Ramen Rio

Ramen Rio

Share

we serve home made japanese & korean style Ramen with all halal ingredients.

28/08/2026

বড়টা আর মেঝটা কোথা থেকে জানি কেচি পেয়ে সামনের দিকের চুল নিজেরাই নিজেদেরটা কেটে ফেলছে। 🥲
এখন ওদের বকা দিতে গেলে আম্মু খালি বাঁকা গালে হাসে।

শুধু এটাই না। এরা যতো আকাম করবে সব আকামের পর আমি বকা দিলে আম্মু কেমন জানি একটা তৃপ্তির হাসি হাসে। খুবই ক্রিপি।

কাইন্ড অফ "আমারে যে জালাইছিলি সেগুলা ভুইল্লা গেছস? এখন বুঝ কেমন লাগে।"

সেদিন বড়টাকে ৩টা মোমো দিছি। তাতে সে রাজি না। তাকে ৫টা দিতে হবে। অথচ সে ৩টার বেশি খেতে পারবে না আমি জানি। কিন্তু ওর পেটের ক্ষুদার চেয়ে মনের ক্ষুদা বেশি। 😴

হিস্টোরি রিপিটস।

এখন কথা হচ্ছে আমার পোলাপাইন না হয় আমার স্বভাব পাইসে। তাইলে আমি কার স্বভাব পাইসিলাম? 👀

28/08/2026

আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ।
যারা ক্যাশ অন ডেলিভারি নিবেন অনুগ্রহ করে ভাংতি রাখবেন।

কারন রাইডাররা তো দোকানদ্বার না। তাই সব সময় তাদের কাছে খুচরা থাকে না। তাদের কাজ শুধু ডেলিভারি দেয়া।

যদি ভাংতিতে খুব সমস্যা হয় তাহলে আমাদের বিকাশ নগদ পেমেন্ট সিস্টেম আছে। সেখানেও আপনি ইজিলি পে করতে পারবেন। যাস্ট বিকাশ চার্জ তখন আপনাকে বিয়ার করতে হবে।

এত কষ্ট করে রাস্তাঘাট পার করে পার্সেল নিয়ে যাওয়ার পর যদি ভাংতির জন্য নানান হ্যাসেল ও রুড ব্যবহার সহ্য করতে হয় তাহলে ব্যাপারটা দুঃখজনক।

আপনি ভাংতি না দিলে কিংবা রাইডার রেগে গিয়ে ডেলিভারি কমপ্লিট না করলে আল্টিমেটলি লস কিন্তু আপনাদের কারো না বরং আমাদের মাথায় এসে পড়বে।

অথচ একটু কোঅপারেটিভ হলে কিন্তু চাইলেই এই ঝামেলাটা এড়ানো যায়।

কালকের জন্য এখনো অর্ডার নেয়া হচ্ছে। স্লট সীমিত।

28/08/2026

আমরা মেয়েরা খুব সরল সোজা।

আমরা যাস্ট একটা ভালো ছেলে চাই। যেই ছেলেটা কেয়ারিং হবে, বদমেজাজি হবে না। আমি রাঁধতে জানি কিংবা না জানি সে যেন তাতে এডজাস্ট করে নেয়। মাঝে মাঝে সে নিজেই রেঁধে খাওয়াবে।

খুব বেশি টাকা পয়সা ওয়ালা হওয়া লাগবে না। এত টাকার লোভ নাই আমাদের। যাস্ট বিভিন্ন ডে তে একটু গিফট টিফট দিবে। মান্থলি আমার ফেসিয়াল ও বিউটি কেয়ারের খরচটা দিবে। নতুন যে ড্রেস আসবে সেটা সে নিজ থেকেই আমার জন্য কিনে আনবে। মাঝে মাঝে একটু রেস্টুরেন্টে খাইতে নিয়ে যাবে আর টুকটাক ট্যুরে নিয়ে যাবে। এইতো!

পড়াশুনায় আমি ফেলটুস হলেও ডাজেন্ট ম্যাটার। মেয়েদের পড়াশুনা দিয়ে কিছু আসে যায় না। কিন্তু পাত্র অবশ্যই এডুকেটেড ও ভাল জব হোল্ডার হওয়া লাগবে।

ওহ হ্যাঁ! ছেলে একটু সুন্দর লম্বা চওড়া বডি শডি ওয়ালা হলে মন্দ না। তবে আমি ভুতুম পেঁচা হলেও ছেলের মন উদার হওয়া লাগবে। মনের ভালোবাসাই আসল ভালোবাসা। রূপ সৌন্দর্য আর কয় দিনের। 😴

আর গাড়ি বাড়ির চাহিদা এগুলো বেসিক জিনিস। এগুলো তো আর বলা লাগে না।

তাছাড়া আমাদের তেমন কোনো চাহিদা নেই।
আমরা মেয়েদের মন পনিরের মতন। এই সাদা মনে কোনো কাদা নাই। বিয়ে শাদীর সময় বেটাদের মতো এত প্যাচ আমাদের মনে থাকে না। 🤌

27/08/2026

প্রথম প্রথম সব কিছুই যেন একটু টাফ লাগে।
যেমন আমার বড় মেয়েটাকে যখন প্রথম প্রথম খাবার খাওয়ানো শুরু করেছিলাম তখন কি খাওয়াবো কেমনে খাওয়াবো সেগুলো নিয়ে সারাদিন গবেষনা করতাম।

এরপর নানান অনলাইন ক্লাসও করি। প্রতিদিন ওর জন্য কি রান্না করব সেটা নিয়ে মাথা ব্যথা হয়ে থাকতো। আবার খাবারটা হেলদি হচ্ছে কি না এসব নিয়ে টেনশনে থাকতাম।
ওকে এত বেছে বেছে খাওয়াইছি দেখেই মেইবি মেয়েটা এখনো খাবার নিয়ে picky.

এরপর যখন মেঝটা আসছে তখন প্রেশার কিছুটা কম লাগতো। কারন আগে থেকেই জানি কেমনে কি কি খাওয়ানো লাগবে। হাতের নাগালে যা পাই সেটাই দিন গুনে গুনে খাওয়ায়ে অভ্যস্ত করেছি।

এখন আসছে ছোটটা। ওর বেলায় তো আরো ফ্লেক্সিবল।
আমরা যা খাই সেটাই ধুয়ে ভাতের সাথে কচলে খাওয়াই দেই। আম্মু মাঝে মাঝে খিচুরি বানায় সেটাও খাওয়াই।
ফল যা আনে সেগুলাও খাওয়াই। এত হিসাব নিকাশ করি না। যেদিন যেটা সহজ খাইয়ে দেই।

আমাদের পনিরেও সেইম সিচুয়েশন। প্রথম যখন একেক ব্যাচে ২৫ কেজি আনা শুরু করেছি তখন খুব প্রেশার লাগতো। এরপর হায়েস্ট ১২৫ কেজিও দিয়েছি এক ব্যাচে। তাই এখন ২৫ কেজি ডালভাত লাগে।

এখন যেই প্রিমিয়াম প্যাকেজিংটা এনেছি এটাও কিছুটা টাফ লাগছে। তবে ব্যাপার না। এটাও একদিন সব কিছুর মতো ইজি হয়ে যাবে আশা করি।

শনিবারের জন্য তাজা পনিরের অর্ডার নেয়া হচ্ছে।

27/08/2026

মানুষ দিন দিন অমানুষ হয়ে যাচ্ছে 😪

এক মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বহুতল ভবন থেকে লাফ দিয়ে সুই*সাইড করেছে। ষোলো হাজার মানুষের মধ্যে প্রায় তিন হাজার মানুষ সেখানে হাহা দিয়েছে। কমেন্টে ঢোকা যাচ্ছে না একেকজনের রসিকতার ঠেলায়!

লেখকের যদি রাইটিং ব্লক হতে পারে, পুলিশ যদি ক্রাইম করতে পারে, আইনজীবীর নামে যদি মামলা হতে পারে তাহলে একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কি মন খারাপ বা ডিপ্রেশন হতে পারেনা? এটা কোন বইতে লেখা আছে?🙂

আমার মনে হয় বর্তমানে ডাক্তারদের একটা বড় অংশ ডিপ্রেশনে ভুগে। এদের একাডেমিক প্রেশার, প্রফের চিন্তা, একটার পর একটা আইটেম, ওয়ার্ড হাবিজাবি মিলে স্টুডেন্ট লাইফ যায় যাঁতাকলে। এরপর জব লাইফ আরো দুরূহ! যা বেতন পায় তা দিয়ে শহরে একজনেরই চলা কঠিন।

অনেকে এসে বলবেন যে তাহলে এতো ভিজিট কারা নেয়! ভাইরে, ওগুলো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। ওই অবদি যেতে একেকজনের ছাল-চামড়া উঠে যায়। ক'দিন পরপর যে দেখি ডাক্তারদের মারধোর করে এটা দেখে আমার আসলেও খারাপ লাগে। সরকারি হাসপাতালে গেলে দেখবের রোগীর যে চাপ, হাসপাতালে যে গ্যানজাম আর যে অবস্থা তাতে ডাক্তাররা চিকিৎসা দেয় এটাই অনেক।

দু'দিন আগেই দেখলাম প্রসূতি ওয়ার্ডে রোগীর চারপাশে বসে বাড়ির মহিলারা ভাত খাচ্ছে। এখন গিয়ে ডাক্তার বা নার্স যদি দাঁত পিষে তাহলেই তারা খারাপ🙄

ভাইবেন না কারো পক্ষ নিয়ে লেখলাম বা কেউ আমাকে পে করেছে। আমার বিবেকে যা বলেছে তাই বললাম। খারাপও আছে তবে আমরা সচেতন না হলে কোনোকিছুরই পরিবেশ পরিবর্তন সম্ভব না। বিদেশে গিয়ে দেখেন, একপাতা নাপা জোগাড় করতে আপনার কতোগুলো সই করে কতোটা ফার্মেসিতে দৌড়ানো লাগে।

27/08/2026

আমাদের এলাকায় একবার আনারস দিয়ে চোর ধরেছিল।
এক কাজের মেয়ে নাকি দুধ চুরি করে খাইতো। তো একদিন মালিক তাকে ধরে ফেলেছে। কিন্তু কাজের মেয়ে স্বীকার করতে নারাজ। পরে আনারস এনে দিছে খাওয়ার জন্য।

কারন আনারস আর দুধ তো একসাথে খাওয়া যায় না। খেলে নাকি বিষ হয়ে যায়। মানুষ মারা যায়। যদি মেয়েটা এখন আনারস খেতে অস্বীকার করে তাইলে ও দুধ চুরি করেছে প্রমানিত হবে। আর যদি খেয়ে নেয় তাহলে তো মালিকের দাবি মিথ্যা।

পরে মেয়েটা ভয়ে আর খায় নাই। এভাবে ফেঁসে গেছে। 😂

এখন বাস্তবেই আনারস দুধ একসাথে খেলে বিষক্রিয়া হয় কি না জানিনা। কিন্তু পনির আনারস একসাথে খেয়ে দেখেছি। কোনো সমস্যা লাগেনি।

দুধ চোর ধরার উপায় থাকলেও পনির চোর ধরার কোনো উপায় জানা নেই। তাই আপনারা যারা পনির নিবেন খুব সাবধানে সংরক্ষন করবেন। জানেনই তো এইটা কি পরিমান এডিক্টিভ।

একবার কারো মুখে স্বাদ লেগে গেলে পরে আর ভাগে পাবেন না। 😜

শনিবারের জন্য তাজা পনিরের অর্ডার নিচ্ছি।

26/08/2026

মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করে এত কথা এত কাহিনী আমি কোথা থেকে পাই।
আরে বইন! আমার ডেইলি কমপক্ষে ১০০ মানুষের সাথে ডিল করা লাগে। সেখান থেকে ১/২ টা কাহিনী বের করা কোনো ব্যাপারই না।

একটু আগেও এক রাইডার কল দিছে কাস্টমার নাকি ফোন ধরে না। পরে আমি সাথে সাথে কাস্টমারকে ফোন দিলাম। কাস্টমার ঠিকই ধরেছে।
এখন আবার রাইডারে ফোন ধরে না।

অনেক আগে একবার এক নবাবকে দিয়ে রামেন ও মোমো ডেলিভারি দিতে পাঠাইসিলাম। বেশ কয়েকটা পার্সেল দিয়েছিলাম। এজেন্সিতে সম্ভবত নতুন জয়েন দিসে। সেটা তো আর আমি জানিনা।

তো নবাব সাহেবে আমার রামেন মোমোকে বিরিয়ানির পেকেট মনে করে কাস্টমারদের বাসায় বিলি করে আসছেন। একটা পার্সেলেরও নাম ঠিকানা চেক করেনি।

যাকে যেটা ইচ্ছা গছিয়ে দিয়ে চলে আসছেন। ভাগ্য ভালো কাস্টমাররা ভদ্র মানুষ ছিলেন। উনারা রাগ হননি। যে যেটা পেয়েছেন ওটাই খেয়ে নিয়েছেন।

আরেকবার এক কাস্টমার তো রামেনই পাননি। উনাকে যাস্ট ব্রথের ডিব্বা ধরিয়ে দিয়ে চলে আসছিল। আর আরেক কাস্টমার ব্রথ ছাড়া শুধু রামেন পেয়েছিল।

হোম মেইড ফুড নিয়ে অনলাইন বিজনেস করা আসলেই খুব কষ্টসাধ্য।

কালকের জন্য মোমোর অর্ডার নেয়া হচ্ছে

26/08/2026

বাংলাদেশের অধিকাংশ মহিলাদের মধ্যে না খেয়ে মহান সাজার একটা বাতিক আছে🫤

একেবারে গরিব ঘর থেকে শুরু করে খান্দানী বাড়ির বউদেরও এই বাতিক আছে। বাড়িতে চারজন মানুষ, চারটা ডিম রানলে কোনো এক ছাওয়ালকে একটা ডিম বাড়তি খেয়ে নিজে খাবেনা। চারপিস মিষ্টি থাকলে একটা মিষ্টি পড়ে পড়ে খটখটা হবে তাও মুখে তুলবেনা।

সারাদিনের কাজকাম শেষে পাড়ার আড্ডায় বসে যখন আরেক বাড়ির বউ বলবে "চেহারাটা দিন দিন শুকায়ে যাচ্ছে ভাবি, কিছু খান না নাকি গো?" তখন মুখে গর্বের হাসি এনে বলবে "বাড়িত তোমার ভাই সব আইনে থোয়। আমারই মনে চায় নারে বোন"। যেন না জানি কত খুশির সংবাদ।

অবশ্য বর্তমান জেনারেশন নিয়ে আমি আশাবাদী। ওইদিন এক ভিডিও দেখলাম এক আপুর বাচ্চা খাচ্ছে না দেখে সে নিজে বাচ্চার খাবার খেয়ে নিছে। 🥴
আরেক আপু জামাইয়ের সাথে রাগ করে তার সামনে ভাত খায়নি ঠিকই। কিন্তু লুকিয়ে ফুড পান্ডা থেকে অর্ডার করে এনে পেট ভরে খেয়ে নিয়েছে। জামাই টেরই পায় নাই।

মাঝেমাঝে রিভিউ পাই, আমাদের এক-দেড় কেজি পনির আপারা নিজেরাই ঘুরেফিরে খেয়ে ফেলে।🫡
এমন কাস্টমারদের নিয়ে আমরা প্রচুর প্রাউড ফিল করি। 😁 হ্যাটস অফ টু ইউ আপুরা! 😎

26/08/2026

দেখবেন যেদিন অবসর থাকবেন সেদিন একটুও ঘুম আসবে না। কিন্তু যেদিন কাজ থাকবে কিংবা পড়াশুনা থাকবে সেদিন ঘুমের চোটে তাকাতে পারবেন না।

আমার আজকে সেইম অবস্থা হয়েছে। কালকে মোমোর অর্ডার আছে অথচ কিমা রেডি করা নাই। এখন কিমা বানাতে যে যাব সেই এনার্জি পাচ্ছি না।
ঘুমে ডুলে পড়ে যাচ্ছি। 🤧

কালকের জন্য মোমোর অর্ডার নেয়া হচ্ছে।

26/08/2026

আজকে প্রিমিয়াম প্যাকেজিং করতে করতে আমার অবস্থা খারাপ। ঘাড় একেবারে ব্যথা হয়ে গেছে।

এই প্যাকেজিংটা লঞ্চ করেছিলাম মূলত নির্দিষ্ট কিছু কাস্টমারের সুবিধার্থে। এখন দেখছি সবারই সেইম সুবিধা দরকার। 🥹

মনে হচ্ছে আগের প্যাকেজিং বাদ দিয়ে এই প্যাকেজিং এ শিফট হয়ে যাওয়া লাগবে। কারন আজকে রেগুলার বক্স থেকে প্রিমিয়াম বক্সের অর্ডার বেশি ছিল।

এই প্যাকেজিং এর জন্য আমার এখন আলাদা আরেক লোক রাখা লাগবে মনে হচ্ছে। খুবই সময় সাপেক্ষ কাজ।

তবে নতুন কিছু আনতে পেরে খুব ভালো লাগছে। সবাই এটা এত পছন্দ করবে ভাবিনি।

নেক্সট শনিবারের জন্য তাজা পনিরের অর্ডার নেয়া হচ্ছে।

Website

Address


Dhaka