Ad Deen Foundation

Ad Deen Foundation

Share

দ্বীন প্রচারে নিবেদিত

09/10/2024

বয়স্কদের দ্বীনী ইলম অর্জনের জন্য পাঁচটি পদ্ধতি

বয়স্কদের দ্বীনী শিক্ষার ব্যাপারে থানভী রাহ. বলেছেন, বর্তমানে লোকদের এত হিম্মত এবং সময়-সুযোগও নেই যে, নিয়মতান্ত্রিকভাবে আলেম হবে। এজন্য দ্বীন শেখা ও শেখানোর এমন একটা সহজ পদ্ধতি বলে দিচ্ছি, যার দ্বারা সাধারণ মানুষ ইলম অর্জনের ফরয দায়িত্ব আদায় করে উভয় জাহানের সফলতা অর্জন করতে পারে। ইলম অর্জনের জন্য পাঁচটি পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে :

১. দ্বীনী বই-পুস্তক পড়া কিংবা অন্যকে দিয়ে পড়িয়ে শোনা।
২. পরিবারের লোকজনদেরকে নিজে পড়ানো কিংবা অন্যকে দিয়ে পড়ানোর ব্যবস্থা করা।
৩. উলামায়ে কেরাম থেকে বিভিন্ন বিষয়ে মাসআলা জিজ্ঞেস করা।
৪. ওয়াজ শোনা।
৫. বিশেষজ্ঞ আলেমদের সোহবতে থাকা।

-তুহফাতুল উলামা, ৪৩১

15/09/2024

মাজারকেন্দ্রীক নাজায়েয কাজসমূহ

*যে কোনো মাজারওয়ালা বা কবরবাসী, এমনকি ওলী-বুযুর্গ হয়ে থাকলেও তার কাছে কিছু চাওয়া শিরক। কেননা, দুআ ও সাহায্য প্রার্থনা শুধু আল্লাহ তাআলার কাছেই করা যায়। দুআ একটি ইবাদত। আর সমস্ত ইবাদত আল্লাহ্র জন্য নির্ধারিত। সূরা ফাতিহায় আছে-
اِیَّاكَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاكَ نَسْتَعِیْنُ.
আমরা আপনারই ইবাদত করি এবং আপনারই কাছে সাহায্য চাই। [সূরা ফাতেহা (১) : ৪]

*মাজার ও কবর দান-সদকার জায়গা নয়। সেখানে দান-সদকার টাকা দিয়ে বহুবিধ শিরক এবং বিদআত কাজ সংঘঠিত হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে মাজারে দান করার মানে এসকল গুনাহে সহযোগিতা করা। আর দানের উদ্দেশ্য যদি মাজারওয়ালার নৈকট্য অর্জন বা কোন উপকার লাভ করা হয় তবে তো এভাবে দান করাটাই শিরকের অন্তর্ভুক্ত। তাই মাজারে টাকা পয়সা দেওয়া থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

*‘মান্নত’ একটি ইবাদত। নামায, রোযা, দুআ করা এগুলো যেমন ইবাদত, যা একমাত্র আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যেই তাকে সন্তুষ্ট করার জন্যই করা জরুরি। তদ্রূপ ‘মান্নত’ও কেবলমাত্র আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে তাঁর নামেই হতে হবে। কোনো মাজার, পীর বা কোনো সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বা তার সন্তুষ্ট কামনার্থে মান্নত করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত।

*অলী-পীর বা মাজারবাসী কারো কোনো প্রয়োজন পূরণ করতে পারে না। কাউকে সুস্থতা দিতে পারে না। আরোগ্য দান করা, মসীবত দূর করা এগুলো কেবলমাত্র আল্লাহ তাআলারই বৈশিষ্ট্য। কোনো মাখলুকের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য আছে মনে করা শিরক। মাজারে মান্নত করলে মাজারওয়ালা খুশি হবেন, অসুখ ভালো হয়ে যাবে এমন ধরাণা সম্পূর্ণ শিরক। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, (তরজমা) আল্লাহ যদি তোমাদের উপর কোনো কষ্ট আরোপ করতে চান তাহলে তিনি ব্যতীত তা খণ্ডানোর মতো কেউ নেই। আর যদি তিনি কোনো কল্যাণ দিতে চান তাহলে তাঁর অনুগ্রহ রহিত করার মতো কেউ নেই। তিনি স্বীয় বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন । তিনিই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।-সূরা ইউনুস : ১০৭

08/08/2024

দুনিয়ায় এবং মানুষের জীবনে ভালো-মন্দ যা কিছু ঘটে সবকিছু লওহে মাহফুযে লিখিত তাকদীর অনুযায়ীই ঘটে। কাজেই কোনো অপ্রীতিকর ঘটনায় অতিরিক্ত দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় মানবীয় দুর্বলতাবশত মনে তো কিছুটা কষ্ট জন্মেই থাকে। কিন্তু সেই কষ্টকে জিইয়ে রাখা কিংবা অতিরিক্ত দুঃখবোধের শিকার হওয়া উচিত নয়। বরং সবকিছুই আল্লাহর ফায়সালায় হয় এ বিশ্বাস মনে জাগরূক রেখে ধৈর্য ধারণ করা কর্তব্য। তদ্রূপ কোনো কিছুর অর্জনে স্বাভাবিক আনন্দবোধ মানুষের স্বভাবজাত। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু স্বাভাবিক আনন্দের স্তর পেরিয়ে উল্লসিত হওয়া এবং অর্জিত বিষয়কে কেবলই নিজের প্রচেষ্টার ফল মনে করার অবকাশ নেই। বরং অর্জিত বিষয় আল্লাহর দান ভেবে শোকর করা কর্তব্য। সুলাইমান আলাইহিস সালাম আল্লাহর শুকর আদায় করেছে। কিন্তু নমরুদ দাম্ভিকতা দেখিয়েছে। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। এটিই ভারসাম্যপূর্ণ পথ। আল্লাহ তাআলা বলেন-

مَاۤ اَصَابَ مِنْ مُّصِیْبَةٍ فِی الْاَرْضِ وَ لَا فِیْۤ اَنْفُسِكُمْ اِلَّا فِیْ كِتٰبٍ مِّنْ قَبْلِ اَنْ نَّبْرَاَهَا اِنَّ ذٰلِكَ عَلَی اللهِ یَسِیْرٌ، لِّكَیْلَا تَاْسَوْا عَلٰی مَا فَاتَكُمْ وَ لَا تَفْرَحُوْا بِمَاۤ اٰتٰىكُمْ وَ اللهُ لَا یُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُوْرِ.

পৃথিবীতে এবং তোমাদের প্রাণের উপর যে মসিবতই আসে, তা একটি কিতাবে (লওহে মাহফুযে) লিপিবদ্ধ আছে, আমি তা সৃষ্টির বহু পূর্বেই। এটি আল্লাহর পক্ষে অতি সহজ। (তোমাদের এ বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হল) যেন তোমরা যা হারাও বা না পাও তার জন্য মুষড়ে না পড়ো। এবং যা আল্লাহ তোমাদের দান করেন তার জন্য উল্লসিত না হও। আল্লাহ কোনো দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। -সূরা হাদীদ (৫৭) : ২৩-২৪

এখন আমাদের কাজ হল, দেশের জন্য কাজ করা। দেশের শান্তির জন্য দুআ করা। উন্নতির জন্য দুআ করা। আর কোনো অপশক্তি যেন আমাদের স্বাধীন দেশকে পরাধীন করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা।

اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي ثَمَرِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّنَا،

আয় আল্লাহ! আমাদের ফল-ফসলে বরকত দিন। আমাদের শহরে বরকত দিন। আমাদের ‘ছা’-এ বরকত দিন। আমাদের ‘মুদ্দ’-এ বরকত দিন।-সহীহ মুসলিম, হাদীস ৪৭৩

اللهم ضع في أرضنا بركتها وزينتها وسكنها

‘হে আল্লাহ! আমাদের মাটিতে প্রাচুর্য দিন, শোভা ও শ্যামলিমা দিন, শান্তি ও নিরাপত্তা দিন’।

আমীন-

Wo Gunah Jis Sa Noor-E-Eman Salab Kia Jata Ha | M***i Taqi Usmani | sidra Jahan dad 06/07/2024

এ যুগের সবচেয়ে বড় ফেতনা।

Wo Gunah Jis Sa Noor-E-Eman Salab Kia Jata Ha | M***i Taqi Usmani | sidra Jahan dad Wo Gunah Jis Sa Noor-E-Eman Salab Kia Jata Ha | M***i Taqi Usmani | sidra Jahan dadWo Gunah Jis Sa Noor-E-Eman Salab Kia Jata Ha | M***i Taqi Usmani | Sidra ...

31/03/2024

قال النبي ﷺ
তোমরা রমযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ কর।

21/03/2024

বোন ভাতিজা, ভাগনে, চাচা, মামা, ফুফু, খালা, শ্বশুড়-শাশুড়ী প্রমুখ আত্মীয় স্বজন গরীব অসহায় হলে তাদেরকে যাকাত দেওয়া যাবে।

তবে নিজের পিতা-মাতা,দাদা-দাদী, নানা-নানী, প্রমুখ ঊর্ধ্বতন আত্মীয় স্বজন এবং ছেলে, মেয়ে, নাতি, নাতনি প্রমুখ অধস্তন আত্মীয়-স্বজন গরীব হলেও তাদেরকে যাকাত দেওয়া জাযেয হবে না। স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে যাকাত দিতে পারবে না।

19/03/2024

হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা-প্রতারণা ও গুনাহের কাজ ত্যাগ করে না আল্লাহ তাআলার নিকট তার পানাহার থেকে বিরত থাকার কোনো মূল্য নেই।’-সহীহ বুখারী, হাদীস ১৯০৩;

11/03/2024

اللهُمّ أَهِلّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ، وَالسّلامَةِ وَالْإِسْلامِ، رَبِّي وَرَبّكَ اللهُ.

আয় আল্লাহ, আপনি এই হিলালকে আমাদের জন্য ঈমান ও ইসলাম এবং শান্তি ও বরকতের সঙ্গে উদিত করুন। (হে চাঁদ!) আমার ও তোমার রব আল্লাহ। জামে তিরমিযী, হাদীস ৩৪৫১;
আলহামদুলিল্লাহ।

রমাদান মুবারাক

24/02/2024

শবে বরাত প্রসঙ্গে একটি প্রশ্ন-উত্তর
প্রশ্ন ১ : আমি এক কিতাবে পড়েছি যে, শবে বরাত বিষয়ক সকল হাদীস ‘মওযু’। ইবনে দিহয়ার উদ্ধৃতিতে কথাটা ওই কিতাবে লেখা হয়েছে।

উত্তর : এটা একটা ভুল কথা। ইবনে দিহয়া কখনো এমন কথা বলতে পারেন না। যিনি তার উদ্ধৃতিতে এ কথা লিখেছেন তিনি ভুল লিখেছেন। ইবনে দিহয়া শুধু এটুকু বলেছেন যে, শবে বরাতে বিশেষ নিয়মের নামায এবং সে নামাযের বিশেষ ফযীলতের যে কথাগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত, তা মওযু। তাঁর মূল আরবী বক্তব্য তুলে দিচ্ছি :

أحاديث صلاة البراءة موضوعة

‘শবে বরাতের বিশেষ নামায সংক্রান্ত বর্ণনাগুলো মওজু।’

(তাযকিরাতুল মওজুআত, মুহাম্মাদ তাহের পাটনী পৃ. ৪৫)

আল্লামা লাখনৌবী রাহ. ‘আল আছারুল মারফুআ ফিল আখবারিল মওজুআ’ (পৃ. ৮০-৮৫)তে পরিষ্কার লিখেছেন যে, ‘শবে বরাতে রাত্রি জেগে ইবাদত করা এবং যেকোনো নফল আমল যাতে আগ্রহ বোধ হয় তা আদায় করা মুস্তাহাব। এ বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই। এ রাতে মানুষ যত রাকাআত ইচ্ছা নামায পড়তে পারে, তবে এ ধারণা ভুল যে, এ রাতের বিশেষ নামায রয়েছে এবং তার বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। যেসব বর্ণনায় এ ধরনের কথা পাওয়া যায় সেগুলো ‘মওযু।’ তবে এ রাত একটি ফযীলতপূর্ণ রজনী এবং এ রজনীতে ইবাদত-বন্দেগী করা মুস্তাহাব-এ বিষয়টি সহীহ হাদীস থেকেও প্রমাণিত। মোটকথা, এ রাতের ফযীলতকে অস্বীকার করা যেমন ভুল তদ্রূপ মনগড়া কথাবার্তায় বিশ্বাসী হওয়াও ভুল।’

আল্লামা শাওকানীও ‘আল ফাওয়াইদুল মাজমূআ’ পৃ. ৫১)তে এই ভুল ধারণা সংশোধন করেছেন।

প্রশ্ন ২ : একজন আলিমের কাছে শুনেছি যে, শবে বরাতে কবরস্থানে যাওয়া ‘মাসনূন’ নয়। আর আজকাল যেভাবে এ রাতে কবরস্থানে মেলা বসানো হয় এবং মহিলারাও বেপর্দা হয়ে সেখানে গিয়ে ভিড় করে, তা তো একেবারেই নাজায়েয।

প্রশ্ন এই যে, যতটুকু নাজায়েয তা তো অবশ্যই নাজায়েয, কিন্তু যদি মহিলারা বেপর্দা না হয় এবং কোনো গুনাহর কাজও সেখানে না হয় তবুও কি এ রাতে কবর যিয়ারত মাসনূন বলা যাবে না? হাকীমুল উম্মত ‘ইসলাহুর রুছূম’ কিতাবে একে ‘মাসনূন’ লিখেছেন।

মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ

09/01/2024

সাইয়িদুল ইসতিগফার-

اللّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ.

‘ইয়া আল্লাহ! আপনি আমার রব। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। আমি যথাসাধ্য মেনে চলব আপনার বিধান ও ফরমান।

আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি নিজ কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে। স্বীকার করছি আমাকে প্রদত্ত আপনার সকল দান আর স্বীকার করছি আমার পাপ। কাজেই আমাকে ক্ষমা করুন। আপনি ছাড়া আর কেউ নেই, যে গুনাহসমূহ ক্ষমা করতে পারে।’

হযরত শাদ্দাদ ইবনে আওস রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
যে এই কথাগুলো দিনের বেলা মন থেকে বলে আর ঐ দিন সন্ধ্যার আগে মারা যায়, সে জান্নাতীদের শামিল হবে। তেমনি যে তা রাতের বেলায় মন থেকে বলে আর ভোর হওয়ার আগেই মারা যায় সে জান্নাতীদের শামিল হবে। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৩০৬, ৬৩২৩

06/01/2024

একদলের ক্ষমতা ধরে রাখা আরেকদলের ক্ষমতায় যাওয়ার নেশায় পুড়ছে দেশের জনস্বাধারণ। ক্ষমতার নেশা তাদেরকে হিংস্র করে তুলেছে। কেও কাওকে ছাড় দিতে নারাজ। "গনতন্ত্র"এর কথা মুখে আওড়ালেও মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কোনো মূল্য এদের কাছে নেই।

31/12/2023

একটি নতুন বছরের আগমন জীবনের নির্ধারিত সময় থেকে একটি পূর্ণ বছর বিয়োগ হওয়ার বার্তাবাহক। তাই ফূর্তি নয়, দরকার মুহাসাবার।

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka