর্তন হয়েছে। ভোটারের রাজনৈতিক সচেতনতাও বেড়েছে। তাই, রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার, মিশন, ভিশন আধুনিক এবং বাস্তবসম্মত হওয়ার কোনই বিকল্প নেই। এবারের নির্বাচনে যে দল যতো বেশী আধুনিক, বাস্তবসম্মত আইডিয়া নিয়ে আসতে পারবে তারা ততোবেশী ভোটারকে কাছে টানতে পারবে।
২)
এবার আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে না যার ফলে আওয়ামী লীগের রিজার্ভ ভোটে বাকি দলগুলোর তীক্ষ নজর আছে। আওয়ামী লীগের রিজার্ভ ভোট কাদের দিকে গড়াবে এটা সময়ের সাথে সাথে পরিস্কার হবে।এটি আসন ভিত্তিক এবং লোকাল রাজনীতির উপর নির্ভর করবে। তবে এটা নিশ্চিত, রিজার্ভ আওয়ামী ভোট যে দল যতো বেশি টানতে পারবে তারা ভোটের মাঠে ততো এগিয়ে থাকবে।
৩)
২৬ এর নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ তরুণ ভোটার আছে যারা জীবনের প্রথম ভোট দিবে।এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের পছন্দ অপছন্দ অনুমান করা ডিফিকাল্ট।রাজনৈতিক দলগুলোকে তরুণদের চাহিদা গুলোকে অনুধাবন করতে হবে। সকল রাজনৈতিক দলগুলোই তরুনদের নিজেদের দিকে টানতে নানান প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে। তরুণ ভোটারদের কাছে রাজনৈতিক দল গুলোর চটকদার প্রতিশ্রুতির চাইতে শিক্ষিত, আধুনিক এবং ক্লিন ইমেজের প্রার্থী বেশি এগিয়ে থাকবেন।
৪)
আমরা দেখতে পেয়েছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিপুল পরিমাণ নারী অংশগ্রহণ করেছেন। বিগত আন্দোলন গুলোতে এতো বিপুল সংখ্যক নারীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। এবারের নির্বাচনের ট্রাম কার্ড এই নারী ভোটার। যে দল যতো বেশি নারী ভোটারদের দলে ভেড়াতে পারবে তারা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের নারীরা বাবা, চাচাদের কথামত বিয়ে করতো, ২০২৬ সালের নারীরা বাবা চাচাদের কথায় বিয়েটা পর্যন্ত করে না। তারা বলে তাদের নিজস্ব পছন্দ আছে। সো, ভোটটা যে এবার তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে দিবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এবারের নির্বাচনে নারী ভোটাররা সবচেয়ে বড় পাওয়ার হাউজ।
এবারের নির্বাচনে সব দলকেই বড় বড় কিছু চ্যালেন্জ পার করতে হবে। আশাজাগানিয়া ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা গনতন্ত্রের পথে আবারো যাত্রা করছি। এরচেয়ে সুন্দর আর কি হতে পারে। একটি সুষ্ঠ,সুন্দর নির্বাচনের অপেক্ষায় পুরো জাতি।
দুনিয়ার বহু মানুষ বহু ফন্দিফিকির বের করে দুইটা টাকা পয়সা রোজগারের আশায়।
কিন্তু আপনি দুনিয়ার প্রথম সাপুড়ের কথাটা চিন্তা করেন একবার।
একটা মানুষ কি পরিমাণ হারামি হলে এটা চিন্তা করতে পারে সে বীণের তালে তালে সাপের ড্যান্স দেখায়ে টাকা ইনকাম করবে।
শা/লা ওইটা সাপ! নোরা ফাতেহী না!
বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরীর জন্য দরকার পরপর তিনটি জাতীয় সুষ্ঠ নির্বাচন।
আমাদের দেশে নির্বাচন মানেই এক প্রকার থমথমে অবস্থা। রাজনৈতিক নেতারা জনকল্যাণকর কাজ করে ভোটারের মন জয় করার চাইতে বেশি সময় ব্যায় করেন প্রতিপক্ষকে চিরতরে শেষ করে দেবার জন্য।
জাতি হিসাবে আমাদের অন্যতম বড় ব্যার্থতা স্বাধীনতার এতো বছর পরেও আমরা দেশে একটি সুন্দর রাজনৈতিক সহবস্থানের পরিবেশ তৈরী করতে পারিনি। আমাদের দেশে ক্ষমতার পালা বদল হয় মানুষের রক্ত স্রোতের উপর দিয়ে।
আমি সব সময় বলি এবং এটা আমার বিশ্বাস যে যদি আমরা পরপর তিনটি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠভাবে করতে পারি, যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার পরপর তিনবার দেশ চালাতে পারে তবে আমাদের দেশের এই রাজনৈতিক অরাজকতা কেটে যাবে এবং দেশ স্থিতিশীল হবে।
জনগণ একবার হয়তো অযোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারে, দ্বিতীয়বারও করতে পারে বাট তৃতীয়বার আর সেই অযোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে না। এটা হতেই পারে না। যোগ্য আর অযোগ্য প্রার্থীর তফাৎ জনগণ বুঝবেই।
বারবার আমাদের দেশে যে রাজনৈতিক সংকট তৈরী হয় এটার মুলে রয়েছে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করার মাধ্যমে অযোগ্য লোকগুলোর শাসন ক্ষমতায় বসে যাওয়া। যদি দেশে জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত থাকতো তাহলে এই অযোগ্য লোকগুলো কোন দিনও শাসন ক্ষমতায় যেতে পারতো না। একটা দেশের মেজরিটি সিটিজেন ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এটি সম্ভব নয়।
দেশে সুশাসন নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় সুষ্ঠ নির্বাচন। এর কোন বিকল্প নেই।
মানব জীবন কতো বিচিত্র ভাবতেই অবাক লাগে।
আমরা দুনিয়াতে আসি একদম খালি হাতে। নিজে নিজে এই সবুজ গ্রহে সার্ভাইভ করার মত শক্তি আমাদের থাকে না। না কথা বলতে পারি, না হাটতে পারি, না কিছু করতে পারি।
আমাদের আপন কিছু মানুষ হয়। বাবা মা ভাই বোন। সে এক অদৃশ্য বন্ধন।
বয়োস বাড়ার সাথে নদীর বাকের মত আমাদের জীবন বদলাতে থাকে। শূন্য হাতে দুনিয়াতে আসা এই আমাদের কতো কিছু হয়। নিজের পরিবার, সন্তান, জায়গা জমি, বন্ধু বান্ধব।
পথিক যে পথ ধরে হেটে যায় সেই পথের জন্যও তার মনে এক প্রকার মায়া কাজ করে। আমরা হেটে চলি জীবন নামের এক পথ ধরে যে পথে আর পেছনে ফিরে যাওয়া যায় না। আমাদের সময় ফুরাতে থাকে। আমাদের শক্তিশালি মাংসপেশি নরম হয়ে পরে। কালো চুল সাদা হয়। ইগলের মত দৃষ্টি শক্তি ঝাপসা হয়ে আসে।
তারপর একদিন!!
আরশের মালিকের ডাকে আমাদের সাজানো গোছানো এই সংসার ছেড়ে চলে যেতে হয়।
ভেবে দেখুন একবার! কতোটা নগণ্য আমরা। কতোটা অসহায় এই সময়ের স্রোতের কাছে। এক নিমিষে সব শেষ।
আমরা হারিয়ে যাবো অথচো যে পথটা ধরে আমরা হেটে এসেছি সেই পথটা আমাদের মনে রাখবে না। আমাদের জন্য তার কোন মায়া থাকবে না। আমরা হারিয়ে যাবো অথচো এই দুনিয়া দিব্যি চলবে যেন কিছুই হয়নি, যেন কেউ হারিয়ে যায় নি বা কেউ যেন ছিলোই না। কি ভয়ংকর আমাদের প্রস্থান। কতোটা একাকি আমরা।
আমাদের সব আছে। আবার যেন কিছুই নেই আমাদের।
24/11/2025
2025
📸 Yeahia Mejanur
08/11/2025
দীর্ঘদিন পর দেশে নির্বাচনী আমেজ তৈরী হয়েছে। সকল দল সভা, সমাবেশ করছে। প্রার্থীরা ভোটারের দোয়ারে দোয়ারে যাচ্ছেন। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ এখন দৃশ্যমান।
জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকল দলের সকল প্রার্থীরা তাদের পোষ্টার, ব্যানার দেয়ালে দেয়ালে টানাচ্ছেন। এটা বলা যায় আমাদের দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি।
দিন বদলেছে, বদলেছে মানুষের পছন্দ আর রুচি। সময়ের সাথে সাথে এই দেয়ালে দেয়ালে পোষ্টার টানানো এখন বড্ড সেকেলে এবং নগর, বন্দর, গ্রাম, দেশের শোভা বিনষ্টের একটা উপকরণ হয়ে দাড়িয়েছে। শহুরে নাগরিক থেকে গ্রামের যুবক কেউ ই আর এখন এই পোষ্টারের রাজনীতি পছন্দ করছে না।
সেদিন এই ডিজিটাল বিলবোর্ড দেখে চোখ আটকে গেলো। এই ডিজিটাল বিলবোর্ড গুলো হতে পারে পোষ্টার, ব্যানারের এক দারুণ এবং আধুনিক বিকল্প।
শহর, ঘাট, বন্দর, বাজারের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে এই ডিজিটাল বিলবোর্ড স্থাপন করে ঐ এলাকার যে সকল প্রার্থী এর মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে চান তারা নির্দিষ্ট হারে একটা রেন্ট ফি সরকারকে দিবেন।
ধরুন, সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত এই ডিজিটাল বিলবোর্ড গুলো অন থাকবে। প্রতি ১০ সেকেন্ড পর পর একেক জন প্রার্থীর পোষ্টার ডিসপ্লে হতে থাকবে। এটা এমন একটা সিষ্টেম যেখানে সারাদিন এটা অনবরত চলতে থাকবে। দিন হিসাবে যে সকল প্রর্থী তাদের প্রচারণা এই বিলবোর্ডের মাধ্যমে চালাবেন তারা সরকারকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ রেন্ট পরিশোধ করবেন।
এতে সুবিধা বেশ কয়েকটা।
১) পোষ্টারের কারণে সৌন্দর্য নষ্ট হবে না।
২) নির্বাচনের পর এই বিপুল পরিমাণ পোষ্টারের দ্বারা পরিবেশ নষ্ট হবে না।
৩) পোষ্টার লাগানো নিয়ে প্রার্থীরা বিবাদে জড়াবেন না।
৪) অর্থের অপচয় কমবে।
৫) সরকার লাভবান হবে।
৬) নির্বাচনের পরও সারা বছর এই ডিজিটাল বিলবোর্ড গুলো সরকারি, বেসরকারি নানা বিজ্ঞাপনের কাজে ব্যাবহার করা যাবে।
আমাদের ছোট্ট ছোট্ট কিছু উদ্দোগ, আইডিয়া কিন্তু অনেক বড় বড় সমস্যা চিরদিনের জন্য সমাধান করে ফেলতে পারে।
07/11/2025
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে আমি যতোটুকু পড়াশোনা করেছি তাতে আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ যতোজন মানুষের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে তার মধ্যে একমাত্র জিয়াউর রহমান ই জানতেন একটা দেশ কিভাবে পরিচালনা করতে হয়।
দেখুন দেশ প্রেম কম বেশি সবার ই আছে। রাজনৈতিক নেতার ও অভাব নেই। কিন্তু একটা দেশ পরিচালনা করা এটা একটা স্কিল, যেটা সব রাজনৈতিক নেতার মধ্যে থাকে না।
জিয়াউর রহমান ই প্রথম ব্যাক্তি যিনি বুঝেছিলেন দলীয় প্রধান আর সরকার প্রধান এক জিনিস নয়। দলীয় প্রধানের কাজ একটা নির্দিষ্ট দলকে সার্ভ করা আর সরকার প্রধানের কাজ পুরো দেশকে সার্ভ করা। তিনি এই দুয়ের মাঝে পার্থক্য করতে পেরেছিলেন।
জিয়াউর রহমান ই প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন দেশের উন্নয়ন রাজনৈতিক ফাকা বুলিতে অর্জন হয় না। দেশের উন্নয়ন হয় জনগণের কর্ম সংস্থানের মাধ্যমে। তিনি রাজনৈতিক ফাকা বুলি আওড়ে সস্তা জনপ্রিয়তার চাইতে দেশের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব দুর করতে মনোযোগী হন। দেশে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মন দেন। বংলাদেশ যে দুইটি পিলারের উপর দাড়িয়ে আছে গার্মেন্টস এন্ড রেমিটেন্স তা এই মানুষটার সুদুর প্রসারী চিন্তার ফসল।
এই মুহুর্তে বাংলাদেশের প্রয়োজন এমন একজন নেতা যিনি কথার চেয়ে কাজ বেশি করবেন, নির্ভিক সৎ অকুতোভয় হবেন এবং একজন প্রবলেম সলভার হবেন যিনি জানবেন সমস্যাটা কি এবং সেটি কিভাবে সমাধান করতে হয়।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এই দুইয়ের সমন্বয় করেছিলেন যেটি এখনকার বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক।
05/11/2025
এই লোকটারে অনেকে মজা করে আম তারেক নামে ডাকে।কারণ তার আমের বিজনেস আছে। তবে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, এই মানুষটার একটা বৈধ বিজনেস আছে যেটা আমাদের দেশের ৯০% রাজনীতিবিদদের নেই।
দলের নিবন্ধন পাওয়া না পাওয়া এটার বেশ কিছু ক্রাইটেরিয়া আছে। এগুলো আইনের ব্যাপার। কিন্তু একটা মানুষ তার জীবন যৌবন ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সম্মুখ সারি থেকে লড়ে গিয়েছে কিন্তু এখন একা একা রাস্তায় ঘুমাবেন সেটা হতে দিয়েন না আপনারা।
আমাদের দেশের রাজনৈতিক মুরব্বিরা এটলিষ্ট এই মানুষটার পাশে দাড়ান। কিছু না করেন অন্ততো সান্তনা দেন। ভোটের রাজনীতি, মাঠের রাজনীতি থাকবেই, কিন্তু মানবতা এবং রাজনৈতিক সৌন্দর্য সব কিছুর উপরে। মানুষটারে একা ছাইড়েন না আপনারা।
01/11/2025
আমার খুব করে জানতে ইচ্ছা হয়, যে কোন সভা, সমাবেশে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি হয়ে পায়ের উপর পা তুলে, তোয়ালে দেয়া রাজকীয় চেয়ারে বসার অনুভূতিটা কেমন?
আপনারা যারা এই কাজটা করেন আপনাদের তখন কেমন ফিল হয়? রাজা, জমিদারের ছেলে/মেয়ে মনে হয় নিজেকে?
আপনার মঞ্চের সামনে মানুষ বসে বা দাড়িয়ে আছে আর আপনি মঞ্চে তোয়ালে দেয়া চেয়ারের উপর বসে পায়ের উপর পা তুলে জমিদারি ফিল নিচ্ছেন!
পূর্বে আপনাদের চেয়ে অনেক বড় বড় কুতুব ছিলো। জনগণ ঐ তোয়ালে, ঐ চেয়ার আর ঐ মঞ্চ জায়গা দিয়ে ভরে দিছে তাদের।
ক্ষমতা কিন্তু কচু পাতার পানির মত।
সময় থাকতে সুধরায়ে যান।
আপনার জীবনের দুঃখ, কষ্টের গল্প কারো কাছে প্রথমবার বলবেন, সে আহা, উহু করবে।
একই ব্যাক্তির কাছে দ্বিতীয়বার বলবেন সে শুধু আহারে বলবে।
তৃতীয়বার অতি মর্মান্তিক দুঃখের গল্পও তার কাছে স্রেফ গল্প মনে হবে।
আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নিবেন। কিন্তু দুঃখগুলো একান্ত নিজের। ভুলেও কারো সাথে শেয়ার করতে নেই।
দুঃখগুলোর শেষ ঠিকানা হৃদয় নামক কবরে।
রাস্তায় হাটা যায় না টেসলা চলে।
ফুটপাথে হাটা যায় না বাইক চলে, হকাররা দোকান খোলে।
এখন আবার মেট্রোরেল থেকে প্যাডপুড খুলে পরতেছে মাথার উপর।
মরেও শান্তি নাই, কবর থেকে লাশ চুরি করে।
শালার যাবোটা কোথায়!!!
22/10/2025
দেবদাস : দ্যা পিওর বো%কা%চো%দা
=========================
আমাদের দেশের তরুনদের মাঝে দেবদাস হওয়ার ভূত চাপে নাকের নীচে গোফ গজানোর পর থেকেই। এই ভূত তার সেরা খেল দেখায় কলেজ টু ইউনিভার্সিটি টাইমটুকু পর্যন্ত।
পিচ্চিপাচ্চারা শোন,
তুই ইচ্ছা করলেও দেবদাস হতে পারবিনা। দেবদাস যদি পড়ে থাকিস তাহলে তুই জানতে পারবি দেবদাসের পিতার ছিলো অঢেল সম্পদ। বাপ অক্কা পাওয়ার পর তার বিশাল সম্পত্তির মালিক হয় দেবদাস। এই সম্পদ থেকে মোটা অংকের টাকা পেতো সে। সারা দিন কোন কাজ নেই, বলতে গেলে কাজ করার প্রয়োজন ও ছিলো না কারণ টাকা তো আসছেই বাপের সম্পত্তি থেকে। সারাদিন ম&দ খাও, নর্ত%কী নাচাও, আর সাবেক প্রেমিকার নাম জপো।
এখন আসি তোর কথায়।
তোর বাপের অঢেল সম্পদ নাই। টুকটাক খুচরা কিছু সম্পদ হয়তো থাকতে পারে।কিন্তু মরার আগে তোর বাপের যদি বড় কোন রোগ হয় তবে সেগুলো বেচে চিকিৎসা করানো ছাড়া তোদের পরিবারের তেমন কোন লিকুইড ক্যাশ নেই।
ম%দ পানীয় হলেও ওটা কিন্তু পানির দামে পাওয়া যায় না। কষ্টলি নে*শা যেটা তুই এ্যাফোর্ড করতে পারবি না। পারলেও বড়জোর মাসে এক দুইবার কমদামি কে: রু। তুই সর্বোচ্চ হতে পারবি গা&জা #রু।
ন+র্তকী নাচাবি সে মুরোদ তোর চৌদ্দ বংশেরো কোন দিন ছিলো না। কক্সবাজারে টিকটকার নিয়ে যেতে চাইলে লেটেস্ট মডেলের আইফোন গিফট করা লাগে। আর একটা আইফোন তোর পুরো পরিবারের তিন চার মাসের মান্থলি ইনকাম।
শোন তুই গরীব, নিম্নবিত্ত বা বড় জোড় মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। এসব দেবদাসের মত লাইফলেস বো*কা&চো৳দাদের মত হইস না। পড়াশোনাটা কর, চাকরি-বাকরি কর। গরীর বাপটার সাথে সংসারের হাল ধর।
বিয়ে কর, সংসার করে সুখী হ। বাচ্চা পয়দা কর।তাদের মানুষ কর। তারপর কোন একদিন মরে যা।
মনে রাখিস, জমিদারের পোলারা দেবদাস হয়ে নর্ত%কী নাচালেও ওদের ভাতের দুঃখ হবে না। আর তুই ফকিন্নির পোলা মাস খানেক না খেয়ে থাকলেও কেউ এক প্লেট ভাত তোর সামনে এনে দেবে না। জীবনটাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলিস না। গরীবের ছেলেদের এসব সাজে নারে পাগলা।
যা পড়তে বস।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka