Trader.com
Stock Market Trader & Investor
(Successful Day Trader and Fund Manager)
17/04/2025
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ৫৩% নিট মুনাফা বৃদ্ধি, ১৫% নগদ ও ৫% স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা - Stock News BD | Latest Online Most Popular Newspape ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত বছরের উল্লেখযোগ্য তথ্যসমূহ এককভাবে (স্ট্যান্ড্যালোন)…
03/10/2024
27/09/2024
শেয়ারবাজার সংস্কার নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বিএসইসি-
দেশের শেয়ারবাজার সংস্কারের বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁও বিএসইসি’র মিলনায়তনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অফ বাংলাদেশ, কাউন্টারপার্টি অফ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ক্যাপিটাল মার্কেট, বাংলাদেশ একাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেট এবং ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই জন করে প্রতিনিধি সভায় অংশ নিতে এবং শেয়ারবাজার সংস্কারের বিষয়ে তাদের লিখিত মতামত উপস্থাপন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
নতুন কমিশনার সহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় বিএসইসি কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত থাকবেন।বিএসইসি’র একজন পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত এক দশক ধরে শেয়ারবাজারে দীর্ঘায়িত অনিয়মের কারণে বিনিয়োগকারী, বাজার মধ্যস্থতাকারী এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের আত্মবিশ্বাসে বড় ধরনের চিড় ধরেছে, যা বাজার উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএসইসি’র নতুন নেতৃত্ব শেয়ারবাজার সংস্কারের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা করছে। এই টাস্কফোর্সে শেয়ারবাজারের পেশাদার গ্রুপ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। টাস্কফোর্স শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার ও অংশীজনদের সঙ্গে শেয়ারবাজারে প্রয়োজনীয় সংস্কার বিষয়ে ইন-ডেপথ আলোচনা পরিচালনা করবে। তারপর দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজার উন্নয়ন বিষয়ে একটি টেকসই প্রস্তাবনা পেশ করবে।
"পুঁজিবাজার ধ্বংস ও লুটপাটে ছিল বিতাড়িত সরকারের মদদপুষ্ট ভয়ংকর সিন্ডিকেট।" সংসদে দাড়িয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ সতর্ক করে বলেছিলেন "বিনিয়োগকারীদের বাঁচান"
#শেয়ারবাজার #দরবেশ #পুঁজিবাজার Trader.com
আগামী ৪ বছরে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ১৫ লাখ থেকে ৫০ লাখে নিয়ে যেতে চান নবনিযুক্ত বিএসইসি’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। Trader.com
10/08/2024
বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াতের পদত্যাগ-
পদত্যাগ করলেন শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রকসংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বরাবর শনিবার তিনি ইমেইলে পদত্যাগপত্র পাঠান। শিবলী রুবাইয়াত গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে পদত্যাগ না করলে তাকে অপসারণের বিষয়টি আগেই সরকারের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে অন্যান্য কমিশনারদের ব্যাপারেও। ইতোমধ্যে প্রাথমিক বার্তা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিএসইসিকে পুরোপুরি ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এর ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়ার আড়াই মাসের মধ্যে ভেঙে যাচ্ছে কমিশন। এর আগে শুক্রবার রাতে পদত্যাগ করেন বাংলাদেশ গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।
পুঁজিবাজার নিয়ে সালমান এফ রহমান -
27/05/2024
প্রধানমন্ত্রীকে এফবিসিসিআই প্রতিনিধি দলের অনুরোধ,
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের ওপর করের বোঝা বাড়াবেন না-
লাভ হোক বা লোকসান– শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা প্রতিবার শেয়ার কেনার সময় সরকারকে উৎসে কর দিচ্ছেন। আবার করপোরেট কর হিসেবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কর দিচ্ছে। লভ্যাংশ নেওয়ার সময় সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে উৎসে কর কেটে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ একই আয়ের ওপর বহুবার কর দিতে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। নতুন করে বিনিয়োগকারীদের আর কর দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর একটি প্রতিনিধি দল নতুন করে বিনিয়োগকারীদের ওপর করের বোঝা না বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেছেন।
আগামী বাজেটে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে মূলধনি মুনাফা আরোপ করা হতে পারে– এমন খবরে যখন শেয়ারবাজারে লাগাতার দরপতন চলছে, তখন এফবিসিসিআইর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে এমন অনুরোধ জানানো হয়েছে। জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় এফবিসিসিআইর প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাতে তাঁর গণভবনে সাক্ষাৎ করতে যায়। এ সময় শেয়ারবাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এফবিসিসিআইর সভাপতি মাহবুবুল আলম। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও শিল্প উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিফা আয়শা খান এবং বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে বৈঠকে কেউ ছিলেন না।
সূত্র জানায়, বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় মূলত আসন্ন বাজেটে কর নিয়ে ব্যবসায়ীদের নানা প্রস্তাব নিয়ে। এর মধ্যে শেয়ারবাজার প্রসঙ্গ আসে। এফবিসিসিআইর একজন প্রতিনিধি বলেন, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা এক আয়ের ওপর বহুবার কর দিচ্ছেন। কখনও করপোরেট কর হিসেবে আবার কখনও লভ্যাংশ নেওয়ার সময় কর দিচ্ছেন। ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি হলে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংককে আরও বেশি কর দিতে হচ্ছে। ফলে নতুন করে আর কর বাড়ানো উচিত হবে না।
শেয়ারবাজারের চলমান সংকট কাটিয়ে কীভাবে এ বাজারকে প্রধানমন্ত্রীর ‘ভিশন-২০৪১’ বাস্তবায়নে ব্যবহার করা যায়, তার দিকনির্দেশনা তৈরি করতে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের অনুরোধ জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী এমন কমিটি গঠনের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন বলে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, এফবিসিসিআইর প্রতিনিধি দলের এক সদস্য বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে উন্নীত করতে হলে বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দেশে এখনকার তুলনায় অনেক বেশি শিল্পায়ন করতে হবে। বিগত পাঁচ দশকে শিল্পায়নে উদ্যোক্তাদের নির্ভরতা ছিল ব্যাংকের ওপর। পরবর্তী ধাপের উন্নয়নের জন্য ব্যাংক-নির্ভর থাকলে চলবে না। আগামীর উন্নয়নের জন্য পুঁজির প্রধান উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারের বিকল্প আর কিছু নেই।
১৪ শতাংশ সুদ দিয়ে এখন কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মুনাফা করা সম্ভব নয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এফবিসিসিআইর প্রতিনিধিরা বলেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শিল্প করলে তাঁকে মূলধনের সঙ্গে সুদও ফেরত দিতে হয়। এভাবে বিনিয়োগ করে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান খেলাপি হয়েছে। ব্যাংকও অর্থ ফেরত না পেয়ে সংকটে পড়েছে। এভাবে পুরো ব্যাংক খাত এখন হুমকির মুখে। উন্নত বিশ্বে ব্যাংক-নির্ভর অর্থায়ন দিয়ে শিল্পায়ন হয় না, শিল্পায়ন হয় পুঁজিবাজারের মাধ্যমে। এখান থেকে পুঁজি নিলে মূলধন ফেরত দেওয়ার দরকার পড়ে না। শুধু ব্যবসা ঠিকমতো পরিচালনা করে মুনাফার অংশ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয়। এভাবে শিল্পায়ন টেকসই হয়, দেশের উন্নয়নে অবদান রাখে।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারমুখী করার জন্য সরকারের নীতিসহায়তা দরকার উল্লেখ করে তারা বলেন, এনবিআরের কর্মকর্তাদের ধারণা, অতালিকাভুক্ত কোম্পানির তুলনায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার কমালে সরকারের রাজস্ব আয় কমে যাবে। প্রকৃত অবস্থা হলো– অতালিকাভুক্ত সিংহভাগ কোম্পানি কর দেয় না। কোম্পানি লাভজনক হলেও কর ফাঁকি দিতে লোকসান দেখায়। তালিকাভুক্ত হলে সে সুযোগ থাকে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট অনেক প্রতিষ্ঠান কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন চুলচেরা বিশ্লেষণ করে। তাছাড়া বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে হলে মুনাফা দেখাতে হয়। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে যায়। তবে কোম্পানির উদ্যোক্তারা যদি দেখেন, শেয়ারবাজারে এসে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মুনাফা শেয়ার করে তারা কম মুনাফা পাচ্ছেন, তাহলে তারা বাজারমুখী হতে আগ্রহী হবেন না। এ জন্য অতালিকাভুক্ত কোম্পানির সঙ্গে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকা দরকার।
সরকারি কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করে ব্যবসায়ীরা বলেন, বিদেশি কোম্পানিগুলোকেও শেয়ারবাজারে বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত হওয়ার নীতি করা প্রয়োজন। প্রতিবেশী দেশসহ সারাবিশ্বে বিদেশি কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার নিয়ম আছে। বাংলাদেশে এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানির শেয়ার না আসায় মানুষ এ বাজারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম সমকালকে জানান, বৈঠকে ব্যাংকের সুদহার বৃদ্ধি, ডলারের সংকট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, কাস্টমসে অটোমেশন এবং কর ও ভ্যাট বিষয়ে নানা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য ধৈর্য সরকারে শুনেছেন।
বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ী নেতা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম সমকালকে বলেন, সরকারের বর্তমান করনীতি আরও বেশি কর আহরণ। উন্নয়নের এ ধাপে কর আহরণ বাড়ানো দরকার। তবে বিনিয়োগ ও রপ্তানি না বাড়ানো হলে সরকারের রাজস্ব আয় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত হবে না। প্রধানমন্ত্রীকে তারা বিষয়টি বলেছেন। বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাড়াতে সরকারকে করনীতি যুগোপযোগী করার অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে পুঁজিবাজারের মূলধন শিল্পায়নে বিনিয়োগ করতে সরকারি, বেসরকারি কোম্পানি ও শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি। গতকাল রোববার সকালে পুঁজিবাজার ও বন্ড-বিষয়ক এফবিসিসিআইর স্ট্যান্ডিং কমিটির এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।
মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের শিল্পায়নে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। শিল্প মালিকদের জন্যও এটি তুলনামূলক সহজ অর্থায়ন উৎস। তবে দুঃখের বিষয় হলো, খুবই অল্পসংখ্যক বড় কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ ‘এক্সিট’ (শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগ তুলে নেওয়া) সুবিধা থাকা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, পুঁজিবাজার উন্নত হলে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ে। পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এফবিসিসিআইর সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ মুনতাকিম আশরাফ বলেন, পুঁজিবাজারে ছোট বিনিয়োগকারীর তুলনায় বড় বিনিয়োগকারীর সংখ্যা অনেক কম। এ অবস্থা বদলাতে হবে। পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে গণমাধ্যম বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
@সমকাল
25/05/2024
"শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক পতন"
ফ্লোর প্রত্যাহারের পর ১ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা গায়েব-
চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি তালিকাভুক্ত ৩৫টি কোম্পানির শেয়ার বাদে বাকি সব কোম্পানির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়। সেদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান সূচক নেমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১২ পয়েন্টে। এই সময়ে ডিএসইর সূচক কমেছে ১ হাজার ২৪ পয়েন্ট বা ১৬.১৬ শতাংশ।
এদিকে, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর তালিকাভুক্ত ৩৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ২০০টির বেশি কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর ১০টি কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে ৫৬ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশ। কোম্পানিগুলো হলো-জিএসপি ফিন্যান্স, আইপিডিসি ফিন্যান্স, রিং শাইন টেক্সটাইল, বে-লিজিং, এইচআর টেক্সটাইল, ফনিক্স ফিন্যান্স, ফরচুন সুজ, বিডি ফিন্যান্স, বিডি ল্যাম্পস ও ডরিন পাওয়ার।
কোম্পানিগুলোর মধ্যে জিএসপি ফিন্যান্সের দাম কমেছে ৭০ শতাংশ, আইপিডিসি ফিন্যান্সের ৬৫ শতাংশ, রিং শাইন টেক্সটাইলের ৬৩ শতাংশ, বে-লিজিংয়ের ৬৩ শতাংশ, এইচআর টেক্সটাইলের ৬০ শতাংশ, ফনিক্স ফিন্যান্সের ৬০ শতাংশ, ফরচুন সুজের ৫৯ শতাংশ, বিডি ফিন্যান্সের ৫৮ শতাংশ, বিডি ল্যাম্পসের ৫৬ শতাংশ ও ডরিন পাওয়ারের ৫৬ শতাংশ।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর এক পর্যায়ে সূচক নেমেছিল ২৩৯ পয়েন্ট। তারপর বাজার ঘুরে দাঁড়ায়। ফ্লোর প্রত্যাহারের তিন সপ্তাহের মাথায় ১১ ফেব্রুয়ারি ডিএসই খোয়া যাওয়া সূচক ২৩৯ পয়েন্ট উদ্ধার করে আরও ১১১ পয়েন্ট বৃদ্ধি নিয়ে অবস্থান করে ৬ হাজার ৪৪৭ পয়েন্টে।
তারপর থেকেই ধারাবাহিক পতন। সেই পতনের আগুনে নতুন করে ঘি ঢেলেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের রেকর্ড পতন এবং আসন্ন বাজেটে গেইন ট্যাক্স আরোপ গুঞ্জন। এই দুই পতনের ধাক্কায় ডিএসই সূচক উধাও হয়ে গেছে ৩৮৪ পয়েন্ট।
@শেয়ারনিউজ
20/05/2024
পুঁজিবাজারে ধস, অনেকেই নিঃস্ব হওয়ার পথে-
ধস নেমেছে দেশের পুঁজিবাজারে। ক্রেতা নেই অনেক কোম্পানির শেয়ারের। টানা পতনে একেবারেই নিঃস্ব বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী। শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছাড়ছে অনেকে। ঘন ঘন নীতির পরিবর্তন, লেনদেনে হস্তক্ষেপ আর গেইন ট্যাক্স আরোপের খবর পতনের জন্য দায়ী বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু। সেই থেকেই দরপতন চলছে দেশের পুঁজিবাজারে। দিন গড়ানোর সাথে বাড়ছে পতনের তীব্রতা, সেই সাথে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পরিমাণ।
সপ্তাহের প্রথম দিনেও বড় পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। সূচক কমেছে ৮৬ পয়েন্টের বেশি। আড়াইশোর বেশি কোম্পানির কোনো ক্রেতাই ছিলো না। টানা পতনে বিনিয়োগকারীদের মূলধন কমেছে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। আর যারা মার্জিন ঋণ নিয়েছে তাদের অবস্থা আরও নাজুক।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘন ঘন নীতির পরিবর্তনে পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। গুজব আর ফোর্স সেলও চরমভাবে ক্ষতি করছে পুঁজিবাজারকে। মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ছায়েদর রহমান বলেন, সকল পলিসি এতো বেশি সুইচিং হচ্ছে, এছাড়া ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়েও যে নেতিবাচক প্রচারণা, তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের প্রভাব ফেলছে। ইতিবাচক পিলিসি ছাড়া পুঁজিবাজারকে দাঁড় করানো কঠিন।
এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী বলেন, ১৫ দিন ধরে বাজারে এক ধরনের প্রচারণা চলছে গেইন ট্যাক্স আসছে। পিলিসি শিফট, ইন্টারভেনশন, মার্জিন রুল এসব যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ বাজারের গতি ফিরে পেতে বিশাল সমস্যা হবে।
এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে। এমন অবস্থায় মূলধনী মুনাফা ওপর কর আরোপ করা হলে বাজারে বিনিয়োগকারী কমবে বলেও আশঙ্কা সংশ্লিষ্টরা।
@যমুনাটেলিভিশন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka