ABC TV
This is ABC TV Digital content creator
প্রকৃতির বিচিত্র বিস্ময়, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, ঐতিহাসিক স্থাপনা বা ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীসহ , যে কোনো কিছুর অজানাকে জানতে, আমাদের সাথে থাকুন।
ABC TV
পবিত্র জেরুজালেম শহরের আল আকসা মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ইহুদি, খ্রিষ্টান এবং ইসলামের মত পৃথিবীর প্রধান তিন ধর্মের মানুষের কাছেই এই জায়গাটি অত্যন্ত পবিত্র। ইহুদিদের কাছে এই জায়গাটি টেম্পল মাউন্ট নামে পরিচিত। এর কারণ হল, ইহুদিরা মনে করে এখানেই প্রথম এবং দ্বিতীয় জুইশ টেম্পল বা ইহুদি মন্দির ছিল। এবং তাদের থার্ড টেম্পল বা তৃতীয় মন্দিরও এখানেই নির্মিত হবে। বর্তমানে এখানে থাকা ওয়েস্টার্ন ওয়াল ইহুদিরদের উপাসনার জন্য অন্যতম পবিত্র স্থান। খ্রিষ্টানরা মনে করে যিশু খ্রিষ্ট এখানে থাকা দ্বিতীয় মন্দিরে ধর্ম প্রচার করেছেন। মুসলিমদের কাছে মক্কা ও মদিনার পরেই আল আকসা তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত। মুসলিমরা বিশ্বাস করে, ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী হয়রত মুহাম্মদ (সা) মিরাজের রাতে এখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই টেম্পল মাউন্ট প্রঙ্গনে মসজিদে আকসা ছাড়াও ইসলাম ধর্মের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ডোম অব দা রক বা মসজিদে গম্বুজে সাখারা অবস্থিত।
তিন ধর্মের পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হলেও, উগ্র ইগুদিরা আল আকসা মসজিদ ভেঙে এখানে তাদের তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করতে চায়।
উগ্র পস্থী ইহুদিরা কিভাবে মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান দখল করে তা ধ্বংসের পায়তারা করছে, সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এই পর্বে।
২০০৪ সালে সুমাত্রার কাছে হওয়া ৯.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল জাপান, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা থেকে আফ্রিকার উপকূল পর্যন্ত। সারা পৃথিবী নাকি সেদিন এক সেন্টিমিটার কেঁপে উঠেছিল! এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইন্দোনেশিয়ার কাছে সমুদ্রগর্ভের ৩০ কিলোমিটার নিচে, এবং তা থেকে তৈরি ৩০ মিটার উঁচু সুনামির ঢেউয়ে মারা গিয়েছিল ২ লাখেরও বেশি মানুষ। এটি ছিল আমাদের রেকর্ড করা ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে তৃতীয় শক্তিশালী।
আমাদের বাংলাদেশ ভারতীয়, ইউরেশীয় এবং মিয়ানমার টেকটনিক প্লেটের মাঝে আবদ্ধ। ফলে এই প্লেটগুলোর নড়াচড়ার ফলে আমাদের দেশে মাঝেমাঝেই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তা ছাড়া ভারতীয় এবং ইউরেশীয় প্লেট দুটো হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে রয়েছে এবং ১৯৩৪ সালের পর তেমন কোনো বড় ধরনের নাড়াচাড়া প্রদর্শন করেনি। এ কারণে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন এই প্লেট দুটো হয়তো নিকট ভবিষ্যতে নড়ে উঠবে যা বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণ হবে। টেকটনিক প্লেটের অবস্থান দেখলে বোঝা যায় যে আমাদের উত্তর ও পূর্বে দুটো বর্ডার বা টেকনিক্যাল ভাষায় ‘ভূচ্যুতি’ রয়েছে যা বাংলাদেশের ভূমিকম্পের কারণ। এ জন্য বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল তথা সিলেট, ময়মনসিংহ এবং তৎসংলগ্ন এলাকা প্রবল ভূমিকম্পপ্রবণ। এর বাইরে ঢাকা ও রাজশাহী অঞ্চলও ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা।
১৮৯৭ সালের ১২ জুন ৮.৭ মাত্রার ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েক’ ভারতবর্ষকে আঘাত হানে যা আজও পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ভূমিকম্প হিসেবে পরিচিত। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের শিলং শহর তবে এর প্রভাব বর্তমান বাংলাদেশসহ বহু দূর পর্যন্ত অনুভূতি হয়েছিল। সে সময়ের ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন মিশনারির বিল্ডিং ভেঙে পড়েছিল এই ভূমিকম্পের কারণে। এ ছাড়াও ঢাকায় ৪৫০ জনের মত নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল যা সেই সময়ের তুলনায় রীতিমত অনেক বড় সংখ্যা।
ভূমিকম্পগুলোর একটা বৈশিষ্ট্য এ অঞ্চলে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মোটামুটি প্রতি একশ বছর পরপর এই অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ১৯১৮ সাল ছিল সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পের বছর। এরপর প্রায় এক শ’ বছর কেটে গেছে কিন্তু আর কোন বড় ভূমিকম্প আঘাত করেনি বাংলাদেশকে যা বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। অনেক আবহাওয়াবিদ এটাও মনে করেন যে ছোট ছোট ভূমিকম্প বড় ভূমিকম্পের বার্তা বহন করে। সে হিসেবে বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প যে কোন সময় আঘাত হানতে পারে। আর যদি সেটা ঘটে, তাহলে সেটার ভয়াবহতা হবে মারাত্মক।
তবে স্মরণকালের ইতিহাসে গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছে বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। উৎপত্তিস্থল নেপালের লামজং এ এর মাত্রা ছিলো ৭.৯। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে এই কম্পনে কেঁপে উঠেছিলো প্রবলভাবে। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও ভুটানেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্প প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক!
সৌদি আরবের আল-কাসিম শহরের একটি খেজুর বাগানে 200,000 এরও বেশি খেজুর গাছ রয়েছে এবং তা আল্লাহর পথে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই বাগানে 45 জাতের খেজুর রয়েছে, বার্ষিক উৎপাদন 10,000 টন খেজুর। এই বাগানটি পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বড় ওয়াকফ খেজুর বাগান। এই বাগান থেকে আয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদ নির্মাণ, সেবামূলক কাজে এবং পবিত্র দুই মসজিদে (মক্কা ও মদিনায়) ইফতারের আয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
এই বাগানটি আল্লাহর পথে উৎসর্গ করেছেন সৌদি আরবের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি "সুলাইমান আল রাজি"।
পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ একটি ফল খেজুর। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ, ভিটামিন, মিনারেল ও ডায়েটরই ফাইবার যা রক্তস্বল্পতা দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
রোজাদারদের ইফতারের প্রধান অনুষঙ্গও খেজুর। সারা দিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা দেখা দেয়, যা ইফতারের সময় পূরণ করতে হয়। আর খেজুর সেটি দ্রুত পূরণে সাহায্য করে।
বৈজ্ঞানিক বিষয়টি ছাড়াও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মুসলমানদের কাছে খেজুর অতি প্রিয় ও পবিত্র একটি ফল। খেজুর গাছের দেশ সৌদি আরবে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) জন্ম গ্রহণ করেছেন। শিশুকাল থেকে খেজুরই ছিল তার খাদ্য তালিকার প্রধান একটি অংশ।
সেই সৌদি আরবেই রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেজুর বাগান। সারি সারি প্রায় দুই লাখ খেজুর গাছের সমারোহে গড়ে উঠেছে এই বাগানটি।
আরব নিউজ ডট কম জানিয়েছে,মধ্য সৌদি আরবের আল-কাসীম প্রদেশের রাজধানী বুরাইদা শহরের কাছে এই বাগানটি অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৫ হাজার ৪৬৬ হেক্টর। এ বাগানে ৪৫ প্রকারের খেজুর উৎপাদিত হয় বলে জানা গেছে।
#খেজুরবাগান
পাকিস্তান বিগত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে , পাকিস্তানের কাছে এখন মাত্র তিন সপ্তাহের খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করার মত টাকা আছে , পাকিস্তানের মানুষ খাবার কেনার জন্য মারামারি করছে , আটা কেনার জন্য মানুষ ট্রাকের পিছনে ছুটছে এবং গ্যাস সিলিন্ডার কেনার মত টাকা নেই বলে মানুষ বেলুনে ভরে গ্যাস নিয়ে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে এমন সব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী বলছে পাকিস্তান বিগত ৫০ বছর ধরে ভিখারির মতো থালা পেতে আছে , পাকিস্তানের যে অবস্থা তাতে যেকোনো সময় হয়তো দেশটির অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে |
পাকিস্তানের বর্তমান দুরবস্থার পেছনে মোটা দাগে তিনটি কারণ রয়েছে, রাজনৈতিক বিপর্যয় অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং জলবায়ু বিপর্যয় , পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থা দেশটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত , সেজন্য পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা দরকার ,
অতীতে আমাদের বাংলাদেশের ভাগ্য তাদের অস্থির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল , পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হলেও দেশটির প্রথম সাধারণ গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭০ সালে , কারন এই দীর্ঘ সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ কঠোরভাবে দমন করেছে সামরিক শাসন চলতে থাকার কারণে পাকিস্তানের বরাবরই সাধারণ জনগণের চেয়ে সামরিক বাহিনীকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান আর্মি দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির মিলিটারি জেনারেল প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বেশি ক্ষমতা রাখে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এত ক্ষমতাবান হলো কিভাবে এবং দেশের রাজনীতিতে তাদের এত দাপট কেনো তা বুঝতে হলে আবারও সেই পাকিস্তান স্বাধীনতার সময় ফিরে যেতে হবে
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের আইন বিভাগ শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের সকল শাখার আনুষ্ঠানিক প্রধান এবং বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর কমান্ডারীন চিফ বা সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া প্রতিটি বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতিক্রমেই আইনে পরিণত হয় সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রতির ক্ষমাপ্রদর্শনের বিশেষ অধিকার রয়েছে সেই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের যে কোন আদালত ট্রাইবুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কোন ব্যক্তিকে দন্ড দিলে রাষ্ট্রপতি সেই দণ্ড স্থগিত অথবা রাস করার ক্ষমতা রাখেন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর সর্বোচ্চ পদমর্যাদা চ্যান্সেলর ১৯৯২ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর
১৯৯১ সালের সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতেন বর্তমানে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হন ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপতির বেতন ভাতা ও সুবিধাদি আইন নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালে ১৯৭৫ সালের ১২ই জুলাই জাতীয় সংসদে এই আইনটি পাস করা হয়েছিল
পিগমি মধ্য আফ্রিকার একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী যারা প্রধানত হ্রস্বকায় বলে বিশেষভাবে পরিচিত। বলা হয় এরা আফ্রিকার আদিমতম জাতিগোষ্ঠী। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও এদের অস্তিত্ব ছিল। ফিলিপাইনের ইয়েতা আদিবাসীরা মূলতঃ পিগমি। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জেও পিগমিদের অস্তিত্ব আছে। এরা আছে পাপুয়া নিউগিনিতেও। পিগমি বলতে সাধারণভাবে হ্রস্বকায় যে কোন প্রাণী বোঝানো হলেও পিগমি মূলতঃ বামনাকৃতির জঙ্গলবাসী একটি সুপ্রাচীন মানবসম্প্রদায়। খ্রীস্টপূর্ব ২২৫০ সনের একটি চিঠিতে পিগমিদের উল্লেখ পাওয়া যায়। সভ্যতার ক্রমবিকাশের ধারায় বিংশ শতাব্দীরেত এই জাতিগোষ্ঠী বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে পিগমিদের সংখ্যা ১ লক্ষের বেশি হবে না। এদের উচ্চতা সব্বোর্চ্চ সাড়ে চার ফুট হয়ে থাকে ; প্রাপ্তবয়স্ক আর শিশুর মধ্যে উচ্চতার তফাৎ করা তাই কঠিন। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, পিগমিদের এ খর্বাকৃতির কারণ হলো, শরীরের উচ্চতা বাড়ানোর জন্য যে ইনসুলিন জাতীয় আইজিএফ নামের উপাদানটি কাজ করে, পিগমিদের ক্ষেত্রে তা ঘটে না। এ কারণেই এরা ক্রস্বকায় হয়ে থাকে। জঙ্গলে পিগমিরা নিজেরাই ঘরবাড়ি তৈরি করে। তাদের ঘরবাড়িগুলোও আকারে-উচ্চতায় ছোট হয়।
২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের বিখ্যাত চলচ্চিত্র এভাটার , কল্পকাহিনী ভিত্তিক সেই সিনেমায় পেন্ডোরা নামের এক ভিনগ্রহের কিছু পাহাড় দেখা যায় , এমনই অদ্ভুত দর্শন পাহাড় আমাদের পৃথিবীতেও আছে , বাস্তবের এই এভাটার পাহাড় দেখা যাবে চীনের হুনান প্রদেশের ঝাঞ্জিয়াজিতে , শুধু অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয় ঝাঞ্জিয়াজি জাতীয় উদ্যানে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে উচু আউটডোর এলিভেটর , সবচেয়ে স্কাইওয়াক বা কাঁচের ব্রিজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ কেবল কার |
চীনের তিয়ানজি পর্বতমালা। অবাক করা সৌন্দর্যের আধার। লম্বা আর চিকন পর্বতমালা দেখলে স্থানটিকে অন্য গ্রহ বলে মনে হয়। একটি পাহাড় অন্যটিকে ছাড়িয়ে উপরের দিকে উঠে গেছে। যেন আকাশ ছোঁয়ার প্রতিযোগিতা। সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়া এই পর্বতমালাকে বলা হয় ‘The Monarch of the Peak Forest’
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Dhaka
1230