Insaf71.com
�"রাসূল ﷺ বলেছেন - প্রচার কর, তা যদি একট?
এবার মিয়ারে হক নিয়ে মুখ খুললেন ---- মুফতি আমির হামজা
28/08/2023
সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন : ঐতিহাসিক বাস্তবতা
-মু.আতাউর রহমান সরকার
১৯৯৮ সালে চট্রগ্রাম মহানগরী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির, ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ ঢাকায় এসে বেগম খালেদা জিয়া, হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদ,অধ্যাপক গোলাম আযম ও আল্লামা আজিজুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎকার করে ছাত্র ঐক্য গঠন করার পরামর্শ দেন।এরপর ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের যৌথ প্যানেল ছাত্রলীগের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে। এতে ছাত্রদল ভিপি (আশিক উর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম)সহ ৮ পদে,ছাত্রশিবির জিএস( সানাউল্লাহ মজুমদার), এ জিএস(শহিদুল ইসলাম) সহ ১১ পদে বিজয়ী হয়।রাত ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে টালবাহানা করায় শিবির ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে ডিসি বাংলো ঘেরাও করে ফলাফল ঘোষণা করতে বাধ্য করে।
নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ ঢাকায় এসে বেগম খালেদা জিয়া, হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, অধ্যাপক গোলাম আযম ও আল্লামা আজিজুল হকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতৃবৃন্দকে( নাসির উদ্দীন পিন্টু,শাহাবুদ্দিন লাল্টু,এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, নুরুল ইসলাম বুলবুলকে সাথে নিয়ে সাক্ষাৎকার করে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করার পরামর্শ প্রস্তাব দেন।
এরপর বেগম খালেদা জিয়া ও অধ্যাপক গোলাম আজম এর একান্ত ইচ্ছায়,দেশ বাঁচাতে ছাত্র ঐক্য গঠন হয়।এরপর ২০০১ সালের শুরুতে সরকার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ১০ টি ছাত্র সংগঠন নিয়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলেছিল।জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,ইসলামী ছাত্রশিবির, জাতীয় ছাত্র সমাজ, ইসলামী ছাত্র মজলিস, ইসলামী ছাত্র মোর্চা, জাগপা ছাত্রলীগ, পি এন পি ছাত্রদল,বাংলাদেশে ছাত্র শক্তি,মুসলিম ছাত্রলীগ, ইসলামী ছাত্র সমাজ ও গণতান্ত্রিক ছাত্রলীগ ছিলো অন্যতম।
২০০১ সালের অক্টোবরে ৪ দলীয় জোটের বিজয় সেই আন্দোলনের ফসল।
নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর ছাত্রনেতৃবৃন্দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত ছিলো। ২০০৫ সালে ৬৩ টি জেলায় বোমা হামলার পর আবারো সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যকে চাঙা করা হয়।২০০৮ সালের নির্বাচনে ছাত্র ঐক্য ভূমিকা রাখে।সেনা সমর্থিত সরকার যদিও সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কারচুপি করে ক্ষমতায় নিয়ে আসে।
আমি ২০০৫-২০০৬ সালে বি-বাড়ীয়া জেলা সভাপতি,২০০৭-২০০৮ সালে কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি থাকাবস্থায় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সদস্য সচিব ছিলাম।আমরা জেলা সদর ও প্রতিটি উপজেলায় বড় বড় ছাত্র সমাবেশ করেছি।
২০০৯ -২০১০ সালে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সকল রাজনৈতিক দলের মহাসচিব ও ছাত্রসংগঠনের সাথে যোগাযোগ করে ছাত্র ঐক্য গঠন করার অনুরোধ করা হয়েছিল।২০১০ সালে চিন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১ জানুয়ারি সম্মেলনে ১৯ টি ছাত্র সংগঠন অংশ গ্রহণ করেছিল। সে সময় বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন,জাতীয় পার্টীর কাজী জাফর আহমেদ, ইসলামী মোর্চার মুফতি ফজলুল হক আমিনী, জাগপা প্রধান শফিউল আলম প্রধান,পিনপি প্রধান শওকত হোসেন নিলু,খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইসহকাকের সাথে শিবির সভাপতি রেজাউল করিম, সেক্রেটারি জেনারেল শিশির মনিরের নেতৃত্বে শিবির নেতৃবৃন্দ সাক্ষাৎ করে ছাত্র ঐক্য গড়ে তুলে জালিম সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে অনুরোধ করে। জাতীয়বাদী ছাত্র দলের সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দীন টুকু,শফিউল বারী বাবুর অনিহার কারণে ছাত্র ঐক্য আর আলোর মুখ দেখেনি। ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের সাথে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছিলাম ২০১১ সাল পর্যন্ত। ছাত্রদল ছাড়া বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে একাধিকবার।ছাত্রদল নিজ থেকেই বিরত ছিলো।এরপর ২০১১-২০২৩ বিভিন্ন সময়ে নানান উদ্যোগ নিয়েছে ছাত্রশিবিরসহ কয়েকটি ছাত্রসংগঠন। অদৃশ্য কারণে যা আলোর মুখ দেখেনি। যার পরিণতিতে বাকশালি ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে আজ।
দেশ আজ গভীর সংকটে নিপতিত। জগদ্দল পাথরের মতো বুকে চেপে আছে শেখ হাসিনা সরকার। গণতন্ত্রকে হত্যা করে হত্যা,গুম,বিনা বিচারে মাসের পর মাস কারারুদ্ধ করে রাখা,বিচারিক হতাকান্ডসহ, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নেই ক্যাম্পাসগুলোতে। এমতাবস্থায় নানান মত নানান মত দেশ বাঁচাতে ঐক্যমত শ্লোগানকে সামনে রেখে দেশের মানুষের মুক্তি চাইলে আবারও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ছাত্র সমাজকে।গড়ে তুলতে হবে সুদৃঢ় ঐক্য। কোনো বিভ্রান্তি কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণই বয়ে আনবে।এ ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। কারো পাতা ফাঁদে পা দেয়া যাবেনা
https://www.bvnews24.com/opinion/news/103939
15/10/2022
সত্য সংবাদ পেতে follow করে পাশে থাকুন।
আল্লামা সাঈদী ও মাওলানা মামুনুল হকের মুক্তি চাই দিতে হবে।
09/02/2022
আমরা সুমাইয়া (রাঃ) এর স্লোগান দেখিনি।
কিন্তু মুসকানের স্লোগান দেখেছি। ওহে বোন মুসকান! তোমার স্লোগান বিশ্বের ৩০০ কোটি মুসলিমদের হৃদয়ে জাগ্রত করেছে তাওহীদের স্লোগান। আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবর।
তুমিই আমাদের এ-যুগের সুমাইয়া রাঃ।
তুমি প্রমান করেছ, আমরাই সেরা।
শাহবাগে “ক তে কাদের মোল্লা, তুই রাজাকার তুই রাজাকার” বলে শ্লোগান দেয়া মেয়েটা একদিন ধুপ করে প্রেমে পড়ে গেল। কার প্রেমে পড়লো জানেন? স্কুলের সামনের লাইব্রেরিতে পত্রিকায় মুড়িয়ে কিশোর কণ্ঠ দিয়ে যাওয়া ছেলেটার। ছেলেটার গায়ের রঙ ফর্সা, থুতনিতে হাল্কা দাঁড়ি আছে। ঠোঁটের আগায় সবসময় হাসি লেগে থাকে। সে যখন কথা বলে, লোকজন তন্ময় হয়ে শোনে। এই গুণটাই বোধহয় মেয়েটাকে টানে। অথচ, ছেলেটা যা কিছুই বলে কোনোটাই মেয়েটার পছন্দ না। ছেলেটা বলে, কাদের মোল্লা নাকি একজন ভালো মানুষ, তাকে নাকি প্রহসন করে মারা হয়েছে! মেয়েটার গা জ্বলে যায়, খানিকটা রাগে আর বাকিটা রোদে। কসাই কাদের কী করে ভালো মানুষ হয়? ভরা কোলাহলে শ্লোগান দিয়ে উঠতে ইচ্ছে হয় মেয়েটার। কিন্তু পারে না। প্রেম তার গলা রুদ্ধ করেছে।
রোজ ছেলেটাকে একটু একটু করে আরো বেশি ভালোবেসে ফেলে মেয়েটা। ছেলেটার চলনবলন ভালো। সিগারেট খায় না। মদ, গাঁজা তো ছোঁয়ার কথা না মোটেই। আজান হলেই মসজিদে ছোটে। কারো সাথে ঝগড়াঝাটি করে না। মেয়েটা মনে মনে ভাবে, ও একাই কি এমন? ওর দল তো রগ কাটে, কখনো ঝামেলা হলে ওর পিছু নিয়ে গিয়ে দেখবো কি? ও যে কাটে না, তার কী গ্যারান্টি? নাহ, ওকে দেখে এমনটা মনে হয় না। শুভ্র সুন্দর একটা ছেলে। ভদ্র। এমন জামাই নিয়ে গেলে নির্ঘাৎ বাবা আনন্দে শহীদ হয়ে যাবেন। মেয়েটার মনে নানারকম স্বপ্ন আনাগোনা করে। আবার এক অজানা ভয়, শঙ্কা তাকে চেপে ধরে। সে আমায় পছন্দ করবে? আমি তো ওর মনের মত নই! হিজাবও পরি না, নামাজের সময় হলেও নিঃসাড় পড়ে থাকি, ছেলেদের সাথে ঘুরে বেড়াই, ওর প্রিয় নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই! আবার নিজেকে অভয় দেয় মেয়েটা। কেন পারবে না পছন্দ করতে? ওর অনেক জিনিসও তো আমি পছন্দ করি না। ও যেই দল করে, উগ্রবাদী চিন্তা লালন করে, ওর পাকিস্তানপ্রীতি, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার, কতো কী! সেসব আমি মেনে নিলে ও কেন মেনে নেবে না?
মেয়েটা ডায়রিতে খসখস লিখে যায়।
❝একটা ছেলেকে ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি। এই কথাটা আগে লিখছি, কারণ এটা গুরুত্বপূর্ণ। বাকিগুলো যাতে ভালোবাসাকে ছাপিয়ে না যায়, তাই গুরুত্বপূর্ণ। ছেলেটা শিবির করে। খুব ভোরে সানশাইন লাইব্রেরীতে খবরের কাগজে মুড়িয়ে কিশোর কণ্ঠ দিয়ে যায়। কিশোর কণ্ঠ খারাপ বই না, কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের বই তো! ছেলেটার হাসি সুন্দর, কথা সুন্দর। সে যখন কথা বলে, আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনি। সেদিন বলছিলো–'বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের সূর্য সন্তানদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার।' আমি সেই সময় তার চেহারায় সূর্যের আলোর ঝিকিমিকি খেলা দেখছিলাম। আচ্ছা, আমি কি বোকা? নাকি আমি প্রেমে পাগল হয়ে গেছি! টিএসসিতে যখন সেতু, আকিব, রীতুদের সাথে বসবো, আমি কি আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জোর গলায় কথা বলতে পারবো? আমি কি ঘোর পাপ করছি? ভালোবাসা কি পাপ?❞
..
বেশ কয়েক মাস পর। মেয়েটা আবার ডায়রী লিখতে বসেছে। তোর চোখভর্তি পানি। নিজেকে নিজে বারবার বলছে, “আমার মত মেয়েরা কখনো কাঁদে না, আমি কেন কাঁদছি! এই বেহায়া ভালোবাসা আমাকে কোথায় নিয়ে এলো!”
ডায়রিতে পুনরায় কলম চলে খসখস করে।
❝আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি। ছেলেটা শিবির করে। স্বাধীনতাবিরোধী দল। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি। তারপরও আমি তাকে ভালোবাসি। পাগলের মত ভালোবাসি। এখন আমি সেই ছেলেটির জন্য কাঁদছি। তাকে পুলিশ গুলি করেছে। শুনেছি অবস্থা আশঙ্কাজনক। কেন যেতে হলো তাকে? এই মিছিলে না গেলেও তো হত, বলুন? কাদের মোল্লার কী হবে না হবে তাতে তার কী? তার জীবন মূল্যবান না? তার নিজের কাছে নিজের জীবনের মূল্য নেই। কিন্তু আমার কাছে তো আছে। আমি তার জন্য কাঁদছি, অঝোরে কাঁদছি। এই কষ্টটুকুর কথা তার কাছে কে পৌঁছে দেবে? সে এর আগেও দু'বার জেল খেটেছে। বের হওয়ার পর আমি বেশ কয়েকমাস তাকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখেছি। শিবিরের ছেলেদের খুব মারে রিমান্ডে, এমনটা শুনেছি। আগে শুনে তৃপ্তি পেতাম, ওকে দেখার পর সহ্য করতে পারিনা। ভালোবাসা একটা ব্যাধি। ও এখন কেমন আছে? ও কি বাঁচবে? আরেকবার কি ওকে দেখবো? ওকে দেখার জন্য আমার চোখ জ্বলে যাচ্ছে। আজ সেতু, আকিব, রীতুরা ফোন করেছিলো। গণজাগরণে যেতে। আমি যেতে পারিনি। আমি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারিনা এখন আর। ভালোবাসা আমার মেরুদণ্ড ক্ষয় করে ফেলেছে।❞
#কাছে_আসার_গল্প_৩
আসিফ মাহমুদ
Asif Mahmud
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the place of worship
Telephone
Address
Dhaka
4770