Feeling/STORY
I love My Life
অর্থলোভী নারী,
আর অর্থলোভী পুরুষ দুইটাই বিপদজনক।
07/08/2023
নবীজির (সাঃ) এর অপমানে যদি না কাঁদে তোমার মন,
মুসলিম নয়, মুনাফিক তুমি নবীজীর দুশমন।
আসাদ নুর নামের কুখ্যাত নাস্তিক,কু-লা-ঙ্গা-র
আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সাঃ) কে মরুভূমির কুখ্যাত ডাকাত বলে গালি দিয়েছে।
এই কু-লা-ঙ্গা-রের এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, এবং তাকে অনতিবিলম্বে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।
17/07/2023
হজরত উসমান (রাঃ) যখন কোনো কবরের পাশে দাঁড়াতেন,
তখন এমনভাবে কাঁদতেন যে,
নিজের দাড়ি মোবারক ভিজে যেতো।
তাই একবার তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো- আপনি জান্নাত ও জাহান্নাম স্মরণ করে এত কাঁদেন না, যতটুকু কাঁদেন কবর দেখে, এর কারণ কী?
তিনি বললেন, রাসুল ﷺ বলেছেন, কবর হচ্ছে আখেরাতের প্রথম ঘাঁটি।
এখানে যদি কেউ রক্ষা পেয়ে যায়, তাহলে পরবর্তী সব ঘাঁটি তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
আর এখানে কেউ যদি রক্ষা না পায় তাহলে পরবর্তী সব ঘাঁটি তার জন্য খুব কঠিন হবে।
তিনি আরও বললেন, রাসুল ﷺ বলেছেন, মেরাজের রজনীতে আমি যত ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছি তার মধ্যে কবরের আজাবই হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ।
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবরের কঠিন আজাব থেকে মুক্তি দিও।
------------------------------( আমিন)
(তিরমিজি শরিফ, হাদিস নং-২৩০৮)
তাহাজ্জুদ নামাজের উপকারিতা:
--------------- 💐💐💐 ---------------
১ তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার কারণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং ফেরেস্তাদের বন্ধুত্ব অর্জন করা সম্ভব।
২ আল্লাহ তার উক্ত বান্দাদের জন্য ফেরেস্তাদের কাছে গর্ববোধ করেন।
৩ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির অবস্থান আসমানবসিদের কাছে নক্ষত্রের ন্যায়।
৪ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির আত্মা নুরানি হয়।
৫ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির দোয়া দ্রুত কবুল হয়।
৬ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির তওবা কবুল হয় এবং তার গুনাহকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।
৭ তাহাজ্জুদের নামাজ গুনাহের জন্য কাফফারা স্বরূপ।
৮ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির চেহারা নূরানি হয়।
৯ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির দৈহিক এবং আত্মিক উন্নতি হয়।
১০ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির চোখের জ্যেতি বৃদ্ধি পায়।
১১ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির আচরণে নবি এবং আওসিয়াদের গুণাবলি পরিলক্ষিত হয়।
১২ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারি নবির সুন্নতের উপরে আমল করে।
১৩ মানুষের অন্তরে তার জন্য ভালবাসার সৃষ্টি হবে।
১৪ আয়ু বৃদ্ধি পাবে।
১৫ রিযিক ও রুজি বৃদ্ধি পাবে।
১৬ তাহাজ্জুদের নামাজ হচ্ছে এক প্রকারের সাদকা।
১৭ তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির আমলে চারটি বড় সৎকর্মের সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে।
১৮ আল্লাহর নির্দেশে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির পিছনে ফেরেস্তারা জামাতে দাড়ায়।
১৯ তাহাজ্জুদের নামাজ হচ্ছে পুল সিরাত অতিক্রমের মাধ্যম এবং বেহেশতের চাবি স্বরূপ।
২০ কেয়ামতের দিন সকলে শরিরে বস্ত্র না থাকলেও তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়কারির শরির বস্ত্র থাকবে।
"সুবাহান আল্লাহ"
২য় খন্ড
হযরত আদম (আলাইহিস সালাম)
لوكان للعلم شرف من دون التقى
لكان أشرف خلق الله إبليسُ
‘যদি তাক্বওয়া বিহীন ইলমের কোন মর্যাদা থাকত,
তবে ইবলীস আল্লাহর সৃষ্টিকুলের সেরা বলে গণ্য হত’।
[1]. নিসা ৪/১; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩২৩৮ ‘বিবাহ’ অধ্যায় ‘নারীদের সাথে সদ্ব্যবহার’ অনুচ্ছেদ।
আদম এর মূল উপাদান হ’ল মাটি, তাই তাকে ‘আদম’ বলা হয়। পক্ষান্তরে হাওয়ার মূল হ’লেন আদম, যিনি তখন জীবন্ত ব্যক্তি।
তাই তাকে ‘হাওয়া’ বলা হয়, যা ‘হাই’ (জীবন্ত) থেকে উৎপন্ন (কুরতুবী), বাক্বারাহ ৩৫; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ১/৬২ পৃঃ।
[2]. ইবনু কাছীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ (বৈরুত:দারুল কুতুবিল ইলমিয়াহ,
প্রথম খন্ড
হযরত আদম (আলাইহিস সালাম)
বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী হিসাবে আল্লাহ পাক আদম (আলাইহিস সালাম)-কে নিজ দু’হাত দ্বারা সরাসরি সৃষ্টি করেন (ছোয়াদ ৩৮/৭৫)।
মাটির সকল উপাদানের সার-নির্যাস একত্রিত করে আঠালো ও পোড়ামাটির ন্যায় শুষ্ক মাটির তৈরী সুন্দরতম অবয়বে রূহ ফুঁকে দিয়ে আল্লাহ আদমকে সৃষ্টি করেছেন।
(মুমিনূন ২৩/১২; ছাফফাত ৩৭/১১)
অতঃপর আদমের পাঁজর থেকে তাঁর স্ত্রী হাওয়াকে সৃষ্টি করেন।
(১)আর এ কারণেই স্ত্রী জাতি স্বভাবগত ভাবেই পুরুষ জাতির অনুগামী ও পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট।
অতঃপর স্বামী-স্ত্রীর মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে একই নিয়মে মানববংশ বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে।
কুরআন-এর বর্ণনা অনুযায়ী প্রথম দিন থেকেই মানুষ পূর্ণ চেতনা ও জ্ঞান সম্পন্ন সভ্য মানুষ হিসাবেই যাত্রারম্ভ করেছে এবং আজও সেভাবেই তা অব্যাহত রয়েছে।
অতএব গুহামানব, বন্যমানব, আদিম মানব ইত্যাদি বলে অসভ্য যুগ থেকে সভ্য যুগে মানুষের উত্তরণ ঘটেছে বলে কিছু কিছু ঐতিহাসিক যেসব কথা শুনিয়ে থাকেন,
তা অলীক কল্পনা ব্যতীত কিছুই নয়।
সূচনা থেকে এযাবত এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় মানুষ কখনোই মানুষ ব্যতীত অন্য কিছু ছিল না।
মানুষ বানর বা উল্লুকের উদ্বর্তিত রূপ বলে ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে চার্লস ডারউইন (১৮০৯-১৮৮২) যে ‘বিবর্তনবাদ’ (Theory of Evolution) পেশ করেছেন,
তা বর্তমানে একটি মৃত মতবাদ মাত্র এবং তা প্রায় সকল বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
প্রথম মানুষ আদি পিতা আদম (আঃ)-কে আল্লাহ সর্ব বিষয়ের জ্ঞান ও যোগ্যতা দান করেন এবং বিশ্বে আল্লাহর খেলাফত পরিচালনার মর্যাদায় অভিষিক্ত করেন।
সাথে সাথে সকল সৃষ্ট বস্ত্তকে করে দেন মানুষের অনুগত (লোকমান ৩১/২০) ও সবকিছুর উপরে দেন মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব (ইসরা ১৭/৭০)।
আর সেকারণেই জিন-ফিরিশতা সবাইকে মানুষের মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য আদমকে সিজদা করার আদেশ দেন।
সবাই সে নির্দেশ মেনে নিয়েছিল।
কিন্তু ইবলীস অহংকার বশে সে নির্দেশ অমান্য করায় চিরকালের মত অভিশপ্ত হয়ে যায় (বাক্বারাহ ২/৩৪)।
অথচ সে ছিল বড় আলেম ও ইবাদতগুযার।
সেকারণ জিন জাতির হওয়া সত্ত্বেও সে ফিরিশতাদের সঙ্গে বসবাস করার অনুমতি পেয়েছিল ও তাদের নেতা হয়েছিল।
(২) কিন্তু আদমের উচ্চ মর্যাদা দেখে সে ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়ে।
ফলে অহংকার বশে আদমকে সিজদা না করায় এবং আল্লাহ ভীতি না থাকায় সে আল্লাহর গজবে পতিত হয়।
এজন্য জনৈক আরবী কবি বলেন,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka