Onabil
যা মনে আসে...
পর্ব ১: নীরব দুপুর
নাজিম আর মায়া—দুজনের আট বছরের সংসার।
প্রথম কয়েক বছর মায়া প্রায়ই বলত,
“তুমি রাগ করলেও আমি হাসব, যাতে তুমিও হাসো।”
নাজিম বিরক্ত হতো, তবু ভিতরে ভিতরে ভালো লাগতো।
কিন্তু সংসার যত পুরনো হয়েছে, তত সংলাপ কমেছে।
নাজিম অফিস থেকে ফিরেই ফোনে মুখ গুঁজে থাকে।
মায়া রান্না করে, টেবিলে রেখে ঘুমিয়ে পড়ে।
কারো কাছে আর কারো অভিযোগ নেই।
শুধু অনেক নীরবতা।
একদিন দুপুরে মায়া একটা চিঠি রেখে চলে গেলো।
> “আমি যাচ্ছি। আমার ভেতরে একটা শূন্যতা জন্মেছে—তুমি দেখতেও পাওনি। কোথায় যাচ্ছি, জানি না। শুধু জানি, তোমার থেকে দূরে থাকলেই বুঝতে পারব, তুমি আমাকে আর চাই কি না।”
নাজিম চিঠিটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর ফ্রিজ খুলে এক গ্লাস পানি খেল।
চুপ করে বসে রইল সারাদিন। কারো কাছে কিছু বলল না।
................
পর্ব ২: মায়ার ভুল
মায়া চলে যায় এক বান্ধবীর বাসায়।
দেখে, তার বান্ধবীরও সংসারে অশান্তি, কিন্তু তাও তারা একসাথে।
মায়া ধীরে ধীরে বুঝতে থাকে—সব বাড়িতে ঝড় আসে।
কিন্তু কেউ কেউ জানালা বন্ধ করে বসে থাকে, কেউ কেউ বাড়ি ছেড়ে দেয়।
একদিন বিকেলে মায়া বৃষ্টি দেখে।
নাজিমকে খুব মনে পড়ে।
তার হাসি, চা বানানোর অদ্ভুত স্টাইল, আর সেই অলস বিকেলগুলো।
একটা ভেতরের টান অনুভব করে।
তাকে ঘিরেই যে এতগুলো বছর পার করেছে, সেই মানুষটাকেই এত সহজে ফেলে চলে আসা—ভুল ছিল।
রাতেই বাসে চড়ে ফেরে।
বাসায় পৌঁছেই দেখে—নাজিম ঘুমিয়ে আছে সোফায়। খাবার টেবিলে একটা প্লেট, তার প্রিয় লেবু ভর্তা আর মুগ ডালের ঘ্রাণ।
.................
পর্ব ৩: ফিরে আসা, নিঃশব্দে
মায়া দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই নাজিম চোখ খুলল।
কিছু বলেনি। শুধু তাকিয়ে রইল।
মায়া আস্তে বলল, “চলে যাওয়া মানে ভুল বোঝা, ঠিক না?”
নাজিম বলল না কিছুই। উঠে গেল রান্নাঘরে।
মায়া ভাবল, হয়তো এখনো রাগ।
কিন্তু একটু পর সে ফিরে এলো—হাতে এক কাপ চা।
মায়ার দিকে বাড়িয়ে বলল,
“চা বানাতে ভুলে গেছি তুমি কত চামচ চিনি খাও। বলো।”
মায়ার চোখ ভিজে উঠল।
একটা নামহীন গল্প
আমার জীবনের শুরুর দিকে, যখন স্কুলব্যাগে স্বপ্ন গুছিয়ে চলতাম, তখনই বোধহয় প্রথম অনুভব করেছিলাম “ভালোবাসা” জিনিসটা কী। ক্লাসে একটা ছেলে ছিল—না, তার নামটা বলা হবে না। কারণ এই গল্পটা তার চেয়েও বেশি আমার।
সাদা জামা, নীল প্যান্ট, গলায় টাই—এই নির্দিষ্ট ইউনিফর্মের মাঝে যেন তার আলাদা একটা চেহারা ছিল। সে যখন হেসে কিছু বলত, তখন ক্লাসরুমটা যেন অন্যরকম হয়ে যেত। আর আমি—চুপচাপ এক কোণে বসে তার দিকে তাকিয়ে থাকতাম, যেমন কেউ নিঃশব্দে গ্রীষ্মের বিকেলে হঠাৎ জোছনার অপেক্ষা করে।
আমি কখনো তাকে বলিনি, সে জানেও না। এটা ছিল আমার জীবনের এক অপ্রকাশিত অধ্যায়—প্রথম প্রেম। চিরকাল নিজের মনে লুকিয়ে রাখা ভালোবাসা।
সময় গড়িয়ে গেছে। আমরা দশম শ্রেণি পেরিয়ে দুইজন দুই পথে চলে গেছি। কেউ কোনো দিন জানালো না, কেমন ছিল মনের ভেতরের সেই চাপা অনুভবটা। আমি ভাবতাম, হয়তো একদিন কোথাও হঠাৎ দেখা হবে—পুরোনো কোনো বইয়ের পৃষ্ঠার মতো অদ্ভুত পরিচিত লাগবে মুখটা, আর সে হয়তো বলবে, “তুই কি তখন…?”
কিন্তু বাস্তব গল্পগুলো সিনেমার মতো হয় না। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম, সে কোথায় গেল—জানি না।
তবে মাঝে মাঝে ফেসবুকে তার কোনো পুরোনো ছবি ভেসে উঠলে কিছু মুহূর্ত থমকে যায়। এখনো আমার মনে পড়ে, একবার ও আমার খাতাটা ফেরত দিতে এসে বলেছিল, “তুই সুন্দর লিখিস।” তখন আমি কাঁপা হাতে খাতাটা নিয়েছিলাম, আর সেদিনের সন্ধ্যেটা আজও আমার মনে ঝাঁ-চকচকে রয়ে গেছে।
এত বছর পর আজ আমি যখন নিজের জীবনের গল্প লিখছি, তখন বুঝি—সব ভালোবাসার শেষ দরকার হয় না। কিছু প্রেম থাকে, যাদের একমাত্র সত্যতা তাদের অস্তিত্বেই।
ও জানেনি, তবু আমার গল্পে সে রয়ে গেছে—একটা নামহীন, অথচ চিরচেনা ভালোবাসা হয়ে।
এটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম ভালোবাসা। যদিও কোনো গল্প হয়নি, কোনো কবিতা লেখা হয়নি তাকে নিয়ে, তবু এটা আমার জীবনের সবচেয়ে নিখুঁত অনুভবগুলোর একটা।
#শেষ_দেখা
এক বিকেল । চেম্বারে ঢুকলেন একজন বৃদ্ধা, বয়স ৭৫ ছুয়েছে—শাড়ি পরা, কাঁপা কাঁপা পায়ে।
হাত ধরে ছিলেন তাঁর মেয়ে।
চোখে বড় ফ্রেমের চশমা, কিন্তু তাও তিনি ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছিলেন না।
আমি তাঁকে বসতে বললাম।
তিনি চুপচাপ বসে রইলেন। মুখে একরাশ শান্তি, চোখে বিস্ময় আর কিছুটা ভয়।
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“কী সমস্যা হচ্ছে মা?”
তিনি বললেন,
“সব কিছু ঝাপসা লাগে ম্যাডাম । আগের মতো আর স্পষ্ট দেখি না। বিশেষ করে ছেলেটার মুখ—আমার নাতি—সেইটাও ভালো করে দেখি না এখন। সে এখন ক্লাস নাইনে পড়ে। খুব ব্যস্ত। মাঝে মাঝে আসে, তখন শুধু তার গলার আওয়াজ শুনে চিনে নিই।”
চোখ পরীক্ষা করলাম। পরিপক্ক ছানি। তবে
অপারেশন করলে ভালো দেখার সম্ভাবনা আছে।
আমি বললাম,
“একটা ছোট্ট অপারেশন করলে আপনি আবার আগের মতো দেখতে পারবেন।”
তিনি হাসলেন। সেই হাসিতে ভরসা ছিল, আবার ভয়ও।
“ম্যাডাম ,” তিনি বললেন, “জানি, বেশি দিন বাঁচব না। তবে শেষবারের মতো যদি ওর মুখটা স্পষ্ট দেখতে পারি… আমার জীবন সার্থক হবে।”
অপারেশনের দিন এল।
তাঁর চোখে ভয় ছিল, কিন্তু মনের মধ্যে একরাশ আশা।
পরদিন যখন ব্যান্ডেজ খুললাম,
তিনি চুপ করে বসে ছিলেন। চোখ ধীরে ধীরে খুললেন।
আমি সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিন্তু তাঁর চোখ যেন খুঁজছিল আরেকজনকে।
পাশে দাঁড়িয়ে ছিল তাঁর নাতি।
তিনি ধীরে ধীরে তাকালেন…
এক মুহূর্ত… দুই মুহূর্ত… তারপর হঠাৎ মুখে এক আশ্চর্য আলো ফুটে উঠল।
চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ল।
তিনি ফিসফিস করে বললেন,
“এত বড় হয়ে গেছে আমার ছোট্ট রাজু… এত সুন্দর হয়েছে…”
আমি কিছু বলিনি। শুধু অনুভব করলাম—এই মুহূর্তটাই আমার পেশার সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
আমি শুধু চোখের ডাক্তার না,
আমি মানুষকে তাদের প্রিয়জনের মুখ ফিরিয়ে দিই।
#রক্তরঙা_পাথর
২.
সীমান্ত ঘুম থেকে উঠে দেখে পাথরটি ফিরে এসেছে— আগের জায়গায়, আয়নার পাশেই।
সে এবার সিদ্ধান্ত নেয়, এই রহস্যের একটা জবাব সে খুঁজবেই। সে পাথরটিকে কাপড়ে মুড়ে নিয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পুরনো ইতিহাসের প্রফেসরের কাছে— ড. মেহবুব সিদ্দিকী, যিনি অলৌকিক কাহিনি আর পুরাতন শিল্পকলা নিয়েও গবেষণা করেন।
ড. মেহবুব পাথরটি দেখে মুহূর্তেই থমকে যান।
— “তুমি জানো এটা কী?”
— “রুবি পাথর,” সীমান্ত বলে।
— “না,” প্রফেসর বলেন, “এটা ‘আল-নাজর’। পারস্য উপমহাদেশে এই পাথরের কথা বলা হতো— এটি এক আত্মাহীন আত্মার আবাসস্থল। যারা এ পাথর ধারণ করে, তাদের ছায়া থেকে আত্মা বেরিয়ে ধীরে ধীরে শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে।”
সীমান্ত আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। তার মাথায় আসে আয়নায় দেখা সেই বিকৃত ছায়ার কথা।
প্রফেসর বলেন,
— “পাথরটিকে ধ্বংস করতে হবে, কিন্তু সেটি সাধারণভাবে সম্ভব নয়। কারণ এটি নিজের মতামত রাখতে পারে। তুমি ওকে যতটা দূরে ফেলবে, সে ততটা কাছে আসবে।”
তারা পাথরটিকে ঢাকার এক পুরনো মাজারের কাছে নিয়ে যায়, যেখানে শোনা যায়— ‘আত্মা-বন্দি’ বস্তুকে বিশ্রাম দেওয়া সম্ভব।
মাজারের এক খাদেম বলেন,
— “এই পাথর একসময় এক ফেরারি সুফি দরবেশের ছিল, যিনি নিজের অপরাধী আত্মা এতে বন্দি রেখেছিলেন। কিন্তু সে মারা যাওয়ার পর, আত্মা নিজেই পথ খুঁজে নিচ্ছে ফিরে আসার।”
তারা রাত ৩টার সময়, বিশেষ তসবি ও ধূপের মাধ্যমে রুবি পাথরটি একটি সীসা-ঢাকা বাক্সে সিল করে দেয়। সীমান্ত কিছুটা হালকা অনুভব করে।
কিন্তু…
সেদিন রাতে সে বাড়ি ফিরে আয়নায় দেখে— ছায়া ঠিকঠাক। কিন্তু ঘুমানোর আগে, তার ফোনে একটা অজানা নাম্বার থেকে ম্যাসেজ আসে:
> “তুই ভাবলি সব শেষ? আয়না তো এখনও আছে…”
সীমান্ত থমকে যায়। আয়নার দিকে তাকিয়ে সে দেখে— তার ছায়া এবার আবার ফিকে হয়ে আসছে। চোখের কোনায় লাল আলো…
তারপর… ক্যামেরা ব্ল্যাক।
শেষ নয়। শুরু হতে পারে আরও ভয়ংকর কিছু।
চলবে
#রক্তরঙা_পাথর
১.
সীমান্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি তার একটা অদ্ভুত শখ— পুরনো, রহস্যময় জিনিস সংগ্রহ করা।
একদিন পুরান ঢাকার চকবাজারে ঘোরার সময় তার চোখে পড়ে এক বৃদ্ধের দোকানে রাখা একটি ছোট পাথর। রক্তরঙা সেই রুবি, কাচের মতো চকচকে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে গাঢ়— যেন ভেতরে কিছু ঢেউ খেলছে।
সে জিজ্ঞেস করে,
— "এই পাথর কত?"
বৃদ্ধ তাকিয়ে হালকা হেসে বলে,
— "দামে নয়, সাহসে কিনতে হয় এই পাথর। নিতে চাও?"
সীমান্ত, যেহেতু সাহসী, পাথরটা কিনে নেয় মাত্র ৫০০ টাকায়। বৃদ্ধ শুধু একটাই কথা বলে,
— "রাতে ঘুমানোর আগে আয়নার সামনে রেখো না… আর হঠাৎ যদি কারো ছায়া কম দেখো, সাবধান হোও।"
প্রথম দুদিন কিছু ঘটে না। কিন্তু তৃতীয় রাতে, ঘুমাতে যাওয়ার সময় সীমান্ত দেখে— আয়নার সামনে টেবিলে রাখা রুবি পাথর নিজে নিজেই হালকা জ্বলজ্বল করছে।
সে ভাবে, কল্পনা হচ্ছে।
পরদিন সে ক্লাসে গেলে বন্ধুরা বলে,
— "তুই ঠিক আছিস? কালকে তো রাত তিনটায় তোর জানালায় আলো জ্বলছিল, আর কেউ যেন দাঁড়িয়ে ছিল…"
সীমান্ত অবাক। তখন সে খেয়াল করে, তার ঘরের আয়নায় তার ছায়া একটু ঝাপসা। যেন তার এক চোখ, এক হাত— আয়নায় প্রতিফলিত হচ্ছে না।
রাতে সে পরীক্ষা করে দেখতে চায় পাথরটা কী করে। সে লাইট বন্ধ করে আয়নার সামনে বসে। রুবির আলো আবার জ্বলে ওঠে…
হঠাৎ সে দেখতে পায়, আয়নায় শুধু তার নয়, আরেকটা ছায়াও আছে— তার একেবারে পেছনে, মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে, লম্বা, পাথরের মতো নির্জীব, কিন্তু তার চোখে ঠিক সেই রুবির মতই লাল জ্যোতি।
ছায়াটি ধীরে ধীরে মুখ তোলে— সেই মুখ কারো নয়, সীমান্তের নিজের মুখ… কিন্তু বিকৃত। ঠোঁটে এক পশুর মতো হাসি। সে বলে,
— "তুই আমাকে জাগিয়েছিস… এখন আমার জায়গা তোর ভেতর।"
সীমান্ত আতঙ্কিত হয়ে পেছনে ফিরে তাকায়— কেউ নেই।
কিন্তু তার শরীর কাঁপতে থাকে। সে পাথরটি জানালা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বাইরে থেকে কুকুরের হাহাকার ভেসে আসে। আর সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যায়।
সকালবেলা, সীমান্ত উঠে দেখে, আয়না স্বাভাবিক। পাথর আর নেই। সে ভাবে, সব স্বপ্ন ছিল হয়তো।
তবে দরজার নিচে রাখা খবরের কাগজে এক কলামে লেখা:
“চকবাজারে আজ রাতে রহস্যজনক আগুন, এক বৃদ্ধ দোকানি পুড়ে মৃত্যু।”
সীমান্ত চুপ করে যায়। আয়নার পাশে রাখা টেবিলের ওপর তখনও একটুখানি লাল আলো জ্বলজ্বল করছে— পাথর ফিরে এসেছে।।
চলবে...
30/04/2025
#আয়নার_মানুষ
ড. শাফায়েত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক। খুব যুক্তিবাদী, কোনো অশরীরী ব্যাপারে বিশ্বাস করেন না। একদিন তার কাছে আসে এক তরুণী— রেশমা।
রেশমার অভিযোগ, সে আয়নায় নিজের ছায়া দেখতে পায় না, বরং অন্য একজনকে দেখে— এক নারীর মতো, চোখ একদম ফাঁকা, ঠোঁটে অদ্ভুত হাসি।
ড. শাফায়েত হেসে বলেন,
— "এটা হ্যালুসিনেশন। মস্তিষ্কের ভুল খেলা।"
কিন্তু কৌতূহলী হয়ে সে নিজেই একদিন রেশমার বাড়িতে যান। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেকে দেখলেন— সব ঠিক। কিন্তু রেশমা আয়নার সামনে এলে হঠাৎ কাচ ঠকঠক শব্দ করে কেঁপে উঠল।
রেশমা বলল,
— "আপনি কি শুনলেন না? সে এসেছে।"
শাফায়েত বোঝাতে চাইলেন— এটা নিছক কাকতাল! কিন্তু বাড়ি ফিরে তিনি খেয়াল করলেন, তার নিজের আয়নায় পেছনে ছায়া দাঁড়িয়ে আছে… পেছনে তাকিয়ে দেখলেন, কেউ নেই।
দিনে দিনে শাফায়েত বিভ্রান্ত হতে লাগলেন। আয়নার সামনে দাঁড়াতে ভয় লাগে। একদিন রাতে, আয়নার ভেতরের সেই নারী কথা বলল—
— "তোমার যুক্তি দিয়ে সবকিছুর ব্যাখ্যা হয় না, ডাক্তার। কেউ কেউ শুধু দেখা দেয়… আয়নায়, স্বপ্নে, আর শেষে বাস্তবে।"
রেশমা হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। পুলিশ খুঁজে পায় তার ঘরে কেবল একটাই জিনিস— তার আয়না, যার কাচ ভেতর থেকে ভাঙা।
শেষ দৃশ্য: শাফায়েত তার ঘরের আয়নার দিকে চেয়ে আছেন। আয়নায় তার পাশে আবার সেই নারী দাঁড়িয়ে। এবার আর হ্যালুসিনেশন নয়… তার ঠোঁটে সেই অদ্ভুত হাসি।
25/03/2024
যাঁদের আত্মত্যাগে আজ আমরা স্বাধীন,
তাদের আমরা গর্বভরে স্মরণ করি।💗💟
𝐄𝐱𝐜𝐥𝐮𝐬𝐢𝐯𝐞 𝐂𝐨𝐥𝐥𝐞𝐜𝐭𝐢𝐨𝐧 - 𝟐𝟎𝟐𝟒
𝗢𝗻𝗮𝗯𝗶𝗹 নিয়ে এসেছে নতুন নতুন সব প্রিমিয়াম পাঞ্জাবির কালেকশন।
আর রমজান উপলক্ষে ডিসকাউন্ট তো আছেই।
👇অর্ডার করতে যোগাযোগ করুনঃ👇
📞 𝟬𝟭𝟳𝟵𝟲-𝟮𝟬𝟰𝟰𝟭𝟮
🌐 𝐡𝐭𝐭𝐩𝐬://𝐨𝐧𝐚𝐛𝐢𝐥𝐟𝐚𝐬𝐡𝐢𝐨𝐧.𝐜𝐨𝐦/
𝐀𝐝𝐝𝐫𝐞𝐬𝐬:1307/2 A East Monipur , Kafrul, Dhaka 1216, Dhaka, Bangladesh
11/03/2024
🌙⭐বছর ঘুরে রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের সওগাত নিয়ে আবারো এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। শুরু হলো সংযম সাধনার মাস।🌙⭐
আল্লাহ সবাইকে মাহে রমজানের প্রতিটি রোজা রাখার তৌফিক দান করুন।🤲🤲
09/03/2024
🌙⭐আসন্ন রমজানে 𝗢𝗻𝗮𝗯𝗶𝗹-এ পাবেন প্রিমিয়াম এবং স্টাইলিস্ট সব পাঞ্জাবির কালেকশন।🌙⭐
সাথে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট তো থাকছেই।💥🔥
👇অর্ডার করতে যোগাযোগ করুনঃ👇
📞 𝟬𝟭𝟳𝟵𝟲-𝟮𝟬𝟰𝟰𝟭𝟮
🌐 𝐡𝐭𝐭𝐩𝐬://𝐨𝐧𝐚𝐛𝐢𝐥𝐟𝐚𝐬𝐡𝐢𝐨𝐧.𝐜𝐨𝐦/
𝐀𝐝𝐝𝐫𝐞𝐬𝐬:1307/2 A East Monipur , Kafrul, Dhaka 1216, Dhaka, Bangladesh
07/03/2024
নারী জ্বলে ওঠো প্রাণশক্তিতে,
তোমার আলোয় দূর হোক সব অন্ধকার।
𝐎𝐧𝐚𝐛𝐢𝐥 এর পক্ষ থেকে সকল মা জাতিকে জানাই বিশ্ব নারী দিবসের শুভেচ্ছা।💗🎉
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1307/2 A East Monipur , Kafrul
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |