Think Loom
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Think Loom, Education, Dhaka.
Thoughts that inspire, stories that connect, and ideas that spark change—ThinkLoom is where creativity finds its voice!"
চিন্তা যা অনুপ্রেরণা দেয়, গল্প যা সংযোগ স্থাপন করে, এবং ধারণা যা পরিবর্তন আনে—ThinkLoom হলো সৃজনশীলতার প্রকাশের স্থান!"
16/06/2026
ইতিহাসের সেরা একটি ম্যাচ ছিলো কেপ ভার্দে!
তোমারা দেখিয়ে দিয়েছো কিভাবে ম্যাচে কোন গোল না করে জয় লাভ করা জায় তোমাদের জন্য শুভকামনা ❤️🔥
13/06/2026
"হায়রে আমার দেশ! রক্ষক-ই এখন ভক্ষক!"😰
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষ ম্যাচ খেলে বিমানে করে চট্টগ্রামে পৌঁছান ক্রিকেটার 'নাঈম হাসান।' ফ্লাইট লেট হওয়ায় মাঝরাতে কোনো বড় গাড়ি না পেয়ে একটা সাধারণ সিএনজিতে করে বাসায় ফিরছিলেন।
সিএনজিটি লালখান বাজার এলাকায় এলে টহল পুলিশ তাদের থামায়। সাদা পাঞ্জাবি পরা একজন এবং পুলিশের ড্রেস পরা এসআই 'শফিক' গাড়ি চেক করার কথা বলে 'নাঈমকে' নামতে বলে।
'নাঈম' নিজের পরিচয় দেন, জাতীয় দলের অফিসিয়াল কার্ড দেখান এবং ব্যাগ চেক করতে বলেন। কিন্তু এসআই 'শফিক' তাকে ঘাড় ধরে ধাক্কা মে/ রে সিএনজির ভেতর ঢুকিয়ে লক করে দেয় এবং চেঁচিয়ে বলতে থাকে- "তুই আ' সা' মি। তুই চুপ থাক, একটাও কথা বলবি না।"
এর পরপরই আবারও 'নাঈমের' গ/ লা চে*পে ধরা হয়.....
নাঈম যখন চিৎকার করে নিজের বাবাকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। নাঈম প্রতিবাদ করে বলেন- "বিনা অপরাধে আমার গায়ে হা*ত দেওয়ার অধিকার আপনার নেই!" তবুও এসআই শফিক তাকে লা*ঠি দিয়ে বেধড়ক পে**টায়।
আশেপাশের সাধারণ মানুষ ততক্ষণে চিৎকার শুনে জমা হয়ে যায়। তারা নাঈমকে চিনে ফেলে এবং পুলিশের কাছে পরিচয় নিশ্চিত করে।
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ং*কর বিষয়- "পুলিশ তাকে সরকারি গাড়িতে না তুলে, একটা সাধারণ প্রাইভেট কারে তোলার চেষ্টা করতে থাকে!"
নাঈম তখন বুঝতে পারেন তাকে গু**ম করার চেষ্টা হচ্ছে। কারণ দেশে সরকার বদল হলেও 'গুম' করার সংবিধান তারা বাদ দেননি আজও।
তাই তিনি চিৎকার করে উপস্থিত জনতাকে বলেন- "তারা যেন তাকে একা না ছাড়ে এবং সাথে থানায় যায়।"
মাঝরাত হলেও উপস্থিত শত শত সাহসী সাধারণ মানুষ নাঈমের সাথে খুলশী থানায় চলে যায়।
থানায় যাওয়ার পর নাঈম যখন কাঁদতে কাঁদতে ওসির কাছে অভিযোগ করেন, ওসি তখন 'নাঈম'কে উল্টো ধমক দিয়ে বলেন- "চোখ নামিয়ে সম্মান দিয়ে কথা বল বেটা"
কিন্তু কিছুক্ষণ পর যখন বিভিন্ন ওপর মহল থেকে ওসির ফোনে কল আসা শুরু হয়, ওসির সুর মুহূর্তেই নরম হয়ে যায়! ততক্ষণে নি*র্যা*তন-কারী সেই তিন পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে কৌশলে সরিয়ে ফেলা হয়।😵
আজকে মিডিয়ার সামনে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বাংলাদেশ দলের এই অফস্পিনার বাচ্চার মতো কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
একজন ইন্টারন্যাশনাল সেলিব্রেটি ক্রিকেটারের সাথেই যদি মাঝরাতে এই ন্যাক্কারজনক আচরণ করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হতে পারে? সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার কথা ভাবা যায়? ভাবলেই গা শিউরে ওঠে-রে ভাই!🙂
-diary of she
20/05/2026
প্রিয় শুভেন্দু,
গরু জবাই বন্ধের মহত্তম অভিযানে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন। গরুর প্রতি আপনার এই অগাধ শ্রদ্ধা, সীমাহীন ভক্তি এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের প্রেম দেখে আমরা সত্যিই অভিভূত। এখন শুধু অনুরোধ, এই ভক্তি যেন কেবল বক্তৃতামঞ্চ, মিছিলের স্লোগান আর টিভি ক্যামেরার সামনে আটকে না থাকে। যদি এখনো শুরু না করে থাকেন, তবে আজ থেকেই তিন বেলা নিয়ম করে গো-মূত্র সেবন শুরু করুন। আর সম্ভব হলে সকালে একবার, সন্ধ্যায় একবার গো-মূত্রে স্নান করুন। এতে ভক্তির বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ—দুই ধরনের পবিত্রতাই নিশ্চিত হবে।
কঠোরভাবে খেয়াল রাখবেন, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে দলীয় পাহারাদার বসাতে হবে। শুধু আস্ত গরু নয়, গরুর একটি লোম, একটি শিং, এমনকি লেজের সামান্য নড়াচড়াও যেন বাংলাদেশের দিকে যেতে না পারে। সীমান্তে যদি দরকার হয় ‘গো-ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট’ বসান। গরুরও তো মর্যাদা আছে; তাকে আর পাঁচটা সাধারণ প্রাণীর মতো সীমান্ত পার হতে দেওয়া যায় না।
মমতা ব্যানার্জীর যুগে গরু যে কত অবহেলিত হয়েছে, কত অসম্মানিত হয়েছে—তা ভাবলেই চোখে জল আসে। এতদিন স্কুল-কলেজে মানুষ পড়েছে, বিজ্ঞান পড়েছে, ইতিহাস পড়েছে, সাহিত্য পড়েছে—এ এক ভয়ংকর সেক্যুলার অপচয়! এখন সময় এসেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকৃত অর্থে পবিত্র কাজে ব্যবহার করার। স্কুল-কলেজের শ্রেণিকক্ষগুলোকে গরুর সম্মানজনক আবাসনে রূপান্তর করুন। ব্ল্যাকবোর্ডে গণিতের সূত্র না লিখে লিখুন—“গো-মাতা সর্বোচ্চ সত্য।” ল্যাবরেটরিতে রসায়ন নয়, গো-মূত্রের আধ্যাত্মিক গুণাবলি পরীক্ষা করা হোক। ছাত্রদের শেখানো হোক কীভাবে শ্রদ্ধার সঙ্গে গো-মূত্র সেবন করতে হয়, কীভাবে গোবরের সামনে মাথা নত করতে হয়, এবং কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের বদলে গো-উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হয়।
আর যেসব হিন্দু নারী এতদিন গরু পালন করে কোরবানীর সময় মুসলমানদের কাছে বিক্রি করে সংসার চালাতেন—তাদের অপরাধ তো অকল্পনীয়! তারা গরুকে অর্থনীতির অংশ ভেবেছিলেন, অথচ আপনারা তাকে রাজনীতির সিংহাসনে বসিয়েছেন। অতএব তাদের জন্য বিশেষ ‘গো-নৈতিকতা পুনর্বাসন কেন্দ্র’ খোলা যেতে পারে। সেখানে তারা শিখবেন, ঋণ, সংসার, সন্তান, জীবিকা—এসব তুচ্ছ বিষয়; গো-মাতার সম্মানই একমাত্র রাষ্ট্রীয় সত্য। যারা গরু পালনের জন্য ব্যাংক বা মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন, তাদের বোঝান—সুদখোর মহাজনের কাছে মাথা নত করার চেয়ে গো-মাতার সামনে অনাহারে বসে থাকা অনেক পবিত্র।
আধুনিক বিজ্ঞান বলে গরুর গোবর উৎকৃষ্ট জৈব সার। কিন্তু গো-মাতার দানকে মাটিতে ফেলে দেওয়া কি কম অপমানের কথা? মাটিরও তো মর্যাদা আছে, কিন্তু গোবরের মর্যাদা কি তার চেয়ে কম? তাই গোবরকে শুধু সার হিসেবে ব্যবহার না করে ভাতের বিকল্প হিসেবে রাষ্ট্রীয় খাদ্যনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করুন। ইচ্ছে করলে গোবরের রুটি, গোবরের পিঠা, গোবরের পরোটা, এমনকি গোবরের বিরিয়ানি চালু করা যায়। এতে একদিকে কৃষি বাঁচবে, অন্যদিকে ভক্তির পাকস্থলীও পবিত্র হবে। গো-মাতার আশীর্বাদে শরীর, মন, ভোটব্যাংক—সবই ভালো থাকবে।
শুভেন্দু, গরুর চামড়া দিয়ে জুতা, ব্যাগ, বেল্ট বানানো বিরাট অধর্মের কাজ। গো-মাতার চামড়া পায়ের নিচে থাকবে—এ কেমন ভক্তি? অতএব অবিলম্বে গরুর চামড়ার সব কারখানা বন্ধ করুন। যারা গরুর চামড়ার জুতা পরে গো-রক্ষার বক্তৃতা দেয়, তাদের জন্য আলাদা সংশোধনাগার হওয়া দরকার। মুখে গো-মাতা, পায়ে গো-মাতা—এই দ্বিচারিতা আর চলতে দেওয়া যায় না।
শুধু তাই নয়, যেসব দেশ গরুর মাংস খায়, তাদের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করুন। আমেরিকা, ইউরোপ, চীন, রাশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য—কেউ ছাড় পাবে না। গো-মাতার মাংস ভক্ষণকারীদের সঙ্গে বাণিজ্য, কূটনীতি, প্রযুক্তি বিনিময়—এসব ভক্তির পথে বাধা। পশ্চিমবঙ্গের যারা এসব দেশে কাজ করে, তাদেরও ঘোষণা দিন—এক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে আসতে হবে। না ফিরলে তাদের বাড়িঘর রাষ্ট্রীয় গো-সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হোক। যারা গো-মাংসভোজী দেশের রেমিট্যান্স নেবে, কিন্তু মঞ্চে উঠে গো-মাতার জয়ধ্বনি দেবে—তাদের ভক্তির হিসাবও একদিন মিলিয়ে দেখা দরকার।
আর একটি অনুরোধ—রাজ্যের সব সরকারি দপ্তরে চা-কফির বদলে গো-মূত্র পরিবেশন বাধ্যতামূলক করুন। মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হোক গো-মূত্র পান দিয়ে, শেষ হোক গোবর-প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে। বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করুন—সেই সব গরুর স্মরণে, যারা এতদিন মানুষের খাদ্য, কৃষকের সম্পদ ও অর্থনীতির অংশ ছিল; এখন তারা হোক রাজনীতির পোস্টার, স্লোগান ও ধর্মীয় উন্মাদনার কেন্দ্রবিন্দু।
শুভেন্দু, আপনি যখন গো-ভক্তির এই সুবর্ণযুগ শুরু করলেন, তখন আর অর্ধেক পথে থেমে গেলে চলবে না। গরুকে শুধু জবাই থেকে বাঁচালেই হবে না; তাকে অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসন, পররাষ্ট্রনীতি, খাদ্যনীতি—সব কিছুর কেন্দ্রে বসাতে হবে। মানুষ না খেয়ে মরুক, কৃষক ঋণে ডুবে যাক, দরিদ্র নারী জীবিকার পথ হারাক—এসব ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে ভাবলে মহৎ রাজনীতি করা যায় না। মহৎ রাজনীতির জন্য প্রয়োজন মহৎ প্রতীক; আর আপনার রাজনীতিতে সেই প্রতীকের নাম—গরু।
গো-মাতার মূত্র পান করে, গোবরের রুটি খেয়ে, ভক্তির আলোয় আলোকিত থাকুন, শুভেন্দু। আপনার শরীর পবিত্র হোক, মন পবিত্র হোক, রাজনীতি আরও পবিত্র হোক—এবং পশ্চিমবঙ্গ একদিন সত্যিকার অর্থেই মানুষহীন, যুক্তিহীন, কিন্তু গরুসমৃদ্ধ এক মহাপবিত্র রাজ্যে পরিণত হোক।
ইতি,
মইনুল হক
ডেট্রয়েট, মিশিগান।
ও হ্যাঁ শুভেন্দু—দেখুন তো কী কাণ্ড! এত বড় অধর্মের কথা বলতে প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম। গো-মাতাকে দিয়ে হালচাষ করানো তো মহাপাপ! অতএব জোয়াল ধামড়া গো-রক্ষকদের কাঁধে তুলে দিন, আর লাঙ্গলটা কৃষকের হাতে ধরিয়ে দিন। শাস্ত্রে আছে—‘গো-মাতার সেবা করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’।
🛑 আপনার মাসিক পারিবারিক ইনকাম যদি ৩০,০০০ টাকা হয় তাহলে আপনি নিম্নবিত্ত বা দরিদ্র।
লক্ষণ:
🔻 মাস শেষে টাকা থাকে না
🔻 বাসা ভাড়া, খাবার, চিকিৎসায় কষ্ট
🔻 সঞ্চয় প্রায় নেই
🔻 হঠাৎ অসুখ হলে ধার করতে হয়
🛑 ইনকাম যদি ৩০,০০০ – ৬০,০০০ টাকা হয় তাহলে নিম্ন-মধ্যবিত্ত।
লক্ষণ:
🔻 কষ্ট করে সংসার চলে
🔻 বাচ্চার পড়াশোনা চালানো যায়
🔻 সঞ্চয় খুব কম
🔻 চিকিৎসা/বড় খরচে চাপ পড়ে
🛑 ইনকাম যদি ৬০,০০০ – ১,২০,০০০ টাকা হয় তাহলে মধ্যবিত্ত।
লক্ষণ:
🔻 মোটামুটি সম্মানজনক জীবন
🔻 বাসা ভাড়া, পড়াশোনা, বাজার চালানো যায়
🔻 কিছু সঞ্চয় হয়
🔻 বছরে ১–২ বার ঘুরতে যাওয়া সম্ভব
🔻 কিন্তু চাকরি গেলে সমস্যা
🛑 ইনকাম যদি ১,২০,০০০ – ৩,০০,০০০ টাকা হয় তাহলে উচ্চ-মধ্যবিত্ত।
লক্ষণ:
🔻 গাড়ি/ফ্ল্যাট EMI সম্ভব
🔻 ভালো স্কুল, ভালো চিকিৎসা
🔻 নিয়মিত সঞ্চয় ও বিনিয়োগ
🔻 মাঝেমধ্যে বিদেশ ভ্রমণও সম্ভব
🛑 ইনকাম যদি ৩,০০,০০০+ টাকা হয় তাহলে উচ্চবিত্ত বা ধনী।
লক্ষণ:
🔻 বহু সম্পদ
🔻 ব্যবসা/ভাড়া/বিনিয়োগ আয়
🔻 একাধিক গাড়ি/ফ্ল্যাট থাকতে পারে
🔻 অর্থ নিয়ে দৈনিক চিন্তা কম
🇧🇩 বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আরও বিস্তারিত ক্যাটাগরি করা হলে:
▪️চরম দরিদ্র — ১৫,০০০ টাকার নিচে
▪️নিম্নবিত্ত — ১৫,০০০ – ৩০,০০০ টাকা
▪️নিম্ন-মধ্যবিত্ত — ৩০,০০০ – ৬০,০০০ টাকা
▪️মধ্যবিত্ত — ৬০,০০০ – ১,২০,০০০ টাকা
▪️উচ্চ-মধ্যবিত্ত — ১,২০,০০০ – ৩,০০,০০০ টাকা
▪️উচ্চবিত্ত — ৩,০০,০০০ – ১০,০০,০০০ টাকা
▪️ধনী / সম্পদশালী — ১০,০০,০০০+ টাকা
▪️অতি ধনী / এলিট শ্রেণি — ৫০,০০,০০০+ টাকা
✅ এটা ঢাকা শহরকেন্দ্রিক হিসাব। অন্যান্য শহর বা গ্রামে যেহেতু খরচ কম সেহেতু হিসাবও ভিন্ন।
✅ ৪ সদস্যের পরিবার ধরে এ এস্টিমেশন করা হয়েছে। সদস্য সংখ্যা বেশি হয়ে ইনকাম আরও বেশি প্রয়োজন হবে।
✅ এগুলো অফিসিয়াল নিয়ম নয়, শুধু বাস্তবতা, মূল্যস্ফীতি, শহর-গ্রাম ব্যয়ের পার্থক্য, এবং আন্তর্জাতিক ধারণা বিশ্লেষণ অনুযায়ী আনুমানিক হিসাব।
তো, আপনি কোন ক্যাটাগরিতে আছেন.? 🤷♂️
20/03/2026
লঞ্চ দুর্ঘটনায় এখনো নিখোঁজ এই মিরাজ ফকির (যিনি নিহত সোহেল এর বাবা)। দুটি লঞ্চের নিচে চাপা পড়ে যে মানুষটিকে একেবারেই পিষ্ট হতে এবং নদীতে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই মিরাজ ফকিরিই সেই ব্যক্তিটি! যার কোন চিহ্ন এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি!
যেহেতু এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি, সেহেতু ধারণা করা হচ্ছে: পিষ্ট হয়ে নদীতে পড়ে যাওয়া ওই ব্যক্তিটিই মিরাজ ভাই, ইতোমধ্যে তিনিও পরলোক গমন করেছেন!
সবকিছু বিলীন (পিতা ও পুত্রের মৃত্যু) হয়ে যাওয়া এই পরিবারটির জন্য দেশবাসীর নিকট আমাদের দোয়া প্রার্থনা!
সবাই দোয়া করবেন: আল্লাহ যেন তাদের দুজনকেই জান্নাতবাসি করেন এবং পরিবারের অবশিষ্টজনদের যেন এই গভীর শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দান করেন!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka