Ramen Rio
we serve home made japanese & korean style Ramen with all halal ingredients.
27/05/2026
বাচ্চার মায়েদের বলব, আপনারা আপনাদের চঞ্চল ছেলে মেয়েদের খুব নজরে নজরে রাখবেন।
খারাপ মানুষের ভয় তো আছেই। পাশাপাশি ঈদের সিজনে বেশি এক্সিডেন্ট ঘটে অন্যান্য দিক দিয়ে। যেমন মা বাচ্চাকে উঠানে খেলতে ছেড়ে দেয়। বাচ্চা পুকুরে পরে যায়।
অনেক সময় খেলতে খেলতে আশপাশের গর্তে পরে যায়।
কিংবা গাড়ির নিচে পরে যায়।
এই রকম নানান এক্সিডেন্টের সংখ্যাও কিন্তু কম না।
আবার ঈদের সময় ছুরি বটি এসব জিনিসের কাজ যেহেতু থাকে এগুলা বাচ্চাদের হাতের নাগালের বাইরে রাখবেন।
আমি শশুড়বাড়িতে আসার পর থেকে বাচ্চাদেরকে প্রচুর নজরে নজরে রাখতেসি।
ওরা দুষ্টামী করবে ঘর নোংরা করবে সেসবের ভয় করতেছি না। এখানে একটু পর পরই ভিক্ষুকরা এসে দরজায় কড়া নাড়ে। আবার ঈদের দিন অনেক ভিক্ষুক আসবে গোশত নিতে। এজন্য চিন্তায় আছি।
এখানে মেইন গেইট অলওয়েজ খোলা থাকে। পরিচিত অপরিচিত, ময়লা ওয়ালা, মাছ ওয়ালা, ভাঙ্গারী ওয়ালা, ভিক্ষুক, পাগল এমনকি কুকুর বিড়াল যার যেমনে মনে চায় উপরে উঠতে পারে।
কয়েকবার চেষ্টা করেও কাউকে গেট লক সিস্টেমে অভ্যস্ত করা গেল না। এজন্য নিজেদের ফ্ল্যাটের গেইটেই লক সিস্টেম করেছি।
আমাদের মেইন রুমে একটা দরজা আছে যেটা দিয়ে পাশের ফ্লাটে যাওয়া যায়। মেয়েরা বার বার ওই গেট খুলে ফেলে।
পরে ওইখানে একটা তালা ঝুলাইলাম। আমার মেয়েগুলাও কম পাজি না। বার বার বুঝাচ্ছি অপরিচিত কেউ আসলে দরজার সামনে যাবা না। দাদু দাদা কথা বলবে। তোমরা আম্মুর কাছে চলে আসবা।
কিন্তু এরা কেউ আসলে সবার আগে গেইটের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। আমি গিয়ে বার বার টেনে টুনে নিয়ে আসি।
এদিকে শশুড় শাশুড়ি বয়স্ক মানুষ। উনাদেরকে বার বার বর্তমান নানান ঘটনা শুনিয়ে যাচ্ছি যেন উনারা সাবধান থাকেন বাচ্চাদের ব্যাপারে।
চিন্তা করেছি ঈদের দিন গোশত পেকেট করার সময় ওদের কেউ সাথে বসিয়ে দিব। যেন আমার আশেপাশে থাকে। কাজ করে। এতে আমার নজরে থাকবে। এদিক সেদিক যাবে না। ময়লা যা হবে পরে গোসল করালেই চলে যাবে।
এই বয়সি বাচ্চাদের এক ঘরে আটকে রাখা যায় না।
মুরুব্বিরা কে কি ভাববে সেই চিন্তা পরে আগে আপনার বাচ্চার নিরাপত্তার চিন্তা করবেন।
গেলে তো আপনারটাই যাবে। অন্যরা কয়েকদিন হায় হুতাশ করবে। কিন্তু আপনার তো পুরা জীবনটাই এলোমেলো হয়ে যাবে।
27/05/2026
অতঃপর নিজেদের টাকায় কেনা আমাদের প্রথম গরু।
যেখানে কারো কোনো শরিকানা নেই।
i can't express how much emotional i am right now! 😭
এইটা আমাদের একটা স্বপ্ন ছিল, একদিন নিজেদের টাকায় আমরা আস্ত একটা গরু কুরবানী দিব।
ভদ্রলোক যখন গত বছর উনার চাকরিটা ছেড়ে বিজনেসে ইনভলভ হবার সিদ্ধান্ত নেন তখন নানান জনের নানান অভিমত।
চাকরির জন্য তখন আরো বেটার অপরচুনিটি আসলে আমি বাধা দেই। আমার খালি মনে হয়েছে উনার বিজনেস করার ক্যাপাবিলিটি আছে। যাস্ট একটু হেল্প ও পুশ করা দরকার।
তাছাড়া আমার পক্ষেও এভাবে একা কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না।
ওই সময় কারো কারো ভাব এমন ছিল যেন বউয়ের কথা শুনে উনার বিশাল ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। কত ভাল চাকরি ছিল! সেখানে না গিয়ে বউয়ের কথায় ব্যবসায় নামছে!
দেখা যাক কদিন টিকে।
গত বছর যখন আমরা নিজেদের টাকায় একটা ছাগল কিনি তখন ভদ্রলোকের মনটা একটু ছোট হয়ে গেছিল।
আশেপাশে সবাই গরু কিনেছে। কেউ কেউ ছাগল দিচ্ছি দেখে বাঁকা হাসি হাসছে।
এর আগে শরিকানায় সব সময় গরু দিয়ে এসেছে। কিন্তু গতবার ব্যবসায় ইনভেস্ট করে উনার হাত ফাকা। আবার পরিচিত কারো হেল্পও পাচ্ছিল না।
আমি বার বার উনাকে সাহস দেই যে, আল্লাহ আমাদের নিজেদের টাকায় যেটুক সামর্থ্য দিয়েছেন সেটাই কম কিসের! এটাতেই শুকরিয়া করেন। কুরবানী তো আল্লাহর খুশির জন্য দিচ্ছি। মানুষকে দেখানোর জন্য না।
সেদিন থেকে ঠিক করেছি,
আল্লাহ যখন গরু কেনার সামর্থ্য দিবেন তখন একাই একটা কিনবো আর মন প্রাণ উজার করে সবাইকে খাওয়াবো।
কিন্তু সেই দোয়া যে আল্লাহ এত জলদি কবুল করে নিবেন সেটা কল্পনাতেও ভাবিনি।
এবারও ছাগল দেবারই কথা ছিল। এমনকি সকালেও উনি ৪টা ছাগল কিনবেন বলে হাটের উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন।
কিন্তু হাটে গিয়ে এই গরুটা পছন্দ হয়ে গেছে। জমানো টাকা যা ছিল সবটা দিয়ে লাস্টে গরু কিনে আনছেন।
বাসার নিচে এসে আমাকে ফোন দিয়ে চাপা স্বরে বলতেছেন, "তামীমা! নিচে নামবা? এসে দেখে যাও তোমার পছন্দ হয় কি না!"
এরপর দুই মেয়েকে নিয়ে রেডি হয়ে শশুড় শাশুড়ী সহ নিচে নেমে দেখি এই ঘটনা। 🥹
পুরাই সারপ্রাইজড!
উনাকে পরে বললাম, "সব টাকা যে এখানে ঢেলে দিলেন ঈদের পর তাহলে মাল সামানা কিনবেন কি করে?"
ভদ্রলোক বললেন, " চিন্তা করিও না। আল্লাহ রিযিকে যেহেতু এটা রেখেছেন তাহলে ওটারও কোনো না কোনো ব্যবস্থা হয়ে যাবে।"
খুব বেশি কথা বলিনি। কিন্তু মনে মনে খুশিতে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল 😭।
জানিনা সামনে আবার এমন সামর্থ্য থাকবে কি না। কিন্তু আল্লাহর কাছে চাই আল্লাহ যেন আমাদের দিন দিন আরো বড় গরু কেনার সামর্থ্য দেন। আমাদের কোরবানী কবুল করে নেন।
আমাদের ঈদের আমেজ শুরু হয়ে গেছে।
আপনাদের কার কি খবর?
অগ্রীম ঈদ মোবারাক সবাইকে 🥰
এবার আমার চালের রুটির কথা মনেই নাই।
এদিকে ঈদের দিন শশুড় আব্বা চালের রুটি দিয়ে গোশত খেতে খুব পছন্দ করেন।
নিজে যে বানাবো সেই পরিস্থিতিতে নাই।
এদিকে কোনো প্রস্তুতী ছাড়াই ঢ্যাং ঢ্যাং করে শশুড়বাড়ি চলে আসছি। 🤦♀️
যাত্রাবাড়িতে কেউ কি চালের রুটি সেল করেন?
অথবা আজকে বানিয়ে ডেলিভারি দিতে পারবেন এমন কেউ আছেন?
প্লিজ কারো এমন জানাশোনা থাকলে জানাবেন প্লিজ।
চার্জ প্রাইস যা হোক কোনো সমস্যা নেই। যাস্ট খাবারের মান ভালো হোক।
26/05/2026
কাল বাদে কোরবানি, কিছু ন্যাকামার্কা পোস্ট সহ্য করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হচ্ছি৷ যেমন- তিনবেলা গোসত খেতে ভালো লাগছেনা, কারো বাসায় সবজি হবে? গরুর গোসতর অত্যাচার হ্যানত্যান🫤
লাগাতার গোশত খেতে অভক্তি আসবে এটা জানা কথা। কিন্তু তাই বলে এত হেয় করে বলাটা কি উচিত?
কোরবানি ঈদের দিনও ব্রয়লার মুরগি দিয়ে ভাত খায় এমন পরিবার দেশে আছে। আর এদের নাকি গোসত খেতে অত্যাচার মনে হয়। বাসায় কি সবজি নাই নাকি রানতে জানোনা?
গা'যাতে এককেজি গোসতের দাম বাংলাদেশি টাকায় চার হাজার টাকা। ঈদে তারা একপিস করে গোসত খেতে পাবে কিনা আল্লাহ জানেন। আর এদিকে কিছু papa ki pari আর mammi ki para পোস্ট দেয় "কারো বাসায় সবজি হবে?"
তোমার খেতে এতো অসুবিধা হলে খেওনা ভাই তাও এসব ছ্যাবলামি কইরোনা। তুমি যদি ভাবো এসব পোস্ট করে তোমাকে অনেক কুল ডুড লাগে তাহলে দেলুলু থেকে বের হয়ে আসো।
এইবার অন্তত এমন পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
আপনি নেয়ামত পাচ্ছেন দেখে বুঝতে পারছেন না।
কিন্তু যারা পাচ্ছে না তাদের কথা একবার চিন্তা করে দেখবেন।
26/05/2026
একটা ভিডিওতে দেখলাম, এক লোক স্টেডফাস্টের পার্সেলের ব্যাগ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।
রাইডার হয়ত নিচে সাইকেল রেখে উপরে কাস্টমারকে পার্সেল দিতে গিয়েছে।
একবার তো এক রাইডারের পুরা সাইকেল সহ চুরি হয়ে গেছিলো। সাইকেল কাধে করে নিয়ে পালাই গেছে দুই চোর।
ঠিক এই কারনে আমরা অর্ডারের সময় বলে দেই যে, পার্সেল নিচে এসে রিসিভ করতে হবে। উপরে উঠে দিয়ে আসার সিস্টেম আমাদের নেই।
অনেকে আবার এরজন্য রাগ দেখান। আমরা নাকি চার্জ বেশি নিচ্ছি তাহলে সার্ভিস কেন বেশি দিব না?
মূলত চার্জ যেটা সেটাই নেয়া হচ্ছে। রাইডারদের চার্জের এক পয়সাও আমাদের পকেটে আসে না। উলটো মাঝে মাঝে মডারেটররা চার্জ লিখতে ভুল করলে আমরা ভর্তুকি দেই।
আপনাদের একটা বিষয় বুঝতে হবে। এটা ফুড পান্ডা না।
নর্মালি ফুড পান্ডার রাইডার একটা লোকেশনে একটা খাবারই নিয়ে যায়। তাই তার জন্য উপরে উঠতে সমস্যা হয় না।
আবার তাদের কাধে কোম্পানীর ব্যাগ থাকে। ব্যাগে করে ইজিলি নিয়ে যেতে পারে।
কিন্তু স্টেডফাস্ট বা আমাদের যে গ্রুপের রাইডার আছে তাদের কাছে একসাথে ২০/৩০টা পার্সেল থাকে। এত পার্সেল কাধে ক্যারি করা অসম্ভব।
তাই যখন উপরে যেতে বলা হয় তখন রাইডার বাধ্য হয়ে নিচে সব পার্সেল রিস্কে রেখে উপরে যায়। তখন এসব অঘটন গুলার শিকার হয়।
তখন পুরো লস কিন্তু এই বেচারা রাইডারের একাই টানতে হয়।
আবার আপনি চিন্তা করেন একজন মানুষ ২০টা পার্সেল নিয়ে ২০টা লোকেশনে সাইকেল চালিয়ে যাবে আবার এই ২০টা বাড়িতে উপরে উঠে উঠে সব দিয়ে আসবে।
মাত্র ১০০/২০০ টাকার জন্য এত খানি পরিশ্রম আসলেই কি সে ডিজার্ভ করে? কি পরিমান ধকল তার উপর দিয়ে যাবে একবার ভেবে দেখেছেন?
হ্যাঁ! অনেক সময় কাস্টমারদেরও অসুবিধা থাকতে পারে।
যার কারনে তার পক্ষে নিচে নামা সম্ভব হয় না।
এইরকম এক্সসেপশনাল ক্ষেত্রে আপনি যদি রাইডারের অন্যান্য প্রোডাক্ট ও সাইকেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন তাহলে রাইডার অবশ্যই উপরে যাবে।
সাথে যদি একটু টিপস দিয়ে দেন তাহলে তার আর কোনো অভিযোগ থাকে না।
তাও আমি সব সময় অনুরোধ করব সম্ভব হলে কষ্ট করে একটু নিচে এসে নিয়ে যেতে। একটা মানুষ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে আপনার আমার এত উপকার করে দিচ্ছে,
আপনার আমার বাইরে বের হতে হচ্ছে না।
সেখানে আমরা এইটুক স্যাক্রিফাইস তো তার জন্য করতেই পারি।
আমাদের যে রেগুলার এত পার্সেল যায় এরপরেও প্রতিবারই আমার ভদ্রলোক নিচে নামিয়ে দিত। এভাবে দৈনিক ১৫/২০বার করে সিড়ি বেয়ে উনি অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন।।
এখনো ওই ব্যথা সেড়ে উঠতে পারেননি। তাও এখনো যতটুক সম্ভব হয় রাইডারদের পার্সেল নামিয়ে দিয়ে আসেন। আর যেদিন
কুলাতে পারেন না ওইদিন রাইডারদের রিকুয়েষ্ট করেন উপরে আসতে।
আসলে সবাই তো আমরা মানুষ। সবাই সবার বিষয়টা একটু কন্সিডার করলে কিন্তু আমাদের সবার জন্যই কাজ করা সহজ হয়ে যায়।
26/05/2026
আমি আর ভদ্রলোক নানান জায়গায় মোমো ট্রাই করি।
আমাদের মোমোর টেস্ট আরো কিভাবে ইম্প্রুভ করতে পারি সেটা যাচাই করতে এসব ট্রায়াল চলে।
এ পর্যন্ত যতো জায়গায় খেয়েছি প্রতিবারই ভদ্রলোক বলে,
"নাহ! তোমারটাই বেস্ট"।
"আমাদের চেয়ে বেটার কেউ বানায় না" এমনটা ক্লেইম করলে আসলে মিথ্যা হয়ে যাবে।
আমাদের চেয়ে বেটার যেসব জায়গায় খেয়েছি সবগুলার প্রাইসও ওমন হাই। ৫ পিসের দামই ৩০০ থেকে ৫০০ রেখে ফেলে। আবার টেস্ট ভাল হলেও মিটের পরিমান এত বেশি পাই না।
প্রাইসিং, কোয়ালিটি, কোয়ান্টিটি সব দিক যদি বিবেচনা করি তাহলে সত্যি বলতে আমাদের মোমোকে মার্কেটে এখনো কেউ বিট করতে পারে নাই।
এখানে যে ছবিটা দেখছেন ১৫ পিসের দাম নিয়েছে ভ্যাট সহ ১১০০+
৫টা ফ্লেভারের এসোর্টেড বক্স। কিন্তু একটা সিঙ্গেল পিসও মজা লাগে নাই। 💔
এখন ভদ্রলোক বলতেছে এভাবে ট্রায়াল দেয়া বন্ধ করতে। বাসায় বসে নিজেদেরটা খাবো এখন থেকে 😅
24/05/2026
বাংলাদেশে জন্ম নিয়ে আপনি দুনিয়ার যে দেশে চলে যান না কেন শান্তি পাবেন না🙃
কিচেনে রান্না করবেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও মনে হবে মনে হয় গ্যাস লিক করতেছে। রাতে নিরাপদ পরিবেশে জানালাটা খুলে ঘুমাবেন, মনে হবে ওই বোধহয় চোর আসলো। টাকা সাথে নিয়ে বাইরে বের হবেন, মনে হবে কেউ বোধহয় টাকাটা নিয়ে নিলো।
বাচ্চাকে স্কুলে পাঠালে বুকের ভেতর ধকধক আর মাথার ভেতর ঘুরপাক খাবে নানান চিন্তা। মনে হবে কেউ বোধহয় আমার বাচ্চাটাকে....
যতো উন্নত দেশে যান না কেন এরকম মনে হতেই থাকবে কারণ আপনি জন্ম নিছেন এমন এক দেশে যেখানে পদে পদে বিপদ। কদমে কদমে দেখা হয় একটা করে মানুষরুপী জানোয়ারের সাথে🙂
আমাদের পনির কাট করে কাস্টমাররাও মজা পেয়ে গেছেন। 😇😁
এত এত ভিডিও জমা পড়ছে!
কিছু কিছু ভিডিও রেজুলেশন কমের জন্য আপলোড করতে পারছি না।
বাট এরপরেও অনেক কৃতজ্ঞ যে তারা আগ্রহ নিয়ে এত সুন্দর ভিডিও মেক করে পাঠাচ্ছে। 🥹
এই পনিরের মেন্টিনেন্স আসলেই টাফ।
বাট কাস্টমাররা যখন এত কোঅপারেটিভ হয় তখন তাদের জন্য কষ্ট করতেও ভাল লাগে। 🥹
love you all! 🥰
24/05/2026
আমি যে মাঝে মাঝে একেকদিন পনিরের বিভিন্ন প্রশংসা করে পোস্ট দেই এতে হয়ত আপনারা কেউ কেউ কনফিউজড হয়ে যান যে, "আপু! আজকের পনির এত ভাল এসেছে বলছেন, তাহলে কি প্রতিদিন ভাল পনিরটা দেন না?"
বাস্তবে আমাদের পনির অলওয়েজ বেস্ট। আপনি যে কোনো দিন আমাদের পনিরের সাথে মার্কেটের পনিরের কম্পেয়ার করে দেখবেন। অলওয়েজ আমাদেরটা বেস্ট পাবেন।
এখন আমি যে একেকদিন পনির অনেক মজার এসেছে বলি সেটা মূলত একটা নির্দিষ্ট গুন বিচারে বলি।
যেমন পনির
কখনো সুপার সফট আসে,
কখনো পনিরে ক্রিম বেশি থাকে,
কখনো জালি বেশি পরে
কখনো ফ্লাফি বেশি হয়
কখনো ফারমানটেড কম হয়
কখনো দুধের স্বাদ বেশি পাওয়া যায়
এমন ইত্যাদি নানান বৈশিষ্ট পনিরে থাকে ।একেক ব্যাচে একেকটা গুন কম বেশি থাকে। তো যেই ব্যাচে যেই গুনটা বেশি পাই সেইটা হাইলাইট করে পোস্ট দেই।
যেমন গতকালকে বললাম পনিরটা স্বরের মত স্বাদ ছিল। মানে এটায় দুধের ঘ্রাণটা বেশি পাচ্ছিলাম। কিন্তু সেখানে একবারও কিন্তু বলি নাই যে তুলার মতন নরম পনির আসছে। বা অনেক সুন্দর জালি পড়েছে।
কারন আমাদের পনির এর চেয়েও নরম ও আরো সুন্দর জালিরও মাঝে মাঝে আসে। ওয়েদারের উপর এই ব্যাপারটা ডিপেন্ড করে।
সব গুনাবলী একদম ১০০ তে ১০০ করে একসাথে থাকবে এটা অসম্ভব। একেক সময় একেক দিক প্রাধান্য থাকে।
তাই যেদিন যেটা প্রাধান্য থাকে সেটা হাইলাইট করে আমি মার্কেটিং করি।
এর মানে এই না যে অন্য ব্যাচ খারাপ দেই। বরং বেয়ার মিনিমাম কোয়ালিটি ম্যাচ না করলে ওইদিন আমরা পনিরই দেই না। সব ফেরত পাঠাই।
যাই হোক! এখন আমাদের পনির ঈদের পর আসবে।
আর ঘি ও স্টক আউট। এখন স্টকে শুধু ছানা ও মোজেরেলা আছে। মোহাম্মাদপুর, ধানমন্ডি এসব আশেপাশের এরিয়ার কারো লাগলে আগামীকাল পর্যন্ত দেয়া যাবে।
23/05/2026
পনির আর মোমোর চক্করে আমাদের যে আরেকটা দুর্দান্ত আইটেম আছে সেটার মার্কেটিং করাই হয়ে উঠছে না।
আসলে এইটার বেশি মার্কেটিং করতেও চাই না। কারন এই মানের ঘি তুলে আনতে যে পরিমান শ্রম সে পরিমান লাভ আমরা ঘিয়ে তুলতেই পারি না।
যাস্ট কাস্টমারদের সুবিধার্থে ঘিটা স্টকে রাখি। যেন এক জায়গা থেকে একাধিক ডেইরি জিনিস কিনতে আপুদের সুবিধা হয়।
এখন দেখা যায় ঘিটা এতই ভাল যে মার্কেটিং করলে ঘি জলদি শেষ হয়ে যায় তখন আমাদের মেইন প্রোডাক্ট আটকে যায়।
আবার ঘি তুলে আনতে যে যাব ওই পরিমান সময় বের করাটাও টাফ হয়ে যায়।
এজন্য এখন সুযোগ করে একসাথে অনেক ঘি তুলে আনি। এরপর আস্তে আস্তে যেতে থাকে। মেক্সিমাম রিপিট কাস্টমাররাই নিয়ে শেষ করে ফেলেন।
এইটাতে ভদ্রলোক কয়েকবার দাম বাড়াইতে বলসেন। এই মানের ঘি মার্কেটে কেউ এত কমে সেল করে না।
কিন্তু আমি বাড়াই না।
লাভ তো অন্য আইটেমে করছিই।
কিছু ভাল জিনিস থাকুক মানুষের সাধ্যের মধ্যে
তাদের উপকারের জন্য। 🌸
এখন স্টকে ৬/৭ কেজির মত আছে।
কালকে আমাদের লাস্ট ঘিয়ের পার্সেল ডিসপ্যাচ হবে।
এছাড়া স্টকে এখনো ছানা আছে।
ছানা ও ঘি একসাথে নিলে ফ্রী ডেলিভারি চার্জ ডিসকাউন্ট পাবেন। অফার কেবল কালকের জন্যই ঢাকার ভেতর প্রযোজ্য।
23/05/2026
এইটা কোনো সেল পোস্ট না।
এইটা কারিগর ভাইয়ের জন্য ডেডিকেট করে একটা থ্যাংকিউ পোস্ট।
গতকাল ভদ্রলোক উনারে বলসে,"ভাই! কালকে লাস্ট দিন। আগেই বইলা দেন ঠিকঠাক মতন পনির উঠাইতে পারবেন কি না। যদি কালকে উলটা পালটা মাল দেন তাইলে বেচা কেনাই বন্ধ কইরা দিমু। অন্য ব্যবসা ধরমু। আপনাদের এসব নমুনা আর ভাল্লাগে না।"
অতঃপর আজকে একদম সরের মতন স্বাদের পনির পাঠাইসে। খুব্বি মজা। ছবিতে পনিরের টেক্সচারটা দেখেন কি লোভনীয়!
আজকে পনির শর্ট পড়ে গেছে। ইভেন আব্বু দুই কেজি বুকিং দিয়েছিল। গিফট করবে বলে। লাস্টে সেখান থেকেও এক কেজি টান দিতে হয়েছে। আজকে আফসোস হচ্ছে কেন আরো বেশি পনির পাঠাইল না। 🥲
আজকে যারা নিচ্ছেন তারা জিতসেন ভাই জিতসেন। 😇
আজকে আমাদের পনির পাবনা ও রংপুরেও যাচ্ছে।
আবার ভাইবেন না যে আমরা পাঠাচ্ছি।
কাস্টমারের রিলেটিভ ঢাকা থেকে গ্রামে যাবে। তাই সাথে করে নিয়ে যাচ্ছে। এভাবে অনেকেই নেয়। ঢাকা থেকে সরাসরি আমরা পাঠাতে পারি না।
এখন ঠিকঠাক মতন সব ডেলিভারি সাকসেস হতে পারলেই হলো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka