Compound BD
ALLAH keep u in good health everytime. Compound BD assist u for medical tools supply.
Medical home health care tools like Blood pressure measuring, Blood glucose monitoring, Thermometer, Weight measure, Therapy machine, Vapor, Foot massager etc.
May Allah keep you and your loved ones in the best of health—always.
💚 Because good health is the foundation of a good life.
In today’s fast-paced world, staying informed about our health—and that of our parents and life partners—is essential. That’s why every home deserves to have basic medical tools close at hand.
At Compound BD, we’re here to support your wellness journey with a range of essential home healthcare equipment, including:
🩺 Blood Pressure Monitors (Sphygmomanometers)
🩹 Blood Glucose Monitoring Systems
🌡️ Thermometers (Digital & Analog)
⚖️ Weight Machines (Digital & Analog)
🔌 Digital Therapy Machines
💨 Steamers & Nebulizers
🦶 Electric Foot Massagers
🦷 Dental Floss
🌬️ Respirometers
🤱 Breast Pumps ..and more!
✅ We’re always ready to assist you with medical tool supplies—just a call away.
📞 For inquiries or orders, message us now.
📍 Compound BD — Your trusted partner for home healthcare tools.
09/04/2025
Type of Doctor❤️
শীতে সাইনাসের মতো অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে সুরক্ষিত থাকতে জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে এমন খাবার গ্রহণ জরুরি। সাইনাসের যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না খেয়ে কোন কোন খাবার খাদ্যতালিকায় রাখবেন আসুন জেনে নেই।
আনারস
আনারসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি রোধ করে ও শ্লেষ্মা কমায়। এতে থাকা এনজাইম সাইনাস সারাতে কাজ করে।
তরমুজ
যদি সাইনাসের মাথাব্যথায় ভোগেন তাহলে এ থেকে মুক্তি দিতে পারে তরমুজ। কারণ তরমুজের প্রাকৃতিক পানিতে থাকা খনিজ, যেমন ম্যাগনেসিয়াম মাথাব্যথা উপশমে সাহায্য করে।
আদা
আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহবিরোধী উপাদান। এগুলো ব্যথা কমায়, কফে রক্ত জমা সারিয়ে তোলে ও শরীরের ফোলা কমাতে সাহায্য করে।
সজনে
সজনে প্রদাহ ও শ্লেষ্মা কমাতে পারে। এর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রভাব থাকায় এটি সাইনাসের মাথাব্যথার উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।
গরম স্যুপ
চিকেন কিংবা ভেজিটেবল যে কোনো ধরনের স্যুপই সাইনাসের জন্য উপকারী। গরম স্যুপ শ্লেষ্মা অপসারণ করে ফলে সাইনাস দ্রুত সেরে ওঠে।
আপেল সাইডার ভিনেগার
সাইনাসের মাথাব্যথা কমাতে আপেল সাইডার ভিনেগার একটি চমৎকার প্রাকৃতিক উপাদান।
মরিচ
মরিচ বিশেষত গোলমরিচে আছে প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করার ক্ষমতা ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা কঠিন শ্লেষ্মা ভেঙে বের করে দেয়।
রসুন
রসুনে থাকা অ্যালিসিন ব্যথা কমায়। এটি সাইনাস ইনফেকশন কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করে।
সাইট্রাস ফল
যে সব ফল ভিটামিন ‘সি’ তে পরিপূর্ণ যেমন কমলা, লেবু, আঙ্গুর ইত্যাদি তাৎক্ষণিকভাবে সাইনাস সারিয়ে তুলতে পারে।
পেঁয়াজ
পেঁয়াজের কটূ গন্ধে রয়েছে অ্যান্টিথিস্টামিন। এই উপাদান সাইনাস কমাতে পারে।
সম্পর্ক সুন্দর ও মজবুত করতে যা করতে পারেন...
সম্পর্ক তৈরি করতে প্রয়োজন পরিশ্রম, সততা, দায়িত্ব ইত্যাদি। সম্পর্কে একটু ভিন্নতা আসা জরুরি। উভয়েই একই রকম কাজকর্ম, খাবার, কথোপকথন করছেন তাহলে সম্পর্কের মধ্যে বিরক্তি আসতে পারে।
সম্পর্ক মজবুত ও সুখী রাখার জন্য একে অপরকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সম্পর্ক ঠিক রাখতে এই বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন।
** যার যার পারিবারিক পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। শৈশব বাকি জীবন কেমন হতে পারে তা নির্ধারণ করে। ভাল সম্পর্কের জন্য দম্পতিরা একে অপরের শৈশব সম্পর্কে জানা উচিত। তাহলে এক অপরের সঙ্গে ভালভাবে সংযোগ করতে পারবেন এবং বোঝাপড়াটা ভালো এবং গভীর হতে পারে।
** আগে যদি কোন সম্পর্কে থেকে থাকেন তাহলে একে অপরের পুরানো সম্পর্ক সম্পর্কে জানা ভালো। এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, সম্পর্কে কী কী ভুল করা উচিত নয়, কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ফলে একে অপরকে ভালভাবে বুঝতে পারবেন।
** প্রত্যেক মানুষের ভালোবাসা প্রকাশের ধরন আলাদা। সফল সম্পর্কের ক্ষেত্রে, আপনি সঙ্গীকে বলুন আপনি কি আশা করেন তার কাছ থেকে। ফলে সঙ্গী আপনার প্রয়োজনের প্রতি খেয়াল রাখবে এবং সম্পর্কের ভালোবাসাও বাড়বে।
আপনার রাগ, ব্যথা এবং গভীর আঘাত অতীতে বা বর্তমান বা আগামীকে প্রভাবিত করতে পারে এমন সমস্ত বিষয় একে অপরকে বলুন।
** শারীরিক সম্পর্কও সম্পর্ককে মজবুত ও দীর্ঘ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
** আপনার সঙ্গীর সাথে সব অনুভূতিগুলো ভাগ করে নিন।
** আপনার সম্পর্ক দীর্ঘ এবং মজবুত করতে আপনার সঙ্গীর সাথে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শেয়ার করুন। যাতে সে আপনাকে আরো ভালভাবে বুঝতে সক্ষম হয়।
** সঙ্গীর কাছ থেকে কিছু লুকাতে যাবেন না। এমন কিছু করবেন না যা সঙ্গীকে বলা যায় না।
সূত্র : আজতাক।
‘বন্ধ হোক নিউমোনিয়া, প্রতিটি নিঃশ্বাসের দাম আছে’
১২ নভেম্বর বিশ্ব জুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস। ‘বন্ধ হোক নিউমোনিয়া, প্রতিটি নিঃশ্বাসের আছে দাম’- এই শ্লোগান সামনে রেখে পালিত হচ্ছে এই দিবস। শিশু থেকে পূর্ণ বয়স্ক সবার একটি একক বৃহৎ সংক্রামক রোগে এত মৃত্যু হ্রাস করার সর্বব্যাপী আয়োজন আর উদ্যোগের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে।
২০১৯ সালে নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ২৫ লাখ মানুষের, এর মধ্যে ৭ লাখই শিশু। সে সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কোভিডের চাপ আর এতে নিউমোনিয়াতে মৃত্যু ঝুঁকিও বেড়েছে। ২০২১ সালে শ্বাসযন্ত্রের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে বেশিরভাগ ছিলেন খুব কমবয়সী আর খুব বেশি বয়সী মানুষ।
যেসব অঞ্চলে টিকার সুযোগ কম, খাদ্য ঘাটতির জন্য অপুষ্টি ঘিরে ধরে সমাজকে, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ধোঁয়া আর রান্নার জ্বালানি দূষিত করে বাতাস, সেখানকার শিশুরাও আছে ঝুঁকিতে।
ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে যে প্রদাহ হয় তাকেই বলে নিউমোনিয়া। সিংহভাগ সংক্রমণের কারণ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ।
ধূমপায়ী, মাদকসেবীদের মধ্যে বেশি হয় নিউমোনিয়া। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুরাও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। বায়ু দূষণ, ঘরের ভেতর বায়ু চলাচল বিঘ্নিত হলে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। যাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল, যারা অনেক দিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নিচ্ছেন তাদেরও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি।
নিউমোনিয়া হলে হয় খুব জ্বর আসে, কাঁপুনির মতো লক্ষণ থাকে। কফ, কাশ থাকতে পারে। শ্বাস কষ্ট ও বুক ব্যথা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ডাক্তার দেখানো জরুরি।
রক্তের সিবিসি আর বুকের এক্স রে আর উপসর্গ আর পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় সহজ। প্রাণ বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ত্বরিত চিকিৎসা। এন্টিবায়োটিক ও অক্সিজেন গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়
সময়মতো নিউমোনিয়ার টিকা নিতে হবে বিশেষ করে যা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন। টিকা নিউমোনিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ধূমপান, মদ্যপান বর্জন করতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে। শহরের বায়ু দূষণ রোধ জরুরি। আর ঘরে যাতে প্রচুর আলো বাতাস চলাচল করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে গড়ে তুলুন ৮ অভ্যাস
রক্তনালি ছিঁড়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়া বা মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়াই স্ট্রোক। স্ট্রোকের কারণে শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যায়, কথা বলায় দেখা দেয় জড়তা। স্বাভাবিক জীবনযাপন বিঘ্ন হয়। অনেকেই মৃত্যুবরণ করেন।
প্রতিরোধযোগ্য অসংক্রামক রোগটি বাংলাদেশে মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক গবেষণা বলছে, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রতি হাজারে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। সেই হিসাব অনুযায়ী দেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যায় স্ট্রোকে আক্রান্ত প্রায় ১৮ লাখ। আর এর ৬৪ শতাংশই পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
এই অবস্থায় স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে দৈনন্দিন জীবনে ৮টি অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে—
১. ওজন কমাতে সুষম খাবারের উপরেই ভরসা রাখুন।
২. দামি নয়, দেশি ও সহজলভ্য খাবার দিয়ে থালা সাজান।
৩. ডায়েটে রাখুন পর্যাপ্ত পরিমাণে সবজি ও দেশি ফল।
৪. সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন আধাঘণ্টা করে দ্রুত হাঁটতে হবে বা ২ দিন ১৫০ মিনিট জগিং করতে পারেন।
৫. ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।
৭. ব্লাড প্রেশার আর সুগার বেশি থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রেখে চলতে হবে।
৮. শরীরচর্চার সময় খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন অত্যাধিক পরিশ্রমসাধ্য বা ক্লান্তিকর না হয়।
খালি পেটে করা ঠিক নয় যেসব কাজ...
সুস্থ ও ফিট থাকতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল খাবার। সময়মতো খাদ্য গ্রহণ শরীরকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু খাবার ঠিকঠাক না পেলে শরীর পুষ্ট হবে না এবং নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। এছাড়াও, দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকলে শরীরে মেদও বাড়ে। তাই চিকিৎসকরাও সঠিক সময়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন।
অনেক সময় আমার খালি পেটে থেকে এমন অনেক কাজ করি যা শরীর আরও খারাপ করে দিতে পারে। যেমন-
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি মেডিসিন: খালি পেটে কখনোই ব্যথার ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। অন্তত বিস্কুট বা মুড়ি খাওয়ার পর ওযুধ খেতে পারেন। অ্যাসপিরিন, প্যারাসিটামল কিংবা অন্য কোনও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি জাতীয় ওষুধ খালি পেটে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।
খালি পেটে ঘুমানো: খাবার খাওয়ার ২-৩ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যেতেই পারেন। তবে কখনোই খিদে পেটে বা খালি পেটে ঘুমাবেন না। বরং শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন। পেট খালি থাকলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যায়, ফলে ঘুমের সমস্যা হয়।
অ্যালকোহল: খালি পেটে অ্যালকোহল পান করা খুবই খারাপ, এতে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। অ্যাসিডিটি, বদহজমের সমস্যা হতে পারে। এছাড়া হৃৎপিণ্ড, লিভারের পাশাপাশি কিডনিকেও প্রভাবিত করে।
শরীরচর্চা: খালি পেটে শরীরচর্চা করাও খুব খারাপ। অনেকেই মনে করেন যে, খালি পেটে ব্যায়াম করলে অনেক বেশি ক্যালোরি ঝরবে। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং খালি পেটে শক্তিও কম থাকে এবং শরীরচর্চাও ঠিকভাবে করা যায় না।
চুইংগাম: খালি পেটে চুইংগাম চিবানো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে পেটে প্রদাহ হতে পারে। এর থেকে ডাইজেস্টিভ অ্যাসিড তৈরি হয় এবং খালি পেটে এটি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সম্ভাবনা বাড়ে।
কফি: সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে। কিন্তু খালি পেটে কফি পান করা একেবারেই উচিত নয়। এর ফলে বুক জ্বালা, গ্যাস ও হজমের সমস্যা হতে পারে।
রক্তশূন্যতা কমায় লাল শাক
লাল শাক শীতকালীন সবজি হলেও আজকাল সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি ভাজি, রান্না সবভাবেই খাওয়া যায়। নিয়মিত লালশাক খেলে নানা ধরনের রোগ-বালাই দূরে থাকে। প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরা এই শাক শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়।
নিয়মিত লাল শাক খেলে যেসব উপকারিতা মেলে-
১. দাঁতের হলদেটে ভাব কাটাতে লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজতে পারেন। এরপর লবণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে দাঁতের মধ্যে থাকা হলদেটে ভাব কেটে যায়। এছাড়াও দাঁতের অনেক রোগ দূর হয় লাল শাক খেলে।
২. লাল শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা চোখের রেটিনার ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। যারা গ্লুকোমিয়ায় ভূগছেন তাা নিয়মিত লাল শাক খেলে উপকার পাবেন।
৩. লাল শাক ভালো করে বেটে তার মধ্যে এক চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি খান। এতে চুল পড়ার সমস্যা কমে।
৪.নিয়মিত লাল শাক খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়াও রক্ত পরিশুদ্ধ হয়।
৫. লাল শাক শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। তাই কেউ যদি রক্তশূন্যতায় ভোগেন তাহলে নিয়মিত লাল শাক খেতে পারেন।
সমকাল, ৮/৮/২২
নাক ডাকা ও হৃদরোগের সম্পর্ক
ঘুমের মধ্যে নাক ডাকাই হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠতে পারে। ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা একটি প্রকট সমস্যা। আমাদের আশপাশের অনেক মানুষকেই এ সমস্যায় ভুগতে দেখি। তবে ভাবনার বিষয় হচ্ছে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকাকে অনেকে সমস্যা মনে না করে গভীর ঘুমের লক্ষণ মনে করে থাকে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে নাক ডাকা প্রশান্তিময় ও তৃপ্তিদায়ক ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোসহ আর নানাবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। মধ্যবয়স্ক পুরুষদের ৪০ ভাগ এবং নারীদের ২০ ভাগ জীবনের কোনো না কোনো সময় ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি বাচ্চাদেরও অনেক সময় ঘুমের মধ্যে নাক ডাকতে দেখা গেছে। লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে যিনি ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন তিনি তা টের পান না। কিন্তু তার পাশে যিনি থাকেন তিনি বিরক্ত বোধ করেন।
নাক ডাকা সমস্যার কিছু কারণ : ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিপথে কোনো বাধা পেলে বাতাস শ্বাসযন্ত্রে কাঁপুনির সৃষ্টি করে। এরই ফলে নাক ডাকার শব্দ হয়। * নাকে পলিপ থাকলে বা সাইনাসের সমস্যা থাকলে নাক ডাকা শুরু হতে পারে। * ওজন বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে গলার চারপাশের চর্বি জমা হয়। * বাচ্চাদের নাকের পেছনে মাংস (Adenoid) বৃদ্ধি পাওয়া। * বয়সের সঙ্গে নাক ডাকার সম্পর্ক আছে। যত বয়স বাড়ে কণ্ঠনালি সরু হতে থাকে। ফলে নাক ডাকা শুরু হয়। * লম্বা টান টান হয়ে শুলেও নাক ডাকে অনেকে। গলার কাছে পেশিগুলো টেনে থাকে না। আলগা হয়ে যায়। ফলে, গলা থেকে নিঃশ্বাস বেরুতে অসুবিধে হয়। * গলার পেশির নমনীয়তা কমে গেলে। * ধূমপান ও অ্যালকোহল এই সমস্যা বাড়ায়।
নাক ডাকার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি : নাক ডাকা রোগীদের সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম উত্তেজিত থাকে। ফলে সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার বেশি থাকে যা পরবর্তীতে স্থায়ী উচ্চরক্ত চাপে পরিণত হতে পারে। * নাক ডাকা রোগীদের হার্ট অ্যাটাক বেশি হয়, হার্ট ফেইলুরের ঝুঁকি বেশি হয়, এমনকি ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মৃত্যুর কারণও হতে পারে নাক ডাকা। * নাক ডাকা রোগীদের হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত হতে পারে। * হার্টের অলিন্দ বড় হয়ে যেতে পারে। * নাক ডাকা রোগীদের ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
নাক ডাকা এড়াবেন কীভাবে : যারা নাক ডাকেন তারা চিৎ হয়ে না ঘুমিয়ে কাত হয়ে ঘুমাতে পারেন। চিৎ হয়ে ঘুমালে গলার পেশি শিথিল থাকে। ফলে নাক বেশি ডাকার আশঙ্কা থাকে। * ওজন কমালেও অনেক সময় নাক ডাকা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। * অ্যালকোহল ও নেশাজাতীয় দ্রব্য পরিহার করতে হবে। * মাথার নিচে কয়েকটি বালিশ দিয়েও নাক ডাকা কমানো যেতে পারে। মাথার নিচে বালিশ দিলে বুকের চেয়ে মাথা বেশি উঁচুতে থাকে। এতে করে নাক ডাকার আশঙ্কা কিছুটা কমে যায়। * ধূমপান করলে শরীরের অক্সিজেন ব্যবহারের ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে বাতাস বের হওয়ার পথ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। এ কারণেও নাক বেশি ডাকতে পারেন অনেকে। তাই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। * নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া। এতে করে ঘুমের সঙ্গে শরীরের এক ধরনের সামঞ্জস্য তৈরি হয়। ফলে অভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়। * ব্যায়াম করলে পেশি, রক্তের চলাচল ও হৃৎপিন্ডের স্পন্দন বাড়ে, ফলে ঘুমও ভালো হয়। * প্রচুর পানি পান করা উচিত। এতে নাকের রন্ধ্রে লেগে থাকা আঠার মতো দ্রব্যগুলো দূর হবে। নাক ডাকাও কমবে।
লেখক : নাক-কান-গলারোগ বিশেষজ্ঞ।
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধানের ঘরোয়া উপায়।
কোষ্ঠকাঠিন্য এমন এক সমস্যা, যা বাকিসব প্রশান্তিকে নষ্ট করে ফেলে। এর ফলে খাবারে অরুচি, খিটখিটে মেজাজ অহরহই দেখা যায়। আবার আমাদের ত্বক ও চুলের সমস্যার জন্যও কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দায়ী। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় বের করতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে কিছু ঘরোয়া উপায় ফলো করে দেখতে পারেন।
লেবু পানি: লেবুর রসের সাইট্রিক অ্যাসিড পরিপাকতন্ত্রে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে ও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম করে। লেবু চিপে রস বের করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে পান করুন অথবা লেবু চা পান করতে পারেন।
পুদিনা বা আদার চা: পুদিনায় মেনথল থাকে, যার রয়েছে অ্যান্টিস্প্যাজমোডিক ইফেক্ট যা পরিপাক নালীর মাংসপেশীকে শিথিল করে। আদা একটি উষ্ণ হার্ব যা শরীরের ভেতরে অধিক তাপ উৎপাদন করে, হার্বালিস্টদের মতে এটি ধীর হজমকে দ্রুত করতে পারে। পুদিনা বা আদার চা খাবার হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
আলুবোখারার জুস: আলুবোখারা মৃদু ল্যাক্সাটিভ হিসেবে কাজ করে। এটি বৃহদান্ত্রের মধ্য দিয়ে বর্জ্য নামাতে মাংসপেশিকে উদ্দীপ্ত করে। আলুবোখারার জুস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেশ কার্যকর।
পাকা কলা: পাকা কলা কোষ্ঠকাঠিন্য সহজে দূর করতে পারে। কারণ কলায় প্রচুর আঁশ থাকে যা এই সমস্যা সহজে দূর করতে পারে। কলার আঁশ শরীরের বৃহৎ অন্ত্র থেকে পানি শোষণ করে। এতে মল নরম হয়।
ক্যাস্টর অয়েল: এই ঘরোয়া চিকিৎসাটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম চলে আসছে। খালি পেটে এক থেকে দুই চা-চামচ ক্যাস্টর অয়েল গ্রহণ করুন এবং আট ঘণ্টার মধ্যে ফল পাবেন।
কফি: কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে কফি পান করে দেখতে পারেন। এতে ভালো কাজ হয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এর অন্যতম কারণ হলো গরম পানীয় বর্জ্যের চলাচলে গতি আনে।
ইসবগুলের ভুসি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর না হলে পানিতে ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেতে পারেন। প্রাকৃতিক উপাদান বলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা কম।
নারীর শরীর সুস্থ রাখবে ৫ খাবার।
নারীকে সামলাতে হয় অসংখ্য চাপ। এখন তো নারী ঘরে-বাইরে সমানতালে সামলে চলছেন। পরিবারের সবার খেয়াল রাখতে গিয়ে নিজের প্রতি খেয়াল রাখতেই ভুলে যান তারা! কোনো সমস্যার লক্ষণ ফুটে উঠলেও ‘ও কিছু নয়’ বলে মনকে সান্ত্বনা দিয়ে থাকেন। এরপর একটা সময় নিজের প্রতি সব অবহেলার চিহ্ন প্রকাশ পেতে থাকে।
সবার খেয়াল রাখা খারাপ কিছু নয়। কিন্তু নিজের যত্ন না নেওয়াটা নিশ্চয়ই ভালো কোনো কাজ নয়। আপনি যখন নিজের খেয়াল রাখবেন, তখন অন্যদের খেয়াল রাখা আরও সহজ হয়ে যাবে। কারণ সুস্থ থাকলে সবকিছুর সমাধান করাও সহজ হয়। নারীকে তার নিজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। সেজন্য খেতে হবে এমন কিছু খাবার যেগুলো তার শরীরের জন্য উপকারী।
জেনে নিন শরীর সুস্থ রাখবে এমন ৫টি খাবার:
১) দই: দই শরীরের জন্য নানাভাবে কাজ করে। এটি অনেকেরই পছন্দের একটি খাবার। দইয়ে আছে ভালো পরিমাণ ল্যাকটোব্যাসিলাস। আমাদের পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে এই উপাদান। দই খেলে তা ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন ও ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে দূরে রাখে। তাই নারীর খাবারের তালিকায় দই রাখা জরুরি।
২) দুধ: বেশিরভাগ নারীর শরীরেই থাকে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি। এমন সমস্যায় সমাধান দিতে পারে দুধ। নারীর খাবারের তালিকায় প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ রাখা জরুরি। কারণ প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে তা শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে কাজ করে।
৩) টমেটো: টমেটো একটি উপকারী খাবার। টমেটোতে থাকে লাইকোপেন নামক উপাদান। এই লাইকোপেন ব্রেস্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের রোগ থেকে দূরে রাখে। তাই নারীর খাবারের তালিকায় যোগ করতে হবে টমেটোও।
৪) আমলকি: ভিটামিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে ভরপুর আমলকি নারীদের প্রতিদিন খাওয়া উচিত। কারণ এটি সহজলভ্য ও উপকারী।এই ফলে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি যা ইমিউনিটি বাড়াতে কাজ করে। সুস্থ থাকতে তাই নারীর খাবারের তালিকায় এই ফল রাখা জরুরি।
৫) বেরি জাতীয় ফল: আমাদের দেশে বেরি জাতীয় ফল খুব বেশি খাওয়া হয় না। কিন্তু এই ফলের উপকারিতা অনেক। বিশেষ করে নারীর খাবারের তালিকায় বেরি জাতীয় ফল রাখতে হবে। এই ফলে থাকে পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অনেক সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। অনেক রোগ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে বেরি জাতীয় ফল।
পূর্বকোণ/সাফা/পারভেজ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dhaka
1217
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 20:00 |
| Tuesday | 08:00 - 20:00 |
| Wednesday | 08:00 - 20:00 |
| Thursday | 08:00 - 20:00 |
| Saturday | 08:00 - 20:00 |
| Sunday | 08:00 - 20:00 |