Kanij Collection
সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। তাই সময়কে মূল্য দিতে শিখুন। এই সময় আপনাকে লক্ষ্যে পৌছে দেবে।
21/05/2026
এই সেই জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী৷ যারা কি না ছোট্ট রামিসার জীবন কেড়ে নিয়েছে৷
স্কুলে যাওয়ার জন্যে সাত বছরের রামিসাকে মা ডাকাডাকি করে৷ কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তার মা এদিক সেদিক খুঁজতে থাকে৷ পরে পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে তার মা দেখে দরজার সামনে রামিসার জুতা পড়ে আছে।
রামিসার মা অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও কেউ ভেতর থেকে দরজা খোলেনি৷ মূলত জাকির ও তার স্ত্রী তখনই এমন নির্মম ঘটনা চালাতে থাকে৷ রামিসাকে অনেক আগ থেকেই টার্গেট করে রাখে জাকির৷ এরপর সুযোগ বুঝে রামিসাকে জোর করে নিয়ে যায় তার বাসায়৷
জাকির ছোট রামিসার সাথে যা করছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতন না৷ যখন দেখলো রামিসা চিৎকার করছে, তখন সে নিকৃষ্ট এক সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর নিজের কাজ আড়াল করতে আরও বিভৎস পথে এগোয়। ছোট্ট রামিসার পুতুলের মতো মিষ্টি মুখটা মনে পড়লেই বুকটা ভার হয়ে আসে।
রামিসার মায়ের দরজায় ধাক্কাধাক্কিতে বাকি কাজ করতে পারে না৷ তখন জাকির বাসার গ্রীল কেটে পালায়৷ যতক্ষন না পালায় ততক্ষন তার স্ত্রী স্বপ্না দরজা খোলেনি৷
ঘটনা গুলো লিখতে গিয়ে হাতটা কাপছিল আমার৷ এরা কি আসলে মানুষ? প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে৷ কয়টার সঠিক বিচার হচ্ছে৷
এই জাকিরের নামে নাটোরে আগেও একটা মামলা ছিলো৷ জাকির জানে এই দেশে তার বাল্ডাও হবে না৷ সে জানে এ দেশে সঠিক বিচার নাই৷ সে জানে দুদিন পর সে বের হয়ে আসবে৷ তারপর অন্য কোনো রামিসাকে টার্গেট করবে৷ লজ্জা থাকা উচিত এ রাষ্ট্রের🥹🥹 #সংগৃহীত ゚
21/05/2026
ইরা মনির ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
ফাহিমা আক্তারের ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
রামিসার ধর্ষককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
কিন্তু তাতে কী হবে? বিচার কোথায়! ধর্ষকরা নিজে স্বীকার করার পরও বিচার তো দেখতে পাচ্ছি না! আমরা আমাদের বাচ্চাদের খন্ডিত দেহ দেখতে পাই, কিন্তু আমারা জানোয়ারদের খন্ডিত দেহ দেখতে পাই না।
আর কত গুনতে হবে বিকৃত লালশার শিকার লাশ! আমরা তো গুণেও শেষ করতে পারব না। 💔😭 ゚
21/05/2026
বন্ধ দরজার ওপাশে যখন রামিসাকে নির্মমভাবে জবাই করা হচ্ছিল, তখন দরজার এপাশে দাঁড়িয়ে এক অসহায় মা পাগলের মতো ডাকাডাকি করছিলেন।দরজার ছিদ্র দিয়ে একটু একটু দেখাও যাচ্ছিল যে ভেতরে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু শত চিৎকারেও সেই নরপশু দরজা খুলছিল না।
মায়ের মন তো, ঠিকই বিপদের আঁচ পেয়েছিল! তাই তো বারবার সন্তানের জন্য বুকফাটা আর্তনাদ করে ডাকছিলেন তিনি। যখন সন্দেহ চরমে পৌঁছায় এবং বারবার ধাক্কা দেওয়ার পরও দরজা খুলছিল না, তখন বাধ্য হয়ে সবাই মিলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
আর তারপর এক নিদারুণ ভয়াবহ দৃশ্য! চোখের সামনে নিজের কলিজার টুকরো, অতি আদরের সন্তানকে এমন বীভৎস অবস্থায় দেখে রামিসার মা মুহূর্তেই সেখানে জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন।
কোন মায়ের পক্ষেই কি এমন দৃশ্য সহ্য করা সম্ভব? নিজের নাড়িছেঁড়া ধনকে এমন অবস্থায় দেখলে কোনো মায়েরই মাথা ঠিক থাকার কথা নয়।এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত নরপশুদের প্রতি তীব্র ঘৃণা! আমরা এই জঘন্যতম অপরাধের কঠিন বিচার চাই!
#সংগৃহীত
21/05/2026
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামির এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে শিশুটির ওপর চালানো নৃশংসতার রোমহর্ষক বর্ণনা দেয় ঘাতক। আদালত পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং বালতি থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, ঘটনার আগে সে ইয়াবা সেবন করেছিল। ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।
20/05/2026
রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিলেন, ঘাতক সোহেল তখন রামিসাকে টুকরো টুকরো করে গুম করায় ব্যস্ত ছিল! কিন্তু দেহটি থেকে মাথা আলাদা করার পরেই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাকে পালিয়ে যেতে হয়। আর এ ঘটনায় তাকে সরাসরি সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না।
মাত্র আট বছর বয়সেই রামিসাকে দুটুকরো হতে হলো পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানার হাতে। ঘটনাটি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার। প্রতিদিনের মতো বড় বোনের সাথে রামিসারও তখন স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই তাকে খুঁজে না পেয়ে বাসার সামনে এক পাটি জুতা দেখে তার মা সন্দেহ করেন—মেয়ে হয়তো পাশের ফ্ল্যাটে। এ সময় দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন।
রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিলেন, ঠিক তখনই ভেতরে চলছিল অপরাধ আড়াল করার নৃশংস চেষ্টা। ঘাতক সোহেল যেন জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতেই দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন তার স্ত্রী স্বপ্না। এরপর দরজা খুলে বাইরে এসে দাবি করেন—তিনি ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন, কিছুই জানেন না!
তবে অভিনয় করে খুব একটা লাভ হয়নি। কারণ ইতিমধ্যেই ঘাতক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সোহেল বিকৃত মানসিকতা ও বিকৃত যৌ'নরুচির হতে পারে; যা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আদরের ছোট মেয়েকে হারিয়ে শোকে যেন পাথর হয়ে গেছেন বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি জানান, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত নির্ভেজাল মানুষ, কখনোই কারও সাতে-পাচে ছিলেন না। এমনকি পাশের ফ্ল্যাটের প্রতিবেশীদের সাথেও তাদের কোনো শত্রুতা তো দূর, ন্যূনতম আলাপ পর্যন্ত ছিল না।
ফুলের মতো একটা নিষ্পাপ শিশুর সাথে এমন পাশবিকতা কীভাবে সম্ভব—নেটিজেনদের এই প্রশ্ন এখন কাঁপিয়ে দিচ্ছে পুরো সোশ্যাল মিডিয়া। এই নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেট দুনিয়ায় তীব্র ক্ষোভের পাশাপাশি উঠেছে নানা রাজনৈতিক প্রশ্নও।
কেউ কেউ বলছেন, দেশে সামাজিক অপরাধের গ্রাফ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ হয়েছেন বলেও দাবি করছেন অনেক নেটিজেন। #সংগৃহীত
20/05/2026
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করেছিল পাশের ফ্ল্যাটের এক দম্পতি। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা (৩৪) এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তারের পর লোমহর্ষক সব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘাতকেরা শিশুটির মাথা কেটে শৌচাগারে লুকিয়ে রেখেছিল এবং শরীরের মূল অংশটি রাখা হয়েছিল খাটের নিচে।
পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, সকালে রামিসাকে স্কুলে নেওয়ার জন্য খুঁজতে গিয়ে বাসার সামনে তার এক পাটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন মা। এতে পাশের ফ্ল্যাটের ওপর তার সন্দেহ হলে তিনি দরজায় জোরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। বেগতিক দেখে মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলে দরজা খোলেন তার স্ত্রী স্বপ্না। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে ঘাতক সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, রামিসাকে হত্যার আগে বিকৃত যৌ'ন নির্যাতন করা হয়ে থাকতে পারে, যার আলামত সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে লাশ খণ্ডবিখণ্ড করা হলেও রামিসার মায়ের তৎপরতায় ঘাতকেরা সফল হতে পারেনি। গ্রেপ্তার স্বপ্না আক্তার ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমানোর দাবি করলেও, তদন্তে জানা গেছে তিনি মূলত স্বামীকে পালিয়ে যেতে এবং দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রেখে অপরাধ আড়াল করতে সরাসরি সহযোগিতা করেছেন। এই নৃশংস ঘটনায় পুরো দেশজুড়েই বইছে তীব্র শোক ও ক্ষোভের ছায়া।
20/05/2026
মেয়ের মায়েরা এটা দেখার পর আর কারো ছাঁয়া ও বিশ্বাস করবেন না।বাচ্চাটাকে দেখে কষ্ট হচ্ছে আমার
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 💔
আগে থেকেই বলে রাখি, যাদের মন খুব নরম তারা লেখাটা না পড়লেও পারেন।
রাজধানী ঢাকার মিরপুর পল্লবীর ঘটনা৷ ক্লাস টুতে পড়ে ছোট্ট শিশু রামিসা৷ প্রতিদিনের মতো তার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করলেন তাদের রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷
রামিসার মা প্রথমে ভাবছে হয়তো পাশের বাসায় খেলতে গেছে কিন্তু সময় গড়িয়ে যাচ্ছে রামিসা ফিরে আসছে না৷ মায়ের মনে অজানা ভয় আসতে লাগলো৷ প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে এদিক সেদিক সবদিকে খুঁজেও মেয়েকে পেলেন না৷
একপর্যায়ে তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটের সামনে পড়ে থাকতে দেখা যায় ছোট্ট রামিসার স্যান্ডেল। তখনই সবার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। দরজার ভেতরে থাকা লোকজনকে অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়া মিলছিল না। অবশেষে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সামনে আসে এমন এক দৃশ্য, যা দেথে কোনো সাধারন মানুষ ঠিক থাকতে পারবে না৷
খাটের নিচে প%ড়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির রামিসা কিন্তু সাথে তার মিষ্টি মু%খখানা ছিলো না৷ আর কিছুক্ষণ পর বাথরুম থেকে পাওয়া যায় মিষ্টি মু%খখানা৷
আর এমন নিকৃষ্ট কাজের পেছনে ছিলো অভিযুক্ত সোহেল রানা৷ যে কি না পেশায় একজন রিকশা মেকানিক, ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
একটি নিষ্পাপ শিশুর সঙ্গে এমন নিষ্ঠুরতা কীভাবে করতে পারে একজন মানুষ?
আমাদের দেশে মেয়েরা কোথায় নিরাপদ বলতে পারবেন? প্রতিদিনই এমন ঘটনা গুলো হচ্ছে৷ এরপরেও কারো ভেতর কোনো ডর ভয় নাই৷ কেনো জানেন? কারণ তারা জানে এ দেশের বিচারে তাদের চুল ছিঁড়া গেলো 🙂 #সংগৃহীত
13/05/2026
দেড় বছরের একটা ছোট বাচ্চা, প্রচণ্ড জ্বরে হঠাৎ ট্রেনের মধ্যেই নিস্তেজ হয়ে যায়। বাবা-মায়ের চোখের সামনে বাচ্চাটা নড়াচড়া বন্ধ করে দিলো।।
ভাবুন তো সেই বাবা-মায়ের মনের অবস্থা? তারা দিশেহারা হয়ে শাহবাগ স্টেশনে নেমে চিৎকার করছিলেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে দেবদূতের মতো এগিয়ে এলেন আনসার সদস্য তরিকুল ইসলাম । তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে বাচ্চাটাকে নিজের কোলে তুলে নেন।।
যখন সবাই শুধু দেখছিল,,,
তরিকুল ভাই তখন নিজের পেশাদারিত্ব আর মানবিকতা দেখালেন। তিনি বাচ্চাটার মুখে মুখ লাগিয়ে শ্বাস (CPR/Rescue Breath) দিতে শুরু করেন। একদম নিজের সন্তানের মতো চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন তিনি।।
আলহামদুলিল্লাহ!
কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটা নড়ে ওঠে,পরে ফিরে পায় চেতনা।।একটা পরিবারের অন্ধকার ঘরে আবার আলো ফিরে এলো।।।
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এই কথাটি তরিকুল ভাই আজ বাস্তবে প্রমাণ করে দিলেন। ইউনিফর্মের নিচেও যে একটা বিশাল বড় মানবিক হৃদয় থাকে, উনি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।।
অসংখ্য ধন্যবাদ মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে এমন দক্ষ আর মানবিক মানুষ নিয়োগ দেওয়ার জন্য।।।
তরিকুল ভাইয়ের এই বীরত্ব কোটি মানুষের হৃদয়ে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।।।
সবাই তরিকুল ভাইয়ের এই মহান কাজের জন্য একটা ধন্যবাদ লিখে যাবেন এবং দোয়া করবেন প্লিজ।।
ভালো কাজ সবার জানা উচিত।।।
ছবি #সংগৃহীত
04/05/2026
সব বান্ধবীরা মিলে, বউ সাজে,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Uttara
Dhaka
1230