Daily essentials with Hello Sunday
প্রতিদিনের দরকারি জিনিস, এক ক্লিকে — সহজ, স্টাইলিশ, বিশ্বস্ত।
30/05/2026
মাসনা সুলাসা গ্রুপ গুলোতে গেলে দেখবেন সেখানে ছেলেদের চাইতে মেয়েদের প্রপোজালই বেশি। অনেক মেয়ে ২য়/৩য় স্ত্রী হতেও আপত্তি করছে না। এদের একটা বড় অংশ হচ্ছে ডিভোর্সড। আরেকটা অংশ হচ্ছে বিধবা। উনারা যতটা না সংসার করতে চান, তার চাইতে অনেক বেশি করে চান কেউ তাদের দায়িত্ব নিক। বাপের বাসায় বসে থেকে সমাজের কথা শুনতে রাজি না বেশিরভাগই। হ্যাঁ, এই লুপ হোলের মধ্যেই অনেকে ফেঁসে যাচ্ছেন। দায়িত্ব নেয়ার নাম করে অনেকেই তাদের স্বল্প সময়ের জন্য বিয়ে করে আবার ছেড়েও দিচ্ছেন। রীতিমত অন্যায়।
অনেক সময় কিছু পোস্ট সামনে আসে।
একজন আগাগোড়া কর্পোরেট মহিলা বিয়ে করতে চাইছেন। বয়স ৩৯। একটা সন্তান আছে। স্বামী রোড এক্সিডেন্টে মৃত। আমি চিন্তা করি, এই মহিলা বিয়ে করতে চাইবেন কেন? তার তো প্রচুর টাকা। তাকে নিজের বাবার ঘাড়ে বসে খেতে হয় না। নিজের সন্তানের খরচ নিজেই চালাতে পারেন। তাহলে বিয়ে কেন করতে হবে। এই যুগে লিভ টুগেদার তো কোন অপশন না, খুবই কমন একটা ব্যাপার। তাহলে? বিয়ে করে নিজের পায়ে শেকল (!!) দিতে চাইছেন কেন? এর উত্তর খুঁজে বের করাটা জরুরি।
আসলে আমাদেরকে যে সিনারিও দেখানো হয় যে, স্বাবলম্বী হয়ে গেলেই একজন নারী সফল - এই জিনিসটার মধ্যে একটা ঘাপলা আছে। যে মতাদর্শ এই জিনিসটাকে পোট্রে করে সেইটার মধ্যেও ঘাপলা আছে।
একটা ভয়ংকর ফ্যাক্ট দেখাই। নাম পরিচয় না বলে নিজ দায়িত্বে চেক করে নেবেন। আজকাল পডকাস্টের নাম করে অনেক হিজাবি আপুরা নারীবাদী ইসলাম প্রচারের ট্রাই করে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন উনারা যে ধরনের ব্যাপারগুলোকে সামনে নিয়ে আসে সেখানে ইনিয়ে বিনিয়ে এটাই বলা হয়, তোমার লাইফ, তোমার ইচ্ছে। বিয়ে করা না করা তোমার ব্যাপার। নিজের ইনকাম দিয়ে নিজে চলো।
ঠিক এই জায়গায় এসে বায়োলজিক্যাল নিডের একটা লুপ হোল তৈরী হয়।
সেখানে একজন সিঙ্গেল নারীর স্বাধীনতাকে-সফলতাকে দেখানো হয়। পরবর্তী জীবনে তার যে স্ট্রাগল, সেটাকে আর দেখানো হয় না। আর তাই অনেকেই এসে মাঝ বয়েসে তাদের সিদ্ধান্ত চেঞ্জ করে ফেলে। তারা একটা ঘর চায়। একটা সংসার চায়। একটা পরিপাটি জীবন চায়। এই চাওয়াটা অন্যায় নয়। কিন্তু যে প্রসেসের মধ্যে দিয়ে সে কাজটা করলো সেটা তো সঠিক না।
সিম্পল ব্যাপার হইলো একটা ছেলে বা মেয়ে তার জৈবিক চাহিদা বা বায়োলজিক্যাল নিডকে নিজের আয় ইনকাম আর সফলতা দিয়ে আটকে রাখতে পারে না, পারার কথাও না।
ধরুন, কোটি টাকা ইনকাম করা একটা ছেলে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিলো। রেজাল্ট কি হবে? সে বিয়ে করবে না সত্য। কিন্তু একই সময়ে তার অনেক গুলো বান্ধবী জুটে যাবে কিংবা সে জুটিয়ে নেবে। এরপর তাদের সাথে হবে তার টাইম পাস। এরই মধ্যে কাউকে খুব বেশি ভালো লেগে গেলে তার সাথে হয়তো সন্তান নেয়ার ট্রাই করবে। বাই দ্যা বাই সে কিন্তু বিয়ে করবে না। ওপেন রিলেশনে থাকবে। এদের জন্যই আছে সারোগেসি সহ বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি। তারা লিভ টুগেদার করবে। এতিম শিশু পর্যন্ত দত্তক নেবে। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মতো ভালোবেসে নিজের প্রোজেনি নিতে চাইবে না।
লাইফ স্টাইলটা কাদের বুঝতে পারছেন?
এইবার উল্টোভাবে একটা মেয়ের কথা চিন্তা করুন। যে কোটি টাকা ইনকাম করে কিন্তু বিয়ে করতে চায় না। তারও কিছু সঙ্গী জুটবে সময় কাটানোর জন্য। এরপর একজনকে চুজ করে তার কাছে বাচ্চা নিতে চাইবে। ডেফেনেটলি সে এই জিনিস ক্যারি করবে না। সাহায্য নেবে সারোগেসি সহ বিভিন্ন পদ্ধতির। নইলে দত্তক সন্তান নিয়ে আলোচনায় আসবে। এরপর একটা সময় গিয়ে তার মনে হবে বিয়ে করা উচিত ছিল। এই উচিত অনুচিতের দোলায় কেটে যাবে বাকি জীবন।
সো … এইরকম পাওয়ার প্যাকড কর্পোরেট লাইফ স্টাইলের যে ডিমেরিটস আমরা দেখতে চাইনা কিংবা আমাদের দেখানো হয় না সেটা হইলো একাকীত্ব, চরম একাকীত্ব। সফলতা একাকীত্ব কাটাতে পারে না। কোটি টাকার ইনকাম দিয়ে পাশে বসে চা খাওয়ার লোক পাওয়া যায় না।
আর তাই জীবনটা ব্যালেন্স করা জরুরী। প্রাকৃতিক নিয়ম টপকে সফল হওয়া গেলেও যেতে পারে। কিন্তু একটা সময় গিয়ে ঠিকই বুঝবেন একটা ব্যালেন্সড লাইফ কতোটা প্রয়োজন ছিল!
Arafat Abdullah
ঈদ মোবারক 😊
28/05/2026
আজ বাংলাদেশের মুসলমানেরা আমরা স্বাধীনভাবে, নিরাপদে নামাজ পড়তে পারছি, ঈদুল আজহায় কোরবানি দিতে পারছি। কিন্তু সীমানার ওপারে ভারতের মুসলমানদের অবস্থা দেখুন তারা শান্তিতে নামাজ পড়তে পর্যন্ত ভয় পাচ্ছে। মুসলমানদের কোরবানির পশু জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, প্রতিনিয়ত তারা জুলুমের শিকার হচ্ছে।
আল্লাহ তায়ালা যে আজ আমাদের এই ভূখণ্ডে নিরাপদে নামাজ পড়ার এবং কোরবানি করার মতো শ্রেষ্ঠ নিয়ামত ও স্বাধীনতা দিয়েছেন, সেজন্য আল্লাহর দরবারে কোটি কোটি শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ!
একই সাথে আমাদের মনে রাখা উচিত, আল্লাহ তায়ালা যাদের উসিলায় আমাদেরকে ওই জালিমদের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন, আজ স্বাধীনভাবে বাঁচার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, সেইসব মহান নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
আধুনিক ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিম জাগরণ, স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুসলমানদের জন্য একটি নিরাপদ ভূখণ্ড তৈরিতে যাদের অবদান অনস্বীকার্য, আসুন আজ মন থেকে তাঁদের স্মরণ করি
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ: যিনি মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা বিস্তারে নিজের জীবন ও সম্পদ বিলিয়ে দিয়েছিলেন।
কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ: যাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও আপসহীন সংগ্রামের ফলে মুসলমানরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছিল।
আল্লামা ইকবাল: যাঁর কবিতা ও দর্শন মুসলিম উম্মাহকে জাগিয়ে তুলেছিল এবং স্বাধীন ভূখণ্ডের স্বপ্ন দেখিয়েছিল।
চৌধুরী রহমত আলী: যিনি মুসলমানদের আলাদা অস্তিত্বের নাম ও রূপরেখা দিয়েছিলেন।
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: যাঁর ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব এবং কৃষক-প্রজার অধিকার আদায়ের লড়াই আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি।
খাজা নাজিমুদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী: যাঁরা বাংলার মুসলমানদের অধিকার রক্ষা ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বুক ফুলিয়ে চলছি কেবল তাঁদেরই দেওয়া ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। হে আল্লাহ! আমাদের এই নেতাদের অবদানকে আপনি কবুল করুন। তাঁদের জীবনের সমস্ত ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁদের কবরগুলোকে জান্নাতের বাগিচা বানিয়ে দিন। (আমীন)
তোমার প্রতিভা দেখাও
আলোচিত মহিষ 'ডোনাল্ড ট্রাম্প' স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে চিড়িয়াখানায় রাখা হচ্ছে।
© সময় টিভি।
আসসালামু আলাইকুম
❤️
13/05/2026
তুমি বর্তমানে যা কিছুর মধ্য দিয়ে যাচ্ছ, তা দিয়ে আসলে সৃষ্টিকর্তা তোমাকে সেই জিনিসের জন্যই প্রস্তুত করছেন যা তুমি তাঁর কাছে চেয়েছিলে। তোমাকে শুধু এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকাকালীন ভেঙে পড়া থামাতে হবে, কারণ এই প্রক্রিয়াটি পার হওয়া জরুরি। তুমি হয়তো এখন এটা বুঝতে পারছো না, কিন্তু যখন তিনি তোমাকে এই কঠিন সময়ের ওপাড়ে নিয়ে যাবেন, তখন তুমি ঠিকই বুঝতে পারবে কেন সবকিছু এভাবে ঘটেছিল। তখন তুমি এটা মেনে নিতে পারবে, কিন্তু দয়া করে এই মাঝপথে ঘাবড়ে যেও না।
'ওহ আল্লাহ, আমার সাথেই কেন এমন হলো?' শোনো, তুমি একা নও।
ওহ আল্লাহ, কেন আমার চাকরিটা চলে গেল? তুমি একাই বেকার নও।
ওহ আল্লাহ, কেন সে আমাকে ছেড়ে চলে গেল? তুমিই প্রথম নও যাকে কেউ ছেড়ে গেছে। নিজেকে সামলাও এবং ঘাবড়ানো বন্ধ করো, কারণ তুমি এখন একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছো। সৃষ্টিকর্তা তোমাকে গড়ে তুলছেন। তিনি তোমাকে এখনও শেষ করে দেননি। তিনি সব ঠিক করে দেবেন। যদি তোমার সময় শেষ হয়ে যেত, তবে আজ সকালে তোমার ঘুম ভাঙত না।
প্রথমত, আমি তোমাকে বলি তুমি কেন ঘাবড়াচ্ছ। আমি যখন আমার জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোর দিকে তাকাই, তখন বুঝি আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গেছি তা আমাকে আজকের জন্য তৈরি করেছে। তাই এখন আমি যেসব সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, আমি জানি এগুলোও ফাইনাল নয়। তিনি আমাকে খুব শীঘ্রই এখান থেকে উদ্ধার করবেন। তাই আমাকে শুধু ধৈর্য ধরে টিকে থাকতে হবে। আমি এখন কোনো খারাপ জায়গায় নেই। আমি হয়তো যেখানে পৌঁছাতে চাই সেখানে এখনো যাইনি, কিন্তু আমি এখন যেখানে আছি তা আমার আগের অবস্থার চেয়ে অনেক ভালো। আমি অন্তত গৃহহীন নই।
এখন আমি যেসব সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, তোমরা তা জানো না; আমার অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। মানুষ ভাবে তুমি যখন বিখ্যাত বা ধনী হয়ে যাও, তখন তোমার সব সমস্যা শেষ হয়ে যায়। আসলে তখন তোমার জন্য সম্পূর্ণ নতুন এক সেট সমস্যা অপেক্ষা করে। এমন সব ঝামেলা আসবে যা তুমি আগে কখনো দেখোনি। কিন্তু সত্যি বলতে, আমার বর্তমান সমস্যাগুলোই আমি বেছে নেব। কারণ গৃহহীন থাকাকালীন যেসব সমস্যা ছিল, সেগুলো আমি আর চাই না।
টাকা তোমার জীবনকে কিছুটা বদলে দেবে। তোমরা সবাই আরও বেশি পাবে, কিন্তু তোমাকে সেটা চাইতে হবে। তোমার নেই কারণ তুমি চাওনি। তুমি চাও না কারণ তোমার নিজের ওপর বিশ্বাস নেই। যখন তুমি সৃষ্টিকর্তার কাছে কিছু চাইবে, তখন দুশ্চিন্তা করা ছেড়ে দাও। কারণ পুরোটা তিনিই দেখবেন।
এটি একটি সহজ প্রক্রিয়া। আমি তোমাকে এগুলো বলছি কারণ এভাবেই আমি সফল হয়েছি। আমি শুধু আমার মতো থাকি। আমি অনন্যভাবে আমিই হয়ে থাকি, কারণ সৃষ্টিকর্তা তোমাকে ঠিক যেভাবে বানিয়েছেন সেভাবেই তুমি সেরা। তিনি চেয়েছিলেন তুমি যেন ঠিক তোমার মতোই হও। জীবন থেকে একটু বাইরে বেরিয়ে তাকাও এবং ঘাবড়ানো বন্ধ করো, দেখবে আসলে কোনো সমস্যাই নেই। সৃষ্টিকর্তা যে আমার জন্য এত কিছু করেছেন, তিনি তোমার জন্যও একই কাজ করবেন।
স্পর্শ খুব দামি জিনিস 😫😩
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka