BCS study.
Education M.A (social work)
জিবনে কখনো হতাশ হয়া যাবেনা ""
কি মধুর সুর আজান।সবাই ধৈর্য সহকারে শুনুন মন ভালো হয়ে যাবে ""
08/05/2025
ছোট বাচ্চাদের মা সবসময় বলেন :
"তোমার বাবা যখন কাজ থেকে বাড়ি ফিরে আসবেন, তখন তার দিকে হাসো। বাইরের পৃথিবীটা অনেক কঠিন, এবং এর সাথে আরও অনেক কিছু জড়িত। "
একজন মা এবং একজন বাবার মধ্যে পার্থক্য কী?
একজন মা তোমাকে ৯ মাস ধরে তার পেটে ধারণ করে...
একজন বাবা সারা জীবন তোমাকে তার হৃদয়ে ধারণ করে।
একজন মা নিশ্চিত করেন যে আপনার কখনই কোনও কিছুর অভাব না হয়...
একজন বাবা তোমাকে শেখান যে, কঠিন সময়েও কখনো হাল ছাড়ো না।
একজন মা তোমাকে আশ্বস্ত করার জন্য জড়িয়ে ধরে...
একজন বাবা তোমাকে বড় করেন, পথ দেখান, প্রায়শই নীরবে, সবসময় ভালোবাসা দিয়ে।
জন্ম থেকেই মায়ের ভালোবাসা অনুভূত হয়।
বাবার ভালোবাসা প্রায়শই পরে বোঝা যায়... কখনও কখনও যখন আপনি নিজেই একজন বাবা-মা হন।
বাবারা সবসময় "আমি তোমাকে ভালোবাসি" বলে না,
কিন্তু তারা প্রতিদিন, তাদের নিজস্ব উপায়ে এটি প্রমাণ করে।
তাহলে আজ, তার কথা ভাবো।
আর যদি পারো!
তাকে ধন্যবাদ দাও।
সংগ্রহ
Rain এর অর্থঃ বৃষ্টি, বৃষ্টি হওয়া।
Rain এর আগে B বসালে হয় Brain,
Brain এর অর্থঃ মগজ, ঘিলু, মেধা।
Rain এর আগে G বসালে হয় Grain,
Grain এর অর্থঃ খাদ্যশস্য।
Rain এর আগে D বসালে হয় Drain,
Drain এর অর্থঃ নালা, নর্দমা, পয়নালা।
Rain এর আগে T বসালে হয় Train,
Train এর অর্থঃ রেলগাড়ি।
Train এর আগে S বসালে হয় Strain,
Strain এর অর্থঃ প্রসারণ, টান টান অবস্থা
collected
12/08/2022
হরিণ এক লাফে ১৩ হাত পর্যন্ত যেতে পারে আর বাঘ এক লাফে ১২ হাত পর্যন্ত যায়।
এদের একসাথে দৌড়াতে দিলে বাঘ হরিণ কে কখনো ধরতে পারবে না।
কিন্তু হরিণ মাঝে মাঝে পিছনের দিকে তাকিয়ে বাঘের দুরত্ব দেখার চেষ্টা করে।
হরিণের সব থেকে বড় ভুল পিছনের দিকে তাকিয়ে অন্যের অবস্থান জানতে চাওয়া।
তাই হরিণের মতো আমরা কোন ভূল করবো না,
জীবনে অনেক ভূল ও স্মৃতিময় গল্প থাকবে এটা নিয়ে এত বেশি চিন্তা করা যাবে না।
বার বার ভুল স্মৃতি গুলোর দিকে না তাকিয়ে
নিজের লক্ষ্য নিয়ে সামনের দিন গুলো ব্যস্ত থাকতে হবে তবেই মিলবে সফলতা।
🟢জনশুমারি* (Census) [ A to Z ] 🟢
১। সংজ্ঞাঃ একটি দেশের জনসংখ্যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা করার পদ্ধতিকে জনশুমারি বলে।
২। জনশুমারির পূর্ব নাম ছিল → আদমশুমারি।
৩। ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া 'পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩' অনুযায়ী আদমশুমারি ও গৃহগণনা' র নাম পরিবর্তন করে 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' করা হয়।
৪। বাংলাদেশে 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' করা হয় অনুষ্ঠিত হয় → ১০ বছর পর পর।
৫। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত জনশুমারি হয় → ৬টি।
১ম → ১৯৭৪,
২য় → ১৯৮১,
৩য় → ১৯৯১,
৪র্থ → ২০০১,
৫ম → ২০১১,
৬ষ্ঠ → ২০২২।
৬। সর্বশেষ ৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১জুন ২০২২ সালে।
৭। এটি দেশের → প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ।
৮। গণনা পদ্ধতি → Modified Defacto ।
৯। মোট জনসংখ্যা → ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
পুরুষ → ৮,১৭,১২,৮২৪ জন।
নারী → ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন।
হিজড়া → ১২,৬২৯ জন।
১০। গত ১১বছরে বেড়েছে ২,১১,১৪,৯১৯ জন।
১১। পুরুষঃনারীর অনুপাত → ৯৯ঃ১০০ জন।
১২। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার → ১.২২% মুজাহিদ
১২। জনসংখ্যার ঘনত্ব → ১,১১৯ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে)
→ ২,৫২৮ জন (প্রতি বর্গমাইলে)।
১৩। ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা: মুসলিম → (৯১.০৪%),
হিন্দু → (৭.৯৫%),
বৌদ্ধ → (০.৬১%),
খ্রিস্টান → (০.৩০%),
অন্যান্য → (০.১২%)।
১৪। স্বাক্ষরতার হার → ৭৪.৬৬% (পুরুষ ৭৬.৫৬, নারী ৭২.৮২%)।
১৫। পাঁচ বছরের উর্ধ্বে মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা → ৫৫.৮৯%।
১৬। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা → ৩০.৬৮%।
১৭। মোট খানার সংখ্যা → ৪,১০,১০,০৫১ জন।
১৮। খানা প্রতি গড় সদস্য → ৪ জন।
বিগত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা প্রশ্নোত্তর →
১। বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি (জনশুমারি) কবে অনুষ্ঠিত হয়?
→ ১৯৭৪ সালে।
২। বাংলাদেশের পরবর্তী /৭ম জনশুমারি কবে হবে?
→ ২০৩১ সালে।
৩। ভারতবর্ষে প্রথম আদমশুমারি (জনশুমারি) হয় কোন সালে?
→ ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর সময়।
৪। বাংলাদেশে কয়টি জনশুমারি হয়েছে?
→ ৬টি।
৫। ২০১১ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা / পরিবারের গড় সদস্য সংখ্য -
→ ৪.৪ জন [বি.দ্র. ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী ৪ জন] মুজাহিদ
৬। ২০১১ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী-পুরুষের অনুপাত -
→ ১০০:১০০.৩ [বি.দ্র. ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী ১০০:৯৯]
৭। ষষ্ঠ জনশুমারির চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা কত?
→ ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
৮। জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম?
→ ৮ম।
৯। ৫ম জনশুমারির প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম কোন বিভাগে?
→ বরিশাল।
১০। সর্বশেষ জনশুমারির হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে লোকসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন?
→ ১,১১৯ জন।
collected
এ কি অপরুপ রুপে মা তোমায় - eki oporup rupe ma tomay।দেখার মত একটি দৃশ্য 🤎🤎🤎💚💚💚💚
27/05/2022
সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৬০টি প্রশ্নোত্তর।
-
১। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস কবে?
উঃ ২ ফেব্রুয়ারি
২। বাংলাদেশে বর্তমানে গ্র্যান্ডমাস্টারের সংখ্যা কতজন ?
উঃ ৫ জন
৩। বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে সাবমেরিন ক্ষমতাধর দেশ হয়?
উঃ ৪১ তম
৪। রয়টার্স কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
উঃ যুক্তরাজ্য ( লন্ডন ভিত্তিক )
৫। বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে পরমাণু ক্লাবে যোগদান করে?
উঃ ৩২ তম
৬। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয় কত ডিগ্রী দ্রাঘিমা রেখায়?
উঃ 119.1 ডিগ্রী
৭। কত সালে বাংলাদেশ সরকার বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দান করে?
উঃ ২০১৬ সালে
৮। জাতীয় ভোটার দিবস কবে ?
উঃ ২ মার্চ
৯। যুক্তরাষ্ট্রের ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা কত?
উঃ ৫৩৮ টি
১০। এফবিআই কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ? উঃ যুক্তরাষ্ট্রের
১১। ডেভিস কাপ কোন খেলায় দেওয়া হয়?
উঃ লন টেনিস
১২। ওয়াল স্ট্রিট কোথায় অবস্থিত?
উঃ নিউইয়র্কে
১৩। বিশ্ব পানি দিবস কবে ?
উঃ ২২ মার্চ
১৪।জাতিসংঘের কার্যকরী পরিষদ কোনটি ?
উঃ নিরাপত্তা পরিষদ
১৫। কোন সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধি লাভ করেন?
উঃ আব্দুস সাত্তার
১৬। কত তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গৃহীত হয়?
উঃ 17 জানুয়ারি 1972
১৭। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে তৈরি “ধীরে বহে মেঘনা” চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
উঃ আলমগীর কবির
১৮।বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কত তারিখে মারা যান?
উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১
১৯।রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নাম কি?
উঃ রক্ত সোপান
২০। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৯৬১ সালে
২১। বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা চালু হয় কত সালে?
উঃ ১৯৭৬ সালে
২২। প্রাচীন নগরী পালমিরা কোন দেশ অবস্থিত?
উঃ সিরিয়া
২৩। কবে মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানে যুক্ত করা হয়?
উঃ ২০১১সালে
২৪।সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে?
উঃ ৯৩ নম্বর
২৫। বার্লিন দেয়াল নির্মিত হয় কত সালে?
উঃ ১৯৬১ সালে
২৬। পেরেস্ত্রইকা ও গ্লাসনস্ত এই ধারণার জনক কে ?
উঃ মিখাইল গর্বাচেভ
২৭। একনায়ক নিকোলাই চসেস্কু দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?-- রোমানিয়া
২৮। হাইল হাওর কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ মৌলভীবাজার
২৯। শেখ মুজিবুর রহমানকে বন্দী করে করাচিতে নিয়ে যাওয়া হয় কবে?
উঃ ২৮ মার্চ, ১৯৭১
৩০। ময়মনসিংহ জেলার পূর্বনাম কি?
উঃ নাসিরাবাদ
৩১। বাংলাদেশ-মায়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় কবে?
উঃ ১৪ মার্চ, ২০১২
৩২। বাংলাদেশের মোট সীমানা কত ?
উঃ ৫১৩৮ কিলোমিটার
৩৩। “ অপরাজেয় বাংলা” ভাস্কর্যের ভাস্কর কে?উঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
৩৪। মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য “অঙ্গীকার” কোথায় অবস্থিত?
উঃ চাঁদপুরে
৩৫। “পলাশী থেকে ধানমন্ডি” চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
উঃ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
৩৬। জাতীয় স্মৃতিসৌধ কবে উদ্বোধন করা হয়?
উঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২
৩৭। ঢাকার মিরপুরে শহীদ “বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের” স্থপতি কে?
উঃ মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
৩৮। রায়ের বাজারের “বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ” এর নকশাকার কে?
উঃ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং জামি আল সাফি
৩৯। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ২২ মার্চ, ১৯৯৬
৪০। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
উঃ নিকোলাই পদগর্নি
৪১। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
উঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ
৪২। মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক কবে বঙ্গবন্ধুকে পয়েট অব পলিটিক্স উপাধি দেয়?
উঃ ৫ এপ্রিল, ১৯৭১
৪৩। নিউজউইকের কোন সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুকে পয়েট অব পলিটিক্স উপাধি দেয় ?
উঃ নোবেল জেঙ্কিস
৪৪। বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা ঘোষণা করেন কবে?
উঃ ২৩মার্চ, ১৯৬৬
৪৫। ছয় দফা দিবস পালন করা হয় কত তারিখে?
উঃ ৭ জুন
৪৬। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় কবে?
উঃ ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
৪৭। বঙ্গবন্ধু কবে পূর্ব পাকিস্তানের নাম বাংলাদেশ নামকরন করেন?
উঃ ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯
৪৮। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখন ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন করেন?
উঃ ২২ মার্চ,১৯৭৫
৪৯। সুপ্রিম কোর্ট কবে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে ঘোষণা করেন?
উঃ ২০০৯ সালে
৫০। বিশ্ব শান্তি পরিষদ কবে বঙ্গবন্ধুকে জুলি ও কুরি শান্তি পদক দেন?
উঃ ২৩ মে, ১৯৭৩
৫১। ইউনেস্কো কখন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
উঃ ৩০ অক্টোবর,২০১৭
৫২। “যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা” কবিতাটি কোন কবির রচনা?
উঃ কবি অন্নদাশঙ্কর রায়
৫৩। বিখ্যাত কবিতা “বঙ্গবন্ধু” এর রচয়িতা কে?
উঃ পল্লীকবি জসীমউদ্দীন
৫৪। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত নাটক “মহামানবের দেশে” এর নির্মাতা কে?
উঃ মান্নান হীরা
৫৫। “যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই” গানটির গীতিকার কে?
উঃ হাসান মতিউর রহমান
৫৬। সালাম সালাম হাজার সালাম গানটির গায়ক কে?
উঃ আব্দুল জব্বার
৫৭। কৃষক প্রজা পার্টি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ?
উঃ ১৯৩৬ সালে
৫৮। সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে?
উঃ ৪১ নম্বর অনুচ্ছেদে
৫৯। লাহোর প্রস্তাব কবে করা হয়?
উঃ ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
৬০। রাজারবাগ পুলিশ লাইনে দুর্জয় ভাস্কর্যের শিল্পী কে?
উঃ মৃণাল হক
সংগৃহীত
25/05/2022
অসত্যের কাছে কভু
নত নাহি হবে শির,
ভয়ে কাপে কা-পুরুষ
লড়ে যায় বীর।।
শুভ জন্মদিন, বিনম্র শ্রদ্ধা...
📚 সাধারণ জ্ঞান:
১. কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমান বেশি?
উত্তরঃ নদীর পানিতে।
২. জাতীসংঘের স্থায়ী সদস্য মোট কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৫টি। ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ও চীন।
৩. কোন প্রবচব বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক?
উত্তরঃ অধিক সন্নাসীতে গাজন নষ্ট।
৪. গোল্ডেন মিন হলো?
উত্তরঃ দুটি চরম পন্থায় মধ্যবর্তী অবস্থায়।
৫. ‘‘প্রদীপ নিবিয়া গেল’’। এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডল’
৬. বাংলার কোন সুলতানের শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
উত্তরঃ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
৭. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
উত্তরঃ নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ।
৮. জেরেমি বেন্থাম কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
উত্তরঃ যুক্তরাজ্য।
৯. ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর গ্রন্থ লিখেছেন কে?
উত্তরঃ ক্লিনটন বি সিলি।
১০. ‘‘প্রদীপ নিবিয়া গেল’’। এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
১১. চারণকবি হিসেবে বিখ্যাত কে?
উত্তরঃ মুকুন্দদাস।
১২. ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি কে ছিলেন?
উত্তরঃ খাজা নাজিম উদ্দীন।
১৩. মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কত দিন?
উত্তরঃ ১২০।
১৪. ‘কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষান হয় না’ উক্তিটি কোন উপন্যাসেন?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ’।
১৫. ‘ভি-২০’ গ্রুপ কিসের সাথে সংগঠন।
উত্তরঃ জলবায়ু পরিবর্তন।
১৬. ‘দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস’ গ্রুন্থের রচয়িতা কে?
উত্তরঃ অমর্ত্য সেন।
১৭. মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুর্নবাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তরঃ এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান।
১৮. সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে বলা হয়?
উত্তরঃ আইসোহাইট।
১৯. শ্রীলংকার কোন সমুদ্রবন্দর চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লীজ দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ হাম্বানটোটা।
২০. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত ‘ধীরে বহে মেঘনা’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
উত্তরঃ আলমগীর কবির।
২১. ‘‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম” কে বলেছেন?
উত্তরঃ মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
২২. যক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?
উত্তরঃ স্বরবৃত্ত।
২৩. দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
২৪. লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যোগদান করেন?
উত্তরঃ ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
২৫. ‘এবার আমার একটি বিচিত্রা অভিজ্ঞতা হলো’- এ বাক্য কোন ধরনের?
উত্তরঃ নির্দেশাত্মক।
21/05/2022
#চির তরুণ কবি,
সুকান্ত ভট্টাচার্য (জন্মঃ- ১৫ আগস্ট, ১৯২৬ - মৃত্যুঃ- ১৩ মে, ১৯৪৭)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মম্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেন। ১৯৪৪ সালে আকাল নামক একটি সংকলনগ্রন্থ তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। কৈশোর থেকেই তিনি যুক্ত হয়েছিলেন সাম্যবাদী রাজনীতির সঙ্গে। ১৯৪১ সালে তিনি কলকাতা রেডিওর গল্পদাদুর আসরের যোগদান করেন। সেখানে প্রথমে তিনি রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করেন। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর সেই আসরেই নিজের লেখা কবিতা পাঠ করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। গল্পদাদুর আসরের জন্য সেই বয়সেই তাঁর লেখা গান মনোনীত হয়েছিল আর তাঁর সেই গান সুর দিয়ে গেয়েছিলেন অন্যতম গায়ক পঙ্কজ মল্লিক। আট-নয় বছর বয়স থেকেই সুকান্ত লিখতে শুরু করেন। স্কুলের হাতে লেখা পত্রিকা ‘সঞ্চয়ে’ একটি ছোট্ট হাসির গল্প লিখে আত্মপ্রকাশ করেন। তার দিনকতক পরে বিজন গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘শিখা’ কাগজে প্রথম ছাপার মুখ দেখে তাঁর লেখা বিবেকান্দের জীবনী। মাত্র এগার বছর বয়সে ‘রাখাল ছেলে’ নামে একটি গীতি নাট্য রচনা করেন। এটি পরে তাঁর ‘হরতাল’ বইতে সংকলিত হয়। বলে রাখা ভালো, পাঠশালাতে পড়বার কালেই ‘ধ্রুব’ নাটিকার নাম ভূমিকাতে অভিনয় করেছিলেন সুকান্ত। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাল্য বন্ধু লেখক অরুণাচল বসুর সঙ্গে মিলে আরেকটি হাতে লেখা কাগজ ‘সপ্তমিকা’ সম্পাদনা করেন। অরুণাচল তাঁর আমৃত্যু বন্ধু ছিলেন। সুকান্তকে বলা হয় গণমানুষের কবি। অসহায়-নিপীড়িত সর্বহারা মানুষের সুখ, দুঃখ তার কবিতার প্রধান বিষয়। অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ের স্বার্থে ধনী মহাজন অত্যাচারী প্রভুদের বিরুদ্ধে নজরুলের মতো সুকান্তও ছিলেন সক্রিয়। তিনি তার কবিতার নিপুণ কর্মে দূর করতে চেয়েছেন শ্রেণী বৈষম্য। মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কাব্যধারার প্রচলিত প্রেক্ষাপটকে আমূল বদলে দিতে পেরেছিলেন। তিনি কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতার (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন। তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি। পরবর্তীকালে উভয় বাংলা থেকে সুকান্ত সমগ্র নামে তাঁর রচনাবলি প্রকাশিত হয়। সুকান্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পিসঙ্ঘের পক্ষে আকাল (১৯৪৪) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন। সুকান্তের কবিতা বিষয়বৈচিত্র্যে ও লৈখিক দক্ষতায় অনন্য। সাধারণ বস্তুকেও সুকান্ত কবিতার বিষয় করেছেন। বাড়ির রেলিং ভাঙা সিঁড়ি উঠে এসেছে তার কবিতায়। সুকান্তের কবিতা সব ধরনের বাধা-বিপত্তিকে জয় করতে শেখায়। যাপিত জীবনের দুঃখ-যন্ত্রণাকে মোকাবেলা করার সাহস সুকান্তের কবিতা থেকে পাওয়া যায়। তারুণ্যের শক্তি দিয়ে উন্নত শিরে মানুষের মর্যাদার জন্য মানুষকে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান সুকান্তের কবিতায় লক্ষণীয়। সুকান্তের কবিতা সাহসী করে, উদ্দীপ্ত করে। তার বক্তব্যপ্রধান সাম্যবাদী রচনা মানুষকে জীবনের সন্ধান বলে দেয়। স্বল্প সময়ের জীবনে তিনি বাংলা সাহিত্যকে অনেক কিছু দিয়ে গেছেন।
জন্ম ও পরিবার
পিতা নিবারন ভট্টাচার্য, মা সুনীতি দেবী। মাতামহের (মহিম হালদার স্ট্রীট,কালীঘাট,কলকাতা) বাড়ীতে তার জন্ম।। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলায় উনশিয়া গ্রামে। জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ এক মানুষ ছিলেন তার জেঠতুতো দিদি রাণী, সেসময়ের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মণীন্দ্রলাল বসুর ‘সুকান্ত’ গল্পটি পড়ে রাণীদিই তার নাম রেখেছিলেন ‘সুকান্ত’। হঠাৎ করে একদিন প্রিয় মানুষ টি মারা গেলে প্রচন্ড ধাক্কা খান, এর কিছুদিন পর তার মাও চিরবিদায় নেন। একের পর এক মৃত্যুশোক যেন তাঁকে করে তুলেছিলো নিঃসঙ্গ থেকে নিঃসঙ্গতর…কবিতাই তখন ছিল তার একাকীত্বের সঙ্গী।
শৈশব কাটিয়েছেন বাগবাজারের তাদের নিবেদিতা লেনের বাড়িটিতে এবং সেখানকারই কমলা বিদ্যামন্দিরে তাকে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ভর্তি করা হয়। কমলা বিদ্যামন্দিরেই সুকান্তের সাহিত্যেও হাতেখড়ি হয়। বলা হয়ে থাকে, ‘উঠন্তি মূলো পত্তনেই চেনা যায়’…সুকান্তের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। শৈশবেই তার সাহিত্যানুরাগ স্পষ্ট হতে থাকে, তার প্রথম ছোটগল্প ছাপা হয় বিদ্যালয়েরই একটি পত্রিকা- ‘সঞ্চয়’ এ। এরপর ‘বিবেকানন্দ জীবনী’-আরো একটি রচনা 'শিখা' পত্রিকায় ছাপা হয়। শিখা পত্রিকায় সেসময় প্রায়ই সুকান্তের লেখা ছাপা হতো।
কমলা বিদ্যামন্দিরে লেখাপড়ার পা্ট চুকবার পর সুকান্ত ভর্তি হন বেলেঘাটা দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিশ্বাসী ছিলেন সমাজতন্ত্রে এবং ১৯৪৪ সাল থেকে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন ভারতীয় কমিউনিস্ট দলের মাধ্যমে। ১৯৪৪ সালেই ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘ’ এর প্রকাশনায় তিনি ‘আকাল’ নামে একটি সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন। ১৯৪৫ সালে সুকান্ত প্রবেশিকা পরিক্ষায় অংশ নেন তবে পাশ করতে পারেননি। প্রথাগত লেখাপড়ায় সেখানেই সমাপ্তি। এ সময় ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুনাচল বসু। সুকান্ত সমগ্রতে লেখা সুকান্তের চিঠিগুলির বেশিরভাগই অরুনাচল বসুকে লেখা। অরুনাচল বসুর মাতা কবি সরলা বসু সুকান্তকে পুত্রস্নেহে দেখতেন। সুকান্তের ছেলেবেলায় মাতৃহারা হলেও সরলা বসু তাকে সেই অভাব কিছুটা পুরন করে দিতেন। কবির জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছিল কলকাতার বেলেঘাটার ৩৪ হরমোহন ঘোষ লেনের বাড়ীতে।
১৯৪১ সালে সুকান্ত ভট্টাচার্য কোলকাতা রেডিও আয়জিত “গল্পদাদুর আসর” নামক এক অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। সেখানে তিনি প্রথমে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করতেন। যখন রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু হয়, তখন সেই আসরেই তিনি নিজের লেখা কবিতা পাঠ করে তাঁকে শ্রদ্ধাও জানান।
সাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু সুকান্তের বর্ণনা দিয়েছেন এমন করে-“গর্কীর মতো, তার চেহারাই যেন চিরাচরিতের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। কানে একটু কম শোনে, কথা বেশি বলেনা, দেখামাত্র প্রেমে পড়ার মতো কিছু নয়, কিন্তু হাসিটি মধুর, ঠোঁট দু’টি সরল”। আরো বলেছেন, “যে চিলকে সে ব্যঙ্গ করেছিলো, সে জানতো না সে নিজেই সেই চিল; লোভী নয়, দস্যু নয়, গর্বিত নিঃসঙ্গ আকাশচারী, স্খলিত হয়ে পড়লো ফুটপাতের ভিড়ে, আর উড়তে পারলো না, অথবা সময় পেলো না। কবি হবার জন্যই জন্মেছিলো সুকান্ত, অথচ কবি হতে পারার আগে তার মৃত্যু হলো”।
মৃত্যু - পার্টি ও সংগঠনের কাজে অত্যধিক পরিশ্রমের ফলে দুরারোগ্য ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
গ্রণ্থ তালিকা
ছাড়পত্র (১৩৫৪ ব.)
ঘুম নেই (১৩৫৭ ব.)
পূর্বাভাস (১৩৫৭ ব.)
অভিযান
মিঠে-কড়া (১৯৫১)
হরতাল
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৫ই আগস্ট, ১৯২৬ - ১৩ই মে, ১৯৪৭)
ছাড়পত্র
যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে
তার মুখে খবর পেলুমঃ
সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,
নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকার
জন্মমাত্র সুতীব্র চিৎকারে।
খর্বদেহ নিঃসহায়, তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাত
উত্তোলিত, উদ্ভাসিত
কী এক দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায়।
সে ভাষা বোঝে না কেউ,
কেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার।
আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষা।
পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগের
পরিচয়-পত্র পড়ি ভূমিষ্ঠ শিশুর
অস্পষ্ট কুয়াশাভরা চোখে।
এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
অবশেষে সব কাজ সেরে
আমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকে
করে যাব আশীর্বাদ,
তারপর হব ইতিহাস।
চারাগাছ
ভাঙা কুঁড়ে ঘরে থাকি:
পাশে একটা বিরাট প্রাসাদ
প্রতিদিন চোখে পড়ে;
সে প্রাসাদ কী দুঃসহ স্পর্ধায় প্রত্যহ
আকাশকে বন্ধুত্ব জানায়;
আমি তাই চেয়ে চেয়ে দেখি।
চেয়ে চেয়ে দেখি আর মনে মনে ভাবি—
এ অট্টালিকার প্রতি ইঁটের হৃদয়ে
অনেক কাহিনী আছে অত্যন্ত গোপনে,
ঘামের, রক্তের আর চোখের জলের।
তবু এই প্রাসাদকে প্রতিদিন হাজারে হাজারে
সেলাম জানায় লোকে, চেয়ে থাকে বিমূঢ় বিস্ময়ে।
আমি তাই এ প্রাসাদে এতকাল ঐশ্বর্য দেখেছি,
দেখেছি উদ্ধত এক বনিয়াদি কীর্তির মহিমা।
হঠাৎ সেদিন
চকিত বিস্ময়ে দেখি
অত্যন্ত প্রাচীন সেই প্রাসাদের কার্নিশের ধারে
অশ্বত্থ গাছের চারা।
অমনি পৃথিবী
আমার চোখের আর মনের পর্দায়
আসন্ন দিনের ছবি মেলে দিল একটি পলকে।
ছোট ছোট চারাগাছ—
রসহীন খাদ্যহীন কার্নিশের ধারে
বলিষ্ঠ শিশুর মতো বেড়ে ওঠে দুরন্ত উচ্ছ্বাসে।
হঠাৎ চকিতে,
এ শিশুর মধ্যে আমি দেখি এক বৃদ্ধ মহীরুহ
শিকড়ে শিকড়ে আনে অবাধ্য ফাটল
উদ্ধত প্রাচীন সেই বনিয়াদী প্রাসাদের দেহে।
ছোট ছোট চারাগাছ—
নিঃশব্দে হাওয়ায় দোলে, কান পেতে শোনে:
প্রত্যেক ইঁটের নীচে ঢাকা বহু গোপন কাহিনী
রক্তের, ঘামের আর চোখের জলের।
তাইতো অবাক আমি, দেখি যত অশ্বত্থচারায়
গোপনে বিদ্রোহ জমে, জমে দেহে শক্তির বারুদ;
প্রাসাদ–বিদীর্ণ–করা বন্যা আসে শিকড়ে শিকড়ে।
মনে হয়, এই সব অশ্বত্থ–শিশুর
রক্তের, ঘামের আর চোখের জলের
ধারায় ধারায় জন্ম,
ওরা তাই বিদ্রোহের দূত॥
মৃত্যুজয়ী গান
নিয়ত দক্ষিণ হাওয়া স্তব্ধ হল একদা সন্ধ্যায়
অজ্ঞাতবাসের শেষে নিদ্রাভঙ্গে নির্বীর্য জনতা
সহসা আরণ্য রাজ্যে স্তম্ভিত সভয়ে ;
নির্বায়ুমণ্ডল ক্রমে দুর্ভাবনা দৃঢ়তর করে।
দূরাগত স্বপ্নের কী দুর্দিন ! মহামারী অন্তরে বিক্ষোভ,
সঞ্চারিত রক্তবেগ পৃথিবীর প্রতি ধমনীতে :
অবসন্ন বিলাসের সঙ্কুচিত প্রাণ।
বণিকের চোখে আজ কী দুরন্ত লোভ ঝ'রে পড়ে :
মুহুর্মুহু রক্তপাতে স্বধর্ম সূচনা ;
ক্ষয়িষ্ণু দিনেরা কাঁদে অনর্থক প্রসব ব্যথায়।
নশ্বর পৌষদিন, চারিদিকে ধূর্তের সমতা
জটিল আবর্তে শুধু নৈমিত্তিক প্রাণের স্পন্দন ;
শোকাচ্ছন্ন আমাদের সনাতন মন
পৃথিবীর সম্ভাবিত অকাল মৃত্যুতে :
দুর্দিনের সমন্বয়, সম্মুখেতে অনন্ত প্রহর –
দৃষ্টিপথ অন্ধকার, সন্দিহান আগামী দিনেরা।
গলিত উদ্যম তাই বৈরাগ্যের ভান,
কন্টকিত প্রতীক্ষায় আমাদের অরণ্যবাসর।
সহসা জানালায় দেখি দুর্ভিক্ষের স্রোতে
জনতা মিছিলে আসে সংঘবদ্ধ প্রাণ –
অদ্ভুত রোমাঞ্চ লাগে সমুদ্র পর্বতে ;
সে মিছিলে শোনা গেল
জনতার মৃত্যুজয়ী গান ॥
কৃতজ্ঞতা স্বীকার,
তথ্য সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka